চট্টগ্রামের বাজারে কমে গেছে সব ধরণের ভোজ্য তেলের দাম

পর্যাপ্ত সরবরাহ ও মজুদ থাকায় চট্টগ্রামের বাজারে কমে গেছে সব ধরণের ভোজ্য তেলের দাম। গত ১৫ দিনের ব্যবধানে দাম কমেছে মণ প্রতি ১০০ টাকা। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমে যাওয়ায় রমজানকে ঘিরে দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই বলে মনে করছেন ব্যবসায়ী ও আমদানীকারকরা।

আমদানীকারকদের হিসেবমতে, বছরের অন্যান্য সময় সারাদেশে পাম ও সয়াবিন তেলসহ দেড় লাখ মেট্রিকটন ভোজ্যতেলের চাহিদা থাকে। কিন্তু রোজায় ইফতারের অন্যতম উপকরণ ছোলা, পেঁয়াজু, বেগুণিসহ বিভিন্ন তেলেভাজা খাবারের কারণে ভোজ্যতেলের এ চাহিদা দ্বিগুণ বেড়ে পৌঁছায় প্রায় তিন লাখ মেট্টিক টনে।  এ অবস্থায় গত বছরের আমদানি করা সাড়ে ১৯ লাখ মেট্রিকটন ভোজ্যতেলের মধ্যে এখনো বিভিন্ন টার্মিনালে ২ লাখ মেট্রিকটন মজুদ ও এলসিসহ সোয়া তিন লাখ মেট্টিক টন তেল মজুদ আছে।

গত ১৫ দিনের ব্যবধানে আর্ন্তজাতিক বাজারে ৭৩০ ডলার থেকে কমে ৭১৫ ডলারে নেমেছে বুকিং রেট।

কম দামে আবার নতুন পণ্য বুকিং দিতে ব্যবসায়ীরা এখন কম মূল্যে ভোজ্য তেল বিক্রি করছেন। চট্টগ্রামের বৃহত্তম পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে গত ১৫ দিনে মণ প্রতি ২৫০০ টাকা থেকে কমে ২৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।  বাজারে এখন প্রতিমণ পামতেল বিক্রি হচ্ছে ২৪৬৫ টাকা, সুপার পাম ২৫০৫ টাকা এবং সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ২৯০০ টাকায়।

পর্যাপ্ত মজুদ থাকার কারণে এবছর রোজায় সব ধরণের তেলের দাম স্থিতিশীল থাকবে বলে মনে করছেন, ভোজ্য তেল অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা।

তবে রোজায় অসাধু ব্যবসায়ীদের দাম বাড়ানোর কারসাজি বন্ধে বাজার মনিটরিংয়ের দাবি ভোক্তাদের।

Leave a Reply