ঢাকা, ২০১৯-০৬-২৬ ৭:৫০:৩০, বুধবার

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিতে অস্ট্রেলিয়া

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিতে অস্ট্রেলিয়া

বিখ্যাত লর্ডসে স্বাগতিক ইংল্যান্ডকে ৬৪ রানে হারিয়ে বাংলাদেশের সেমিতে যাওয়ার সম্ভাবনা টিকিয়ে রেখেছে অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ার করা ২৮৫ রানের জবাবে ইংল্যান্ড ব্যাটিং করতে নেমে ২২১ রানেই অল আউট হয়ে যায়। এই জয়ের মাধ্যমে এবারের বিশ্বকাপের প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালের টিকিটও নিশ্চিত করেছে অস্ট্রেলিয়া।
তিন উইকেট হারিয়ে বিপাকে ইংল্যান্ড

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয়ের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই তিন উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়েছে ইংল্যান্ড। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ওপেনার জেমস ভিন্সকে সরাসরি বোল্ড করে অজিদেরকে উল্লাসে মাতান পেসার বেরেন্ড্রফ। ফলে শূন্য রানেই উইকেট হারায় স্বাগতিক দল। পরে জো রুট ও মরগানকে সাজঘরে ফেরান মিচেল স্টার্ক।  এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ছয় ওভারে ইংলিশদের সংগ্রহ তিন উইকেটে ২৬ রান। বেয়ারস্টো ১১ রানে ক্রিজে আছেন। এর আগে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ইংলিশদের বিপক্ষে দারুণ এক সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন অজি ক্যাপ্টেন এ্যারোন ফিঞ্চ। হাফসেঞ্চুরি করেছেন ডেভিড ওয়ার্নার। মূলত এই দুই ওপেনারের ব্যাটে চড়েই ২৮৫ রানের সংগ্রহ পায় অস্ট্রেলিয়া। যাতে জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৮৬। ক্রিকেটের তীর্থভূমি লর্ডসে মুখোমুখি ক্রিকেটের দুই পরাশক্তি, দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ড আর অস্ট্রেলিয়া। যে ম্যাচের ওপর অনেকটাই নির্ভর করছে সেমিফাইনালের হিসাব-নিকেশ। এই ম্যাচটির দিকে তাকিয়ে থাকবে বাংলাদেশও। টাইগার সমর্থকরা নিশ্চিতভাবেই চাইবেন, ইংল্যান্ড যেন এই ম্যাচে হারে। এতে সেমিতে যাওয়ার সম্ভাবনা টিকে থাকবে বাংলাদেশের।

ইংল্যান্ডকে ২৮৬ রানের লক্ষ্য দিলো অস্ট্রেলিয়া

টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ইংলিশদের বিপক্ষে দারুণ এক সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন অজি ক্যাপ্টেন এ্যারোন ফিঞ্চ। হাফসেঞ্চুরি করেছেন ডেভিড ওয়ার্নার। মূলত এই দুই ওপেনারের ব্যাটে চড়েই ২৮৫ রানের সংগ্রহ পায় অস্ট্রেলিয়া। যাতে জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৮৬। এর আগে ওয়ার্নারকে সঙ্গে নিয়ে ২০ ওভারেই বোর্ডে ১১০ রান তুলে ফেলেন ফিঞ্চ। তবে ২৩তম ওভারে ইংলিশ স্পিনিং অলরাউন্ডার মঈন আলীর শিকার হয়ে ক্রিজ ছাড়েন ওয়ার্নার। ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে রুটের তালুবন্দি হয়ে ফিরে যাওয়ার আগে ৬১ বলে ছয়টি বাউন্ডারিতে ৫৩ রান করেন ওয়ার্নার। আর এই ইনিংস খেলার মধ্যদিয়ে সাকিবকে পিছনে ফেলে উঠে গেছেন সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকার শীর্ষে। সাত ম্যাচে দুই সেঞ্চুরি আর তিন ফিফটিতে ৮৩.৩৩ গড়ে তার সংগ্রহ এখন ঠিক ৫০০। স্ট্রাইক রেট ৮৭.২৬। দলীয় ১২৩ রানে ওয়ার্নারকে হারালেও আরেক বাঁহাতি উসমান খাজাকে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন অধিনায়ক এ্যারন ফিঞ্চ। এরইমধ্যে চলতি বিশ্বকাপে নিজের দ্বিতীয় এবং ক্যারিয়ার ১৫তম শতক হাকান ডানহাতি এই ওপেনার। এ ম্যাচে ৮০ রান করার মধ্যদিয়ে ওয়ার্নারের পর সাকিবকে টপকে তিনি উঠে গেছেন সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকার দ্বিতীয় স্থানে। ওয়ার্নার, ফিঞ্চ ছাড়া ইংলিশদের বিপক্ষে এ ম্যাচে ক্যারেই ৩৮, স্মিথ ৩৮, খাজা ২৩, ম্যাক্সওয়েল ১২ ও স্টয়নিস ৮ রান করে আউট হয়েছেন। ইংলিশ বোলারদের পক্ষে এক আদিল রশিদ ছাড়া অন্য পাঁচ বোলারই উইকেট তুলে নিয়েছেন। এর মধ্যে ওকস ২টি এবং আর্চার, উড, স্টোকস ও মঈন আলী, প্রত্যেকেই ১টি করে উইকেট লাভ করেছেন। চলমান বিশ্বকাপের বহুল প্রতীক্ষিত এক ম্যাচ। ক্রিকেটের তীর্থভূমি লর্ডসে মুখোমুখি ক্রিকেটের দুই পরাশক্তি, দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ড আর অস্ট্রেলিয়া। যে ম্যাচের ওপর অনেকটাই নির্ভর করছে সেমিফাইনালের হিসাব-নিকেশ। এই ম্যাচটির দিকে তাকিয়ে থাকবে বাংলাদেশও। টাইগার সমর্থকরা নিশ্চিতভাবেই চাইবেন, ইংল্যান্ড যেন এই ম্যাচে হারে। এতে সেমিতে যাওয়ার সম্ভাবনা টিকে থাকবে বাংলাদেশের।    

৮ দিনের জন্য পিছিয়ে পড়লেন সাকিব

আগের যে কোন সময়ের তুলনায় চলতি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ধারাবাহিক ক্রিকেট খেলছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সেই ধারাবাহিকতায় সোমবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৫১ রান করে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় উঠে গিয়েছিলেন সবার উপরে। তবে একদিন পরেই ওয়ার্নার ও ফিঞ্চের কাছে শীর্ষস্থানচ্যুত হন সাকিব। পিছিয়ে থাকবে আগামী আট দিন। হ্যাঁ পাঠক, ঘটনা সত্য। মঙ্গলবার ক্রিকেটের তীর্থভূমি লর্ডসে মুখোমুখি হয় ক্রিকেটের দুই পরাশক্তি, দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ড আর অস্ট্রেলিয়া। এ ম্যাচেই প্রথমে ব্যাট করে ৫৩ রানের ইনিংস খেলে সাকিবকে পিছনে ফেলেন ডেভিড ওয়ার্নার। তার রান এখন সই ৫০০। অন্যদিকে, এই ম্যাচ আগে ৩৯৬ রান নিয়ে চতুর্থ স্থানে থাকা ফিঞ্চও এদিন সই ১০০ রান করে উঠে যান সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকার দ্বিতীয় স্থানে। আর ৪৭৬ রান নিয়ে সাকিব আছেন তালিকার তৃতীয় স্থানে।  এদিকে, জো রুটও যদি এ ম্যাচে ৫৩ বা তার বেশি রান করেন তাহলে তিনিও টপকে যাবেন টাইগার তারকাকে। সেক্ষেত্রে আগামী আট দিনের জন্য টপ ফাইভ-এর তালিকায় নিচের দিকেই থাকতে হবে সাকিবকে। কারণ, আগামী ২ জুলাই-এর আগে আর ম্যাচ নেই বাংলাদেশের। ওইদিন বিশ্বকাপে নিজেদের অষ্টম ম্যাচে শক্তিশালী ভারতের মুখোমুখি হবে টাইগাররা। তবে এ আসরে সাকিব যে গতিতে ব্যাট করছেন তাতে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচেই সাকিব তার শীর্ষস্থান পুনঃরুদ্ধার করবেন। এ বিষয়ে কারও সন্দেহ নেই। তবে আগামী আট দিন তাকে তিন অথবা চার নম্বরেই থাকতে হচ্ছে- এটা বলাই যায়।

বিশ্বকাপে ‘ক্যাচ ড্রপে’ শীর্ষে যে দল

চলমান দ্বাদশ ক্রিকেট বিশ্বকাপ এখন প্রায় শেষের দিকে এসে পৌঁছেছে। এই পর্যায়ে এসে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেটে বেশ জমে উঠেছে বিশ্বকাপ। দলীয় ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে দুর্দান্ত উত্তেজনাময় খেলা উপহার দিচ্ছে সবাই। তবে এসবের মাঝেও লক্ষ্য করা গেছে কিছু কিছু দুর্বলতা বা ব্যর্থতাও। তা যেমন দলীয় পর্যায়েও, তেমনি ব্যক্তিগত পর্যায়েও। দলীয় পর্যায়ে যেমন- আফগানিস্তানের কথা উল্লেখযোগ্য। এ পর্যন্ত সাতটি ম্যাচ খেলেও দলটি পায়নি কোন সাফল্যের দেখা। এর মধ্যে ভারতের বিপক্ষে অনেকটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উত্তেজনা ছড়ালেও বাংলাদেশের বিপক্ষে হেরেছে বাজেভাবেই। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার কথা না বললেই নয়। ফেভারিট তকমা না পেলেও দুর্দান্ত ক্রিকেট আশা করেছিলেন সবাই। কিন্তু প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানে হারার পর হেরেছে বাংলাদেশের বিপক্ষেও। এ পর্যন্ত সাত ম্যাচ খেলে একটি মাত্র জয় পেলেও হেরেছে পাঁচটিতেই। আর একটি ম্যাচে নো রেজাল্ট থেকে মোট তিন পয়েন্ট নিয়ে আছে টেবিলের তলানির দিকেই। এখন আসুন জেনে নেই অজানা আরেকটি দলীয় ব্যর্থতার পরিসংখ্যান। যে বিষয়ে জেনে আপনি নিশ্চয়ই অবাক হবেন। সেই অজানা বিষয়টি হলো- ক্যাচ ড্রপ! হ্যাঁ পাঠক, একটি ম্যাচে দলের ক্রিকেটাররা বেশ কয়েকটি ক্যাচ ধরে যেমন ম্যাচ জয়ে অবদান রাখেন, ঠিক তেমনি `ক্যাচ মিস` তথা ড্রপ করেও ভূমিকা রাখেন ম্যাচ পরাজয়ে। চলতি বিশ্বকাপে দলীয় পর্যায়ে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ক্যাচ ফেলেছে পাকিস্তানের খেলোয়াড়রা। তারা এখন পর্যন্ত ২৬টি ক্যাচ পেয়ে ধরতে পেরেছে মাত্র ১২টি। ফেলেছে সর্বোচ্চ ১৪টি। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছেন স্বাগতিক ইংলিশ খেলোয়াড়রা। তাদের বোলাররা সর্বোচ্চ ৪৪টি ক্যাচ উঠিয়েছেন। এর মধ্যে তাদের ফিল্ডাররা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১২টি ক্যাচ ফেলেছেন। যদিও তারা ধরতে পেরেছেন সর্বোচ্চ ৩০টি ক্যাচ। যা তাদের ম্যাচ জয়ে অবদান রেখেছে। এই তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে আছেন প্রোটিয়ারা। তারা ক্যাচ ফেলেছেন ৩১টির মধ্যে ৭টি। আর চতুর্থ অবস্থানে থাকা কিউইরা ফেলেছে ৩৩টির মধ্যে ৬টি। ৩৫টির মধ্যে সমান ৬টি ক্যাচ ফেলে তালিকার পঞ্চমে অবস্থান অজিদের। তবে এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান যে খুবই ভালো, তা বলা যাবে না। ২৫টির মধ্যে বাংলাদেশি ফিল্ডাররা ৪টি ক্যাচ ফেলে অবস্থান করে নিয়েছে তালিকার ষষ্ঠ স্থানে। এই তালিকায় সবচেয়ে ভালো অবস্থানে ভারত। ১৫টি ক্যাচের মধ্যে তাদের ফিল্ডাররা ফেলেছে মাত্র ১টি। এতেই বোঝা যায় ফিল্ডিংয়ে ভারত কতটা সিরিয়াস। তাই সেমিতে যেতে হলে ফিল্ডিংয়ে ও ক্যাচ ধরাতে আরও উন্নতি করতে হবে বাংলাদশকে।

বোলিংয়ে শীর্ষ দশে বাংলাদেশি তিন

ব্যাট-বলের সমন্বয় হলো ক্রিকেটের দর্শন। যে দল ব্যাটিং ও বোলিংয়ে ভালো করেছে সে দলই ম্যাচ জিতেছে। বিশ্বকাপে দর্শকরা যেমন রানের পাহাড় দেখেছে তেমনি উইকেটের পতনও দেখেছে। বোলিংয়ে ১৫ উইকেট নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন তিনজন। ১৪, ১২, ১১ উইকেট নিয়েছেন একজন করে। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ১০ উইকেট নিয়েছেন চারজন। যার মধ্যে বাংলাদেশের তিন বোলার রয়েছেন। বাংলাদেশ-আফগানিস্তানের খেলা নিয়ে বিশ্বকাপের ৩১টি ম্যাচ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৮টি খেলা বৃষ্টির জন্য পরিত্যাক্ত হয়। বাংলাদেশও একটি ম্যাচ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এর পরেও বিশ্বকাপে শীর্ষ ১০ বোলারের মধ্যে অলরাউন্ডার সাকিব আল-হাসান, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন এবং কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান রয়েছেন। এবার দেখে নেই শীর্ষ ১০ বোলারের পরিসংখ্যান : খেলোয়াড় ওভার রান দিয়েছে ইকোনমি সেরা মোট  উইকেট মোহাম্মদ আমির (পাকিস্তান) ৪৬.০ ২১৯ ৪.৭৬ ৫/৩০ ১৫ জোফরা আর্চার (ইংল্যান্ড) ৫৪.৫ ২৬৯ ৪.৯০ ৩/২৭ ১৫ মিসেল স্টার্ক (অস্ট্রেলিয়া) ৫৬.০ ৩০৪ ৫.৪২ ৫/৪৬ ১৫ ফার্গুসন (নিউজিল্যান্ড) ৪৫.৩ ২১৭ ৪.৭৬ ৪/৩৭ ১৪ মার্ক উড (ইংল্যান্ড) ৪২.৪ ২০৩ ৪.৭৫ ৩/১৮ ১২ প্যাড কামিন্স (অস্ট্রেলিয়া) ৫৬.১ ২৭২ ৪.৮৪ ৩/৩৩ ১১ ইমরান তাহির (সাউথ আফ্রিকা) ৫৭.০ ২৭৯ ৪.৮৯ ৪/২৯ ১০ মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন (বাংলাদেশ) ৪২.০ ২৮১ ৬.৬৯ ৩/৭২ ১০ সাকিব আল-হাসান (বাংলাদেশ) ৫৪.০ ৩০১ ৫.৫৭ ৫/২৯ ১০ মোস্তাফিজুর রহমান (বাংলাদেশ) ৫২.১ ৩৫০ ৬.৭০ ৩/৫৯ ১০   সূত্র : ক্রিক ইনফো এএইচ/  

ইংল্যান্ডের ওপর নির্ভর করছে বাংলাদেশের সমীকরণ

ক্রিকেটের দুই পরাশক্তি, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ড আর অস্ট্রেলিয়া। মঙ্গলবার লর্ডসে মুখোমুখি হয়েছে দল দুটি। তাদের হার জিতের ওপর অনেকটাই নির্ভর করছে সেমিফাইনালের হিসাব-নিকেশ। এই ম্যাচটির দিকে তাকিয়ে থাকবে বাংলাদেশও। টাইগার সমর্থকরা নিশ্চিতভাবেই চাইবেন ইংল্যান্ড যেন এই ম্যাচে হারে। এতে সেমিতে যাওয়ার সম্ভাবনা টিকে থাকবে বাংলাদেশের। শুধু তা-ই নয়, আজ ইংল্যান্ড হারলে তাদেরকে পরের দুই ম্যাচে অবশ্যই জিততে হবে সেমিতে যেতে হলে। কিন্তু সেটা মরগানদের জন্য হয়ে যাবে আরও কঠিন। কেন না, পরের দুই প্রতিপক্ষ যে ভারত আর নিউজিল্যান্ড। ইতিহাস বলছে, ১৯৯২ সালের পর এ পর্যন্ত এই তিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে বিশ্বকাপের ম্যাচে জয় পায়নি ইংল্যান্ড। এবারও যদি তেমনটাই হয়, তাহলে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়তে হবে স্বাগতিকদের।  সেক্ষেত্রে পরবর্তী দুই ম্যাচের একটিতে জিতেই সেমি নিশ্চিত করবে বাংলাদেশ। আর ইংল্যান্ড যদি পরবর্তী দুই ম্যাচের একটিতে জয় পায়, তাহলে সেমিতে যেতে হলে বাকি দুটি ম্যাচেই জিততে হবে বাংলাদেশকে। তাই বলা যায়, ইংল্যান্ডের উপরই নির্ভর করছে বাংলাদেশের সেমিতে যাওয়া না যাওয়ার সমীকরণ। তাইতো কোটি কোটি টাইগার ভক্ত সমর্থক আজ অস্ট্রেলিয়ার সমর্থক। আজ তাদের একটাই চাওয়া, আর তা হলো- ইংল্যান্ডের হার। কারণ, ইংল্যান্ডের হারই যে বাংলাদেশের জয়!  

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি