ঢাকা, ২০১৯-০৪-২৬ ৮:০০:১৭, শুক্রবার

রাজবাড়িতে বাড়ছে পেয়াজ বীজের আবাদ (ভিডিও)

রাজবাড়িতে বাড়ছে পেয়াজ বীজের আবাদ (ভিডিও)

পেঁয়াজের বীজের আবাদ করে লাভবান হচ্ছেন রাজবাড়ীর কৃষকরা। দর ভালো আর চাহিদা বেশি থাকায় এ জেলায় পেঁয়াজ বীজকে বলা হয় কালো সোনা। প্রতিকূল আবহাওয়া আর ফলন ভালো হওয়ায় দিনদিন এ চাষে আগ্রহও বাড়ছে তাদের। থোকা থোকা সাদা পেঁয়াজ ফুল থেকে আহরিত হবে কালো বীজ। সেই বীজ বুনেই ক্ষেত জুড়ে হবে পেঁয়াজের আবাদ। এসব পেঁয়াজ বীজের চাহিদা আর দাম ভালো হওয়ায় রাজবাড়ীর ৫ উপজেলার মাঠ জুড়ে হচ্ছে এর চাষ। দেশে মোট চাহিদার ১৪ ভাগ পেঁয়াজ উৎপাদন হয় রাজবাড়ীতে। এবারো ফলন ভালো ও বেশি দাম পাওয়ায় খুশী কৃষক। কৃষি কর্মকর্তা জানান, বীজ চাষে কৃষকের বিনিয়োগের ৪ ভাগের তিন ভাগই থাকে লাভ। কালবৈশাখী ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে কৃষকদের সর্তক থাকার পরামর্শ তাদের। জেলার মোট পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন বেশী হয় কালুখালী ও সদরে। এবারো পাকা বীজ ঘরে উঠিয়ে লাভের প্রত্যাশা তাদের। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে :    এসএ/  
খরা প্রবণ এলাকায় চাষযোগ্য বারি গম-৩০ (ভিডিও)

খরা প্রবণ এলাকায় চাষযোগ্য, ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী ও প্রোট্রিন সমৃদ্ধ বারি গম-৩০ চাষে আগ্রহ বাড়ছে রাজশাহী অঞ্চলের কৃষকদের। নতুন জাতের উচ্চ ফলনশীল এই গমের উৎপাদন খরচ কম, ফলনও বেশি। কৃষকদের মাঝে এই গম জনপ্রিয় করে তুলতে মাঠ দিবসসহ বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে রাজশাহী আঞ্চলিক গম গবেষণা কেন্দ্র। নতুন এই জাতের গমের নাম বারি গম-৩০। এই গমের প্রতি শীষে দানার সংখ্যা থাকে গড়ে ৫০টি করে। উচ্চ ফলনশীল প্রট্রিন সমৃদ্ধ এই গমের জাত নিজে থেকেই ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধ করতে পারে। আর উচ্চতায় খাটো হবার কারণে রক্ষা পায় ঝড় বৃষ্টির হাত থেকে। তাই বিঘা প্রতি এর ফলনও বেশি, তাই এতে লাভের আশা করছেন কৃষকরা। খরা প্রবণ উত্তরাঞ্চচলের কৃষকদের গম চাষে আগ্রহী করতে তাপ-খরা সহিষ্ণু জাতের গম উদ্ভাবন করেন রাজশাহী আঞ্চলির গম গবেষনা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা। নিয়ম মেনে যথা সময়ে এই জাতের গম চাষ করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। বারি গম-৩০ জাতের এই গম ২০১৪ সালে অবমুক্ত হয়। বপনের ৬০-৬৫ দিনেই এর শীষ আসে, ১০০ থেকে ১০৫ দিনের মধ্যেই ফসল ঘরে তোলার উপযুক্ত হয়।  

চুয়াডাঙ্গায় বারোমাসি আম চাষে সাফল্য (ভিডিও)

চুয়াডাঙ্গায় থাই বারোমাসি আম চাষে সাফল্য পেয়েছেন জীবননগর উপজেলার কয়েক যুবক। অসময়ে আম বাজারজাত হওয়ায় দামও অনেক বেশি পাওয়া যায়। চুয়াডাঙ্গা জেলার এ আমের সাফল্যের ফলে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে থাই জাতের আমের চাষ। এই অসময়ে চুয়াডাঙ্গার কয়েকটি আমবাগানে থোকায় থোকায় ঝুঁলছে আম। এ আম পাকতে পাকতেই গাছে দেখা যাবে আমের নতুন গুটি। চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার কয়েকটি স্থানে থাই বারোমাসি জাতের আম বাগানে দেখা যাচ্ছে এ দৃশ্য। ২০১০সালের দিকে জীবননগরের আবুল কাশেম থাই বারোমাসি আমগাছ রোপন করেন। একসময় গাছগুলোতে আম আসতে শুরু করে। আম সুস্বাদু হওয়ায় ভোক্তাদের আগ্রহ ও চাহিদা বাড়ায় দামও বাড়তে থাকে। অসময়ে ৫০০ টাকা কেজিতেও বিক্রি হয় এ আম। চাষীরা জানান, বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা জেলায় প্রায় ৮০ বিঘা জমিতে থাই বারোমাসি আমের চাষ হচ্ছে। একটি গাছ থেকে বছরে তিনবার আম সংগ্রহ করা যায়। এ আম পাকলেও প্রাকৃতিক উপায়েই দীর্ঘসময় সংরক্ষণ করা যায়। এক বিঘা জমিতে আমের চাষ করতে প্রাথমিক পর্যায়ে ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়। যা থেকে বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব বলে জানায় চাষীরা।    

মেহেরপুরে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে থাই পেয়ারার চাষ (ভিডিও)

মেহেরপুরে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষ হচ্ছে থাই পেয়ারা। স্বাদে ও পুষ্টিতে ভরপুর হওয়ায় চাহিদা যেমন বাড়ছে, তেমনি লাভ বেশি পাওয়ায় থাই পেয়ারা উৎপাদনের দিকে ঝুঁকছেন চাষীরা। মেহেরপুর জেলায় বানিজ্যিক ভিত্তিতে বাড়ছে থাই পেয়ারার উৎপাদন। আবহাওয়া অনুক’লে থাকায় বাগানগুলোতে ফলনও হচ্ছে ভালো। ধান ও গমে কাংখিত লাভ না পেয়ে উচ্চ মূল্যের এই পেয়ারা উৎপাদন করছেন কৃষকরা। চারা ক্রয়, রোপন, সার ও পরিচর্যা বাবদ বিঘা প্রতি ১ লাখ টাকা খরচে লাভ হয় ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা। তবে প্রথমবার পেয়ারা বাগান তৈরির খরচ বেশি হলেও পরের বছর থেকে বিঘা প্রতি খরচ হয় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। আর বিঘাপ্রতি আয় লক্ষাধিক টাকা। থাই পেয়ারা চাষে প্রযুক্তি ও পরামর্শ দিয়ে কৃষকদের সহায়তা করছে কৃষি বিভাগ। বছরে এক বিঘা জমিতে উৎপাদন হচ্ছে ১শ থেকে প্রায় দেড় শ’ মন থাই পেয়ারা। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে : এসএ/  

সুবর্ণচরে তরমুজে রোগ (ভিডিও)

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহের বৃষ্টি ও পরবর্তী খরায় ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ছত্রাকজনিত রোগে মারা যাচ্ছে তরমুজ গাছ। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গ্রীষ্মকালীন সবজির ক্ষেতও। এমন বিপর্যয়ে সর্বশান্ত হওয়ার শঙ্কা কৃষকদের মাঝে। চলতি বছরের মার্চে টানা তিনদিনের বৃষ্টিতে সুবর্নচরের অধিকাংশ জমিতে পানি জমে যাওয়ায় তরমুজ গাছ হলুদবর্ণ ধারণ করে শুকিয়ে মরে যাচ্ছে। কিছু কিছু স্থানে ফলন হলেও পরিমাণে কম ও আকারে অনেক ছোট হয়েছে। শুধু তরমুজ নয়। চিচিঙ্গা, ঢেড়স ও করলাসহ অন্যান্য সবজিও ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। সমস্যা নিরসনে বিভিন্ন কোম্পানীর বালাইনাশক ব্যবহার করেও প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। শঙ্কিত না হয়ে ভবিষ্যতে সর্বোত্তম বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অবলম্বন, আবহাওয়া ও লবণাক্ত সহনীয় বীজ ব্যবহার এবং ওষুধের নিরাপদ ব্যবহারের পরামর্শ কৃষিবিদদের।                                              কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসেব মতে এ বছর জেলায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে শুধু সুবর্ণচরেই তরমুজ হয়েছে ৯ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে। বিস্তারিত ভিডিওতে দেখুন : এসএ/  

কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ-সার দেবে সরকার

টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার দেবে সরকার বলে জানিয়েছেন, কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক। আজ বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মলেন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান কৃষিমন্ত্রী। কৃষিমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছরের মতো এবারো খরিপ ১/২০১৯-২০ মৌসুমে উফশী আউশ আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কৃষিমন্ত্রী বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা ও উন্নত পুষ্টিমান অর্জন এবং কৃষির প্রসারে বিভিন্ন ফসলের উদ্ভাবন, উফশী জাত ব্যবহার, উন্নত কৃষি প্রযুক্তি প্রবর্তন করেছে। আউশ ফসল আবাদে কৃষকদের উৎসাহিত করতে আবাদের এলাকা বৃদ্ধি ও পতিত জমি আবাদের আওতায় আনা, কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে অভ্যস্ত করে তোলা এবং একই সঙ্গে উচ্চফলনশীল জাতের আউশ ধান আবাদ বাড়িয়ে কৃষকের আয় বৃদ্ধি করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, খরিপ মৌসুমে কৃষক প্রতি সর্বোচ্চ এক বিঘা জমির জন্য বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার প্রদানের প্রণোদনা কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। এ প্রণোদনা কার্যক্রমের আওতায় দেশের ৬৪ জেলায় ৪ লাখ ৫৮ হাজর ২২৬ জন কৃষককে উফশী আউশ বীজ ও সার বিতরণ করা হবে। এ বাবদ ব্যয় হবে মোট ৪০ কোটি ১৮ লাখ ২০ হাজার ৭৫০ টাকা। একজন কৃষক এক বিঘা জমির জন্য ৫ কেজি ধানের বীজ (প্রতিকেজি ৫৮ টাকা হিসেবে ২৯০ টাকা), ১৫ কেজি ডিএপি সার (প্রতি কেজি ২৩ টাকা হিসেবে ৩৪৫ টাকা), ১০ কেজি এমওপি সার (প্রতি কেজি ১৩ টাকা হিসেবে ১৩০ টাকা), পরিবহন ব্যয় ৯০ টাকা এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় ২০ টাকাসহ মোট ৮৭৫ টাকা প্রণোদনা দেওয়া হবে।   টিআর/  

আ্যাপস থেকে পাওয়া পরামর্শে চাষাবাদ (ভিডিও)

তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের আইলা বিধ্বস্ত দুর্গম বড় কুপট গ্রামে। যেখানে আগে লবণাক্ততার কারণে ফসল ফলানো সম্ভব হতো না, এখন সেখানে ফসলের সমারোহ। অ্যাপসের মাধ্যমে দেয়া পরামর্শ কৃষি আবাদের পাশাপাশি হাঁস-মুরগি এমনকি মৎস্য চাষেও এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন। বড় কুপটের উঠানে উঠানে এখন সবুজ ফসলের সমারোহ। স্মার্ট ফোনে বিভিন্ন সংগঠনের অ্যাপসের মাধ্যমে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিষয়ক তথ্য নিয়ে কাজ করে লাভবান হচ্ছেন বড় কুপট গ্রামের নারীরা। যা পারিবারিক পুষ্টি নিশ্চিতের পাশাপাশি স্বাবলম্বী করে তুলছে তাদের।  আর এ কাজে বেসরকারি সংস্থা সুশীলন প্রতীক প্রকল্পের আওতায় তাদের তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও স্মার্ট ফোন দিয়ে সহায়তা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে গ্রামের নারীরা লবণাক্ত জমিতে ফসল রোগাক্রান্ত হলে ছবি তুলে প্রতীক কৃষি তথ্য সার্ভিসের ম্যাসেঞ্জারে পাঠিয়ে ও কল সেন্টারে ফোন করে পাচ্ছেন প্রয়োজনীয় পরামর্শ। প্রতীক প্রকল্পের মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে বড় কুপট গ্রাম এখন ফসলের মডেল গ্রাম হিসেবে পরিচিত। এভাবে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সহায়তা পেলে সব ধরনের ফসলের আবাদ আরো বাড়ানো সম্ভব বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বিস্তারিত দেখতে ক্লিক করুন ভিডিও :   এসএ/  

চিকনদিয়া শুকিয়ে যাওয়ায় বোরো চাষাবাদ বন্ধের আশঙ্কা (ভিডিও)

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে চিকনদিয়া নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ায় উপজেলার গোয়লনগর ইউনিয়নের ছয়টি গ্রামের প্রায় সাড়ে চার হাজার বিঘা জমিতে এবার বোরো চাষাবাদ বন্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এরিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে ওই এলাকার প্রায় ২০টিরও বেশি সেচপাম্প। এ কারণে হতাশ কৃষিনির্ভর এসব গ্রামের বাসিন্দারা। এপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়ন, ওপারে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার বাঙ্গালপাড়া ইউনিয়ন। মাঝখানে আড়াই কিলোমিটারের `চিকনদিয়া` নদী। ওপারের মেঘনা নদীতে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে মেঘনার শাখা নদী চিকনদিয়ায় পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। প্রতিবছর চিকনদিয়া নদী থেকে সেচের মাধ্যমে গোয়ালনগর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে বোরো চাষাবাদ করা হয়। নদীতে পানি শূন্যতা দেখা দেয়ায় চলতি মৌসুমে এ এলাকায় বোরো চাষাবাদ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নদীনির্ভর বেশ কয়েকটি ইটভাটাও বন্ধ হয়ে গেছে। এদিকে কৃষকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নদী খননের আবেদন করেছে স্থানীয় কৃষি অফিস। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা বলছেন, শুকিয়ে যাওয়া জেলার সকল নদ-নদী ও খালের তালিকা করা হয়েছে। কৃষিতে সুফল বয়ে আনতে খননের মাধ্যমে দ্রুত এসব নদী-খাল পুনরুজ্জীবিত করার দাবি কৃষকদের।  

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় বাড়ছে কলা চাষ (ভিডিও)

গাজীপুরের কাপাসিয়াতে কলা আবাদ করে স্বাবলম্বী অনেকে। এখানকার সাগর ও চম্পা কলার চাহিদা দেশজুড়ে। অন্য ফসলের তুলনায় কলা চাষ লাভজনক হওয়ায় বাড়ছে আবাদ। কাপাসিয়ার ১০টি গ্রামে কয়েকবছর ধরে  হচ্ছে কলার আবাদ। প্রধানত সাগর ও চম্পা কলায় বেশি লাভ।  অন্য ফসলের তুলনায় পোকা আক্রমণ ও রোগবালাই কম। তাই বাড়ছে আবাদ। চলতি মৌসুমে ১৭শ একর জমিতে কলার আবাদ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ হাজার মেট্রিকটন। এরই মধ্যে কলা চাষে অনেকই হয়েছেন সচ্ছল। ব্যবসায়ীরা বলছেন, অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে বিপণনে সমস্যা হচ্ছে । কলার আবাদ সম্প্রসারণসহ কৃষকদের নানাভাবে সহায়তা দিচ্ছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ। সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে সহায়তা পেলে কলা চাষের বিস্তৃতি আরো বাড়বে-বলছেন সংশ্লিষ্টরা। বিস্তারিত দেখতে ক্লিক করুন ভিডিওতে : এসএ/  

পরিবর্তিত জ্বীন পদ্ধতিকে কাজে লাগাতে রিচার্ড জনের আহ্বান

নোবেল বিজয়ী বিশ্ববিখ্যাত ব্রিটিশ প্রাণরসায়নবিদ ও আণবিক জীব বিজ্ঞানী স্যার রিচার্ড জন রবার্টস্ বলেছেন, কৃষি প্রধান দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালান করে আসছে। টেকসই, পরিবেশ বান্ধব ও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান কৃষি ব্যবস্থা দীর্ঘ মেয়াদী খাদ্য নিরাপত্তার জন্য খুবই জরুরি। আর্থ সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকেও কৃষি ব্যাপক গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের বেশীরভাগ কৃষকই আত্ম-কর্মসংস্থানের পাশাপাশি পরিবারের খাদ্য চাহিদা পূরণের জন্য ধানের চাষ করে থাকে। তরুণ কৃষকরা বেশীরভাগই পোল্ট্রি শিল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থান করে থাকে। তুলনামূলক উচ্চকাঙ্খী ও অধিক আয়ের কৃষকদের মাছ চাষের প্রতি ঝোঁক রয়েছে। আর গবাদি পশুর সিংহ ভাগই গৃহপালিত । গত কয়েক বছর ধান, আলু ও মাছ চাষে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে। তারপরও কিছু চ্যলেঞ্জ থেকেই যায়। একদিকে শস্যের সীমিত উৎপাদনশীলতা ও ক্রমবর্ধমান উৎপাদন খরচ যেমন বাঁধার সৃষ্টি করছে অপরদিকে তাপমাত্রার কারণে মাছের উৎপাদনেরও সমস্যা হচ্ছে। বার্ড ফ্লু’র কারণে পোলট্রি এবং দিনরাত্রির ভিন্ন তাপমাত্রার কারণে ধানের উৎপাদন ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। এখনো বাংলাদেশের মানুষের ক্যালরি ও আমিষ গ্রহণে ব্যাপক ঘাটতি লক্ষ্য করা যায় যে কারণে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সরকারি সংস্থাসমূহ এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য ব্যাপক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য অংশগ্রহণমূলক গবেষণা ও উন্নয়ন কাজের মাধ্যমে দেশি ও বিদেশি বেসরকারি সংস্থাসমূহ বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারে। নোবেল বিজয়ী বিশ্ববিখ্যাত ব্রিটিশ প্রাণরসায়নবিদ ও আণবিক জীব বিজ্ঞানী স্যার রিচার্ড জন রবার্টস্’কে সংবর্ধনা দিতে এসিআই লিমিটেড আজ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। ঢাকার তেজগাঁও এ অবস্থিত এসিআই সেন্টারের হলরুমে এই আলোচনা সভায় এসিআই লিমিটেডের চেয়ারম্যান জনাব এম আনিস উদ্ দ্দৌলা উদ্বোধনী অতিথিদের অর্ভথ্যনা জানান ও উদ্বোধনী বক্তৃতায় নোবেল বিজয়ী স্যার রিচার্ড জন রবার্টস্’কে এসিআই’তে এসে মূল্যবান সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে এসিআই এগ্রিবিজনেস এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এফ এইচ আনসারী বাংলাদেশের কৃষি ব্যবস্থার সার্বিক অবস্থা তুলে ধরেন। ড. আনসারী আরও বলেন, এসিআই এর স্বপ্ন হলো ভবিষ্যতের কৃষিকে আরও আকর্ষণীয় ও উপভোগ্য করে তোলা যাতে শিক্ষিত জনগোষ্ঠী কৃষি কাজের প্রতি আরো বেশি অনুপ্রাণিত হয়। এসিআই লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আরিফ দৌলা, আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের উৎপাদন ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল করতে দেশের বৈজ্ঞানিকদের প্রতি আহ্বান জানান। অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহা ব্যবস্থাপক, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, বিজ্ঞানী বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। এসএইচ/

চুয়াডাঙ্গায় কাশ্মীরি কুলের আবাদ (ভিডিও)

চুয়াডাঙ্গায় আবাদ হচ্ছে নতুন জাতের কাশ্মীরি কুল। পরীক্ষামূলকভাবে এই মৌসুমে তিন হেক্টর জমিতে চাষ হয় এই কুলের। ফলন হয়েছে ভালো। এতে উৎসাহিত হয়ে উঠছেন বাগান মালিকরা। কাশ্মীরী কুলের আবাদ চুয়াডাঙ্গায় একেবারেই নতুন। গত মৌসুমেই এর আবাদ শুরু হয়। এবার আগ্রহী হয়ে উঠেছে অনেকে। দামুড়হুদার লোকনাথপুরে ফরহাদ হোসেন সোহাগ ৭ বিঘা জমিতে কাশ্মীরী কুলের বাগান করেছেন। এরিমধ্যেই বাগান ভরে গেছে ফলে-ফলে। তিনি বললেন, ভারত থেকে ৭শ চারা সংগ্রহ করেছেন। কাশ্মিরি কুল খেতে সুস্বাদু। তাই বাজার দরও ভালো। ৯ থেকে ১০ লাখ টাকা লাভ হতে পাওে আশা তার। কুলের এই বাগান দেখতে আসছে অনেকে। স্থানীয় কৃষি বিভাগ বলছে, অনেকেই কাশ্মীরী কুল আবাদে অগ্রহী হয়ে উঠছে। বাগান মালিকরা জানিয়েছেন, এই কুল আবাদে খরচ কম। এক গাছ থেকে ফল পাওয়া যায় চার মৌসুম পর্যন্ত।  

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি