অপরিকল্পিত নগরায়ন, নদী ভরাট ও দূষণে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে পরিবেশ, জনসচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ পরিবেশবিদদের

প্রযুক্তির বিকাশের সাথে-সাথে অপরিকল্পিত নগরায়ন, নদী ভরাট ও দূষণে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে পরিবেশ। কমে যাচ্ছে কৃষিজ জমি ও বনাঞ্চল, বিরূপ হচ্ছে প্রকৃতি। এমন পরিস্থিতি মোকাবেলায় জনসচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন পরিবেশবিদরা। আইনের সঠিক প্রয়োগেরও দাবী তাদের। তবে পরিবেশ অধিদপ্তর বলছে, নানাবিধ কারণে অনেকটা সংকুচিত হয়ে পড়ছে তাদের কার্যক্রম।

বিশ্বব্যপি কার্বণ নি:স্বরণের কারনে ব্যপক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে পরিবেশ। বরফের স্তর গলে বেড়ে যাচ্ছে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা, প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল। আর কোথাও-কোথাও দেখা দিচ্ছে অনাবৃষ্টি, বেড়ে যাচ্ছে মরুময়তা। অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে প্রকৃতির বিরুপ আচরণের প্রভাব পড়ছে অনুন্নত বিশ্বের দেশগুলোর ওপর।

বাংলাদেশে জলবায়ুর পরিবর্তনে গ্রাম কিংবা শহর ভেদে বেশি প্রভাব পড়ে দরিদ্রশ্রেণীর মাঝে। তবে এর জন্য অপরিকল্পিত নগরায়নকেই দায়ী করছেন এই বিশেষজ্ঞ।

কৃষি জমি কমে যাওয়া ও বৃক্ষ নিধনও প্রকৃতির বিরুপ আচরণের বড় কারণ। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় বেশ কিছু পরামর্শও দিলেন তিনি।

এদিকে পরিবেশ সংরক্ষনে আইনের সঠিক প্রয়োগের তাগিদ দিয়েছেন পরিবেশ আন্দোলনের এই নেতা।

তবে পরিবেশ সংরক্ষণে কিছু সীমাবদ্ধতার কথা বললেন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা।

রুক্ষ নগরজীবনের পঙ্কিলতা মুছে প্রকৃতির সুস্থ্য-নির্মল পরিবেশ হবে এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের।

Leave a Reply