জঙ্গি মারজান ও সাদ্দামের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন , সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা

জঙ্গি নুরুল ইসলাম মারজান ও সাদ্দাম হোসেনের ময়নাতদন্ত হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। তাদের শরীরে গুলির একাধিক চিহ্ন মিলেছে বলে জানিয়েছে ফরেনসিক বিভাগ। এ’ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এজাহারে একজনের পালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এদিকে, সন্তানের জঙ্গি কর্মকান্ডের জন্য ঘৃনা প্রকাশ করেছে সাদ্দামের পরিবার।

বৃহষ্পতিবার গভীর রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ এলাকায় পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয় নব্য জেএমবি’র অপারেশন কমান্ডার নুরুল ইসলাম মারজান ও তার সহযোগি সাদ্দাম হোসেন।

পরে তাদের লাশ উদ্ধার করে পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে।

শনিবার সকালে জঙ্গিদের লাশের ময়নাতদন্ত শেষে কথা বলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান।

মৃত্যুর আগে জঙ্গিরা উত্তেজক কিছু বা কোনো ওষুধ সেবন করেছিলো কিনা, তা জানতে তাদের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

<ংঃৎড়হম>সিংক: সোহেল মাহমুদ

জঙ্গি নিহত হওয়ার ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এজাহারে দুইজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি একজনের পালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

এদিকে, নিহত জঙ্গি সাদ্দামের পরিবার জানিয়েছে, সন্তানের জঙ্গি কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ার ঘটনায় লজ্জিত তারা। তবে, দাফনের জন্য লাশ নিতে চান তারা। লালমনিরহাট সরকারি কলেজের ছাত্র সাদ্দামের গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রামের রাজারহাটে। দু’বছর ধরে পরিবারের সাথে যোগাযোগ ছিল না তার।

লালমনিরহাটে পড়াশুনা কিংবা গাইবান্ধায় বিয়ের সূত্রে সাদ্দাম জঙ্গিবাদে জড়িয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছে পরিবারের সদস্যরা।

Leave a Reply