ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণের গুরুত্বপূর্ণ বছর ২০১৬

ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণে ২০১৬ ছিল গুরুত্বপূর্ণ বছর। সফটওয়্যার রপ্তানি তিনগুণ বেড়ে যাওয়ায় ২০২১ সালের মধ্যে ৪০ হাজার কোটি টাকা রপ্তানীর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া, শতাধিক গেমিং আইডিয়া নিয়ে চলেছে বছরব্যাপী কর্মশালা, গুগল প্লেস্টোরে ডাউনলোড বেড়েছে দেশীয় গেইমের। প্রসার ঘটেছে ই-কমার্স ও এফ-কমার্সের। দেশের স¦াস্থ্য, নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও চালু হয়েছে একাধিক অ্যাপস।

২০১৬ সালে গোটা দুনিয়ায় সফটওয়ারের বাজার ছিল প্রায় এক ট্রিলিয়ন ডলার বা প্রায় আশি লাখ কোটি টাকার। প্রতিযোগিতামূলক এই বাজারে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় দেশগুলোর একটি বাংলাদেশ। গত সাত বছরে সফটওয়ার রপ্তানীতে আয় বেড়েছে প্রায় তেরো গুণ আর চলতি বছরের হিসেবে বেড়েছে তিনগুণ। সমন্বিত উদ্যোগে বিদেশী সফটওয়ারের উপর নির্ভরতা কমাতে পারলে নতুন বছরে রপ্তানীতে আরো প্রসার ঘটবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

চলতি বছরের ডিসেম্বরের হিসেব বলছে, বিশ্বব্যাপী গেমিং এর বাজার সাড়ে সাতশ’ কোটি টাকার। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা আর দশটি মোবাইল গেইমস তৈরির প্রতিষ্ঠানের উপর ভর করে বাংলাদেশ প্রবেশ করেছে সেই বাজারে। নতুন বছরে এই খাতটিকে সম্ভাবনাময় হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ।

বছরান্তে বেড়েছে ই-কমার্স সেবার পরিধি; বেড়েছে সেবা গ্রহিতার সংখ্যাও। দেশজুড়ে হাজারো ভার্চুয়াল শপিং স্টোর তৈরি হয়েছে ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে। তবে, নতুন বছরে দেশের ই-কমার্স এবং এফ-কমার্সের জন্য নীতিমালা প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের মতে, প্রায় চার লাখ কোটি টাকার অ্যাপসের বিশ্ববাজারে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় দেশগুলোর একটি বাংলাদেশ। এছাড়া, চলতি বছরে পুলিশ, র‌্যাব, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনসহ প্রশাসনিক বিভিন্ন কর্মকান্ডের জন্য নির্মিত হয়েছে একাধিক অ্যাপস। আগামী পাঁচ বছরে তাই এই খাতে লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থানের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ।

Leave a Reply