ঢাকা, ২০১৯-০৬-২০ ১৯:৩২:০৪, বৃহস্পতিবার

ফ্যাটি লিভার ও সিরোসিস এড়াতে যেসব বিষয় মানতে হবে

ফ্যাটি লিভার ও সিরোসিস এড়াতে যেসব বিষয় মানতে হবে

লিভারের অসুখ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই নিজেদের কিছু বদঅভ্যাস ও ভুলের কারণেই আমরা ডেকে আনি। শিশুদের ক্ষেত্রেও তাদের বাবা-মায়েরা যদি প্রথম থেকেই সচেতন হন, তা হলে জীবনশৈলীর উপর ছোটবেলা থেকেই একটা নিয়ন্ত্রণ তৈরি হবে। বড়দেরও উচিত লিভার ভাল রাখার উপায়গুলি আয়ত্তে আনা।
স্বাদে গুণে অতুলনীয় লটকন

ফলটি টক-মিষ্টি। আকারে ছোট কিন্তু দেখতে অতি সুন্দর। গোলাকার আকৃতির ফলটি পাকলে হলুদ রঙ ধারণ করে। কাঁচা অবস্থায় সবুজ। ফলের খোসা নরম ও পুরু। এর পুষ্টিগুণও অনেক। আমাদের দেশে জনপ্রিয় ফল লটকন।  ছোট-বড় সবারই মন কাঁড়ে এই ফলটি। পরিচিতি : ইংরেজি নাম- Burmese grape, বার্মিজ গ্রেপ, বৈজ্ঞানিক নাম Baccaurea motleyana.  এই ফলটি আমাদের দেশে বুবি, বুগি, লটকা, লটকো, নটকো ইত্যাদি নামেও পরিচিত। গাছটি দক্ষিণ এশিয়ায় বুনো গাছ হিসেবে জন্মালেও বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে। রথযাত্রার সঙ্গে লটকন ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। রথযাত্রার দিন ও উল্টো রথের দিন লটকন কেনার প্রচলন আছে। বাংলাদেশের ধামরাই ও টাঙ্গাইল এবং ভারতের কোচবিহার, নবদ্বীপ ইত্যাদি স্থানে রথের দিন লটকন বিক্রি হয়ে থাকে। বৈজ্ঞানিক শ্রেণিবিন্যাস : জগৎ- Plantae, শ্রেণীবিহীন- Angiosperms, বর্গ- Malpighiales, পরিবার- Phyllanthaceae, গণ- Baccaurea, প্রজাতি- B. motleyana. বর্ণনা : লটকন গাছ ৯-১২ মিটার লম্বা হয়, এর কাণ্ড বেটে এবং উপরাংশ ঝোপালো। পুরুষ এবং স্ত্রী গাছ আলাদা হয়ে থাকে। এদের ফুলের ধরনও আলাদা, ফুল হয় হলুদ রঙের, উভয় রকম ফুলই সুগন্ধি। ফলের আকার দুই থেকে পাঁচ সেমি হয়, যা থোকায় থোকায় ধরে। কাঁচা ফল সবুজ এবং পাকলে রঙ হয় হলুদ। ফলে ভেতর ২ থেকে ৫টি বীজ হয়, বীজের গায়ে লাগানো রসালো ভক্ষ্য অংশ থাকে, যা জাতভেদে টক বা টকমিষ্টি স্বাদের। গাছের ছাল থেকে রঙ তৈরি করা হয় যা রেশম সুতা রাঙাতে ব্যবহৃত হয়। ছায়াযুক্ত স্থানে লটকন ভাল জন্মে। মার্চ মাসের দিকে লটকন গাছে ফুল আসে এবং ফল পরিপক্ব হতে চার-পাঁচ মাস সময় লাগে। জুন-জুলাই মাসে এই ফল খাওয়ার উপযুক্ত হয়। আগস্ট মাসেও লটকন বাজারে পাওয়া যায়। অর্থনৈতিকভাবে চাষাবাদ : লটকন একসময় অপ্রচলিত ফলের তালিকায় ছিল। এখন উন্নত জাতের সুমিষ্ট এই ফলের জনপ্রিয়তা বেশ বেড়েছে। ফলটি বাণিজ্যিকভাবেও চাষাবাদ করা হচ্ছে। বেশ লাভবানও হচ্ছে চাষীরা। ফলটির ফলন হয়ে থাকে প্রচুর। গাছের নীচ থেকে ছোট কাণ্ড পর্যন্ত ধোকায় ধোকায় ফল ধরে। বাংলাদেশ থেকে লটকন বিদেশেও রফতানি হচ্ছে। প্রতি ১০০ গ্রাম লটকনে রয়েছে : ক্যালসিয়াম ৯ গ্রাম, আয়রন ৫.৩৪ মি.গ্রাম, ভিটামিন বি-১ ১০.০৪ মি.গ্রাম, ভিটামিন বি-২ ০.২০ মি.গ্রাম,  খাদ্যগুণ ৯২ কিলোক্যালরি, প্রোটিন ১.৪২ গ্রাম, ফ্যাট ০.৪৫ গ্রাম। ভিটামিন সি ১৭৮ মিলিগ্রাম। পুষ্টিগুণ : লটকনের গুণের কথা আজ অজানা নয়। লটকন একটি পুষ্টিকর ফল। এতে ভিটামিন ও খাদ্যশক্তিসহ নানারকম খনিজ উপাদান রয়েছে। লটকনে আছে অ্যামাইনো অ্যাসিড ও এনজাইম যা দেহ গঠন ও কোষকলার সুস্থতায় সহায়তা করে। শরীরকে সুস্থ রাখে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। রুচি বাড়াতে লটকন বেশ উপকারী। লটকনে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। দিনে দুই থেকে তিনটি লটকন খেলে শরীরের ভিটামিন সির চাহিদা পূরণ হয়। ভিটামিন সি ত্বক, দাঁত ও হাড় সুস্থ রাখে। লটকনে যে আয়রন রয়েছে তা রক্ত ও হাড়ের জন্য বিশেষ উপকারী। খাদ্যশক্তির ভালো উৎস লটকন। দেহ সক্রিয় রাখতে ও দৈনন্দিন কাজ করতে খাদ্যশক্তি প্রয়োজন হয়। আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠালের তুলনায় লটকনের খাদ্যশক্তি প্রায় দ্বিগুণ। লটকন গা গোলানো ও বমি বমিভাব দূর করতে পারে। পাশাপাশি মানসিক অবসাদ দূর করতেও সাহায্য করে। এছাড়াও গরমে তৃষ্ণা মিটাতে লটকন খাওয়া যায়। কারণ এতে জলীয় অংশের পরিমাণ বেশি। লটকনের ঔষধি গুণও রয়েছে। এর পাতা ও শিকড় খেলে পেটের নানারকমের অসুখ ও জ্বর ভালো হয়ে যায়। এর বীজ গনোরিয়া রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। ডায়ারিয়া দূর করতে লটকনের পাতার গুঁড়া বেশ ভালো ফল দেয়। লটকন বেশি খেলে অনেক সময় ক্ষুধা মন্দাও দেখা দিতে পারে। তথ্যসূত্র : বিভিন্ন ফলের বই এবং ইন্টারনেট এএইচ/

ঘামাচি থেকে রক্ষা পাওয়ার ৮ ঘরোয়া উপায়

প্রচন্ড গরম। তার উপর যদি হয় ঘামাচির সমস্যা, তা হলে তো রক্ষা নেই। উষ্ণ-আর্দ্র আবহাওয়ায় ঘামাচি, র‌্যাশ, চুলকানির সমস্যা খুবই স্বাভাবিক। তবে চিন্তার কিছু নেই, সামান্য কিছু ঘরোয়া উপায় অবলম্বনে মোকাবিলা করতে পারবেন বিরক্তিকর ঘামাচির। তবে তার আগে জেনে নিন ঘামাচি কেন হয়। গরমকালে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে ত্বকের লোমকূপের ভিতর থেকে শরীরের পানি অর্থাত্ ঘাম বেরিয়ে আসে। এই ঘাম অতিরিক্ত গরমেও শরীরকে ঠান্ডা রাখে। অন্যদিকে ঘামে শরীরের দূষিত রেচন পদার্থও থাকে। কোনও কারণে এই ঘামে মিশে থাকা লবণের কারণে লোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে গেলে, সেই অংশ দিয়ে ঘাম বের হতে পারে না। এর ফলে লোমকূপের সেই অংশটি ফুলে ওঠে। তার ওপর হয় জীবাণুর প্রকোপ। কোনও কারণে সেই অংশটি জামা-কাপড়ে ঘষা খেলে বা চুলকানো হলে সেই অস্বস্তি বেড়ে ওঠে। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক ঘামাচি থেকে বাঁচার কয়েকটি কার্যকরি পদ্ধতি সম্পর্কে: ১) গরমকালে ঘাম হবেই। চেষ্টা করুন কিছুক্ষণ অন্তর ঘাম মুছে ফেলতে। তবে ঘাম মোছার সময় অতিরিক্ত চাপ দিয়ে মুছবেন না। আর সবসময় পরিস্কার নরম রুমাল ব্যবহার করুন। প্রয়োজনে সঙ্গে অতিরিক্ত রুমাল রাখুন। ২) সম্ভব হলে দিনে দুবার গোসল করুন। গোসল করতে কোনও কম ক্ষারযু্ক্ত সাবান ব্যবহার করুন। ঘামাচি থাকলে বেশি ঘষবেন না। হালকা হাতে কোনও নরম লুফা ব্যবহার করে অল্প অল্প স্ক্রাব করুন। ৩) গোসলের পানিতে কোনও অ্যান্টি-সেপটিক লোশান ব্যবহার করুন। তা ছাড়াও গোসলের পানির বালতিতে লেবুর রস, নিম পাতার রস মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে ত্বক ফ্রেশ থাকবে এবং জীবাণু কম হবে। ৪) হালকা রঙের ঢিলে পোশাক পড়ুন। বেশি ডার্ক রঙের জামাকাপড়, টাইট জামা পড়া এড়িয়ে চলুন। ৫) ঘামাচি হলে একদম চুলকাবেন না। অ্যালোভেরার রস, নিম পাতার রস, পাতিলেবুর রস পানির মিশিয়ে পাতলা করে নিয়ে লাগাতে পারেন। ৬) ট্যালকম পাউডার ব্যবহার না করাই ভালো। এতে লোমকূপের মুখ বুজে হিতে বিপরীত হতে পারে। ৭) প্রচুর পরিমাণে পানি খান। ৮) খাবার পাতে রাখুন প্রচুর পরিমাণে ফল আর শাক-সবজি। তথ্যসূত্র: জি নিউজ এমএইচ/    

যে ৮ অভ্যাস কমিয়ে দিতে পারে স্পার্ম কাউন্ট!

অপর্যাপ্ত স্পার্ম কাউন্ট বা শুক্রাণুর সংখ্যা কি আপনার পরিবার পরিকল্পনায় বাঁধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে? বর্তমান পরিসংখ্যান বলছে, প্রায় ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ বন্ধ্যাত্বের জন্যই দায় পুরুষের। এ কথা আমরা সকলেই জানি যে, পিতৃত্ব সুখ পেতে চাইলে পুরুষের পর্যাপ্ত স্পার্ম কাউন্ট বা শুক্রাণুর সংখ্যা থাকাটা অত্যন্ত জরুরি। মদ্যপান, ধূমপান, ব্যায়াম বা শ্রমসাধ্য শরীরচর্চার মতো একাধিক বিষয় স্পার্ম কাউন্টের ওপর প্রভাব ফেলে। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক এমন ৮টি কারণ যার ফলে কমিয়ে দিতে পারে আপনার শুক্রাণুর সংখ্যা..... ১) অতিরিক্ত আঁটোসাঁটো আন্ডারওয়্যার বা অন্তর্বাস পরলে কমে যায় স্পার্ম কাউন্ট। সম্প্রতি অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির হিউম্যান রিপ্রোডাকশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণা রিপোর্টে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। ২) কোলের উপর ল্যাপটপ রেখে কাজ করার ফলে উত্তপ্ত ল্যাপটপের সংস্পর্শে স্পার্মের স্বাভাবিক উত্পাদন বাধাপ্রাপ্ত হয়। ৩) মাত্রাতিরিক্ত ধূমপানের অভ্যাস শরীরে ফ্লুইডের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। ফলে কমে আসে স্পার্ম কাউন্ট। তাছাড়া, নিকোটিন শুক্রাণুর স্বাভাবিক উত্পাদনে পরোক্ষভাবে বাধা সৃষ্টি করে। ৪) পিতৃত্ব সুখ পেতে চাইলে অতিরিক্ত মদ্যপানের অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। কারণ, একাধিক গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে যে অতিরিক্ত মদ্যপানের ফলে শুক্রাণুর স্বাভাবিক উত্পাদন বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে ধীরে ধীরে কমে যায় শুক্রাণুর সংখ্যা। ৫) মাত্রাতিরিক্ত কাজের চাপ শুক্রাণুর স্বাভাবিক উত্পাদনে বাধা সৃষ্টি করে। ৬) অতিরিক্ত গরম পানিতে স্নান করার অভ্যাস শুক্রাশয়ের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে শুক্রাণুর স্বাভাবিক উত্পাদন বাধাপ্রাপ্ত হয়। যে কারণে ধীরে ধীরে কমে যায় শুক্রাণুর সংখ্যা। ৭) সানস্ক্রিনের মধ্যে থাকা বিপি-২, ৩০এইচ-বিপি শুক্রাণুর সংখ্যা কমিয়ে দেয়। তাই অতিরিক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। ৮) অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন। তাই স্পার্ম কাউন্ট স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজন নিয়মিত সুস্থ, স্বাভাবিক যৌন জীবন। তা না হলে ধীরে ধীরে কমে যেতে পারে শুক্রাণুর সংখ্যা। তথ্যসূত্র: জি নিউজ এমএইচ/

রক্তদান সম্পর্কে যতসব ভুল ধারণা

সুস্বাস্থ্যের অধিকারী সব মানুষই স্বেচ্ছায় রক্তদান করতে পারবেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এমনটাই জানিয়েছে।  তবে এতে এমন কিছু শর্ত রয়েছে, যার ফলে রক্তদান নিয়ে ভুল ধারণা বা বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। এখানে এমন কিছু বিভ্রান্তি নিয়ে আলোচনা করা হলো: নিরামিষ খাদ্র গ্রহণকারীরা স্বেচ্ছায় রক্ত দিতে পারেন না এই শঙ্কাটা তৈরি হয়েছে রক্তে আয়রনের মাত্রার ওপর। ভেজিটেরিয়ান বা নিরামিষাশীদের খাদ্যে আয়রন কম থাকে বলে মনে করা হয়। কিন্তু আপনি যদি নিয়মিত সুষম খাদ্য গ্রহণ করেন তাহলে রক্তে আয়রন কম হওয়ার কোন কারণ থাকতে পারে না। তবে আপনার রক্তে যদি আয়রন সত্যি কম থাকে, তাহলে নিরাপত্তার স্বার্থেই আপনাকে রক্ত দিতে দেওয়া হবে না। বেশিরভাগ দেশে রক্তদানের আগে হিমোগ্লোবিন টেস্ট করে জেনে নেওয়া হয় রক্তদানকারী অ্যানিমিয়ায় ভুগছেন কি না। অসুস্থ, অন্তঃসত্ত্বা হলে রক্ত দিতে পারবেন না এই কথাটা সত্যি। যারা এইচআইভি পজিটিভ (এইডস আক্রান্ত), হেপাটাইটিস, সিফিলিস, টিবি, এবং রক্ত-বাহিত আরো কিছু রোগে যারা আক্রান্ত তারা রক্ত দান করতে পারবেন না। ঠান্ডা, সর্দিজ্বর, খুশখুশে কাশি, পেট খারাপ থাকলেও রক্তদান করতে পারবেন না। যে কোন অসুখ থেকে সম্পূর্ণভাবে সেরে ওঠার ১৪ দিন পর আপনাকে রক্তদান করতে দেওয়া হবে। আপনি যদি অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে থাকেন তবে কোর্স শেষ হওয়ার সাত দিন পর আপনি রক্ত দিতে পারবেন। অন্যান্য ওষুধের ক্ষেত্রে একেক দেশে একেক রকম নিয়ম রয়েছে। আপনি যদি অন্তঃসত্ত্বা কিংবা প্রসূতি হন, শিশুকে স্তন্যদান করেন, কিংবা আপনার যদি অ্যাবোরশন হয়ে থাকে, তাহলে রক্তে আয়রনের মাত্রা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আপনাকে রক্তদানের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। রক্তদানের জন্য নূন্যতম বয়স হচ্ছে ১৬ বছর। বেশিরভাগ দেশে এই বয়সী তরুণদের রক্তদানের ক্ষেত্রে অভিভাবকের সম্মতি লাগে। রক্ত দেওয়ার সময় এই বয়সী তরুণদের জ্ঞান হারানোর ঝুঁকিও বেশি থাকে। নিয়মিত রক্তদানকারীদের কোন সর্বোচ্চ বয়সসীমা নেই। কোন কোন দেশে এটা ৬০-৭০ বছর। যেসব দেশে গড় আয়ু কম সেখানে প্রথমবারের মতো রক্তদানকারীদের সম্পর্কেও সতর্ক হতে হয়। ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ যেসব কাজ রক্তদানে বাধা হয়ে দাঁড়ায় জীবনে নানা ধরনের ঝুঁকি রয়েছে। রক্তদানের ক্ষেত্রে সেগুলো সমস্যা হতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ‘ঝুঁকিপূর্ণ যৌনাচার’, যেমন বহুগামিতা, অর্থের বিনিময়ে যৌনসংগম, পুরুষ সমকামিতা ইত্যাদি রক্তদানে সমস্যা তৈরি করতে পারে। এক্ষেত্রে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পরই রক্তদানের অনুমতি দেওয়া হয়। ইনজেকশনের মাধ্যমে যারা নেশা করেন তারাও রক্ত দিতে পারবেন না। মশা-বাহিত ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু এবং যিকা ভাইরাসের প্রকোপ রয়েছে যেসব দেশে সেখান থেকে আসা কারও দেহ থেকে রক্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে। অনেক দেশই এসব ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ কাজে নিয়োজিতদের কাছ থেকে রক্ত গ্রহণ করে না। তবে এক্ষেত্রে ব্যাপক-ভিত্তিক কোন নিষেধাজ্ঞা বৈষম্য তৈরি করতে পারে। রক্তদান করলে কেউ মারা যায় না দেহের ওজনের বিবেচনায় একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহে গড়পড়তা পাঁচ লিটার রক্ত থাকে। প্রতিবার রক্তদানের সেশনে ৫০০ মিলিলিটার করে রক্ত নেওয়া হয়। রক্তদানের পর ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নতুন রক্ত তৈরি হয়ে সেই ঘাটতি পূরণ করে। সর্বপরি আপনি যদি সুস্থ ও সবল হন, আপনার ওজন ৫০-১৬০ কেজি হয়, আপনার বয়স ১৮ থেকে ৬৬ বছর হয়, অন্তঃসত্ত্বা বা সন্তানকে স্তন্যদান না করেন তাহলে আপনি রক্ত দিতে পারবেন। এছাড়াও আপনার যদি এইচআইভি সংক্রমণ না থাকে তাহলেও স্বেচ্ছায় রক্ত দিতে পারিবেন। তথ্যসূত্র: বিবিসি এমএইচ/

মানসিক অস্থিরতায় কি করতে চায় শিক্ষার্থীরা?

সারা বিশ্বে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নানা রকম মানসিক সমস্যা দেখা গেছে। কেউ কেউ আবার বিভিন্ন হতাশায় ভোগে। সম্প্রতি ব্রিটেনের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানসিক অবস্থা নিয়ে জরিপ চালানো হয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই অস্থির সময় পার করে কার কাছে যেতে চায় তারা? জরিপে দেখা গেছে, মানসিক স্বাস্থ্য সংকট দেখা দিলে দেশটির দুই তৃতীয়াংশ শিক্ষার্থী বিষয়টি তাদের বাবা-মাকে জানাতে চায়। মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে দেশটির শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগের মাত্রা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মহত্যার বিষয়টি একটি দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে উঠেছে বলেও এই জরিপে উঠে এসেছে। জরিপে অংশ নেওয়া ইংল্যান্ডের ১৪ হাজার শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাত্র ১৪ শতাংশ তাদের জীবন নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। ইংল্যান্ডের উচ্চ শিক্ষা বিষয়ক কর্তৃপক্ষ হায়ার এডুকেশন পলিসি ইন্সটিটিউট এন্ড এডভান্স এইচই জরিপটি প্রকাশ করেছে। ব্রিটেনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বর্তমানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের ওপর এটিই সবচেয়ে বড় বার্ষিক প্রতিবেদন। এই জরিপে দেখা যাচ্ছে, দেশটির মাত্র ১৮ শতাংশ শিক্ষার্থী নিজেদের সুখী হিসেবে উল্লেখ করেছে। ১৭ শতাংশ শিক্ষার্থী জীবনকে মোটামুটি গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। এছাড়া মাত্র ১৬ শতাংশ শিক্ষার্থীকে পাওয়া গেছে যারা জীবন নিয়ে কম উদ্বেগে ভোগেন। জরিপ বলছে, ৬৬ শতাংশ শিক্ষার্থীই মনে করেন যে তাদের মানসিক স্বাস্থ্য যখন চরম-খারাপের দিকে চলে যায়, তখন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উচিত সেটি ছাত্র-ছাত্রীদের বাবা-মাকে অবহিত করা। অপরদিকে ১৮ শতাংশ শিক্ষার্থী মনে করে যে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোন অবস্থাতেই শিক্ষার্থীদের বাবা-মায়েদের সাথে যোগাযোগ করা উচিত নয়। ফলে সেখানে এখন এমন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে যে, কোনো শিক্ষার্থীর মানসিক স্বাস্থ্য খারাপ হলে তার বাবা-মা বা একজন বিশ্বস্ত অভিভাবককে সে বিষয়ে অবহিত করা হবে। বেন মারি একজন বাবা। বিস্ট্রল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তার ছেলে জেমস আত্মহত্যা করেছে। পরে শিক্ষার্থীদের প্রতি সমর্থন ও সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে মারি ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে কাজ করেছেন। মারি বলছেন, ছেলেমেয়েদের যখন মানসিক সমস্যা হবে, তারা যেন এ নিয়ে বাবা মায়েদের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলে সে বিষয়ে তাদের উৎসাহিত করতে হবে। হায়ার এডুকেশন পলিসি ইন্সটিটিউটের পরিচালক নিক হিলম্যান বলেছেন, `পরিবার ও বন্ধুবান্ধব থেকে দূরে` থাকার কারণে এবং আরো নানা কারণে শিক্ষার্থীরা যে কত চাপের মধ্যে থাকে সেটিই উঠে এসেছে প্রতিবেদনে। বাকিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্যার অ্যান্টনি সেলডম বলেছেন, শিক্ষার্থীরা তাদের বাবা-মা বা অভিভাবকদেরকে সব তথ্য জানাতে আগ্রহী নয় বলে যে ধারণা প্রচলিত ছিল, সেটি যে মিথ্যে, সেটিই প্রমাণ হয়েছে এই জরিপে। এই জরিপে দেখা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে টিউশন ফি বা পড়ালেখার খরচ নিয়ে শিক্ষার্থীরা উদ্বেগে ভোগে। এদের মধ্যে যাদের পড়ার খরচ তারা নিজেরাই বহন করে, তাদের মধ্যে এ নিয়ে ব্যাপক মানসিক চাপ তৈরি হতে পারে। শিক্ষার্থীদের সন্তুষ্টি বিষয়ক এই জরিপ থেকে জানা যায়, স্কটল্যান্ড যেখানে স্কটিশ শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো ফি নেই, সেখানে ইংল্যান্ড, ওয়েলস ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের তুলনায় শিক্ষার্থীরা নিজেদের উচ্চতর মূল্যবোধের অধিকারী মনে কর। সেখানকার শিক্ষার্থীরা বরং শিক্ষার মান নিয়ে বেশি মনোযোগী হতে পারে। এছাড়া পরিবার, পড়ালেখার চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে সম্পর্ক এবং প্রণয়ঘটিত ব্যাপার নিয়েও মানসিক চাপে থাকে শিক্ষার্থীরা। তথ্যসূত্র : বিবিসি এমএইচ/

রাশিফল : জেনেনিন কেমন যাবে আজকের দিনটি!

রাশি নিয়ে রয়েছে নানা ভাবনা, নানা মত। এটাকে কেউ বিশ্বাস করেন, আবার কেউ বিশ্বাস করেন না। কিন্তু বিশ্বাস-অবিশ্বাসের প্রশ্ন নয়, দিনের শুরুতে মিলিয়ে নিন- কেমন যাবে আজকের দিনটি। আজ ১৩ জুন ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, বৃহস্পতিবার। বাংলা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ এবং ৯ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরি। নৈসর্গিক রাশিচক্রে রবি আজ মিথুন রাশিতে অবস্থান করছে। আজ যদি আপনার জন্মদিন হয় তবে পাশ্চাত্য জ্যোতিষে আপনি মিথুন রাশির জাতক/জাতিকা। আপনার জন্ম সংখ্যা : ৪। আপনার ওপর প্রভাবকারী গ্রহ : ইউরেনাস ও বুধ। আপনার শুভ সংখ্যা : ৪ ও ৫। শুভবার : রবি ও বুধবার। শুভ রত্ন : পান্না ও গার্নেট। জেনে নিন আজকে আপনার রাশিতে কী আছে— মেষ রাশি (২১ মার্চ-২০ এপ্রিল) : আপনি যদি মেষ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ দিনটি মিশ্র সম্ভাবনাময়। জ্ঞাতিশত্রুরা ক্ষতি করার চেষ্টা করতে পারে। জ্ঞাতিশত্রু সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। বিবাদ এড়িয়ে চলুন। কোনো ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সহযোগিতায় উপকৃত হতে পারেন। বৃষ রাশি (২১ এপ্রিল-২০ মে) : আপনি যদি বৃষ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ শত্রুরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে। শত্রুদের দুর্বল ভাবা ঠিক হবে না। শত্রুসম্পর্কে সতর্ক থাকুন। কর্মপরিবেশ অনুকূল নাও থাকতে পারে। যাবতীয় মতবিরোধ এড়িয়ে চলুন। মিথুন রাশি (২১ মে-২০ জুন) : আপনি যদি মিথুন রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ দিনটি মিশ্র সম্ভাবনাময়। পড়াশোনায় অধিকতর মনোযোগী হওয়ার চেষ্টা করুন। অন্যথায় ফলাফল বিপর্যয় হতে পারে। সন্তানের কোনো বিষয় নিয়ে চিন্তিত হতে পারেন। নিজের মনোভাব যথাযথভাবে প্রকাশ করতে না পারলে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। কর্কট রাশি (২১ জুন-২০ জুলাই) : আপনি যদি কর্কট রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আধ্যাত্মিক চিন্তা চেতনায় সমৃদ্ধি আসতে পারে। জ্ঞানস্পৃহা বৃদ্ধি পাবে। হঠাৎ অসুস্থবোধ করতে পারেন। উত্তেজনা পরিহার করুন। অসুস্থ মায়ের চিকিত্সার ব্যাপারে যত্নবান হওয়ার চেষ্টা করুন। সিংহ রাশি (২১ জুলাই-২১ আগস্ট) : আপনি যদি সিংহ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ আপনজন কারো সাথে মতবিরোধ দেখা দিতে পারে। কাজকর্মে প্রত্যাশিত সাফল্য বাধাগ্রস্ত হতে পারে। গলায় কোনো সমস্যা দেখা দিতে পারে। অবহেলা না করে চিকিত্সা নিন। ঠান্ডা ও ধুলাবালী সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। কন্যা রাশি (২২ আগস্ট-২২ সেপ্টেম্বর) : আপনি যদি কন্যা রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ কাউকে কোনো ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দেওয়া ঠিক হবে না। পাওনা টাকা আদায় বিলম্বিত হতে পারে। মূল্যবোধ বজায় রাখুন। পড়াশোনায় আনন্দবোধ করতে পারেন। মাথাব্যথায় ভুগার আশঙ্কা আছে।তুলা রাশি (২৩ সেপ্টেম্বর-২২ অক্টোবর) : আপনি যদি তুলা রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ শরীর মোটামুটি ভালো থাকতে পারে। অপরের প্রতি সদাচরণ করুন। বিনিয়োগে সতর্কতা অবলম্বন করুন। কোনো বিশেষ রংয়ের প্রতি আগ্রহবোধ করতে পারেন। জ্ঞাতি শত্রু সম্পর্কে সতর্ক থাকুন।বৃশ্চিক রাশি (২৩ অক্টোবর-২১ নভেম্বর) : আপনি যদি বৃশ্চিক রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ মামলা মোকদ্দমা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। অনভিপ্রেত কোনো সংবাদ পেতে পারেন। শোকগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা আছে। শরীর ভালো যাবে না। ব্যয় বৃদ্ধি পেতে পারে। ধনু রাশি (২২ নভেম্বর-২০ ডিসেম্বর) : আপনি যদি ধনু রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে বন্ধুদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন। প্রয়োজনে তাদের সহযোগিতা পেতে পারেন। মনের কোনো গোপন ইচ্ছা পূরণ হতে পারে। ভবিষ্যতের জন্য কোনো পরিকল্পনা নিতে পারেন। উপার্জন বৃদ্ধির প্রচেষ্টা জোরদার করুন। মকর রাশি (২১ ডিসেম্বর-১৯ জানুয়ারি) : আপনি যদি মকর রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে পিতার শরীর স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখুন। সামাজিক কাজে অংশ নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে সাফল্য পেতেও পারেন। কর্মপরিবেশ মোটামুটি অনুকূলে থাকতে পারে। কর্মস্থলে কর্তৃপক্ষের মন রক্ষা করে চলার চেষ্টা করুন। কুম্ভ রাশি (২০ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি) : আপনি যদি কুম্ভ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আধ্যাত্মিকতার প্রতি অনুরাগবোধ করতে পারেন। জ্ঞানস্পৃহা বৃদ্ধি পাবে। ভাগ্যোন্নয়নের প্রচেষ্টা জোরদার করুন। জীবন ও জগত্ সম্পর্কে নতুন কোনো ধারণা পেতে পারেন। তীর্থযাত্রার সুযোগ পেতে পারেন। মীন রাশি (১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ) : আপনি যদি মীন রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ সময় খুব একটা অনুকূল নাও থাকতে পারে। ব্যবসায়িক দিক ভালো যাবে না। বিক্রয় বাণিজ্যে লোকসান হতে পারে। ট্যাক্স সংক্রান্ত কোনো ঝামেলা হতে পারে। সামাজিক সংকট এড়িয়ে চলুন। এসএ/  

ঋতুস্রাবের সময় পেটে ব্যথা দূর করতে যা করবেন

ঋতুস্রাব চলাকালীন মহিলাদের বহু সমস্যার মুখে পড়তে হয়। মাসের ওই কয়েকদিন হরমোনের ওঠানামার জন্য মেজাজেও নানারকম ওঠাপড়া লেগেই থাকে। এ ছাড়া ওই সময়ে অনেক মহিলাই পেটে ও কোমরে অসহ্য ব্যথা ও শরীরে ক্লান্তিবোধ করেন। পেটে ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে বেশির ভাগ মহিলাই এই সময়ে ব্যাথার ওষুধ খেয়ে নেন। কিন্তু কথায় কথায় এই ধরনের ওষুধ খেয়ে ফেললে হিতে বিপরীতই হতে পারে। সাময়িক ভাবে ব্যথা কমলেও পেইন কিলার খেলে শরীরের অন্যান্য ক্ষতি হতে পারে। তাই জেনে নিন ঘরোয়া উপায়েই কী ভাবে ঋতুস্রাব চলাকালীন পেটে ব্যথা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে । এই সময়ে শরীরে ভিটামিন ডি-র জোগান দিন। এতে হাড় ও পেশী ব্যথার সঙ্গে লড়তে পারবে। এ ছাড়া ভিটামিন বি সমৃদ্ধ খাবার খান। ঋতুস্রাব চলাকালীন আনারস বা আনারসের জুস খান। ব্যথা দূর করতে এর জুড়ি মেলা ভার। পিরিয়ডের সময়ে মারাত্মক পেটে ব্যথা থেকে উপশম দিতে পারে আদা। জ্বর বা মাথাব্যথা হলেও অনেকে আদা চা খান। তেমনই পেটে বা কোমরে ব্যথা হলে আদা চা খান। অথবা রান্নায় আদা বেশি পরিমাণে দিন। হরমোনের ওঠানামার জন্যই এই সময়ে পেটে ব্যথা হয়। তাই হরমোন ঠিক করতে রোজ আধ ঘণ্টা করে অন্তত যোগব্যয়াম করুন। এতে পেশী শক্তিশালী হয় ও হরমোন জনিত সমস্যাও কমে যায়। ফলে পিরিয়ডের সময়ে বেশি কষ্ট হয় না। পিরিয়ডের সময় বেশি তেল-মশলা জাতীয় খাবার, ফাস্টফুড ইত্যাদি এড়িয়ে চলুন। ঋতুস্রাবের সময়ে মেজাজও ভাল থাকে না। অবসাদ, ক্লান্তি এগুলোর জন্য আরও অসুস্থ লাগে। মেজাজ ভাল রাখতে তাই আইসক্রিম, চকোলেট খেতে পারেন। এনএম//আরকে  

রাশিফল : জেনেনিন কেমন যাবে আজকের দিনটি!

রাশি নিয়ে রয়েছে নানা ভাবনা, নানা মত। এটাকে কেউ বিশ্বাস করেন, আবার কেউ বিশ্বাস করেন না। কিন্তু বিশ্বাস-অবিশ্বাসের প্রশ্ন নয়, দিনের শুরুতে মিলিয়ে নিন- কেমন যাবে আজকের দিনটি। আজ ১২ জুন ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, বুধবার। বাংলা ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ এবং ৮ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরি। নৈসর্গিক রাশিচক্রে রবি আজ মিথুন রাশিতে অবস্থান করছে। আজ যদি আপনার জন্মদিন হয় তবে পাশ্চাত্য জ্যোতিষে আপনি মিথুন রাশির জাতক/জাতিকা। আপনার জন্ম সংখ্যা : ৩। আপনার ওপর প্রভাবকারী গ্রহ : বুধ ও বৃহস্পতি। আপনার শুভ সংখ্যা : ৩ ও ৫। শুভ বার : বুধ ও বৃহস্পতি। শুভ রত্ন : পোখরাজ ও পান্না। জেনে নিন আজকে আপনার রাশিতে কী আছে— মেষ রাশি (২১ মার্চ-২০ এপ্রিল) : আপনি যদি মেষ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ শত্রুরা ক্ষতি করার চেষ্টা করতে পারে। শত্রু সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। ব্যক্তিগত দায়দায়িত্ব বৃদ্ধি পেতে পারে। যাবতীয় মতবিরোধ এড়িয়ে চলুন। শরীর খুব একটা ভালো নাও থাকতে পারে। বৃষ রাশি (২১ এপ্রিল-২০ মে) : আপনি যদি বৃষ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ আপনি সৃজনশীল কাজে অংশ নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে সাফল্য লাভের সম্ভাবনা আছে। বিদ্যার্থীদের জন্য সময় অনুকূল থাকতে পারে। সন্তানের কোনো সাফল্য আনন্দদায়ক হতে পারে। মিথুন রাশি (২১ মে-২০ জুন) : আপনি যদি মিথুন রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ কোনো প্রত্যাশা পূরণ হতে পারে। বিলাসদ্রব্য কেনাকাটা করতে পারেন। মন ভালো থাকবে। পারিবারিক পরিবেশ অনুকূল থাকবে। কোনো বন্ধুর সহযোগিতায় উপকৃত হতে পারেন। কর্কট রাশি (২১ জুন-২০ জুলাই) : আপনি যদি কর্কট রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে। ব্যক্তিগত যোগাযোগে সুফল পেতে পারেন। আপনার প্রভাব-প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পেতে পারে। কাজকর্মে উত্সাহবোধ করবেন। প্রাপ্ত তথ্যের উপর নির্ভর করতে পারেন। সিংহ রাশি (২১ জুলাই-২১ আগস্ট) : আপনি যদি সিংহ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ অধীনস্থদের কাজে লাগাতে পারবেন। পুরনো কোনো আত্মীয়ের সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে। আর্থিক দিক ভালো যাবে। কাউকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা সহজ হতে পারে। কন্যা রাশি (২২ আগস্ট-২২ সেপ্টেম্বর) : আপনি যদি কন্যা রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে কোনো কাজে অবদানের স্বীকৃতি পেতে পারেন। মানসিক প্রশান্তি বজায় থাকবে। ব্যক্তিত্ব দিয়ে অন্যের সমীহ আদায় করতে পারবেন। বিনয়ী আচরণ দিয়ে কাজ আদায় করা সহজ হতে পারে। তুলা রাশি (২৩ সেপ্টেম্বর-২২ অক্টোবর) : আপনি যদি তুলা রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ কোনো পূর্বকর্মের ফল ভোগ করতে পারেন। ব্যক্তিগত কোনো ব্যর্থতার জন্য মন খারাপ হতে পারে। আইনগত ঝামেলা এড়িয়ে চলুন। সম্ভাব্যক্ষেত্রে বিদেশযাত্রার সুযোগ পেতে পারেন। বৃশ্চিক রাশি (২৩ অক্টোবর-২১ নভেম্বর) : আপনি যদি বৃশ্চিক রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ রাজনীতিবিদদের জন্য সময় অনুকূল থাকতে পারে। সাংগঠনিক কাজে সুফল পাবেন। আর্থিক দিক ভালো যাবে। ভবিষ্যতের জন্য কোনো পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারেন। ধনু রাশি (২২ নভেম্বর-২০ ডিসেম্বর) : আপনি যদি ধনু রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। কর্মপরিবেশ অনুকূল থাকতে পারে। সম্ভাব্যক্ষেত্রে কারো কারো পদোন্নতি হতে পারে। বেকারদের কর্মসংস্থান প্রচেষ্টা ফলপ্রসূ হতে পারে। মকর রাশি (২১ ডিসেম্বর-১৯ জানুয়ারি) : আপনি যদি মকর রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আপনার সামাজিক অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে। উচ্চশিক্ষার্থীদের জন্য দিনটি শুভ। কোনো আশা পূরণ হতে পারে। উচ্চশিক্ষা বা কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশযাত্রার উদ্যোগ ফলপ্রসূ হতে পারে। কুম্ভ রাশি (২০ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি) : আপনি যদি কুম্ভ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে দিনটি খুব একটা অনুকূল নাও থাকতে পারে। বিক্রয়-বাণিজ্যে লোকসান হতে পারে। জৈবিক কামনা-বাসনাকে সংযত রাখুন। ট্যাক্সসংক্রান্ত কোনো ঝামেলা হতে পারে। মীন রাশি (১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ): আপনি যদি মীন রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ ব্যবসায়িক দিক ভালো যাবে। যৌথ ও অংশীদারি ব্যবসায় সুফল পাবেন। নতুন বিনিয়োগ ফলপ্রসূ হতে পারে। অপরের প্রতি সদাচরণ করুন। আপনজন কেউ শত্রুতা করতে পারে।এসএ/ 

মানসিক চাপের কোন স্তরে চিকিৎসা প্রয়োজন?

প্রতিদিন আমাদের জীবনে যে সমস্যাগুলো ঘটে তা পুরোপুরি সমাধান করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। অতিরিক্ত চাপ ও চিন্তা যখন মানুষকে গ্রাস করে ঠিক তখন শরীরে এক ধরণের চাপ অনুভব হয়। আপনি যখন কোন কঠিন সময়ের মুখোমুখি হন যেমন- ভয় কিংবা বিশ্বাস তখনও এক ধরনের চাপ এসে আপনাকে মানসিকভাবে দুর্বল করেদিতে পারে। এগুলোই মানসিক চাপ। মেডিক্যাল সায়েন্সের পরিভাষায় শরীর দ্বারা কোন বিশিষ্ট প্রতিক্রিয়া যা শারীরিক, মানসিক, কাল্পনিক কিংবা বাস্তবিক হোক তাই মানসিক চাপ। শূন্য মানসিক চাপ সবার পক্ষে একপ্রকার অসম্ভব ব্যাপার। সমাজে থাকার জন্য, নিজের দায়িত্বগুলো পালন করার জন্য, আপনাকে একটু-আধটু মানসিক চাপের মুখোমুখি হতেই হবে। এটা ছাড়া আপনি সমাজের বাইরের মানুষ হয়ে পড়বেন বা সবাইকে ছেড়ে একা থাকতে হবে। মানসিক চাপকে বিভাজন করা সম্ভব নয়, কোন মাপকাঠিও নেই, তাই মানসিক চাপের কোন মাত্রা নির্ধারণ করা যায় না। যারা পরিবারে ও সমাজে বাস করে কিন্তু এর প্রতি দায়িত্ব পালন করেন না বা অনুভবও করেন না তাদের মানসিক চাপ খুবই কম। প্রায় শূন্যের কাছাকাছি। যে ব্যক্তি ভালো ভালো কাজ করেন, যা কিছু আছে তাতেই সন্তুষ্ট থাকেন, চার পাশে যারা রয়েছেন সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখেন, সব পরিস্থিতিতে শান্ত থেকে দায়িত্ব পালন করেন তাদের মানসিক চাপের স্তর মামুলি বা আদর্শগত। আমাদের দৈনন্দিন কাজের জন্য কিছুটা মানসিক চাপ থাকাটা জরুরি। এটি ছাড়া আমরা কাজ করতে অনুপ্রাণিত হবো না। কিছুটা চাপ না থাকলে আউটপুটও কমে যাবে। সেটা হতে পারে লেখাপড়া, বাড়ির কাজ এবং সহকর্মীকে নির্দেশনা। স্বাভাবিক গতিবিধি ঠিক রাখার জন্য আমাদের সহনশীল মাত্রার মানসিক চাপ অবশ্যই রাখতে হবে। আধুনিক ব্যস্ত সমাজে অধিকাংশ ব্যক্তিই অধিক মানসিক চাপে থাকেন। তাদের লক্ষ্য নিজ ক্ষমতার বাইরে বেশি উঁচুতে। এখানেই মানসিক চাপ রোগের সূত্রপাত। দিনের শেষে এসব ব্যক্তিরা ক্লান্ত হয়ে পড়েন। এটা হয়নি ওটা হয়নি অথবা একেবারে নিংড়ে নেয়া হয়েছে। আবার ভাবতে থাকেন অন্যদের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছেন। বর্তমান পৃথিবীতে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ লোক মানসিক চাপের এই স্তরে রয়েছেন। এদের ক্ষেত্রেই মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন রয়েছে। এরাই হৃদ রোগেও পীড়িত হন। তাদেরই খাওয়া-দাওয়ার অভ্যাসে বিরাট পরিবর্তন আনা জরুরি। আর ব্যায়াম করার প্রয়োজন যাতে রোগমুক্ত থাকা যায়। যে ব্যক্তি প্রচণ্ড কাজের চাপে থাকেন, প্রচুর সমস্যা রয়েছে এবং কিছু সামলাতে কঠিনতা অনুভব করেন এই শ্রেণীর লোকেরাই অত্যধিক মানসিক চাপ স্তরে রয়েছেন। এরাই কাজে ভুল করতে থাকেন, উত্তেজিত হন আর খারাপ আচরণ শুরু করেন। এদের আউটপুট অনেক নীচে নেমে আসে। এদের ক্ষেত্রে মানসিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। মানসিক চাপ দূর করার কিছু উপায় - নিয়মিত ব্যায়াম করুন : ব্যায়াম মানসিক চাপ তৈরিকারী হরমোনের নিঃসরণ কমায়। সুখি হরমোন হিসেবে পরিচিত এনডোরফিনের মাত্রা বাড়ায়। তাই যত ব্যস্তই থাকুন না কেন একটু সময় বের করে ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন। রুটিন মত ঘুমান : ঘুম শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে উঠার একটি নির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করুন। নিয়মিত সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানো মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। পরিমিত খাবার খান : মানসিক চাপে থাকলে খাওয়ার প্রতি অনেকেরই অনীহা হতে পারে। মনে রাখবেন, না খেয়ে থাকা চাপ বা সমস্যাগুলোকে কমিয়ে দেবে না বরং পরিমিত খাবার আপনার শরীরকে কর্মক্ষম রাখবে এবং চাপ দূর করার পদক্ষেপগুলো নিতে সাহায্য করবে। এ সময় পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন। দিনে অন্তত ছোটবড় মিলিয়ে ছয় বেলা খাবার খান। ভিটামিন এ এবং ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খান। গ্রিন টি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবারে অভ্যস্ত হোন। শিথিল থাকুন : মানসিক চাপের সময় দেহ ও মনকে শিথিল রাখা জরুরি। মানসিক চাপ দূর হতে সময় লাগে। তাই এসময় নিজেকে শান্ত রাখা জরুরি। মনকে শিথিল রাখতে হালকা ধাঁচের গান শুনুন এবং শরীর শিথিল রাখতে স্নান করতে পারেন। যোগ ব্যায়াম ও ধ্যান করুন : মানসিক চাপ কমাতে ধ্যান করতে পারেন। ধ্যানের সময় গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম শরীরকে শিথিল করে। ধ্যান আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি চাপ কমাতে যোগব্যায়ামও করতে পারেন। পছন্দের কাজগুলো করুন : হয়তো ছোটো বেলায় গান শিখতেন বা ছবি আঁকতেন আপনি। এমনকি ডায়রিও লিখতেন। মানসিক চাপের সময় এই পছন্দের কাজগুলো আবার শুরু করুন এবং কাজগুলোর মাধ্যমে নিজেকে সময় দিন। ইতিবাচক চিন্তা করুন : খারাপ চিন্তা হয়তো সবসময় এড়িয়ে যাওয়া যায় না। তবে চেষ্টা করুন ইতিবাচক চিন্তা করতে। ভাবুন যা চাইছেন তা ইতিবাচকভাবেই পাবেন। এটা আপনাকে মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করবে। বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে দিন : মানসিক চাপের কারণ নিয়ে কাছের বন্ধুর সঙ্গে কথা বলুন। বন্ধুকে বলুন, আপনাকে সাহায্য করতে। তবে এমন বন্ধুকে বলবেন না, যে আপনাকে বুঝবে না অথবা একপর্যায়ে আপনাকে উপহাস করবে। কাজের বন্ধুর সঙ্গে বিভিন্নভাবে যোগাযোগ বাড়িয়ে দিন। আপনার চাহিদা অনুসারে তালিকা বানান এবং সেই তালিকা অনুসারে পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। এই পদক্ষেপগুলোর চর্চা মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করবে। তথ্যসূত্র : ডা. বিমল ছাজেড়ের হৃদয় রোগ থেকে মুক্তি গ্রন্থ এবং লাইফস্টাইল বিষয়ক ওয়েবসাইট। এএইচ/

রাশিফল : জেনেনিন কেমন যাবে আজকের দিনটি!

রাশি নিয়ে রয়েছে নানা ভাবনা, নানা মত। এটাকে কেউ বিশ্বাস করেন, আবার কেউ বিশ্বাস করেন না। কিন্তু বিশ্বাস-অবিশ্বাসের প্রশ্ন নয়, দিনের শুরুতে মিলিয়ে নিন- কেমন যাবে আজকের দিনটি। আজ ৯ জুন ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, রবিবার। বাংলা ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ এবং ৫ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরি। নৈসর্গিক রাশিচক্রে রবি আজ মিথুন রাশিতে অবস্থান করছে। আজ যদি আপনার জন্মদিন হয় তবে পাশ্চাত্য জ্যোতিষে আপনি মিথুন রাশির জাতক/জাতিকা। আপনার জন্ম সংখ্যা : ৯। আপনার ওপর প্রভাবকারী গ্রহ : মঙ্গল ও বুধ। আপনার শুভ সংখ্যা : ৫ ও ৯। শুভ বার : মঙ্গল ও বুধ। শুভ রত্ন : পান্না ও রক্তপ্রবাল। জেনে নিন আজকে আপনার রাশিতে কী আছে— মেষ রাশি (২১ মার্চ-২০ এপ্রিল) : আপনি যদি মেষ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ বিদ্যার্থীদের জন্য দিনটি শুভ। পড়াশোনায় মন বসাতে পারবেন। শিল্পীদের জন্য সময় অনুকূল থাকতে পারে। সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারেন। যাত্রা ও যোগাযোগে সুফল পেতে পারেন। বৃষ রাশি (২১ এপ্রিল-২০ মে) : আপনি যদি বৃষ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আপনার কোনো প্রত্যাশা পূরণ হতে পারে। মন ভালো থাকবে। পারিবারিক পরিবেশ অনুকূল থাকতে পারে। সম্ভাব্যক্ষেত্রে যানবাহন ক্রয় করতে পারেন। পড়াশোনার প্রতি আগ্রহবোধ করতে পারেন। মিথুন রাশি (২১ মে-২০ জুন) : আপনি যদি মিথুন রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকতে পারে। কাজকর্মে উত্সাহবোধ করবেন। পরিবেশের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে চলুন। প্রাপ্ত তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে নিন। কর্কট রাশি (২১ জুন-২০ জুলাই) : আপনি যদি কর্কট রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে কাউকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার চেষ্টা করুন। আর্থিক দিক ভালো যেতে পারে। প্রাপ্তিযোগ আছে। অধীনস্থদের কাজে লাগাতে চেষ্টা করুন। মূল্যবোধ বজায় রাখুন। সিংহ রাশি (২১ জুলাই-২১ আগস্ট) : আপনি যদি সিংহ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ দিনটি মোটামুটি শুভ সম্ভাবনাময়। শরীর ভালো থাকতে পারে। ভালো ব্যবহার দিয়ে কাজ আদায় করা সহজ হতে পারে। ব্যক্তিত্ববোধ অক্ষুণ্ন্ন থাকতে পারে। কন্যা রাশি (২২ আগস্ট-২২ সেপ্টেম্বর) : আপনি যদি কন্যা রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ শেষ করতে পারবেন। ব্যয় বৃদ্ধি পেতে পারে। অকারণ ব্যয় পরিহার করুন। মামলা-মোকদ্দমা এড়িয়ে চলুন। তুলা রাশি (২৩ সেপ্টেম্বর-২২ অক্টোবর) : আপনি যদি তুলা রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ রাজনীতিবিদদের জন্য দিনটি শুভ। জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পাবে। আর্থিক দিক ভালো যাবে। কোনো আশা পূরণ হতে পারে। ভবিষ্যতের জন্য কোনো পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারেন। বৃশ্চিক রাশি (২৩ অক্টোবর-২১ নভেম্বর) : আপনি যদি বৃশ্চিক রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ কর্মপরিবেশ অনুকূল থাকবে। কর্মস্থলে নিজের কর্তৃত্ব বজায় রাখতে পারবেন। কোনো উচ্চাশা পূরণ হতে পারে। সামাজিক ক্ষেত্রে কোনো কাজে অংশ নিতে পারেন। ধনু রাশি (২২ নভেম্বর-২০ ডিসেম্বর) : আপনি যদি ধনু রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আধ্যাত্মিকতার প্রতি অনুরাগবোধ করতে পারেন। উচ্চশিক্ষার্থীদের জন্য দিনটি শুভ। জ্ঞানস্পৃহা বৃদ্ধি পাবে। পেশাগত দিক ভালো যাবে। সম্ভাব্যক্ষেত্রে বিদেশযাত্রার যোগ আছে। মকর রাশি (২১ ডিসেম্বর-১৯ জানুয়ারি) : আপনি যদি মকর রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে দিনটি মিশ্র সম্ভাবনাময়। পরধনপ্রাপ্তির সম্ভাবনা আছে। ব্যবসায়িক দিক ভালো যাবে না। বিক্রয়-বাণিজ্যে লোকসান হতে পারে। জৈবিক কামনা-বাসনাকে সংযত রাখুন। কুম্ভ রাশি (২০ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি) : আপনি যদি কুম্ভ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে দিনটি মোটামুটি শুভ সম্ভাবনাময়। পারস্পরিক সামাজিক সম্পর্ক ভালো থাকতে পারে। ঘনিষ্ঠ কোনো বন্ধুর সহযোগিতায় উপকৃত হতে পারেন। বিবাদ এড়িয়ে চলুন। ব্যবসায়িক দিক ভালো যেতে পারে। মীন রাশি (১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ) : আপনি যদি মীন রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ শত্রুরা ক্ষতি করার চেষ্টা করতে পারে। শত্রুদের দুর্বল ভাবা ঠিক হবে না। নিজের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। যাবতীয় মতবিরোধ এড়িয়ে চলুন। এসএ/  

রাশিফল : জেনেনিন কেমন যাবে আজকের দিনটি!

রাশি নিয়ে রয়েছে নানা ভাবনা, নানা মত। এটাকে কেউ বিশ্বাস করেন, আবার কেউ বিশ্বাস করেন না। কিন্তু বিশ্বাস-অবিশ্বাসের প্রশ্ন নয়, দিনের শুরুতে মিলিয়ে নিন- কেমন যাবে আজকের দিনটি।আজ ৮ জুন ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, শনিবার। আজ ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ এবং ৪ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরি। নৈসর্গিক রাশিচক্রে রবি আজ মিথুন রাশিতে অবস্থান করছে। আজ যদি আপনার জন্মদিন হয় তবে পাশ্চাত্য জ্যোতিষে আপনি মিথুন রাশির জাতক/জাতিকা। আপনার জন্ম সংখ্যা : ৮। আপনার ওপর প্রভাবকারী গ্রহ : শনি ও বুধ। আপনার শুভ সংখ্যা : ৫ ও ৮। শুভ বার : শনি ও বুধ। শুভ রত্ন : নীলা ও পান্না। জেনে নিন আজকে আপনার রাশিতে কী আছে—মেষ রাশি (২১ মার্চ-২০ এপ্রিল) :আপনি যদি মেষ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ প্রত্যাশা পূরণের ক্ষেত্রে কোনো ঝামেলা দেখা দিতে পারে। আবেগের বশবর্তী হয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না। পথ চলাচলে সতর্ক থাকুন। অধ্যাত্মিক চিন্তা-চেতনায় সমৃদ্ধি আসতে পারে।বৃষ রাশি (২১ এপ্রিল-২০ মে) :আপনি যদি বৃষ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আপনার তথ্যগত কোনো বিভ্রান্তি দেখা দিতে পারে। কাজকর্মে প্রত্যাশিত সাফল্য বাধাগ্রস্ত হতে পারে। শরীর খুব একটা ভালো নাও যেতে পারে। কণ্ঠসংক্রান্ত কোনো সমস্যায় ভুগতে পারেন।মিথুন রাশি (২১ মে-২০ জুন) :আপনি যদি মিথুন রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ অধীনস্থদের কাজে লাগাতে চেষ্টা করুন। মূল্যবোধ বজায় রাখুন। আজ কাউকে কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়া ঠিক হবে না। পাওনা টাকা আদায় বাধাগ্রস্ত হতে পারে। মাথাব্যথায় ভুগতে পারেন।কর্কট রাশি (২১ জুন-২০ জুলাই) :আপনি যদি কর্কট রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে শরীর মোটামুটি ভালো থাকতে পারে। অসুস্থদের আরোগ্য লাভের সম্ভাবনা আছে। কোনো বিশেষ রঙের প্রতি আকর্ষণবোধ করতে পারেন। ব্যক্তিত্ববোধ বজায় রাখার চেষ্টা করুন। বিবাদ এড়িয়ে চলুন।সিংহ রাশি (২১ জুলাই-২১ আগস্ট) :আপনি যদি সিংহ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ গোপন শত্রুরা ক্ষতি করার চেষ্টা করতে পারে। ব্যক্তিগত কোনো ব্যর্থতার জন্য মন খারাপ হতে পারে। ব্যয় বৃদ্ধি পেতে পারে। ঋণগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা আছে।কন্যা রাশি (২২ আগস্ট-২২ সেপ্টেম্বর) :আপনি যদি কন্যা রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে প্রয়োজনে বড় ভাইবোনদের পরামর্শ গ্রহণ করুন। জনসংযোগে সময় দিতে পারেন। শ্রমিক নেতাদের জন্য সময় অনুকূল থাকতে পারে। উপার্জন বৃদ্ধির প্রচেষ্টা জোরদার করুন।তুলা রাশি (২৩ সেপ্টেম্বর-২২ অক্টোবর) :আপনি যদি তুলা রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ অসুস্থ পিতার শরীর-স্বাস্থ্যের ব্যাপারে যত্নবান হওয়ার চেষ্টা করুন। কর্মপরিবেশ অনুকূল থাকতে পারে। সামাজিক কাজে অংশ নিতে পারেন, সেক্ষেত্রে সাফল্য পেতেও পারেন।বৃশ্চিক রাশি (২৩ অক্টোবর-২১ নভেম্বর) :আপনি যদি বৃশ্চিক রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ ভাগ্যোন্নয়নের প্রচেষ্টা জোরদার করুন। জ্ঞানস্পৃহা বৃদ্ধি পাবে। জীবনকে অর্থবহ করার চেষ্টা করুন। পেশাগত দিক মোটামুটি ভালো যেতে পারে। তীর্থযাত্রা শুভ।ধনু রাশি (২২ নভেম্বর-২০ ডিসেম্বর) :আপনি যদি ধনু রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে অতীন্দ্রিয় শাস্ত্রাদির প্রতি আগ্রহবোধ করতে পারেন। জৈবিক কামনা-বাসনাকে সংযত রাখুন। আপনার নামে কোনো অপবাদ রটতে পারে। শরীর খুব একটা ভালো যাবে না। অবহেলা না করে চিকিৎসা নিন।মকর রাশি (২১ ডিসেম্বর-১৯ জানুয়ারি) :আপনি যদি মকর রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে অপরের প্রতি সদাচরণ করুন। পারস্পরিক সামাজিক সম্পর্ক ভালো থাকতে পারে। জ্ঞাতি শত্রুরা ক্ষতি করার চেষ্টা করতে পারে। বিবাদ এড়িয়ে চলুন।কুম্ভ রাশি (২০ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি) :আপনি যদি কুম্ভ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে শরীর খুব একটা ভালো যাবে না। সাময়িক কোনো অসুস্থতায় ভুগতে পারেন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আহারে বিহারে সতর্ক থাকুন। সীমা লঙ্ঘন করা ঠিক হবে না।মীন রাশি (১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ) :আপনি যদি মীন রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ নিজের মতামত যথাযথভাবে প্রকাশ করার চেষ্টা করুন। অন্যথায় সুযোগ হারাতে পারেন। সন্তানের কোনো বিষয়ে নিয়ে চিন্তিত হতে পারেন। শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহবোধ করতে পারেন। এসএ/  

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি