ঢাকা, ২০১৯-০৪-২৬ ৮:১১:২৭, শুক্রবার

এমপিওভুক্তির কার্যক্রমকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

এমপিওভুক্তির কার্যক্রমকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, এমপিওভুক্তির কার্যক্রমকেই প্রথম অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে একথা বলেন তিনি। সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজীর প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গত বছরে যেটি করা হয়েছিলো, যেসব প্রতিষ্ঠানের এমপিও ছিল না, সেসব প্রতিষ্ঠানের যারা এমপিওপ্রাপ্তিতে কাঙ্ক্ষিত যোগ্যতা অর্জন করেছে আমরা তাদের যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করে অনলাইনে আবেদন জানাতে বলি। এরকম সাড়ে নয় হাজার এ তালিকায় রয়েছে। এমপিওর ব্যাপারে ইতোমধ্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আমার কার্যালয়ে যেসব কাজের তালিকা আমি করেছি তার মধ্যে প্রথমে রয়েছে এমপিও কার্যক্রম। এর আগে গত ১০ এপ্রিল বুধবার সচিবালয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের শিক্ষাবিষয়ক সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। আশা করছি, মাসখানেকের মধ্যে এমপিওভুক্তির ঘোষণা করতে পারব।’ নতুন করে কতগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে—এর জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এমপিওভুক্তির জন্য চারটি সূচকের ভিত্তিতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে থেকে আবেদন চাওয়া হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানগুলোর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে যোগ্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় আড়াই হাজার। এই সংখ্যা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে। সেখান থেকে মন্ত্রণালয় এখন যোগ্য প্রতিষ্ঠান ঠিক করছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা প্রতি মাসে বেতন-ভাতা বাবদ সরকারি অংশ (মূল বেতন ও কিছু ভাতা) পেয়ে থাকেন। এমপিও নয়—এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে এমপিওভুক্তির দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন। এসএইচ/    
বাউবি’র এইচএসসি পরীক্ষা আগামীকাল

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামীকাল। পরীক্ষা শেষ হবে ৫ জুলাই। শুক্রবার ও শনিবার দিনগুলিতে সকাল ও বিকেলে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সারাদেশে ৩৩৩ টি পরীক্ষা কেন্দ্রে এ পরীক্ষায় মোট ১ লক্ষ ৪৫ হাজার ৮ শত ৯৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে।যার মধ্যে ৮১ হাজার ৪ শত ২৬ জন পুরুষ এবং ৬৪ হাজার ৪ শত ৬৯ জন নারী। প্রশাসনের সহযোগিতায় নকলমুক্ত পরিবেশে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা গ্রহণের জন্য ব্যবস্থা নিয়েছে। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় হতে ভিজিল্যান্স টিম বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রেরণ করা হচ্ছে। আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়।  

শ্রেণিকক্ষে পান জর্দা গুল ব্যবহার বন্ধের নির্দেশ

শ্রেণিকক্ষে এবং শিক্ষার্থীদের সামনে পান, জর্দা ও গুল গ্রহণ না করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। উচ্চ মধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। গতকাল বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক মো. আবদুল মান্নান স্বাক্ষরিত ‘ধুমপান ও তামাকজাতীয় দ্রব্য পরিহারসংক্রান্ত’ নির্দেশনা সব উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধানদের কাছে পাঠানো হয়েছে।  মাউশির দেওয়া নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ‘কোনও কোনও শিক্ষক বিদ্যালয় কিংবা বিদ্যালয়ের বাইরে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে ধুমপান করেন, বিষয়টি শিক্ষকসুলভ আচরণ ও জনস্বাস্থ্যের পরিপন্থী। ফলে তারা যেন বিদ্যালয়ের ভেতরে বা বাইরে শিক্ষার্থীদের সামনে ধূমপান করা থেকে বিরত থাকেন। নির্দেশনায় আরও বলা হয়, কোনও কোনও শিক্ষক পান, জর্দা খান, গুল ব্যবহার করেন। এতে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিরূপ প্রভাব পড়ে। একই নির্দেশনায় আরও বলা হয়, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার হিসেবে অন্য কিছু না দিয়ে বই অথবা শিক্ষা উপকরণ দেওয়া হোক। মাউশির নির্দেশনায় আরও বলা হয়, শিক্ষার্থীদের সুস্বাস্থ্য গঠনের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগের পরামর্শে তাদের জন্য খাদ্যতালিকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই তালিকা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস তৈরির লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান-প্রধানদের নির্দেশনা দেওয়া হলো। স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণের বিষয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সচেতন করতে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও শিক্ষকদের অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা করতেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে জাবিতে মানববন্ধন

শ্রীলঙ্কায় ইস্টার সানডে উদযাপনের সময় কলম্বো ও এর আশপাশের বিভিন্ন গির্জা এবং হোটেলসহ অন্তত আটটি স্থাপনায় ভয়াবহ সিরিজ বোমা হামলায় তিন শতাধিক মানুষ নিহত ও চার শতাধিক মানুষ আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) দুপুর ১২ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নিউজিল্যান্ড থেকে শুরু হয়ে শ্রীলংকাসহ বিভিন্ন দেশে সন্ত্রাসীরা ধর্মের নাম করে মানুষ হত্যা করছে। মানুষে মানুষে হিংসা বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে। এরা মানবতার শত্রু, ধর্মান্ধ ও চরমপন্থি। এসব সন্ত্রাসীদের প্রতি তীব্র নিন্দা ও ঘৃণা জানাচ্ছি। এদিকে, একই ঘটনায় শেখ সেলিমের নাতি জায়ানের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম। গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় উপাচার্য বলেন, ‘ছোট্ট জায়ানের অকাল মৃত্যু আমাদেরকে কাঁদাচ্ছে। বর্বরোচিত এই হামলায় দুই শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এটা বিশ্ব-মানবতার জন্য একটি বড় ধরনের হুমকি।’ উপাচার্য হামলায় নিহত সকলের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ ও তাদের আত্মার শান্তি কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। আরকে//

ছিনতাইয়ের অভিযোগে জবির দুই শিক্ষার্থী বহিষ্কার

এক নারী শিক্ষার্থীকে লাঞ্চিত করা ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) পরিসংখ্যান এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের দুই শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে প্রশাসন। গতকাল বুধবার জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৮ মার্চ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থী তার বন্ধুদের সাথে ঘুরতে আসলে তাদেরকে বাহাদুর শাহ (ভিক্টোরিয়া) পার্কে ডেকে পরিসংখ্যান বিভাগ ১২ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ফাহিম আহমেদ খান (রাতুল শাহরিয়ার) এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মিরাজুল ইসলাম মারুফ তাদের সাথে অশোভন আচরণ করে এবং মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয়। প্রাপ্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রাথমিক তদন্তে ফাহিম আহমেদ খান এবং মিরাজুল ইসলাম মারুফ উক্ত ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুলভ নয় এবং শৃঙ্খলা পরিপন্থী। এ প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উক্ত দুইজন শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে এবং আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে স্থাায়ীভাবে কেন বহিস্কার করা হবে না সে ব্যাপারে লিখিত জবাব দেয়ার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এসি  

জরুরি অবস্থা ভেঙ্গে দ্বীমুখী আন্দোলনে উত্তাল ইবি ক্যাস্পাস

জরুরি অবস্থা ভেঙ্গে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দ্বীমুখী আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। বুধবার সকাল থেকে আটককৃত ২২ শিক্ষার্থীকে মুক্তি ও ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রীর দাবিতে প্রশাসন ভবনের সামনে আমরণ অনশন পালন করছে ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের শিক্ষার্থীরা। অপর দিকে বেলা ১২টা থেকে ভর্তি ফি সহ অন্যান্য সকল ফি কমানোর দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান ফটক অবরোধ করে অবস্থান কর্মসূচী পালন করছে ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। এদিকে সকাল ১০টায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে ক্যাম্পাসে সকল প্রকার মিছিল, সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ করে জরুরি অবস্থা জারি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এসি    

কলেজ কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে অনশন ভাঙলেন শিক্ষার্থীরা

কলেজ কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে অনশন ভেঙ্গেছেন ঢাকা কলেজের সামনে আমরণ অনশনে থাকা চার শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার রাত সাড়ে এগারোটার দিকে ঢাকা কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর নেহাল আহমেদ জুস পান করিয়ে এই চার শিক্ষার্থীর অনশন ভাঙান। অনশন ভাঙানোর আগে উপাধ্যক্ষ প্রফেসর নেহাল আহমেদ শিক্ষার্থীদের চলমান সমস্যা সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের বিদ্যমান সমস্যা নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রী দীপু মনির সঙ্গে রাতে কথা হয়েছে। তিনি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন কিছুদিনের মধ্যে এ সমস্যার সমাধান হবে। তিনি আরও জানান, সাত কলেজে শিক্ষার উন্নয়নে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয় আজ বুধবার অধ্যক্ষ সঙ্গে আলোচনা করা হবে। বৈঠকে সাত কলেজের বিদ্যমান সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষকে আগামী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট সভায় উত্থাপন করতে পরামর্শ দেওয়া হবে। এর আগে ঢাকা কলেজের বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানেরা শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙানোর চেষ্টা করলেও তেমন কোনও আশ্বাস না পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা অনশন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।  রাতে উপাধাক্ষ আশ্বাসে অনশন ভাঙলেন। এই সময় ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তির সরকারি সাত কলেজের তীব্র সেশনজট, ত্রুটি পূর্ণ ফলাফল এবং ফলাফল প্রকাশের দীর্ঘসূত্রিতাসহ নানা সমস্যা সমাধানের দাবিতে ঢাকা কলেজের গেটের সামনে আমরণ অনশন শুরু করেন তারা। শরুতে তিন শিক্ষার্থী দিয়ে অনশণ শরু হলেও বিকালে আরও এক শিক্ষার্থী যুক্ত হন। টিআর//

ইবিতে গায়ে কেরোসিন ঢেলে বেতন ও ফি কমানোর দাবি

বেতন ও ভর্তি ফিসহ অন্যান্যা ফি কমানোর দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রশাসন ভবন অবরোধ করে ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। আবরোধের সময় আন্দোলনকারী দুই শিক্ষার্থী গায়ে কেরোসিন তেল ঢালে। বেতন ফি কমানো না হলে আত্মহত্যার হুমকি দেয় তারা। মঙ্গলবার ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে তারা ক্যাম্পাসে মিছিল ও মানববন্ধন করেন। পরে সকাল ১০টা থেকে ১টা পযর্ন্ত প্রশাসন ভবনের প্রধান ফটক অবরোধ করে অবস্থান করে শিক্ষার্থীরা। প্রশাসন ভবন অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা, বাবার রক্ত যদি সেই চুষতে হবে, প্রাইভেট না হয়ে পাবলিক কেন তবে??, ছাত্রের টাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন নয়, হৈ হৈ রৈ রৈ এত টাকা গেল কই, এক দফা এক দাবি বেতন ফি কমাতে হবে ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকে। একপর্যায়ে সেখানে ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক পরেশ চন্দ্র বর্মণ, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক আনিছুর রহমান, সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান উপস্থিন হন। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের শান্ত করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন শিক্ষকরা। পরে আন্দোলনকারীদের ১০ জন প্রতিনিধির সঙ্গে উপাচার্যের আলোচনার প্রস্তাব দিলে তারা প্রত্যাখ্যান করেন। একপর্যায়ে বেলা ১১টার দিকে আন্দোলনকারী দুই ছাত্র গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার হুমকি দেয়। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে ভর্তি ফিসহ অন্যান্যা ফি চারগুণ বৃদ্ধি করে সাড়ে ৩ হাজার থেকে ১৪ হাজার করা হয়। এখন প্রতি বছর সাড়ে ৯ হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে। যা আগে ছিল ৩ হাজার। এত টাকা বহন করা সকলের পক্ষে সম্ভব নয়। এ কারণে আমাদের অনেক বন্ধু ফরম ফিলাপ করতে পারছে না। এ সকল ফি না কমানো পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব। পরে বেলা ১টার দিকে প্রশাসন ভবন থেকে সরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও কয়েক জন শিক্ষার্থী প্রধান ফটক সংলগ্ন ‘মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব’ ম্যুরালের পাদদেশে অমরণ অনশন করেছে। এ প্রতিবেদন লেখা পযর্ন্ত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক অবরোধ করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম শাহিনুর রহমান বলেন, বাজারের চাহিদা অনুযায়ী আমরা ফি বৃদ্ধি করেছি। তাও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে কম। এটা একটা মিমাংসীত ইস্যু। এদিকে সকাল ১১টার সময় থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রির দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদভুক্ত পাঁচ বিভাগের শিক্ষার্থীরা আমরণ অনশন করছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা এ অনসন চলবে জানায় শিক্ষার্থীরা। এ প্রতিবেদন লেখা পযর্ন্ত শিক্ষার্থীরা আমরণ অনশন চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম শাহিনুর রহমান বলেন, বিষয়টি যেহেতু যথাযথ প্রক্রিয়ায় মধ্য দিয়ে আসতে হবে। ফ্যাকাল্টি মিটিং হয়ে একাডেমিক সভায় আসলে আমরা বিষয়টি বিবেচনা করে দেখবো। এসি  

পাঁচ দফা দাবিতে আমরণ অনশনে তিন শিক্ষার্থী

সেশনজট নিরসন, ত্রুটিপূর্ণ ফল সংশোধন এবং ফল প্রকাশের দীর্ঘসূত্রতা দূর করাসহ ৫ দফা দাবি আদায়ে ঢাকা কলেজের তিন শিক্ষার্থী আমরণ অনশন করছেন। অনশনকারী তিন শিক্ষার্থী হলেন- সাইফুল ইসলাম, আবু নোমান এবং সাকিব। এরা সকলেই ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে ঢাকা কলেজের মূল গেটের সামনে অনশন করছেন তারা। আমরণ অনশনের অংশ নেয়া ঢাকা কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ২০১৭-১৮ সেকশনের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম বলেন, সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা যেই দাবিগুলো নিয়ে এখানে এসেছে। সেই দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে আমরা আমরণ অনশন করছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা এখানে অনশন করবো। এদিকে আজ সকালে ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত হওয়া সরকারি সাত কলেজে সেশনজট নিরসন, ত্রুটিপূর্ণ ফল সংশোধন এবং ফল প্রকাশের দীর্ঘসূত্রতা দূর করাসহ নানা সমস্যা সমাধানের দাবিতে নীলক্ষেত মোড়ে অবরোধ করে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি সমূহ—১. পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে ত্রুটিমুক্ত ফলাফল প্রকাশসহ একটি বর্ষের সকল বিভাগের ফলাফল একত্রে প্রকাশ করতে হবে।২. ডিগ্রী, অনার্স, মাস্টার্স সকল বর্ষের ফলাফল গণহারে অকৃতকার্য হওয়ার কারণ প্রকাশসহ খাতার পুনঃমূল্যায়ন করতে হবে।৩. সাত কলেজ পরিচালনার জন্য স্বতন্ত্র প্রশাসনিক ভবন চাই।৪. প্রতি মাসে প্রত্যেকটা ডিপার্টমেন্টে প্রতি কলেজে দুইদিন করে মোট ১৪ দিন ঢাবির শিক্ষকদের ক্লাস নিতে হবে।৫. সেশনজট নিরসনের লক্ষ্যে একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রকাশসহ ক্রাশ প্রোগ্রামের চালু করা। টিআর/

নীলক্ষেতে সড়ক অবরোধ করে সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত হওয়া সরকারি সাত কলেজে সেশনজট নিরসন, ত্রুটিপূর্ণ ফল সংশোধন এবং ফল প্রকাশের দীর্ঘসূত্রতা দূর করাসহ নানা সমস্যা সমাধানের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। ৫ দফা দাবিতে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ঢাকা কলেজের সামনে থেকে মানববন্ধন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা, যা নীলক্ষেত ও সায়েন্স ল্যাবরেটরি পর্যন্ত ছাড়িয়ে যায়। এর পর সড়ক আটকিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন তারা। এ সময় তারা সাত কলেজের নানা সমস্যা তুলে ধরে বিভিন্ন স্লোগান দেন। ‘গণহারে আর ফেল নয়, যথাযথ রেজাল্ট চাই’, ‘শিক্ষা কোনো পণ্য নয়, শিক্ষা নিয়ে ব্যবসা নয়’, ‘গণহারে ফেল, ঢাবি তোমার খেল’, ‘বন্ধ কর অনাচার, সাত কলেজের আবদার’, ‘নিচ্ছ টাকা দিচ্ছ বাঁশ, সময় শেষে সর্বনাশ’- এসব স্লোগান দেয়া হয় বিক্ষোভে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ২০১৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঢাবির অধিভুক্ত হওয়ার পর দীর্ঘ ৯ মাস সাত কলেজের কার্যক্রম বন্ধ থাকে। তার পর মানববন্ধন, অনশন কর্মসূচি সর্বশেষ সিদ্দিকের (তিতুমির কলের শিক্ষার্থী) চোঁখের বিনিময়ে ঢাবি আমাদের কার্যক্রম ধীরগতিতে শুরু করে। প্রায় দুই বছর দুই মাস অতিবাহিত হলেও সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা কোনো সুফল ভোগ করতে পারছেন না। বিলাল নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ঢাবি আমাদের যে মান অনুযায়ী পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করে, সেই মান অনুযায়ী ক্লাসে পড়ানো হয় না। এমনও বিষয় আছে- পাঁচটির বেশি ক্লাস হয় না। নানা অজুহাতে ক্লাস বন্ধ থাকে। শিক্ষার্থী আনোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের সমস্যাগুলো নিয়ে কলেজের শিক্ষকদের কাছে গেলে উনারা বলেন, ঢাবি তোমাদের সব কার্যক্রম করছে, আর ঢাবির প্রশাসনিক ভবনে গেলে বলে সাত কলেজের শিক্ষকরা সভা করে সব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এভাবেই শিক্ষাথীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়।  আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি সমূহ— ১. পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে ত্রুটিমুক্ত ফলাফল প্রকাশসহ একটি বর্ষের সকল বিভাগের ফলাফল একত্রে প্রকাশ করতে হবে। ২. ডিগ্রী, অনার্স, মাস্টার্স সকল বর্ষের ফলাফল গণহারে অকৃতকার্য হওয়ার কারণ প্রকাশসহ খাতার পুনঃমূল্যায়ন করতে হবে। ৩. সাত কলেজ পরিচালনার জন্য স্বতন্ত্র প্রশাসনিক ভবন চাই। ৪. প্রতিমাসে প্রত্যেকটা ডিপার্টমেন্টে প্রতি কলেজে দুইদিন করে মোট ১৪ দিন ঢাবির শিক্ষকদের ক্লাস নিতে হবে। ৫. সেশনজট নিরসনের লক্ষ্যে একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রকাশসহ ক্রাশ প্রোগ্রামের চালু করা। টিআর/

ঢাবিকে ২-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে হাবিপ্রবি

হাবিপ্রবি প্রতিনিধি: আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল প্রতিযোগিতার গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল দলকে ২-০ গোলে পরাজিত করে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) ফুটবল দল। সোমবার (২২ এপ্রিল) দুপুর ২ টা ৩০ মিনিটে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্টেডিয়ামে খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। একের পর এক আক্রমণ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রক্ষণভাগের পরীক্ষা নিতে থাকে তারা। অবশেষে প্রথমার্ধে দলের অধিনায়ক গোলাম সারোয়ার তাকওয়া-এর আক্রমনের সুফল পায় হাবিপ্রবি ফুটবল দল। প্রথম অর্ধে ১-০ ব্যবধান রেখে মাঠ ছাড়ে হাবিপ্রবি। বিরতি শেষে আক্রমণের ধার আরো বাড়ায় হাবিপ্রবি দল। মুহুর্মুহু আক্রমণে ঢাবি রক্ষণভাগকে তারা ব্যাস্ত করে রাখে। আক্রমণের এক মুহূর্তে দলের ক্যাপ্টেন তাকওয়া তার ২য় গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যায় বিজয়ের দিকে। অবশেষে ২-০ গোলে বিজয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে হাবিপ্রবি ফুটবল দল। প্রথম ম্যাচে হেট্রিকসহ এখন পর্যন্ত দলের হয়ে ৩ ম্যাচে সর্বোচ্চ গোলদাতাও হচ্ছেন দলের এই তরুণ অধিনায়ক গোলাম সারোয়ার তাকওয়া । আগামী ২৪ তারিখে গ্রুপ পর্বের শেষ খেলায় চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বনাম যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যকার খেলায় যে দল জয় লাভ করবে সে দলের সাথে আগামী ২৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে হাবিপ্রবি ফুটবল দল । উল্লেখ্য,আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল প্রতিযোগিতায় হাবিপ্রবি ফুটবল দল গ্রুপ পর্বে ১ম খেলায় জবি ফুটবল দলকে ৬-০ গোলে, ২য় খেলায় কুয়েট ফুটবল দলকে ২-০ গোলে ও ৩য় খেলায় ঢাবি ফুটবল দলকে ২-০ গোলে পরাজিত করেছে। এসি  

বিজয় একাত্তর হলে সিনিয়র-জুনিয়রদের হাতাহাতি!

শবে বরাতের খাবারকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলে সিনিয়র -জুনিয়রদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। রোববার রাত ১টার দিকে হলের অতিথি কক্ষে এই ঘটনা ঘটে। জানা যায়, বিজয় একাত্তর হলের জিএস নাজমুল হাসান নিশান শবে বরাত উপলক্ষে রাতে তার কর্মীদের জন্য খাবারের আয়োজন করে। এরপর নিশানের অনুসারী চতুর্থ বর্ষের তোফায়েল আহমেদ সহ কয়েকজন প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের খাবারের জন্য অতিথি কক্ষে ডাকে। তারপর অতিথি কক্ষে খেতে গেলে এদের মধ্যে কয়েকজন যারা হল ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদের অনুসারী তারা খাবার না খেয়ে বের হতে চাইলে এক পর্যায়ে সিনিয়র ও জুনিয়রদের মাঝে হাতাহাতি হয়। এই বিষয়ে বিজয় একাত্তর হলের জিএস নাজমুল হাসান নিশান বলেন, ‘শবে বরাত উপলক্ষে রাতে হলের সবার জন্য আমি খাবারের আয়োজন করেছিলাম। হলের সিনিয়ররা-জুনিয়রদের নিয়ে হলের গেস্ট রুমে খেতে গেলে এক পর্যায়ে হারুনের অনুসারী দ্বিতীয় বর্ষের কয়েকজন শাওন নামের তৃতীয় বর্ষের একজনকে মারধর করে। ঘটনা শুনে এরপর আমি নিচে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করি।’ এই বিষয়ে হারুন অর রশিদ বলেন, ‘গেস্ট রুমে আমাদের সবার অনুসারীরাই ছিল। গেস্ট রুমে যখন চতুর্থ বষের শিক্ষার্থী তোফায়েল দ্বারা প্রথম বর্ষের যোবায়ের হোসেন জিদ্দাকে মারার খবর ছড়িয়ে পড়ে তখন দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা সেখানে যায়। এরপর মূলত তাদের সবার মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।’ এই বিষয়ে জানতে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এজিএম শফিউল আলম ভূইয়াকে ফোন দিলে বলেন, ‘আমি ছুটিতে ঢাকার বাইরে আছি। ঘটনার বিষয়ে এখনো কিছু জানি না।’ এসি  

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি