ঢাকা, ২০১৯-০৬-২৬ ৮:১৪:০৬, বুধবার

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রশাসন। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৬তম একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আহ্বানের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কথা চিন্তা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারীর সভাপতিত্বে প্রশাসন ভবনের সভা কক্ষে একাডেমিক কাউন্সিলের সভা শুরু হয়। সভায় সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার বিষয়টি উত্থাপিত হলে এতে একমত পোষণ করেন কাউন্সিলের সদস্যরা। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড.এম শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি ও শিক্ষকেরা উপস্থিত ছিলেন। সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার ব্যপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী বলেন, বিষয়টি এখন সময়ের দাবি। তাই মহামান্য রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মান জ্ঞাপন করে ও ভর্তিচ্ছুদের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।  প্রসঙ্গত,গত ১ ফেব্রুয়ারী বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি ও দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মো. আবদুল হামিদ ৪৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার আহ্বান জানান। শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি ও আর্থিক লাভের কথা বিবেচনা করে এক যুগের বেশি সময় ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা চালুর পক্ষে মত দিয়ে আসছেন দেশের শিক্ষাবিদরা। কিন্তু উপাচার্যদের অসহযোগিতা ও পরিপার্শিক কারণে এ যাবত তা বাস্তবায়ন হয়নি। এনএম/কেআই  
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে মেসির জন্মদিন উদযাপন

আর্জেন্টিনার জাতীয় ফুটবল দলের বিশ্বখ্যাত তারকা খেলোয়াড় লিওনেল মেসির ৩২তম জন্মদিন পালন করেছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেসি ভক্ত শিক্ষার্থীরা। সোমবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের চক্রবাক ক্যাফেটেরিয়ায় মেসি ভক্তরা কেক কেটে এ জন্মদিন পালন করেন। পরে আতশবাজি ও র‍্যালি করে ব্যাপক উদ্দিপনার মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ করা হয়। জন্মদিন পালনের মুহূর্তে মেসির নাম ধরে ভক্তদের ডাক উচ্চ তরঙ্গের আওয়াজ হয়ে যেন উচ্চাকাশে পৌঁছেছিল। সাব্বির হোসেন তানিম বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় আর্জেন্টিনা ফেন ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত মেসির জন্মদিন উদযাপন করলাম।’ ফারজিনা ডলি বলেন, ‘আজ মেসির জন্মদিন ছিলো। আমি মনে করি যারা ফুটবলকে ভালোবাসে তারা মেসিকে ভালোবাসে। কে কোন দল করলো সেটা আলাদা কিন্তু যে দলই করুক তাদের মনে মেসির জন্য ভালোবাসা-শ্রদ্ধাবোধ থেকেই যায়।’ মেসি ফুটবল থেকে অবসর নিবে কিন্তু ফুটবল কিংবদন্তি হয়ে বেঁচে রবে কোটি মানুষের প্রাণে। মেসির জন্মদিনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ যেন উচ্ছ্বাসে ভেঙ্গে পড়ছিল। উল্লেখ্য, লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনার রোসারিওতে ১৯৮৭ সালের ২৪ জুন জন্মগ্রহণ করেন। তার পুরো নাম লিওনেল আন্দ্রেস মেসি কুচ্চিত্তিনি । এমএস/

জাবির আইনজীবীদের নিয়ে নতুন সংগঠনের যাত্রা শুরু

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তণ শিক্ষার্থী ও বর্তমানে আইনজীবী হিসেবে কর্মরতদের নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি ল’ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন। এতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ফজলুল হক মাতুব্বরকে ও সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও জাবির সিনেট সদস্য ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খানকে। রোববার সুপ্রিম কোর্টস্থ অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এক সভায় জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি ল’ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন’ নামে এই সংগঠনের প্রথম কমিটি গঠিত হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, উপদেষ্টা- বশির আহমেদ (ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল, বাংলাদেশ), সিনিয়র সহ-সভাপতি- অ্যাডভোকেট জমির উদ্দিন বাবুল (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট), সহ-সভাপতি- এডভোকেট এমদাদুল হক পনির (নরসিংদী জজ কোর্ট), এডভোকেট আয়েশা ফ্লোরা (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট), এডভোকেট মো. আজম খান (ঢাকা জজ কোর্ট), এডভোকেট মো. আব্দুল মোমিন (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-এডভোকেট মো. আব্দুস ছালিক (ঢাকা জজ কোর্ট), এডভোকেট ফাহাদ হাসান (ঢাকা জজ কোর্ট), এডভোকেট নাজনীন সুখী (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট), কোষাধ্যক্ষ- এডভোকেট মো. সাকিল উদ্দিন প্রিন্স (ঢাকা জজ কোর্ট), সাংগঠনিক সম্পাদক- এডভোকেট তৌফিক শাহরিয়ার খান (ঢাকা জজ কোর্ট), দফতর সম্পাদক- এডভোকেট খাদেমুল ইসলাম (ঢাকা জজ কোর্ট), সাংস্কৃতিক সম্পাদক- এডভোকেট সোহেল শাহরিয়ার ((বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও দিনাজপুর), প্রচার সম্পাদক- এডভোকেট মোসাদ্দেক বশীর (ফরিদপুর জজ কোর্ট)। এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন, এডভোকেট আহসান হাবিব (মানিকগঞ্জ জজ কোর্ট, এপিপি), এডভোকেট রেহেনা পারভীন (আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট), এডভোকেট ফারজানা শারমিন সাথী (ঢাকা জজ কোর্ট)। এনএম/আরকে

কবি নজরুলে আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামী লীগের ৭০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।এই উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পন করেছে বঙ্গবন্ধু নীলদল জাককানইবি। রোববার (২৩ জুন) বিকেল ৪টায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী সংগঠন বঙ্গবন্ধু নীল দলের সভাপতি সিদ্ধার্থ দে সিধু ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি শফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আমিন এর নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করেন শিক্ষক নেতারা। এসময় বঙ্গবন্ধু নীলদল ও কর্মকর্তা পরিষদের সাথে একাত্মতা পোষণ করে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড.এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান ও ট্রেজারার প্রফেসর জালাল উদ্দীন শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করেন এবং জাতীর জনক ও তার পরিবারকে গভীরভাবে স্মরণ করেন। এরপর কর্মকর্তা পরিষদের সভাপতি মোকাররম হোসেন মাসুম ও সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ রাসেলের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করা হয়। এসময় বঙ্গবন্ধু নীলদল ও কর্মকর্তা পরিষদের সাথে একাত্মতা পোষণ করে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান ও ট্রেজারার প্রফেসর জালাল উদ্দীন শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করেন এবং জাতির জনক ও তার পরিবারকে গভীরভাবে স্মরণ করেন। উল্লেখ্যঃ ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন জন্ম নেওয়া দলটির ৭০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ।এরই মধ্যে ৭০ বছর পূর্ণ করল আওয়ামী লীগ কেআই/

রাজধানীতে এক মাদ্রাসাছাত্র নিখোঁজ

মাহাদি হাসান, সে ডেমরায় অবস্থিত দারুননাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্র। পিতা জমশেদ আলী সেনাবাহিনী থেকে অবসরপ্রাপ্ত। সে গত মঙ্গলবার দুপুরের দিকে শ্রীমঙ্গল থেকে মাদ্রাসার উদ্দেশে বাসে উঠে। সন্ধ্যার দিকে সে ফোন করে জানায় সে মাদ্রাসার কাছাকাছি, মাগরিবের নামাজ পড়ে মাদ্রাসায় ঢুকবে। কিন্তু মাদ্রাসা থেকে বৃহস্পতিবার জানানো হয় যে সে মাদ্রাসায় পৌঁছায়নি। এরপর থেকে অনেজ জায়গায় খোঁজ করেও তাকে পাওয়া যায়নি৷ ডেমরা থানায় এ বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। জিডি নম্বর ১০০৭। যদি কোনও সহৃদয়বান ব্যক্তি তার খোঁজ পেয়ে থাকেন তবে নিম্নের এই নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো: মোবাইল নং-০১৬৮২৬১৮৪৮১, ০১৬৭৪৬২১১৩৮।  

হাবিপ্রবিতে বার্ষিক কর্মসম্পাদনা চুক্তি বিষয়ক কর্মশালা 

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বার্ষিক কর্মসম্পাদনা চুক্তি (এপিএ) সংক্রান্ত কর্মশালা-২০১৯ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত উক্ত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন এর সদস্য প্রফেসর ড. এম শাহ্ নওয়াজ আলী। কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হালদার, রেজিস্ট্রার প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হক, ইউজিসি’র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক মো. কামাল হোসেন, ইউজিসি’র রিসার্র্স সাপোর্ট এন্ড পাবলিকেশন্স বিভাগের পরিচালক মো. ওমর ফারুক। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা এবং  স্বাগত বক্তব্য রাখেন হাবিপ্রবি’র হিসাব শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. মো. শাহাদৎ হোসেন খান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন এর সদস্য প্রফেসর ড. এম শাহ্ নওয়াজ আলী বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের হাত ধরে সোনার বাংলা এখন বাস্তবে পরিনত হচ্ছে। বর্তমান সরকার অত্যন্ত শিক্ষাবান্ধব সরকার। অতীতের কোন সরকার এ ধরনের কর্মশালার উদ্যোগ গ্রহণ করেননি, কিন্তু বর্তমান সরকার এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে উচ্চ শিক্ষার মান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, শুধু কর্মসম্পাদন চুক্তি করলেই হবে না, নিজ নিজ দায়বদ্ধতা থেকে চুক্তি বাস্তবায়নে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যেতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম বলেন, টিচিং এবং লার্ণিং এবং গবেষণা উন্নয়নে বর্তমানে হাবিপ্রবি’তে শিক্ষক ও কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মশালা নিয়মিত আয়োজন করা হচ্ছে। আশাকরি, এটা অব্যাহত থাকবে। কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন হিসেবে অংশগ্রহণ করেন ইউজিসি’র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক মো. কামাল হোসেন, ইউজিসি’র রিসার্র্স সাপোর্ট এন্ড পাবলিকেশন্স বিভাগের পরিচালক মো. ওমর ফারুক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর পি.এস. (উপসচিব) মো. কামরুল হাসান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব জাকিয়া পারভীন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ফজলুর রহমান, ইউজিসি’র সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম ও রবিউল ইসলাম প্রমূখ। উল্লেখ্য, উক্ত কর্মশালায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, ইউজিসি’র কর্মকর্তা, হাবিপ্রবি’র শিক্ষক ও কর্মকর্তাগণ অংশগ্রহণ করেন। কেআই/

অলি উদ্দিন তুহিনের ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ

নোয়াখালীর সুবর্ণচরের সন্তান অলি উদ্দিন তুহিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনা স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ লাভ করেছেন। তাঁর পিএইচডি টপিক ছিলো “এক্সপেরিমেন্টাল এন্ড সিমুলেশন ইনসাইটস ইনটো লাইনার মাল্টিব্ল্যাক কপোলিমার সিস্টেমসঃ ফ্রম পিইজোরেসিসটিভ সেন্সরস টু ফিজিক্যাল অরগানোজেলস।” এই পিএইচডির তত্তাবধায়ক ছিলেন প্রফেসর রিচার্ড স্পোনটাক এবং প্রফেসর মিলিসা পাসকুইনেল্লি। ডক্টর অলি উদ্দিন তুহিন নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চর আকরাম উদ্দিন গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। নিজের বাড়ির দরজায় ছিল প্রাথমিক বিদ্যালয় সেখানে পড়াশোনা শেষে প্রায় বারো কিঃমিঃ দূরে চরবাটা খাসের হাট উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে এসএসসি পাশ করেন। তারপর ঢাকা সিটি কলেজ থেকে এইচএসসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত রসায়ন থেকে অনার্স ও মাস্টার্স করেন। ২০১৪ সালে স্কলারশিপ নিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং সম্প্রতি তিনি ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। ইতোমধ্যে তাঁর শিক্ষক পিতা ইব্রাহিম সেলিম একটি জুনিয়র স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। এই স্কুল প্রতিষ্ঠার পেছনে ডক্টর অলি উদ্দিন নানাভাবে সহযোগিতা করেন। তাঁর ইচ্ছা আছে দেশের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করার।   টিআর/

‘আন্দোলন ছেড়ে শনিবার থেকে ক্লাসে ফিরবেন বুয়েট শিক্ষার্থীরা’

আগামী শনিবার আন্দোলন ছেড়ে ক্লাসে ফিরবেন বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এর শিক্ষার্থীরা এমন আশা ব্যক্ত করছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি। বুয়েটের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে টানা চার ঘণ্টার রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বুয়েট ক্যাম্পাসে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আন্দোলন স্থগিতে সম্মতি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আগামী শনিবার থেকে তারা আন্দোলন ছেড়ে ক্লাসে ফিরবেন।’ ‘বুয়েটের সাত হলের তিনজন করে প্রতিনিধির সঙ্গে আমাদের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। তাদের সব দাবিই যৌক্তিক। কিছু দাবি একাডেমিক কাউন্সিল (বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন) বাস্তবায়ন করতে পারবে। আবার কিছু দাবি মন্ত্রণালয়ের অধীন। সেগুলো দ্রুত আমরা বাস্তবায়নের চেষ্টা করব।’ প্রসঙ্গত, গত শনিবার থেকে ১৬ দাবি নিয়ে আন্দোলন শুরু করেন বুয়েট শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ক্লাস-পরীক্ষা বাদ দিয়ে তারা নেমে আসেন রাস্তায়। ভিসি ও প্রশাসনবিরোধী স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বুয়েট ক্যাম্পাস। গতকাল বুধবার দুপুর ১টায় পঞ্চম দিনের মতো আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। দুপুরে বুয়েট শহীদ মিনারের সামনে বিভিন্ন বিভাগের সহস্রাধিক শিক্ষার্থী সমাবেত হন। এরপর তারা মিছিল নিয়ে স্লোগান দিতে দিতে উপাচার্য ভবনের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন। চলমান আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের দাবি-দাওয়া শুনতে বৃহস্পতিবার বুয়েট ক্যাম্পাসে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। এজন্য বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বুয়েট ক্যাফেটারিয়ার সামনে জড়ো হয়ে মন্ত্রীর অপেক্ষায় থাকেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। বেলা ১১টার দিকে আসার কথা থাকলেও দুপুর ১টা পর্যন্ত তিনি আসেননি। শিক্ষামন্ত্রীর আসা নিয়ে ‘বিভ্রান্তি’ তৈরি হলেও বিকাল সাড়ে ৩টায় উপস্থিত হন তিনি। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের যেসব দাবি একাডেমিক কাউন্সিল বাস্তবায়ন করতে পারবে, সেগুলো আমরা লিখিতভাবে দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছি। আমরা ভিসি মহোদয়কে অনুরোধ করব, সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করতে। আর যেসব দাবি মন্ত্রণালয়ের অধীন অর্থাৎ খেলার মাঠ, ভবন উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ- সেগুলো আমরা দ্রুতগতিতে করে দেয়ার চেষ্টা করব। ‘পাশাপাশি ফলাফল, র‌্যাংকিং, বৃক্ষ রোপণ- যেগুলো বুয়েট প্রশাসনের অধীন সেগুলোও দ্রুত মেনে নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছি। ভিসি মহোদয় আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা আশা করি, দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব দাবি বাস্তবায়ন হবে।’ দীপু মনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তাদের সকল দাবি লিখিতভাবে দিতে বলেছি। তারা আগামীকাল (শুক্রবার) সেগুলো লিখিতভাবে দেবেন বলে জানিয়েছে।’ ‘শিক্ষার্থীরা এ সময় তাদের দাবিগুলো বুয়েটের নোটিশ বোর্ডে টাঙানোর দাবি জানান। আমরা তাদের প্রস্তাব মেনে নিয়েছি। সেগুলো নোটিশ বোর্ডে টাঙিয়ে দেয়া হবে।’ তিনি বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের লিখিত দাবিগুলো পাওয়ার পর কাল (শুক্রবার) থেকে সেগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।    

নদীতে গোসল করতে গিয়ে হাবিপ্রবির শিক্ষার্থীর মৃত্যু

আত্রাই নদীতে গোসল করতে গিয়ে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তাসফিকের হোসেন মৃত্যুবরণ করেছেন। মঙ্গলবার (১৮ জুন) বিকাল সোয়া ৪টার দিকে মোহনপুরের রাবার ড্যামে বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে আত্রাই নদীতে গোসল করতে মারা যায় তাসফিক। গোসলের সময় পা পিছলে পড়ে যায় তাসফিক। এ সময় তীব্র স্রোতে মুহুর্তেই নদীর পানিতে তলিয়ে যায় সে। পরে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে দিনাজপুর ফায়ার সার্ভিস এবং রাত সাড়ে ৯টায় রংপুরের দমকল বাহিনী রাত ১২টা পর্যন্ত ডুবুরি দিয়ে ঐ শিক্ষার্থীকে খোঁজতে থাকে। কিন্তু তারাও উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পরে ১৯ জুন সকাল ৮টার দিকে মোহনপুর ব্রীজের পাশে তার লাশ ভাসতে দেখা যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসা হয়। ক্যাম্পাসে মরদেহ আনার পর বুধবার (১৯ জুন) দুপুর সোয়া ১২টায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. ভবেন্দ্র কুমার বিশ্বাস এর উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম হাফেজ ক্বারী মাওলানা মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন এর পরিচালনায় শেখ রাসেল হল মাঠ প্রাঙ্গণে তাসফিক হোসেন এর প্রথম জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, চেয়ারম্যান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা কর্মচারীসহ সহস্রাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। জানাযার নামাজ শেষে তার চাচা মো. শরীফ হোসেন (৪৫) ও মো. মোশাররেফ হোসেন এর কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম এক শোকা বার্তায় মেধাবী ছাত্র তাসফিকের মর্মান্তিক এই অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন। ক্যাম্পাস জুড়েও তার অকাল মৃত্যুতে শোকের মাতম বিরাজ করছে। প্রসঙ্গত, তাসফিক হোসেন ১৯৯৭ সালে ১২ নভেম্বর চাঁদপুর জেলার রূপসা থানার জামালপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মোহাম্মদ এনায়েত হোসেন, মাতা তাহমিনা সুলতানা-এর তিন সন্তানের মধ্যে তাসফিকই ছিলেন বড়। শিক্ষা জীবনে তাসফিক নাসিরাবাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, চট্টগ্রাম মডেল কলেজ থেকে ২০১৫ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। এরপর ২০১৭ শিক্ষাবর্ষে হাবিপ্রবি দিনাজপুর-এর বিজ্ঞান অনুষদে পরিসংখ্যান বিভাগে ভর্তি হয়ে অধ্যয়নরত ছিলেন। কেআই/      

নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান রকিবুল হাসান

নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রথম চেয়ারম্যান পদে যোগদান করেছেন ড. রকিবুল হাসান। সম্প্রতি তিনি নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের প্রথম চেয়ারম্যানের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। রকিবুল হাসান পূর্বে উত্তরা ও সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন। উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে কো-অর্ডিনেটর এবং সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। রকিবুল হাসান বহুমাত্রিক লেখক হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত। তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ অনিয়ম চুম্বনের সিঁড়ি ধরে, এক ধরনের অহংকার, দুঃখময়ী শ্যামবর্ণ রাত, দেবতীদেউল, রহস্যস্বাক্ষর, রকিবুল হাসানের প্রেমের কবিতা, ব্যর্থ ভয়ঙ্কর দৌড়ের কাছে, স্বদেশলক্ষ্মীর তিমিররাত্রি, ধুলোমাটির ঘ্রাণ । উপন্যাসের মধ্যে জীবন দিয়ে ভালোবাসি, এ কী তৃষ্ণা এ কী দাহ, নবীরন, ভাঙন, ছায়াবন্দি,অহনা বউ এবং তার গবেষণা গ্রন্থের মধ্যে সাহিত্যের নন্দনচর্যা, পঞ্চাশের সাহিত্যে জনপ্রিয় যুবরাজ, ঐতিহ্যের উত্তরাধিকার ও ফোকলোর, বাংলা জনপ্রিয় উপন্যাসের ধারা: মীর মশাররফ হোসেন থেকে আকবর হোসেন, বিপ্লবী বাঘা যতীন, প্রবন্ধ প্রমূর্ত, আকবর হোসেনের কথাসাহিত্য: রূপলোক ও শিল্পসিদ্ধি, কয়ায় রবীন্দ্রনাথ, বাঘা যতীন এবং প্রাজ্ঞজন উল্লেখযোগ্য। রকিবুল হাসানের কবিতা ও প্রবন্ধ দেশে ও দেশের বাইরে বিভিন্ন সংকলনে মুদ্রিত হয়েছে। দেশের ও ভারতের প্রথম শ্রেণির বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায়তিনি নিয়মিত প্রবন্ধ, কলাম ও কবিতা লেখেন। ঢাকা থেকে প্রকাশিত অর্থনৈতিক সাপ্তাহিক ‘অর্থবিত্ত’ পত্রিকার সম্পাদক। ‘গৈরিক’ ও ‘একক’ তার সম্পাদিত সাহিত্য পত্রিকা। রকিবুল হাসান সাহিত্যকর্ম ও সাংবাদিকতার জন্য লালন শাহ পুরস্কার, কবি ওমর আলী স্বর্ণপদক, স্যার সলিমুল্লাহ পদক, সাহিত্য সংসদ পদক, কুমারখালীর ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণ পরিষদ সম্মাননাসহ বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন। তিনি বাংলা একাডেমির জীবনসদস্য, আব্দুর রাজ্জাক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, কুষ্টিয়া জেলা সমিতি ঢাকার নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও কুষ্টিয়া সাংবাদিক ফোরাম ঢাকা’র সদস্য। রকিবুল হাসান জন্ম কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার কয়া গ্রামে। তাঁর বাবা মোহা. উকিল উদ্দিন শেখ ও মা পরীজান নেছা। এমএস/কেআই

বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে বশেমুরবিপ্রবিতে ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল

সম্ভাবনা ও সমৃদ্ধির বাজেটকে ২০১৯-২০ স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল করেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি) শাখা ছাত্রলীগ। বুধবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালযের লিপুস ক্যান্টিন থেকে এ মিছিল বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জয় বাংলা চত্বরে এসে শেষ হয়। মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তারা বলেন,‘এ বাজেট দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট। এই বাজেট শিক্ষাবান্ধব, প্রযুক্তিবান্ধব ও কৃষিবান্ধব।বাজেটে শিক্ষাখাতে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ রেখেছে। তাই আমরা তরুণ প্রজন্ম দেশরত্ন শেখ হাসিনা ও তার সরকারের উপস্থাপিত বাজেটকে সাধুবাদ জানাই।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য একের পর এক উন্নয়নমুখী বাজেট দিয়ে আসছেন উল্লেখ করে বক্তারা বলেন,‘এই বাজেট বাস্তবায়নে শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত ভ্যানগার্ড হিসেবে ছাত্রলীগ পাশে থাকবে।’ উল্লেখ্য, ২০১৯-২০ অর্থ বছরের ‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ: সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’ শিরোনামে প্রস্তাবিত বাজেটের আকার পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। দেশের ৪৮ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট এটি। এবারের বাজেট দেশের ৪৮তম, আওয়ামী লীগ সরকারের ২০তম বাজেট। এমএস/কেআই

ইবিতে রেজাল্ট প্রসেসিং সফটওয়্যারের উদ্বোধন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় রেজাল্ট প্রসেসিং সফটওয়্যারের উদ্বোধন করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (১৮ জুন) দুপুর ১২টায় প্রশাসন ভবন সম্মেলন-কক্ষে ইবির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. হারুন-উর-রশিদ আসকারী এই সফটওয়্যারের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, যেখানে যত বেশি কাগজ নির্ভরতা সেখানে তত বেশি দুর্নীতির সুযোগ থাকে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় একদিন বিশ্বের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মতো কাগজবিহীন বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে। আমরা এখন আন্তর্জাতিকীকরণের পথে রয়েছি এবং রেজাল্ট প্রসেসিং সফট্ওয়্যার এই আন্তর্জাতিকীকরণের পথে একটি সিঁড়ি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়কে সফল করার অংশ হিসেবে আমরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক-প্রশাসনিক সকল ক্ষেত্র ডিজিটালাইজেশন করতে চাই। আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়েছে। যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের ১ লক্ষ ১০ হাজারেরও বেশি বই এখন অনলাইনে যুক্ত হয়েছে। রেজাল্ট প্রসেসিং সফট্ওয়্যার প্রস্তুত কমিটির আহবায়ক এবং বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. তপন কুমার জোদ্দার অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। সফট্ওয়্যারটি কীভাবে কাজ করবে অনুষ্ঠানের শুরুতে তিনি তা তুলে ধরেন। সফটওয়্যারটি তৈরির ক্ষেত্রে নিরাপত্তার দিকটিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সফটওয়্যার ব্যবহার নিয়ে আগামীতে প্রশিক্ষণ কর্মশালারাও আয়োজন করা হবে বলে তিনি অবহিত করেন। অনুষ্ঠানে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), ডিনবৃন্দ, সভাপতিগণ, অফিস প্রধানগণ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। কেআই/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি