গতিশীল হচ্ছে পুঁজিবাজার, বাড়ছে শেয়ারের চাহিদা

গতিশীল হচ্ছে পুঁজিবাজার। বাড়ছে ভালো শেয়ারের চাহিদা। আর শেয়ারের চাহিদা ও জোগানের মধ্যে সামঞ্জস্য রাখতে ভালো কোম্পানির আইপিও নিয়ে আসা জরুরি বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে তালিকাভুক্ত করা গেলে, ভালো শেয়ারের সরবরাহ বাড়বে, আকৃষ্ট হবে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগও।

রেজিস্টার্ড অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মসের তথ্য বলছে, প্রায় ৪শ’ বহুজাতিক কোম্পানি বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনা করছে। এরমধ্যে মাত্র ১৩টি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত। বাকি ৯৭ শতাংশই এখনো রয়ে গেছে তালিকাভুক্তির বাইরে। যা বৈশ্বিক বাস্তবতার সাথে মেলে না। কারণ এসব বহুজাতিক কোম্পানির বেশিরভাগই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্টক মার্কেটে তালিকাভুক্ত। বিনিয়োগকারীরা বলছেন, পুঁজিবাজারে ভালো শেয়ারের জোগান বৃদ্ধি ও কোম্পানিগুলোর লভ্যাংশে বিনিয়োগকারীদের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে এইসব প্রতিষ্ঠানকে পুঁজিবাজারে নিয়ে আসা জরুরি।

প্রায় একই মত পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞদেরও। তারা বলছেন, ব্যবসা সফল বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে তালিকাভুক্ত করা গেলে, পুঁজিবাজার বিকশিত হবে, কোম্পানিগুলোতে বাড়বে জবাবদিহিতা।

বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে তালিকাভুক্তি করা গেলে পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে। গতিশীল হবে অর্থনীতিও। এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

আইন অনুযায়ী কোনো কোম্পানীর পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা হলে তাকে পূঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত হতে হয়। আর পরিশোধিত মূলধন ৪০ কোটি টাকা হলে তা নিবন্ধিত হবে পাবিলক লিমিটেড কোম্পানী হিসেবে। তবে অনেক প্রতিষ্ঠানই এ আইন মানছে না।

Leave a Reply