টাঙ্গুয়ার হাওর সংরক্ষণের দাবি

টাঙ্গুয়ার হাওর; প্রকৃতি এখানে বেড়ে উঠেছে তার আপন খেয়ালে। সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর ও ধর্মপাশা উপজেলার ৫১টি জলমহাল সমন্বয়ে নয় হাজার ৭২৭ হেক্টর অঞ্চল নিয়ে এ হাওর। বর্ষাকালে আয়তন বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ২০ হাজার একর। জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ টাঙ্গুয়ার হাওর সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন পাখি বিশেষজ্ঞ ইনাম আল হক।

ভারতের মেঘালয়ের পাদদেশে টাঙগুয়ার হাওর। মেঘালয় পর্বত থেকে ৩০টি ঝরনা এসে সরাসরি মেশে ছয়কুড়ি কান্দা আর নয় কুড়ি বিল নামে পরিচিত এই হাওড়ে।

হাওরের প্রবেশ মুখেই রয়েছে সারিসারি হিজলগাছ। গাছগুলো যেন হাওরে আসা অতিথিদের অভিবাদন জানায়। পানির নিচে রয়েছে অপরূপ সবুজের স্বর্গরাজ্য। একসময় টাঙ্গুয়ার হাওরে প্রায় ২’শ প্রজাতির মাছ ছিল। এখানে বিচরণ করে  প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ প্রজাতির পাখি।

স্থানীয়রা জানায় সারা বছরই এই বিলে দেশীয় পাখি থাকে। শীত এলে আসে হরেক রকমের পরিযায়ী পাখি। মিঠাপানির এই হাওরে মা মাছ নিরাপদে ডিম ছাড়ে, বর্ষাকালে এই মাছগুলো ছড়িয়ে পড়ে দেশের নদীনালা, খালবিলে।

পাখি বিশেষজ্ঞ ইনাম আল হক বলেন, প্রকৃতি ও মানুষের স্বাথের্ই হাওরের জলজ গাছ, পাখি ও মাছ রক্ষায় ব্যবস্থা নেয়া দরকার।

জীববৈচিত্র ও সৌন্দর্য্যরে লীলাভূমি টাঙ্ধসঢ়;গুয়ার হাওরের সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে দেশের বাইরেও।

 

Leave a Reply