বড়দিন উদযাপনে মেতেছে পুরো বিশ্ব

খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব বড়দিন উদযাপনে মেতেছে পুরো বিশ্ব। যুদ্ধ-সহিংসতার সমাপ্তি আর শান্তির আহ্বান ছিলো বিশ্বজুড়ে বড়দিনের প্রার্থনায়। আর ইতালির ভ্যাটিকানে ভবিষৎ প্রজন্মের জন্য সহিংসতামুক্ত বিশ্ব গড়ার আহ্বান জানান খ্রিস্টান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে জঙ্গি হামলার শংকায় বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা।

পৃথিবীর মানুষকে আলোর পথে আনতে পশ্চিমতীরের বেথেলেহেমে মা মেরীর কোলে জন্মেছিলেন যিশু খ্রিস্ট। মঙ্গলবার্তা নিয়ে তার জন্মভূমিতেই উদযাপিত হচ্ছে বড়দিন। চার্চ অব নেটিভিটিতে প্রার্থনায় অংশ নেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা যিশুর অনুসারীরা।

ইতালির ভ্যাটিকান সিটিতে পোপ ফ্রান্সিস বলেন, যুদ্ধ-সহিংসতা, শরণার্থী সংকট আর ক্ষুধা-দারিদ্রের কালো ছায়ায় আচ্ছন্ন পৃথিবী। ভবিষৎ প্রজন্মের জন্য বিশ্ববাসীকে যিশুর দেখানো পথে চলার আহ্বান জানান তিনি।

ইরাকের বারটেলায় বড়দিনের উৎসবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আইএস মুক্ত হওয়ার আনন্দ।

পাকিস্তানের করাচিতে ১০ হাজারেরও বেশি খ্রিস্ট সম্প্রদায়ের মানুষ যোগ দেন বড়দিন উৎসবে।

এশিয়ার আরেক দেশ শ্রীলংকায় তৈরি করা হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে উচু ক্রিসমাস ট্রি।

তুরস্কে জঙ্গি হামলায় প্রিয়জনকে হারানোর বেদনাকে সঙ্গী করেই যিশুকে স্মরণ করেছেন খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীরা।

অন্যদিকে ইউরোপের দেশ বেলারুশে শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে আসে সান্তা ক্লজের সাজে।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে এবারও সাগর সৈকতে বড়দিন উদযাপনে মেতে ওঠেন নানা বয়সীরা।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কয়েকটি দেশে বড়দিনে আইএস হামলার শংকায় জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা।

Leave a Reply