১০ লাখ টাকা নিয়ে দেন ভুয়া নিয়োগপত্র, সেই মঞ্জুরুল গ্রেপ্তার
প্রকাশিত : ১২:২২, ২৯ জানুয়ারি ২০২৩

নওগাঁর পত্নীতলায় প্রাইমারি স্কুলে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ভুয়া নিয়োগপত্রের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়া প্রতারক চক্রের মূলহোতা মঞ্জুরুল আলমকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
রোববার (২৯ জানুয়ারি) র্যাব-৫ জয়পুরহাট ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে শনিবার বিকেলে উপজেলার নজিপুর বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। প্রতারক মঞ্জুরুল উপজেলার নজিপুর মাদ্রাসাপাড়া এলাকার মৃত আলীম উদ্দীনের ছেলে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৫ সাল থেকে মঞ্জুরুল আলম এবং রেজাউল করিম একটি প্রতারক সিন্ডিকেট হিসাবে কাজ করছেন। যেখানে মঞ্জুরুল আলম মূলহোতা। আর রেজাউল করিম তার সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন এবং ভুয়া কাগজপত্র তৈরির দায়িত্বে ছিলেন।
২০২০ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চাকরি দেওয়ার নামে লিপি পারভীন নামে একজনের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা নেয় মঞ্জুরুল। পরে রেজাউল করিমের মাধ্যমে তাকে মিথ্যা নিয়োগপত্র দেয়। পরবর্তীতে লিপি পারভীন ঢাকায় ওই চাকরিতে যোগ দিতে গেলে সে ভুয়া নিযোগপত্রের কথা জানতে পেরে জয়পুরহাট র্যাব ক্যাম্পে অভিযোগ করেন।
এরপর র্যাব-৫ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোস্তফা জামানের নেতৃত্বে একদল র্যাব সদস্য শনিবার বিকেলে উপজেলার নজিপুর বাজার এলাকা থেকে অনেক ভুয়া নথিপত্রসহ তাকে গ্রেফতার করে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মঞ্জুরুলের স্ত্রী প্রাইমারি স্কুলের একজন শিক্ষিকা। সে সুযোগ কাজে লাগিয়ে চাকরির প্রলোভন ও মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে প্রাইমারি স্কুলের চাকরির ভুয়া নিযোগপত্র দিয়ে সে প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিতেন বলে ওই মঞ্জুরুল র্যাবের কাছে স্বীকার করেছেন।
রাতেই তাকে পত্নীতলা থানায় সোর্পদ করে তার বিরুদ্ধ মামলা দায়ের করেছে র্যাব। রোববার সকালে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।
এএইচ
আরও পড়ুন