ঢাকা, ২০১৯-০৪-২৬ ১১:৪৬:৫০, শুক্রবার

‘রোহিঙ্গাদের প্রাণহানি হলে দায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের’

ভাষানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর করতে বাধা দেওয়ায় কক্সবাজারে বর্ষায় ভূমিধসসহ কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণ হারালে তার দায় আন্তর্জাতিক সস্প্রদায়কে নিতে হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। বৃহস্পতিবার সকালে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাতিসংঘের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। জাতিসংঘ শরনার্থী সংস্থার হাই কমিশনার ফিলিপো গ্র্যান্ডি, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মহাপরিচালক অ্যান্টনিও ভিটোরিনো এবং জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক লোকক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন বলেন, ভাসানচরে দুই হাজার ৫০০ কোটি টাকা খরচ করে রোহিঙ্গাদের জন্য সাময়িক বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছে সরকার। তবে রোহিঙ্গাদের সেখানে স্থানান্তরে জাতিসংঘসহ আরো কয়েকটি পশ্চিমা দেশ বাধা দিচ্ছে। এ অবস্থায় আগামী বর্ষায় কক্সবাজারে অবস্থানরত রোহিঙ্গারা ভূমিধসসহ অন্য কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণ হারালে তার জন্য বাংলাদেশ নয় বরং জাতিসংঘসহ পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলো দায়ী থাকবে। জোর করে কাউকে ভাসানচরে নেওয়া হবে না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা জোর করে কাওকে ভাষানচরে নিতে চাই না। তবে যারা যাবে তাদের জন্য একটি ভালো অবস্থান হবে। আমরা নিজের পয়সায় দুই হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ভাসানচরে আবাসনের ব্যবস্থা করেছি। ওখানে গেলে রোহিঙ্গারা কাজকর্ম করতে পারবে। মাছ ধরতে পারবে, গরু পালন করতে পারবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘের তিন সংস্থার প্রধানকে মিয়ানমারে কাজ বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি বলেছি আপনাদের এখানে কাজ নাই, মিয়ানমারে যান। আমি বেশ শক্তভাবে বলেছি। আপনারা ওখানে বেশি জোর দেন, এখানে না। আমি জিজ্ঞাসা করেছি আপনারা কতবার সেখানে গিয়েছেন, সেখানে আপনাদের কতজন কাজ করে। এখানে এক হাজারের বেশি লোক কাজ করে। ওখানে বেশি কাজ করেন, এখান থেকে বিদায় হোন। আপনারা মিয়ানমারকে কনভিন্স করেন, যাতে তারা তাদের লোক নিয়ে যায় এবং ওখানে একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে কাজ করেন। বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে যুদ্ধে জড়াতে চাই না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সমস্যা মিয়ানমার তৈরি করেছে, সমাধানও তাদের করতে হবে। আমরা যুদ্ধ করবো না, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করতে চাই। আমাকে কেউ কেউ বলেছে তোমরা যদি চাও তবে আমরা সেখানে কিছু একটা মহড়া করতে পারি। আর এটা অত্যন্ত পাওয়ারফুল লোক বলেছেন। এটি ব্যক্তি না দেশ জানতে চাইলে তিনি বলেন, দেশ। আমরা খুব একটা পাত্তা দেই নাই। তারা বলেছেন তোমরা চাইলে আমরা তোমাদের হয়ে ক্ষমতা দেখাতে পারি। আমরা বলেছি না, কারণ আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করতে চাই। মিয়ানমার এর আগে লোক নিয়ে গেছে এবং আমরা আশাবাদী। মিয়ানমারের অস্ত্রের যোগানের বিষয়টি খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়ে আব্দুল মোমেন বলেন, আমি তাদের বলেছি রাখাইনে কে বা কারা অস্ত্র সরবরাহ করেছে? ওখানে মারামারি হচ্ছে কে অস্ত্র সরবরাহ করছে আপনারা সেটি বের করেন। বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটছে এবং বিভিন্ন তথ্য আমরা পাই। কিন্তু মিডিয়াতে কখনো আসে না অস্ত্র কোন দেশের তৈরি, কোন কোম্পানির তৈরি বুলেটে বা শ্রাপনেলে লোকটা মারা গেছে। এখন এটি জানার সময়, কারা এইসব অস্ত্র সরবরাহ করছে। এগুলো জানা গেলে সন্ত্রাস কমে যাবে। আরকে//  

বাংলাদেশের ৬ ছাত্রের নাসা জয়ের গল্প

মঙ্গলগ্রহে গবেষণা বা চলাফেরার জন্য প্রয়োজন যানবাহন। যানবাহনে জ্বালানি ব্যবহার করলে একটি নির্দিষ্ট সময় পর তা শেষ হয়ে যায়। তাই জ্বালানি ব্যবহার না করে মানুষের উপযোগী যানবাহনের সন্ধান পেতে ‘নাসা হিউম্যান এক্সপ্লোরেশন রোভার চ্যালেঞ্জ’ নামের প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে নাসা। প্রতিবছরই এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় ইউএস স্পেস অ্যান্ড রকেট সেন্টারে। এবছরও ১২ থেকে ১৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয় এ প্রতিযোগিতাটি। বাংলাদেশ থেকে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নরত ছয় সদস্যের একটি দল (EXCELR8) এ বছর কলেজ বা ইউনিভার্সিটি দল হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের হান্টসভিল, আলাবামাতে অনুষ্ঠিত ‘হিউম্যান এক্সপ্লোরেশন রোভার চ্যালেঞ্জ’ নামক এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। অংশগ্রহণকারী সদস্যরা হলেন- তৌহিদ রহমান, মোঃ তানজিল শাহরিয়া, শামুন আহেমদ, আইমান রহমান, ফারহাত তাসনিম প্রজ্ঞা ও মোহাম্মদ রিদওয়ান হোসাইন পাটোয়ারি। এর আগে গত বছর বাংলাদেশের সর্বপ্রথম কলেজ/ইউনিভার্সিটি দল হিসেবে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে এই দল। যুক্তরাষ্ট্রের স্পেস ও রকেট সেন্টারে তিনদিনব্যাপী (১২-১৪ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতাটি নাসার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ বাৎসরিক আয়োজন। এক্সেল-আর-৮ এই টিমের নানা সমস্যা সমাধানে পাশে ছিলেন দলের পরামর্শদাতা ডক্টর সাজ্জাদ হোসেন, স. ম. তৌহিদুজ্জামান, মো:রায়হান সহ আরো অনেকে। দলনেতা তৌহিদ রহমান এ প্রসঙ্গে একুশে টেলিভিশন অনলাইনকে বলেন, নভেম্বর ২০১৮ থেকে রোভার এর নকশা, উপকরন জোগাড় করা, রোভার তৈরি এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পুনরায় পরিবর্তন সহ মোট ৩ মাসের মাঝে আমরা প্রতিযোগিতার উপযোগী রোভার এর কাজ সম্পন্ন করি। অংশগ্রহনের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তৌহিদ রহমান বলেন, প্রথমেই বিচারকমণ্ডলী আমাদের নিরাপত্তা, রোভারের ওজনসীমা, ৫ ঘন ফুট বক্সে রোভার নেয়া যাবে কিনা তার পর্যালোচনা করেছেন যা আমরা সফলভাবে অতিক্রম করতে পেরেছি। প্রতিযোগিতায় সাত মিনিটের মাঝে মোট ১৪ টি বাঁধা অতিক্রম এবং ৫ টি কাজ সম্পন্ন করার জন্য ০.৫ মাইলের একটি পথ সাজানো হয়েছিলো, পাথর, বালু, উঁচু-নিচু পার্বত্য পথ। পাথুরে, ঢাল, গর্ত দিয়ে তৈরি লাল ভূখণ্ডে রোভারটি চালাতে হয়েছে দু`জন আরোহীকে (একজন মেয়ে, একজন ছেলে)। বেশিরভাগ বাঁধা অতিক্রমেই বাইপাস এর সুযোগ ছিল। দলগুলোর জন্য পূর্বপরিকল্পনার পাশাপাশি তাৎক্ষনিক নির্ধারণের চ্যালেঞ্জ ছিল, যাতে একটি বাঁধা অতিক্রমে আটকে গেলে/ রোভার কোন একটি বাঁধার জন্য উপযোগী না হলেও সময়ের সম্পূর্ণ ব্যবহার করা যায়। আমরা সেভাবেই পূর্বপরিকল্পনা এবং তাৎক্ষনিকতার সামাঞ্জস্যতা রেখে রোভার টি চালিয়েছি। ৬ মিনিটের মাঝে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়ে সপ্তম মিনিট রাখতে হয়েছে রোভার টি পুনরায় সূচনাস্থানে ফিরিয়ে আনতে। তৌহিদ রহমান বলেন, বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় বারের মতো আমরা অংশগ্রহণ করায় আমাদের প্রতি অনেকের আগ্রহ ছিল। বিশ্বের আনাচে-কানাচে থেকে প্রায় ১১৫ টি দল এসেছিল। খুব গর্ব বোধ হয়েছিল যখন দেখি বাংলাদেশের পতাকা দেখে অন্য দল গুলো এবং অনেক বাঙালি আমাদের কাছে এসে আমাদের সঙ্গে একের পর এক ছবি তুলে যাচ্ছিলো। আমাদের টিমের রোভারটি ছিল সম্পূর্ণ মডুলার, যার প্রত্যেকটি পার্টস আলাদা ছিল, যেটি আমাদের পরে এসেমব্লি (জয়েন্ট) করতে হয়েছে। আমাদের এই মডুলার ডিজাইন সবার নজর কেড়েছে এবং প্রশংসিত হয়েছে। আমাদের ডিজাইন অন্য অনেক দেশের ডিজাইন থেকে আলাদা থাকায় আমেরিকা, পুয়ের্তো রিকো, পেরু সহ অনেক দেশের দল আমাদের সঙ্গে তাদের ডিজাইন এর ধারণা শেয়ার করার জন্য আমাদের অনুরোধ করে এবং ২০২০ সালে আমাদের অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানায়। গত বছর বাংলাদেশ থেকে সর্বপ্রথম দল হিসেবে আমরা নাসাতে গেলেও এই বছর রুয়েট দল ও নাসা তে আমাদের সঙ্গে অংশগ্রহন করে এবং বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করে। প্রতিবছর নাসা হিউমান এক্সপ্লোরেশন রোভার চ্যালেঞ্জ এর মাধ্যমে মহাকাশে মানব পরিসরের অনুসন্ধানের পরবর্তী পর্যায়ে বিশ্বব্যাপী ছাত্রদের নিয়োজিত করার জন্য একটি অভিনব ইঞ্জিনিয়ারিং অভিসন্ধান চ্যালেঞ্জ প্রদান করে। মার্স (মঙ্গল) অভিযানের উপযোগী সম্পূর্ণ অভিনব এবং নতুন নকশা তৈরি করে রিপোর্ট জমা দেয়ার পর নাসা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের উপযোগী দল হিসেবে “NSU EXCELR8” কে মনোনীত করে। প্রতিযোগিতাটি স্কুল-কলেজ এবং ইউনিভার্সিটির ছাত্র-ছাত্রীদের অন্য একটি গ্রহের প্রেক্ষাপটে উপযোগী পৃষ্ঠে চলাচলে সক্ষম একটি গাড়ি তৈরি করার পরিকল্পনা`র চ্যালেঞ্জ করে। মঙ্গল গ্রহের ভবিষ্যৎ অনুসন্ধান ও গবেষণার পরিপ্রেক্ষিতে নাসার এই আয়োজন। বিশ্বের দূর-দূরান্ত থেকে বিভিন্ন দলকে তারা আমন্ত্রিত করে তাদের অভিনব ইঞ্জিনিয়ারিং কৌশল প্রতিবেদনের জন্য যা কিনা মঙ্গলের উঁচু-নিচু বন্ধুর পথ ও অন্যান্য বাধা বিপত্তি পাড়ি দিয়ে সীমিত সময়ে নভোচারীদের গবেষণা কাজে ব্যাবহারের সক্ষম। মঙ্গল পরিভ্রমণের সবগুলো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে “এক্সেল-আর-৮” মানব যানটি তৈরি করতে হয়েছে নাসা প্রদত্ত গাইডবুকের শর্তাদি মাথায় রেখে। কাঁকর-কঙ্করের উঁচু-নিচু, অসমতল পথ অতিক্রম করতে সক্ষম চার চাকার একটি বাহন তৈরি করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ মানবচালিত। বাহনটির সবকিছু তৈরি করা হয়েছিল দেশি প্রযুক্তিতে, মরিচা রোধক লোহা দিয়ে। মঙ্গলে কোনো জ্বালানি ছাড়াই পরিচালনা করতে হবে মাথায় রেখে এটি চালাতে ব্যবহৃত হয়েছে চেইন আর প্যাডেল। কার্যকরী ড্রাইভট্রেনের জন্য বাইসাইকেল-ড্রাইভট্রেন ব্যবহৃত হয়েছে সামনে-পিছনের চাকায়। সবচেয়ে কঠিন অংশ ছিল, বাহনটিকে চেইন খুলে যাবার আশঙ্কা ছাড়া সম্পূর্ণ ভাঁজ করে রাখার উপযোগী করে তৈরি করা যা মাত্র ৫ ঘন ফুট আকারে (চার কোনা বক্সসদৃশ) ভাঁজ করা যাবে, যা নাসার গাইড-লাইনের অন্যতম শর্ত ছিল। চাকা গুলো তৈরি করা হয়েছে যাতে রুক্ষ এবং পাথুরে পৃষ্ঠে চলাচলে সক্ষম পাশাপাশি নিরাপত্তা এবং কর্মক্ষমতায় দক্ষ হয়। সামনে-পেছনে আছে দু`জনের আসন। আরোহী দু`জনের কাছেই থাকবে প্যাডেল। নাসার নিয়ম অনুযায়ী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী দলের শিক্ষার্থীদের আরোহী দু`জনের একজন ছেলে একজন মেয়ে ছিল, কেননা একটা ছেলে ও একটা মেয়ে মঙ্গলের মাটিতে এই মানবযানটি চালাবে। রোভারটির ওজন ছিল ৯৩ কেজি। প্রতিযোগিতায় রোভারের (বাহন) কিছু নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে। রোভারকে পাঠানো হয় একটি রকেটের সাহায্যে। রকেটের ভেতরে রোভারের জন্য রাখা বাক্সের দৈর্ঘ্য ৫ ফুট, প্রস্থ ৫ ফুট ও উচ্চতা ৫ ফুট। এ বক্সের ভেতরে রাখার উপযোগী করে রোভারটি তৈরি করতে হয়। প্রয়োজনে রোভারকে ভাঁজ করা যাবে। রোভারটি মঙ্গলগ্রহে দুজন নভোচারী পরিচালনা করবে। সে উপযোগী করে প্রতিযোগিতায় একজন ছাত্র ও একজন ছাত্রী রোভারটি পরিচালনা করবেন। শুধু ধারণা দিলেই হবে না, প্রতিযোগিতায় রোভারটিকে আধা মাইল পথ পাড়ি দিতে হবে। তাও গতানুগতিক পিচঢালা মসৃণ রাস্তা নয়। মঙ্গলগ্রহের ভূমির আদলে তৈরি বিশেষ পথ পাড়ি দিতে হবে। এ জন্য ইউএস স্পেস অ্যান্ড রকেট সেন্টারে গড়ে তোলা হয়েছে মঙ্গলগ্রহের উপযোগী ভূমি, সেখানকার আবহাওয়া, গর্ত এমনকি পাহাড়ও। রোভারটিকে প্রয়োজনে সে পাহাড়গুলো গুঁড়িয়ে দিতে হবে। গর্তগুলো ভরাট করতে হবে। এসি    

মুজিবনগর সরকার ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায়

ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার মূলমন্ত্র দিয়েছিলেন। মুজিবনগর সরকার বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায়। এ সরকার গঠনের কারণে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ বিচ্ছিন্নবাদী আন্দোলন হিসেবে পরিগণিত হয়নি। বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম আয়োজিত মুজিবনগর সরকার ও বর্তমান বাংলাদেশ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরাই বাংলাদেশকে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের দেশ হিসেবে গড়ে তুলবে। তোমাদের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর বিন্দুমাত্র আদর্শ থাকলে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে। বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের আহবায়ক অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, মুজিবনগর সরকারের মূল বিষয় ছিল সাম্য ও মানবিক মর্যাদা পূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তোলা। বঙ্গবন্ধু মিলেমিশে সাম্যের বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমানে আয় বাড়লেও বৈষম্য কমেনি। সেমিনারে পরিকল্পনা কমিশনের সিনিয়র সচিব অধ্যাপক ড.শামসুল আলম, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ, ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ বক্তব্য বক্তব্য রাখেন। সেমিনারে কলামিস্ট অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাসের সঞ্চালনায় কবি সৌরভ জাহাঙ্গীর স্বাগত বক্তব্য এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. জাকির হোসেন মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এছাড়া বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের পরবর্তী সেমিনার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং তারপর ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা দেন। কেআই/

ডিজিটাল বিসিএস অলিম্পিয়াডের আয়োজন করল রবি

দেশের সর্ববৃহৎ অনলাইন স্কুল রবি টেন মিনিট স্কুলের মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) অলিম্পিয়াডের আয়োজন করেছে রবি। রবি টেন মিনিট স্কুলের অ্যাপ এবং এর ওয়েবসাইট  www.10minuteschool.com এর মাধ্যমে ডিজিটাল বিসিএস অলিম্পিয়াডে অংশ নেওয়া যাবে। রবি দেশব্যাপী সর্ববৃহৎ ৪.৫জি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ফলে ডিজিটাল বিসিএস অলিম্পিয়াডের মতো উদ্যোগগুলো দেশব্যাপী অসংখ্য মানুষের কাজে লাগছে। মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে ডিজিটাল অলিম্পিয়াডে এক লাখের বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে গেছে। ইতোমধ্যে দেশের ৬৪ জেলার ৪০ হাজার রবি গ্রাহক ডিজিটাল কুইজ-ভিত্তিক বিসিএস অলিম্পিয়াড পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। গুগল প্লে স্টোর থেকে রবি টেন মিনিট স্কুল অ্যাপ ডাউনলোড করে যে কেউ ডিজিটাল অলিম্পিয়াডে দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।  রবি বা এয়ারটেল নাম্বার দিয়ে ডিজিটাল বিসিএস অলিম্পিয়াডে নিবন্ধিত হয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন আগ্রহীরা। রবি টেন মিনিট স্কুলের জাতীয় লিডবোর্ড ফিচারের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীরা অন্যান্য প্রতিযোগীদের তুলনায় নিজের অবস্থান যাচাই করে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। সিভিল সার্ভেন্ট হিসেবে গৌরব ও মর্যাদার সঙ্গে দেশ সেবা করার সুযোগ থাকায় প্রতিবছর এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন তিন থেকে চার লাখ প্রতিভাবান তরুণ। দেশের প্রথম ডিজিটাল বিসিএস অলিম্পিয়াডে অংশ নিয়ে বিসিএস’র জন্য নিজের প্রস্তুতিকে আরও শাণিত করে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন শহর বা গ্রামের যে কোন তরুণ। কেআই/

ব্যাংক এশিয়ার সঙ্গে গ্রামীন ইউগলেনার সঙ্গে চুক্তি

কৃষকদের ডিজিটাইজেশন পেমেন্ট সেবা নিশ্চিত করার লক্ষে ব্যাংক এশিয়া লি. ও গ্রামীন ইউগলেনা (বাংলাদেশ ও জাপানের একটি যৌথ সামাজিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান) এর সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ব্যাংক এশিয়া লি. এর প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আরফান আলী ও গ্রামীণ ইউগলেনার কো-সিইও মি. ইউকোহ সাতাকে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর শেষে চুক্তিপত্র হস্তান্তর করেন। ২৫ এপ্রিল ব্যাংকের স্কশিয়া শাখায় অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ব্যাংকের স্কশিয়া শাখা প্রধান তানফিজ হোসেন চৌধুরী, টাওয়ার শাখা প্রধান মো. আবদুল লতিফ, গ্রামীণ ইউগলেনার মিস আয়া সুজিবায়াসি, ব্লু নাম্বার এর কাশফিয়া আহমেদসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ প্রজেক্টের আওতায় গ্রামীণ কৃষকদের প্রয়োজনীয় সকল আর্থিক সেবা প্রদান করা হবে। কেআই/  

টেকসই রাজস্ব আহরণে বাজেটে নীতিগত পরিবর্তন প্রয়োজন

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সংগঠন ফরেন ইনভেস্টর’স চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফ আইসিসিআই) প্রেসিডেন্ট শেহজাদ মুনিম বলেন, ঘাটতি কমিয়ে রাজস্ব আয় বাড়াতে প্রতিবছরই বাজেটে কিছু নীতিগত পরিবর্তন আনা হয়। টেকসই রাজস্ব আহরণে এই পরিবর্তনগুলোর বিষয়ে বাজেট পরবর্তী মূল্যায়ন প্রয়োজন। কারণ নীতিগত পরিবর্তনগুলো কাজে না আসলে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ব্যাহত হয়। বৃহস্পতিবার রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে অনুষ্ঠিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।  আসন্ন ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটকে সামনে রেখে দৈনিক সমকাল ‘টেকসই রাজস্ব আহরণ: আমাদের অবস্থান’ শীর্ষক এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে। এতে সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি বৈঠকে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন। শেহজাদ মুনিম বলেন, বিশ্বের সবদেশেই দেখা যায়, রাজস্ব ফাঁকির মাত্র ১০ ভাগ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ধরতে পারেন। তাই শাস্তির এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে যেন সবাই বুঝতে পারে, ফাঁকি দিয়ে পার পাওয়া যাবে না।  ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে (আইজিডব্লিউ) অপারেটরস ফোরামের চীফ অপারেটিং অফিসার মুশফিক মনজুর বলেন, ভিওআইপি খাতে ২০১৫ সাল থেকে এ বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে সরকার। কিন্তু অবৈধ ভিওআইপি না থাকলে এ রাজস্ব আয় আরও অনেক বেশি হতো। বাংলাদেশ সিগারেট ম্যানুফ্যাকচারস অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএমএ) মুখপাত্র শেখ শাবাব আহমেদ বলেন, সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রায় ১০ ভাগ তামাক খাত থেকে আসে। গত নয় মাসে তামাক খাত থেকে সরকারের সাড়ে ২০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য থাকলেও আয় হয়েছে ১৮ হাজার কোটি টাকা। লক্ষ্যমাত্রা থেকে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা আদায় হয়নি। এর বড় কারণ গত বছর সরকার নিম্মস্তরের ১০ শলাকার এক প্যাকেট সিগারেটের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে ৩৫ টাকা। এর আগের বছর এই প্যাকেটের দাম ছিল ২৭ টাকা। এক বছরেই প্যাকেট প্রতি দাম বেড়েছে আট টাকা অর্থাৎ প্রায় ৩০% মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অবৈধ বাজার গড়ে উঠেছে। যেখানে সরকারকে ৩৫ টাকার এক প্যাকেট সিগারেটে ৭১ ভাগ কর দিতে হয় সেখানে অবৈধ সিগারেট ১৫ থেকে ২০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। বৈঠকে আরও বক্তব্য রাখেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অতিরিক্ত কমিশনার (বৃহৎ করদাতা ইউনিট) মোহাম্মদ শফি উদ্দিন, র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সারওয়ার আলম, সিআইডি’র বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম এবং আইজিডব্লিউ অপারেটরস ফোরামের সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম।  এই আলোচকগণ রাজস্ব ফাঁকি রোধে সমন্বিতভাবে কাজ করার এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজস্ব উদ্যোগে তথ্য সরবরাহ ও আইনগত দিকটির দায়িত্ব নিয়ে আইন- শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতার আহবান জানান। কেআই/

নবাবগঞ্জে ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার

ঢাকার নবাবগঞ্জের কোঠাবাড়ি চক থেকে গোবিন্দ রাজবংশী (৫০) নামে এক ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় নতুন বান্দুরা ইউনিয়নের বারুদুয়ারীর কোঠাবাড়ির চক থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত গোবিন্দ রাজবংশী বারুদুয়ারী গ্রামের মৃত হরমোহন রাজবংশীর ছেলে। পুরাতন বান্দুরা বাজারে কাপড়ের ব্যবসায় পাশাপাশি তিনি মাছের ব্যবসা করতেন। নিহতের স্ত্রী সাগরিকা রাজবংশী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিন মাস আগে গোবিন্দ কোঠাবাড়ির চকে দুইটি ডাঙ্গা মাছ চাষের জন্য ভাড়া নিয়েছিলেন। কাজের লোক ছুটিতে থাকায় বুধবার রাত ৯টার দিকে গোবিন্দ ডাঙ্গা দেখাশুনার জন্য চকে যায়। সোয়া ৯টায় মোবাইলে পরিবারের সঙ্গে তার একবার কথা হয়েছিল। এরপর রাতে আর কথা হয়নি। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় স্ত্রী সাগরিকা খাবার নিয়ে ডাঙ্গায় গেলে মুখ বাঁধা অবস্থায় আনন্দকে একটি বাঁশের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা অবস্থায় দেখতে পাই। এসময় আনন্দর মুখ ও পা বাধা ছিল। তাছাড়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ও নিহতের মুখের ভিতর টিস্যু পেপার ঢুকানো ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। নিহতের ছেলে সঞ্জিত রাজবংশী বলেন, আমার বাবা সাথে কারও কোন ঝগড়া ছিল না। বাবা ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন। যারাই আমার বাবাকে হত্যা করেছে আমি তাদের বিচার চাই। নবাবগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। বুকে, হাতে, পায়ে ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আমরা তদন্ত করে দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে। কেআই/

আগামী ২ মাসের মধ্যে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ

সরকার নতুন করে ১০ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘আগামী দুই মাসের মধ্যেই পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস উপলক্ষে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ম্যালেরিয়া একটি মরণব্যাধি উল্লেখ করে মন্ত্রী এই রোগ প্রতিরোধে মশা নির্মূল করার আহ্বান জানান। ম্যালেরিয়ার চিকিৎসা সরকার বিনামূল্যে প্রদান করে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা আনা হবে।’স্বাস্থ্য বিভাগের জন্য প্রয়োজনের অতিরিক্ত কোনো যন্ত্রপাতি কেনা হবে না বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমাদের যা প্রয়োজন, আমরা তাই ক্রয় করব। তার বেশি আমরা করব না। আমাদের অনেক যন্ত্রপাতি আছে। হাজার হাজার কোটি টাকার যন্ত্রপাতি প্যাকেটে বন্দি আছে। বিভিন্ন জায়গায় আনইউজড অবস্থায় আছে। কাজেই বিষয়গুলো আগামীতে যেন না হয়, সেদিকে লক্ষ রাখছি। সার্ভিস আরো ইমপ্রুভ করার চেষ্টা করছি। ১০ হাজার ডাক্তার নিয়োগের অনুমোদন পেয়েছি। আগামী দুই মাসের মধ্যে পাঁচ হাজার নিয়োগ আমরা করে ফেলব।’ টিআর/

বাউবি’র এইচএসসি পরীক্ষা আগামীকাল

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামীকাল। পরীক্ষা শেষ হবে ৫ জুলাই। শুক্রবার ও শনিবার দিনগুলিতে সকাল ও বিকেলে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সারাদেশে ৩৩৩ টি পরীক্ষা কেন্দ্রে এ পরীক্ষায় মোট ১ লক্ষ ৪৫ হাজার ৮ শত ৯৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে।যার মধ্যে ৮১ হাজার ৪ শত ২৬ জন পুরুষ এবং ৬৪ হাজার ৪ শত ৬৯ জন নারী। প্রশাসনের সহযোগিতায় নকলমুক্ত পরিবেশে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা গ্রহণের জন্য ব্যবস্থা নিয়েছে। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় হতে ভিজিল্যান্স টিম বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রেরণ করা হচ্ছে। আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়।  

রাজবাড়িতে বাড়ছে পেয়াজ বীজের আবাদ (ভিডিও)

পেঁয়াজের বীজের আবাদ করে লাভবান হচ্ছেন রাজবাড়ীর কৃষকরা। দর ভালো আর চাহিদা বেশি থাকায় এ জেলায় পেঁয়াজ বীজকে বলা হয় কালো সোনা। প্রতিকূল আবহাওয়া আর ফলন ভালো হওয়ায় দিনদিন এ চাষে আগ্রহও বাড়ছে তাদের। থোকা থোকা সাদা পেঁয়াজ ফুল থেকে আহরিত হবে কালো বীজ। সেই বীজ বুনেই ক্ষেত জুড়ে হবে পেঁয়াজের আবাদ। এসব পেঁয়াজ বীজের চাহিদা আর দাম ভালো হওয়ায় রাজবাড়ীর ৫ উপজেলার মাঠ জুড়ে হচ্ছে এর চাষ। দেশে মোট চাহিদার ১৪ ভাগ পেঁয়াজ উৎপাদন হয় রাজবাড়ীতে। এবারো ফলন ভালো ও বেশি দাম পাওয়ায় খুশী কৃষক। কৃষি কর্মকর্তা জানান, বীজ চাষে কৃষকের বিনিয়োগের ৪ ভাগের তিন ভাগই থাকে লাভ। কালবৈশাখী ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে কৃষকদের সর্তক থাকার পরামর্শ তাদের। জেলার মোট পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন বেশী হয় কালুখালী ও সদরে। এবারো পাকা বীজ ঘরে উঠিয়ে লাভের প্রত্যাশা তাদের। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে :    এসএ/  

বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ: সন্ধ্যায় মুখোমুখি মঙ্গোলিয়া-লাওস

দেশে প্রথমবারের মতো শুরু হওয়া মেয়েদের আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্ট বঙ্গমাতা গোল্ডকাপে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুখোমুখি হবে মঙ্গোলিয়া-লাওস। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু হতে যাওয়া ম্যাচটি সরাসরি দেখা যাবে বিটিভি ও আরটিভিতে। প্রথম ম্যাচে কিরগিজিস্তানের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে দারুণ আত্মবিশ্বাসী মঙ্গোলিয়া। অন্যদিকে এ ম্যাচ দিয়ে আসর শুরু করবে লাওসের মেয়েরা। তাই জয় ভিন্ন অন্য কিছু ভাবছে না সাবোইয়া খামের শিষ্যরা। লাওসের মেয়েদের চেয়ে র‌্যাংকিংয়ে ৩৮ ধাপ এগিয়ে মঙ্গোলিয়ার মেয়েরা। ঘরোয়া ফুটবলে লিগ থাকায় তাদের ফুটবলে উন্নতিটা চোখে পড়ার মত। তাই কোচ নাওকো কায়ামাতোর লক্ষ্য টুর্নামেন্টে ফাইনালে খেলা। সে জন্য ফিনিশিংয়ে আর আক্রমণ ভাগে ভালো করতে চায় তারা। মঙ্গোলিয়ার কোচ নাওকো কায়ামাতো বলেন, এ ম্যাচে জিতলেই আমরা টেবিলের শীর্ষে থেকে সেমিফাইনালে উঠতে পারবো। লাওস ভালো দল। তবে আমার মেয়েরা নিজেদের সেরাটা দিয়েই খেলবে। প্রসঙ্গত, বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের নামে এই টুর্নামেন্টটি বাফুফের ব্যবস্থাপনায় মেয়েদের প্রথম কোনও বৈশিক আসর। এর আগে ৫ বার আয়োজিত হয়েছে ছেলেদের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট। গেল ক’বছরে নারী ফুটবলে বাংলাদেশের ধারাবাহিক সাফল্য বিচারে সেই আদলেই একটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের চিন্তা করেছে বাফুফে। যার নামকরণ হয়েছে বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের নামে। গেল ক’বছরে বাংলাদেশের সাফল্যগুলো এসেছে বয়সভিত্তিক আসরে। জাতীয় দল তেমন সুবিধা করতে পারেনি কোথাও। বলতে গেলে বাংলাদেশের মেয়েদের শক্তিশালী মূল জাতীয় দল গঠন এখনো প্রক্রিয়াধীন। এ কারণে এই টুর্নামেন্ট অনূর্ধ্ব-১৯ দল নিয়ে আয়োজনের পরিকল্পনা হাতে নেয় আয়োজকরা। বাংলাদেশ ছাড়াও পাঁচ দল অংশ নিচ্ছে আসরে। বয়সভিত্তিক পর্যায়ে বিগত কয়েক বছরে বাংলাদেশের মেয়েদের সাফল্য বিবেচনায় আসরের অন্য দলগুলো শক্তি সামর্থ্যে খুব একটা এগিয়ে নেই স্বাগতিকদের চেয়ে। বরং কিছু দলকে নিয়মিতই বড় ব্যবধানে হারানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে বাংলাদেশের। অবশ্য দল লাওস ও মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে আগে কখনও খেলেনি বাংলাদেশের মেয়েরা। গত সোমবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে বঙ্গমাতা অনূর্ধ্ব-১৯ নারী আন্তর্জাতিক গোল্ডকাপ ফুটবল। আগামী ৩ মে টুর্নামেন্টের শিরোপার লড়াই হওয়ার কথা ছিল। এখন একদিন পিছিয়ে ফাইনালের সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ মে।  

চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকা’র উদ্যোগে পুঁথি পাঠের আসর

শতবর্ষের ঐতিহ্যমণ্ডিত চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকা’র উদ্যোগে প্রথমবারের মত গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোকজসংস্কৃতি পুঁথি পাঠের এক বর্ণাঢ্য আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। সঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭ টায় ৩২ তোপখানা রোডস্থ চট্টগ্রাম ভবনে সমিতির মিলনায়তনে আসরটি অনুষ্ঠিত হয়। সমিতির সভাপতি ও সাবেক নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মোবারক উপস্থিত অতিথিবৃন্দকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পুঁথি পাঠের আসরের শুভ উদ্বোধন করেন। পুঁথির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও ক্রমবিকাশের সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন নির্বাহী সদস্য আহমদ মমতাজ। সমিতির সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও অনুষ্ঠানের সদস্য-সচিব ইঞ্জিনিয়ার মো. মোস্তাফা কামাল চৌধুরী শানুর সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সমিতির সহসভাপতি ও অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক মো. গিয়াস উদ্দীন খান। উপস্থিত অতিথিবৃন্দ ও জীবন সদস্যদেরকে কষ্ট স্বীকার করে এই আসরে অংশগ্রহণ করার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল মাবুদ। অনুষ্ঠানটি স্পন্সর করেন সমিতির সাবেক সভাপতি ও আজিজ গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. আজিজুল হক চৌধুরীর পুত্র ও সমিতির দাতা জীবনসদস্য মো. রাজীবুল হক চৌধুরী। এই আসরের মূল আকর্ষণ চট্টগ্রামের বিশিষ্ট পুঁথিপাঠক শেখ নজরুল ইসলাম মাহমুদ। তাঁর সহযোগিতায় ছিলেন- তবলায় মো. সৈয়দুল হক, দোতারায় চিত্তরঞ্জন বর্মন, বাঁশিতে টিটু দেবনাথ, অক্টোপ্যাডে প্রণব রায়, কী বোর্ডে রতন মজুমদার, শিল্পী শিউলী মজুমদার ও ফিরোজা আকতার সামান্তা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমিতির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান সাবেক সচিব মো. দিদারুল আনোয়ার, সাবেক সভাপতি রেজাউল হক চৌধুরী মুশতাক, আবু আলম চৌধুরী ও মিসেস লায়লা সিদ্দিকী, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য-সচিব মুহাম্মদ মারুফ শাহ চৌধুরী, নির্বাহী পরিষদের সহসভাপতি ও মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, সহসভাপতি ও নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, সহসভাপতি সৈয়দ নুরুল ইসলাম ও সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ খালেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম ও নাছির উদ্দিন, হাসপাতাল কমিটির সদস্য সচিব মো. মহিউল ইসলাম মহিম, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট নাসরীন সিদ্দিকা লিনা। নির্বাহী পরিষদের সহসভাপতি ও মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, সহসভাপতি ও নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, সহসভাপতি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. সাইফুদ্দিন আহমদ (বাবুল), শফিকুর রহমান শফিক, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ফরিদুল আলম, শিক্ষা ও পাঠাগার সম্পাদক মাহমুদ সালাহ্উদ্দীন চৌধুরী, সাহিত্য ও সেমিনার সম্পাদক ইঞ্জনিয়ার উজ্জ্বল মল্লিক, ক্রীড়া সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমদ চৌধুরী, স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. মামুনুর রশীদ রাসেল, মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান (মন্টু), মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আনিচ উল মাওয়া (আরজু), আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ হাবিবুল কবির চৌধুরী, মোঃ শাহাদাত হোসেন চৌধুরী (হিরো), মোহাম্মদ মনসুর আলী চৌধুরী, মো. কামাল হোসেন তালুকদার, রাহুল বড়ুয়া, মোঃ গিয়াস উদ্দীন চৌধুরী, মোস্তফা ইকবাল চৌধুরী (মুকুল), আলম ইশরাক চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার জাহিদ আবছার চৌধুরী, আবরাজ নুরুল আলম ও আজম উদ্দীন তালুকদার প্রমুখ। এছাড়া অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দসহ সমিতির অনেক জীবন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এসি  

পারটেক্স স্টার গ্রুপকে ব্যবসায়িক সহায়তা দেবে ওরাকল ক্লাউড

বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ, বৈচিত্রপূর্ণ প্রতিষ্ঠান পারটেক্স স্টার গ্রুপ তাদের অন-প্রিমিসিস এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিংকে (ইআরপি) সফলভাবে ওরাকল ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচারে স্থানান্তর করেছে। পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ করতে এবং ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির লক্ষে প্রতিষ্ঠানটিতে ক্লাউড সম্প্রসারনে মাত্র এক মাস সময় লেগেছে। ওরাকল ক্লাউড অবকাঠামোয় স্থানান্তরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি আগের চেয়ে ভালো কর্মক্ষমতা, নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনার দক্ষতা অর্জন করেছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক খরচ কমেছে।  পারটেক্স স্টার গ্রুপে ১০ হাজারেরও বেশি প্রত্যক্ষ কর্মী রয়েছে। ভোক্তা পণ্য সামগ্রী, আসবাবপত্র, টেক্সটাইল এবং অন্যান্য প্রযুক্তি খাত মিলিয়ে ২৫ টিরও বেশি শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে যা প্রতিনিয়তই সম্প্রসারিত হচ্ছে। এর ক্রমবর্ধমান কার্যক্রমে আরো ভালো অভিজ্ঞতা দিয়ে সহযোগিতা করতে এবং আকস্মিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় নতুন নতুন সুবিধা দেয়ার প্রয়োজনীয়তা থেকেই প্রতিষ্ঠানটি ওরাকল ক্লাউড অবকাঠামো গ্রহণ করেছে। পারটেক্স স্টার গ্রুপের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, “বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা নিয়ে আমাদের প্রতষ্ঠান পারটেক্স। আমাদের এমন একটি ক্লাউড প্লাটফর্মের প্রয়োজন ছিল যা উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ ছাড়াই আমাদের প্রতিষ্ঠানের সাথে সামঞ্জসপূর্ণ হয়।” তিনি আরো বলেন, “ওরাকল ক্লাউড ইনফ্রাসট্রাকচার আমাদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা, উপযোগিতা এবং যুতসই সেবা সরবরাহ করবে, যার ফলে আমরা আশা করছি এটি আমাদের সার্বিক কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।” ওরাকল ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচারের কম্পিউটিং শক্তিকে কাজে লাগিয়ে প্রতিষ্ঠানটি মিশন ক্রিটিক্যাল ডাটাবেস, নানা ধরনের অ্যাপলিক্যাশন ও ওয়ার্কলোডসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরো ভালো কর্মক্ষমতা দিবে এবং একই প্লাটফর্মে গতানুগতিক এবং ক্লাউড-নেটিভ ওয়ার্কলোড পরিচালিত হবে। পরবর্তীতে ওরাকল ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার পারটেক্স গ্রুপ পরিচালনায় সার্বিক খরচ কমাবে এবং এর ভিন্ন ব্যবসার মধ্যে সংযোগ ও তথ্য আদান-প্রদানে সক্ষমতা আনবে। ওরাকল এসএজিই’এর ক্লাউড প্লাটফরম গ্রুপের সেলস ডিরেক্টর নিলান্থা ব্রিত বলেন, “বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত ব্যবসা সম্প্রাসরণ এবং প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত প্রযুক্তির সাথে তাল মেলাতে সহযোগিতা করছে ওরাকল ক্লাউড। এই ইনফ্রাসট্রাকচার গ্রহণ করে পারটেক্স গ্রুপ দ্রুত তাদের বিনিয়োগের সুফল ভোগ করতে পারবে। সত্যিকারের ব্যবসায়িক ক্লাউডের সুবিধা পাবে যা তাদের চলমান ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধিকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে সহযোগিতা করে যাবে।” উল্লেখ্য, ওরাকল পার্টনার নেটওয়ার্কের অংশ এবং গোল্ড মেম্বার শ্রীলঙ্কার ‘সফটলাইন’ পারটেক্স স্টার গ্রুপের ক্লাউড ইনফ্রাসট্রাকচার বাস্তবায়নের কাজ করেছে। এসি  

‘যাত্রাশিল্পের নবযাত্রা’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী যাত্রা উৎসব শুরু

যাত্রাপালা বাংলাদেশের লোক সংস্কৃতির অমূল্য সম্পদ। ‘যাত্রাশিল্প উন্নয়ন নীতিমালা ২০১২’ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বেশ কিছু কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। যাত্রাশিল্পের নবযাত্রা শীর্ষক ৫টি নতুন যাত্রা প্রযোজনা নিয়ে ২৪-২৬ এপ্রিল তিন দিনব্যাপী ‘যাত্রা উৎসব ২০১৯’ শুরু হয়েছে। একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬.৩০ থেকে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী যাত্রা উৎসব ও ‘যাত্রাপালার বিবেক’ শীর্ষক গবেষণাধর্মী কর্মশালা, যাত্রাশিল্পী সম্মাননা প্রদান। ২৪ এপ্রিল এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে সন্ধ্যা ৬.৩০ উদ্বোধনী আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল এনডিসি এবং বিশিষ্ট নাট্য ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মঞ্চসারথি আতাউর রহমান। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ঋত্বিক নাট্যপ্রাণ লিয়াকত আলী লাকী এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের পরিচালক মো: বদরুল আনম ভূঁইয়া। উদ্বোধনী আয়োজনে একাডেমির কন্ঠশিল্পীরা যাত্রাপালার গান পরিবেশন করেন। যাত্রাপালার গানের সাথে নৃত্য পরিবেশন করেন একাডেমির নৃত্যশিল্পীবৃন্দ। অনুষ্ঠানে যাত্রা শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনজন যাত্রাশিল্পীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননা প্রাপ্ত শিল্পীরা হলেন ভিক্টর দানিয়েল, গৌরাঙ্গ আদিত্য, সুলতান সেলিম। ২৪ এপ্রিল উদ্বোধনী আলোচনা শেষে সন্ধ্যা ৭টায় এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে মিলন কান্তি দে’র পালা রচনা ও নির্দেশনায় দেশ অপেরা প্রযোজিত যাত্রাপালা ‘এক যে ছিল মহারানি’ এবং মামুনুর রশীদ এর পালা রচনায়, হাবিব সারোয়ারের নির্দেশনায় জয়যাত্রা প্রযোজিত ‘দ্বীপের নাম আন্ধার মানিক’ যাত্রাপালা পরিবেশিত হয়। ২৫ এপ্রিল ২টি যাত্রাপালা প্রদর্শিত হবে। পালাকার শ্যামল দত্তের যাত্রাপালা ‘দুউ বিঘা জমি’। লোক নাট্যগোষ্ঠী প্রযোজিত পালাটি নির্দেশনা দিয়েছেন তাপস সরকার। পালাকার ড. আমিনুল ইসলাম এর ‘সোহরাব রুস্তম’। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ প্রযোজিত পালাটি নির্দেশনা দিয়েছেন রেজা আরিফ। উল্লেখ্য, দেশজ ও আন্তর্জাতিক সংস্কৃতির লালন ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। নাটক, পাপেট, চলচ্চিত্র, যাত্রা প্রভৃতি বিষয় নিয়ে ইতোমধ্যে বেশকিছু কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগ। এর মধ্যে অন্যতম যাত্রাপালা। যাত্রাপালা আমাদের দেশের সুদূর অতীতে গ্রামে সুরুচিপূর্ণ ও আকর্ষনীয় বিনোদন হিসেবে দর্শককে বিপুল আনন্দ প্রদান করতো এবং বিনোদনের অন্যতম শিল্প মাধ্যম ছিলো যাত্রাপালা। যাত্রাপালার পুরনো সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার লক্ষে ও যাত্রা শিল্পেকে দর্শকনন্দিত করার জন্য শিল্পকলা একাডেমি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী’র পরিকল্পনায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ২০১২-১৩ অর্থ বছরে দেশের ৬৪টি জেলা শিল্পকলা একাডেমির অংশগ্রহণে ৭৬টি মুক্তযুদ্ধভিত্তিক নাটক নিয়ে ‘মুক্তিযুদ্ধের জাতীয় নাট্যোৎসব’, ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে দেশের ৬৪ জেলার অংশগ্রহণে আয়োজন করে ‘স্বপ্ন ও দ্রোহের নাট্যোৎসব’, ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে দেশের ৬৪টি জেলা শিল্পকলা একাডেমি অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় ‘সাহিত্য নির্ভর জাতীয় নাট্যোৎসব’ এবং মানুষের প্রয়োজনীয়তা ও সামাজিক পরিপ্রেক্ষিতেকে সামনে রেখে ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে মূল্যবোধের নাট্যউৎসব আয়োজন করে। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে জেলাভিত্তিক কৃষ্টি ও সাংস্কৃতিক অনুষঙ্গ অবলম্বনে নির্মিত হয় ঐতিহ্যবাহী বাংলা নাটক। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ৬৪ জেলায় নির্মিত হচ্ছে দেশীয় যাত্রাপালা। এছাড়াও আগামী ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে নির্মিত হবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ৬৪টি নাটক। ইতোমধ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় সুষ্ঠু যাত্রা শিল্পের প্রসারের জন্য যাত্রা শিল্প উন্নয়ন নীতিমালা ২০১২ প্রণিত হয়েছে। এই নীতিমালার আলোকে ২০১৩ থেকে শিল্পকলা একাডেমি যাত্রাশিল্প নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করেছে। কর্মশালা ভিত্তিক ৫টি যাত্রাপালা প্রযোজনা নির্মাণ ও প্রদর্শনী, ৬৪ জেলায় দেশীয় যাত্রাপালা নির্মাণ ও মঞ্চায়ন, সেমিনার আয়োজন, যাত্রা ব্যক্তিত্বদের নিয়ে স্মরণসভা আয়োজন, দেশীয় যাত্রাপালা মূল্যায়ন, প্রত্মযাত্রা ‘ঈশা খাঁ এবং রক্তাক্ত প্রান্তর যাত্রাপালা নির্মাণ ও প্রদর্শনী আয়োজন। এছাড়াও ১০টি যাত্রা উৎসবের মাধ্যমে ১১১টি যাত্রাদলকে নিবন্ধন সনদ প্রদান করা হয়েছে। শিল্প সংস্কৃতি ঋদ্ধ সৃজনশীল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে আমাদের সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ইতিবাচক পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে যাত্রাশিল্পের হারানো গৌরব ফিরে পাবে বলে প্রত্যয় ব্যাক্ত করেছেন একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। এসি  

স্বীকৃতি পেল বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ফেসবুক পেজ

শিল্প সংস্কৃতি ঋদ্ধ সৃজনশীন মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে দেশজুড়ে শিল্প সংস্কৃতির বিকাশে কাজ করছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। একাডেমি আয়োজিত বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানসমূহ, মঞ্চনাটক, প্রদর্শনী, প্রশিক্ষণ, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যায় একাডেমির ফেইজবুক পেজে। Bangladesh Shilpakala Academy নামে পেজটিতে রয়েছে সাতাশি হাজার ফ্যান। পেইজটির ইউআরএল হলো www.facebook.com/shilpakalapage/ একাডেমির আবেদনের প্রেক্ষিতে ২৪ এপ্রিল ২০১৯ ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এক বার্তায় পেইজটি ভেরিফিকেশনের তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর ফলে পেইজটি শিল্পসংস্কৃতির নানা আয়োজনের নির্ভরযোগ্য একটি তথ্যসূত্র হিসেবে বিবেচিত হবে। একাডেমিতে আয়োজিত নিয়মিত নাটকের প্রদর্শনী, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন আয়োজনের তথ্য পাওয়া যাবে এই পেইজে। পেইজটির এডমিন একাডেমির সহকারী পরিচালক (গ্যালারি) শাহিন রেজা রাসেল জানিয়েছেন, ‘২০১৭ সালের আগস্ট মাসে পেইজটি খোলা হয় এবং তারপর থেকে নিয়মিত তথ্য হালনাগাদ করার মাধ্যমে পেইজটি সংস্কৃতিকর্মীদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠে।’ এসি  

ডিজিটাল রূপান্তরকে নিরাপদ ও শক্তিশালী করতে চায় রেড হ্যাট

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় মুক্ত সফটওয়্যার কোম্পানি রেড হ্যাট বাংলাদেশে তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে চায়। তাদের সেবা দেশের ডিজিটাল রূপান্তর প্রক্রিয়াকে নিরাপদ ও শক্তিশালী করবে বলে মনে করছে বহুজাতিক আমেরিকান কোম্পানিটি। ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি সংস্থা এবং টেলিকম খাতের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করার লক্ষ্য তারা নির্ধারণ করেছে। বুধবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে এক সাংবাদিক সম্মেলনে রেড হ্যাট ইন্ডিয়া ও সাউথ এশিয়ার জেষ্ঠ্য কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান। সাংবাদিক সম্মেলনে রেড হ্যাট ইন্ডিয়া ও সাউথ এশিয়ার পার্টনার, অ্যালায়েন্সস অ্যান্ড কমার্শিয়াল সেলস পরিচালক নিরাজ ভাটিয়া, সল্যুশন আর্কিটেকচার পরিচালক অমিতা রায় এবং হেড অব সেলস- স্টেট গভর্নমেন্ট অ্যান্ড কমার্শিয়াল বিজনেস পলাশেন্দু ভট্টাচার্য্য বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম শীর্ষ সফটওয়্যার ব্যবহারকারী দেশে পরিণত হবে। এ প্রযুক্তিগত রূপান্তর প্রক্রিয়াকে নিরাপদ ও টেকসই করতে মুক্ত সফটওয়্যারের যথাযথ ব্যবহার প্রয়োজন। রেড হ্যাট অংশীজনদেরকে নিয়ে তা নিশ্চিত করতে কাজ করবে। নিরাজ ভাটিয়া বলেন, ওপেন সোর্স বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে উদ্ভাবনী গতি দিবে। গত কয়েক বছরে দেশে ক্লাউড কম্পিউটিং জনপ্রিয় হচ্ছে। মানুষ এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এটি গ্রহণ করছে। রেড হ্যাট স্থানীয় ব্যবসায় উন্মুক্ত হাইব্রিড ক্লাউড সমাধান আনতে উদ্ভাবনমূলক কাজ করবে। ব্যবসার সম্প্রসারণে এটি আধুনিকতম সমাধান আনছে। অমিতা রায় বলেন, বিশ্বজুড়ে ডিজিটাল বিচ্যুতির বিপরীতে ভালো সমাধান নিয়ে এসেছে ওপেন সোর্স সল্যুশন। প্রযুক্তির পরিবর্তনের সাথে এটি দ্রুতই পরিবর্তিত হয় বলে এর ব্যবহারও সহজ এবং নিরাপদ। গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী এটি নতুন বৈশিষ্ট্য পরিমাপ করতে এবং সংশোধন করতে সক্ষম। অপেক্ষাকৃত কম অবকাঠামো এবং সফটওয়্যার খরচ কম হওয়ার কারণে ওপেন সোর্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ডেভেলপারদেরকে উন্মুক্ত, নমনীয় এবং সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনায় কাজ সম্পন্ন করার সুযোগ দেয়। অন্য সফটওয়্যারের চেয়ে এ মুক্ত সল্যুশনের নিয়ন্ত্রণও সহজ। আইটি অবকাঠামো এবং অ্যাপ্লিকেশন নির্মাণে ভেন্ডরদের সাথে দীর্ঘসূত্রিতা এবং সময়ক্ষেপন রোধ করে রেড হ্যাটের ওপেন সোর্স সল্যুশন। পলাশেন্দু ভট্টাচার্য্য বলেন, ‘ক্লাউড কম্পিউটিং, কন্টেইনারস, মোবাইল, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিংয়ের মত উদ্ভাবনগুলোর মূলেও রয়েছে ওপেন সোর্স সল্যুশন। এয়ারলাইনস, কমার্শিয়াল ব্যাংক এবং টেলিকম খাতের শতভাগ ফরচুন ৫০০ কোম্পানি রেড হ্যাটের সেবা গ্রহণ করছে।’ এসি  

জিপি অ্যাকসেলেরেটরে স্টার্টআপদের জন্য আবেদন আহ্বান

প্রযুক্তি বিষয়ক উদ্ভাবক ও স্টার্টআপদের সহায়তায় ‘জিপি অ্যাকসেলেরেটর ২.০’ প্রোগ্রামের জন্য দেশব্যাপী আবেদন গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে গ্রামীণফোন। বুধবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ ঘোষণা দেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। অন্যান্যদের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী মাইকেল ফোলি, ডেপুটি সিইও ও সিএমও ইয়াসির আজমান, হেড অব ডিজিটাল সোলায়মান আলম, কমিউনিকেশনসের ডিরেক্টর তালাত কামাল এবং প্রতিষ্ঠানটির হেড অব স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম মিনহাজ আনওয়ার। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চলতি বছর ‘জিপি অ্যাকসেলেরেটর ২.০’ উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী প্রযুক্তি বিষয়ক উদ্ভাবক ও স্টার্টআপদের কাছে পৌঁছানোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে গ্রামীণফোন। পাশাপাশি, এ পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রযুক্তি বিষয়ক উদ্ভাবক ও স্টার্টআপদের ধারণাকে প্রি-অ্যাকসেলেরেটরের মাধ্যমে মিনিমাম ভায়াবল প্রডাক্টে রূপান্তর সহায়তা করাও প্রতিষ্ঠানটির উদ্দেশ্য। প্রযুক্তি বিষয়ক উদ্ভাবক ও স্টার্টআপরা https://www.grameenphone.com/gp-accelerator-2.0- এ গিয়ে অনলাইনে নিবন্ধন করতে পারবেন। প্রি-অ্যাকসেলেরেটর ধাপে ২৫টি নির্বাচিত স্টার্টআপকে পণ্য গবেষণা, পণ্যের ডিজাইন বা নকশা, বৈধতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। আগামী ১৫ মে পর্যন্ত প্রি-অ্যাকসেলেরেটর রাউন্ডের জন্য আবেদনের সুযোগ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, আরো দক্ষ স্টার্টআপগুলো আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত সরাসরি অ্যাকসেলেরেটর প্রোগ্রামের জন্য আবেদন করতে পারবে, যেখানে তারা প্রায় সাড়ে ৪ মাস দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবে। জিপিএ ২.০ হচ্ছে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে বিনিয়োগকারী এবং ইকোসিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ স্টার্টআপগুলো এক হয়ে উদ্ভাবনী ধারণার বিচার-বিশ্লেষণ করে সেগুলো যথাযথভাবে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে কাজ করে। বিশ্বখ্যাত পরামর্শকদের কাছ থেকে নির্বাচিত স্টার্টআপগুলো বাণিজ্যিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে, ব্যবসায়িক পরিমাপকরণে এবং প্রবৃদ্ধি সংক্রান্ত সহায়তা পাওয়ার পাশাপাশি জিপি হাউজে কার্যালয়, জিপি ডিষ্ট্রিবিউশন চ্যানেলে অন্তর্ভুক্তি এবং দেশী ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে ধারণা উপস্থানের সুযোগ পাবে। তারা জানায়, গত ২০১৫ সালে ‘জিপি অ্যাকসেলেরেটর’ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ২৬টি স্টার্টআপের মধ্যে ১৯টি স্টার্টআপ তাদের সেবা ও পণ্য বাণিজ্যিকভাবে চালু করেছে। অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রবৃদ্ধির লক্ষে সম্ভাব্য ব্যবসার সুযোগ তৈরির মাধ্যমে বর্তমান সরকার সহায়তার দিক থেকে শতভাগ প্রতিশ্রতিবদ্ধ, যা সার্বিকভাবে জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে। এক্ষেত্রে, স্টার্টআপগুলোর সহায়তায় জিপি অ্যাকসেলেরেটর প্ল্যাটফর্ম একটি অন্যন্য উদাহরণ। সকল অংশগ্রহণকারীদের প্রতি রইলো আমার শুভ কামনা।’ গ্রামীণফোনের প্রধান মাইকেল ফোলি বলেন, ‘বাংলাদেশে ডিজিটাল ইকোসিস্টেম তৈরির লক্ষে দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে গ্রামীণফোন সরকারের সাথে সম্ভাব্য সকল ক্ষেত্রে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের অগ্রগতিতে তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করতে এটি কার্যকরী একটি প্ল্যাটফর্ম বলে মনে করি আমরা, আর এই যাত্রায় সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যুক্ত হতে পেরে গ্রামীণফোন আনন্দিত। বর্তমানে আমাদের দেশে দ্রুতগতিতে নতুন ব্যবসা ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে। আর তাই আমাদের যেমন তরুণ প্রজন্মকে দরকার ঠিক তেমনি তাদের কাছেও আমাদের প্রয়োজনীয়তা ব্যাপক। গ্রামীণফোনের ডেপুটি সিইও এবং সিএমও ইয়াসির আজমান বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের সত্যিকারের সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে আমাদের উদ্ভাবন ও তরুণদের সম্পৃক্ততা প্রয়োজন। দেশজুড়ে উচ্চগতির ডাটা নেটওয়ার্ক তৈরি ছাড়াও গ্রামীণফোন অ্যাকসেলেরেটর কর্মসূচির মাধ্যমে তরুণদের জন্য প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। এ কর্মসূচিজুড়ে সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধান নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এ সমাধানের উন্নয়ন ঘটিয়ে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করে দেয়া হয়। এ ইকোসিস্টেমেরই অংশ হিসেবে গ্রামীণফোন উদ্ভাবনে সহায়তাদানে এবং তরুণদের অর্থপূর্ণভাবে সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ গ্রামীণফোনের হেড অব স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম মিনহাজ আনওয়ার বলেন, ‘বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে কয়েক ধাপ সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে গ্রামীণফোন অ্যাকসেলেরেটর ২.০ বিশেষ ভূমিকা রাখবে। এ উদ্যোগ সম্পূর্ণভাবে অংশীয়ারিত্বমূলক। এ কর্মসূচি এর অংশীদারদের লক্ষ্য যেমন পূরণ করে, তেমনি দীর্ঘমেয়াদে সুরক্ষিত ভবিষ্যত তৈরি করে।’ এসি  

আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণা

আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিঃ ২০১৮ সালের জন্য ১৫% নগদ ও ২% বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। বুধবার (২৪ এপ্রিল) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত পরিচালক পর্ষদের ৩৩৪তম সভায় এ লভ্যাংশ প্রদানের সুপারিশ করা হয়। ব্যাংকের চেয়ারম্যান আলহাজ্জ আব্দুস সামাদ লাবুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আগামী ২২ জুন, ২০১৯ ব্যাংকের ২৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) -এর তারিখ এবং ১৯ মে ২০১৯ রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়। এজিএম -এর অনুমোদন সাপেক্ষে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে সমাপ্ত বছরের জন্য উক্ত ডিভিডেন্ড প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্জ মোঃ আব্দুস সালাম, সদস্য আলহাজ্জ হাফেজ মোঃ এনায়েত উল্যা, আলহাজ্জ মোঃ লিয়াকত আলী চৌধুরী, মোঃ আমির উদ্দিন পিপিএম, আলহাজ্জ নাজমুল আহসান খালেদ, আলহাজ্জ আব্দুল মালেক মোল্লা, আলহাজ্জ মোঃ আনোয়ার হোসেন, আলহাজ্জ ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ, আলহাজ্জ আহামেদুল হক, আলহাজ্জ এ এন এম ইয়াহিয়া, আলহাজ্জ নিয়াজ আহমেদ, ডাঃ মোঃ শফিউল হায়দার চৌধুরী, আনোয়ার হোসেন, খালিদ রহিম, এম কামালউদ্দিন চৌধুরী এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ফরমান আর চৌধুরী অংশগ্রহণ করেন। এসময় ব্যাংকের কোম্পানি সচিব ও সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ মাহমুদুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন নির্বাহীগণ উপস্থিত ছিলেন। এসি  

বাংলাদেশের আইসিইউতে ৮০ ভাগ মৃত্যুর কারণ সুপারবাগ: টেলিগ্রাফ

বাংলাদেশের আইসিইউতে ৮০ শতাংশ মৃত্যুর জন্য দায়ী হতে পারে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ‘সুপারবাগ’। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)-তে অবস্থিত দেশের সর্ববৃহৎ আইসিইউতে কর্মরত জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক সায়েদুর রহমানের বরাতে এ খবর দিয়েছে বৃটেনের দ্য টেলিগ্রাফ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে এই অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ। এসব দেশে চিকিৎসকের দেওয়া অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের পরামর্শ যথাযথভাবে অনুসরণ না করা, গবাদী পশু মোটাতাজা করার জন্য অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার, ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া নিজ থেকেই অ্যান্টিবায়োটিক নেওয়া এবং দোকান থেকে অবৈধভাবে অ্যান্টিবায়োটিক কেনার সুযোগকে এক্ষেত্রে দায়ী করা হয়েছে। ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, ২০১৮ সালে হাসপাতালটির আইসিইউতে ভর্তি হয়েছিলেন ৯০০ জন রোগী। এদের ৪০০ জনই মারা গেছেন। মৃতদের মধ্যে ৮০ শতাংশের মৃত্যুর কারণ হিসেবে ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকজনিত ইনফেকশনকে দায়ী করা হয়েছে। এসব ইনফেকশন ছিল অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী। তিনি বলেন, অ্যান্টিবায়োটিক দোকানে কেনাবেচা করার সুযোগ থাকা উচিত নয়। এসব ওষুধ শুধুমাত্র হাসপাতাল থেকে বিতরণ করা যাবে, এমন ব্যবস্থা করা উচিত। এক্ষেত্রে আরও কড়াকড়ি প্রয়োজন। অধ্যাপক আবু সালেহ আরও বলেন, ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য কোনো নতুন অ্যান্টিবায়োটিক নেই। পাশাপাশি, বর্তমানে যেসব অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলোর কার্যকারিতা কমে যাচ্ছে। এ কারণে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ায় এই সুপারবাগের বিস্তারের পেছনে মূল দায়ী করা হচ্ছে, অর্থের লোভে অযোগ্য ডাক্তারদের দেওয়া আ্যান্টিবায়োটিকে ভুল প্রেসক্রিপশন। অনেক দেশে আবার গবাদী পশুর রোগের জন্য প্রেসক্রিপশন দেওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিধিনিষেধ অনুসরণ করা হয় না। মানুষের জন্য ব্যবহার্য অনেক অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয় গবাদী পশুকে, যাতে দ্রুত ওজন বাড়ানো সম্ভব হয়। এদিকে, দ্য টেলিগ্রাফ পত্রিকার এই প্রতিবেদনের পর প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। রিটে বিবাদী করা হয়েছে, স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, জনপ্রশাসন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রিটের শুনানি হবে বলে জানান এই আইনজীবী। এ ব্যাপারে সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেন, অ্যান্টিবায়োটিক শুধু যে আমরা নিজেরা নিচ্ছি তা নয়, কৃষিজাত পণ্য, গরু, ছাগল ও মুরগিতেও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যাবহার হচ্ছে। ফলে পরোক্ষভাবে আমাদের শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক প্রবেশ করছে। যার কারণে একটা বয়সে আর অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না। অ্যান্টিবায়োটিক একটা সময়ে আমাদের জন্য ছিলো বড় আবিষ্কার, কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই সময়ে এটা আমাদের জন্য অভিশাপ হয়ে দাড়িয়েছে। এর একমাত্র কারণ হলো অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির ক্ষেত্রে বাংলাদেশে কোন নিয়ম-কানুন মানা হয় না। তিনি বলেন, আমরা চেয়েছি যে অ্যান্টিবায়োটিকটা যেন অন্তত স্পেশালাইজড ডাক্তারের প্রেসক্রিপশান ছাড়া এটা বিক্রি না হয়। কারণ, বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষই অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যপারটা বুঝছেন না। আমি মনে করি এ ব্যাপারটা নিয়ে আমাদের এখনি সচেতন হওয়া প্রয়োজন, নয়তো আমাদের পরবর্তী ১/২টা জেনারেশনে আর কোন ওষুধে কাজ করবেনা। উল্লেখ্য, জাতীয় ওষুধ নীতি ২০১৬-এর ধারা ৩ (১৫)- তে প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রিযোগ্য ওষুধের তালিকা প্রণয়নের বিষয়ে বলা হয়েছে— ‘উন্নত দেশগুলোর আদলে সাধারণভাবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে’ এই তালিকা প্রণয়ন করা হবে। ধারা ৪ (১৮) -এ ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) বা প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রিযোগ্য ওষুধ সম্পর্কে বলা হয়েছে— নিবন্ধিত অ্যালোপেথিক, আয়ুর্বেদিক ও ইউনানি চিকিৎসা পদ্ধতির ওষুধের মধ্য থেকে সাধারণভাবে ব্যবহৃত এবং কম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ওষুধ তালিকাভুক্ত করা হলো। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী, ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর সময় সময় এ তালিকা হালনাগাদ করবে বলে ওই নীতিমালায় বলা হয়েছে। এসি  

মেডিটেক্স এক্সপো ২ মে থেকে শুরু

সেমস গ্লোবাল আয়োজন করছে ‘১২তম মেডিটেক্স বাংলাদেশ ২০১৯’। এটি দক্ষিণ এশিয়ার চিকিৎসা, ক্লিনিক্যাল ও স্বাস্থ্য সেবা শিল্পের অন্যতম বৃহত্তম প্রদর্শনী। আগামী ০২-০৪ মে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি) ঢাকায় তিন দিন ব্যাপী এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া, উক্ত প্রদর্শণীর পাশাপাশি ‘৪র্থ আন্তর্জাতিক হেলথ ট্যুরিজম এক্সপো-২০১৯’ এবং ‘৫ম বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল ল্যাব এক্সপো-২০১৯’ অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরাম অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে জানোনো হয়, প্রদর্শনীতে স্বাগতিক বাংলাদেশসহ ভারত, থাইল্যান্ড, চীন, কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, সুইডনে , জার্মানি, ডেনমার্ক, যুক্তরাজ্য, তাইওয়ান, তুরস্ক, প্রভৃতি দেশের প্রায় ১২০টি প্রতিষ্ঠান ২৮০টি স্টল নিয়ে অংশগ্রহণ করছে। তারা আরও জানায়, স্বাস্থ্য খাতের বৃহৎ এ প্রদর্শনীতে থাকবে মেডিকেল, সার্জিক্যাল, হেলথকেয়ার, ক্লিনিক্যাল ল্যাব ইকুইপমেন্ট, ডেন্টাল ও ডায়াগনস্টিক সরঞ্জাম এবং ফার্মাসিউটিক্যাল ইকুইপমেন্টের বিশাল সমাহার। উক্ত প্রদর্শনীটি আগত দেশী-বিদেশী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও দর্শক, বিনিয়োগকারীদের জন্য ওয়ান স্টপ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারীর প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্য সেবাগুলোতে তাদের পরিসেবা এবং সর্বশেষ উন্নয়নগুলো প্রদর্শন করবে। এছাড়া, হেলথ টুরিজম ও সার্ভিস উপকরণের জন্য থাকছে বিশেষ আয়োজন। প্রদর্শনীগুলোতে আগত দর্শনার্থী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রতিদিন ফারটালিটি এবং থাইরয়েড রোগ ও অন্যান্য রোগ সংক্রান্ত বিষয়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসকগণ দ্বারা সেমিনারের আয়োজন করা হবে। প্রদর্শনীগুলো প্রতিদিন সকাল ১০.৩০ থেকে সন্ধ্যা ৮.৩০ পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এসি  

হাবিপ্রবিতে স্থাপত্য বিভাগের ‘স্থাপত্যে অনুরণন’ প্রদর্শনী

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক মিলন কেন্দ্রের দ্বিতীয় তলায় স্থাপত্য বিভাগের আয়োজনে দুইদিনব্যাপী স্থাপত্যে অনুরণন প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এই প্রদর্শনীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহণ করে। প্রদর্শনীতে দুই শতাধিক মডেল, ফটোগ্রাফি, অংকন, বঙ্গবন্ধুর ছবি সুতা দিয়ে আর্টসহ অনেক কিছু দেখানো হয়। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী প্রায় সবাই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রদর্শনী দেখতে আসেন। দিনাজপুর এবং আশপাশের জেলাগুলো হতেও দর্শনার্থীরা এই প্রদর্শনী দেখতে আসেন। বর্তমান অবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে আধুনিক স্থাপত্যের মাধ্যমে নিয়ে এসে দিনাজপুর শহরকে একটি অগ্রগণ্য শহরে রুপ দেওয়ার জন্য পরামর্শ, সুপারিশ ও নকশা উপস্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়াও শহরের কনভেনশন সেন্টার ও আর্ট ক্যাম্পাস, শিশুদের পার্ক, জলজ উদ্যান, ইকোলজিক্যাল পার্কসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ ও ভবিষ্যৎ শহরের রূপরেখা ফেস্টুনে লিখে রাখা হয়েছে। দর্শনার্থীরা জানিয়েছেন, দিনাজপুর শহরকে পরিকল্পনামাফিক ও নান্দনিকভাবে সাজাতে প্রদর্শনীতে যেসব নকশা বা স্থাপত্য সৃষ্টি করা হয়েছে সেই অনুযায়ী আগামীর দিনাজপুর গড়ে তুলতে পারলে এখানকার মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নসহ নানাবিধ উন্নয়নের সাথে আমরা একটি পরিকল্পিত শহর পাবো। স্থাপত্য বিভাগের ১ম ব্যাচের শিক্ষার্থী নুরুদ্দীন খান বলেন, বর্তমান অবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে আধুনিক স্থাপত্যের মাধ্যমে নিয়ে এসে দিনাজপুর শহরকে একটি অগ্রগণ্য শহরে রুপ দেওয়ার জন্য পরামর্শ, সুপারিশ ও নকশা উপস্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়াও শহরের কনভেনশন সেন্টার ও আর্ট ক্যাম্পাস, শিশুদের পার্ক, জলজ উদ্যান, ইকোলজিক্যাল পার্কসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ ও ভবিষ্যৎ শহরের রূপরেখা ফেস্টুনে লিখে রাখা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ডঃ বিধান চন্দ্র হালদার প্রদর্শনী সম্পর্কে বলেন, ‘হাবিপ্রবির স্থাপত্য বিভাগের বয়স বেশিদিন হয়নি। মাত্র ৫ বছরে এই বিভাগ স্থাপত্য বিষয়ে যা করে চলেছে তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। আগামীতে এ রকম প্রদর্শনী আয়োজন করার মাধ্যমে মানুষের দৃষ্টি আর্কষণে স্থাপত্যের প্রতি ইতিবাচক ধারণা তৈরি হবে বলেও তিনি মনে করেন। হাবিপ্রবির রেজিস্ট্রার ডা. মোঃ ফজলুল হক বলেন, ‘আমি নিজেও এই আয়োজন প্রতিবার দেখতে আসি। স্থাপত্য বিভাগের বিভিন্ন নকশা ও ভবনের চিত্রগুলো মাফিক যেকোনো শহর গড়ে তোলা হলে একটি পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক শহরের রূপ নেবে বলে তিনি মনে করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের প্রধান নাইম মিথুন বলেন, ‘এটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন একটি বিভাগ বলা চলে। আমাদের বয়স খুবই কম। এর মধ্যেই আমরা শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মিলে চেষ্টা করছি দিনাজপুর এবং আশপাশের অঞ্চলকে কীভাবে পরিকল্পনামাফিক সাজানো যায় তারই বিভিন্ন প্রকৃতির নকশা। আশা করি আমরা আগামীতে আরো ভালো মানের পরিকল্পনা নিয়ে শহরের জন্য কাজ করতে পারবো।’ এসি    

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি