ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০৩ এপ্রিল ২০২৫

Ekushey Television Ltd.

দেড় বছর পর স্কুলছাত্র হত্যার রহস্য উদঘাটন

রাজশাহী প্রতিনিধি 

প্রকাশিত : ১৬:৫০, ১৩ আগস্ট ২০২০

রাজশাহী’র মানচিত্র

রাজশাহী’র মানচিত্র

Ekushey Television Ltd.

দেড় বছরের বেশি সময় পর রাজশাহীর বাঘার স্কুলছাত্র আরিফ হোসেন (১৯) হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরেই আরিফকে হত্যা করে লাশ পুড়িয়ে দেয়া হয় বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত মিজানুর রহমান (৩৬) নামে একজন গ্রেফতারের পর হত্যার দায় শিকার করে আালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যায় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উজ্জল মাহমুদ মিজানুরের জবানবন্দি রেকর্ড করেন বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআইয়ের পরিদর্শক আব্দুল মান্নান।

গ্রেফতার মিজানুর রহমান বাঘার রুস্তমপুরের ভারতীপাড়ার ইব্রাহিম আলীর ছেলে। পেশায় ভ্যান একজন চালক। জবানবন্দি রেকর্ডের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান জানান, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে নিজ বাড়ি থেকে মিজানুরকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। জবানবন্দিতে আসামি জানিয়েছে আরিফের চাচা কুদ্দুসের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়। কুদ্দুস ছাড়াও হত্যাকাণ্ডের সময় মিলন ও মজনু নামের আরও দুইজন সেখানে উপস্থিত ছিল। প্রথমে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, ‘স্কুল ছাত্র আরিফ হত্যাকাণ্ড ক্লু বিহীন ঘটনা ছিল। দীর্ঘ তদন্তে এ হত্যা মামলার কোন ক্লু পাওয়া যায়নি। সম্প্রতি মামলাটি পিবিআইয়ে আসে। এরপর তদন্ত শুরুর হলে সন্দেভাজন হিসেবে ভ্যান চালক মিজানুরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তার কাছ থেকেই এ হত্যার ক্লু পাওয়া যায়।’

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ১৩ ডিসেম্বর রাজশাহীর বাঘায় আগুনে পুড়িয়ে মারা কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সে উপজেলার রস্তমপুর ভারতিপাড়া গ্রামের মহির উদ্দীনের ছেলে। সে সময় স্থানীয় আনোয়ার হোসেনের আম বাগানের মাঝখানের খাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। চারঘাটের পান্নাপাড়া ভোকেশনাল স্কুল এণ্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র ছিল আরিফ।

আগের দিন ১২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় রুস্তমপুর বাজারে যায় আরিফ। পরে রাতে আর বাড়িতে ফেরেনি। পরিবরের পক্ষ থেকে ধারণা করা হয়েছিল, নানি অথবা বোনের বাড়িতে গিয়েছে। পরদিন দুপুরে গ্রামের লোকজন লাশ খেতে পেয়ে থানায় খবর দেয়। এ ঘটনায় আরিফের মা আছিয়া বেগম হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এআই/এমএস/


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৫ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি