ঢাকা, ২০১৯-০৫-২৬ ১২:২০:৪০, রবিবার

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ৫ খাবার

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ৫ খাবার

উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন খুব সাধারণ একটি সমস্যা হলেও কখনও কখনও তা মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে! তাই চিকিত্‍সকদের মতে, জীবনযাত্রায় এবং খাদ্যতালিকায় সামান্য কয়েকটি পরিবর্তন আনতে পারলে ওষুধ ছাড়াই উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। আসুন এ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক: মেথি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে মেথি বীজ অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। মেথিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণযোগ্য ফাইবার যা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে শরীরে সোডিয়ামের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে মেথি। মূলা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পাতে রাখুন মূলা। এই সবজিতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। পালংশাক উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পাতে রাখুন পালংশাক। এতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে পটাশিয়াম ও লুটেইন। এই লুটেইন হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল রেখে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। গাজর উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে গাজর অত্যন্ত কার্যকরী একটি সবজি। গাজরে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে পটাশিয়াম যা রক্ত সঞ্চালনের গতি স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এর পাশাপাশি শরীরে সোডিয়ামের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে। তথ্যসূত্র: জি নিউজ এমএইচ/
টমেটোর কার্যকরি ৫ স্বাস্থ্যগুণ

টমেটোর চাটনি, টমেটো দিয়ে ডাল, মাছের ঝোলে টমেটো, স্যালাডে কাঁচা টমেটো এরকম বিভিন্ন  ধরণের রান্নায় টমেটো ব্যবহার করা হয়। টমেটো যারা ভালবাসেন, তারা প্রায় সব কিছুর সঙ্গেই খান এই সবজিটি। টমেটোতো রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল। আসুন জেনে নেওয়া যাক টমেটোর কয়েকটি আশ্চর্য গুণাগুণ: ১) ধূমপানের অভ্যাস ছাড়তে চাইছেন, অথচ বার বার ব্যর্থ হচ্ছেন? ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করতে টমেটোর সাহায্য নিতে পারেন। টমেটোয় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে কোমেরিক অ্যাসিড আর ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড। ধূমপানের ফলে শরীরে যে ক্ষতি হয়, তা ঠেকাতেও সাহায্য করে টমেটো। প্যাসিভ স্মোকিং-এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকেও রক্ষা করে টমেটো। ২) টমেটো খেলে হাড় মজবুত হয়। টমেটোয় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে আর ক্যালশিয়াম। মজবুত, সুস্থ হাড়ের জন্য এই দু’টি উপাদানই অত্যন্ত জরুরি। ৩) ক্যানসার প্রতিরোধে টমেটো অত্যন্ত কার্যকর! টমেটোয় থাকা লাইকোপেন উপাদানটি শরীরে ক্যানসারের কোষের বৃদ্ধি রুখতে সাহায্য করে। বিশেষত পাকস্থলী, প্রোস্টেট ক্যানসার ঠেকাতে টমেটো অত্যন্ত কার্যকরী! ৪) টমেটোর রস ত্বকের পক্ষে খুবই উপকারী! ত্বকের ট্যান, কালচে ছোপ দূর করতে টমেটোর রস অত্যন্ত কার্যকর। সেই সঙ্গে ব্রণ-ফুসকুড়ি নিরাময় করতেও সাহায্য করে। ৫) টমেটোর রসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে সালফার আর ক্লোরিন যা আপনার শরীর থেকে টক্সিন দূর করে ডিটক্স করতে সাহায্য করে। তথ্যসূত্র: জি নিউজ এমএইচ/

রাশিফল : আজকের দিনটি কেমন যাবে!

রাশি নিয়ে রয়েছে নানা ভাবনা। এটাকে কেউ বিশ্বাস করেন, আবার অনেকে বিশ্বাস করেন না। কিন্তু বিশ্বাস-অবিশ্বাসের প্রশ্ন নয়, দিনের শুরুতে মিলিয়ে নিন- কেমন যাবে আজকের দিনটি। আজ ১৮ মে ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, শনিবার। বাংলা ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ এবং ১২ রমজান ১৪৪০ হিজরি। নৈসর্গিক রাশিচক্রে রবি আজ বৃষ রাশিতে অবস্থান করছে। আজ যদি আপনার জন্মদিন হয় তবে পাশ্চাত্য জ্যোতিষে আপনি বৃষ রাশির জাতক/জাতিকা। আপনার জন্ম সংখ্যা : ৯। আপনার ওপর প্রভাবকারী গ্রহ : শুক্র ও মঙ্গল। আপনার শুভ সংখ্যা : ৬ ও ৯। শুভ বার : শুক্র ও মঙ্গল। শুভ রত্ন : হীরা ও রক্তপ্রবাল। জেনে নিন আজকে আপনার রাশিতে কী আছে— মেষ রাশি (২১ মার্চ-২০ এপ্রিল) : আপনি যদি মেষ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ ব্যবসায়িক দিক ভালো যেতে পারে। বিক্রয়-বাণিজ্যে লাভবান হতে পারেন। অংশীদারি কারবারে নিজের কর্তৃত্ব বজায় রাখা সহজ হতে পারে। কোনো ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সহযোগিতায় উপকৃত হতে পারেন। বৃষ রাশি (২১ এপ্রিল-২০ মে) : আপনি যদি বৃষ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আপনার ব্যক্তিগত দায়দায়িত্ব বৃদ্ধি পেতে পারে। কর্মস্থলে সহকর্মীদের সহযোগিতা নাও পেতে পারেন। শরীর ভালো নাও থাকতে পারে। মিথুন রাশি (২১ মে-২০ জুন) : আপনি যদি মিথুন রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ বিদ্যার্থীদের জন্য দিনটি শুভ। পড়াশোনায় মন বসাতে পারবেন। ধর্মীয় কাজে আনন্দ পাবেন। সৃজনশীল কাজে অংশ নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে সাফল্য লাভের সম্ভাবনা আছে। কর্কট রাশি (২১ জুন-২০ জুলাই) : আপনি যদি কর্কট রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকতে পারে। প্রয়োজনে তাদের সহযোগিতা পেতে পারেন। জ্ঞানস্পৃহা বৃদ্ধি পাবে। চলাফেরায় সতর্ক থাকুন। উত্তেজনা ক্ষতির কারণ হতে পারে। সিংহ রাশি (২১ জুলাই-২১ আগস্ট) : আপনি যদি সিংহ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে কাজকর্মে উত্সাহবোধ করতে পারেন। প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকতে পারে। কণ্ঠসংক্রান্ত কোনো সমস্যায় ভুগতে পারেন। কন্যা রাশি (২২ আগস্ট-২২ সেপ্টেম্বর) : আপনি যদি কন্যা রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে অধীনস্তদের কাজে লাগানো সহজ হতে পারে। মূল্যবোধ সমুন্নত থাকতে পারে। আর্থিক দিক ভালো যেতে পারে। পাওনা টাকা আদায়ের জন্য তাগাদা দিন। তুলা রাশি (২৩ সেপ্টেম্বর-২২ অক্টোবর) : আপনি যদি তুলা রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ আত্মপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা জোরদার করুন। সেক্ষেত্রে সাফল্য পেতে পারেন। শরীর ভালো থাকতে পারে। ভালো ব্যবহার দিয়ে কাজ আদায় করার চেষ্টা করুন। ব্যক্তিত্ববোধ বজায় রাখুন। বৃশ্চিক রাশি (২৩ অক্টোবর-২১ নভেম্বর) : আপনি যদি বৃশ্চিক রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ কোনো পূর্বকর্মের ফল ভোগ করতে পারেন। ব্যক্তিগত কোনো ব্যর্থতার জন্য মন খারাপ হতে পারে। গোপন শত্রুরা ক্ষতি করার চেষ্টা করতে পারে। মামলা-মোকদ্দমা এড়িয়ে চলুন। ধনু রাশি (২২ নভেম্বর-২০ ডিসেম্বর) : আপনি যদি ধনু রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ আপনার আর্থিক দিক ভালো যাবে। ট্রেড ইউনিয়ন-কর্মীদের জন্য দিনটি শুভ। সাংগঠনিক কাজে সুফল পাবেন। পেশাগত যোগাযোগ চালিয়ে যান। মকর রাশি (২১ ডিসেম্বর-১৯ জানুয়ারি) : আপনি যদি মকর রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ আপনার কর্মপরিবেশ অনুকূল থাকবে। কর্মস্থলে সহকর্মীদের সহযোগিতা পেতে পারেন। কর্মস্থলে নিজের কর্তৃত্ব বজায় রাখতে পারবেন। পিতৃস্বাস্থ্য ভালো যেতে পারে। পাবলিক ইমেজ বৃদ্ধি পাবে। কুম্ভ রাশি (২০ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি) : আপনি যদি  কুম্ভ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে কাজকর্মে ভাগ্যের আনুকূল্য পেতে পারেন। পেশাগত দিক ভালো যাবে। কোনো আশা পূরণ হতে পারে। জ্ঞানস্পৃহা বৃদ্ধি পাবে। ভ্রমণ ফলপ্রসূ হতে পারে। মীন রাশি (১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ) : আপনি যদি মীন রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে সামাজিক সংকট এড়িয়ে চলুন। রিপুকে সংযত রাখুন। শরীর ভালো নাও থাকতে পারে। ব্যবসায়িক দিক ভালো নাও যেতে পারে। আজ কোনো ঝুঁকি নেওয়া ঠিক হবে না। এসএ/  

পরীক্ষার প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ ১২ পরামর্শ

পরীক্ষার আগে শেষমুহূর্তের প্রস্তুতি বা রিভাইজের সময় আপনি চাইলে নিজের স্মৃতিশক্তি আরও বাড়াতে পারেন। সেই সাথে গভীর মনোযোগ এবং মেজাজও আরও উন্নত করতে পারেন। স্নায়ুরোগ রোগ বিশেষজ্ঞ, মনোবিজ্ঞানী এবং পুষ্টিবিদদের সম্পাদিত গবেষণালব্ধ মূল্যবান তথ্য সন্নিবেশিত করা হয়েছে এখানে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীর পরামর্শও সংযুক্ত করা হয়েছে। সবার পরামর্শগুলো টিপস আকারে উল্লেখ করা হলো: সকালের নাশতা বাধ্যতামূলক আমাদের দেহের কার্যক্রম স্বাভাবিক ভাবে চালানোর জন্য দরকার শক্তি। এবং মস্তিষ্কের মনোযোগ ধরে রাখারা ক্ষমতা এবং একাগ্রতা আসে শক্তির পর্যাপ্ত, ধারাবাহিক সরবরাহ থেকে যা আসে গ্লুকোজ রূপে । গবেষণায় দেখা গেছে যেসমস্ত শিক্ষার্থীরা সকালের নাশতা ঠিকমত খেয়েছে তারা পরীক্ষায় তুলনামূলক ভালো করেছে। কারণ তাদের মনোযোগ দিতে এবং বিভিন্ন তথ্য স্মরণ করতে সহজ হয়েছে। সুতরাং অবশ্যই সকালবেলা আপনাকে কিছুটা কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা জাতীয় খাবার গ্রহণ করতেই হবে যেটা ধীরে ধীরে শরীরে শক্তি যোগাবে। যেটা হতে পারে ওটস, রুটি বা কম চিনি যুক্ত সিরিয়াল। আপনার প্রোটিনের চাহিদাও কিছুটা পূরণ করতে হবে দুধ, দই কিংবা ডিম খেয়ে। অন্যান্য বেলার খাবারে মস্তিষ্কের জন্য ভালো এমন খাবার বেছে নিতে হবে, যেমন ডিম, তেল সমৃদ্ধ মাছ যেমন ম্যাকেরেল, সার্ডিনস এবং স্যামন মাছ, এছাড়া খেতে হবে হোল-গ্রেন (শস্যদানা), বাঁধাকপি, ব্রকলি, টমেটো, স্পিনার, অ্যাভাকাডো ইত্যাদি। সেইসাথে নির্দিষ্ট সময়ে কোন একটি স্ন্যাকস বা জলখাবার খাওয়ার কথা ভুলে গেলে চলবে না। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার স্বল্প-স্থায়ী স্মৃতি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। সেইসাথে বদলে দিতে পারে মুড। ব্লুবেরি, বাদাম, স্ট্রবেরি, জলপাই, কুমড়োর বিচি এবং ডাক চকোলেট একইসঙ্গে দেহ এবং মনের খাদ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আগেভাগেই শুরু করা পরীক্ষার দিন ঘনিয়ে আসার আগেভাগেই শুরু করতে হবে প্রস্তুতি যা আপনাকে শান্ত ও স্থির রাখতে সাহায্য করবে। সকাল বেলা পড়ার চেষ্টা করুন কেননা সেইসময় ব্রেইন সতেজ এবং শিথিল থাকে। রিভিশন কখনোই পরের বেলার জন্য রেখে দেওয়া সঠিক কাজ নয় কারণ দুপুর বা বিকেলের দিকে আপনি আরও বেশি ক্লান্ত বোধ করতে পারেন । সবচেয়ে ভালো হয় যদি রিভিশন দেওয়ার জন্য একটি রুটিন তৈরি করে নেয়া যায়: এর ফলে প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে পাঠ শুরু এবং শেষ করা সম্ভব হবে। যে বিষয়টিতে ফোকাস করবেন তা ঠিক করুন মৌখিক পরীক্ষা? প্র্যাকটিক্যাল? নাকি বিষয় ভিত্তিক? বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের মনোভাব কাজ করে। সুতরাং পরীক্ষার ধরণ বুঝে কি পরিমাণ সিলেবাস বা পাঠ্যসূচি পড়তে হবে তা অনুধাবন করতে হবে। সহজবোধ্য বিষয়ের ক্ষেত্রে সমগ্র বিষয় বড়বার প্রয়োজন নাও হতে পারে। সেখানে নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ের ওপর ফোকাস ঠিক করে সে বিষয়ে গভীরভাবে পাঠ নিতে হবে। আবার মাল্টিপল চয়েস কোয়েশ্চেন বা নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্রের ক্ষেত্রে আরও বিশদ পাঠের প্রয়োজন হবে। পরিকল্পনা গ্রহণ এটাকে সময়সাপেক্ষ মনে হতে পারে কিন্তু একটি পূর্ণাঙ্গ রিভিশন পরিকল্পনা প্রকৃতপক্ষে আপনার সময়কে বাঁচিয়ে দেবে। প্রতিদিন কতটুকু রিভাইজ দেবেন সেটা ভাববার জন্য এক মিনিটও সময় নষ্ট করতে হবেনা। এটা আপনার পাঠের কতটা অগ্রগতি হল সেটা যাচাই করারও একটা উপায় বটে। সময়সূচী যতটা সম্ভব বিস্তারিত বা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে নির্ধারণ করে নিন -এর সাথে যত সম্পর্কিত পেপার বা নোট দেখতে হতে পারে তা-ও যুক্ত করুন। এবং সামাজিকতা, শরীরচর্চা কিংবা অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিরতি নিতে কখনোই ভুলে গেলে চলবে না। ‘বিরতি’ হতে পারে আপনার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু একটি বিষয় একদিনে ১০ ঘণ্টা পড়ার চেয়ে ১০ দিন ধরে এক ঘণ্টা করে পাঠ অধিক উপকারী। তথ্যগুলো স্মৃতিতে গেঁথে রাখার ক্ষেত্রে সময় প্রয়োজন কিন্তু বিরতিময় কৌশল প্রমাণ করেছে যে সবচেয়ে কার্যকর। এই পদ্ধতিতে একেকটি রিভিশনের মধ্যবর্তী সময়ে পাঠ ভোলার এবং তা পুনরায় আত্মস্থ করার জন্য সময় রাখার নিয়ম। এই কৌশলটিকে লেখাপড়া এবং মুখস্থ করার ক্ষেত্রে গবেষণার ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী হিসেবে বলা হয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে একেকটি পরীক্ষার ক্ষেত্রে নেয়া কৌশল অন্য ধরনের পরীক্ষার ক্ষেত্রে কার্যকর নাও হতে পারে। যে কারণে সবসময় রিভিশন শুরু করতে হবে আগেভাগে। তাই অভিনব জিনিসের পেছনে সময় এবং টাকার অপচয় করে লাভ নেই পরীক্ষার সময় তা কোন কাজেই আসবে না। নিজেকে যাচাই করুন ‘নিজেকে যাচাইকরণ’ অবশ্যই তথ্য-উপাত্ত মনে রাখার অন্যতম কার্যকর উপায়, এমনটাই বলেছেন মনোবিজ্ঞানী এবং স্নায়ুবিজ্ঞানীরা। এর ফলে কোনকিছু মুখস্থ করার চেয়ে তা বোঝা অনেক বেশি সহায়ক হয়, এবং সেটা আপনার জ্ঞানের কোন ফাঁক-ফোকর থাকলে তা অনুধাবন করতে সুযোগ দেয়। রিভিশন সেশন শেষ হলে প্রশ্নোত্তর অনুশীলন কিংবা নিজেকে কুইজ করার মধ্য দিয়ে যাচাই করা সম্ভব। নিজেই হয়ে উঠুন শিক্ষক তো আপনি রিভাইজ দিয়েছেন, নিজেকে যাচাই করেছেন-এরপর কী? এবার গিয়ে নিজের লব্ধ জ্ঞান অন্য একজন কাউকে শেখাতে শুরু করুন, অবশ্যই। এটা একটা বহুল পরিচিত কৌশল। এটা আপনার স্মরণশক্তিকে উদ্দীপিত করে এবং মনে রাখতে সাহায্য করে। আর অন্য কাউকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য আপনার নিজেকে একটি পরিষ্কার এবং কাঠামোগত পদ্ধতিতে আপনার জ্ঞান অর্জন করতে হবে-সেটাও বড় ভূমিকা রাখবে। স্মার্ট হয়ে উঠুন এবং ফোনটি লুকিয়ে রাখুন ফোনের তো অবশ্যই প্রয়োজনীয়তা আছে কিন্তু লেখাপড়ার সময় নয়। সোশ্যাল মিডিয়া এবং চ্যাট অ্যাপ্লিকেশনের টোপ আপনাকে বিভ্রান্ত করবে। এটা পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে যত বেশি আপনি ফোন নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন আপনার নম্বর বা গ্রেড তত কম হবে। এবং এমনকি ভাববেন না যে আপনি টেবিলের উপর ফোনটি রেখে দেবেন এবং তা স্পর্শ করবেন না: গবেষণায় দেখা গেছে যে সামনে থাকা ফোনটির দিকে কেবল তাকালেও আপনার মনোযোগ নষ্ট করে দেয়া জন্য তা যথেষ্ট। মিউজিক কম, নীরবতা বেশি যেসব শিক্ষার্থীরা গান শুনতে শুনতে পড়াশোনা করেন তাদের তুলনায় যারা শান্ত নিরিবিলি পরিবেশ লেখাপড়া করেন তাদের স্মরণশক্তি ভালো হয়। গবেষণায় এমনটাই দেখা গেছে। সুতরাং পাঠের কক্ষের পরিবেশও গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত বিরতি, মুক্ত বাতাস এবং ব্যায়াম কার্যকর রিভিশন মানে একটানা পড়ে যাওয়া নয়: মাঝে মাঝে বিরতি মস্তিষ্ককে অধিক কর্মক্ষম রাখে। আপনার দেহ ও মন একে অপরের সাথে অন্তর্নিহিত-ভাবে সম্পর্কিত। শরীরচর্চা রক্ত প্রবাহ সচল রাখে, মস্তিষ্কে আরও অক্সিজেন সরবরাহ করে, ফলে কার্যক্ষমতাও ভালো হয়। নিয়মিত ব্যায়াম উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে । প্রকৃতির সান্নিধ্যে মুক্ত বাতাসে কিছু সময় কাটিয়ে নিজের পড়ার ডেস্কে ফিরে আসতে পারেন সতেজ হয়ে এবং তা আপনাকে আরও মনোযোগ দিতে সাহায্য করবে। ঘুম পরীক্ষার আগের রাতে অবশ্যই রাতে ভালো ঘুম দিতে হবে, কিন্তু সেটা পুরো রিভিশন কালীন সময়েই প্রয়োজন। নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে গেলেই আপনি সকালে নির্দিষ্ট সময়ে জেগে উঠতে পারবেন। কখনো কখনো রাতের বেলা রিভিশন দেয়ার প্রয়োজনীয়তা হতে পারে তবে চেষ্টা করতে হবে তেমন পরিস্থিতি এড়াতে। ঘুমানোর সময় নিয়মিত রাখার চেষ্টা করুন এবং মোবাইল বা রাতে টেলিভিশন স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা বন্ধ করুন। শান্ত স্থির এবং ইতিবাচক থাকুন শীর্ষস্থানীয় মনোবিজ্ঞানী, স্নায়ুবিজ্ঞানী এবং শিক্ষাবিদদের কাছ থেকে পাওয়া এইসব পরামর্শ এখন আপনার কাছে আছে যা আপনাকে আরও ভালোভাবে জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করবে। সুতরাং কাজে লাগান একে। অন্তত আগের প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের চেয়ে আপনি এখন বেশি ভালো জানেন কিভাবে নিজের পরীক্ষার প্রস্তুতি আরও ভালোভাবে নিতে হবে। এবং কিভাবে নিজের স্মরণশক্তি, মন-মেজাজ এবং মনোযোগ আরও উন্নত করতে পারবেন-তাও জানা আছে। তাই পুরো প্রক্রিয়া-জুড়ে শান্ত এবং ইতিবাচক থাকার চেষ্টা করুন এবং যদি আপনার কখনো খারাপ সময় আসে তাহলেও। শেষকথা হল, পরীক্ষা শেষ হয়ে গেলে অবশ্যই নিজেকে পুরস্কৃত করতে ভুলে যাবেন না। তথ্যসূত্র: বিবিসি এমএইচ/

রাশিফল : কেমন যাবে আজকের দিনটি!

রাশি নিয়ে রয়েছে নানা ভাবনা। এটাকে কেউ বিশ্বাস করেন, আবার অনেকে বিশ্বাস করেন না। কিন্তু বিশ্বাস-অবিশ্বাসের প্রশ্ন নয়, দিনের শুরুতে মিলিয়ে নিন- কেমন যাবে আজকের দিনটি। আজ ১৭ মে ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, শুক্রবার। বাংলা ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ এবং ১১ রমজান ১৪৪০ হিজরি। নৈসর্গিক রাশিচক্রে রবি আজ বৃষ রাশিতে অবস্থান করছে। আজ যদি আপনার জন্মদিন হয় তবে পাশ্চাত্য জ্যোতিষে আপনি বৃষ রাশির জাতক/জাতিকা। আপনার জন্ম সংখ্যা : ৮। আপনার ওপর প্রভাবকারী গ্রহ : শুক্র ও শনি। আপনার শুভ সংখ্যা : ৬ ও ৮। শুভ বার : শুক্র ও শনি। শুভ রত্ন : হীরা ও নীলা। জেনে নিন আজকে আপনার রাশিতে কী আছে— মেষ রাশি (২১ মার্চ-২০ এপ্রিল) : আপনি যদি মেষ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ ব্যবসায়িক দিক মোটামুটি ভালো যেতে পারে। যৌথ ব্যবসায় নিজের কর্তৃত্ব বজায় রাখতে চেষ্টা করুন। পারস্পরিক সামাজিক সম্পর্ক বজায় রাখুন। আপনজন কেউ শত্রুতা করতে পারে। বৃষ রাশি (২১ এপ্রিল-২০ মে) : আপনি যদি বৃষ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আপনার শত্রুপক্ষের তৎপরতা বৃদ্ধি পেতে পারে। নিজের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। শারীরিক অসুখ-অশান্তিকে অবহেলা করা ঠিক হবে না। প্রয়োজনে চিকিৎকের পরামর্শ নিন। মিথুন রাশি (২১ মে-২০ জুন) : আপনি যদি মিথুন রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ সন্তানের কোনো বিষয় ভাবনার কারণ হতে পারে। পড়াশোনার প্রতি অধিকতর মনোযোগী হওয়ার চেষ্টা করুন। নিজের মনোভাব স্পষ্টভাবে প্রকাশ করুন। অন্যথায় সুযোগ হারাতে পারেন। কর্কট রাশি (২১ জুন-২০ জুলাই) : আপনি যদি কর্কট রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আধ্যাত্মিকতার প্রতি অনুরাগ বোধ করতে পারেন। জ্ঞানস্পৃহা বৃদ্ধি পাবে। শরীর হঠাৎ অসুস্থ হতে পারে। উত্তেজনা পরিহার করুন। পথ চলাচলে সতর্ক থাকুন। সিংহ রাশি (২১ জুলাই-২১ আগস্ট) : আপনি যদি সিংহ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে দিনটি মিশ্র সম্ভাবনাময়। ঠান্ডা ও ধুলাবালি থেকে সতর্ক থাকুন। পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে চলুন। গলায় কোনো সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রাপ্ত তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে নিন। কন্যা রাশি (২২ আগস্ট-২২ সেপ্টেম্বর) : আপনি যদি কন্যা রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে দিনটি মিশ্র সম্ভাবনাময়। পুরনো কোনো আত্মীয়ের সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে। পাওনা টাকা আদায় বিলম্বিত হতে পারে। আজ কাউকে কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়া ঠিক হবে না। তুলা রাশি (২৩ সেপ্টেম্বর-২২ অক্টোবর) : আপনি যদি তুলা রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ নিজেকে যথাযথভাবে প্রকাশ করার চেষ্টা করুন। অসুস্থদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতে পারে। ভালো ব্যবহার দিয়ে কাজ আদায় করার চেষ্টা করুন। জ্ঞাতিশত্রু সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। বৃশ্চিক রাশি (২৩ অক্টোবর-২১ নভেম্বর) : আপনি যদি বৃশ্চিক রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ অনভিপ্রেত কোনো সংবাদ পেতে পারেন। মামলা-মোকদ্দমা কিছু থাকলে তার ফল বিপক্ষে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। ঋণগ্রস্ত হতে পারেন। শরীর ভালো যাবে না। অবহেলা না করে চিকিত্সা নিন। ধনু রাশি (২২ নভেম্বর-২০ ডিসেম্বর) : আপনি যদি ধনু রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে বড় ভাইবোনদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন। প্রয়োজনে তাদের সহযোগিতা পেতে পারেন। আর্থিক দিক ভালো যেতে পারে। পেশাগত দিক ভালো যাবে। মনের কোনো আশা পূরণ হতে পারে। মকর রাশি (২১ ডিসেম্বর-১৯ জানুয়ারি) : আপনি যদি মকর রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে সামাজিক কাজে অংশ নিতে পারেন। সুনাম ও মর্যাদা বৃদ্ধি পেতে পারে। পিতৃস্বাস্থ্য ভালো যাবে। কোনো আশা পূরণ হতে পারে। কর্মপরিবেশ অনুকূল থাকতে পারে। কুম্ভ রাশি (২০ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি) : আপনি যদি  কুম্ভ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আধ্যাত্মিকতার প্রতি অনুরাগ বৃদ্ধি পেতে পারে। জীবনকে অর্থবহ করার চেষ্টা করুন। কোনো সেলাকের পরামর্শে উপকৃত হতে পারেন। ভাগ্যোন্নয়নের প্রচেষ্টা জোরদার করুন। তীর্থযাত্রা শুভ। মীন রাশি (১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ) : আপনি যদি মীন রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে ব্যবসায়িক দিক ভালো যাবে না। বিক্রয়-বাণিজ্যে লোকসান হতে পারে। ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ এড়িয়ে চলুন। শরীর ভালো যাবে না। অবহেলা না করে চিকিত্সা নিন। এসএ/  

যে পাঁচটি বিষয় গোপন করে পুরুষরা

প্রতি ৪০ সেকেন্ডে পৃথিবীতে একজন ব্যক্তি আত্মহত্যা করে। যারা নিজের জীবন এভাবে শেষ করে দেন এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তারা পুরুষ। নিজেদের সমস্যা নিয়ে কথা বলা অথবা কোন বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়ার প্রবণতা সম্ভবত তাদের কম। এক্ষেত্রে জেনে নেয়া জরুরি যে পাঁচটি বিষয় নিয়ে পুরুষদের কথা বলা দরকার। নিঃসঙ্গতা বিবিসি নিজে ওয়েলকাম কালেকশন নামে একটি সংস্থার সাথে নিঃসঙ্গতা নিয়ে জরিপ চালিয়েছিল। তাতে দেখা গেছে, ১৬ থেকে ২৪ বছর বয়সীরা সবচেয়ে বেশি নিঃসঙ্গতা অনুভব করে। খুব দীর্ঘ সময়ের নিঃসঙ্গতা একজন মানুষের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। গবেষণায় দেখা গেছে সহজে নিরাময় হয়না শরীরে এমন রোগের জন্ম দেয় নিঃসঙ্গতা। তা মানুষের মধ্যে বেপরোয়া আচরণের জন্ম দেয়। একাকীত্বের সাথে স্মৃতিভ্রংশ জনিত রোগেরও সম্পর্ক রয়েছে। ২০১৭ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা বলছে বিশেষ করে পুরুষদের জন্য এই নিঃসঙ্গতা থেকে বেরিয়ে আসা মুশকিল। এই গবেষণার প্রধান রবিন ডানবার বলছেন, যোগাযোগ ও বন্ধুত্ব বজায় রাখার ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের মধ্যে বিশাল ফারাক তারা দেখতে পেয়েছেন। পুরুষরা নিজেদের একাকীত্ব স্বীকারও করেন না। ২০১৭-১৮ সালে যুক্তরাজ্যের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, `একা বোধ করি না` এই কথাটিই বরং পুরুষরা মেয়েদের তুলনায় বেশি বলেন। কান্না ও পুরুষালী ধারনা সমাজের প্রচলিত একটি কথাই রয়েছে যে `ছেলেদের কাঁদতে নেই`। যুক্তরাজ্য ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইউগভ-এর ২০১৮ সালের এক হিসেব অনুযায়ী দেশটির ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী পুরুষদের ৫৫ শতাংশ মনে করেন কান্না পুরুষের আচরণের সাথে যায় না বা কান্না পুরুষালী বিষয় নয়। আত্মহনন প্রবণতায় ভোগে এমন মানুষদের সহায়তা করে অস্ট্রেলিয়ান দাতব্য প্রতিষ্ঠান লাইফলাইন। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক কোলম্যান ওড্রিসকল বলছেন, "আমরা খুব ছোটবেলা থেকে ছেলেদের এমনভাবে তৈরি করি যেন তাদের আবেগ প্রকাশ করতে নেই। সমাজ সেভাবেই ছেলেদের বড় করে তোলে। তাদের ধারনা দেয়া হয় যে আবেগ প্রকাশ করা দুর্বলতার লক্ষণ।" অথচ বহু গবেষণায় দেখা গেছে নিজের মন হালকা করার জন্য কান্না খুব কাজে আসে। পুরুষের দায়িত্বের চাপ যুক্তরাজ্যে এক গবেষণায় দেখা গেছে ৪২ শতাংশ পুরুষরা মনে করে তাদের নারী সঙ্গীদের তুলনায় তাদের আয় বেশি হওয়া উচিৎ। সে রকম একজন নাইজেরিয়ান ফুটবলার অলুমাইড ডরুযাইয়ে। তিনি বলছেন, "আমি দেখেছি আমার বাবা ছিলেন পরিবারের প্রধান রুটির যোগানদাতা। দিনরাত খাটতেন। আমিও সেরকমই হয়েছি। যেকোনভাবেই হোক আমাকে অর্থ উপার্জন করতে হয়েছে কারণ আমাকে সেই পুরুষের ভূমিকাটি নিতে হয়েছে।" পরিবারের সবার রুটির যোগান দেয়া পুরুষের দায়িত্ব এই ধারনার কারণে পুরুষরা অনেকেই বাড়তি চাপের মধ্যে থাকেন। পুরুষদের জন্য এই দায়িত্ব বাড়তি বোঝা বলে মনে করা হয়। অর্থনৈতিক বোঝা মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে। বেকারত্বের সাথে আত্মহত্যার সম্পর্ক রয়েছে বলে ২০১৫ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ও বাস্তবতা গবেষকরা বলছেন, মানসিক স্বাস্থ্যের উপর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম সম্ভবত খুব গভীর প্রভাব ফেলছে। যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা বলছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা যত বেশি সময় কাটাই তাতে আমরা আরও বেশি নিঃসঙ্গ ও বিষণ্ণ হয়ে পড়ি। এই গবেষণার লেখক মেলিসা হান্ট বলছেন, "সামাজিক যোগাযোগের ব্যবহার কমিয়ে দিলে সাধারণত বিষণ্ণতা ও নিঃসঙ্গতার মাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসে।" কিন্তু সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এমন কি আছে যা আসলে ক্ষতিকর? মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক অস্কার ইয়াবারা বলছেন, "সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে যা দেখা যায় তা খুব কম ক্ষেত্রেই বাস্তব জীবনের প্রতিফলন। আপনি এতে ঢুকে যা দেখছেন তা সচরাচর খুবই বাছাই করা বিষয়াদি। কিন্তু মানুষ তবুও নিজের জীবনের সাথে তার তুলনা করে।" নিজের শরীর সম্পর্কে ধারণা যুক্তরাজ্যে গত বছর লাভ আইল্যান্ড নামে টেলিভিশনে একটি রিয়ালিটি শোতে অংশ নিয়ে কিছুটা খ্যাতি অর্জন করেছিলেন এমন একজন জশ ডেনজেল। তিনি বলছেন, এই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার আগে তিনি সারাদিন জিমে কাটাতেন। তারপরও আয়নায় নিজের দিকে তাকাতেন এবং নিজের শরীর নিয়ে সংকোচ বোধ করতেন। তিনি বলছেন, "এখনো সৈকতে হয়ত আমার পাশ দিয়ে দারুণ সিক্স প্যাক শরীর নিয়ে কেউ হেঁটে যাচ্ছে, আমি তখন নিজের দিকে তাকিয়ে নিজেকেই খুব হীন পুরুষ মনে হয়েছে।" তরুণ প্রজন্মের মধ্যে একটি দারুণ ফিগার নিয়ে এখন অনেকেই খুব চিন্তা করেন। তাই স্থূল হয়ে যাওয়া বা শরীরের কোন খুঁতের সাথেও মানসিক স্বাস্থ্যের যোগসূত্র রয়েছে বলে মনে করা হয়। উপরোক্ত বিষয়ে পুরুষদের গোপন না করে খোলাখুলি আলাপ করাকেই এখন উৎসাহিত করা হচ্ছে। নিজের আবেগকে দুরে ঠেলে না দিয়ে, বোতলবন্দি করে না রেখে তার সংস্পর্শে এলেই বরং মানসিক স্বাস্থ্যের উপকার হয়- সেই বার্তা দেয়া হচ্ছে পুরুষদের। সূত্র: বিবিসি বাংলা

চুল পড়া আটকাতে কার্যকরি ৪ খাবার

চুল ঝরে যাওয়াটা নিতান্তই একটি স্বাভাবিক ব্যপার। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন যতটা পরিমাণ চুল ঝরে যায়, মোটামুটি সেই পরিমাণ চুলই আবার নতুন করে গজিয়ে যায়, এটাই স্বাভাবিক নিয়ম। এ বিষয়ে চুল এবং চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, দৈনিক ৫০ থেকে ১০০টি চুল ঝরে যাওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু রোজ ঠিক কতটা পরিমাণ চুল ঝরছে আর কতটা চুল নতুন করে গজাচ্ছে, তার হিসেব রাখাটা অসম্ভব।তাই চুল ঝরতে দেখলেই আতঙ্ক হয়। বেশ কয়েকটি কারণে অকালে চুল ঝরে যেতে পারে। তার মধ্যে মাত্রাতিরিক্ত মানসিক চাপ, ব্যাকটেরিয়ার কারণে সংক্রমণ বা অ্যালার্জি, রক্তাল্পতা, আবহাওয়া, অপুষ্টি এবং খারাপ জল অন্যতম। তবে অকালে চুল ঝরে যাওয়ার ক্ষেত্রে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কারণ হিসেবে সামনে আসে অপুষ্টি। পুষ্টিবিদদের মতে, কয়েকটি খাবার বা মশলা নিয়মিত খেতে পারলে অপুষ্টিজনিত কারণে চুল ঝরা বন্ধ হয়ে যাবে। নতুন চুলও গজাবে। আসুন এ বিষয়ে সবিস্তারে জেনে নেওয়া যাক: পালং শাক পালং শাকে রয়েছে ভিটামিন বি, সি, ই, আর ভিটামিন এ। এ ছাড়াও এতে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ও আয়রন। এই উপাদানগুলি চুলের গোড়া শক্ত করতে সাহায্য করে। আমলকী আমলকীতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। চুলের পরিচর্যায় যুগ যুগ ধরেই আমলকীর ব্যবহার হয়ে আসছে। প্রতিদিন একটা করে আমলকী খেতে পারলে অকালে চুল ঝরে যাওয়া থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব। নারকেল তেল নারকেল তেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে লরিক অ্যাসিড যা চুলে প্রোটিনের জোগান দিয়ে গোড়া মজবুত করতে সাহায্য করে। মাথায় নারকেল তেল মাখতে পারলে অকালে চুল ঝরে যাওয়ার সমস্যা দূর হয়।তবে তা অবশ্যই খাটি নারকেল তেল হতে হবে। মেথি চুলের পরিচর্যায় মেথি অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। মেথিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও নিকোটিনিক অ্যাসিড যা চুলের গোড়া শক্ত করে অকালে অতিরিক্ত চুল ঝরে যাওয়া রুখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন মেথি ভেজানো পানি খেতে পারলে ফল পাবেন হাতে নাতে। তবে মেথি খেতে হবে পরিমাণ মতো। তথ্যসূত্র: জি নিউজ এমএইচ/

হাত মিলিয়েই বুঝে নিন সামনের মানুষটি কেমন

একজন মানুষের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ থেকে তার সম্পর্কে অনেক কিছু জানা যেতে পারে, যদি আপনার শরীরের ভাষা পড়ার ক্ষমতা থাকে। ঠিক তেমনই নতুন আলাপ হওয়া কারোর সঙ্গে হ্যান্ডশেক করার সময়ই তার মনোভাব কিছুটা আঁচ করা যেতে পারে বৈকি। হ্যান্ডশেকেরও রকমফের রয়েছে আর এই রকমফেরই বলে দেবে আপনার উলটোদিকের মানুষটি কী ভাবছেন। ১. হ্যান্ডশেক করার সময় যদি হাতের তালু ঘামে ভিজে থাকে, তাহলে বুঝবেন সামনের মানুষটি রীতিমত ভয় পেয়ে আছেন। খুব সম্ভবত তার আত্মবিশ্বাসের অভাব রয়েছে। আর সেই কারণেই ঘাবড়ে আছেন তিনি। ২. যার সঙ্গে হ্যান্ডশেক করছেন, তার হাত যদি খুব ঠাণ্ডা থাকে তাহলে বুঝবেন মানুষটি আপনার সঙ্গে আলাপে খুব একটা আগ্রহী নন। ঠাণ্ডা হাতে যারা হ্যান্জশেক করেন, তারা খুব একটা মিশুকে হন না, নিজকে নিয়েই থাকতে ভালোবাসেন। ৩. খুব আগ্রহ নিয়ে জোরে জোরে বারবার হাত ঝাঁকিয়ে এবং খুব জোরে চাপ দিয়ে যারা হাত মেলান, তাদের সব সময় বিশ্বাস না করাই ভালো। হতে পারে তিনি মানুষটিই এ রকম। আবার এটাও হতে পারে তিনি অতিরিক্ত আগ্রহ দেখিয়ে আসলে কিছু আড়াল করার চেষ্টা করছেন। ৪. একহাত দিয়ে হাত মিলিয়ে অন্যহাতটি সেই হাতের ওপরে রেখেও অনেকে হ্যান্ডশেক করেন। কারোর প্রতি মনযোগ ও ভালোবাসা বোঝাতেই এভাবে হ্যান্ডশেক করা হয়ে থাকে। সূত্র: এই সময় একে//

রমজানে অত্যন্ত উপকারি তরমুজ শরবত

চলছে পবিত্র মাহে রমজান। বাইরে বের হলেই প্রচণ্ড গরম। গরমে ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের হয়ে যাচ্ছে। ইফতারে শরীরে পানির চাহিদা পূরণে খেতে পারেন তরমুজের জুস। গরমের সময় তরমুজের সরবত খুবই উপকারি৷ এই প্রবল গরমেই চলছে রমজানের উপবাস৷ যারা রোজা রাখছেন তাদের কাছে তরমুজের জুস বিশেষ পছন্দের৷ কারণ তরমুজের শতকরা ৯২ ভাগই জল। তাই তরমুজ খেলে সহজেই তৃষ্ণা মেটে। তরমুজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বিটা ক্যারোটিন। এতে চোখ ভালো থাকে৷ দেহে জলের ঘাটতি দূর হয়৷ কেন খাবেন তরমুজের সরবত? তরমুজের সরবত গরমে শরীর ঠাণ্ডা রাখে,তরমুজের থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড ক্রমাগত নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি করে রক্তের স্বাভাবিক কার্যপ্রণালী বজায় রাখে, প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ। এতে আরো রয়েছে বিটা ক্যারোটিন যা চোখ ভালো রাখে, ত্বক উজ্জ্বল ও সুস্থ থাকে, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি১ শরীরে এনার্জি তৈরিতে সাহায্য করে। এছাড়াও শরীরের জলশূন্যতা দূর করে, উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকিও কমায়, অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, প্রোস্টেট ক্যানসার, কোলন ক্যানসার ও ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি কমে। তথ্যসূত্র: কলকাতা ২৪×৭ এমএইচ/

সুস্থ থাকতে ব্রেকফাস্টে মেনে চলুন ৪ নিয়ম

সুস্থ থাকার জন্য প্রাতরাশ বা ব্রেকফাস্ট খুবই জরুরি। পুষ্টিবিদদের মতে, যদি ব্রেকফাস্টে পেট ভরে খাওয়া যায়, তাহলে সারাদিন হালকা খাবার-দাবার খেয়েও সুস্থ থাকা যায়। এক কথায় সুস্থ থাকতে গেলে ব্রেকফাস্ট ‘মাস্ট’! কিন্তু ব্রেকফাস্টে কী খাচ্ছেন, সেটা খুব জরুরি। কারণ, স্লিম হওয়ার জন্য ব্রেকফাস্টে তেমন কিছুই মুখে তুললেন না বা এক সঙ্গে অনেক কিছু খেয়ে নিলেন— দু’টোতেই ফল হবে উল্টো! তাই সঠিক নিয়ম মেনে ব্রেকফাস্ট খুবই জরুরি। ছিপছিপে সুন্দর চেহারা পেতে এই ৪টি নিয়ম মেনে ব্রেকফাস্ট করুন... ১) ব্রেকফাস্টে পেট ভরে খান প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার-দাবার। শাক-সবজি, ডিম খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে একই সঙ্গে শরীরে হোমোভ্যালিনিক অ্যাসিডের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে। এই হোমোভ্যালিনিক অ্যাসিড মস্তিষ্কে ডোপেমাইন হরমোনের ক্ষরণ বাড়ায় যা মস্তিষ্ক আর শরীরের সংযোগ স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২) ব্রেকফাস্টে খান চা বা কফি। তবে সেই চা বা কফি খান দুধ ছাড়া। দুধ ছাড়া চা, কফি ‘ফ্যাট অক্সিডেশন’-এ সাহায্য করে৷ ৩) ব্রেকফাস্টে পাঁউরুটি এড়িয়ে চলুন। কারণ, এতে থাকে রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট আর চিনি। তাই পাঁউরুটির পরিবর্তে খান বাড়িতে তৈরি আটার রুটি। ৪) ব্রেকফাস্টে অবশ্যই পাতে রাখুন ফল। যদি ফলের রস খান, সে ক্ষেত্রে তা চিনি ছাড়াই খান। কোনও প্যাকেজড ফলের রস খাবেন না। কারণ, এতে চিনি, খাবার রং বা ওই জাতীয় রাসায়নিক থাকতে পারে যেগুলি স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। তথ্যসূত্র: জি নিউজ এমএইচ/

রাশিফল : কেমন যাবে আজকের দিনটি

রাশি নিয়ে রয়েছে নানা ভাবনা। এটাকে কেউ বিশ্বাস করেন, আবার অনেকে বিশ্বাস করেন না। এই বিশ্বাস-অবিশ্বাসের প্রশ্ন বাদ দিয়ে সবাই কিন্তু ঠিকই জেনে নিতে চায় কেমন যাবে আজকের দিনটি- আজ ১৪ মে ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, মঙ্গলবার। বাংলা ৩১ বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ এবং ৮ রমজান ১৪৪০ হিজরি। নৈসর্গিক রাশিচক্রে রবি আজ বৃষ রাশিতে অবস্থান করছে। আজ যদি আপনার জন্মদিন হয় তবে পাশ্চাত্য জ্যোতিষে আপনি বৃষ রাশির জাতক/জাতিকা। আপনার জন্ম সংখ্যা : ৫। আপনার ওপর প্রভাবকারী গ্রহ : বুধ ও শুক্র। আপনার শুভ সংখ্যা : ৫ ও ৬। শুভ বার : বুধ ও শুক্র। শুভ রত্ন : হীরা ও পান্না। জেনে নিন আজকে আপনার রাশিতে কী আছে— মেষ রাশি (২১ মার্চ-২০ এপ্রিল) : আপনি যদি মেষ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ বিদ্যার্থীদের জন্য দিনটি শুভ। পড়াশোনায় মন বসাতে পারবেন। মনের মানুষকে মনের কথা স্পষ্ট করে বলার চেষ্টা করুন। ব্যক্তিগত দায়দায়িত্ব বৃদ্ধি পেতে পারে। বৃষ রাশি (২১ এপ্রিল-২০ মে) : আপনি যদি বৃষ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আপনার আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকতে পারে। মন ভালো থাকতে পারে। পড়াশোনায় মন বসানো সহজ হতে পারে। ব্যক্তিগত সৃজনশীলতায় সুফল পাবেন। মিথুন রাশি (২১ মে-২০ জুন) : আপনি যদি মিথুন রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ প্রতিবেশীদের কারো সহযোগিতায় উপকৃত হতে পারেন। কাজকর্মে উত্সাহবোধ করবেন। প্রাপ্ত তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে নিন। পারিবারিক পরিবেশ অনুকূল থাকতে পারে। কর্কট রাশি (২১ জুন-২০ জুলাই) : আপনি যদি কর্কট রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আর্থিক দিক ভালো যেতে পারে। প্রাপ্তিযোগ আছে। পড়াশোনায় আনন্দ পাবেন। ছোট ভাইবোনদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকতে পারে। প্রবাসী আপন-জনের সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে। সিংহ রাশি (২১ জুলাই-২১ আগস্ট) : আপনি যদি সিংহ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে শরীর ভালো থাকতে পারে। মানসিক প্রশান্তি বজায় থাকবে। বিনয়ী আচরণ দিয়ে অন্যের মন জয় করতে পারবেন। বেহাত হওয়া কোনো সম্পদের দখল ফিরে পেতে পারেন। কন্যা রাশি (২২ আগস্ট-২২ সেপ্টেম্বর) : আপনি যদি কন্যা রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ শেষ করতে পারবেন। সম্ভাব্যক্ষেত্রে বিদেশযাত্রার সুযোগ পেতে পারেন। আর্থিক দিক ব্যয়বহুল হতে পারে। অপরের প্রতি সদাচরণ করুন। তুলা রাশি (২৩ সেপ্টেম্বর-২২ অক্টোবর) : আপনি যদি তুলা রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ আর্থিক দিক ভালো যেতে পারে। আয়-উপার্জন বৃদ্ধির সম্ভাবনা আছে। বন্ধুদের কারো সহযোগিতায় উপকৃত হতে পারেন। মনের কোনো গোপন ইচ্ছা পূরণ হতে পারে। পেশাগত যোগাযোগে সুফল পাবেন। বৃশ্চিক রাশি (২৩ অক্টোবর-২১ নভেম্বর) : আপনি যদি বৃশ্চিক রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ কর্মপরিবেশ অনুকূল থাকতে পারে। কর্মস্থলে সহকর্মীদের সহযোগিতা পেতে পারেন। কোনো আশা পূরণ হতে পারে। আর্থিক দিক ভালো যাবে। জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পাবে। ধনু রাশি (২২ নভেম্বর-২০ ডিসেম্বর) : আপনি যদি ধনু রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে পেশাগত দিক ভালো যেতে পারে। সামাজিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখুন। ভ্রমণ ফলপ্রসূ হতে পারে। পিতৃস্বাস্থ্য ভালো যাবে। কোনো আশা পূরণ হতে পারে। মকর রাশি (২১ ডিসেম্বর-১৯ জানুয়ারি) : আপনি যদি মকর রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে অতীন্দ্রিয় শাস্ত্রাদির প্রতি আগ্রহবোধ করতে পারেন। পরধনপ্রাপ্তির সম্ভাবনা আছে। রিপুকে সংযত রাখুন। পেশাগত দিক ভালো থাকতে পারে। ভ্রমণের সুযোগ পেতে পারেন। কুম্ভ রাশি (২০ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি) : আপনি যদি  কুম্ভ রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। দাম্পত্য সম্পর্ক ভালো থাকতে পারে। ঘনিষ্ঠ কোনো বন্ধুর সহযোগিতায় উপকৃত হতে পারেন। সামাজিক সংকট এড়িয়ে চলুন। রিপুকে সংযত রাখুন। মীন রাশি (১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ) : আপনি যদি মীন রাশির জাতক/জাতিকা হয়ে থাকেন তবে আজ আপনার শরীর ভালো যাবে। আহারে-বিহারে সতর্ক থাকুন। কর্মস্থলে কোনো ঝামেলা হতে পারে। অপরের প্রতি সদাচরণ করুন। বিবাদ এড়িয়ে চলুন। এসএ/  

গরমে সুস্থ থাকতে পাতে রাখুন ৪ সবজি

যত দিন যাচ্ছে, ততই চড়ছে তাপমাত্রার পারদ! আর এই গরমে রীতিমতো হাসফাঁস অবস্থা আট থেকে আশি— সকলের। গরমের তীব্র দাবদাহে শরীর সুস্থ রাখতে আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাস দ্রুত বদলে ফেলতে হবে। সুস্থ থাকতে হলে এই গরমে তেলে ভাজা, মশলাদার খাবার-দাবার এড়িয়ে চলা জরুরি। তবে এর সঙ্গে পাতে রাখতে হবে কয়েকটি সাধারণ সবজি, যেগুলি এই গরমে আমাদের শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেই সবজিগুলির সম্পর্কে: শশা গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে সবচেয়ে সহজলভ্য সবজি হল শশা। এই গরমে সুস্থ থাকতে শশার চেয়ে ভাল কিছু হতেই পারে না! ফাইবারে ভরপুর শশা খাবার দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে। তাই তরকারি, স্যালাডে বা এমনই— দিনে যতটা সম্ভব শশা খান। লাউ গরমে শরীর আর পেট ঠান্ডা রাখতে লাউয়ের জুড়ি মেলা ভার! লাউয়ের ৯২ শতাংশই হল জল। এ ছাড়াও লাউয়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। সব মিলিয়ে জলের ঘাটতি মিটিয়ে শরীরকে ডি-হাইড্রেশনের হাত থেকে বাঁচাতে লাউ অত্যন্ত উপকারী একটি সবজি। এ ছাড়াও ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, জিঙ্ক, আয়রন ও ম্যাগনেশিয়ামে সমৃদ্ধ লাউ খুবই পুষ্টিকর! করলা তিক্ত স্বাদের জন্য করলা বা উচ্ছে অনেকেই তেমন পছন্দ করেন না। কিন্তু জানেন কি, করোলায় রয়েছে ‘পলিপিটাইড-পি’ নামের একটি যৌগ যা স্বাভাবিক ভাবে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে! এতে ক্যালোরি রয়েছে নামমাত্র। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও উচ্ছে বা করলা খুবই উপকারী! ডেঁড়স ডেঁড়স সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে রক্তের শর্করার মাত্রা। এই গরমে হজমের সমস্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বেড়ে যায়। ঢ্যাঁড়স এই সমস্যাগুলি সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। তথ্যসূত্র: জি নিউজ এমএইচ/

গরমে মুখরোচক কুমড়ার চটপটি রেসিপি

যত দিন যাচ্ছে ততই বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ! আর এই গরমে স্পাইসি খাবার-দাবার হজমের সমস্যা বৃদ্ধি করে। তাই শরীর আর মন এ বার চাইছে হালকা কিছু। তাই কুমড়া দিয়ে ভিন্ন স্বাদের এই কুমড়ার চটপটি তৈরি করুন। ভাত, রুটি, লুচি বা পরোটা— সবের সঙ্গেই জমিয়ে খাওয়া যায় কুমড়োর চটপটি। আসুন আজ শিখে নেওয়া যাক কুমড়োর চটপটি বানানোর সহজ রেসিপি... কুমড়োর চটপটির উপাদান #মিষ্টি কুমড়ো ৫০০ গ্রাম (ছোট ছোট টুকরো করে কাটা) #পাঁচ ফোড়ন ১ চামচ #শুকনা মরিচ ২-৩টা # কাঁচা মরিচ ৫-৬টা #২টো মাঝারি মাপের পেঁয়াজ (বড় বড় করে কাটা) #বাদাম বাটা ১ চামচ, # ফেটিয়ে নেওয়া টক দই আধা কাপ #আন্দাজ মতো ধনে পাতা কুচি #সরিষার তেল পরিমাণ মতো #চিনি আর লবণ স্বাদ মতো। বানানোর পদ্ধতি # মিষ্টি কুমড়া ভাল করে ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে সামান্য লবণ মাখিয়ে রেখে দিন। # একটি পাত্রে মাঝারি আঁচে ২ চামচ তেল দিন। তেল গরম হলে তাতে শুকনো মরিচ ও পাঁচ ফোড়ন দিন। # ফোড়ন দেওয়া হয়ে গেলে কুমড়ার টুকরোগুলো দিয়ে দু’পাশ ভাল করে ভেজে নিন। # এ বারে এর সঙ্গে পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ-সহ বাকি সব উপকরণ দিয়ে দিন (ধনেপাতা ছাড়া)। # এর সঙ্গে ১ কাপ জল দিয়ে ভাল করে নেড়েচেড়ে কষিয়ে নিন। # তেল ভেসে উঠলে ধনেপাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিয়ে আরও মিনিট খানেক ঢেকে রাখুন। # এ বার আঁচ থেকে নামিয়ে নিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন মিষ্টি কুমড়োর চটপটি। তথ্যসূত্র: জি নিউজ এমএইচ/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি