হুমকির মুখে পৃথিবীর বৃহত্তর প্রবাল প্রাচীর গ্রেট বেরিয়ার রিফ

 

হুমকির মুখে পৃথিবীর বৃহত্তর প্রবাল প্রাচীর গ্রেট বেরিয়ার রিফ। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও ভাইরাসের আক্রমনে এর দুই তৃতীয়াংশ রয়েছে মারাত্মক ঝুঁকির মাঝে। অবাধে প্রবাল উত্তলোনে ক্রমশ ক্ষয়ে যাচ্ছে প্রাচীরের কোরাল আস্তরও। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক উস্ধসঢ়;ঞণতা সহনশীল মাত্রায় রাখতে পারলে ভাইরাসগুলো অকার্যকর হয়ে পড়বে।

কুইন্সল্যান্ডের কোরাল সাগর। উপকূলজুড়ে ধারণ করে আছে বিস্ময়কর এক প্রাচীর।  গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ। পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর এটি।

অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে ২ হাজার ৯০০ টির বেশি প্রবাল প্রাচীর দিয়ে গঠিত এই দ্বীপ। লাখ লাখ বছর ধরে অগণিত জীবাস্মর সমন্বয়ে প্রাকৃতিকভাবেই গড়ে উঠেছে প্রবাল প্রাচীর। ১৯৮১ সালে  এই বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করে ইউনেসকো। প্রতি বছর ২০ লাখেরও বেশি পর্যটক বেড়াতে আসেন এখানে।

সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে দ্বীপটির প্রায় দুই তৃতীয়াংশই পড়েছে মারাত্মক ঝুঁকিতে। অস্ট্রেলীয় গবেষকরা জানিয়েছেন, এক ধরনের ভাইরাসের আক্রমনে হুমকির মুখে পড়েছে দ্বীপের অস্তিত্ব। ভাইরাসগুলো সালোক সংশ্লেষন প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়। এতে নিঃশেষ হয়ে যায় প্রবালগুলো। ধুয়ে যায় সাগরের জলে।

আলাদা তিন ধরনের ভাইরাসের সন্ধান পেয়েছে অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্র বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট। এরা শেওলাকে আক্রমণ করে ধ্বংস করে দেয়। গ্রেট বেরিয়ার রিফ থেকে সংগৃহীত বিভিন্ন ধরনের শেওলার নমুনা গবেষণাগারে পরীক্ষা করে এর সন্ধান পেয়েছেন তারা।

তবে সমাধানের পথও বাতলে দিয়েছেন গবেষকরা। বৈশ্বিক উষ্ণতা স্বাভাবিক থাকলে ভাইরাসগুলো অকার্যকর হয়ে পড়ে। এ ছাড়া অবাধে প্রবাল উত্তোলন বন্ধ করার পরামর্শও দেন তারা।

তবে ভাইরাস নিধনে যেকোন ধরনের রাসায়নিক প্রয়োগে ক্ষতি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।

 

Leave a Reply