ঢাকা, ২০১৯-০৬-২৬ ৭:৪৮:০৩, বুধবার

কবি,সাহিত্যিকদের স্মরণে ‘স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ’ এর উদ্বোধন

কবি,সাহিত্যিকদের স্মরণে ‘স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ’ এর উদ্বোধন

দেশের স্বনামধন্য কবি, সাহিত্যিক ও শিল্পীদের স্মরণ করতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির বিভিন্ন বিভাগ আয়োজন করছে ৪৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির স্মরণ অনুষ্ঠান। সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা ৬টায় একাডেমির জাতীয় সঙ্গীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে ‘স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক স্মরণানুষ্ঠান-২০১৯ আয়োজনে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ঋত্বিক নাট্যপ্রাণ লিয়াকত আলী লাকী এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সঙ্গীতজ্ঞ অধ্যাপক ড. আ ব ম নূরুল আনোয়ার, বাংলাদেশ থিয়েটার আর্কাইভের চেয়ারম্যান, নাট্য সমালোচক ও নাট্য অনুবাদক অধ্যাপক আবদুস সেলিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের অধ্যাপক শিল্পী জামাল আহমেদ, সঙ্গীতশিল্পী কিরণ চন্দ্র রায়, আলোকচিত্র শিল্পী পাভেল রহমান, বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান এবং চলচ্চিত্র সংসদ কর্মী ও আলোকচিত্রী মুনিরা মোরশেদ মুন্নী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন একাডেমির সচিব বদরুল আনম ভূঁইয়া। অনুষ্ঠান আয়োজনে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, প্রদীপ প্রজ্জ্বালন, প্রয়াত গুণীজনদের স্মৃতির প্রতি এক মিনিট নিরবতা পালন, প্রয়াত গুণীদের তালিকা এবং ছবি প্রদর্শন। ৪৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী দিনে অমর সুরস্রষ্টা শচীন দেব বর্মণের সৃষ্টিকর্ম নিয়ে আলোচনা, ভিডিও চিত্র প্রদর্শন  এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা করা হয়। উদ্বোধনী আলোচনা শেষে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে  ‘ছন্দে বর্ণে’ গানের কথায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নৃত্যশিল্পীবৃন্দ, ‘ঝিলমিল ঝিলমিল ঝিলের জলে’ গানের কথায় দীপা খন্দকারের নৃত্য পরিচালনায় দিব্য সাংস্কৃতিক সংগঠন, নিটোল পায়ে রিনিক ঝিনিক গানের কথায় ফারহানা চৌধুরী বেবী’র নৃত্য পরিচালনায় বাংলাদেশ একাডেমি অফ ফাইন আর্টস, একক সঙ্গীত পরিবেশন করে বাঁশি শুনে আর কাজ নেই এবং নিশিথে যাইয়ো ফুলো বনে গানের কাথায় শিল্পী হৈমন্তী রক্ষিত, তুমি এসেছিলে পরশু এবং তুমি গিয়াছো বকুল বিছানো পথে গানের কথায় শিল্পী সন্দীপন, পিয়া বিনা বাঁশিয়া বাজেনা এবং তুম না জানে কিস জাহানে গানের কথায় শিল্পী অনুপমা মুক্তি। এছাড়া একক সঙ্গীত পরিবেশন করে শিল্পী কিরণ চন্দ্র রায়। সবশেষে পরিবেশিত হয় মুনীর চৌধুরী রচিত ড. আইরীন পারভীন লোপা নির্দেশিত আবদুল্লাহ আল মামুন থিয়েটার স্কুলের পরিবেশনায় কবর নাটকের অংশবিশেষ। আগামী ২৫ জুন থেকে ২ জুলাই পযর্ন্ত জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্ত্র মিলনায়তনে পর্যায়ক্রমে শিল্পীদের স্মরণ অনুষ্ঠানে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। কেআই/    
শিল্পকলায় ‘জয়তুন বিবির পালা’ মঞ্চস্থ

‘আন্তজার্তিক, জাতীয় ও ব্রাত্যজনীন থিয়েটারের পারস্পরিক বিনিময়’ শীর্ষক সেমিনার এবং ‘জয়তুন বিবির পালা’ মঞ্চস্থ হয়েছে। শনিবার দুপুর তিনটায় উৎসবের তৃতীয় দিন জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় ‘আন্তজার্তিক, জাতীয় ও ব্রাত্যজনীন থিয়েটারের পারস্পরিক বিনিময়’ শীর্ষক সেমিনার। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক শফি আহমদ, সহ-সভাপতি, আই.টি.আই বাংলাদেশ কেন্দ্র। তিনি ‘সাব-অল্ট্রার্ণ’ এর পরিভাষা হিসেবে ‘ব্রাত্যজন’ ব্যবহার করেন এবং বাংলাদেশের বর্তমান প্রযোজনা প্রবণতা ব্যাখা করেন। এছাড়া মূল আলোচনার বিষয়ে সমকালীন আন্তজার্তিক থিয়েটারের আটজন বিশেষজ্ঞের মতামত তুলে ধরেন। সেমিনারে উক্ত বিষয়ে বক্তব্য রাখেন, ভারতীয় নাট্য বিশেষজ্ঞ অংশুমান ভৌমিক, চীনের নাট্যব্যক্তিত্ব অধ্যাপক সু চু পং, নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, জাহিদ রিপন, মান্নান হীরা, কামাল উদ্দীন কবির, মফিদুল হক, আশিষ খন্দকার এবং পূজা সেনগুপ্ত। সমাপণী বক্তব্য দেন অধ্যাপক আবদুস সেলিম। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেনে আই.টি.আই বাংলাদেশ কেন্দ্রের সভাপতি নাসিরউদ্দীন ইউসুফ। সন্ধ্যা সাতটায় জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে অন্বেষা থিয়েটার মঞ্চস্থ করে নাটক ‘জয়তুন বিবির পালা’ রচনা ও নির্দেশনা সায়িক সিদ্দিকী। ময়মনসিংহ গীতিকার ছায়া অবলম্বনে ভাগ্যবিড়ম্বিত রাজপুত্র গহরচান ও জয়তুন বিবির বিরহ গাথাঁ বাংলাদেশের জনপ্রিয় পালা আঙ্গিকে মঞ্চায়ন করে অন্বেষা থিয়েটার। আগামীকাল ২৩ জুন জাতীয় নাট্যশালা মূল হলে মঞ্চস্থ হবে জোহো থিয়েটার (চীন)-এর এফ সিকে। কেআই/  

রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ২৮তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

তারুণ্য ও সংগ্রামের দীপ্ত প্রতীক কবি রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ২৮তম প্রয়াণ দিবস আজ। ১৯৯১ সালের ২১ জুন মাত্র ৩৫ বছর বয়সে মারা যান তিনি। বাংলাদেশের কবিতায় অবিসস্মরণীয় শিল্পমগ্ন উচ্চারণ তাকে দিয়েছে সত্তরের অন্যতম কবি-স্বীকৃতি। কবির প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে রুদ্র স্মৃতি সংসদ শুক্রবার (২১ জুন) তার গ্রামের বাড়ি মংলার মিঠেখালীতে সকালে শোভাযাত্রা, কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, মিলাদ মাহফিল, দোয়া এবং সন্ধ্যায় সংসদ কার্যালয়ে স্মরণ সভার আয়োজন করেছে। স্মরণসভা শেষে রুদ্রের লেখা কবিতার আবৃত্তি ও গান পরিবেশিত হবে। অকালপ্রয়াত এই কবি খুব অল্প সময়ের মধ্যেই নিজেকে মিলিয়ে নিয়েছিলেন আপামর নির্যাতিত মানুষের আত্মার সঙ্গে। সাম্যবাদ, মুক্তিযুদ্ধ, ঐতিহ্যচেতনা ও অসাম্প্রদায়িকবোধে উজ্জ্বল তার কবিতা। ‘জাতির পতাকা আজ খামচে ধরেছে সেই পুরোনো শকুন’-এই নির্মম সত্য অবলোকনের পাশাপাশি উচ্চারণ করেছেন অবিনাশী স্বপ্ন- ‘দিন আসবেই- দিন সমতার’। যাবতীয় অসাম্য, শোষণ ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে অনমনীয় অবস্থান তাঁকে দিয়েছে ‘তারুণ্যের দীপ্ত প্রতীক’-এর খেতাব। একই সঙ্গে তাঁর কাব্যের আরেক প্রান্তর জুড়ে রয়েছে স্বপ্ন, প্রেম ও সুন্দরের মগ্নতা। রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ মূলত কবি হলেও কাব্য চর্চার পাশাপাশি সঙ্গীত, নাটক, ছোটগল্পের ক্ষেত্রেও ছিলেন সমান উৎসাহী। রুদ্র চেয়েছিলেন বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা গড়ে উঠুক। ফলে ব্যক্তি রুদ্র ও কবি রুদ্রের সমগ্র শিল্প সাধনা ছিল দেশ, মানুষ ও মানুষ্যত্বের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর জন্ম ১৯৫৬ সালের ১৬ অক্টোবর বরিশাল রেডক্রস হাসপাতালে। রুদ্রের মায়ের নাম শিরিয়া বেগম, বাবার নাম শেখ ওয়ালীউল্লাহ। তাদের স্থায়ী নিবাস বাগেরহাট জেলার মংলা থানার অন্তর্গত সাহেবের মেঠ গ্রামে, তবে পিতার কর্মস্থল ছিল বরিশাল। তার বাবা পেশায় ছিলেন চিকিৎসক। দশ ভাই বোনের মাঝে তিনিই ছিলেন সকলের বড়। বাড়ির পাশেই ছিল নানা বাড়ি, তাই ছোটবেলার অধিংকাশ সময়টাই কবি তার নানাবাড়িতে কাটিয়েছেন। আর সেই নানাবাড়ির পাঠশালাতেই তার লেখাপড়ার হাতেখড়ি হয়। এমনকি লেখালেখির আগ্রহও সৃষ্টি ঐ নানাবাড়ি থেকেই। নানাবাড়িতে সেসময় ‘বেগম’আর কলকাতার ‘শিশুভারতী’পত্রিকা আসত নিয়মিত। বলাই বাহুল্য যে শিশুমনে তৈরি হয়ে গিয়েছিল সাহিত্য প্রেমি একটা সত্ত্বার। ঢাকা ওয়েস্ট এন্ড হাইস্কুল থেকে ১৯৭৩ সালে এসএসসি এবং ১৯৭৫ সালে এইচএসসি পাস করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় অনার্সসহ এমএ পাস করেন রুদ্রের প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ সাতটি। এরমধ্যে রয়েছে উপদ্রুত উপকূল, ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম, মানুষের মানচিত্র, মৌলিক মুখোশ, ছোবল ইত্যাদি। রুদ্র কিছু গল্প আর গানও লিখেছেন। রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ ছিলেন জাতীয় কবিতা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্মসম্পাদক, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের প্রথম আহবায়ক কমিটির সদস্য এবং বাংলাদেশ সংগীত পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও প্রকাশনা সচিব। বিগত স্বৈরাচার-বিরোধী আন্দোলনে রুদ্র সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তারুণ্য ও সংগ্রামের দীপ্ত প্রতীক কবি রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ৩৪ বছরের স্বল্পায়ু জীবনে সাতটি কাব্যগ্রন্থ ছাড়াও গল্প, কাব্যনাট্য এবং ভালো আছি ভালো থেকো সহ অর্ধশতাধিক গান রচনা ও সুরারোপ করেছেন। ১৯৮০ সালে তিনি পেয়েছিলেন মুনীর চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিখ্যাত ও বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে বিয়ে করেন ১৯৮১ সালে। কিন্তু তাঁদের এই দাম্পত্য দীর্ঘস্থায়ী হয় না ১৯৮৬ সালে ঘটে বিবাহ বিচ্ছেদ। এবং কয়েক বছর পর ১৯৯১ সালে মারা যান রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ। টিআর/

শিল্পকলায় পূর্ণিমা তিথির সাধুসঙ্গ অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে মাসিক সাধুসঙ্গ এর তৃতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ জুন) বিকাল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে বাউল গানের আসর। লালনের তত্ত্ব বানী প্রচার প্রসারের লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রতি মাসে এই সাধুসঙ্গের আয়োজন করা হয়। একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী’র পরিকল্পনায় এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন লালন গবেষক অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল করিম ও ড. আবু ইসহাক হোসেন। লালন সাঁইজির বানী পরিবেশন করেন সফি মন্ডল, টুন টুন ফকির, সমির বাউল, আনোয়ার শাহ্, মিজানুর রহমান ভূট্রো ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বাউল দল। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ইতোমধ্যে একাধিক বাউল উৎসব ও আন্তর্জাতিক সেমিনার আয়োজন করেছে। প্রতিশ্রুতিশীল বাউল শিল্পী নিয়ে ঢাকা এবং কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠান এবং সেমিনার আয়োজন করেছে। একাডেমিতে তরুণ বাউল শিল্পীদের নিয়ে বছরব্যাপী প্রশিক্ষণ এবং শিল্পী পার্বতী বাউলের তত্বাবধানে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেআই/      

জাতীয় কবির সমাধিতে গানের সুরে ঈদ উদযাপন

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধিসৌধে গান গেয়ে ঈদ উদযাপন করা হয়েছে। বুধবার ‘নজরুল-প্রমীলা পরিষদ’র এর আয়োজনে ‘ও মোর রমজানের এই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’ গানের সুরে ঈদ উদযাপন করেছেন দেশ বরেণ্য কবি-সাহিত্যিক-সাংবাদিকসহ বিশিষ্টজনরা। এ উৎসবে কবি এম আর মনজু, ছড়াকার মানসুর মুজাম্মিল, ডা. এম এ মুক্তাদীর, কলামিস্ট মোমিন মেহেদী, নাট্যকার হানিফ খান, কথাশিল্পী শান্তা ফারজানা, সংগঠক গোলাম মোস্তফা ভূইয়া, কবি সাঈদ জুবায়ের, আবদুস সালাম চৌধুরী, মতিয়ারা চৌধুরী মিনু, এনামুল হক, মনিরুল ইসলাম, জিয়াউদ্দীন বাবলু, বিমল সহা, রিবা, পার্থ কায়সার প্রমুখ লেখা পাঠ ও আলোচনা করেন। ঈদ উদযাপন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নাট্যকার লুৎফুল আহসান বাবু। এদিন বিকালে উৎসবে ডা. এম এ মুক্তাদীর ‘আপ্যায়নের করাণ’ এবং মোমিন মেহেদী ক্রাইম নিউজের ঈদ সংখ্যা উপস্থিত লেখকদের হাতে তুলে দেন। এমএস/

কাজী নজরুল ইসলামের ১২০তম জন্মজয়ন্তী আজ

প্রেম, দ্রোহ আর সাম্যের কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১শ’২০তম জন্মজয়ন্তী আজ। শোষণ-বঞ্চণার বিরুদ্ধে কবির কলম ছিলো প্রতিবাদী। আবার প্রেম-ভালোবাসা আর সমতার বাণী বার বার ফুটে উঠেছে নজরুলের গান, কবিতা, গল্প আর উপন্যাসে। তিনি গজল, হামদ-নাথ যেমন লিখেছেন তেমিন লিখে গেছেন শ্যামাসঙ্গীত। স্বধর্মে স্থিত থেকে সব ধর্মকে শ্রদ্ধা আর মানবতার জয়গান গেয়েছেন তিনি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান সময়েও তাই মানবমুক্তির পথ দেখান কবি নজরুল। প্রেম, দ্রোহ, সাম্যের কবি কাজী নজরুল ইসলাম। ধারণ করেছেন অসাম্প্রদায়িক চেতনা, ধর্ম-বর্ণের উর্ধ্বে উঠে গেয়েছেন মানবতায় জয়গান। ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম। ডাক নাম দুখু মিয়া। শৈশবেই বাধাগ্রস্ত শিক্ষাজীবন, জীবিকার টানে কাজ করেছেন মসজিদ-মক্তবে। কৈশোরে লেটো গানের দলে পালাগানের রচয়িতা ও অভিনেতা ছিলেন। সেখান থেকেই শিল্প চর্চার শুরু। পরিচয় হয় হিন্দু পুরাণের সঙ্গে। চাষার সঙ, শকুনিবধসহ বেশকিছু লোকসঙ্গীত রচনা করেন কিশোর নজরুল। একদিকে মসজিদ-মক্তবের জীবন উল্টোদিকে লেটো দলের বিচিত্র অভিজ্ঞতা নজরুলের সাহিত্যে এনেছে বৈচিত্র্য। ১৯১৭ যোগ দেন সেনাবাহিনীতে। পরে পেশা হিসেবে বেছে নেন সাংবাদিকতা। ব্রিটিশ শোষনের বিরুদ্ধে সোচ্চার নজরুলের লেখনীতে ছড়িয়েছে বিদ্রোহ। জেলে বন্দী হয়েও লিখেছেন রাজবন্দীর জবানবন্দী। কবির প্রতিটি শব্দই সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কবি সবসময় সম্প্রীতির কথা বলেছেন। সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থানের এই সময়ে নজরুলের দর্শনই মুক্তির দিশা। কবি ছিলেন চিরবিরহী। প্রেম, ভালোবাসা আর সাম্যের বাণী সবসময়ই ধ্বণিত হয়েছে কবির কণ্ঠে। ভাতৃত্ব আর সমতা, সঙ্গীতে তুলে ধরেছেন প্রেম, প্রকৃতি আর ভালোবাসার কথকতা। মধ্যবয়সে পিকস’ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেমে যায় কবির কলম। জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে কবিকে নিয়ে আসেন বাংলাদেশে। সৃষ্টিসুখের উল্লাসে কবি যা কিছু সৃষ্টি করেছেন তা কালোত্তীর্ণ। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে :   এসএ/      

নানা আয়োজনে ব্যস্ত নজরুল ভক্তরা

নজরুল জন্মজয়ন্তিকে ঘিরে জাতীয় কবির স্মৃতি বিজড়িত ময়মনসিংহের ত্রিশাল আর কুমিল্লায় চলছে নানা আয়োজন। মানবতা আর সাম্যের এই কবিকে স্মরণে নানা আয়োজনে ব্যস্ত নজরুল ভক্তরা। দ্রোহ আর প্রেমের কবি, মানবতা আর শোষিত মানুষের মুক্তির বার্তাবাহক... জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২০তম জন্মবার্ষিকী কাল। কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নানা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে তার স্মৃতি বিজরিত এলাকাগুলোতে। বর্ধমানের সম্ভ্রান্ত কাজী বাড়িতে জন্ম নেয়া দুখু মিয়ার বেেেড় ওঠা ময়মনসিংহের ত্রিশালে। স্মৃতিবিজরিত কাজির শিমলা ও নামাপাড়া গ্রামে সরকারী উদ্যোগে হয়েছে কবি নজরুল স্মৃতি কেন্দ্র। এর উদ্যোগে নজরুল জন্মজয়ন্তি উপলক্ষে চলছে ৩ দিনের আয়োজন। দরিরামপুর একাডেমী মাঠে বসছে নজরুল মেলা। দিনটি জাতীয় পর্যায়েও উদযাপনের দাবি নজরুল প্রেমিদের। কবির তারুন্যের দুরন্ত সময়ের স্বাক্ষী হয়ে আছে কুমিল্লা। প্রেম, বিরহ, বিয়ে ও বিচ্ছেদ- সংগীত শিল্পী হিসেবে আর্বিভাব এবং ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন-কারাবরনের ইতিহাস রচিত হয়েছে এখানে। কুমিল্লা তিনি লিখেছেন অসংখ্য জনপ্রিয় গান ও কবিতা। সেখানেও চলছে জন্ম জয়ন্তির আয়োজন। এ বিষয়ে কথা বলেন লেখক ও নজরুল গবেষক ড. আলী হোসেন চৌধুরী। এদিকে নজরুল উৎসব নির্বিঘ্ন করতে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টরা। বাঙালি জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে কবি নজরুলের কালজয়ী সব সৃষ্টি। জন্মজয়ন্তীতে তাকে স্মরণ করতে স্মৃতিবিজরিত সব স্থানে ভিড় করবেন ভক্তরা। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে : এসএ/  

‌সুবীর নন্দীর গান সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছে শিল্পীরা

সদ্যপ্রয়াত বরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী সুবীর নন্দীর স্মরণে শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে স্মরণসভার আয়োজন করে শিল্পকলা একাডেমি। তার গানকে যথাযথভাবে সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছে তার পরিবারের সদস্য ও শিল্পীরা। বুধবার তার স্মরণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় এ দাবি জানান তারা। স্মরণসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ এমপি। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন,সঙ্গীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। পরিবারের পক্ষে কথা বলেন সুবীর নন্দীর মেয়ে  ফাল্গুনী নন্দী। শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে আরও কথা বলেন শিল্পী সৈয়দ আবদুল হাদী, আকরামুল ইসলাম, রফিকুল আলম, ইন্দ্রমোহন রাজবংশী, আবিদা সুলতানা, শুভ্রদেব, সুরকার মকসুদ জামিল মিন্টু, মানাম আহমেদ সাব্বির ও কোনাল। উপস্থিত ছিলেন সুবীর নন্দীর স্ত্রী পূরবী নন্দী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সঙ্গীতশিল্পী দিনাত জাহান মুন্নী। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, `কপিরাইট আইনের খসড়া ইতিমধ্যেই প্রণয়ন হয়েছে। এটি পাস হলে সুবীর নন্দীসহ সব শিল্পীর গান যথাযথভাবে সংরক্ষিত হবে। আইনের মাধ্যমে তাদের গানের রয়্যালিটি পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হবে বলেও আমি মনে করি।` সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, `সুবীর নন্দীর প্রতিটি গান সংরক্ষণ করে রাখা উচিত। তার আগে যারা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন, তাদের গানও সংরক্ষণ করতে হবে। আর এ কাজটি সরকারকেই করতে হবে। তাহলে আমাদের নতুন প্রজন্ম জানতে পারবে, তাদের পূর্বসূরিরা কী গান গাইতেন, কেমন করে গাইতেন।` সৈয়দ আবদুল হাদী বলেন, `কোনো শিল্পী চলে গেলে তার জন্য অশ্রুবর্ষণ করি, তাদের মহাত্ম্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখি। পক্ষান্তরে নিজেদের মহৎ বানানোর চেষ্টা করি।` তিনি এ সময় শিল্পীরা বেঁচে থাকতে তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবার কাছে অনুরোধ করেন। উল্লেখ্য, চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৭ মে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন শিল্পী সুবীর নন্দী। কেআই/  

সঙ্গীতশিল্পী সুবীর নন্দীর স্মরণানুষ্ঠান বুধবার

দেশবরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী সুবীর নন্দী স্মরণে জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে আগামীকাল (২২ মে) বুধবার বিকেল ৩টায় সুবীর নন্দী স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সর্বস্তরের শিল্পী, গীতিকার, সুরকার, সংগঠক ও ভক্তদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ঋত্বিক নাট্যপ্রাণ লিয়াকত আলী লাকী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমীন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করবেন একাডেমির সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের পরিচালক সোহরাব উদ্দীন। শিল্পী সুবীর নন্দী স্মরণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হবে। কেআই/

হালুয়াঘাটে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক একাডেমির উদ্বোধন

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক একাডেমির নবনির্মিত ভবন ও এডভোকেট প্রমোদ মানকিন অডিটোরিয়াম উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি। জেলা প্রশাসক ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস-এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মায়মনসিংহ-১ আসনের সংসদ সদস্য জুয়েল আরেং এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। অনুষ্ঠানে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীদের নৃত্য পরিবেশিত হয়। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও গণপূর্ত অধিদপ্তর এর বাস্তবায়নে নওগাঁ, দিনাজপুর ও হালুয়াঘাট ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক একাডেমি নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় দশ কোটি একাশি লক্ষ টাকা ব্যায়ে এই সাংস্কৃতিক একাডেমি নির্মাণ করা হয়েছে। গত ১ নভেম্বর ২০১৮ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দিনাজপুর ও নওগাঁ ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক একাডেমি উদ্বোধন করেন। বাংলাদেশর সমতলে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সংস্কৃতির প্রচার, প্রসার এবং তাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য উন্নয়ন ও সংরক্ষনের মাধ্যমে জাতীয় সংস্কৃতির মূল স্রোতধারাকে সমৃদ্ধকরণের লক্ষ্যে ২০১৩ সালের জুলাই মাসে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়। নির্মিত একাডেমিতে আধুনিক মঞ্চায়ন উপযোগী শব্দ, আলোক এবং অ্যাকুয়েস্টিক ব্যবস্থাসহ ৩০০ আসন বিশিষ্ট একটি মিলনায়তন নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া ৫০০ আসন বিশিষ্ট মুক্তমঞ্চ ও একটি প্রশিক্ষণ ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। কেআই/    

জামিন পেলেন ক‌বি হেনরী স্বপন

ডিজিটাল নিরপত্তা আইনে অভিযুক্ত ক‌বি হেনরী স্বপনের জা‌মিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ বৃহস্প‌তিবার সকালে বরিশাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক শামীম আহম্মেদ তার জা‌মিন মঞ্জুর করেন। ক্যাথলিক চার্চের ফাদারের দায়ের করা মামলায় তার বিরুদ্ধে খ্রীস্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগ আনা হয়। গত মঙ্গলবার (১৪ মে) ডি‌জিটাল নিরাপত্তা আইনের সে মামলায় তাকে  গ্রেপ্তার করা হলে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। আদালতে ক‌বি হেনরী স্বপনের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে জেলা বারের সভাপতি সৈয়দ ওবায়েদুল্লাহ সাজু, সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মানবেন্দ্র বটব্যালসহ আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। অ্যাডভোকেট সুভাশীষ ঘোষ বাপ্পি ও অ্যাডভোকেট সুভাস চন্দ্রদাস গণমাধ্যমকে তার জামিনের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বাদী বিবাদী পক্ষের উপ‌স্থিতিতে এ জা‌মিন মঞ্জুর করা হয়েছে। আগামী ধার্য তা‌রিখ পর্যন্ত আদালত তাকে জামিন দিয়েছেন বলে জানান তারা।  

কাউকে বাদ দিয়ে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়

গোপালগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শহিদুল ইসলাম বলেছেন,‘কাউকে বাদ দিয়ে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। কওমী মাদরাসার শিক্ষার্থীদেরকে সংস্কৃতি চর্চার সাথে যুক্ত করতে পারলেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেশের উন্নয়নে যে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সেটা বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। পাশাপাশি দেশের সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য আধুনিক বিশ্বের একজন যোগ্যতম নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে।’ বুধবার (১৫ মে) সকাল ৯টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় গোপালগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে কওমি মাদ্রাসা ভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এতে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ১৬টি কওমি মাদ্রাসার অংশগ্রহণে এই প্রতিযোগতা শুরু হয়। গোপালগঞ্জের শেখ ফজলুল হক মণি স্মৃতি মিলনায়তনে কওমি মাদ্রাসার ক্বিরাত ও হিফছ বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ক্বিরাত, হামদ-নাথ ও কবিতা আবৃত্তি বিষয়ে ১ম পর্বের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০১৯ অনুষ্ঠিত হয়। কার্যনিবাহী সদস্য মঈন আহমেদসহ বিভিন্ন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও শিক্ষকমণ্ডলী উপস্থিত ছিলেন। প্রতিযোগিতায় জেলা কালচারাল অফিসার আল মামুন বিন সালেহ-এর সঞ্চালনা করেন। ক্বিরাত,হামদ-নাথ ও কবিতা আবৃত্তি তিনটি বিষয়ের প্রতিটিতে ছোট ও বড় দুই ভাগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতা শেষে প্রতিটি বিষয়ে দুই গ্রুপে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকারী মোট ১৮ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। এই আয়োজনের ২য় পর্বে আগামী জুন মাসে ৪২টি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য,ইতোপূর্বে গোপালগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে আন্ত: মাদ্রাসা সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয় যেখানে বিভিন্ন মাদ্রাসার প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে শুদ্ধসুরে জাতীয় সংগীত এর কর্মশালা, মাদ্রাসাগুলোতে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্যের আলোকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জীবনকর্ম নিয়ে আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়। এছাড়া স্কুল থিয়েটার উৎসবে মহিলা মাদ্রাসাগুলো অংশগ্রহণ করে নাটক প্রদর্শনীর মাধ্যমে বিশেষ প্রশংসা অর্জন করে। কেআই/  

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি