বছরের পর বছর ঝুলে আছে হাইকোর্টে বিচারাধীন পাঁচশোর বেশি জেল আপিল

বছরের পর বছর ঝুলে আছে হাইকোর্টে বিচারাধীন পাঁচশোর বেশি জেল আপিল। আপিলের সঙ্গে রায়ের কপি না পাঠানোয় দীর্ঘদিনেও শুনানি হয়নি অনেক মামলার। উচ্চ আদালতের আপিল সেকশন আর নিন্ম আদালতের গাফিলতির কারণেই জেল আপিল ঝুলছে বলে মন্তব্য করেছেন সিনিয়র আইনজীবীরা। তবে, আপিলকারী ব্যক্তিদের কেউ সাজার মেয়াদ শেষেও বন্দী রয়েছে কি-না, প্রধান বিচারপতির নির্দেশে সেই তথ্য চেয়ে ৩৫টি কারাগারে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

আব্দুল জব্বার, যাকে একটি মামলায় রংপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত ১৯৮৯ সালে সাত বছরের কারাদন্ড দেন। পরে তিনি সাজার বিরুদ্ধে জেল আপিল করেন হাইকোর্টে। তবে, আবেদনের সঙ্গে নিন্ম আদালতের রায়ের নথি না থাকায় আড়াই দশক পার হলেও আপিল নিষ্পত্তি হয়নি এখনো।

এরকম কয়েকশ জেল আপিল পড়ে আছে উচ্চ আদালতে। আপিল নিষ্পত্তি না হওয়ায় ভোগান্তি পোহাচ্ছেন বিচার প্রার্থীরা।

গরিব অসহায় দন্ডপ্রাপ্ত কারাবন্দি, যাদের উচ্চ আদালতে মামলা পরিচালনার সক্ষমতা নেই কিংবা আইনজীবী নিয়োগ করতে পারেন না, সাধারণত তারাই জেল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আপিল করেন।

সম্প্রতি প্রধান বিচারপতির নির্দেশে এসব জেল আপিলের তালিকা তৈরির জন্য ৩৫টি কারাগারে চিঠি পাঠানো হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ জেল আপিল দায়ের হলে শুনানির উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস।

গত বছর লিগ্যাল এইড অফিস ২০৯টি জেল আপিলের মধ্যে ৯৪টির নিষ্পত্তি করেছে।

Leave a Reply