ঢাকা, ২০১৯-০৫-২১ ১:১৮:০৯, মঙ্গলবার

রাগ-ক্ষোভ-অভিমানের ৪ ক্ষতিকর দিক

রাগ-ক্ষোভ-অভিমানের ৪ ক্ষতিকর দিক

রাগ আর অভিমান ভিন্ন দুটি মানসিক অনুভুতি। রাগের সাথে হিংসাত্মক মনোভাব জড়িত থাকে। রাগ হলে একজন মানুষ অনেক কিছু করতে পারে। রাগ দুই ধরনের হয়; প্রকাশিত রাগ এবং অপ্রকাশিত রাগ। যারা রাগ সহজেই প্রকাশ করে তারা সাধারণত ভাল মানুষ হয়ে থাকে, আবার কিছু মানুষ আছে যারা রাগ প্রকাশ করে না কিন্তু গোপনে অনেক বড় ক্ষতি হয়।  ১. পরিবারে অশান্তি :  রাগের কুফলের সবচেয়ে নির্মম বলি হয় আমাদের পরিবারের সদস্যরা। আমরা অনেকেই পরিবারের সদস্যদের ওপর রাগ করি, সন্তানের ওপর রাগ করি, সেন্টিমেন্টে আঘাত দিয়ে কথা বলি। মনে রাখতে হবে, একটি সম্পর্ক গড়তে সময় লাগে, কিন্তু ভাঙতে সময় লাগে না। রাগের মাথায় এমন কথা বলে ফেলি যে, ২০ বছরের সম্পর্ক এককথায় নষ্ট হয়ে যায়। ক্ষোভ পারিবারিক সম্পর্কে ফাটল ধরে। মনে রাখতে হবে, যে সম্পর্ক ছিন্ন করা যায় না, তাতে কখনো দেয়াল তুলবেন না। ২. মানসিক প্রশান্তি নষ্ট : জন্মগতভাবে প্রতিটি মানুষ স্ফটিক স্বচ্ছ হৃদয় নিয়ে জন্মগ্রহণ করেন। ধীরে ধীরে পারিপার্শ্বিক নেতিবাচকতায় প্রভাবিত হয়ে আপনি যখন রেগে যাচ্ছেন তখন এই অন্তরে আঁচড় পড়ে। অন্তরে যত আঁচড়ের পরিমাণ বাড়তে থাকে আপনার প্রশান্তি তত কমতে থাকে। নিজেই ভেবে দেখুন, আপনার যখন রাগ, ক্ষোভ বা অভিমান থাকে তখন ভেতরে প্রশান্তি অনুভব করেন কিনা? আসলে কাউকে কষ্ট দিয়ে, দুর্ব্যবহার করে কখনো প্রশান্তি পাওয়া যায় না।   ৩. রাগ যত বেশি রোগ তত বেশি : আমাদের এই শরীর এক মহাবিস্ময়কর জৈব কারখানা। এই কারখানায় যত রাসায়নিক বিক্রিয়া বা রি-একশন হয় পৃথিবীর তাবৎ কারখানা সবমিলিয়ে একত্রে এত রি-একশন হয় না। আবার যখন আমরা রেগে যাই, তখন আমাদের শরীরের এড্রিনাল গ্লান্ডস (adrenal glands) কর্টিসোল (cortisol) এবং এড্রেনালিন (adrenaline) নামক স্ট্রেস হরমোন নিঃসরণ করে থাকে।  এগুলো আসলে আমাদের শরীরে উৎপন্ন এক প্রকার বিষ বা টক্সিন। আমরা যখন রেগে যাই, আমাদের দেহে কিছু জৈব রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে। যেমন, হার্টরেট, ব্লাডপ্রেসার এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের হার বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, দীর্ঘসময় ধরে যদি এই রেসপন্স চলতে থাকে তাহলে অনেক ধরনের ক্রনিক রোগ হতে পারে। যেমন, ইনসমনিয়া, হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা, আলসার, মৃগীরোগ, কোষ্ঠকাঠিন্য, মাইগ্রেন, ব্যাকপেইন, ফুসফুসের অসুখ এমনকি ক্যান্সার। এমনকি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং আয়ুষ্কালের ওপরও রাগের প্রভাব আছে। গবেষণায় আরো দেখা গেছে, রাগ যাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলোর একটি, তাদের হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় দ্বিগুণ। রাগ এবং স্ট্রেস আমাদের স্বাস্থ্যকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। কেউ যদি সার্বক্ষণিক চিন্তিত ও রাগান্বিত থাকেন, তাহলে তিনি তার আয়ু কমিয়ে ফেলছেন। বদরাগী বা রগচটা মানুষ বলে পরিচিতদের মৃত্যুর হার পাঁচ গুণ বেশি। কোয়ান্টামে আমরা বলি, ক্ষোভ হচ্ছে এমন একটি বিষ যা আমি নিজে পান করছি কিন্তু প্রত্যাশা করছি প্রতিপক্ষ মারা যাবে। ৪. নেতিবাচকতা দুষ্টচক্রে জড়িয়ে যায় : রাগ-ক্ষোভ-অভিমানের কারণে একজন মানুষ অবচেতনে নেতিবাচকতার ফাঁদে পা দিয়ে ফেলে। রাগের কারণে কোনো ক্ষতি বা দুর্ঘটনার মুখোমুখি হলে সে অনুতাপ ও পাপবোধে ভোগে, যা তার ভেতরে অস্থিরতার সৃষ্টি করে। এ অস্থিরতার কারণে সে কাজে পরিপূর্ণ মনোযোগ দিতে পারে না। ফলে ব্যর্থতা তার পিছু ছাড়ে না। তাই হতাশা বা হীনম্মন্যতা থেকেই হোক সে আবার রাগের ঘটনায় জড়িয়ে পড়ে।   টিআর/
বিলাসবহুল এসপ্রেসো কফি মেশিন!

প্রযুক্তি উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের জীবন যাত্রার মান পরিবর্তন হয়েছে। এখন সকাল বেলা বিছানা ছাড়তে না ছাড়ছেই অনেক ব্যস্ত হয়ে পরি। এই ব্যস্ত সময়ে একটু স্বত্তি নিতে অনেকেই কফি খেতে ভালবাসা। অনেকেই আবার কফি খাওয়া বিলাসিতা মনে করেন। কফি তৈরি করাও একটা আর্ট বলা চলে, শখ হিসেবে উল্লেখ করলেও কিছু ভুল হবে না। আর কফি নিয়ে বিলাসিতা যাদের এ পর্যায়ে, তারা কফি মেশিনেও আভিজাত্যের পরশ বুলিয়ে নিতে চাইবেন নিশ্চয়ই!ভেলোস রয়্যাল ০১ হচ্ছে এমন একটি এসপ্রেসো মেশিন, যা চোখে দেখার পর ধাঁধা লেগে যাবে। সুপার ভেলোস হাউজ এর আগেও বেশ কয়েকটি স্বতন্ত্র ঘরানার কফি মেশিন বাজারে এনেছিল। তবে সম্প্রতি আসা এ কফি মেশিনের সঙ্গে তুলনা চলে না আগের কোনোটিরই। ভেলোস রয়্যাল ০১ তৈরি হয়েছে ১৮ ক্যারেট সাদা স্বর্ণ দিয়ে আভিজাত্য বাড়াতে ব্যবহার করা হয়েছে হীরার টুকরা, থার্মোসেট গোল্ডলিড কার্বন ফাইবার, স্টেইনলেস স্টিল, অ্যালুমিনিয়াম ও টাইটানিয়াম।জার্মানি থেকে পুরোপুরিভাবে তৈরি করে আনা ভেলোস রয়্যাল ০১ এসপ্রেসো কফি মেশিনের সঙ্গে রয়েছে সুদৃশ্য কমপ্লিমেন্টারি কাপসেটও।টিআর/

যৌন চাপে ভুগছেন না তো জেনে নিন?

কেরিয়ার গ্রাফ যত উর্ধ্বমুখী, ততই নিম্নগামী আপনার যৌনসুখ। জীবনের সবটুকু দিয়ে দারুণ কেরিয়ার পড়ছেন ঠিকই কিন্তু অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয় এড়িয়ে যাচ্ছেন, আপনার যৌন চাহিদা। যার ফলে যৌনতার অভ্যাস নেই এমন যুগলের সংখ্যা বাড়ছে দিন দিন। আপনিও সেই দলেই পড়ছেন না তো? জেনে নিন কী কী কারণে এই চাপ আসতে পারেঃ কাজের স্ট্রেস: বেশিরভাগ মানুষই কাজের জন্য নয় বরং প্রতিযোগিতামূলক কাজের পরিবেশের চাপ ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এই নিরাপত্তাহীনতাই কোথাও আপনার ও আপনার সঙ্গীর যৌন জীবনেও বাধা তৈরি করছে। আর্থিক স্ট্রেস: লোনের চাপ, ইএমআই, ক্রেডিট কার্ডের চাপ, রোজের বেড়ে চলা খরচের চিন্তাও আপনার যৌন জীবন ব্যহত করতে পারে। আরামের খোঁজে আরও বেশি উপার্জনের দিকে দেখতে গিয়ে নিজের যৌনসুখ থেকেই বঞ্চিত হয়ে পড়বেন রোজ। জীবনের স্ট্রেস: কর্মজীবন এবং আর্থিক জীবন ছাড়াও আপনার রোজের পারিবারিক জীবন যৌনতার উপর প্রভাব ফেলতে পারে। যদি দম্পতির মধ্যে অমীমাংসিত রাগ ও বিরক্তি থাকে, যদি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শিশুর স্বাস্থ্যের উদ্বেগের বিষয় থাকে তবে যৌন অনুভূতিগুলি গড়ে ওঠার স্থান কমে আসে। জৈবিক স্ট্রেস: দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা, স্থূলতা, ক্লান্তি, অনিদ্রা, অত্যধিক মদ্যপান এবং ধূমপান, ফিটনেসের অভাব ইত্যাদি অন্যান্য শারীরিক চাপগুলিও যৌন জীবনের উপর প্রতিকূল প্রভাব ফেলে। আধুনিক সময়ে যারা ফাস্ট ফুড, প্যাকেজ করা খাবার, এবং বাইরে খাওয়া দাওয়া আর মদ্যপানে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন তাঁরা একটু সতর্ক হোন। কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে, বা ধূমপানের ফলে নিকোটিন ধমনীর ভিতরে আস্তরণ তৈরি করলে লিঙ্গে রক্ত ​​প্রবাহ সীমাবদ্ধ হয়ে আসে। যা যৌন কর্মক্ষমতাকেও প্রভাবিত করে। ফ্যান্টাসি স্ট্রেস: বিভিন্ন পর্নোগ্রাফির ফ্যান্টাসিতেও সমস্যা আসতে পারে যৌন জীবনে। নিজের যৌনজীবন আর পর্দার যৌন জীবন আলাদা করতে শিখুন। ফ্যান্টাসি আপনার যৌন জীবনকে আরও অ্যাডভেঞ্চারাস করতে পারে, কিন্তু অতিরিক্ত কল্পনাপ্রবণ হয়ে চাপ বাড়িয়ে ফেলবেন না। ওয়াই ও এল ও এবং এফ ও এম ও স্ট্রেস: সোশ্যাল মিডিয়াও আপনার যৌনজীবনে চাপ তৈরি করতে পারে। অন্যদের ছবি, মন্তব্য বা বিশেষ মুহূর্তের ছবি আপনার জীবনে দ্বেষ হিংসা বা প্রতিযোগিতার মনোভাব আনতে পারে। ওয়াইওএলও বা `ইউ ওনলি লিভ ওয়ান্স` এবং এফওএমও বা `ফিয়ার অফ মিসিং আউট` এই দুটি চাপ আপনাকে মানসিক ভাবে বিদ্ধস্ত করতে পারে। শারীরিক নৈকট্য মন ভালো রাখারও একটা উপায়। মন ভালো রাখতে গিয়ে উপয়ায়টাই হারিয়ে ফেলবেন না। টিআর/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি