নৌ পথে চলাচল জনপ্রিয় এখনও মাধ্যম

খরচ কম ও আরামদায়ক ভ্রমন বলেই, এখনও নৌ পথে চলাচল জনপ্রিয় মাধ্যম। কিন্তু র্দূভাগ্যজনক হলেও সত্য, দেশে এখনও নৌ-যান চলাচলে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার শতভাগ নিশ্চিত করা যায়নি। বেশিরভাগ নৌযান চলে সনাতন, ম্যানুয়্যাল পদ্ধতিতে। সে সঙ্গে রয়েছে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা। আর এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা আর প্রাণহানি। অথচ, খুবই অল্প খরচেই, এসব সরঞ্জাম কেনা সম্ভব বলে মত নৌ পরিবহন বিশেষজ্ঞদের।

দেশে ১৯৪৭(?) সালের পরের পরিসংখ্যানে, চলতি বছর পর্যন্ত রেকর্ডকৃত নৌ-দূঘটনা ২ হাজার ৫৪৫টি। এতে, সব মিলিয়ে প্রাণহানি-১৮ হাজার; নিখোজ ২২ হাজারের বেশি। সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি, প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা।

চালকরা জানাচ্ছেন, প্রাকৃতিক র্দূযোগে এখনও তাদের নির্ভর করতে হচ্ছে প্রাচীন কাটা-কম্পাস পদ্ধতি আর অভিজ্ঞতার ওপর। নেই, নদীতে নিজেদের অবস্থান নির্ণয়ে জিপিআরএস, পানির গভীরতা নির্ণয়ের ইকোসাউন্ড, বাতাসের গতি মাপার ব্যারোমিটার, রাডার কিংবা ভিটিএস এর মত সাধারণ যন্ত্রপাতি। তাই, ঝড়ের মত-র্দূযোগে অসহায় প্রকৃতির কাছে সমর্পণ করা ছাড়া কিছুই করার থাকে না তাদের।

অথচ, নৌ-যানগুলোতে বিলাসিতার উপকরণ বাড়ানোর প্রতিযোগিতা থাকলেও, আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর নিরাপত্তামূলক যন্ত্রপাতি কেনার দিকে মালিকদের তেমন আগ্রহ নেই বলে মত নৌ-পরিবহন বিশেষজ্ঞদের।

শুধু, তাই নয়, জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জাম যেমন, লাইফ বয়া, লাইফ জ্যাকেটের এমন পরিসংখ্যান টাঙ্গানো থাকলেও বাস্তবে নেই সিকি আনাও। অন্য, নৌ-যান থেকে ধার করা এসব উপকরণ দেখিয়ে, সার্ভেয়ার কিংবা নৌ পরিদর্শকদের বিভ্রান্ত করে, সার্ভে উৎড়ানো অপকৌশল নেন মালিক পক্ষ।

নতুন নৌ-যানগুলোতে, তদারকি কিছুটা সম্ভব হলেও পুরোনো গুলোর ব্যাপারে, সঠিক সিদ্ধান্তে পৌছাতে পারছে না সংশ্লিষ্ট তদারকি প্রতিষ্ঠান গুলো।

Leave a Reply