পদ্মা সেতুর জমি অধিগ্রহনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে

দুই-এক মাসের মধ্যে, ঋণ চুক্তি করতে পারলেই, পদ্মা সেতুর রেল লিংক প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। এ্যালাইনমেন্ট ও জরিপ শেষে জমি অধিগ্রহনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে চীনা নির্মান প্রতিষ্ঠান সিআরইসি এবং তদারকি পরামর্শক হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।

দ্বিতল পদ্মা সেতু’র সুপার স্ট্রাকচারে রেল চলাচলের ব্যবস্থা মূল ডিজাইনেই রাখা আছে। মূল সেতুর সাথে সাথেই শেষ হবে এর নির্মাণ কাজও।

কিন্তু, রেলপথে পদ্মার দুই পাড়ের জনপদকেও যুক্ত করতে হবে। এজন্যই, পদ্মা রেল লিংক প্রকল্প চূড়ান্ত করেছে, রেলপথ মন্ত্রণালয়। প্রকল্পে, ইউলুপসহ ২শ ১৫ কিলোমিটার রেল লাইন স্থাপিত হবে। এরমধ্যে, রেল লাইন ঢাকা থেকে মাওয়া এবং জাজিরা থেকে ভাঙ্গা, এবং নড়াইল হয়ে যশোর পর্যন্ত ১ শ ৭২ কিলোমিটার।

প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার এই নতুন প্রকল্পটিতে নিজস্ব অর্থায়নের পাশাপাশি অর্থের যোগান দেবে চীন।  <ংঃৎড়হম>[কার্ড-২] জমি অধিগ্রহন, নকশা যাচাই-বাচাই এবং পুনর্বাসনের কাজ চলছে একইসাথে।

প্রস্তুতি শেষে এখন অপেক্ষা আর্থিক যোগানের। ইআরডি তা করতে পারলেই, প্রকল্পটি শেষ করার আশাবাদ রেলমন্ত্রীর।

প্রকল্পের মেয়াদ ছয় বছর হলেও, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে, ভাঙ্গা-মাওয়া লাইনের কাজ মূল পদ্মা সেতু নির্মাণের আগেই শেষ করার প্রত্যাশা সংশ্লিস্টদের।

Leave a Reply