ঢাকা, ২০১৯-০৬-১৮ ৯:৪৬:৪৯, মঙ্গলবার

বিলিন হওয়ার পথে ত্রিপুরা মহারাজার রাজকাচারী বাড়ি

বিলিন হওয়ার পথে ত্রিপুরা মহারাজার রাজকাচারী বাড়ি

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ভূমি অফিসের ভিতরে অবস্থিত ত্রিপুরা মহারাজার রাজকাচারী বাড়ি। সংস্কারের অভাবে বিলিন হওয়ার পথে এই প্রত্ন নিদর্শন। প্রাচীন ভবনটি সংস্কার করে পর্যটকদের জন্য উপযোগি করার দাবী এলাকাবাসীর। ত্রিপুরার রাজাদের স্মৃতিচিহান শ্রীমঙ্গলের রাজকাচারী বাড়ি। এই প্রত্ননিদর্শনটি এখন শ্রীমঙ্গল উপজেলা ভুমি অফিস। একসময় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ছিলো ত্রিপুরা রাজ্যের অধিনে। রাজধানী দুরে হওয়ায় অষ্টাদশ শতকে ত্রিপুরার রাজা খাজনা আদায় ্ও রাজকার্য পরিচালনার সুবিধার্থে এখানে কাচারীবাড়ি।প্রতিষ্টা করেন। কারুকাজ খচিত কাঁচারীবড়িটি দৈর্ঘে ৩০ ফুট প্রস্থে ২০ ফুট। এতে রয়েছে ৩টি কক্ষ,একটি বারান্দা, ৮টি দরজা সহ মোট ৯টি জানালা। এর প্রতিটি দেয়াল ১২ ইঞ্চি চওড়া, চুন–সুরকি নির্মিত। পাশেই শানবাঁধানো ঘাঁটসহ বিশালাকার পুকুর। লোক মূখে শোনা ত্রিপুরার রাজাও এখানে আসতেন হাতিতে চড়ে। ইতিহাসের ধারক এই ভবনটি এখন ধ্বংসে মুখে। বিলিন হ্ওয়ার পথে ঘাট ও পুকুর। শ্রীমঙ্গল দেশের অন্যতম পর্যটন অঞ্চল। রাজকাচারী বাড়িটি হতে পারে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ। বিস্তারিত ভিডিওতে দেখুন : এসএ/    
দেশের পর্যটন স্পটগুলোয় এখনো ভিড় (ভিডিও)

ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে দেশের পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ভিড় করছেন সব বয়েসী মানুষ। অনেকেই ঈদের ছুটি কাটাতে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন প্রকৃতির কাছাকাছি। ঈদের ছুটিতে মানুষের ঢল নেমেছে মেহেরপুরের ঐতিহাসিক মুজিবনগর কমপ্লেক্সে। আম্রকাননের অপার সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে দূর-দূরান্ত থেকে আসছেন দর্শনার্থীরা। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া উপেক্ষা করে ঈদের ছুটিতে সুন্দরবনের সৌন্দর্য দেখতে মোংলার করমজলে ভীড় করছেন দর্শনার্থীরা। তাদের পদচারণায় মুখর ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন। ভৈরবে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে মানুষের ঢল মেঘনা তীরের ত্রি-সেতু এলাকায়। আশপাশের এলাকা ছাড়াও রাজধানী থেকেও অনেকেই আসছেন পাথরের গালিচায় বসে নির্মল বাতাস উপভোগ করতে। চলছে নৌকা, লঞ্চ ও স্পিডবোটে নদীভ্রমণ। নদীপাড়ের ফুরফুরে হাওয়া, স্পিডবোট ও ডিঙি নৌকায় চড়ার পাশাপাশি বিস্তীর্ণ চরে ঘুরে বেড়াতে গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্রের বালাসীঘাটে ভীড় করছেন ছুটি কাটাতে আসা শহুরে মানুষেরা।

বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে মানুষের ঢল (ভিডিও)

ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে পর্যটকের ঢল নেমেছে সিলেটের জাফলং, সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু ইকোপার্ক এবং নরসিংদীর ড্রিম হলিডে পার্কে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সব বয়েসী পর্যটকের পদচারনায় মুখর স্পটগুলো। পর্যটকদের নিরাপত্তায় আইনশৃংখলাবাহিনীও রয়েছে সর্তক। ঈদের দিন থেকে সিলেটের জাফলংয়ে ভিড় করেছেন হাজার হাজার পর্যটক। গোটা জাফলং এখন তাদের কোলাহলে মুখর। পিয়াইনের স্বচ্ছ, শীতল জলে গা ভাসিয়ে নিচ্ছেন প্রশান্তির ছোয়া। সাতার না জানার কারনে পিয়াইনের জলে কেউ যাতে হারিয়ে না যায় সে ব্যাপারে সতর্ক আছে প্রশাসন। সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু ইকোপার্কেও দর্শনার্থীদের ভীড়। খুব কাছ থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু ও যমুনাপাড় দেখা এবং সবুজ বৃক্ষরাজির ছায়ায় মুক্ত বাতাসের আলিঙ্গনে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা। একই চিত্র নরসিংদীর ড্রিম হলিডে পার্কে। বিভিন্ন রাইডস উপভোগ করে আনন্দে মাতোয়ারা দর্শনার্থীরা। নটিক্যাসেল, জাম্পিং হর্স,লাফারকিং,আইসপাহাড়, অত্যাধুনিক সুইমিংপুলসহ মজার সব রাইডে আনন্দ উপভোগ করছে শিশুরা।

নান্দনিক সাজে মৌলভীবাজারের রিসোর্ট (ভিডিও)

ঈদ উপলক্ষে ব্যস্ত সময় পার করছে মৌলভীবাজারের পার্ক ও রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ। চলছে শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি। ঈদের লম্বা ছুটি কাটাতে এবারও পর্যটকদের ঢল নামবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে পর্যটকদের নির্বিঘœ চলাচলে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন। নানা জীব বৈচিত্রে ভরপুর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত এলাকা মৌলভীবাজার। এখানে রয়েছে চা, আনারস, লেবু বাগান, লাউয়াছড়াবন, মাধবকুন্ড জলপ্রপাত, মাধবপুর লেক, লেমন গার্ডেন এর দৃষ্টি নন্দন গাছগাছালি ও শিশুদের রাইডস। রয়েছে গ্রান্ড সুলতানের মনোরম লেক ও ফুলের বাগানসহ প্রায় দেড়শত পর্যটন স্পট। যা দেখতে ঈদের আগে থেকেই আসতে শুরু করেছেন পর্যটকরা। এরিমধ্যে পর্যটকদের কাছ থেকে আগাম বুকিং পেয়েছে হোটেল-রিসোর্টগুলো। অন্যদিকে প্রস্তুতির পাশাপাশি কর্তৃপক্ষও দিচ্ছে স্পেশাল অফার। এদিকে ঈদকে সামনে রেখে পর্যটকদের জন্য নেয়া হয়েছে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আবহাওয়া ভালো থাকলে মৌলভীবাজারের পর্যটন স্পটগুলো ঘিরে লক্ষাধিক দর্শনার্থীর সমাগম ঘটবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ধ্বংসের পথে ঐতিহাসিক দুবলহাটি রাজবাড়ি (ভিডিও)

যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে নওগাঁ সদরের ঐতিহাসিক দুবলহাটি রাজবাড়ি। বর্তমানে রাজবাড়ি পরিণত হয়েছে মাদকসেবী আর অপরাধী চক্রের অভয়ারন্যে। এরপরও রাজবাড়ির অপূর্ব নির্মাণ শৈলী আর সৌন্দর্য দেখতে প্রতিদিনই আসছে অসংখ্য দর্শনার্থী। ১৭৯৩ সালে লর্ড কর্ণওয়ালিসের কাছ থেকে ১৪ লাখ ৪শ’ ৯৫ টাকা দিয়ে এই জমিদারীটি নেন রাজা কৃষ্ণ নাথ। পরবর্তীতে ১৮৫৩ সালে রাজা হরনাথ রায়ের আমলে দুবলহাটি জমিদারির বিস্তার ঘটে। এ আমলেই বাড়ে রাজপ্রাসাদের সৌন্দর্য্যম নির্মিত হয় নাট্যশালা, প্রজাদের জন্য খনন করা হয় বেশ কয়েকটি সুপেয় পানির পুকুর। ১৮৬৪ সালে এই জামিদার পরিবারের পরিবারের উদ্যোগে একটি স্কুল স্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে স্কুলটির নামকরন করা হয় ‘রাজা হরনাথ উচ্চ বিদ্যালয়।’ জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার পর ১৯৫০ সালে রাজা হরনাথ রায় চৌধুরীর বংশধররা সপরিবারে ভারতে চলে যান। কালের সাক্ষী হয়ে থেকে যায় সুবিশাল রাজপ্রাসাদটি। রোমান স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত রাজবাড়িতে ছিল ৭টি আঙিনা, ৩শ’টি ঘর এবং প্রাসাদের ভিতরে ভবনগুলো কোনটি তিন আবার কোনটি চারতলা। প্রাসাদে ছিল রাজরাজেশ্বরী মন্দির, সান বাধানো ইঁদারা, বিশাল গোবিন্দ পুকুর, সান বাঁধানো ঘাট। পুকুরের পূর্ব পাড়েই ছিল নাট্যশালা। নাট্যশালার কাছে কালি মন্দির। এর পাশেই বাগানবাড়ি। সবই আজ বিলুপ্তপ্রায়। কালের সাক্ষী ২শ’ বছরের পুরনো এই রাজবাড়িটি বর্তমানে মাদকসেবী, অপরাধীচক্রের অভয়ারন্য এবং গো-চারণ ভ’মিতে পরিণত হয়েছে। ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন এই রাজবাড়িটি সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের কথা জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।সিংকঃ মিজানুর রহমান, জেলা প্রশাসক, নওগাঁ বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে : এসএ/  

পঞ্চগড়ে মুঘল স্থাপত্যশৈলীর অনন্য নিদর্শন (ভিডিও)

মুঘল স্থাপত্যশৈলির অনন্য নিদর্শন পঞ্চগড়ের মির্জাপুর শাহী মসজিদ। মসজিদটির টেরাকোটার নকশা আর স্থাপন্য শৈলি মুগ্ধ করে দর্শনার্থীদের। দৃষ্টিনন্দন নির্মাণশৈলি মন কাড়ে তাদের। পঞ্চগড়ের আটোয়ারীর মির্জাপুর এলাকায় মোঘল আমলের মির্জাপুর শাহী মসজিদ। মসজিদের শিলালিপি ঘেঁটে প্রতœতত্ত্ববিদরা ধারণা করেন মির্জাপুর শাহী মসজিদটি ১৬৫৬ সালে নির্মিত হয়েছে। তবে মসজিদটি কে নির্মাণ করেছেন এটি নিয়ে আছে বিতর্ক। কেউ মনে করেন মালিক উদ্দিন নামে মির্জাপুর গ্রামেরই এক ব্যক্তি মসজিদটি নির্মাণ করেন। আবার কেউ কেউ বলে, দোস্ত মোহাম্মদ নামে এক ব্যক্তি মসজিদটির নির্মাণ কাজ শেষ করেন। তবে প্রতœতত্ত্ববিদদের ধারণা, মসজিদে থাকা ফারসি ভাষার একটি শিলালিপিতে অনুমান করা হয় শাহ সুজার শাসনামলে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ১৬৭৯ খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত ঢাকা হাইকোর্ট মসজিদের সাথে মির্জাপুর শাহী মসজিদের নির্মাণ শৈলীর মিল রয়েছে। মসজিদটিতে একই সারিতে তিনটি গম্বুজের কোণায় আছে একটি করে মিনার। মসজিদটির দৃষ্টিনন্দন নির্মাণশৈলি মুগ্ধ করে পর্যটকদের। স্থানীয়দের কাছে মসজিদটি কেবল একটি মসজিদই নয়, বরং ইতিহাস আর ঐহিত্যের স্মারক।

২০২৪ সালে চাঁদে পর্যটক নেবে ব্লু অরিজিন

চাঁদে মানুষ নেওয়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের প্রধান নির্বাহী জেফ বেজোস৷ বিশেষ একটি যানে করে ২০২৪ সাল নাগাদ পর্যটকদের চন্দ্রপৃষ্ঠে নিতে শুরু করবে তার প্রতিষ্ঠান ব্লু অরিজিন৷ মহাকাশ অভিযাত্রী বা গবেষক হিসেবে নয়, শুধু বেড়ানোর জন্যেই মানুষ চাঁদে যেতে পারবে৷ মাত্র ৫ বছরের মধ্যেই এমন কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছেন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মানুষ জেফ বেজোস৷ এ জন্য অ্যামাজনের এই প্রতিষ্ঠাতা আগেই ‘ব্লু অরিজিন’ নামের একটি কোম্পানি খুলেছেন৷ গতকাল শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে এক অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন জেফ বেজোস, যেই যানটিতে করে তিনি পর্যটকদের চাঁদে নামাতে চান তার একটি নমুনাও হাজির করেছেন সম্ভাব্য গ্রাহক, নাসার বিজ্ঞানী, গণমাধ্যমকর্মীসহ দর্শকদের সামনে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ব্লু মুন’৷ আকারে ছোটখাটো দুই তলা একটি বাড়ির সমান এটি, যা বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি, স্যাটেলাইটসহ চন্দ্রপৃষ্ঠে চলাচল করতে পারবে এমন সব যানও বহন করবে৷ সঙ্গে থাকবে চার থেকে পাঁচজন যাত্রী৷ যানটি দেখিয়ে দর্শকদের উদ্দেশে বেজোস বলেন, এখন সময় হয়েছে চাঁদে ফিরে যাওয়ার এবং বসবাস শুরু করার৷ পুনর্ব্যবহারযোগ্য একটি রকেটে করে যানটি পাঠানো হতে পারে৷ ব্লু মুন প্রকল্পটিকে মূলত একটি বৃহৎ পরিকল্পনার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন বেজোস৷ তিনি বলেন, এই মুহূর্তে সেখানে কোনও অবকাঠামো না থাকায় এটির বাস্তবায়ন ব্যয় সাপেক্ষ ব্যাপার৷ মহাকাশে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা আর পর্যটনকেন্দ্রিক শিল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছে বিভিন্ন দেশ আর ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান৷ ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতা টেসলার প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্কও মহাকাশ পর্যটনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন৷ তার প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্স এরইমধ্যে পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট উদ্ভাবন করেছে, যার মাধ্যমে বেশ কয়েকটি সফল অভিযানও পরিচালনা করা হয়েছে৷ ভার্জিন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা রিচার্ড ব্রেনসনও মহাকাশকেন্দ্রিক পর্যটন ব্যবসার পরিকল্পনা নিয়ে গ্যালাকটিক নামের একটি কোম্পানি চালু করেছেন৷ চলতি বছরই তাদের উদ্ভাবিত স্পেইস শিপটি মহাকাশে পাড়ি জমানোর কথা রয়েছে৷ বেজোস অবশ্য এমন এক সময় ব্লু অরিজিন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা জানালেন যখন ট্রাম্প প্রশাসনও আগামী ৫ বছরের মধ্যে চাঁদে যাতায়তের জন্য অবাকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে৷ গত ২৬ মার্চ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স ২০২৪ সাল নাগাদ চাঁদের কক্ষপথে একটি স্পেস প্লাটফর্ম গড়ে তোলার লক্ষ্য ঘোষণা করেছেন৷ হোয়াইট হাউস চায় যে করেই হোক ২০২৪ সাল নাগাদ অ্যামেরিকার নভোচারীরা যাতে চাঁদের দক্ষিণ গোলার্ধে অবতরণ করতে পারে৷ উপগ্রহটি এই অংশটিতে বরফ অবস্থায় পানি রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা থেকে রকেটের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানীর যোগান নিশ্চিত করা ও নভোচারীদের খাবার পানির যোগান দেওয়া সম্ভব হতে পারে বলে মনে করছেন নাসার বিজ্ঞানীরা৷ বেজোস ট্রাম্প প্রশাসনের এই পরিকল্পনা বিষয়ে বলেন, বিষয়টি আমার ভালো লেগেছে৷ আমরা এই সময়সীমাটি ধরার ক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারব, কেননা, তিন বছর আগেই আমরা এই পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি৷ সূত্র: ডয়চে ভেলে একে//

সিলেটের লালাখাল পর্যটন স্পট নীল পানি আর পাহাড়ের মিতালী (ভিডিও )

  সিলেটের লালাখাল পর্যটন স্পট যেনো নীল পানি আর পাহাড়ের মিতালী। একপাশে চায়ের বাগান, অন্যপাশে ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকার সবুজের হাতছানি। অপরুপ এ দৃশ্য দেখতে প্রতিদিনই পর্যটকরা ছুটে যান লালাখানে। তবে অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও নাগরিক সুবিধা না থাকায় ভোগান্তিতে পরতে হয় তাদের। সিলেটের জৈন্তাপুরে প্রকৃতিতে ঘেরা লালাখাল। নদী, পাহাড় আর সবুজ প্রকৃতি খেলা করে সীমান্তঘেষা এ জনপদে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রশান্তির আশায় পর্যটকরা ঘুরে বেড়ান নদীবুকে। তবে-সিলেট-তামাবিল রাস্তা দিয়ে ঢুকলেই ভোগান্তি ভাঙ্গা রাস্তায় অসহনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয় পর্যটকদের। ইতোমধ্যে লালাখালের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত ও পর্যটক সুবিধা বাড়াতে স্থানীয়ভাবে বৈঠক হয়েছে বলে জানান জনপ্রতিনিধি।  ভোগান্তির কারনে পর্যটক হারাতে পারে লালাখাল- এমন আশঙ্কায় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতের পাশাপাশি নিরাপত্তা বাড়াতে পর্যটক পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের দাবি এলাকাবাসীর।    

দিনদিনই পর্যটকদের ভীড় বাড়ছে বিছানাকান্দি (ভিডিও)

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যরে আধার সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকা বিছনাকান্দি। শুধু সিলেট নয় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এখানে আসেন দর্শনার্থীরা, দিনদিনই বাড়ছে পর্যটকদের ভীড়। বিছানাকান্দির পাহাড় ঘেরা জলরাশি মন ভরিয়ে দেয় পর্যটকদের। তবে জায়গাটির সৌন্দর্য্য ধরে রাখতে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতায় প্রশাসনের নজরদারি আর উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রয়োজন। পাহাড়, ঝরনা আর পাথরের রাজ্য সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকা বিছনাকান্দি। বিছনাকান্দির এখানে ওখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে পাথর আর পাথর, দেখে যেনো মনে হয় পাথরের বিছানা। সঙ্গে আছে ঝরনা থেকে নেমে আসা স্বচ্ছ পানির ধারা, যা ভুলিয়ে দেয় নাগরিক সব ক্লান্তি। অনেকেই ছুটি পেলে পরিবার পরিজন নিয়ে ছুটে আসেন স্বচ্ছ শীতল পানির জায়গাটিতে। আনন্দ-উল্লাসে নিজের মতো করে সময় কাটান তারা। বিছনাকান্দির অপরূপ সৌন্দর্য মুগ্ধ করে যে কাউকে। তবে পর্যটক সংখ্যা বাড়ায় জায়গাটির পরিবেশ এখন হুমকির মুখে। নেই রক্ষানাবেক্ষণ আর সরকারী তদারকী। একইসাথে যোগাযোগ ব্যবস্থাও ভালো না। বিছনাকান্দিতে যেতে সিলেটের গোয়াইন ঘাট থেকে হাদারপাড় যেতে হয় সড়ক পথে। এরপর নৌপথে যেতে হয় পাথর-পানি পাহাড় মেঘের সেই রাজ্যে। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে : এসএ/      

জীববৈচিত্র্যের সমাহার বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক (ভিডিও)

মৌলভীবাজার শহরের অদুরে বর্ষিজোড়া ইকোপার্কটি যেনো জীববৈচিত্র্যের সমাহার। পার্কটিতে রয়েছে নানা ধরনের প্রাকৃতিক উদ্ভিদ ও বৃক্ষরাজি। আছে নানা রকম পাখি। কিন্তু বনবিভাগের লোকবলসংকট ও নিরপত্তার অভাবে পার্কটি পর্যটকশূন্য হয়ে পড়ছে। তবে পর্যটকদের ফেরাতে দ্রুতই ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বন ও পরিবেশ মন্ত্রী। চায়ের দেশ মৌলভীবাজার শহর থেকে মাত্র এককিলোমিটার দূরে ছোট ছোট টিলা নিয়ে গড়ে উঠেছে বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক। শতবর্ষী লালমাটির এ বনে আছে হরেক রকমপাখি। জীববৈচিত্র্যে ভরপুর বনটিকে ২০০৬ সালে ইকোপার্ক ঘোষনা করে বনবিভাগ। পর্যটকদের জন্য এখানে স্থাপন করা হয়  দৃষ্টিনন্দন গেট, গোলঘর, ইকোকটেজ, টয়লেট, টিকিট কাউন্টার,ওয়াচটাওয়ার। কিন্তু নিরাপত্তা ও উন্নয়নের অভাবে আজো এটি পর্যটক বান্ধব হয়ে ওঠেনি। সঠিক রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে স্থাপনাগুলো। দ্রুত এটিকে পূণাঙ্গ ইকোপার্ক হিসেবে গড়ে তোলার কথা জানিয়েছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী। দ্রুত অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে বর্ষিজোড়া পাকটি পর্যটকদের জন্য উন্মক্ত করে দেওয়ার আবেদন মৌলভীবাজারবাসীর।    

এ বিভাগে আপনাদের মতামত ও লেখা পাঠান travel@ekushey-tv.com.

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি