পশ্চিমা সংস্কৃতির হাত ধরেই বাংলাদেশেও গ্যাং কালচার

পশ্চিমা সংস্কৃতির হাত ধরেই বাংলাদেশেও ডালপালা মেলতে শুরু করেছে গ্যাং কালচার। পরিবার, সমাজ এমনকি আইন শৃংখলা বাহিনী শিশু কিশোরদের দুষ্টুমি ভেবে এড়িয়ে গেছেন। তবে উত্তরার স্কুল ছাত্র আদনান কবীর খুন হওয়ার পরপরই বেরিয়ে আসে গ্যাং কালচারের ভয়াবহতা। ২০০১ সাল থেকে কাঁকড়া গ্র“পের মধ্য দিয়ে শুরু হয় গ্যাং কালচার। রাজধানীতে এখনো সক্রিয় আছে কমপক্ষে ৩০ টি গ্যাং।

স্কুল ফাঁকি দিয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা, বাইক স্টান্ট, কার রেসিং, নাইট পার্টি, মাদক সেবন, ছিনতাইসহ নানা অপকর্মে জড়িয়ে যাচ্ছে সমাজের উচ্চ ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানরা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় আসছে একের পর এক ঝগড়ার চিত্র। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করে সেগুলো আবার ফেসবুক ও ইউটিউবে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে।

৬ জানুয়ারী আদনান হত্যার পরই বেরিয়ে আসে গ্যাং কালচারের ভয়াবহতা।

আদনানের সাথে নাইন স্টার গ্র“পের সম্পৃক্তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার ঝড় ওঠে। যদিও তার বাবা বলছেন আদনান এসবে জড়িত ছিল না।

উত্তরার আলোচিত গ্যাং গুলো হচ্ছে- ডিসকো বয়েজ উত্তরা, নাইন স্টার বয়েজ, পাওয়ার বয়েজ
বিগবস, নাইন এম এম বয়েজ।

আদনান হত্যার পর তৎপর হয়েছে আইন শৃংখলা বাহিনী। এরইমধ্যে বিভিন্ন গ্যাংয়ের কয়েকজন গ্রেফতার হয়েছে

সন্তানদের ঠিকমতো সময় দিতে পারেন না বাবা মা। সঙ্গহীন কিশোররা পা বাড়াচ্ছে ভুল পথে।

মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, কৈশোরের দুরন্ত সময়ে আরো বেশি সর্তক হতে হবে অভিভাবদের।

গ্যাং কালচারের বিষাক্ত থাবা থেকে আগামী প্রজন্মকে রক্ষা করতে বাঙালি সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ দরকার বলে মনে করেন বিশিষ্ঠজনেরা।

Leave a Reply