দখল ও দুষণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে না পারলে বুড়িগঙ্গাকে বাঁচানো যাবে না

দখল ও দুষণের বিরুদ্ধে এখনই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারলে বুড়িগঙ্গাকে বাঁচানো যাবে না বলে মনে করছেন পরিবেশবিদরা। এক আলোচনায় বিআইডব্লিউটিএসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের চোখের সামনেই নদী দখল হয়ে বলে অভিযোগ করেন তারা। নৌ-পরিবহনমন্ত্রীও বুড়িগঙ্গা দখলের বিষয়টি স্বীকার করে বলেছেন, দখলদাররা এ যুগের রাজাকার, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দখল-দূষণে বিবর্ণ রাজধানীর প্রাণ বুড়িগঙ্গা নদী। কলকারখানার দুষিত বর্জ্যে ক্রমেই মুক ও বধির হয়ে পড়েছে বুড়িগঙ্গা। কলকারখানার আবর্জনা পানিতে মিশে বুড়িগঙ্গার প্রাণকে করেছে ওষ্ঠাগত। এরসঙ্গে যোগ হয়েছে পাল্লা দিয়ে দখল। নদী হারিয়েছে তার নাব্যতা। দূষিত পানির দুর্গন্ধে নদী পাড় দিয়ে হাটাই যেন দায়।

এ অবস্থায় জাতীয় প্রেসক্লাবে বুড়িগঙ্গার ভবিষৎ শীর্ষক আলোচনায় বুড়িগঙ্গার জীববৈচিত্র্য নিয়ে উদ্বেগ জানান পরিবেশবিদরা।

চোখের সামনে বিভিন্ন স্থানে নদী দখল হয়ে যাওয়ায় বিআইডব্লিউটিএ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়কে দায়ী করেন বিশেষজ্ঞরা।

নদী দখলের এ অভিযোগ অস্বীকারও করেননি নৌ-পরিবহনমন্ত্রী।

সরকার এবং পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো একযোগে কাজ করলে বুড়িগঙ্গাকে বাঁচানো সম্ভব বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

Leave a Reply