লাভের আশায় আগাম জাতের আলু চাষ করেও লোকসানে পড়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষকরা

লাভের আশায় আগাম জাতের আলু চাষ করেও লোকসানে পড়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষকরা। মৌসুমের শুরুতে কিছুটা দাম থাকলেও এখন প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৪ থেকে ৫ টাকায়। এতে হতাশ আলু চাষীরা। পর্যাপ্ত হিমাগার থাকলে সংরক্ষণের মাধ্যমে ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা যেতো বলে মনে করছে কৃষি বিভাগ।

ঠাকুরগাঁওয়ের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন আলু তোলার ধুম।

জেলায় এবার ২১ হাজার ৮শ’ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও আবাদ হয়েছে ২৩ হাজার ৪১৫ হেক্টর জমিতে। ফলনও হয়েছে বেশ। কিন্তু সঠিক মূল্য না পাওয়া হতাশ চাষীরা।

বেশি লাভের আশায় এনজিও থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে অনেকেই আগাম জাতের আলু চাষ করেছেন। উৎপাদন ভালো হলেও জেলায় পর্যাপ্ত হিমাগার না থাকায় বিপাকে পড়েছেন চাষীরা। এছাড়া ঋণের কিস্তি নিয়েও দিশেহারা তারা।

হিমাগার স্বল্পতার কথা স্বীকার করে দেশীয় পদ্ধতিতে আলু সংরক্ষণের পরামর্শ কৃষি বিভাগের।

১৫টি হিমাগারে প্রায় দেড় লাখ টন আলু সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকলেও জেলায় এবার ৪ লাখ টনের বেশি আলু উৎপাদন হবে বলে মনে করছে কৃষি বিভাগ।

Leave a Reply