নীলফামারী ও রংপুরে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি

অবিরাম বৃষ্টিতে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিলফামারী ও রংপুরে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। নীলফামারীর ডিমলায় পানিবন্দী হয়ে আছে কয়েক হাজার মানুষ। বন্যার কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এদিকে রংপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মূল বাধের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দেয়ায় ভয়াবহ আকার ধারন করেছে  ভাঙ্গন।

গেলো সপ্তাহ থেকে পানিবন্দী নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের ৭টি চরাঞ্চলের অন্তত ২হাজার পরিবার।

এরইধ্যে পানিতে তলিয়ে গেছে ঘরবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে খাবার পানির। দ্রুত বাধ নির্মাণের দাবি সীমাহীন দুর্ভোগে পড়া এসব মানুষের।

সীমান্ত নদী প্রকল্পের আওতায় বাধ নির্মাণের অনুমোদন থাকলেও দরপত্র সংক্রান্ত জটিলতায় তা বাস্তবায়ন হয়নি বলে জানালেন এই কর্মকর্তা।

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার ৩টি ইউনিয়নে তিস্তা নদীর ব্যাপক ভাঙ্গনে ফসলী জমি, বসত ভিটা আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে নানা স্থাপনা। হুমকির মুখে ৪টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মুল প্রতিরক্ষা বাধের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দেয়ায় ভয়াবহ আকার ধারন করেছে ভাঙ্গন।

অথচ প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না থাকায় ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছেনা বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা।

লালমনিরহাটে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও তীব্র সংকট রয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির।

Leave a Reply