ঢাকা, ২০১৯-০৪-২৬ ৮:৪৮:৪২, শুক্রবার

শপথ নিচ্ছেন বিএনপির আরও তিন সদস্য!

শপথ নিচ্ছেন বিএনপির আরও তিন সদস্য!

বিএনপির আরও তিন সংসদ সদস্য শপথ নিতে যাচ্ছেন। আজ বৃহস্পতিবার ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান শপথ নিয়েছেন। তার এই শপথ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা কম হচ্ছে না। এর মধ্যে জানা গেছে, বিএনপি থেকে আরও তিনজন এমপি শপথ নিতে পারে বলে বিশ্বাস্ত সূত্রে জানা গেছে। এবারের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি থেকে ছয় সদস্য নির্বাচিত হন। নির্বাচনের পরেই বিএনপি এই নির্বাচন প্রত্যাখান করে শপথ না নেওয়ার কথা বলে। আজ একজন শপথ নেওয়া সে পথ থেকে সরে আসলো বিএনপি। এর আগে তাদের নির্বাচনি জোটের অন্যতম দল গণফোরাম থেকে নির্বাচিত দুই সদস্য শপথ নিলে তাদের বেঈমান বলে আখ্যায়িত করে বিএনপির পক্ষ থেকে। আর আজ দলটির এক নির্বাচিত সদস্য শপথ নিলেন। বিএনপি থেকে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আসন হিসেবে পরিচিত বগুড়া-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মির্জা ফখরুলও দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে শপথ নেবেন না বলে বিএনপির একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। তবে বাকি চারজনের মধ্যে তিনজন শপথ নিতে পারেন বলে জানা গেছে। এসএইচ/
অবশেষে শপথ নিলেন বিএনপির জাহিদুর

বিএনপি থেকে নির্বাচিত ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান শপথ নিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছে শপথ নিয়েছেন তিনি। জাহিদুর রহমানের শপথগ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এবং সেই আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয় দুপুর ১২টায়। এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে জাহিদুর রহমান শপথ নেয়ার বিষয়ে তার আগ্রহের কথা জানিয়ে স্পিকার ড. শিরীর শারমিন চৌধুরীকে চিঠি দেন। সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঠাকুরগাঁও-৩ আসন থেকে নির্বাচিত জাহিদের অনুরোধেই শপথের এ আয়োজন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে (পীরগঞ্জ–রানীশংকৈল) তিন সাবেক সাংসদকে হারিয়ে বিএনপির প্রার্থী জাহিদুর রহমান নির্বাচিত হন। জাহিদুর রহমান ১৯৯১ সাল থেকে নির্বাচন করছেন। দীর্ঘ ২৭ বছর পর মানুষের সহানুভূতির কারণে তিনি এবার জয়ী হতে পেরেছেন। জাহিদুর রহমান (ধানের শীষ) ৮৮ হাজার ৫১০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমদাদুল হক। তিনি ৮৪ হাজার ৩৮৫ ভোট পান। রংপুর বিভাগের মধ্যে জাহিদুর রহমানই একমাত্র বিএনপির প্রার্থী, যিনি জয়ী হতে পেরেছেন। এসএ/  

সম্পদের নিরাপত্তায় এরশাদের জিডি

স্বাক্ষর জাল ও সম্পদের নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কা করছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এ জন্য তিনি একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং- ১৫০২) করেছেন। গতকাল বুধবার রাজধানীর বনানী থানায় এরশাদের আবেদনের ভিত্তিতে জিডিটি লিপিবদ্ধ করা হয়। বনানী থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিথুন জানান, বনানী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শায়হান ওয়ালীউল্লাহকে বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জিডিতে এরশাদ অভিযোগ করেছেন, তার বর্তমান ও অবর্তমানে স্বাক্ষর নকল করে পার্টির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, দলের বিভিন্ন পদ-পদবি বাগিয়ে নেওয়া, ব্যাংক হিসাব জালিয়াতি এবং পারিবারিক সম্পদ, দোকানপাট, ব্যবসা-বাণিজ্য হাতিয়ে নেওয়া ও আত্মীয়-স্বজনদের জানমাল হুমকির মুখে রয়েছে। তার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে কেউ যেন এমন অপরাধ করতে না পারে, সে বিষয়ে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দরকার বলে মনে করছেন তিনি। এসএ/  

দুয়েক দিনের মধ্যে আসছে ছাত্রলীগের পূর্নাঙ্গ কমিটি

চূড়ান্ত করা হয়েছে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি। নানা জল্পনা-কল্পনা ও বির্তকের অবসান ঘটিয়ে কমিটি তৈরি করেছে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও গোলাম রাব্বানী। ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে সাবেক নেতাদের মধ্যে থাকা ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে এ কমিটি চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান পদপ্রত্যাশি একাধিক নেতা। সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে সাবেক কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে সমন্বয় করার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দীর্ঘদিন ধরে সাবেক নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় না হওয়া ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে বিলম্ব হয়। ছাত্রলীগের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড ও পূর্ণাঙ্গ কমিটি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ( প্রধানমন্ত্রী) গত ১৮ এপ্রিল ৭ দিনের মধ্যে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে কেন্দ্রীয় নেতাদের তাগিদ দেন। ছাত্রলীগের কমিটি গঠনে আওয়ামী লীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের ৪ নেতা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এবং ছাত্রলীগের বিদায়ী কমিটির সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেনের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করার পর এ সমঝোতা ও সমন্বয় হয়। এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, সকলের সঙ্গে পরামর্শ করেই আমরা কমিটি প্রস্তুত করেছি। তারপরও বঙ্গবন্ধুর কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা ব্রুনাই থেকে সফর শেষে দেশে ফিরে সময় দিলেই ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান। তিনি বলেন, পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শেষের দিকে। আশা করি প্রধানমন্ত্রী ব্রুনাই থেকে দেশে এসে সময় দিলেই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করতে পারব। এসি  

সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে মাঠে থাকবে ১৪ দল : নাসিম

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এবং কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, খুনি, ঘুষ, দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে মাঠে থাকবে ১৪ দল। আজ সোমবার বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের উদ্যোগে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘খুনি, দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আমাদের সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। সেই লক্ষ্যে আগামী ২৬ এপ্রিল মতিঝিলে একটি সমাবেশ করবো। কেন্দ্রীয় ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ সকল অপকর্মের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে।’সভায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ এমপি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু এমপি, সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এমপি, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, গণতন্ত্রি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ড. শাহাদাত হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। হাইব্রিড আওয়ামী লীগ নেতারা দলের অনেক ক্ষতি করছে উল্লেখ করে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘হাইব্রিডরা দলের অনেক ক্ষতি করছে। এরা বিএনপি-জামায়াতের প্রেতাত্তা। তা না হলে একজন হত্যাকারিকে আশ্রয় প্রয়োজন দিতে পারে। এনম দু একজনের জন্য আমাদের সব অর্জন নষ্ট হতে দিতে পারি না।’ বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন, বিএনপি বিভিন্ন জাতীয় দিবস পালন না করে, জনগনের সাথে প্রতারণা করে ইতিহাস অস্বীকার করতে চায়। যারা জাতীয় দিবস গুলো পালন করে না তারা কি করে স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে?বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে দলের নেতাদের দেওয়া বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, তার চিকিৎসা কি ভাবে হবে তা নির্ধারণ করবে ডাক্তাররা। দলের নেতারা কেন খালেদা চিকিৎসার ব্যাপারে জনগনকে বিভ্রান্ত করছেন। মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, যারা ১৭ এপ্রিল মুজিব নগর দিবস পালন করে না তারা স্বাধীনতার পক্ষের বা স্বাধীনতার বিশ্বাস করে এটা আমার বিশ্বাস হয় না। হঠাৎ করে স্বাধীনতার পেক্ষপট তৈরি হয়নি। দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে এই প্রেক্ষাপট বঙ্গবন্ধু তৈরি করেছিলেন।তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান কারফিউ দিয়ে দেশ চালিয়েছে এটার মধ্যে বিএনপি ও বিএনপিপন্থি বুদ্ধিজীবীরা গণতন্ত্র খুজে পায়। আসলে বিএনপি নামের এই দলটি তৈরি করেছিলো পাকিস্তান। এই দলের লক্ষ্য বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করা। এই বিষফোরা দলটি যত দিন থাকবে তত দিন দেশের উন্নয়নের বাঁধা থাকবে। রাশেদ খান মেনন বলেন, আজ বিএনপি-জামায়াতকে কোণঠাসা করতে পেরেছি কিন্তু রাজনৈতিকভাবে পুরোপুরি পরাজিত করতে পারিনি। আজ উগ্রসাম্প্রদায়িক শক্তি মাথা চাড়া দিয়ে উঠার চেষ্টা করছে। উগ্রসাম্প্রদায়িক শক্তি শ্রীলংকায় হামলা করেছে। এদেশকে আমরা এই ধ্বংসের কিনারায় ঠেলে দেবো কিনা আজ আমাদের ভাবতে হবে। হাসানুল হক ইনু বলেন, যারা মুজিব নগর দিবস পালন করে না তারা পাকিস্তানের দালাল। পাকিস্তান পন্থি বিএনপি মুজিব নগর দিবসকে অস্বীকার করে। জামায়াত ও জঙ্গিবাদকে এই বিএনপি পৃষ্টপোষকতা করে। এই বিএনপি-জামায়াত রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে বিতারিত না হলে গণতন্ত্র মজবুত হবে না। এদেরকে রাজনীতির মঞ্চ থেকে চিরতরে বিদায় জানাতে হবে। এদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে, ঐক্যবব্ধ থাকতে হবে। এসএইচ/

সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক আর নেই

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. আমিনুল হক ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিভার ক্যানসারে ভুগছিলেন। আজ রোববার সকাল ১০টায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে জানান মরহুমের ভাতিজা ব্যারিস্টার অনিক আর হক। তিনি বলেন, ‘বাদ জোহর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে মরহুমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে রাজশাহীর গ্রামের বাড়িতে মরদেহ দাফন করা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে ফিরে আসেন তিনি। এরপর থেকেই ইউনাইটেড হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিসিইউ) চিকিৎসা নিচ্ছিলেন ব্যারিস্টার আমিনুল।’ উল্লেখ্য, আমিনুল হক রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯১ থেকে ২০০৭ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আগ পর্যন্ত এমপি ও মন্ত্রী ছিলেন। আমিনুল হক ২০০১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বিএনপি সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ছিলেন। সর্বশেষ একাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী ওমর ফারুক চৌধুরীর কাছে পরাজিত হন। এসএ/  

আ. লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা আজ

আসন্ন জাতীয় সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় বৈঠকে বসছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (২০ এপ্রিল) সম্পাদকমণ্ডলীর সভা অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার বেলা ১১টায় আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই সভা হওয়ার কথা রয়েছে।শুক্রবার আওয়ামী লীগের দপ্তর থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের আসন্ন সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় বৈঠক করছে দলীয় নেতারা। এরই ধারাবাহিকতায় আজও বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে শুক্রবার বিকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলকে তৃণমূল থেকে নতুন করে ঢেলে সাজিয়ে সাংগঠনিকভাবে আরও মজবুত করে গড়ে তোলার নির্দেশনা দেন। এছাড়া দলটির আসন্ন জাতীয় সম্মেলনকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে সাংগঠনিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আটটি বিভাগে ৮টি সাংগঠনিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। সব কিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরের অক্টোবরেই অনুষ্ঠিত হবে এই সম্মেলন। জাতীয় সম্মেলনের আগে তৃণমূলকে ঢেলে সাজাতে এসব টিম গঠন করা হয়েছে। টিমগুলোর নেতৃত্বে আছেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্যরা। আগামী মে মাস থেকে এসব টিম কাজ করবে। টিআর/

কৃষকলীগের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

বাংলাদেশ কৃষকলীগের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ শুক্রবার। দেশের কৃষির উন্নয়ন ও কৃষকের স্বার্থ রক্ষার জন্য ১৯৭২ সালে এ দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ কৃষকলীগ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে কৃষকলীগ কৃষকদের সংগঠিত করা, তাদের দাবি আদায় এবং দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গৌরবজ্জল ভূমিকা পালন করে আসছে। এ উপলক্ষে আজ সকাল নয়টায় দলের নেতা-কর্মীরা রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে রক্ষিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আগামীকাল শনিবার দুপুর দু’টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের দলীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ এমপি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এসএ/

নুসরাতকে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর আবেগঘন স্ট্যাটাস

গত বুধবার রাত সাড়ে ন’টায় ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসারত অবস্থায় প্রাণ হারান ফেনীর সোনাগাজী মাদ্রাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি। নিজ মাদ্রাসার ছাদে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে তার শরীরের আশিভাগ অংশ পুড়ে গিয়েছিল। মৃত্যুর সঙ্গে লড়তে লড়তে চিকিৎসারত অবস্থায় প্রাণ হারান নুসরাত। তার আগেই পুলিশ গ্রেফতার করে এ ঘটনার দায়ে অভিযুক্ত একই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে। নুসরাত নিহত হওয়ার ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে সারা দেশ। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠাণ গুলোতে নুসরাত হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিতে আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা। প্রতিটি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও আলোচনার বিষয় নুসরাত। এমন অবস্থায় নুসরাতকে নিয়ে নিজের ফেসবুক ওয়ালে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ১২ এপ্রিল সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক ওয়ালে তিনি এ স্ট্যাটাস দেন। স্ট্যাটাসে তিনি প্রত্যেককে নিজ নিজ জায়গা থেকে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে এগিয়ে আসার আহবান জানান। শিক্ষামন্ত্রীর স্ট্যাটাসটি একুশে টেলিভিশন অনলাইনের পাঠকদের জন্য হুবুহু তুলে ধরা হলো- ‘নুসরাত চলে গেল। যাবেই জানতাম সবাই। বাঁচার কোন আশাই ছিল না। সবাই শোকাভিভূত। আমাদের সবার শুধু নিজের কন্যাটি নয়, কন্যাসমা সকল নুসরাতের মত সদ্য কৈশোর পেরোনো মেয়েগুলোর কথা মনে হচ্ছে। কিংবা সব নারীর কথা, হোক সে শিশু, কিশোরী, তরুণী, মাঝবয়েসী বা তার চেয়েও বয়সে বড় কেউ। যারা মহানগরে, শহরে কিংবা গ্রামে থাকে। বিত্তবান কি বিত্তহীন, সে যে কোন পরিবারেরই হোক। পোষাকে আধুনিক বা রক্ষণশীল কিংবা একেবারেই বোরখায় আবৃতা। মানুষরূপী অমানুষগুলো ঘরে, বাইরে যেখানে যখন যেভাবেই সুযোগ পাক নারীকে দেখে শুধুই দেহ এবং কতগুলো অঙ্গ প্রত্যঙ্গ হিসেবে, শুধুই লালসা পূরণের বস্তু হিসেবে। আমরা এত এগিয়ে যাচ্ছি এত দিকে। নারীর ক্ষমতায়নেও এগিয়েছি বহুদূর। কিন্তু নারীকে মানুষ ভেবে, তার মানুষ হিসেবে অধিকারের কথা ভেবে, তার মানবিক মর্যাদার কথা ভেবে কবে আমরা তাকে ঘরে, বাইরে, চলার পথে, কাজের জায়গায়, সর্বত্র নিরাপত্তা দিতে পারবো জানিনা। যাদের আমরা উন্নত দেশ বলি সেখানেও নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনা ঘটে অহরহই। সর্বত্রই তাই নারীর জন্য নিরাপদ বিশ্ব গড়বার চেষ্টা চলছে। চলছে আমাদের দেশেও। অনেক সহিংসতার খবরই আমরা পাই। কিন্তু নুসরাতের প্রতি ঘটে যাওয়া অপরাধ সবাইকে প্রচন্ড ধাক্কা দিয়েছে। সবাই আরও লজ্জিত, ক্ষুব্ধ হয়েছে, কারন অপরাধী হিসেবে যাকে নুসরাত অভিযুক্ত করেছে, তার পক্ষে প্রতিবাদী মিছিল হয়েছে এবং অভিযুক্তের তারা নিঃশর্ত মুক্তি দাবী করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা নুসরাতের হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা নেবার নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নুসরাতের গায়ে আগুন দেবার অপরাধে এ পর্যন্ত দু`জনকে আটক করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আশা করি অপরাধের যথোপযুক্ত বিচার হবে, অপরাধীদের শাস্তি হবে। আজ নুসরাত সকল কিছুর উর্ধে চলে গেছে। কোন বিচার, কোন শাস্তিই আার তাকে ফিরিয়ে আনবেনা। কিন্তু নুসরাতের এ মর্মান্তিক মৃত্যু ব্যাক্তি, সমাজ, রাষ্ট্রকে যে প্রশ্নের সামনে আজ দাঁড় করিয়ে দিয়েছে তার উত্তর আমাদেরই দিতে হবে। আমাদেরই পরিবারে, সমাজে, কর্মক্ষেত্রে, চলার পথে, সর্বত্র নারীর নিরাপত্তা, তার অধিকার, তার মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে একযোগে কাজ করতে হবে। সকল স্তরে এ সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। যে কোন ব্যাত্যয়কে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে যেন কেউ এমন অপরাধ করবার সাহস না পায়। শিক্ষার প্রতিটি স্তরে এ বিষয়গুলো এমনভাবে শেখাতে হবে যাতে এ মূল্যবোধগুলো প্রতিটি শিক্ষার্থীর মনে গভীরভাবে প্রোথিত হয়। নারীর জীবনকে যে নিরাপদ ও মানবিক মর্যাদাপূর্ণ করতে আজ আমাদের করতে হবে আইনের কঠোর প্রয়োগ, আগামী প্রজন্মের জন্য তা যেন হয় সমাজের স্বাভাবিক রীতির অংশ। প্রত্যেকে যার যার অবস্থান থেকে আসুন নারীর প্রতি যে কোন সহিংসতা প্রতিরোধ করি। ঘরে, বাইরে, পথে, যানবাহনে, কর্মক্ষেত্রে, সর্বত্র। নুসরাতের জন্য অশেষ ভালোবাসা।’ আআ/এসএ/

ফেইসবুকের কারণে সবচেয়ে বেশি বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটছে : হানিফ

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল-আলম হানিফ বলেছেন, বাংলাদেশে এখন ফেইসবুকের কারণে সবচেয়ে বেশি বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর আজিমপুর কমিউনিটি স্টোরে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের উদ্যোগে মাদকমুক্ত সমাজ ও নিরাপদ সড়ক নিয়ে আয়োজিত অভিভাবক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। ছেলে-মেয়েদের হাতে স্মার্টফোন তুলে দেওয়ার আগে এর নেতিবাচক দিকগুলো ভেবে দেখার পরামর্শ দেন মাহাবুব-উল-আলম হানিফ। এদিকে, জানা গেছে- সোশাল মিডিয়া বা ইন্টারনেটে আসক্তি ধরে যেতে পারে কি না, এ নিয়ে এখন আর কোনো দ্বিমত নেই। নটিংহ্যাম ট্রেন্ট ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় এ নিয়ে বিস্তারিত বলা হয়। বলা হয়, ফেসবুক যে আসক্তি তা বোঝার জন্যে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের আচরণের দিকে তাকানোই যথেষ্ট। জীবনের ব্যাপারে আগ্রহ না থাকা, জেদ, পলায়নী মনোবৃত্তি, মুড নির্ভরতা, গোপন প্রবণতা- ইত্যাদি যেসব বৈশিষ্ট্য একজন আসক্ত মানুষের থাকে, ফেসবুকের অতি ব্যবহারকারীদের মধ্যেও তা দেখা গেছে। এমনকি মাদকাসক্তির চিকিৎসা করানোর সময় রোগীদের মধ্যে যেসব উপসর্গ দেখা যায়, ফেসবুক বন্ধ করে দিলেও একই উপসর্গ দেখা গেছে। মাদক না পেলে একজন আসক্ত যেমন অস্থির হয়ে পড়ে, অশান্ত হয়ে ওঠে, ফেসবুক ব্যবহার করতে না পারলেও তাদের মধ্যে এমনি অস্থিরতা, অশান্তি দেখা দেয়। একজন মাদকাসক্ত যেমন ধাপে ধাপে আসক্তির চরমে পৌঁছায় ফেসবুক আসক্তিও সেভাবে সৃষ্টি হয়। যেমন, প্রথম ধাপ- এসময় মাদক তার মধ্যে ভালো লাগার একটা সাময়িক অনুভূতি সৃষ্টি করে। ফেসবুকও তা-ই। একাউন্ট খোলার প্রথম কয়েকদিন ফেসবুকে যা দেখেছে, তা-ই ভালো লেগেছে, এমনটাই বলেছেন প্রায় অধিকাংশ ব্যবহারকারী। দ্বিতীয় ধাপ- এ ধাপটা আসক্ত হওয়ার। মাদকের সাথে যেমন একজন মাদকাসক্ত তার আবেগ, আচরণ এবং ভাবনা দিয়ে জড়িয়ে যায়, ফেসবুক আসক্তির এ পর্যায়েও ব্যবহারকারীরা এর সঙ্গে সম্পৃক্ত হন মানসিক ও আবেগিকভাবে। তৃতীয় ধাপ-বাড়তে থাকে মাদকের ব্যবহার। বাড়তে থাকে ফেসবুকে সময় কাটানোর পরিমাণ। চতুর্থ ধাপ-মাদক নিতে না পারলে যেমন একজন মাদকাসক্তের শারীরিকি-মানসিক সমস্যা হতে থাকে, ফেসবুকে ঢুকতে না পারলেও এ ব্যবহারকারীদের তা হয়। পঞ্চম ধাপ-একদিকে মাদক নিতে না পারা, অন্যদিকে নিজস্ব সমস্যার কারণে এসময় পরিবার ও আশপাশের মানুষের সঙ্গে সমস্যা দেখা দেয়। ফেসবুক আসক্তদের ক্ষেত্রেও তাই ঘটে। একদিকে ফেসবুকে বুঁদ হয়ে থাকার কারণে দীর্ঘসময় ধরে পরিবারে বা পেশায় যে সে মনোযোগ দিতে পারেনি, তার প্রভাব, অন্যদিকে তার নিজেরও আবেগগত নানা সমস্যা। ষষ্ঠ ধাপ- আর এ থেকে মুক্তি পেতে মাদকাসক্ত আবারো ফিরে যায় মাদকের কাছে। যেমন ফিরে যায় ফেসবুক ব্যবহারকারী। এসএইচ/

খালেদার মুক্তি চাইলে আইনি প্রক্রিয়া জোরদার করতে হবে : হানিফ

আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ এমপি বলেছেন, বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চাইলে তাদেরকে আইনি প্রক্রিয়া জোরদার করতে হবে। তিনি আজ বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন,বাংলাদেশ (আইইবি)’র কাউন্সিল হলে আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত ‘ভবনের কর্মদক্ষতা ভিত্তিক অগ্নি সুরক্ষা : বর্তমান প্রেক্ষিত’ শীর্ষক সেমিনারের প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, ‘আন্দোলন করে খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে না। তাকে মুক্ত করতে হলে আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই মুক্ত করতে হবে।’তিনি বলেন, ‘আপনাদের ( বিএনপি) অনেক বিজ্ঞ ব্যারিস্টার আছেন। যারা অন্যের সম্পত্তি দখল করে জাল দলিল করে নিজেদের নামে রেখেছেন। এরকম ব্যারিস্টার আপনাদের অনেক আছে। তাদের নিয়ে আপনারা আইনি প্রক্রিয়ায় চেষ্টা করেন।’ হানিফ বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে, আন্দোলনের হুমকি দিয়ে লাভ নেই। আপনাদের আন্দোলন দেশবাসী দেখেছে। এতিমের টাকা আত্মসাৎকারীদের পক্ষে দেশবাসী আন্দোলনে সাড়া দেবে না। খালেদার প্যারোলে মুক্তির কথা কোত্থেকে কিভাবে আসছে আমার জানা নাই, তবে খালেদা জিয়া প্যারোলের আবেদন করলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সেটি বিবেচনা করবে। আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, বিএনপির অভিযোগ, বেগম জিয়াকে কারাগারে কোনো সুযোগ সুবিধা দেয়া হয় না। তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয় না। আমরা বহু আগেও বলেছি বাংলাদেশের যে কোনো দন্ডপ্রাপ্ত কয়েদীর সুচিকিৎসার দায়ভার কারা কর্তৃপক্ষের।তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া যেহেতু সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, মানবিক দৃষ্টিতে সরকার তার সর্বোচ্চ সুচিকিৎসার নির্দেশনা দিয়েছে। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা তাদের (বিএনপি) পছন্দ হয় না। তাদের পছন্দ বেসরকারি মেডিক্যালের চিকিৎসা। এটার মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়ে গেছে বিএনপি খালেদার রোগমুক্তি চায় না। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নামে বিএনপি রাজনীতি করছে। তাদের রাজনীতির আর কোনো ইস্যু নেই। তারা অভিযোগ করেন খালেদা জিয়াকে কারাগারে কোনো সুবিধা দেয়া হয় না। আমি দ্যর্থহীন কন্ঠে বলতে চাই, খালেদা জিয়াকে কারাগারে আইন বহির্ভুত সুবিধা দেয়া হচ্ছে।বিএনপিকে দোষারোপের রাজনীতি থেকে বের হয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘নির্লজ্জ মিথ্যাচার করা আপনাদের কাজ। আপনাদের রাজনীতি ব্যক্তি ও পরিবারের স্বার্থের জন্য। আপনাদের জনগণের জন্য রাজনীতি করা উচিত। মির্জা ফখরুলের উদ্দেশ্যে হানিফ বলেন, এফ আর টাওয়ারের আগুন লাগার পর তিনি বলেছেন এটা সরকারের ব্যর্থতা। বিএনপি সরকারের ব্যর্থতা খুজে বেড়ায়। এরা সরকারের সফলতা খুঁজে পায় না।আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হোসেন মনসুরের সভাপতিত্বে ও উপ-কমিটির সদস্য সচিব প্রকৌশলী আবদুস সবুরের সঞ্চালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর এবং মূল বক্তব্যে ওপর আলোচনা করেন রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান নূরুল হুদা। এসএইচ/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি