সাভারের চামড়া শিল্প নগরীর সিইটিপি অকোজো হওয়ার আশঙ্কা

হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি শিল্প দ্রুত সরিয়ে না নিলে সাভারের চামড়া শিল্প নগরীর সিইটিপি অকোজো হওয়ার আশঙ্কা করছেন শিল্প সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, এরইমধ্যে চামড়া শিল্প নগরীর অবকাঠামো ও প্রক্রিয়াজাত করণের কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। এখন দরকার মালিকদের সদিচ্ছা। আর মালিকরা বলছেন, তারাও চান সাভারে চলে যেতে। তবে এই মুহূর্তে যন্ত্রপাতি স্থানান্তরসহ শ্রমিকদের আবাসন খরচ মেটানো তাদের জন্য সবচে বড় সমস্যা ।

রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় ১৪৫টি ট্যানারি প্রতিদিন ২২ হাজার ঘনফুট তরল ও ১০ মেট্রিকটন কঠিন বর্জ্য উৎপাদন করছে, আর গোটা বর্জ্যইে পড়ছে বুড়িগঙ্গায়।

দূষণ ও মানবস্বাস্থ্যের বিষয়টি মাথায় রেখে ১৯৯১ সালে উদ্যোগ নেয়া হয় ট্যানারি স্থানান্তরের। ২০০৩ সালে মালিকদের সঙ্গে সরকারের চুক্তিও হয়। প্রায় ১৩ বছরের আইনী জটিলতা শেষ করে সম্প্রতি শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা আসে ট্যানারি স্থানান্তরের।

নির্ধারিত সময়ে কেন সাভারের চামড়া শিল্প নগরীতে স্থানান্তর হয়নি? এ নিয়ে ব্র্যাক মিলনায়তনে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি বেলার আয়োজনে আলোচনা। ট্যানারি সরাতে নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন মালিকরা।

সাভারের শিল্প নগরীতে শ্রমিকদের আবাসন নিশ্চিত করারও দাবি ওঠে।

পরিবেশ ও বনমন্ত্রীর আক্ষেপ, বুড়িগঙ্গা ধ্বংসের অন্যতম কারণ হাজারীবাগের ট্যানারী। দ্রুত স্থানান্তরে প্রশাসনের উদ্যোগ প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

হাজারীবাগ থেকে দ্রুত ট্যনারী সরিয়ে নিতে শিল্প মালিক ও সরকারের মধ্যে সমঝোতা হওয়া দরকার বলে মনে করেন বিশিষ্টজনরা।

Leave a Reply