ঢাকা, ২০১৯-০৬-২৬ ৭:৪৭:৫১, বুধবার

লাল সবুজের পতাকা নিয়ে ১১০ দেশ ভ্রমণ বাংলাদেশি তরুণী

লাল সবুজের পতাকা নিয়ে ১১০ দেশ ভ্রমণ বাংলাদেশি তরুণী

বাংলাদেশি তরুণী নাজমুন নাহার ১১০ দেশ ঘুরে ফেলেছেন। প্রতিটি দেশ ভ্রমণের সময় তিনি বয়ে বেড়িয়েছেন লাখো মানুষের রক্তে খচিত বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা। তিনি গোটা বিশ্ব ঘুরে দেখতে চান। সম্ভবত তিনিই বাংলাদেশের প্রথম কোনো নারী, যিনি বিশ্বের এতগুলো দেশ সফর করেছেন। সুইডেন প্রবাসী এ নারী নিজের উদ্যোগেই ১১০ দেশ সফর করেছেন। ভারত ভ্রমণের মধ্য দিয়ে তার সফর শুরু। বিদেশে ভ্রমণ করার সময় বিভিন্ন জায়গায় তাকে রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। ১৭ বছর ধরে বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি। কিন্তু এ জন্য তো সময় এবং অর্থ দুটোই গুরুত্বপূর্ণ। এসব তিনি কীভাবে ব্যবস্থা করলেন? এই প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশি এ তরুণী বলেন, প্রথম কয়েকটি দেশ তিনি ভ্রমণ করেছেন বাংলাদেশ গার্লস গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হিসেবে। এর পর তিনি বৃত্তি নিয়ে চলে যান সুইডেনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে পড়তে পড়তে স্বপ্ন দেখতে থাকেন আরও দেশ ভ্রমণের জন্য। সেই সময় তিনি বিশ্ব ভ্রমণের লক্ষ্যে অর্থ সঞ্চয়ের জন্য প্রচুর কাজও করতেন। নাজমুনের ভাষ্য-‘আমি জানতাম কষ্ট করে উপার্জন না করলে আমি ভ্রমণ করতে পারব না। গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে কোন কোন দিন আছে, আমি ১৭-১৮ ঘণ্টা ধরেও কাজ করেছি। কারণ আমার জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্যই হচ্ছে-পুরো পৃথিবী ভ্রমণ করা। ইউরোপে থাকার কারণেও আমার এই ভ্রমণে কিছুটা সুবিধা হয়েছে।’ একজন নারী এবং বিশেষ করে বাংলাদেশি নারী হিসেবে এই ভ্রমণের সময় তার কোনো সমস্যা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে নাহার বলেন, প্রথমত এটি মানসিক সংগ্রাম। এ সংগ্রামে জয়ী হতে পারলে যে কোনো জিনিসই সহজ হয়ে যায়। পৃথিবীর যেখানেই যাচ্ছেন নাজমুন নাহার, সঙ্গে করে নিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা। লাল-সবুজ এই পতাকা দৃষ্টি আকর্ষণ করছে বিভিন্ন দেশের স্থানীয় লোকজনের। জাম্বিয়া সরকারের একজন গভর্নর এ জন্য তাকে `ফ্ল্যাগ গার্ল` বলেও খেতাব দিয়েছেন। বাংলাদেশের পতাকা কেন নিয়ে যাচ্ছেন-এমন প্রশ্নে নাহার বলেন, পতাকা আমার কাছে দেশপ্রেমের একটি চিহ্ন, আবেগ ও ভালোবাসা। এই পতাকার মাঝে লুকিয়ে আছে ১৬ কোটি মানুষের ভালোবাসা। আছে মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ হারানো বহু শহীদের রক্ত। তাদের কারণে আমরা এ পতাকা পেয়েছি। ‘আমরা তো নিজ নিজ ক্ষেত্রে দেশের জন্য কিছু করতে পারি। আমি ভ্রমণ করছি, পৃথিবী দেখছি। কিন্তু আমার দেশ আমার সঙ্গে যাচ্ছে এ পতাকার মাধ্যমে। এর মাধ্যমে আমি পৃথিবীর কাছে পৌঁছে দিচ্ছি শান্তির বার্তা-আমরা একই পরিবারের মানুষ, একই পৃথিবীর মানুষ, ধর্ম-বর্ণ, জাতি আমি যে-ই হই না কেন শেষ পর্যন্ত আমরা তো সবাই বসবাস করছি একই আকাশের নিচে’, যোগ করেন মিস ফ্ল্যাগ গার্ল। বই পড়া থেকে ভ্রমণে আগ্রহী হয়েছেন নাজমুন নাহার। তার ভাষ্য-শৈশবে বই পড়তে পড়তেই ভ্রমণের প্রতি আগ্রহ জন্মায়। ভ্রমণ কাহিনীসহ নানা বই পড়ার সময় আমার মনে হতো চলে গেছি। ওই গল্পের ভেতরে হারিয়ে যেতাম আমি। নাজমুন নাহার জানান, বিদেশ ভ্রমণে তার বাবা ও দাদা তাকে উৎসাহিত করেছেন। তার দাদা ১৯ শতকের শুরুর দিকে বিভিন্ন আরব দেশে ঘুরে বেড়িয়েছেন। বাবাও বহু দেশ সফর করেছেন। এই দুজনকে দেখে তিনি বিভিন্ন দেশ সফরে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। তার এই স্বপ্ন পূরণের প্রথম ধাপ ছিল ভারত। সেখানে বিশ্বের ৮০ দেশের ছেলেমেয়ের এক সমাবেশে তিনি যোগ দিয়েছিলেন বাংলাদেশ থেকে। তখন তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন। সূত্র : বিবিসি। / এআর /
রাজধানীতে উদ্যোক্তা সামিট ৭ ও ৮ ডিসেম্বর

ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আইপিডিসি উদ্যোক্তা সামিট-২০১৮। আগামী ৭ ও ৮ ডিসেম্বর রাজধানীর এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এই উদ্যোক্তা সামিট অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের উদ্যোক্তা কার্যক্রম ‘চাকরি খুঁজব না, চাকরি দেব’ এবং এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে এই সামিটের আয়োজন করেছে। সামিটের উদ্বোধন করা হবে ৭ ডিসেম্বর সকাল ১০টায়। উদ্বোধন করবেন জাতীয় অধ্যাপক ও এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজি এম আমিনুল ইসলাম ও আইপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোমিনুল ইসলাম। তরুণ ও নবীন উদ্যোক্তাদের সঙ্গে প্রাজ্ঞ উদ্যোক্তাদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, উদ্যোক্তার পথ চলার চ্যালেঞ্জ উত্তরণ এবং দেশে উদ্যোক্তাবান্ধব একটি পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ‘উদ্যোগে অগ্রগামী, উচ্ছ্বাসে একত্রে’ স্লোগানে এই সামিটের আয়োজন করা হয়েছে। এতে থাকছে ১১টি সেশন, চারটি কর্মশালা। এছাড়া নির্বাচিত উদ্যোক্তারা বিনিয়োগকারীদের সামনে তাদের প্রস্তাব তুলে ধরারও সুযোগ পাবেন। থাকবে উদ্যোক্তাদের পণ্য ও সেবা তুলে ধরার সুযোগ।  এমএইচ/

আমরাই কিংবদন্তী’র বর্ষপূর্তি পালিত

প্রথম বর্ষপূর্তি পালন করল অনলাইন ভিত্তিক সামাজিক সংগঠন ‘আমরাই কিংবদন্তী’। এ উপলক্ষে সংগঠনটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে সংগঠনটির পক্ষ থেকে কুড়িগ্রামে ৩৫০টি পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এছাড়াও কেক কেটে ঢাকার বনানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয় ১৫ নভেম্বর। গতকাল শুক্রবার নরসিংদীর দুলালপুর ইউনিয়নের দুলালপুর স্কুল মাঠে ৫ শতাধিক রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়। এছাড়াও আগামী ৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে সংগঠনটির সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা ছয়শ’ সদস্যকে নিয়ে মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রসঙ্গত, ‘আমরাই কিংবদন্তী’ একটি অনলাইন ভিত্তিক ফেসবুক গ্রুপ। এখানে সারা বাংলাদেশের ২০০০ এবং ২০০২ সালের ছাত্র-ছাত্রীদের এক করে একটা প্লাটফর্মে আনার চেষ্টা চলছে। ২০১৭ সালের ১৫ নভেম্বর এই ফেসবুক গ্রুপটির যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে সংগঠনটিতে ২০ হাজার প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী সদস্য হিসেবে সারাদেশে কাজ করছে। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে ‘আমরাই কিংবদন্তী’ কাজ করছে সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্টীর জন্য। ইতোমধ্যে সংগঠনটির পক্ষ থেকে মারাত্মক কিডনি সমস্যায় ভুক্তভোগী বন্ধুদের মধ্যে একজনকে গ্রুপের সব মেম্বার মিলে চিকিৎসার ব্যায়ভার বহন, গত ঈদে ৬৫ জন এতিম বাচ্চাদের খাবার এবং ২৫ জন এতিম বাচ্চাদের ঈদের নতুন জামা প্রদান, গৃহহীন মানুষদের শাড়ী- লুঙ্গি প্রদান করা হয়। সারাদেশের সব সদস্যদের যোগাযোগ ও নেটওয়ার্কিং কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে ‘আমরা কিংবদন্তী’ ঢাকা ও ঢাকার বাইরে প্রায় ৪ টি বিশাল মিলনমেলা’র আয়োজন করেছে ইতোমধ্যে। চলতি বছরের ৬ জুলাই ধানমন্ডিতে আয়োজিত হয় এর প্রথম মিলন মেলা। এছাড়াও ধারাবাহিকভাবে উত্তরা, নারায়ণগঞ্জ এবং সর্বশেষ মিরপুর এলাকায় এই মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। অামরা কিংবদন্তী`র অন্যতম সংগঠক সাংবাদিক তাপসী রাবেয়া অাঁখি একুশে টেলিভিশন অনলাইকে বলেন, অামরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সামাজিক সঙ্কট, বাল্য বিয়ে, গৃহকর্মী অধিকার নিয়েও কাজ করতে চাই অামরা। তিনি অারও বলেন, অামাদের প্রত্যেকের সামাজিক দায়বদ্ধতা অাছে। সেই জায়গা প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থানে এগিয়ে অাসা উচিৎ। আ আ//

যে নারীর হাত ধরে হয়েছিল ‘মি টু’র আত্মপ্রকাশ

মি টু আন্দোলনে একটু একটু করে সরব হয়েছেন অনেকেই৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায়ই ঝড় উঠছে এই মি টু-র৷ আর সেই ঝড়ে একটার পর একটা উইকেট পড়ছে৷ তা সে ছবির জগতই হোক বা ক্রীড়া জগত অথবা রাজনৈতিক মহল, কেউই এই আঁচ থেকে রক্ষা পাচ্ছে না৷ কিন্তু এই মি টু- র নেপথ্যে অর্থাৎ এই আন্দোলনের পথিকৃৎ কে ছিলেন জানেন? ২০০৬ সালে প্রথমবার #মি টু প্রকাশ্যে আসে৷ তারপর থেকেই এই অভিযান শুরু৷ আমেরিকার জনপ্রিয় সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট তারানা বুর্ক এই আন্দোলন প্রথম শুরু করেন৷ যৌন হেনস্তা এবং নারীদের বিরুদ্ধে হওয়া অন্যায়ের কথা প্রকাশ্যে তুলে আনার জন্য তিনিই প্রথম উৎসাহিত করতে শুরু করেন সবাইকে৷ যে মেয়েরা কোনও না কোনও সময় এই যৌন হেনস্তার মুখে পড়েছেন তাদের এই মি টু-তে সাড়া দেওয়ার অনুপ্রেরণা দেন তিনি৷ প্রসঙ্গত, #মি টু নামের একটি ডকুমেন্টারি ফিল্মও তৈরি করা হয়েছিল, যেখানে ১৩ বছরের এক নাবালিকা জানিয়েছিল সে কিভাবে যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছিল৷ তারানা বুর্কও এমন হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন৷ তিনি জানান, ৬ বছর বয়সে তার ওপর যৌন অত্যাচার চলে৷ প্রতিবেশী একটি ছেলে তাকে ধর্ষণ করেছিল৷ এবং বেশ কয়েক বছর ধরে তার ওপর এই যৌন অত্যাচার হয়েছিল৷ ২০১৭ সালে #মি টু ফের একবার উঠে আসে৷ হলিউডি সেলেব এলিসা মিলানো #মি টু-কে সঙ্গী করে নারীদের বিরুদ্ধে হওয়া এই হেনস্তায় সরব হয়েছিলেন৷ তিনি ২০১৭ সালের ১৫ অক্টোবর ট্যুইট করে লিখেছিলেন, যদি আপনিও যৌন অত্যাচচারের শিকার হয়েছেন তাহলে বলুন এবং লিখুন #মি টু অর্থাৎ আমিও৷ এর পরই হলিউড থেকে তা ধীরে ধীরে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়তে থাকে৷ এবং ২০১৮ অর্থাৎ চলতি বছরে ভারতে যেন এক ঝড় হিসেবেই দেখা দিয়েছে এই #মি ট। সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

বিমানবালাদের সম্পর্কে অজানা ৫ তথ্য

বিমানে ওঠার পর যাত্রীদের দেখভালের দায়িত্বে থাকেন এক দল ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট। যাদেরকে বিমান সেবিকা বা বিমানবালা বলা হয়। এসব বিমানবালাদের কাজের পরিধি বেশ দীর্ঘ। একটি ফ্লাইটে বিভিন্ন প্রকৃতির যাত্রী থাকেন। তাদের নানান চাহিদা সামলাতে হয় বিমানবালাদের। সেই সঙ্গে যাত্রীদের সুরক্ষার দায়িত্বেও থাকনে তারা। যেমন ধরুন- বিমানে কোনো সমস্যা হলে কীভাবে যাত্রীদের শান্ত রাখতে হবে, সে গুরুভারও তাদের উপর থাকে। অনেকে আছেন যারা বিমানবালাদের আসল কাজ সম্পর্কে জানেন না। তাদের এমন অনেক কাজ রয়েছে যেগুলো সম্পর্কে সাধারণ মানুষ কিছুই জানে না। এমন কিছু কাজ রয়েছে যা নিয়ে কখনও কোনো তথ্যও পাওয়া যায় না। আসুন জেনে নি সেইরকম কয়েকটি তথ্য সম্পর্কে - - বিমানবালাদের বেতন দেওয়া হয় একেবারেই ‘ফ্লাইট টাইম’ ধরে। অর্থাৎ বিমানের দরজা বন্ধ হওয়ার সময় থেকে গন্তব্যে পৌঁছা পর্যন্ত যে সময় লাগে সেই অনুসারেই তাদের বেতন দেওয়া হয়। - বেশি পরিমাণে মদ্যপান করে বিমানে উঠলে তা মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে। যে কারণে বিমানবালারা নজর রাখেন সেদিকেও। - ফ্লাইট চলাকালীন জানালার শাটার খুলে রাখতে বলা হয়। এর কারণ, কোনো সমস্যা হলে তা যাতে তাৎক্ষণিক বিমানবালাদের চোখে পড়ে। - বিমানে তারা কেবল যাত্রীদের স্ন্যাক্স এবং পানীয় পরিবেশনের কাজ করেন না। অধিকাংশ যাত্রী তাদের আকাশের ওয়েট্রেস বলে গণ্য করেন। যদিও এটি কাজের একটি অংশমাত্র। - তাদের চলাফেরা, কথাবার্তা ও সেবাপ্রদান কঠোর নীতিমালায় নিয়ন্ত্রিত। তাদের উপস্থিতি এতটাই গোছালো ও সুন্দর যে, আপনি তাকে আপন ও নির্ভরযোগ্য বলে মনে করবেন। চুলের ফ্যাশন, মেকআপ ইত্যাদিও তাদের বিশেষভাবে ও বিশেষ যত্নে প্রস্তুত করতে হয়। সূত্র : এবেলা এসএ/  

সৌরশক্তির চালকবিহীন গাড়ি উদ্ভাবন পটুয়াখালীর তরুণের (ভিডিও)

সৌরশক্তিতে চলছে গাড়ি। স্বয়ংক্রিয়ভাবে এড়িয়ে যাচ্ছে দুর্ঘটনা। এমন ফোর হুইলার উদ্ভাবন করেছেন পটুয়াখালীর কলাপাড়ার তরুণ শিক্ষার্থী মাহবুবুর রহমান শাওন। চলছে গাড়ি চালকবিহীন। জ্বালানি তার সূর্যের আলো। গতিবেগ ঘন্টায় ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার। নাম তার স্মার্ট গ্রিন কার। এমন গাড়ি তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন রোবোটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী মাহবুবুর রহমান শাওন।  তিন বললেন, একাগ্রতা আর আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আর এই আবিষ্কার। গাড়িটিতে ব্যাবহার করা হয়েছে বেশ কিছু সেন্সর যা কম্পিউটার প্রোগ্রামিং-এর মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দুর্ঘটনা এড়াতে পারে। সোলার প্যানেল যোগান দেয় গতিবেগের শক্তি। রয়েছে স্মার্ট সিকিউরিটি সিষ্টেমও। ছোটবেলা থেকেই যন্ত্রপাপাতি আর প্রযুক্তির প্রতি দারুন আগ্রহী শাওন। এমন একটি উদ্বাভনের স্বপ্ন লালন করেছেন দীর্ঘদিন। সৌরচালিত গাড়ির প্রসার হলে পরিবেশে দূষণরোধে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক। এরই মধ্যে এমন যানবাহন তৈরিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই ল্যাবে প্রস্তাবনা দিয়েছে শাওন।

দুস্থদের সহায়তায় শিক্ষার্থীদের ওয়েবসাইট

দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা, দুস্থ, অসহায় ও বেকার জনগোষ্ঠীর জন্য ক্ষুদ্র ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টি লক্ষ্যকে সামনে রেখে দেশে প্রথম বারের মত কান্ডারী বিডি নামে একটি মাইক্রো ক্রাউডফান্ডিং ওয়েবসাইটের যাত্রা  শুরু করেছে। এটি শুরু করেছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। গতকাল শুক্রবার বিকেলে প্লাটফর্মটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে রুয়েটের উপাচার্য, অনুষদের ডীন, বিভিন্ন কোম্পানীর কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দুস্থ, অসহায়, বেকার জনগোষ্ঠীকে ক্ষুদ্র ব্যবসা শুরু করে দিতে ও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসার সাহায্যার্থে, দেশের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রকল্পে ১ টাকা থেকে শুরু করে যেকোন সংখ্যক টাকা দান করা যাবে বলে জানানো হয়েছে। একই সাথে পুরো প্রক্রিয়াটি শতভাগ স্বচ্ছতার সাথে পরিচালনা করা হবে বলেও জানানো হয়। প্রক্রিয়া সম্পর্কে বলা হয়, কেউ সাহায্যের আবেদন করলে সাহায্যপ্রার্থীর নাম, ঠিকানা, আর্থিক অবস্থা ইত্যাদির বিবরণ গেজেটেড অফিসার বা রেজিস্টার্ড চিকিৎসক কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে এবং সংগৃহীত সম্পূর্ণ অর্থ গেজেটেড অফিসারের মাধ্যমেই সাহায্যপ্রার্থীকে তুলে দেওয়া হবে। কান্ডারীতে সাহায্য নেওয়া বা সাহায্য করা যাবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। কান্ডারিবিডির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বখতিয়ার হোসেন পল্লব বলেন, ‘১ টাকার একটি কয়েন আমাদের মানিব্যাগের কোনে পড়ে থাকে, হারিয়েও যায়। কিন্তু এই একটা কয়েনই বাঁচাতে পারে একটা মানুষের প্রাণ, পরিবর্তন করতে পারে একটা পরিবারের জীবনযাত্রা, বা সফল করতে করতে পারে একটি উদ্ভাবনী প্রজেক্ট যা পরিবর্তন করে দিতে পারে দেশের ভবিষ্যত। এই পরিবর্তনকামী মানুষদের প্লাটফর্মই kandaribd.com।’ এমএইচ/  

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি