একাত্তরের তাৎপর্যপূর্ন ২৭শে মার্চ আজ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে ২৭শে মার্চ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ দিন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে থাকে মুক্তিকামী লাখো জনতা। অন্যদিকে, ঢাকা শহরের পাশাপাশি হত্যাযজ্ঞ চালাতে পাকিস্তানী বাহিনীর সাঁজোয়া যান এগিয়ে চলে বাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে।

স্বাধীনতা ঘোষণার পরপরই দেশ মাতৃকাকে স্বাধীন করার যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে বাংলার আপামর জনতা। পাড়ায় পাড়ায় শুরু হয় মুক্তি বাহিনী গঠনের কাজ।

এদিন বঙ্গবন্ধুর পক্ষে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন মেজর জিয়াউর রহমান।

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার খবর গুরুত্ব সহকারে প্রচার করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। বিশ্ববাসী জানতে পারে মুক্তিকামী বাঙালীর সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণার কথা।

অন্যদিকে, পাকিস্তানী বাহিনীর গুলিতে বাড়তে থাকে শহীদদের সংখ্যা। তবে, স্বজনের মৃত্যু বাঙালীকে উদ্দীপ্ত করে প্রতিশোধের নেশায়। এই রাতে ঢাকার মুগদাপাড়া, ফকিরাপুল, পুরানাপল্টন, কমলাপুর রেল ষ্টেশনসহ বিভিন্ন স্থানে ঘটে ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা।

পূর্ব পাকিস্তান হাত ছাড়া হচ্ছে বুঝতে পেরে মরণকামড় দিতে থাকে পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠী। আর গ্রাম-গঞ্জ, বন্দরে বাঙালী সংগঠিত হতে থাকে নতুন সূর্য ছিনিয়ে আনার দৃপ্ত প্রত্যয়ে।

 

Leave a Reply