ঢাকা, ২০১৯-০৬-১৮ ৯:০৭:৩৭, মঙ্গলবার

হাবিপ্রবিতে আরডিএ’র উদ্যোগে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি শীর্ষক কর্মশালা

হাবিপ্রবিতে আরডিএ’র উদ্যোগে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি শীর্ষক কর্মশালা

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পল্লী উন্নয়ন একাডেমী উদ্যোগে ‘পানি সাশ্রয়ী আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণ ও বিস্তার এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি শীর্ষক প্রায়োগিক গবেষণা প্রকল্প’ এর আওতায় আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইবিতে গাছ থেকে পড়ে আহত ৩ শিক্ষার্থী

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে জাম পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। রবিবার বিকাল ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে দুজনের অবস্থা খুবই গুরুতর বলে জানিয়েছেন ডাক্তার। প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকার উপাচার্যের বাসভবনের পাশে জাম পাড়তে যায় ব্যাবস্থাপনা বিভাগের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী রাকিব, আইন বিভাগের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী কামাল, দীপু কুমার পাল ও আব্দুল্লাহ। কামাল গাছের উপরে ওঠে। এক পর্যায়ে সে ডাল ভেঙ্গে পড়তে থাকলে তাকে ধরতে যায় রাকিব ও দীপু। এতে রাকিব পায়ে হালকা আঘাত পেলেও দীপুর বাম পায়ের দুটি হাড় ভেঙ্গে যায়। কামাল বাম পা ও ঘাড়ে গুরুতর আঘাত পেয়েছে। গুরুতর আহত কামাল ও দীপুকে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলের কর্তব্যরত ডাক্তার এস এম শাহেদ হাসান বলেন, গুরুতর আহত দুজনকে কুষ্টিয়ায় পাঠনো হয়েছে। এক জনের পা খুব বাজে ভাবে ভেঙ্গে গেছে। পায়ে রড লাগানো লাগতে পারে। অন্যজন পা ও ঘাড়ে গুরুতর আঘাত পেয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে তার ঘাড়ের একটি হাড় খুলে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মন বলেন, ঘটনাটি খুবই দু:খজনক। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এ ধরনের কাজ করা ঠিক না। আমি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি। এসি  

পানি সংকটে চরম দুর্ভোগে হাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা

ঈদের দীর্ঘ ছুটির শেষে ক্যাম্পাসে ফিরতে শুরু করেছেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ঈদের ছুটি কাটিয়ে ক্যাম্পাসে এসেই পানি সংকটে চরম বিড়ম্বনায় পড়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হল ও শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। জানা যায়, এই দুই আবাসিক হলে ২ হাজার থেকে ২.৫ হাজারের মতো শিক্ষার্থী অবস্থান করছেন। পানির পাম্প নষ্ট হওয়ায় কারণে বিগত কয়েকদিন থেকে পানি সংকটে চরম দুর্ভোগে পড়েছে শিক্ষার্থীরা । গোসল ,খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে সর্বত্র পানির প্রয়োজন সেখানে পানি সংকট সমাধানে কোন কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসন। এতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। ভুক্তভোগী ডরমেটরী-২ (জিয়া হল) এর আবাসিক শিক্ষার্থী মাসুদ রানা লিখেছেন, ‘গত বৃহস্পতিবার থেকে এখন পর্যন্ত হলে পানি সরবরাহ বন্ধ। খাবার পানি থেকে শুরু করে টয়লেটে পর্যন্ত পানি সরবরাহ নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এ ব্যাপারে কোন নজরদারি দেখছি না। বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষকে সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি।’ উপাচার্যকে হলের পানির এ সমস্যার কথা জানালে পানির লাইন ঠিক না হওয়া পর্যন্ত বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান বলে এ প্রতিবেদককে জানান রাশেদ নামের অপর এক শিক্ষার্থী । অন্যদিকে ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের আবাসিক শিক্ষার্থী রুমানা ইয়াসমিন বৈশাখী নামের একজন শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকের প্রফাইলে লিখেন, ‘আমাদের এখন সিসিটিভি ক্যামেরার চেয়ে পানি বেশী প্রয়োজন। মাত্র একটি টিউবওয়েল থেকে মেয়েরা লাইন ধরে দাঁড়িয়ে পানি নিচ্ছে।আমরা এই সমস্যার দ্রুত সমাধান চাই।’ এ বিষয়ে জিয়া হলের হল সুপার গোলাম রব্বানীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘গত দু`দিন থেকে আমাদের ইঞ্জিনিয়ার এবং টেকনিশিয়ানরা চেষ্টা করেছে। তারা সমস্যা সমাধানে ব্যর্থ হলে ঢাকা থেকে টেকনিশিয়ান এনে পাম্পটি মেরামত করার চেষ্টা চলছে। আশা করি খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।’ শনিবার সন্ধ্যায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পানি সংকট সমাধানের জন্য সাময়িকভাবে কয়েকটি মটর স্থাপন করা হয়েছে। এমএস/আরকে

কাল খুলছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

গ্রীষ্মকালীন অবকাশ, পবিত্র শব-ই-কদর, জুমাতুল বিদা ও ঈদ-উল-ফিতরের ছুটি শেষে আগামীকাল রোববার থেকে শুরু হচ্ছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। বিশ্ববিদ্যালয়টির ক্যালেন্ডার থেকে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। এদিকে শিক্ষার্থীদের চিন্তা বিবেচনা করে গত ১৪ জুন থেকে খুলে দেওয়া হয় ৪ টি আবাসিক হল। সে দিন থেকেই হলে ফিরতে শুরু করেছেন আবাসিক শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গ্রীষ্মকালীন অবকাশ, পবিত্র শব-ই-কদর, জুমাতুল বিদা ও ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ছুটিতে গত ০৫ মে থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত ক্লাস বন্ধ ছিল। তবে ১৪ ও ১৫ জুন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় কারনে রোববার থেকেই শুরু হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টির একাডেমিক কার্যক্রম। সেই সাথে একই দিন শুরু হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনিক কার্যক্রম। এমএস/আরকে

আড়াই মাস পর প্রাণ ফিরেছে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক উপাচার্য নিয়োগের প্রক্রিয়া সন্তোষ্টজনক হওয়ায় টানা ৬৮ দিনের আন্দোলন শেষে নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষায় ফিরেছেন সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। শনিবার সকাল থেকেই শিক্ষার্থীদের প্রদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়টির ক্যাম্পাস। জানা যায়, সকল বিভাগেই নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষা শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন পরে ক্লাসে ফিরতে পেরে প্রণোচ্ছল শিক্ষার্থীরাও। অস্থিতিশীলতা শেষ হয়ে গতি ফিরেছে একাডেমিক ও প্রশাসনিক পর্যায়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক রনি আহম্মেদ বলেন, অনেক দিন পর আজ ক্যাম্পাসে উৎসব মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সবাই নিয়মিত ক্লাসে ফিরেছেন, পুরো ক্যাম্পাসে প্রাণ ফিরেছে। আমি নিজেও অনেক আনন্দ বোধ করছি। এমএস/আরকে

থাকছে না জিপিএ ৫ পদ্ধতি

দীর্ঘদিন থেকে চলে আসা পাবলিক পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পদ্ধতি আর থাকছে না। স্নাতক ও আন্তর্জাতিক শিক্ষা পদ্ধতির সঙ্গে মিল রেখে সিজিপিএ ৪ (কিউমুলেটিভ গ্রেড পয়েন্ট অ্যাভারেজ) এর কথা ভাবছে সরকার। যা আগামী জেএসসি পরীক্ষা থেকে চালু হতে পারে বলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের একাধিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। ১৯৯১ সালে বুয়েটে বাংলাদেশে প্রথমবারের মত গ্রেডিং পদ্ধতি চালু করা হয়। ২০০১ সালে এসএসসি এবং ২০০৩ সালে এইচএসসি তে চালু করা হয়। আর ২০০৯  সাল থেকে শুরু হওয়া জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় (জেএসসি) বিভাগভিত্তিক ফল দেয়া হলেও, ২০১১ সাল থেকে এখানেও গ্রেডিং পদ্ধতি চালু করা হয়।   গতকাল বুধবার আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বৈঠকে তিনি সিজিপিএ পুনর্বিন্যাস করে একটি খসড়া উপস্থাপনের নির্দেশ দেন। আন্ত শিক্ষা বোর্ডের সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, ‘আন্ত বোর্ডের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠকে সিজিপিএ ৫-এর পরিবর্তে ৪-এর মধ্যে ফল প্রকাশে সবাই একমত হয়েছেন। তবে এ ব্যাপারে আমরা বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে বৈঠক করব। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ফল পর্যালোচনা করব। এরপর আগামী এক মাসের মধ্যে সিজিপিএ ৪-এর মধ্যে কিভাবে ফল দেওয়া যায় সে ব্যাপারে একটি খসড়া শিক্ষামন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করবো। যদি সম্ভব হয় তাহলে চলতি বছরের জেএসসি থেকেই আমরা সিজিপিএ ৪-এর মধ্যে ফল প্রকাশ করতে চাই বলে জানান তিনি। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের একজন শিক্ষা অফিসার জানান, এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, তবে এখনো কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। বর্তমানে দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সিজিপিএ ৪ এর মধ্যে ফল প্রকাশ  করা হলেও, জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ ৫ এর মধ্যে ফল প্রকাশ করা হয়। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, চাকরি বিশেষ করে যারা উচ্চশিক্ষার জন্য দেশের বাহিরে যান, তাদের বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হয়। কেননা, বিশ্বের অন্যান্য দেশে সবধরণের পরীক্ষায় সিজিপিএ ৪ এর মধ্যে সব ফলপ্রকাশ করা হয়। এমন শিক্ষা পদ্ধতির কারণে বিদেশে পড়ুয়াদের  এসএসসি ও এইচএসসি সার্টিফিকেটের সমতা করতে যেয়ে নানান জটিলতায় পড়তে হয়। আর আন্তর্জাতিকভাবেও দেশের ফলাফলের সমতা থাকছে না। তাছাড়া ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, সে এসডিজি অর্জনে শিক্ষা ব্যবস্থার সমতা ও ঢেলে সাজানো অতীব জরুরি বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা।   আই//  

একাদশে ভর্তি: প্রথম পর্যায়ে কলেজ পায়নি ৯৭ হাজার শিক্ষার্থী

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে প্রথম পর্যায়ে ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৮৭৬ জন আবেদন করলেও তাদের মধ্যে ৯৭ হাজার ১০ জন ভর্তির জন্য কলেজ পাননি। প্রথম পর্যায়ে ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৬৬ শিক্ষার্থীকে মনোনীত করে তালিকা প্রকাশ করেছে সরকার। এদের আগামী ৩০ জুনের মধ্যে স্ব স্ব কলেজে ভর্তি হতে হবে। আজ সোমবার কলেজে ভর্তির ওয়েবসাইটে (http://www.xiclassadmission.gov.bd/) এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক মো. হারুন-আর-রশিদ এতথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, প্রথম পর্যায়ে ভর্তির জন্য ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৬৬ জনকে মনোনীত করা হয়েছে। এদের ১৮ জুনের মধ্যে সিলেকশন নিশ্চয়ন (যে কলেজের তালিকায় নাম এসেছে ওই কলেজেই যে শিক্ষার্থী ভর্তি হবেন তা এসএমএসের মাধ্যমে নিশ্চিত করা) করতে হবে। প্রথম পর্যায়ে মনোনীত শিক্ষার্থীদের ২৭ থেকে ৩০ জুনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে হবে। ভর্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীরা রোল এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ওয়েবসাইট থেকে ফল জানতে পারবেন। এছাড়া তাদের মোবাইলে এসএমএস করেও ফল জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। অধ্যাপক হারুন জানান, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে প্রথম পর্যায়ে ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৮৭৬ জন আবেদন করলেও তাদের মধ্যে ৯৭ হাজার ১০ জন ভর্তির জন্য কলেজ পাননি। “অনেকে এসএমএসের মাধ্যমে শুধু একটি কলেজে আবেদন করেছিল। কেউ কেউ ভালো ভালো কলেজে আবেদন করায় প্রথম পর্যায়ে তারা কলেজ পায়নি।” প্রথম দফায় যারা কলেজ পায়নি, তারা দ্বিতীয় দফায় আবেদনের সুযোগ পাবেন জানিয়ে হারুন বলেন, মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীই ভর্তির জন্য কলেজ পাবে, সব শিক্ষার্থীই কলেজে ভর্তি হতে পারবে। আগামী ১৯ থেকে ২০ জুন দ্বিতীয় পর্যায় এবং ২৪ জুন তৃতীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আবেদন নিয়ে ২১ জুন দ্বিতীয় পর্যায় এবং ২৫ জুন তৃতীয় পর্যায়ের ফল প্রকাশ করা হবে। এবারও সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করতে পেরেছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীর মেধা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটি কলেজে তার অবস্থান নির্ধারণ করে দেওয়া হচ্ছে।   টিআর/

সাবেকুন নাহার সনির ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী শিক্ষার্থী সাবেকুন নাহার সনির ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০০২ সালের এই দিনে টেন্ডারবাজিকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান বুয়েটের কেমিকৌশল বিভাগের ছাত্রী সনি। এই ঘটনার পর সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলেন বুয়েটসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। সারাদেশের মানুষ এই আন্দোলনে সমর্থন জানায়। আন্দোলনের মুখে শেষ পর্যন্ত সনি হত্যা মামলার দ্রুত বিচার শেষে সন্ত্রাসী মুকি ও টগরসহ তিনজনের ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়। এই মামলার রায় ছিল দেশের যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সংগঠিত হত্যাকাণ্ডের প্রথম বিচার। সনি হত্যার দিনটিকে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন ‘সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে পালন করবে। এ উপলক্ষে আজ সকাল সাড়ে ১০টায় বুয়েটের আহসান উল্লাহ হলের সামনে সনির স্মৃতি বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এসএ/      

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত চবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

টিউশনি থেকে ফেরার পথে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় আহত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রানীবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী সাদেকুল ইসলাম ১০ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে মারা গেছেন। শনিবার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার নগরীর পলিটেকনিক মোড়ে দুর্ঘটনায় শিকার হন সাদেকুল। সাদেকুলের বন্ধুরা জানায়, প্রথম দুই দিন তার শরীরের অবস্থা কিছুটা ভালো থাকলেও তৃতীয় দিন থেকে অবনতির দিকে যায়।  পরে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই আজ সকালে মারা যায় সে। সাদেকের গ্রামের বাড়ী কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলায়। পিতৃহীন সাদেক তিন ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় ছিলো। তার টিউশনের টাকা দিয়েই চলতো পরিবার। এদিকে সাদেকের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ক্যাম্পাস ও সহপাঠিদের মধ্যে। তার বিভাগের সহপাঠী আরিফুল ইসলাম বলেন, বন্ধু-বান্ধাবদের সাথে সবসময় হাসি খুশি থাকতো সে। কখনো কারও সাথে ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত ছিল না। পড়ালেখায়ও ভালো ছিলো। সে এভাবে আমাদের ছেড়ে চলে যাবে এটা আমরা স্বপ্নেও ভাবিনি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর লিটন মিত্র বলেন,সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার পাশে ছিল। আমরা তার সার্বক্ষণিক খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি সব ধরনের সহযোগিতা করেছি। এখন যেহেতু সে আমাদের ছেড়ে চলে গেছে, তার বাড়ীতে লাশ পৌঁছানোর ব্যবস্থা করে দিবো আমরা। এনএম/কেআই    

ফেনী স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব কুবির ইফতার

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক সংগঠন ‘ফেনী স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব কুমিল্লা ইউনিভার্সিটির’ উদ্যোগে ইফতার অনুষ্ঠিত হয়েছে।শুক্রবার (৩১ মে) ফেনী শহরে নাহার চৌধুরী চাইনিজ রেস্টুরেন্ট এ এই ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাহ মুহাম্মদ ফাহিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত  ছিলেন, ফেনী জেলার আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক কফিল উদ্দিন। অ্যাসোসিয়েশন বতর্মান সভাপতি বোরহান উদ্দিন এবং অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে কফিল উদ্দিন বলেন,অ্যাসোসিয়েশন শুধু আসলে গেলে হবে না, সব সময় একটিভ থাকতে হবে। অ্যাসোসিয়েশন জন্য সময় দিতে হবে এবং সদস্যদের কল্যাণে কাজ করতে হবে। কাজের দক্ষতার অর্জনের মাধ্যমে নিজেকে যোগ্য নেতৃত্বে নিয়ে আসতে হবে। কেআই/    

ঢাবির ভর্তি পরীক্ষার কাঠামো পরিবর্তন!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের কাঠামোগত ও প্রশ্নের নম্বরগত দুটি পরিবর্তন এনেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ বছর থেকে ভর্তি পরীক্ষায় লিখিত নম্বর থাকবে ৪০ শতাংশ এবং মাল্টিপল চয়েস প্রশ্নোত্তর (এমসিকিউ বা বহু নির্বাচনী) থাকবে ৬০ শতাংশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী। তবে কোন পদ্ধতিতে কত নম্বর থাকবে তা নিশ্চিত না করলেও এই পরিবর্তনকে মৌলিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার এনামউজ্জামান। প্রতি বছর সাধারণত অক্টোবর থেকে নভেম্বরের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য মোট ২০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হতো। এর মধ্যে ১২০ নম্বর থাকত এমসিকিউ পরীক্ষায় এবং ৮০ নম্বর থাকতো এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার গ্রেড পয়েন্টের (জিপিএ) ভিত্তিতে। এ বছর থেকে এমসিকিউ প্রশ্নের সঙ্গে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রক্টর অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ‘এ বছর ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে কাঠামোগত ও নম্বরগত পরিবর্তন দুটোই আসছে। কাঠামোগত পরিবর্তন হলো এমসিকিউ ও লিখিত দুটোই থাকবে। নম্বরগত পরিবর্তনে ৬০ শতাংশ থাকবে এমসিকিউ এবং ৪০ শতাংশ থাকবে লিখিত। আমরা যতদূর অগ্রসর হয়েছি ততটুকু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যাবে ৷ আর কিছু প্রশ্নের উত্তরের জন্য এখনও অপেক্ষা করতে হবে।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার এনামুজ্জামান বলেন, ‘আমাদের একাডেমিক কাউন্সিল একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, ভর্তি পরীক্ষাতে এমসিকিউ প্রশ্নের পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে। তবে, লিখিত কত নম্বর থাকবে, এমসিকিউ কত নম্বর থাকবে এটা আমাদের জেনারেল অ্যাডমিশন কমিটি নির্ধারণ করবেন। এক্ষেত্রে লিখিত ৪০ নম্বর হতে পারে আবার ৬০ নম্বরও হতে পারে। মৌলিক এতটুকু পরিবর্তন আনা হয়েছে। তিনি বলেন, এছাড়া পরীক্ষা ব্যবস্থাপনার বিষয়ে কিছু কিছু পরিবর্তন আমরা আনতে চাই। কিছু নিয়ম-কানুন সংস্কার করতে চাই। গত বার যে ভুলগুলো হয়েছে সেগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে কীভাবে পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে ভালোভাবে নিতে পারি সেই পরিকল্পনা করছি৷

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি