ঢাকা, ২০১৯-০৬-২৬ ৮:৫১:১২, বুধবার

Live Scroll from Stock Exchange
 DSE
Up: 156 Dn: 156 Unc: 41
Up: 156 Dn: 156
Last Update:
T.Trd:   mn
T.Trd: mn
Live Scroll from Stock Exchange
 CSE
Up: 106 Dn: 118 Unc: 45
Up: 106 Dn: 118
Last Update: 6/24/2019 2:36:41 PM
T.Trd: 791.76  mn
T.Trd: 791.76 mn
Last Update:
ব্র্যাক ব্যাংকের ‘এনগেজমেন্ট-এশিয়া’ অ্যাওয়ার্ড অর্জন

ব্র্যাক ব্যাংকের ‘এনগেজমেন্ট-এশিয়া’ অ্যাওয়ার্ড অর্জন

বাংলাদেশের শীর্ষ বাণিজ্যিক ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডকে উইমেন’স মার্কেট চ্যাম্পিয়ন এনগেজমেন্ট অ্যাওয়ার্ড ২০১৯ প্রদান করেছে নিউইয়র্ক ভিত্তিক ফিন্যান্সিয়াল অ্যালায়েন্স ফর উইমেন। পরপর তিন বছর ব্র্যাক ব্যাংক ফিন্যান্সিয়াল অ্যালায়েন্স ফর উইমেন অ্যাওয়ার্ড জিতেছে। গ্লোবাল অ্যালায়েন্সের সদস্য হিসেবে প্রথম বাংলাদেশী ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক উইমেন মার্কেট চ্যাম্পিয়ন হিসাবে এনগেজমেন্ট-এশিয়া ক্যাটাগরিতে অ্যাওয়ার্ড জিতেছে। এটি ব্যাংকের সমন্বিত নারী ব্যাংকিং সমাধান ‘তারা’র স্বীকৃতি হিসেবে এসেছে। যা নারীর উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করে। এই এনগেজমেন্ট অ্যাওয়ার্ডটি জিবিএ সদস্যদের দেওয়া হয়েছে যারা গ্রাহকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও নলেজ শেয়ারিং ইভেন্টে সবচেয়ে বেশি প্রোগ্রাম আয়োজন করেছে। গত ১৯ জুন  ফ্রান্সের প্যারিসে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সেলিম আর.এফ. হোসেন জিবিএ সামিটে এই অ্যাওয়ার্ডটি গ্রহণ করেন। ব্র্যাক ব্যাংকের উইমেন ব্যাংকিং সেগমেন্ট তারা’র সিনিয়র প্রোডাক্ট ম্যানেজার মেহরুবা রেজা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এনএম/কেআই
এমটিবি এবং গাল্ফ এক্সচেঞ্জ কোম্পানী,কাতার-এর মধ্যে চুক্তি

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড (এমটিবি) এবং গাল্ফ এক্সচেঞ্জ কোম্পানী, কাতার-এর মধ্যে এমটিবি’র প্রধান কার্যালয়ে এক কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির আওতায়, প্রবাসী বাংলাদেশীরা তাদের অর্থ গাল্ফ এক্সচেঞ্জ কোম্পানী, কাতার-এর মাধ্যমে এবং এমটিবি রেমিট্যান্স চ্যানেল ব্যবহার করে বাংলাদেশে প্রেরণ করতে পারবেন। গাল্ফ এক্সচেঞ্জ কোম্পানী, কাতার-এর জেনারেল ম্যানেজার, জাফর আলি আল-শারাফ এবং এমটিবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী, আনিস এ. খান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। এছাড়া এই অনুষ্ঠানে গাল্ফ এক্সচেঞ্জ কোম্পানী, কাতার-এর রাজু রামাচন্দ্রন, অপারেশন্স ম্যানেজার এবং এমটিবি’র মোহাম্মদ জাহিদুল আহসান, হেড অব এনআরবি, মো. শামসুল ইসলাম, হেড অব ট্রেজারি, মোঃ রবিউল আলম, হেড অব অলটারনেট ডেলিভারি চ্যানেল, এ. কে. এম. আহ্সান কবীর, গ্রুপ চীফ ইনফরমেশন সিকিউরিটি অফিসার, সুভাস চন্দ্র বিশ্বাস, হেড অব আইটি অপারেশন্স, মুহাম্মদ শামস্-উল-আরিফিন, হেড অব প্রসেস ইনোভেশন এ্যান্ড সফ্টওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এবং আজম খান, গ্রুপ চীফ কমিউনিকেশন্স অফিসার উপস্থিত ছিলেন। কেআই/

স্বর্ণকর মেলার দ্বিতীয় দিনে বেড়েছে করের পরিমাণ

রাজধানীর হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে দ্বিতীয় দিনের মত চলছে স্বর্ণকর মেলা। মেলার দ্বিতীয় দিনে গতকালের মত লোক সংখ্যা না থাকলেও বেড়েছে ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর করের পরিমাণ। মেলা ঘুরে দেখা যায়, লোক সংখ্যা কিছুটা কম। তবে আগামিকাল মেলার শেষ দিন লোক সংখ্যা বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। মেলায় কয়েকটি স্টল ঘুরে জানা গেছে, বিকেল ৩টা পর্যন্ত প্রায় ১০ কোটি টাকার রাজস্ব উঠেছে। এদিন যমুনা জুয়েলার্স, রহমান জুয়েলার্সের মত প্রতিষ্ঠান কয়েশ ভরি স্বর্ণ বৈধ করে। রহমান জুয়েলার্সের মালিক মুজিবর রহমান বলেন, আমার পাঁচশ ভরি স্বর্ণ। এর মধ্যে ১`শ ভরির হিসেব ছিলনা। তাই বাকি ১০০ ভরি বৈধ করলাম। জুয়েলারি সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি এম এ হান্নান আজাদ একুশে টিভি অনলাইনকে জানান, সরকারের এ উদ্যোগ আমাদের জন্য অত্যন্ত খুশির খবর। এতোদিন কোন নীতিমান না থাকায় স্বর্ণের পরিমাণ ও নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় থাকতাম আমরা। অনেক সময় আমাদের হয়রানির শিকার হতে হতো। এ বৈধতার ফলে সে শঙ্কা থেকে মুক্তি মিললো। এ জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানান তিনি। মেলার আহবায়ক ও জুয়েলারি সমিতির ভাইস প্রেসিডেন্ট এনামুল হক খান একুশে টিভি অনলাইনকে বলেন, বৃটিশ আমল থেকে এদেশে স্বর্ণের ব্যবসা চলে আসছে। কিন্তু কোন নীতিমালা না থাকার কারণে স্বর্ণ ব্যবসায়ী একটা ভীতির পাশাপাশি জবাবদিহির বাহিরে ছিলেন। এতে করে অসাধু ব্যবসায়ীরা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। তিনি বলেন, সরকারের এ যুগান্তকারী উদ্যোগের ফলে দেশের স্বর্ণ ব্যবসায় সুদিন ফিরবে, বাড়বে নিরাপত্তা। বলেন, যারা স্বর্ণ ব্যবসায়ী তারা কখনো চোরাচালানে যুক্ত হতে পারেনা।এ ব্যাপারে সরকার আবারো কঠোর হবেন বলে আশা প্রত্যাশা করেন তিনি। এনামুল হক বলেন, এমন উদ্যোগের পরও যেসকল স্বর্ণ ব্যবসায়ী তাদের অপ্রদর্শিত স্বর্ণ বৈধ করবেনা, তাদের স্বর্ণ অবৈধ বলে বিবেচিত হবে।এবং তারা ব্যবসা করতে পারবেননা। ব্যবসায়ীদের সময় বাড়ানোর আবেদন নাকোচ করে দিয়ে তিনি বলেন, ৩০ তারিখের মধ্যেই করতে হবে। এ মেলায় যারা করতে পারবেননা তারা ৩০ জুনের মধ্যে নিজ নিজ বিভাগীয় ও জেলা শহরে রাজস্বের অফিসে জমা দিতে পারবেন।ঢাকায় ৭০০ সমিমিতর জন্য এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। সারাদেশ থেকে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে ৪০০ কোটি টাকা রাজস্ব আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। আরকে//

৩৬০ কোটি ডলার এফডিআই এসেছে বাংলাদেশে: আঙ্কটাড

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা (আঙ্কটাড) প্রকাশিত বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন-২০১৯-এ বলা হয়েছে ২০১৮ সালে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণের দিক দিয়ে রেকর্ড পর্যায়ের অগ্রগতি করেছে বাংলাদেশ। বছরটিতে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের প্রবাহ ৬৮ শতাংশ বেড়ে ৩৬০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। বিদ্যুৎ ও পোশাক শিল্প খাতে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ আকর্ষণের মধ্য দিয়ে এ অগ্রগতি অর্জন সম্ভব হয়। ১২ জুন বুধবার বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের এ চিত্র তুলে ধরে সংস্থাটি। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৮ সালে স্বল্পোন্নত বা এলডিসি দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি এফডিআই এসেছে বাংলাদেশে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যেও সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি হয়েছে বাংলাদেশের। বহুজাতিক বেশ কয়েকটি কোম্পানির চুক্তি ও ঘোষণা থেকে চলতি বছরে আরও বেশি এফডিআই আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে বাংলাদেশের অগ্রগতির এ ধারা অব্যাহত থাকবে। প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে বাংলাদেশে ৩৬০ কোটি ডলারের নিট এফডিআই এসেছে। বাংলাদেশের স্থানীয় কোম্পানি ঢাকা টোব্যাকো কেনার মাধ্যমে গত বছর ১৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে জাপান টোব্যাকো। এই একক কোম্পানিতে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে গড়ে ওঠা অর্থনৈতিক অঞ্চল সামগ্রিকভাবে এফডিআইয়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। ‘বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’কে আঙ্কটাড এ বছরের প্রতিবেদনের প্রতিপাদ্য করেছে। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সময়ের অর্থনৈতিক অঞ্চলকেন্দ্রিক বিনিয়োগের ওপর আলাদা মূল্যায়ন করেছে আঙ্কটাড। সংশ্নিষ্টরা বলছেন, বিনিয়োগ আকৃষ্ট হয় এমন অনেক কাজ ইতিমধ্যে হয়েছে। গ্যাস-বিদ্যুৎসহ অবকাঠামোর উন্নয়ন হয়েছে। অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের মাধ্যমে শিল্প স্থাপনে জমির সংকট দূর হয়েছে। পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের লেনদেন সহজ করতে আইন-কানুন শিথিল করা হয়েছে। সহজে ব্যবসা করার সূচকের উন্নয়নের লক্ষ্যে ওয়ান স্টপ সার্ভিস আইনসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল ইসলাম বলেন, বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধির জন্য যেসব অনুষঙ্গ থাকা দরকার তা এখন দেশে আছে। অবকাঠামো উন্নয়নে অগ্রগতি হয়েছে। ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু হয়েছে। পাশাপাশি তরুণ জনশক্তিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিদেশি উদ্যোক্তারা। আর্থসামাজিক অর্জনের কারণে বিদেশিদের আস্থা বাড়ছে। ফলে এফডিআই বাড়ছে। তবে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও পুরনো আইনের কারণে এখনও কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। এগুলো সংশোধন ও সংস্কারের উদ্যোগ রয়েছে। বর্তমান অগ্রগতির ধারাবাহিকতা থাকলে ও প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হলে আগামীতে এফডিআই আরও বাড়বে। আঙ্কটাডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ায় ২০১৮ সালে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ হয়েছে ৫ হাজার ৪০০ কোটি ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ৪ শতাংশ বেশি। এই বিশাল বিনিয়োগের সিংহভাগ পেয়েছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত। দেশটিতে গত বছর বিদেশি বিনিয়োগ ৬ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ২০০ কোটিতে ঠেকেছে। বাংলাদেশের মোট বিনিয়োগ কম হলেও বিনিয়োগে প্রবৃদ্ধিতে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে। আঙ্কটাডের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর এলডিসিগুলোতে মোট এফডিআইয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩৮০ কোটি ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ১৫ শতাংশ বেশি। এলডিসিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি এফডিআই এসেছে বাংলাদেশে। মিয়ানমারও বাংলাদেশের সমপরিমাণ ৩৬০ কোটি ডলার এফডিআই পেয়েছে। তবে এই বিনিয়োগ মিয়ানমারের আগের বছরের বিনিয়োগের তুলনায় ১৮ শতাংশ কম। এছাড়া এফডিআই আকর্ষণে এলডিসির শীর্ষ পাঁচ দেশের মধ্যে রয়েছে ইথিওপিয়া, মোজাম্বিক ও কম্বোডিয়া। একক কোম্পানির বিনিয়োগ হিসেবেও বাংলাদেশ শীর্ষে রয়েছে। সম্পূর্ণ নতুন বিনিয়োগ বা গ্রিনফিল্ড ইনভেস্টমেন্ট আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ অন্যতম। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে তেল ও গ্যাস টার্মিনাল নির্মাণে যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল ইলেকট্রিক, জাপানের মিৎসুবিশি ও সামিট যৌথভাবে ৩০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করার ঘোষণা দিয়েছে। এছাড়া জেনারেল ইলেকট্রিক বাংলাদেশে ফসিল ফুয়েল ইলেকট্রিক পাওয়ার খাতে ৩০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। একই খাতে চীনের হুয়াদিয়ান করপোরেশন প্রায় ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের আগ্রহ দেখিয়েছে। এছাড়া জেনারেল ইলেকট্রিক গত বছর বিদ্যুৎ উৎপাদনে ৪৪০ কোটি ডলার বিনিয়োগের অন্য এক চুক্তি করেছে। আঙ্কটাড জানিয়েছে, বিশ্বে ২০১৮ সালে এফডিআই ১৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলার, যা বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার পর বা গত এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। তবে চলতি বছর এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে এফডিআই আরও বাড়বে বলে আশা করছে আঙ্কটাড। সংস্থাটি মনে করে, এই দুই মহাদেশে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও প্রাকৃতিক সম্পদ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করছে। বাংলাদেশে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে গড়ে ওঠা অর্থনৈতিক অঞ্চল এফডিআই আকর্ষণ করছে। বিডা আশা করছে, চলতি বছর শেষে দেশে ৩৭০ কোটি ডলার এফডিআই আসবে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি গতিশীল করতে সরকার বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা বেজা গঠন করেছে। ৩০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ২৪টি নির্মাণাধীন। ৪টি অর্থনৈতিক অঞ্চল আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়া আরও ৬০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। আগে থেকেই সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮টি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১টি রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল রয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগের ৭২ শতাংশ হয়েছে এসব রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে। আর দেশের মোট রফতানি পণ্যের ২০ ভাগ উৎপাদন হচ্ছে এসব অঞ্চলের কারখানা থেকে। বিশ্বব্যাংকের ইজি অব ডুয়িং বিজনেস-২০১৯ বা সহজে ব্যবসা করার সূচক-২০১৯ এ ১৯০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ১৭৬তম। এ সূচকটি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে গণ্য করা হয়। সরকার ২০২১ সালের মধ্যে এ সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান দুই অঙ্কে বা কমপক্ষে ৯৯তম অবস্থানে নিয়ে আসার লক্ষ্য ঠিক করেছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার জন্য কর্মপরিকল্পনা ঠিক করেছে বিডা। সে অনুযায়ী আইন, বিধি ও প্রক্রিয়ায় সংস্কার চলছে। আরকে//

ড. তৌফিক এম সেরাজ এর মৃত্যুতে রিহ্যাবের শোক

রিয়েল এস্টেট এ্যান্ড হাউজিং এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) এর সাবেক সভাপতি ড. তৌফিক এম সেরাজ এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট আলমগীর শামসুল আলামিন (কাজল) এবং রিহ্যাব এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নুরুন্নবী চৌধুরী (শাওন) এমপি। রিহ্যাব পরিচালনা পর্ষদের পক্ষে তারা মরহুম ড. তৌফিক এম সেরাজ এর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান ও তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। উল্লেখ্য,আবাসন প্রতিষ্ঠান শেলটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. তৌফিক এম সেরাজ (২৩.২.২০০০ থেকে ৯.৪.২০০৬) সাল পর্যন্ত  তিন মেয়াদে রিহ্যাব এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। কর্মজীবনের প্রথম তিনি বুয়েটের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। ২৪ জুন গুলশান আজাদ মসজিদে বাদ আসর তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। ২১ জুন স্পেন এ যাবার পথে কাতারের দোহা বিমান বন্দরে পৌঁছার আগেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি, সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে এবং মা সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। “ রিহ্যাব এর এই ক্রম বিকাশে এই নেতার ভূমিকা রিহ্যাব কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করে” কেআই/  

প্রাইম ব্যাংকের নতুন সেবা ‘প্রাইম মোটরসাইকেল ফাইন্যান্সিং’

প্রাইম ব্যাংক সম্প্রতি ‘প্রাইম মোটরসাইকেল ফাইন্যান্সিং’ নামে নতুন একটি সেবা চালু করেছে, যার মাধ্যমে নতুন মোটরসাইকেল ক্রয় করা যাবে। প্রাইম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী রাহেল আহমেদ, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চীফ বিজনেস অফিসার ফায়সাল রহমান, কনজিউমার ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান এএনএম মাহফুজ প্রধান কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সেবাটির উদ্বোধন করেন। এসময় ব্যাংকের অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ: ১.অনুর্ধ্ব ৫ লাখ পর্যন্ত ঋণ ও ১২/২৪/ ৩৬ মাসের ইএমআই সুবিধা। ২.লাইফ ইন্সুরেন্স কভারেজ । ৩.বয়স সীমা ২১-৬৫ বছর। ৪.আকর্ষনীয় সুদের হার ও প্রসেসিং ফি প্রভৃতি। কেআই/  

ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় সচেতনতা তৈরিতে ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মশালা

প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঝুঁকি কমানোর উদ্যোগ হিসেবে কর্মীদের জন্য ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালা আয়োজন করেছে দেশের শীর্ষ বাণিজ্যিক ব্যাংক ব্র্যাক ব্যাংক। এটি ছিল একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশন, যেখানে ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিভিন্ন শাখা থেকে আসা কর্মীরা ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছিল। ময়মনসিংহ ক্লাস্টারের ব্র্যাঞ্চ ও ক্লাস্টার ম্যানেজার মো. মোশাহিদুজ্জামান, খুলনা ও ঢাকা আউটার রিজিওন ব্র্যাঞ্চের ব্র্যাঞ্চ অপারেশন ম্যানেজার এস.এম নিয়ামুল, খুলনা ও ঢাকা আউটার রিজিওনের ব্র্যাঞ্চ ম্যানেজার মোশারফ হোসেন যথাক্রমে ‘মোস্ট অ্যাকটিভ পার্টিসিপেন্ট’, ‘মোস্ট এন্টারটেইনিং পার্টিসিপেন্ট’ ও ‘বেস্ট পারফর্মার ইন এক্সাম’ হিসাবে পুরস্কৃত হন।  ১৫ জুন ময়মনসিংহে ব্র্যাংক ব্যাংকের অপারেশনাল রিস্ক ম্যানেজমেন্ট খালেদ বিন কামাল এই কর্মশালাটি পরিচালনা করেন। ব্র্যাক ব্যাংক বিশ্বাস করে যে, এই কর্মশালা তার কর্মীদের মধ্যে ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা সংস্কৃতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনবে। একটি ভ্যালু বেজড প্রতিষ্ঠান হিসেবে, ব্র্যাক ব্যাংক কর্মীদের জ্ঞান ও দক্ষতা উন্নত করার জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামের আয়োজন করে এবং এ খাতে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করে। কেআই/

আকিজ গ্রুপের সঙ্গে এমপ্লয়ি ব্যাংকিং চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ব্র্যাক

আকিজ গ্রুপের তিনটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আকিজ সিকিউরিটিজ লিমিটেড, আকিজ অটোমোটিভ লিমিটেড ও আকিজ সিএনজি স্টেশন লিমিটেডের জন্য একটি এমপ্লয়ি ব্যাংকিং চুক্তি স্বাক্ষর করে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড। এই চুক্তির আওতায়, আকিজ গ্রুপের এই অঙ্গ প্রতিষ্ঠানগুলোর বেতন প্রদান, সকল রিটেইল লোন সুবিধা, যেমন: ক্রেডিট কার্ড, হোম লোন, অটো লোন ও ব্যক্তিগত ঋণ প্রদান করবে ব্র্যাক ব্যাংক। ১৬ জুন ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আকিজ সিকিউরিটিজ লিমিটেড এর চিপ অপারেটিং অফিসার এ জেড কামরুজ্জামান, ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের কর্পোরেট ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান তারেক রিফাত উল্লাহ খানের সাথে চুক্তিপত্র বিনিময় করেন। ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের রিজিওনাল হেড শেখ মোহম্মদ আশফাক, এমপ্লয়ি ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান খন্দকার এমদাদুল হক, ঢাকা ইস্ট রিজিওনের রিজিওনাল প্রধান এ. কে. এম. তারেক, মতিঝিল ব্র্যাঞ্চের  ম্যানেজার এরিয়া হেড আরিফুজ্জামান, ডিজিটাল ব্যাংকিং ও ই-কমার্স বিভাগের প্রধান সিরাজ সিদ্দিকীসহ দুই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। কেআই/    

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি