ঢাকা, ২০১৯-০৬-১৯ ১:২৭:২৪, বুধবার

তরুণেরা আর চাকরি খুঁজবে না, চাকরি দেবে: পলক

তরুণেরা আর চাকরি খুঁজবে না, চাকরি দেবে: পলক

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, দেশের তরুণেরা চাকরি খুঁজবে না, চাকরি দেবে। আর এর জন্য সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
২ জুলাই জিমেইলে যু্ক্ত হচ্ছে ডাইনামিক ফিচার

গুগলজিমেইলে কিছু ডাইনামিক ফিচার যুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছিল গুগল। গুগলের এই ঘোষণাটি কার্যকর হতে যাচ্ছে আগামী ২ জুলাই। ঘোষণা অনুযায়ী জিমেইল ব্যবহারকারীরা তাদের কাছে আসা এবং উত্তর পাঠানো মেইলগুলোতে কিছু পরিবর্তন দেখতে পাবেন। বোল্ড টেক্সট দেখে গুগল ডাইনামিক ই-মেইল শনাক্ত করতে পারবে। গুগল এক ব্লগপোস্টে জানিয়েছে, ডাইনামিক ই-মেইল সব জিমেইল ব্যবহারকারীর জন্য চালু হবে। অর্থাৎ জিমেইল ব্যবহারকারীরা বাই ডিফল্ট এই ডাইনামিক ই-মেইলগুলো দেখতে পাবেন। ডাইনামিক ই-মেইলগুলোর ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীরা সহজেই সরাসরি বার্তাটির মধ্যে থেকে পদক্ষেপ নিতে পারবেন। যেমন যেকোনও ইভেন্টে রেসপন্স করতে পারবে, যেকোনও ক্যাটালগ ব্রাউজ করতে পারবে এবং যেকোন মন্তব্যের জবাব দিতে পারবে। উদাহরণস্বরূপ, ব্যবহারকারী যদি কোনও গুগল ডকে মন্তব্য করতে চান, সেক্ষেত্রে তার কোন ব্যক্তির কাছ থেকে মন্তব্য উল্লেখ পূর্বক পৃথক ই-মেইল বিজ্ঞপ্তি পেতে হবে না। ডাইনামিক জিমেইলে আপ-টু-ডেট থ্রেড দেখতে পাবে যেখানে তারা টেক্সটের মধ্য থেকেই উত্তর দিতে পারবে এবং যেকোনও বিষয়ের সমাধান দিতে পারবে। তবে এজন্য ব্যবহাকারীদের কিছু নির্দেশিকা অনুসরণ করতে হবে। ডাইনামিক ইমেইল চালু করতে প্রথমে জি-মেইলে সাইন ইন করতে হবে। এরপর ওপরের ডানদিকে থাকা সেটিংস থেকে ডাইনামিক ই-মেইল চালু করা যাবে। সূত্র: গেজেটস নাউ আরকে//  

বাজারে আসছে অপো রেনো সিরিজের ফোন

গ্লোবাল স্মার্টফোন ব্র্যান্ড অপো দেশে আনতে যাচ্ছে ২০১৯ সালের সবচেয়ে আলোচিত ও বহুল প্রতীক্ষিত স্মার্টফোন সিরিজ ‘অপো রেনো’। দেশের বাজারে অপো রেনো এবং রেনো ১০এক্স জুম মিলবে যথাক্রমে ৪৯,৯৯০ টাকা এবং ৭৯,৯৯০ টাকায়। তারুণ্যের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড অপো ভক্তদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিলো দুর্দান্ত ক্যামেরা, শক্তিশালী হার্ডওয়্যার আর চোখ জুড়ানো ডিসপ্লে সমৃদ্ধ ফ্ল্যাগশিপ মানের স্মার্টফোন। ভক্তদের অপেক্ষার ইতি টানতেই অপো রেনো এবং রেনো ১০এক্স জুম স্মার্টফোনের দাম ঘোষণা করবার মাধ্যমে দেশের বাজারে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিক্রয় শুরু হতে যাচ্ছে অপোর নতুন স্মার্টফোন সিরিজ ‘রেনো’ এর দুটি স্মার্টফোন। বরাবরের মতোই তরুণদের আকৃষ্ট করতে এই সিরিজের ফোনগুলোতে থাকছে স্মার্টফোন ফটোগ্রাফির সংজ্ঞা পাল্টে দেবার মতো যুগান্তকারী কিছু উদ্ভাবন এবং হেভী-ডিউটি ব্যবহারের উপযোগী স্পেসিফিকেশন। অপো রেনো এবং রেনো ১০এক্স জুম দু’টো ফোনেই থাকছে নচ-বিহীন আল্ট্রা এইচডি প্লাস প্যানারমিক ডিসপ্লে, বাঁকানো দেখতে রাইজিং ক্যামেরা প্ল্যাটফর্ম যা সেলফি ক্যামেরা চালু করা মাত্র নিজ থেকে উঠে আসে আড়াল থেকে। ফোনটিতে প্রিমিয়াম লুক দিতে পেছনে রয়েছে মোহনীয় গ্লাস ডিজাইন। রেনো সিরিজের ফ্ল্যাগশিপ হিসেবে পরিচিতি পাওয়া রেনো ১০এক্স জুমে রয়েছে ৭ ন্যানো-মিটার কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৫৫ চিপ-সেট। এছাড়াও এতে রয়েছে হাইব্রিড ১০এক্স লস-লেস জুম প্রযুক্তি। অপরদিকে অপো রেনোতে থাকছে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৭১০ চিপ-সেট এবং স্বল্প আলোতেও ঝকঝকে ছবি তুলতে সক্ষম ৪৮ মেগাপিক্সেল ডুয়াল ক্যামেরা সিস্টেম। ৮ গিগাবাইট র‌্যাম এবং ১২৮ গিগাবাইট স্টোরেজ সমৃদ্ধ অপো রেনো মিলবে ৪৯,৯৯০ টাকায় এবং অপো রেনো ১০এক্স জুম পাওয়া যাবে ৭৯,৯৯০ টাকায়। রেনো ১০এক্স জুম ফোনটিতে থাকছে ৮ গিগাবাইট র‌্যাম এবং ২৫৬ গিগাবাইট স্টোরেজ। দেশের বাজারে রেনো সিরিজ নিয়ে আসা প্রসঙ্গে অপো বাংলাদেশ এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর মিঃ ডেমন ইয়াং বলেন, “দেশজুড়ে দ্রুতগতিতে ইন্টারনেট সেবা ছড়িয়ে দিতে সক্ষম এমন দেশগুলোর মাঝে বাংলাদেশ অন্যতম। স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যার দিক থেকেও বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর একটি। স্বাভাবিক ভাবেই দেশীয় স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা ফোরজি ইন্টারনেট সেবার পুরোটা উপভোগ করতেই ঝুঁকছেন শক্তিশালী সক্ষমতার ফ্ল্যাগশিপ মানের স্মার্টফোনের প্রতি যাতে গেমিং কিংবা ফটোগ্রাফিতে মিলবে দারুণ অভিজ্ঞতা। অপো রেনো এমনই এক ফোন যা গেমিং, ফটোগ্রাফি আর ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে নতুন ধারার অভিজ্ঞতা দেবে এর ব্যবহারকারীদের”। অপো রেনো ১০এক্স জুম এ থাকছে ২৩৪০*১০৮০ পিক্সেলের ৩৮৭ পিপিয়াই সমৃদ্ধ ৬.৬-ইঞ্চি ফুল-এইচডি প্লাস অ্যামোলেড ডিসপ্লে। অপো রেনো থাকছে ৬.৪ ইঞ্চির ৪০৩ পিপিআই সমৃদ্ধ ৬.৪-ইঞ্চি ফুল-এইচডি প্লাস অ্যামোলেড ডিসপ্লে। দু’টো ফোনেই ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর থাকছে ডিসপ্লে এর নিচে। এতে সেলফি ক্যামেরার জন্যে পিভোট রাইজিং সেলফি ক্যামেরা প্ল্যাটফর্র্ম থাকায় এ দু’টো ফোনেই সর্বোচ্চ ৯৩.১% বডি-টু-স্ক্রিন রেশিও অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। ডিসপ্লে এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই ফোন দু’টোতে রয়েছে গরিলা গ্লাস ৬ নিরাপত্তা গ্লাস। এসি  

বিকৃত ওয়াজ ও শারীরিক অঙ্গভঙ্গি: ইউটিউবে টাকা আয়ের হিড়িক

বিকৃত ওয়াজ ও শারীরিক অঙ্গভঙ্গিকে পুঁজি করে ইউটিউবে টাকা আয়ের হিড়িক পড়েছে। ইসলামি বক্তা থেকে শুরু করে পর্ণ স্টাররাও নানা ধরনের ভিডিও তৈরি করে আকর্ষণ করছে বর্তমান যুব সমাজকে। সেই সাথে ফেসবুক-ইউটিউব থেকে আয় করে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। এমনকি এইসব বক্তা ও তারকাদের হাস্যরস ভিডিওগুলো থেকে চুম্বকাংশ নিয়ে ট্রল ভিডিও বানিয়ে ভাইরাল করছে একদল তরুণ। সম্প্রতি একটি ইউটিউব চ্যানেলে নানা সময়ে ভাইরাল হওয়া বিভিন্ন ব্যক্তির ডায়লগ নিয়ে তৈরি একটি গান আপ করা হয়। যা মুহুর্তেই নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। গানটিতে ব্যবহার করা হয় অস্ট্রিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি সেফায়েত উল্লাহর বেশ কিছু কথা। এছাড়া বাংলা চলচ্চিত্রের অভিনেতা ডিপজল, সম্প্রতি হয়ে যাওয়া মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের প্রতিযোগীর `এইচটুও` এবং `সুন্দরবনকে উইশ করা` সংক্রান্ত ভাইরাল হওয়া ডায়লগও রয়েছে। তবে গানের নাম নেয়া হয়েছে আরেক ভাইরাল ভিডিও ওয়াজ থেকে। এর আগেও এমন ভাইরাল ডায়লগ দিয়ে মিউজিক ভিডিও তৈরি করা হয়েছে এই ইউটিউব চ্যানেল থেকে। এর সবগুলোই দেখা হয়েছে কয়েক লাখ বার। এছাড়াও সেফায়েত উল্লাহ ওরফে সেফুদার নানা ভিডিও থেকে চুম্বকাংশ নিয়ে তৈরি করা হয়েছে অসংখ্য ভিডিও, যা লাখেরও বেশিবার দেখা হয়েছে। মুসলমানদের আবেগ অনুভূতির একটা জায়গা হলো ইসলাম ও ধর্মীয় নানা ওয়াজ। এই ওয়াজ নিয়েও নানা ধরনের ট্রল ভিডিও তৈরি হচ্ছে। কিছু আলেম নামধারী ব্যক্তিদের জন্য সামগ্রীকভাবে ইসলাম ও আলেম উলামাদের সম্মান ও মর্যাদাহানি হচ্ছে। এমনকি তাদের হাস্যকর ওয়াজের কারণে ইসলামের সৌন্দর্য ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। সম্প্রতি ফেসবুক ও ইউটিউবে এক মুফতির বিরক্তিকর ওয়াজ ভাইরাল হয়েছে। ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া সে ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, নরসিংদীতে অনুষ্ঠিত ওয়াজ মাহফিলে এই মাওলানা সারাক্ষণ অপ্রাসঙ্গিক কথায় কান্না করে ওয়াজ করছেন। কান্নাস্বরে তিনি কোথায় কোনদিন ওয়াজ তারও বর্ণনা করেন। এছাড়া তিনি ভারতে ওয়াজ করতে গিয়েছেন দাবি করে কান্না করতে থাকেন। এ নিয়ে ফেসবুকে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়। ওয়াজ মাহফিলে এরকম নিজের ব্যক্তিগত হাজারো কথা বলে, ওয়াজের শুরে কান্না করতে থাকেন এই হুজুর। আমার ওয়াজ করতে রাজশাহী যাওয়ার কথা ছিল....বগুড়া যাওয়ার কথা ছিল........সুর করে টেনে টেনে নানাবিধ ভঙ্গিতে এসব বলতে থাকেন ওই হুজুর। এছাড়াও ইন্টারনেটে খোলামেলা ও অসামাজিক কথাবার্তা এবং অপ্রাসঙ্গিক ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে বিতর্কিত মডেল-অভিনেত্রী সানাই মাহবুব সুপ্রভাকে আটকের পর মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয় পুলিশ। এর দুদিন পরই ইউইটিউবার থেকে অভিনেতা হওয়া সালমান মুক্তাদিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আটক করে পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট। তার নামে ‘অভদ্র প্রেম’ শিরোনামে একটি মিউজিক ভিডিও নিয়ে অশ্লীলতার অভিযোগ ওঠে। এসব বিষয় নিয়ে পুলিশের সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম বিভাগের ডিসি আলিমুজ্জামান একুশে টিভি অনলাইকে বলেন, পর্ণস্টার বা কেউ যদি অশ্লীল ভিডিও তৈরি করে এবং আমাদের কাছে অভিযোগ আসে, আমরা তাদের ডেকে নিয়ে এসে সতর্ক করছি এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করছি। কিছুদিন আগে এসব অভিযোগে মডেল-অভিনেত্রী সানাই, ইউটিউবার সালমান মুক্তাদির, ভাদাইম্যাসহ বেশ কয়েকজনকে ডেকে এনে সতর্ক করেছি, মুছলেকা নিয়েছি এবং তাদের পরিচালিত ইউটিউব ও ফেসবুক গ্রুপ বন্ধ করে দিয়েছি। এরকম যাদের বিরুদ্ধেই আমাদের কাছে অভিযোগ আসে, তাদেরকেই আমরা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিচ্ছি। আলিমুজ্জামান বলেন, সাইবার অপরাধের পরিধি দিন দিন বাড়ছে। পুলিশ তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে। পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সচেতন হতে হবে। একজন হুজুর ওয়াজ মাহফিলে আবল-তাবোল বক্তব্য দিচ্ছে, কান্না করে বুক ভাসাচ্ছে, এইসব বিষয়ে তো আইন প্রয়োগ করার কিছু নাই। এখানে পুলিশ কিছু করতে গেলে তো নতুন করে আরও ঝামেলা তৈরি হবে। সুতরাং এ বিষয়ে আলেম-উলামা ও সাধারণ জনগণকে সচেতন হতে হবে। তিনি বলেন, মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা তাদেরকে এক ধরণের মেসেজ দিতে চাচ্ছি যে, এটা এক ধরণের অপরাধ। এরকম সামাজিক অপরাধ থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। সম্প্রতি আমাদের কাছে কিছু অভিযোগ আসছে, আমরা এগুলো নিয়ে কাজ করছি। তাদের বিরুদ্ধে আইনগতভাবে যতটুকু ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব, আমরা সে ব্যবস্থা নিব। দেশে কতজন পর্ণতারকা আছে বা তাদের কোন তালিকা আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পর্ণের ব্যাপ্তি অনেক। আসলে কতজন এসব করে বা তাদের তালিকাটা আমরা দিতে পারবো না। দেখা যায় যে, আমরা একটা সাইটকে ধরছি বা বন্ধ করছি, তারা আরেকটা সাইট তৈরি করছে, এখানে তো আমাদের কিছু করার থাকে না। পর্ণগ্রাফী যদি একটা ডোমেইন দিয়ে চালায়, তাহলে আমরা বিটিআরসির মাধ্যমে আমরা সেগুলো বন্ধ করে দেই। ইতিমধ্যে আমরা অগণিত সাইট বন্ধ করে দিয়েছি। কিন্তু যেটা ইউটিউব বা সাব ডোমেইনের মাধ্যমে আসছে, বা ফেসবুকের কোন পেইজ বা গ্রুপের মাধ্যমে যদি আসে, আর এটা নিয়ে কেউ যদি আমাদের কাছে অভিযোগ করে, আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে থাকি। এটা আমাদের চলমান কাজ, আমরা সবসময় এটা করছি। তিনি আরও বলেন, সাইবার অপরাধের পরিধি দিন দিন বাড়ছে। এগুলোর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে নতুন নতুন অপরাধ মোকাবেলা করা যাবে। শোলাকিয়া ঈদগাহের খতিব ও বাংলাদেশ জমিয়াতুল উলামার চেয়ারম্যান মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ একুশে টিভি অনলাইকে বলেন, ওয়াজ শব্দের অর্থ হলো উপদেশ। ওয়াজ শুনলে মানুষের ভিতরে আল্লাহর মহব্বত ও রাসূলের মহব্বত পয়দা হয়। আল্লাহর প্রতি তার আনুগত্য, ঈমান বিশ্বাস ও আখেরাতের চিন্তা বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ একজন ব্যক্তিকে প্রকৃত মানুষ বানানোর জন্য হলো ওয়াজ। এই ওয়াজ কখনও বিনোদনের কারণ হতে পারে না। কেউ যদি এটাকে হাস্যরস ও বিনোদনের মাধ্যম বানায়, তাহলে ওয়াজের মূল লক্ষ্যই বিচ্যুত হয়ে যায়। এ অবস্থায় সাধারণ মানুষের করণীয় কী জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের উচিত হবে, যারা এই ধরনের ওয়াজকে বিনোদনের হাতিয়ার বা ইনকামের পথ বানায় তাদেরকে বয়কট করা। আর আলেম উলামাদের করণীয় হলো, এইসব বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করা। ইসলামে কখনই এটা পছন্দনীয় নয়। পর্ণস্টারদের আপত্তিকর ভিডিও তৈরি ও তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার বিষয়ে মাওলানা মাসউদ বলেন, যারা এই ধরনের কাজ করে যাচ্ছে অবশ্যই এটা নিন্দনীয়। তারা যা করছে তা ইসলামে চরম গর্হিত অপরাধ। এমন কেউ যদি মানুষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করে, উগ্রবাদ সৃষ্টি করে তাহলে সেটা বন্ধ করা উচিত। প্রশাসনের উচিত এ ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া। প্রসঙ্গত, সরকার যুবসমাজকে রক্ষা করতে এরইমধ্যে দেড় হাজার পর্ণো ও জুয়ার সাইট বন্ধ করেছে। নতুন প্রজন্মকে ইন্টারনেটের আপত্তিকর আসক্তি থেকে বের করে আনতে ইতিমধ্যে অশ্লীল কনটেন্ট, জুয়া বা বিপথগামী সাইট বন্ধ করে দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। আরকে//

মহাকাশে এবার রাত কাটাবে নাসা’র পর্যটক

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা পর্যটক পাঠাবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। সেখানে থাকা যাওয়া-আসা এবং থাকা, সব মিলিয়ে পাঁচ কোটি আশি লাখ ডলার খরচ পড়বে বলেও জানিয়েছে নাসা। নাসা ঘোষণা করেছে যে ২০২০ সাল হতে পর্যটকরা এবং ব্যবসায়ীরা মহাকাশে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে রাত কাটাতে পারবেন। প্রতি রাতের ভাড়া দিতে হবে ৩৫ হাজার ডলার। তবে আসল খরচ মহাকাশ স্টেশনের ভাড়া নয়। সেখানে পৌঁছানোর খরচটাই হচ্ছে আসল। নাসার চীফ ফিনান্সিয়াল অফিসার জেফ ডেউইট বলেন, এই মূহুর্তে নাসার কোন নভোচারী যখন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যান, তাদের পেছন খরচ পড়ে আট কোটি ডলার। এখন যদি বাণিজ্যিক ভিত্তিতে নাসা সেখানে পর্যটক পাঠাতে শুরু করে, তখন গড়ে খরচ পড়বে জনপ্রতি পাঁচ কোটি আশি লাখ ডলার। মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছানোর পর সেখানে নানা ধরণের তৎপরতায় অংশ নিতে পারবেন পর্যটকরা। সেখানে তাদের `জিরো গ্রাভিটি` অর্থাৎ ওজনহীনতার অভিজ্ঞতা হবে। সেখান থেকে মহাকাশ এবং পৃথিবীর চমৎকার দৃশ্য দেখতে পাবেন। এবং ব্যাডমিন্টনও হয়তো খেলতে পারবেন। নাসা জানিয়েছে, যারা পর্যটক হিসেবে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যাবেন, তারা সেখানে তিরিশ দিন পর্যন্ত থাকতে পারবেন। নাসা দুটি বেসরকারি কোম্পানিকে ভাড়া করেছে পর্যটকদের মহাকাশ স্টেশনে আনা নেয়ার জন্য। এর একটি ইলন মাস্কের `স্পেস এক্স`। এরা তাদের ড্রাগন ক্যাপসুল ব্যবহার করবে পর্যটকদের পরিবহণের কাজে। আরেকটি হচ্ছে বোয়িং। স্টারলাইনার নামে একটি মহাকাশযান তৈরি করছে বোয়িং এই কাজে। ধারণা করা হচ্ছে মহাকাশ স্টেশনে কোন পর্যটককে পৌঁছে দেয়া এবং ফিরিয়ে আনা বাবদ ছয় কোটি ডলার ভাড়া দিতে হবে এই দুটি কোম্পানিকে। তবে পর্যটক হিসেবে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যাওয়ার আগে খুবই কঠোর শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে সবাইকে। নাসা আশা করছে, পর্যটকদের কাছ থেকে পাওয়া অর্থ তারা মহাকাশে আরও গবেষণা এবং নতুন অভিযানে খরচ করতে পারবেন। নাসার একজন কর্মকর্তা বিল গেরস্টেনমেইনার বলেন, নীচু কক্ষপথের বাণিজ্যিকীকরণের মাধ্যমে নাসা ২০২৪ সালের মধ্যে চাঁদে প্রথম মহিলা নভোচারী পাঠানো এবং নতুন করে চাঁদে অভিযান শুরু করার তহবিল যোগাতে পারবে। এরপর মঙ্গলগ্রহেও অভিযানের প্রস্তুতি নিতে পারবে। ৫০ বছর আগে প্রথম চাঁদে পা রেখেছিলেন নীল আর্মস্ট্রং। অর্ধশতক পর নাসা এখন মহাকাশের বাণিজ্যিকীকরণের মাধ্যমে আরেকটি বৈপ্লবিক পদক্ষেপ নিচ্ছে। যার ফলে কোটিপতিদের জন্য এখন খুলে যেতে পারে মহাকাশের দুয়ার। সূত্র-বিবিসি আরকে//

হুয়াওয়ে ফোনে প্রি-ইনস্টল থাকছে না ফেসবুক-হোয়্যাটসঅ্যাপ

হুয়াওয়ের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আসার পর থেকেই সংকট বাড়ছে প্রতিষ্ঠানটির। একের পর এক চাপের পর এবার হুয়াওয়ের পাশ থেকে সরে দাঁড়িয়েছে মার্ক জুকারবার্গের প্রতিষ্ঠান ফেসবুক। হুয়াওয়ে স্মার্টফোনে অ্যাপ প্রি-ইনস্টল বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে তারা। একই সাথে থাকছে না ইনস্টাগ্রাম ও হোয়্যাটসঅ্যাপের অ্যাপ্লিকেশনও। ফলে চীনা প্রতিষ্ঠানটির স্মার্টফোনে আগে থেকেই আর এসব অ্যাপ ইনস্টল থাকবে না। শুক্রবার ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এই ঘোষণা দিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু জানানো হয়নি। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, হুয়াওয়ের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আসার পর পশ্চিমা প্রযুক্তি জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে এটি হুয়াওয়ের জন্য আরেক ধাক্কা। তবে এ সিদ্ধান্ত হুয়াওয়ের নতুন স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে। অর্থাৎ এখন থেকে যেসব স্মার্টফোন তৈরি করবে হুয়াওয়ে, সেগুলোতে থাকবে না ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়্যাটসঅ্যাপ প্রিইনস্টল অবস্থায় থাকবে না। তবে গ্রাহকরা চাইলে হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম এবং ফেসবুকের মূল অ্যাপ ইনস্টল করে ব্যবহার করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে। এমনকি প্লে স্টোরের মাধ্যমে নিয়মিত আপডেটও দেওয়া হবে অ্যাপগুলোতে। তবে, গুগলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মূল অ্যান্ড্রয়েড সেবা ব্যবহার করতে পারবে না হুয়াওয়ে। আর এআরএম-এর কারণে নিজস্ব চিপ বানাতে বাধার মুখে পড়েছে চীনা প্রতিষ্ঠানটি। উল্ল্যেখ, গত ১৫ মে হুয়াওয়েকে যুক্তরাষ্ট্রে ‘কালো তালিকাভুক্ত’ করে ট্রাম্প প্রশাসন। সরকারি অনুমোদন ছাড়া মার্কিন সংস্থা থেকে প্রযুক্তিসেবা নেওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায় হুয়াওয়ের। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ডিফেন্স অথরাইজেশন অ্যাক্ট (এনডিএএ)-তে হুয়াওয়েকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের এমন একটি তালিকায় রাখা হয়েছে যেসব প্রতিষ্ঠানের সাথে কোনো আমেরিকান কম্পানি লাইসেন্স ছাড়া বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে না। এই নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর হুয়াওয়ের ওপর অ্যান্ড্রয়েডড অপারেটিং সিস্টেমের কিছু আপডেট করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে গুগল। যার ফলে হুয়াওয়ের স্মার্টফোনের নতুন কয়েকটি মডেল থেকে কিছু গুগল অ্যাপ ব্যবহার করা যাবে না। এর প্রেক্ষিতে গত ২৮ মে যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানায় হুয়াওয়ে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান আইন কর্মকর্তা সং লিওপিং বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিবিদরা একটি প্রাইভেট কম্পানির বিরুদ্ধে তাদের সব শক্তি প্রয়োগ করছে, যা স্বাভাবিক নয়। এমনকি ইতিহাসে কখনও এমন ঘটনা ঘটেনি। হুয়াওয়ে যে তাদের দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি- এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকার কোনো ধরনের প্রমাণ সরবরাহ করতে পারেনি। বিষয়টা এমন যে কোনো প্রমাণ নেই, কিন্তু তারা অভিযোগ বা সন্দেহ করছে। আরকে//

বাজারে স্মার্টফোন আনছে টিকটকের কোম্পানি

সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয় অ্যাপ টিকটকের নির্মাণ সংস্থা বাইটড্যান্স বাজারে নিয়ে আসতে চলেছে নতুন স্মার্টফোন। টিকটকের মাধ্যমে ভোক্তা ছোট দৈর্ঘ্যের ভিডিও শেয়ার এবং অন্যের ভিডিওতে কমেন্ট করতে পারেন। ভারতে টিকটকের বাজার এখন তুঙ্গে। ভারতে টিকটকের ভোক্তা এখন ১২০ লক্ষের বেশি হলেও, স্মার্টফোনের দুনিয়ায় জায়গা করে নেওয়া সহজ কথা নয়। তবে চিনা সংস্থা বাইটড্যান্স কোম্পানির কর্ণধার ঝাং ইয়িমিং বলেছেন, তিনি এই স্মার্টফোন নিয়ে খুবই আশাবাদী। তার অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল, এমন একটি ফোন আসবে, যার মধ্যে বাইটড্যান্স এর অ্যাপ প্রি-ইনস্টল করা থাকবে। ভারতে সেই ফোন আনলে তার মধ্যে টিকটক অ্যাপটি পুনরায় ইনস্টল করার প্রয়োজন পড়বে না। কিন্তু গত এপ্রিলে জনপ্রিয় অ্যাপটির উপর নিষেধাজ্ঞা নেমে এসেছিল এ দেশে। এক আইনজীবী গত ৩ এপ্রিল ম্যাড্রাস হাইকোর্টে টিকটক নিষিদ্ধ করার দাবি জানান। অভিযোগ করেন, অ্যাপটি সমাজের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক, পর্নোগ্রাফি ও সাইবার অপরাধকে প্রশ্রয় দেয় এইধরনের অ্যাপ। সব শোনার পর হাইকোর্ট টিকটক সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করে দেয়। ১৮ এপ্রিল থেকে গুগল প্লে ও অ্যাপেল অ্যাপ স্টোরেও টিকটক তুলে নেওয়া হয়েছিল। এই নির্দেশের পর বাইটড্যান্স সংস্থাকে হাইকোর্ট থেকে শর্ত দেওয়া হয়,  টিকটক অ্যাপটিতে কোনও আপত্তিকর বা অশ্লীল ভিডিও প্রকাশ করা যাবেনা, যা শিশুদের কোনও ধরণের সাইবার অপরাধ করতে উৎসাহ দেয়। বাইটড্যান্স এই চুক্তিতে রাজি হয়। এরপর বাজারে আবার টিকটক অ্যাপটি চালু হয়। উল্লেখ্য এই সাময়িক নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন টিকটক ইনস্টল করা যায়নি, কিন্তু আগে থেকে টিকটক ব্যবহারকারীদের কোনও অসুবিধা হয়নি, তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিয়ো পোস্ট করতে পেরেছিলেন। বাইটড্যান্সের লক্ষ্য হল স্মার্ট জগতে ঢুকে বাজারকে হাতের মুঠোয় আনা। কিন্তু  সাংহাই অ্যানালিস্ট জিও মো এর বক্তব্য, বাইটড্যান্স স্মার্টফোনের দুনিয়ায় জায়গা করতে পারবে না অভিজ্ঞতা এবং কাঁচামালের অভাবে। এর আগে ইউএস ইন্টারনেট সংস্থা এই বাজারে ঢুকতে চাইলে চরম ব্যর্থ হয়। ২০১৩ সালে এইচটিসি ও ফেসবুক যৌথ উদ্দ্যোগে নিজস্ব অ্যানড্রয়েড ফোন বাজারে নিয়ে আসে। সেটিতে ফেসবুক অ্যাপ ছাড়া অন্য কিছু ছিলনা। নাম দেওয়া হয় এইচটিসি ফার্স্ট। কিন্তু প্রথম পদক্ষেপেই মুখ থুবড়ে পড়ে এবং বাজার থেকে উঠে যায়। ২০১৪ সালে অ্যামাজন বাজারে ফায়ার ফোন নিয়ে আসে। থ্রি-ডি ফিচার যুক্ত এই ফোনও বেশিদিন চলেনি। ভারতে বাইটড্যান্সের নতুন ফোন আসবে কিনা, বা এলে কবে, সেই নিয়ে এখনও সঠিক ভাবে কিছু জানা যায়নি। তথ্যসূত্র : আনন্দবাজার এমএইচ/

সেরা অংশীদার পুরস্কার পেল ফোর্টিনেট

বিশ্বব্যাপী স্বয়ংক্রিয় সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ২০১৮ সালের সেরা অংশীদার পুরস্কার পেয়েছে ফোর্টিনেট। সম্প্রতি তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অংশগ্রহণকারী সার্কের অংশীদার সম্মেলনে এ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত চ্যালেঞ্জ বাড়িয়ে তুলতে এবং সাম্প্রতিক সময়ে সাইবার নিরাপত্তা হুমকির প্রবণতা, উদ্ভাবন ও তথ্য সুরক্ষিত করার কৌশলগুলি সম্পর্কে সচেতন করতে ভারত, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, নেপাল ও মালদ্বীপসহ ১২৫ টিরও বেশি অংশীদারকে নিয়ে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়। ডিজিটাল রুপান্তরের চাহিদা পূরণ করতে নেটওয়ার্ক সল্যুশন ও স্ট্রাটেজিক ডিজাইনের সাথে সাথে এসডি-ডব্লিউ যুক্ত, মোবাইল কম্পিউটিং, আইওটি এবং বহুমুখি ক্লাউড অবকাঠামো ও সেবার প্রয়োজন। একই সাথে সব ধরণের প্রতিষ্ঠান ও শিল্পের বিদ্যমান নিরাপত্তা ও অবকাঠামগত কার্যকারিতা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ফাইভ জি’র মতো উন্নত প্রযুক্তির নেটওয়ার্ক সেবা নিতে বাধ্য হচ্ছে। ফোর্টিনেট’র ভারত ও সার্কের ভাইস প্রেসিডেন্ট জিও সারনো বলেন, ‘প্রতিযোগিতামূলক ডিজিটাল বাজারে টিকে থাকতে কোম্পানিগুলো এখন ক্লাউডে প্রবেশ ও সফটওয়ার ভিত্তিক সেবা প্রদানে রুপান্তরিত হচ্ছে। কিন্তু এর মধ্যে অনেকগুলো প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য অবকাঠামগত অথবা দক্ষ জনবল নেই। এই কারণেই বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ফোর্টিনেট অংশীদার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ ক্ষেত্রে ফোর্টিনেট অংশীদারদের মধ্যে বিভিন্ন দ্রব্য সামগ্রি, দিক নির্দেশনা এবং বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে হুমকি থেকে সব শিল্পকে নিরাপত্তা প্রদান করে। ’ নানা ধরণের এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার পাশাপাশি ডিজিটাল অর্থনীতির সম্ভাব্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে ফোর্টিনেট। ব্যবসায়িক, প্রযুক্তি এবং অবকাঠামোগত বিষয়গুলো আত্মবিশ্বাসের সাথে পরিচালিত করার লক্ষ্যে ফোর্টিনেট কিছু দিক নির্দেশনাও প্রদান উপস্থাপন করেছে। এ বছরের সম্মেলনে আধুনিক সব হুমকি মোকাবেলা করে কিভাবে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিক করা যায় অংশীদারদের মধ্যে সে বিষয়ে দিক নির্দেশনা, ক্রিটিক্যাল সাইবার নিরাপত্তা এবং হুমকি রোধে প্রিমিয়ার টেকনিক্যাল সেশন করে। এছাড়াও ফোর্টিনেট’র পণ্য ও সল্যুশন, অংশগ্রহণকারীদের উন্নয়ন এবং তুলনামূলক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্রেক আউট সেশস পরিচালনা করা হয়। এর পাশাপাশি এসডি-ডব্লিউএএন, নেটওয়ার্ক অ্যাকসেস কন্ট্রোল, ওটি পরিবেশ ওপর বিশেষ সেশন করে। বিস্তৃত নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, ডিভাইসের ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ এবং বর্তমান ও ভবিষ্যতে খাপখাওয়াকে কিভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায় সে বিষয়ের ওপর প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। টিআর/এসি  

সিম্ফনির নতুন ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন বাজারে

সিম্ফনি নিয়ে এসেছে নতুন ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফন সিম্ফনি জেড১৫। রাজধানীর একটি কনভেনশন সেন্টারে সিম্ফনি জেড১৫ আনার ঘোষণা দেন এডিসন গ্রুপের সিনিয়র ডিরেক্টর মাকসুদুর রহমান, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার, মার্কেটিং মোহাম্মদ রিয়াদ এবং হেড অফ সেলস এম.এ. হানিফ। সিম্ফনি জেড১৫ এ রয়েছ অ্যান্ড্রয়েড পাই ৯.০ অপারেটিং সিস্টেম, ৬.০৯ ইঞ্চি এইচডি প্লাস আইপিএস ডিসপ্লে, ২.৫ডি গ্লাস সঙ্গে ওয়াটার ড্রপ নচ ডিসপ্লে। ১৫৬০*৭২০ রেজ্যুলেশন এর ডিসপ্লেটির পিপি আই ২৮২। ডিসপ্লেটির শার্পনেস, কালার প্রডাকশন, ভিউইং এ্যাংগেল, টাচ রেসপন্স এক কথায় অসাধারণ। আর তাই গেমস খেলা বা মুভি দেখার এক্সপেরিয়েন্স হবে আরো স্বাচ্ছন্দ্যময়। এতে আছে ১.৬ গিগাহার্জ এর অক্টাকোর প্রসেসর। রয়েছে ২ জিবি র‍্যাম এবং ৩২ জিবি ইন্টার্নাল স্টোরেজ। মেমোরী কার্ড এর মাধ্যমে আরও বাড়ানো যাবে ১২৮ জিবি পর্যন্ত। অক্টাকোর প্রসেসর এবং ২ জিবি র‍্যাম এর কারণে গেমস খেলা বা মুভি দেখার জন্য পরতে হবে না ল্যাগিং এর ঝামেলায়। ডিভাইসটিতে আছে ৪০০০ এমএএইচ এর নন রিমুভেবল লি-পলিমার ব্যাটারী যা দিয়ে অনায়াসেই সারাদিন ইচ্ছামত গেমিং এবং ব্রাউজিং চালানো যাবে। ব্যাক সাইডে আছে দুটি ক্যামেরা, একটি ১৩ মেগাপিক্সেল এর মেইন ক্যামেরা এবং অপরটি ২ মেগাপিক্সেল এর ডেপথ সেন্সর। সনি সেন্সর এর ডুয়াল ব্যাক ক্যামেরা দিয়ে তোলা যাবে অসাধারন সব ছবি। এছাড়াও আছে ৫ মেগাপিক্সেল এর ফ্রন্ট ক্যামেরা। ১৩ মেগাপিক্সেল মেইন ক্যামেরায় আছে ২.০ এ্যাপারচার, ২ মেগাপিক্সেল এর ডেপথসেন্সর এ আছে ২.২ এ্যাপারচার এবং ৫ মেগাপিক্সেল এর ফ্রন্টে আছে ১.৯ এ্যাপারচার। ব্যাক এবং ফ্রন্ট দুটি ক্যামেরা দিয়েই পোট্রেইট মোডে ছবি তোলা যাবে। ক্যামেরা মোড হিসেবে আছে ফেস আনলক, বোকেহ মোড, এসডি মোড, ফেস বিউটি, টাইম ল্যাপস, নাইট মোড, সেলফ টাইমার, জিও ট্যাগিং এবং এ্যান্টি ফ্লিকার। এই স্মার্টফোনটিতে নোটিফিকেশন লাইট ছাড়াও সেন্সর হিসেবে আছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর, প্রক্সিমিটি সেন্সর, লাইট সেন্সর আর গ্রাভিটি সেন্সর। আছে ৪০০০ এমএএইচ এর নন রিমুভেবল লি-পলিমার ব্যাটারী এবং সুন্দর ডিজাইন এর সাথে স্পেশাল ফিচার হিসেবে আছে সফটওয়্যার বেইজড ফেইস আনলক, এআই ক্যামেরা, স্মার্ট কন্ট্রোল, মাল্টিফাংশনাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ওয়ান হ্যান্ড মোড। ক্যারিবিয়ান ব্লু এবং ক্র্যানবেরি রেড কালারে সিম্ফনির এই নতুন ফ্ল্যাগশিপ ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৯ হাজার ৪৯০ টাকা সাথে আরো আছে গ্রামীন ফোনের আকর্ষণীয় বান্ডেল অফার। আরকে//

হুয়াওয়ের স্মার্টফোন ব্যবহারে গুগলের নিষেধাজ্ঞা  

চীনা স্মার্টফোন ব্রান্ড ও বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইলফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের কিছু আপডেট বন্ধ করে দিয়েছে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম  সংস্থা গুগল। এর ফলে হুয়াওয়ে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা নতুন কয়েকটি মডেল থেকে কিছু গুগল অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন না।   বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন যেসকল স্মার্টফোন নির্মাণ প্রতিষ্ঠানকে ‘এনটিটি লিস্টে’ অন্তুর্ভুক্ত করেছে হুয়াওয়ে তার মধ্যে অন্যতম। ওই তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তাদের মার্কিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যবসা করতে হলে বিশেষ লাইসেন্সের প্রয়োজন হয়। ওই তালিকায় হুয়াওয়েকে অন্তর্ভূক্ত করার পর গুগলের এই সিদ্ধান্ত এলো। গুগল তাদের এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা "নির্দেশনা মেনে চলছে এবং এর ফলাফল যাচাই করছে।" তবে, হুয়াওয়ে কর্তৃপক্ষ গুগলের এমন সিদ্ধান্তে নিজেরাই নিজেদের যন্ত্রাংস নির্মাণের ইঙ্গিত দিয়েছে। হুয়াওয়ে ব্যবহারকারীদের কী হবে? ইতোমধ্যে যারা স্মার্টফোনটি ব্যবহার করে আসছেন তারা অ্যাপ আপডেট করতে পারবেন এবং গুগল প্লে সার্ভিসেও আপডেটেড থাকতে পারবেন। কিন্তু এ বছরের শেষে যখন গুগল অ্যান্ড্রয়েডের পরবর্তী ভার্সন বাজারে ছাড়বে, তখন সেটি হুয়াওয়ের স্মার্ট ডিভাইসে ব্যবহার করতে পারবে কি-না সে আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। অর্থাৎ, ভবিষ্যতের হুয়াওয়ের স্মার্ট ডিভাইসে ইউটিউব বা গুগল ম্যাপস এর মত অ্যাপ নাও থাকতে পারে। তবে ওপেন সোর্স লাইসেন্সের মাধ্যমে অ্যান্ড্রয়েডের যেই ভার্সনটি ব্যবহার করা যায় সেটি হুয়াওয়ের মাধ্যমে ব্যবহার করা যাবে। হুয়াওয়ের করণীয় কি হবে? গত বুধবার ট্রাম্প প্রশাসন হুয়াওয়েকে `এনটিটি লিস্ট` এ অন্তর্ভূক্ত করলে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানায় স্মার্টফোন প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী রেন ঝেংফেই জাপানি গণমাধ্যমকে বলেন, "আমরা এরকম কিছুর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। এখন থেকে আমরা নিজেদের যন্ত্রাংস নিজেরাই তৈরি করার পরিকল্পনার কথা ভাবছি। পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে বেশ কিছুদিন ধরেই সমালোচনার সম্মুখীন হচ্ছে হুয়াওয়ে। হুয়াওয়ের প্রযুক্তি ব্যবহার করে চীন তাদের নাগরিকদের ওপর নজরদারি করছে- এমন সন্দেহ পোষণ করা হয়েছে বেশ কয়েকটি দেশের পক্ষ থেকে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে হুয়াওয়ে কর্তৃপক্ষ। হুয়াওয়ে বলেছে, তাদের কাজের ধারা কোন ধরণের নিরাপত্তা হুমকি তৈরি করে না এবং চীনের সরকারের সঙ্গে তাদের কাজের কোন সম্পর্ক নেই। তা সত্ত্বেও কিছু দেশ হুয়াওয়ের পণ্যে তাদের মোবাইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ৫জি (ফাইভ জি) মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে।   তথ্যসূত্র: বিবিসি। আই// এসএইচ/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি