ঢাকা, ২০১৯-০৬-২০ ২০:১৯:৫৫, বৃহস্পতিবার

শিল্পকলায় পূর্ণিমা তিথির সাধুসঙ্গ অনুষ্ঠিত

শিল্পকলায় পূর্ণিমা তিথির সাধুসঙ্গ অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে মাসিক সাধুসঙ্গ এর তৃতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ জুন) বিকাল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে বাউল গানের আসর। লালনের তত্ত্ব বানী প্রচার প্রসারের লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রতি মাসে এই সাধুসঙ্গের আয়োজন করা হয়। একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী’র পরিকল্পনায় এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন লালন গবেষক অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল করিম ও ড. আবু ইসহাক হোসেন। লালন সাঁইজির বানী পরিবেশন করেন সফি মন্ডল, টুন টুন ফকির, সমির বাউল, আনোয়ার শাহ্, মিজানুর রহমান ভূট্রো ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বাউল দল। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ইতোমধ্যে একাধিক বাউল উৎসব ও আন্তর্জাতিক সেমিনার আয়োজন করেছে। প্রতিশ্রুতিশীল বাউল শিল্পী নিয়ে ঢাকা এবং কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠান এবং সেমিনার আয়োজন করেছে। একাডেমিতে তরুণ বাউল শিল্পীদের নিয়ে বছরব্যাপী প্রশিক্ষণ এবং শিল্পী পার্বতী বাউলের তত্বাবধানে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেআই/      
জাতীয় কবির সমাধিতে গানের সুরে ঈদ উদযাপন

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধিসৌধে গান গেয়ে ঈদ উদযাপন করা হয়েছে। বুধবার ‘নজরুল-প্রমীলা পরিষদ’র এর আয়োজনে ‘ও মোর রমজানের এই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’ গানের সুরে ঈদ উদযাপন করেছেন দেশ বরেণ্য কবি-সাহিত্যিক-সাংবাদিকসহ বিশিষ্টজনরা। এ উৎসবে কবি এম আর মনজু, ছড়াকার মানসুর মুজাম্মিল, ডা. এম এ মুক্তাদীর, কলামিস্ট মোমিন মেহেদী, নাট্যকার হানিফ খান, কথাশিল্পী শান্তা ফারজানা, সংগঠক গোলাম মোস্তফা ভূইয়া, কবি সাঈদ জুবায়ের, আবদুস সালাম চৌধুরী, মতিয়ারা চৌধুরী মিনু, এনামুল হক, মনিরুল ইসলাম, জিয়াউদ্দীন বাবলু, বিমল সহা, রিবা, পার্থ কায়সার প্রমুখ লেখা পাঠ ও আলোচনা করেন। ঈদ উদযাপন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নাট্যকার লুৎফুল আহসান বাবু। এদিন বিকালে উৎসবে ডা. এম এ মুক্তাদীর ‘আপ্যায়নের করাণ’ এবং মোমিন মেহেদী ক্রাইম নিউজের ঈদ সংখ্যা উপস্থিত লেখকদের হাতে তুলে দেন। এমএস/

কাজী নজরুল ইসলামের ১২০তম জন্মজয়ন্তী আজ

প্রেম, দ্রোহ আর সাম্যের কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১শ’২০তম জন্মজয়ন্তী আজ। শোষণ-বঞ্চণার বিরুদ্ধে কবির কলম ছিলো প্রতিবাদী। আবার প্রেম-ভালোবাসা আর সমতার বাণী বার বার ফুটে উঠেছে নজরুলের গান, কবিতা, গল্প আর উপন্যাসে। তিনি গজল, হামদ-নাথ যেমন লিখেছেন তেমিন লিখে গেছেন শ্যামাসঙ্গীত। স্বধর্মে স্থিত থেকে সব ধর্মকে শ্রদ্ধা আর মানবতার জয়গান গেয়েছেন তিনি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান সময়েও তাই মানবমুক্তির পথ দেখান কবি নজরুল। প্রেম, দ্রোহ, সাম্যের কবি কাজী নজরুল ইসলাম। ধারণ করেছেন অসাম্প্রদায়িক চেতনা, ধর্ম-বর্ণের উর্ধ্বে উঠে গেয়েছেন মানবতায় জয়গান। ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম। ডাক নাম দুখু মিয়া। শৈশবেই বাধাগ্রস্ত শিক্ষাজীবন, জীবিকার টানে কাজ করেছেন মসজিদ-মক্তবে। কৈশোরে লেটো গানের দলে পালাগানের রচয়িতা ও অভিনেতা ছিলেন। সেখান থেকেই শিল্প চর্চার শুরু। পরিচয় হয় হিন্দু পুরাণের সঙ্গে। চাষার সঙ, শকুনিবধসহ বেশকিছু লোকসঙ্গীত রচনা করেন কিশোর নজরুল। একদিকে মসজিদ-মক্তবের জীবন উল্টোদিকে লেটো দলের বিচিত্র অভিজ্ঞতা নজরুলের সাহিত্যে এনেছে বৈচিত্র্য। ১৯১৭ যোগ দেন সেনাবাহিনীতে। পরে পেশা হিসেবে বেছে নেন সাংবাদিকতা। ব্রিটিশ শোষনের বিরুদ্ধে সোচ্চার নজরুলের লেখনীতে ছড়িয়েছে বিদ্রোহ। জেলে বন্দী হয়েও লিখেছেন রাজবন্দীর জবানবন্দী। কবির প্রতিটি শব্দই সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কবি সবসময় সম্প্রীতির কথা বলেছেন। সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থানের এই সময়ে নজরুলের দর্শনই মুক্তির দিশা। কবি ছিলেন চিরবিরহী। প্রেম, ভালোবাসা আর সাম্যের বাণী সবসময়ই ধ্বণিত হয়েছে কবির কণ্ঠে। ভাতৃত্ব আর সমতা, সঙ্গীতে তুলে ধরেছেন প্রেম, প্রকৃতি আর ভালোবাসার কথকতা। মধ্যবয়সে পিকস’ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেমে যায় কবির কলম। জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে কবিকে নিয়ে আসেন বাংলাদেশে। সৃষ্টিসুখের উল্লাসে কবি যা কিছু সৃষ্টি করেছেন তা কালোত্তীর্ণ। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে :   এসএ/      

নানা আয়োজনে ব্যস্ত নজরুল ভক্তরা

নজরুল জন্মজয়ন্তিকে ঘিরে জাতীয় কবির স্মৃতি বিজড়িত ময়মনসিংহের ত্রিশাল আর কুমিল্লায় চলছে নানা আয়োজন। মানবতা আর সাম্যের এই কবিকে স্মরণে নানা আয়োজনে ব্যস্ত নজরুল ভক্তরা। দ্রোহ আর প্রেমের কবি, মানবতা আর শোষিত মানুষের মুক্তির বার্তাবাহক... জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২০তম জন্মবার্ষিকী কাল। কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নানা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে তার স্মৃতি বিজরিত এলাকাগুলোতে। বর্ধমানের সম্ভ্রান্ত কাজী বাড়িতে জন্ম নেয়া দুখু মিয়ার বেেেড় ওঠা ময়মনসিংহের ত্রিশালে। স্মৃতিবিজরিত কাজির শিমলা ও নামাপাড়া গ্রামে সরকারী উদ্যোগে হয়েছে কবি নজরুল স্মৃতি কেন্দ্র। এর উদ্যোগে নজরুল জন্মজয়ন্তি উপলক্ষে চলছে ৩ দিনের আয়োজন। দরিরামপুর একাডেমী মাঠে বসছে নজরুল মেলা। দিনটি জাতীয় পর্যায়েও উদযাপনের দাবি নজরুল প্রেমিদের। কবির তারুন্যের দুরন্ত সময়ের স্বাক্ষী হয়ে আছে কুমিল্লা। প্রেম, বিরহ, বিয়ে ও বিচ্ছেদ- সংগীত শিল্পী হিসেবে আর্বিভাব এবং ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন-কারাবরনের ইতিহাস রচিত হয়েছে এখানে। কুমিল্লা তিনি লিখেছেন অসংখ্য জনপ্রিয় গান ও কবিতা। সেখানেও চলছে জন্ম জয়ন্তির আয়োজন। এ বিষয়ে কথা বলেন লেখক ও নজরুল গবেষক ড. আলী হোসেন চৌধুরী। এদিকে নজরুল উৎসব নির্বিঘ্ন করতে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টরা। বাঙালি জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে কবি নজরুলের কালজয়ী সব সৃষ্টি। জন্মজয়ন্তীতে তাকে স্মরণ করতে স্মৃতিবিজরিত সব স্থানে ভিড় করবেন ভক্তরা। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে : এসএ/  

‌সুবীর নন্দীর গান সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছে শিল্পীরা

সদ্যপ্রয়াত বরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী সুবীর নন্দীর স্মরণে শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে স্মরণসভার আয়োজন করে শিল্পকলা একাডেমি। তার গানকে যথাযথভাবে সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছে তার পরিবারের সদস্য ও শিল্পীরা। বুধবার তার স্মরণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় এ দাবি জানান তারা। স্মরণসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ এমপি। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন,সঙ্গীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। পরিবারের পক্ষে কথা বলেন সুবীর নন্দীর মেয়ে  ফাল্গুনী নন্দী। শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে আরও কথা বলেন শিল্পী সৈয়দ আবদুল হাদী, আকরামুল ইসলাম, রফিকুল আলম, ইন্দ্রমোহন রাজবংশী, আবিদা সুলতানা, শুভ্রদেব, সুরকার মকসুদ জামিল মিন্টু, মানাম আহমেদ সাব্বির ও কোনাল। উপস্থিত ছিলেন সুবীর নন্দীর স্ত্রী পূরবী নন্দী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সঙ্গীতশিল্পী দিনাত জাহান মুন্নী। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, `কপিরাইট আইনের খসড়া ইতিমধ্যেই প্রণয়ন হয়েছে। এটি পাস হলে সুবীর নন্দীসহ সব শিল্পীর গান যথাযথভাবে সংরক্ষিত হবে। আইনের মাধ্যমে তাদের গানের রয়্যালিটি পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হবে বলেও আমি মনে করি।` সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, `সুবীর নন্দীর প্রতিটি গান সংরক্ষণ করে রাখা উচিত। তার আগে যারা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন, তাদের গানও সংরক্ষণ করতে হবে। আর এ কাজটি সরকারকেই করতে হবে। তাহলে আমাদের নতুন প্রজন্ম জানতে পারবে, তাদের পূর্বসূরিরা কী গান গাইতেন, কেমন করে গাইতেন।` সৈয়দ আবদুল হাদী বলেন, `কোনো শিল্পী চলে গেলে তার জন্য অশ্রুবর্ষণ করি, তাদের মহাত্ম্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখি। পক্ষান্তরে নিজেদের মহৎ বানানোর চেষ্টা করি।` তিনি এ সময় শিল্পীরা বেঁচে থাকতে তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবার কাছে অনুরোধ করেন। উল্লেখ্য, চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৭ মে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন শিল্পী সুবীর নন্দী। কেআই/  

সঙ্গীতশিল্পী সুবীর নন্দীর স্মরণানুষ্ঠান বুধবার

দেশবরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী সুবীর নন্দী স্মরণে জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে আগামীকাল (২২ মে) বুধবার বিকেল ৩টায় সুবীর নন্দী স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সর্বস্তরের শিল্পী, গীতিকার, সুরকার, সংগঠক ও ভক্তদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ঋত্বিক নাট্যপ্রাণ লিয়াকত আলী লাকী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমীন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করবেন একাডেমির সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের পরিচালক সোহরাব উদ্দীন। শিল্পী সুবীর নন্দী স্মরণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হবে। কেআই/

হালুয়াঘাটে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক একাডেমির উদ্বোধন

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক একাডেমির নবনির্মিত ভবন ও এডভোকেট প্রমোদ মানকিন অডিটোরিয়াম উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি। জেলা প্রশাসক ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস-এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মায়মনসিংহ-১ আসনের সংসদ সদস্য জুয়েল আরেং এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। অনুষ্ঠানে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীদের নৃত্য পরিবেশিত হয়। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও গণপূর্ত অধিদপ্তর এর বাস্তবায়নে নওগাঁ, দিনাজপুর ও হালুয়াঘাট ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক একাডেমি নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় দশ কোটি একাশি লক্ষ টাকা ব্যায়ে এই সাংস্কৃতিক একাডেমি নির্মাণ করা হয়েছে। গত ১ নভেম্বর ২০১৮ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দিনাজপুর ও নওগাঁ ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক একাডেমি উদ্বোধন করেন। বাংলাদেশর সমতলে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সংস্কৃতির প্রচার, প্রসার এবং তাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য উন্নয়ন ও সংরক্ষনের মাধ্যমে জাতীয় সংস্কৃতির মূল স্রোতধারাকে সমৃদ্ধকরণের লক্ষ্যে ২০১৩ সালের জুলাই মাসে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়। নির্মিত একাডেমিতে আধুনিক মঞ্চায়ন উপযোগী শব্দ, আলোক এবং অ্যাকুয়েস্টিক ব্যবস্থাসহ ৩০০ আসন বিশিষ্ট একটি মিলনায়তন নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া ৫০০ আসন বিশিষ্ট মুক্তমঞ্চ ও একটি প্রশিক্ষণ ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। কেআই/    

জামিন পেলেন ক‌বি হেনরী স্বপন

ডিজিটাল নিরপত্তা আইনে অভিযুক্ত ক‌বি হেনরী স্বপনের জা‌মিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ বৃহস্প‌তিবার সকালে বরিশাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক শামীম আহম্মেদ তার জা‌মিন মঞ্জুর করেন। ক্যাথলিক চার্চের ফাদারের দায়ের করা মামলায় তার বিরুদ্ধে খ্রীস্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগ আনা হয়। গত মঙ্গলবার (১৪ মে) ডি‌জিটাল নিরাপত্তা আইনের সে মামলায় তাকে  গ্রেপ্তার করা হলে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। আদালতে ক‌বি হেনরী স্বপনের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে জেলা বারের সভাপতি সৈয়দ ওবায়েদুল্লাহ সাজু, সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মানবেন্দ্র বটব্যালসহ আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। অ্যাডভোকেট সুভাশীষ ঘোষ বাপ্পি ও অ্যাডভোকেট সুভাস চন্দ্রদাস গণমাধ্যমকে তার জামিনের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বাদী বিবাদী পক্ষের উপ‌স্থিতিতে এ জা‌মিন মঞ্জুর করা হয়েছে। আগামী ধার্য তা‌রিখ পর্যন্ত আদালত তাকে জামিন দিয়েছেন বলে জানান তারা।  

কাউকে বাদ দিয়ে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়

গোপালগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শহিদুল ইসলাম বলেছেন,‘কাউকে বাদ দিয়ে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। কওমী মাদরাসার শিক্ষার্থীদেরকে সংস্কৃতি চর্চার সাথে যুক্ত করতে পারলেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেশের উন্নয়নে যে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সেটা বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। পাশাপাশি দেশের সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য আধুনিক বিশ্বের একজন যোগ্যতম নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে।’ বুধবার (১৫ মে) সকাল ৯টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় গোপালগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে কওমি মাদ্রাসা ভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এতে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ১৬টি কওমি মাদ্রাসার অংশগ্রহণে এই প্রতিযোগতা শুরু হয়। গোপালগঞ্জের শেখ ফজলুল হক মণি স্মৃতি মিলনায়তনে কওমি মাদ্রাসার ক্বিরাত ও হিফছ বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ক্বিরাত, হামদ-নাথ ও কবিতা আবৃত্তি বিষয়ে ১ম পর্বের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০১৯ অনুষ্ঠিত হয়। কার্যনিবাহী সদস্য মঈন আহমেদসহ বিভিন্ন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও শিক্ষকমণ্ডলী উপস্থিত ছিলেন। প্রতিযোগিতায় জেলা কালচারাল অফিসার আল মামুন বিন সালেহ-এর সঞ্চালনা করেন। ক্বিরাত,হামদ-নাথ ও কবিতা আবৃত্তি তিনটি বিষয়ের প্রতিটিতে ছোট ও বড় দুই ভাগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতা শেষে প্রতিটি বিষয়ে দুই গ্রুপে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকারী মোট ১৮ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। এই আয়োজনের ২য় পর্বে আগামী জুন মাসে ৪২টি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য,ইতোপূর্বে গোপালগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে আন্ত: মাদ্রাসা সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয় যেখানে বিভিন্ন মাদ্রাসার প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে শুদ্ধসুরে জাতীয় সংগীত এর কর্মশালা, মাদ্রাসাগুলোতে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্যের আলোকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জীবনকর্ম নিয়ে আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়। এছাড়া স্কুল থিয়েটার উৎসবে মহিলা মাদ্রাসাগুলো অংশগ্রহণ করে নাটক প্রদর্শনীর মাধ্যমে বিশেষ প্রশংসা অর্জন করে। কেআই/  

বঙ্গবন্ধু অবিনাশী চেতনার বাতিঘর: মিনার মনসুর

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের নবনিযুক্ত পরিচালক কবি মিনার মনসুর বলেছেন ‘বঙ্গবন্ধু আমাদের অবিনাশী চেতনার বাতিঘর। তিনি আমাদের একটি দেশ উপহার দিয়ে গেছেন। এজন্য আমরা বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে চলার মতো আত্মপরিচয় পেয়েছি। তিনি বাঙ্গালীর জন্য রেখে গেছেন সোনার বাংলার এক আকাশচুম্বী স্বপ্ন।’ মঙ্গলবার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করার পরে ‘বঙ্গবন্ধু জাদুঘরে’ রক্ষিত পরিদর্শন বইতে তিনি এসব মন্তব্য লিপিবদ্ধ করেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা যেন তাঁর অতুলনীয় আত্মত্যাগ এবং দেশ ও জনগণের প্রতি তাঁর অনন্য ভালোবাসার যথাযোগ্য প্রতিদান দিতে পারি। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর প্রাক্কালে এটাই হোক আমাদের আন্তরিক প্রত্যাশা ও অঙ্গীকার।’   এসময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের উপ-পরিচালক সুহিতা সুলতানাসহ সংস্থার সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারিবৃন্দ এবং বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ, সিনিয়র সভাপতি মিলনকান্তি নাথ, সহ-সভাপতি মো.গফুর হোসেন, যুগ্ম-নির্বাহী পরিচালক মো. শাহাদাত হোসেনসহ সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য, গত ৭ মে কবি মিনার মনসুরকে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক পদে নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে। মিনার মনসুর কবি হিসেবে অধিক সমাদৃত হলেও সম্পাদক, প্রকাশক ও সংগঠক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন পঁচাত্তর-পরবর্তীকালে। তিনি চরম প্রতিকূলতার মধ্যে ১৯৭৯ সালে প্রকাশ করেছেন ‘শেখ মুজিব একটি লাল গোলাপ’ নামে মাইলফলক গ্রন্থ। পঁচাত্তরের নজিরবিহীন নৃশংসতার পর বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে এটিই ছিল গ্রন্থাকারে প্রকাশিত প্রথম স্মারক সংকলন। অবশ্য এর আগেই বঙ্গবন্ধুর তৃতীয় শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ১৯৭৮ সালের ১৫ আগস্ট তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ‘এপিটাফ’-এর একটি বিশেষ সংখ্যা। তাঁর একাধিক কাব্যগ্রন্থ, জীবনীগ্রন্থ, গবেষণামূলক প্রবন্ধগ্রন্থ এবং সম্পাদিত গ্রন্থ রয়েছে। কেআই/      

এটুআই-ইনোভেশন ল্যাবে দেশীয় উদ্ভাবন নিয়ে মতবিনিময়

এটুআই-ইনোভেশন ল্যাব এর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত দেশীয় উদ্ভাবনসমূহ নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বোববার রাজধানীর জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের আই ল্যাব অডিটোরিয়ামে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় আইটিইএক্স-২০১৯ সম্মাননা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রজেক্টের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় প্যানেল আলোচক ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, ডাক-টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি  প্রতিমন্ত্রী  জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক। এটুআই এর প্রকল্প পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং এটুআই’র পলিসি অ্যাডভাইজর আনীর চৌধুরীর উপস্থাপনায় সভায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয় হওয়া উচিত হিউম্যান রিসোর্স প্ল্যানিং চিন্তাধারার।’ ইনোভেটিভ প্রজেক্টগুলোকে পাইলটিং করার উপর গুরুত্ব দিয়ে ল্যাবকে নতুনভাবে আই ওপেনার ল্যাব বলে আখ্যায়িত করেন। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বলেন, ‘আবিষ্কারের সুফল এ জাতি পাবে না যদি আমরা মেধাসত্ত্ব সংরক্ষণ না করি। উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে এটি একটি আবশ্যিক বিষয়। আই ল্যাবে সকল উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে মেধাসত্ত্ব সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।’ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী  তরুণদের উৎসাহিত করার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান, উদ্ভাবন এবং উদ্যোক্তা তৈরির মানসিকতা বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে বক্তব্য রাখেন।   সম্প্রতি বৃহত্তর এশিয়ার প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনী প্রদর্শনী এবং প্রতিযোগিতা আইটিইএক্স ২০১৯ এ গতবারের ধারাবাহিকতায় এবারও এটুআই এর আই ল্যাব বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করে এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করে। এই অংশগ্রহণের মাধ্যমে এ বছর আই ল্যাব এর গ্রামীণ ই-কমার্স উদ্যোগ ‘একশপ’ স্বর্ণ পদক এবং অন্য ৪ টি উদ্যোগ সিলভার পদক (পাম্পিং ওয়াটার ফ্রম ডাউনহিল সোর্স টু আপহিল, ইউজড কুকিং ওয়েল, স্মার্ট হোয়াইট ক্যান এবং পিএনপিকে) অর্জন করে। গ্রামীণ ই-কমার্স উদ্যোগ ‘একশপ’ শুধু স্বর্ণ পদকই নয়, ২১ টি দেশের মধ্যে সেরা আন্তর্জাতিক উদ্ভাবন ট্রফিও অর্জন করেছে। এবারের আয়োজনে ২১ টি দেশের ১,৩২৭ টি উদ্ভাবন উপস্থাপিত হয়েছিল। আইটিইএক্স ২০১৮ তেও এটুআই এর আইল্যাব অংশগ্রহণ করে এবং দুইটি স্বর্ণ ও একটি রৌপ্য পদক অর্জন করে। উল্লেখ্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, আইসিটি বিভাগ, ইউএসএইড এবং ইউএনডিপি এর সহায়তায় পরিচালিত এটুআই এর ইনোভেশন ল্যাব (আই ল্যাব) গত তিন বছর ধরে বাংলাদেশে তারুণ্য নির্ভর উদ্ভাবনী উদ্যোগের একটি সূতিকাগার হিসাবে কাজ করে যাচ্ছে। এটুআই এর আইডিয়া ব্যাংক বা সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ড (এসআইএফ) এর মাধ্যমে বিগত তিন বছরে ১৪,০০০ এরও বেশি উদ্ভাবনী আবেদন পর্যালোচনা, ২,০০০ এরও বেশি আবেদন নিয়ে নিবিড় পর্যালোচনা ও ২১৭ টি উদ্যোগকে বাস্তবায়ন উপযোগী করতে প্রায় ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। ইনোভেশন ল্যাব একটি সমন্বিত মডেল নিয়ে কাজ করছে, এতে যুক্ত হয়েছে ১৩৭ টি বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্প উদ্যোক্তা, বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ ও বাণিজ্যিক চিন্তাবিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি মেন্টর প্যানেল। ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইট, পেটেণ্ট ও কপিরাইট এর কারণে ইনোভেশন ল্যাব একটি আলাদা রূপ লাভ করেছে (সাম্প্রতিক সময়ে উদ্বোধনকৃত ডিজিটাল কপিরাইট প্ল্যাটফর্ম এটুআই ইনোভেশন ফান্ড এর অর্থায়ন ও আই ল্যাবের প্রত্যক্ষ কারিগরি সহায়তাতেই শুরু হয়েছে)। এমএস/কেআই

কুমিল্লা জেলা জজ আদালতে মঞ্চস্থ হলো ‘দিনবদলের পালা’

‘বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় শেখ হাসিনার অবদান, বিনামূল্যে লিগ্যাল এইডে আইনি সেবাদান’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলা লিগ্যাল এইড, কুমিল্লা এর আয়োজনে ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস- ২০১৯’ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) একমাত্র নাট্য সংগঠন থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্চস্থ করেছে তাদের নাটক ‘দিনবদলের পালা’। কুমিল্লা জেলার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এবং লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান মো. আলী আকবর এর সভাপতিত্বে জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয় এক আলোচনা সভা। আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীর, পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম, বিএনসিসি রেজিমেন্ট কমান্ডার লে. কর্নেল সালাহউদ্দিন আল মুরাদসহ আরও অনেকে। পরে কুমিল্লা জেলা জজ আদালতে লিগ্যাল এইড বিষয়ক নাটিকা প্রদর্শনী করে ‘থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়’। বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী তাইয়েব্যুন মিমির রচনায় এবং নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তামিম আল হাসানের নির্দেশনায় থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় তাদের নাটিকা ‘দিনবদলের পালা’ মঞ্চস্থ করে। নাটিকার মূল বিষয়বস্তু হলো বিনামূল্যে লিগ্যাল এইড অফিস থেকে আইনি সেবাদান এবং সমঝোতার মাধ্যমে বিরোধের নিষ্পত্তি করা যায় এ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা। নাটিকায় অভিনয় করেন অর্ক, নাবিলা, ফারাহ্, ইসতিয়াক মোহন, নাইম, রাব্বি, মাসুম এবং সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন নাজমুল এবং গুলসান।

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি