মেট্রোরেলের কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৫ ভাগ

চলতি বছরের জুন-জুলাই মাসের মধ্যেই, দেশের প্রথম মেট্রোরেল-এমআরটি লাইন সিক্স এর ভৌত-অবকাঠামোর অনুষ্ঠানিক নির্মাণ কাজ শুরু করতে যাচ্ছে, প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। এরিমধ্যে, ডিপো’র ভূমি উন্নয়নসহ কয়েকটি প্যাকেজের মূল্যায়ন শেষে চুক্তিসইয়ের প্রক্রিয়া চলছে। আনুষ্ঠানিক হিসেবে, প্রকল্পটির কাজের অগ্রগতি, হয়েছে ৫ ভাগ।

সিলেটের উৎকৃষ্ট মানের বালু সেন্ড কম্প্রেসার মেশিনে চাপ দিয়ে, মাটির ভেতরে ঢুকিয়ে, করা হচ্ছে বিশেষ ধরনের পাইলিং। সাথে সাথে, মাঠের উপরেও স্তরে স্তরে, মাটি ও বালি ফেলে, শক্ত করা হচ্ছে। উদ্দেশ্য, মেট্রোরেলের চলার উপযোগী করতে, নরম মাটিকে সব দিকদিয়েই, শক্ত-পোক্ত করা।

এখানেই শেষ নয়। এই প্রক্রিয়ায়, মাটির ওজন ধারণের সক্ষমতা অর্জনের অগ্রগতি, নিবির পরীক্ষা-নিরীক্ষায় শতভাগ নিশ্চিত করা হচ্ছে ধাপে ধাপে। এমনই, কর্মযজ্ঞ, রাজধানীর উত্তরা দিয়াবাড়ির, মেট্রোরেলের ডিপোর জমি উন্নয়নের ২২ একর জমিতে। এখন, চলছে ট্রয়াল বা টেস্ট বেড নির্মাণ।

সমূদ্র পৃষ্ট হতে, বিশেষ পদ্ধতিতে ৭.২ মিটার উচু করা হবে ডিপোর জমি। কারণ, এখানেই থাকবে, রোলিং স্টক বা মেট্রোরেলের গাড়ি রাখা এবং এর তদারকি শেড।

এই ডিপো থেকে পল্লবী পর্যন্ত যাবে মাটির সমতলে, আর সেখান থেকে মিরপুর-১০, বিজয় স্মরণী, ফার্মগেট, শাহবাগ, টিএসসি, দোয়েল চত্ত্বর, তোপখানা রোড ও স্টেডিয়াম হয়ে মতিঝিল পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে বা উড়াল পথে, ২০ দশমিক ১ কিলোমিটারের এমআরটি-৬ নামের এই মেট্রোরেল। সড়কের মাঝখানে, বিভাজকের ওপর ৩০ মিটার পর পর থাকবে ১৩ মিটার উচু পিয়ার এবং এর ওপর দিয়ে চলবে মেট্রোরেল।

এখন, পর্যন্ত অগ্রগতি বলতে, ৮টি প্যাকেজে বিভক্ত প্রকল্পের দরপত্র আহবান ও চুক্তিসই শেষ হয়েছে, ৯০ ভাগ। সেবা সংস্থার লাইন স্থানান্তরও চলমান। সব মিলিয়ে পুরো প্রকল্প এগিয়েছে ৫ ভাগ।

চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে মেট্রোরেল ডিপোর অবকাঠামো ও এ্যালাইনমেন্টের রেললাইনের ভায়া ডাক্ট নির্মান করতে যাচ্ছে, প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

কৌশলগত কারণে, ২০১৯ সালেই উত্তরা ডিপো থেকে আগারগাঁ পর্যন্ত আংশিকভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন চায় সরকার। বাকীটা হবে ২০২০ সালে। তাই, জোরেশোরেই চলছে সব কাজ।

 

Leave a Reply