ঢাকা, ২০১৯-০৬-২৬ ৭:৪৮:৫৪, বুধবার

ড. কামাল আ.লীগের পক্ষে কাজ করেছেন: নাসিম

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ড. কামাল হোসেন আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করেছেন বলে দাবি করেছেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। মঙ্গলবার (২৫ জুন) বাজেটের ওপর আলোচনা করতে গিয়ে বিএনপিকে উদ্দেশ করে এ কথা বলেন মোহাম্মদ নাসিম। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত নেতা ব্যর্থ কামাল হোসেনকে ভাড়া করে ২০১৮ সালের নির্বাচনে সামনে দাঁড় করালেন। ওরা কামাল হোসেনকে ভাড়া করলেন। আর তিনি কাজ করলেন আমাদের জন্য। তিনি আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করে মাঠ খালি করিয়ে দিলেন আর আমরা ফাঁকা মাঠে গোল দিলাম। সমস্ত মাঠ খালি হলে গেলো, ফাঁকা মাঠে গোল দিলাম। এই হচ্ছে বিএনপির মুরোদ। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, আওয়ামী লীগের কৌশলের কাছে বিএনপি হেরে গেছে। আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কাজ করে যাচ্ছি। ওরা মাত্র কয়েকজন সংসদে বসে আছে। ওদের জীবনের পাতায় পাতায় ভুল। আমার বিএনপির বন্ধুরা বারবার ভুল করেছেন। ২০১৪ সালে একবার ভুল, গোস্যা করে নির্বাচনে এলেন না। অবরোধ করে জ্বালাও পোড়াও করলেন। তখন আমরা যেই ফাঁকা মাঠে গোল দিলাম, মনে করলেন এটা কী হলো! তিনি বলেন, ২০১৮ সালের একাদশ নির্বাচন এলো। তারা লোক ভাড়া করলো। কাকে করলো? আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত নেতা, অত্যন্ত শিক্ষিত ও বিদগ্ধ নেতা। আওয়ামী লীগে চক্রান্ত করে ব্যর্থ হওয়া কামাল হোসেনকে ভাড়া করে সামনে দাঁড় করালেন। তিনি আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করে মাঠ খালি করিয়ে দিলেন আর আমরা ফাঁকা মাঠে গোল দিলাম। সমস্ত মাঠ খালি হলে গেল, আমার নিজের এলাকায় তাদের খুঁজেই পাইনি। খেলা যদি ফাঁকা মাঠে হয় কী করবো? ফাঁকা মাঠে গোল দিলাম। তারা মাঝপথ থেকে পালিয়ে গেলো। এভাবে আমরা বারবার গোল দেবো ইনশাআল্লাহ। এই যে ভুলের রাজনীতি তারা করে, এই ভুল থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সাবেক এই সাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আপনারা বারবার হেরে গেছেন। ভোটে নেমে মাঠ থেকে পালিয়ে গেলেন। আপনাদের দিয়ে কিছু হবে না। আপনারা খেলতেও জানেন না। খেলা পরিচালনাও করতে জানেন না। আন্দোলন করার ক্ষমতা আপনাদের নেই। এসি  

ব্র্যাক ব্যাংকের ‘এনগেজমেন্ট-এশিয়া’ অ্যাওয়ার্ড অর্জন

বাংলাদেশের শীর্ষ বাণিজ্যিক ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডকে উইমেন’স মার্কেট চ্যাম্পিয়ন এনগেজমেন্ট অ্যাওয়ার্ড ২০১৯ প্রদান করেছে নিউইয়র্ক ভিত্তিক ফিন্যান্সিয়াল অ্যালায়েন্স ফর উইমেন। পরপর তিন বছর ব্র্যাক ব্যাংক ফিন্যান্সিয়াল অ্যালায়েন্স ফর উইমেন অ্যাওয়ার্ড জিতেছে। গ্লোবাল অ্যালায়েন্সের সদস্য হিসেবে প্রথম বাংলাদেশী ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক উইমেন মার্কেট চ্যাম্পিয়ন হিসাবে এনগেজমেন্ট-এশিয়া ক্যাটাগরিতে অ্যাওয়ার্ড জিতেছে। এটি ব্যাংকের সমন্বিত নারী ব্যাংকিং সমাধান ‘তারা’র স্বীকৃতি হিসেবে এসেছে। যা নারীর উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করে। এই এনগেজমেন্ট অ্যাওয়ার্ডটি জিবিএ সদস্যদের দেওয়া হয়েছে যারা গ্রাহকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও নলেজ শেয়ারিং ইভেন্টে সবচেয়ে বেশি প্রোগ্রাম আয়োজন করেছে। গত ১৯ জুন  ফ্রান্সের প্যারিসে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সেলিম আর.এফ. হোসেন জিবিএ সামিটে এই অ্যাওয়ার্ডটি গ্রহণ করেন। ব্র্যাক ব্যাংকের উইমেন ব্যাংকিং সেগমেন্ট তারা’র সিনিয়র প্রোডাক্ট ম্যানেজার মেহরুবা রেজা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এনএম/কেআই

রাজবাড়ীতে বাল্য বিয়ের তথ্য দিয়ে দু’জন পুরস্কৃত

রাজবাড়ীতে বাল্য বিয়ের তথ্য দিয়ে পুলিশ অফিসারসহ দুইজন নগদ অর্থ পেয়েছেন। মঙ্গলবার বিকালে রাজবাড়ী থানার ওসি কার্যালয়ে এই অর্থ প্রদান করা হয়। ‘আমাদের রাজবাড়ী’ সামাজিক সংগঠনের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এস এম হীরা জানান, ফ্রান্স প্রবাসী ব্যবসায়ী আশরাফুল ইসলামের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাল্য বিয়ের তথ্য দেওয়া রাজবাড়ী থানার এসআই হিরণ কুমার বিশ্বাস এবং জেলা ছাত্রলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সাদমান সাকিব রাফির হাতে নগদ ৫ হাজার টাকা করে তুলে দেওয়া হয়। ওই টাকা তুলে দেন রাজবাড়ী থানার ওসি স্বপন কুমার মজুমদার। সে সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,আমাদের রাজবাড়ী সামাজিক সংগঠনের আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট তুষার কান্তি সরকার,অর্থ সম্পাদক স্মৃতি ইসলাম ও সদস্য আবির হোসেন অপুসহ অন্যান্য সদস্যরা। উল্লেখ্য,রাজবাড়ী জেলায় বাল্য বিয়ের হার কমানোর লক্ষে প্রশাসনসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দিয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করা সম্ভব হলেই রাজবাড়ীর কৃতিসন্তান ফ্রান্স প্রবাসী আশরাফুল ইসলাম তথ্য দাতাকে ৫ হাজার টাকা প্রদানের ঘোষণা দেন। তার এই ঘোষণা রাজবাড়ীতে বেড়েছে সচেতনতা। অনেকেই তথ্যদিতে এগিয়ে আসছেন এবং প্রতিশ্রুত নগদ টাকা পুরস্কার হিসেবে নিচ্ছেন। এনএম/কেআই

গভীর রাতে অর্জুন-মালাইকা কোথায় যাচ্ছেন?

চোখে কালো চশমা। কাঁধে ব্যাগ। হাতে টানা ট্রলি। মুম্বাই বিমানবন্দরের ভিতরে ঢুকে গেলেন একটি যুগল। তারা আর কেউ নয় অর্জুন কাপূর এবং মালাইকা আরোরা। কিন্তু নিশ্চুপে কোথায় গেলেন, তা নিয়ে অবশ্য মুখ খোলেননি। যদিও মালাইকা বা অর্জুন কেউই প্রেমের সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেন না। মালাইকার সঙ্গে সম্পর্কে তিনি ভাল আছেন বলে জানিয়েছিলেন অর্জুন। যদিও বিয়ে কবে, তা নিয়ে মুখ খোলেননি। ডিনারে হোক বা পার্টিতে একসঙ্গে দেখা যায় এই যুগলকে। বেশ কয়েকবার একসঙ্গে ছুটি কাটাতেও গিয়েছেন। এ বারও কি তেমনই কোনও ছুটির প্ল্যান ? ১৯৯৮ সালে অভিনেতা আরবাজ খানকে বিয়ে করেন মালাইকা। তাঁদের এক ছেলেও রয়েছে। কিন্তু ২০১৭ সালে বিচ্ছেদ হয়ে যায় তাঁদের। অর্জুনের সঙ্গে সম্পর্কের জেরেই মালাইকা-আরবাজের সম্পর্ক ভেঙে গিয়েছিল বলে জল্পনা ছড়িয়েছিল ইন্ডাস্ট্রিতে। যদিও মালাইকা-আরবাজ দু’জনেই তা অস্বীকার করেন। বিচ্ছেদের পরও আরবাজের পরিবারের সঙ্গে নাকি সুসম্পর্ক রয়েছে মালাইকার। এনএম/এসি  

সাভারে ইজিবাইকের ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু

ঢাকার উপকন্ঠ সাভারে ইজিবাইক ধাক্কায় ৬৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাভারের চাঁপাইনরোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বৃদ্ধা সালেহা বেগম (৬৫) মাদারীপুর জেলার সদর থানার চরমুকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চাঁপাইনরোড দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় একটি ইজিবাইক ওই নারীকে ধাক্কা দিলে গুরুতর আহত হন তিনি। এ সময় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত. ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ ইজিবাইক চালক ধামরাই সরকারী কলেজের অর্নাস দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রাকিবুলকে (২১) আটক করেছে। খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে। আটক যুবক সাভারের চাঁপাইন এলাকায় রাসেলের বাড়ি ভাড়া থেকে লেখাপড়ার পাশাপাশি ইজিবাইক চালাতো। সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ এএফএম সায়েদ জানান, এই ঘটনায় থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। কেআই/

সাভারে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক আটক

সাভারে মাদ্রাসার অভ্যন্তরে ৫ বছরের এক শিশু শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা ইদ্রিস মিয়াকে (৪৫) আটক করেছেন পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে সাভারের গেন্ডা এলাকায় মাদানীয়া তালীমুল কুরআন বালিকা মাদ্রাসায় এ শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ধর্ষণকারী ওই শিক্ষকের বাড়ি মাদারীপুর জেলার কালকিনি থানার মাদারীপুর গ্রামে। পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাতে ওই মাদ্রাসায় পাঁচ বছরের শিশু শিক্ষার্থীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মাদ্রাসার অভ্যন্তরে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন অধ্যক্ষ মাওলানা ইদ্রিস মিয়া। এ সময় শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তার বাবা-মা ধর্ষণের বিষয়টি জানতে পারেন। পরে মঙ্গলবার সকালে শিশুটির পরিবারের সদস্যরা সাভার মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করলে পুলিশ মাদ্রাসা থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে। আটক শিক্ষককে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এই বিষয়ে সাভার মডেল থানার ওসি (অপারেশন) জাকারিয়া জানান, ধর্ষণকারীকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। কেআই/

ইভিএমে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব : ড.হাছান মাহমুদ

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ইভিএমে যে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়, তা বগুড়া উপ-নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভায় অংশ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সব কথা বলেন। উপ-নির্বাচনে জয়লাভ করায় বিএনপিকে অভিনন্দন জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ইভিএম এ যে সুষ্ঠ ও নিরাপেক্ষ নির্বাচন হয়, তা এই উপনির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে। বর্তমান সরকারের সময়ে অতীতের সকল নির্বাচন সুষ্ঠ হয়েছে। আশা করছি বিএনপি আর ইভিএম এর বিরুদ্ধে কথা বলবে না।’ বগুড়া-৬ (সদর) আসনে উপনির্বাচন সোমবার অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী গোলাম মো. সিরাজ জয়লাভ করেছেন। ইভিএমে ভোট শেষ হওয়ার সাড়ে তিন ঘণ্টার মধ্যে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহাবুব আলম শাহ ফলাফল ঘোষণা করেন। ভারতে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) সম্প্রচার নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সে দেশে বিটিভি দেখার সকল আয়োজন শেষ হয়েছে। আজ একটি টেকনিক্যাল কমিটি ভারতে যাচ্ছে। কবে থেকে ভারতে বিটিভি’র আনুষ্ঠানিক ভাবে সম্প্রচার শুরু করবো, আমরা জুলাই মাসে দিনক্ষণ ঠিক করবো।’ বিদেশী চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচারের বিষয়ে করা সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে ২০০৬ সালে একটি আইন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই আইন বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা সেই আইন অনুযায়ি ব্যবস্থা নেব। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোন চ্যানেল বন্ধ করা আমাদের লক্ষ্য নয়। আইন অনুযায়ি যাতে চ্যানেল গুলো চালানো হয় সে ব্যবস্থা করা হবে। বাসস এসি  

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রশাসন। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৬তম একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আহ্বানের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কথা চিন্তা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারীর সভাপতিত্বে প্রশাসন ভবনের সভা কক্ষে একাডেমিক কাউন্সিলের সভা শুরু হয়। সভায় সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার বিষয়টি উত্থাপিত হলে এতে একমত পোষণ করেন কাউন্সিলের সদস্যরা। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড.এম শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি ও শিক্ষকেরা উপস্থিত ছিলেন। সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার ব্যপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী বলেন, বিষয়টি এখন সময়ের দাবি। তাই মহামান্য রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মান জ্ঞাপন করে ও ভর্তিচ্ছুদের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।  প্রসঙ্গত,গত ১ ফেব্রুয়ারী বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি ও দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মো. আবদুল হামিদ ৪৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার আহ্বান জানান। শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি ও আর্থিক লাভের কথা বিবেচনা করে এক যুগের বেশি সময় ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা চালুর পক্ষে মত দিয়ে আসছেন দেশের শিক্ষাবিদরা। কিন্তু উপাচার্যদের অসহযোগিতা ও পরিপার্শিক কারণে এ যাবত তা বাস্তবায়ন হয়নি। এনএম/কেআই  

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভূক্তিতে চলছে দৌঁড়ঝাপ

দেশের বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহকে এমপিওভূক্ত করা হচ্ছে। শীঘ্রই দেশের কয়েক সহস্রাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভূক্ত করা হবে। সরকারের উপর মহলের সম্মতি পেলেই ঘোষণা করা হবে নতুন এমপিওভূক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা। এদিকে আগামী বাজেটে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়লেও তা যথোপযুক্ত নয় বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা। অন্যদিকে শেষ মুহূর্তে এমপিওভূক্তির জন্য সরকারের বিভিন্ন মহলে তদবিরের দৌঁড়ঝাপ চলছে। জানা যায়, বেসরকারী এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভূক্ত করতে নীতিমালার শর্ত কিছুটা শিথিল করতে পারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় চাইছে হাওড়, বিল, পাহাড়, চরাঞ্চলসহ দেশের সব অঞ্চলে এমপিওভূক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকুক। এর মধ্যে নারী ও প্রতিবন্ধীদের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। অনগ্রসর এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহকে এমপিও’র তালিকায় আনতে এই শর্ত শিথিলের চিন্তা করা হচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, এমপিওভূক্তির জন্য বিভিন্ন মহল থেকে বেশ চাপ রয়েছে। তবে নীতিমালা অনুযায়ী তালিকা করে রেখেছে মন্ত্রণালয়। সরকারের সম্মতি পেলেই এ তালিকা প্রকাশ করা হবে। নিজ এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে তালিকাভূক্ত করতে অনেক সংসদ সদস্য জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা যায়। সম্প্রতি সংসদের এক অধিবেশনে এক সাংসদ এ নিয়ে কথা বললে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, নীতিমালার বাইরে এমপিওভূক্ত করার কোন চিন্তা মন্ত্রণালয়ের নেই। সেই সাথে যে সব এলাকায় এমপিওভূক্তির জন্য যোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই সে সব এলাকার জন্য শর্ত শিথিল করতে পারে মন্ত্রণালয়। প্রতিটি উপজেলায় অন্তত দুইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভূক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। দীর্ঘ ৯ বছর পর এ কার্যক্রম শুরু হওয়ায় এবার অন্তত তিন হাজার বিভিন্ন ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হতে পারে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়। এ দিকে দেশের শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাত ২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকারের বিশেষ গুরুত্ব পেলেও শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, এ খাতের বরাদ্দ যথেষ্ট নয়। তারা শিক্ষার জন্য পৃথক বাজেট দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে আগামী অর্থবছরের শুরুতেই শিক্ষা খাতের অগ্রাধিকারগুলো ঠিক করে নিয়ে ব্যয় পরিকল্পনা প্রণয়ন ও তদারকি বাড়ানোর কথা বলছেন তারা। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক একুশে টেলিভিশন অনলাইনকে বলেন, ‘বাজেটে শিক্ষার বরাদ্দ বাড়ানো প্রস্তাব করা হয়েছে তবে এ বরাদ্দ পর্যাপ্ত নয়। শিক্ষাকে মান সম্মত করতে হলে এ খাতে আরও বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে।’ মান সম্মত শিক্ষার জন্য শিক্ষকের মান বৃদ্ধি করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শিক্ষকের মান বৃদ্ধির জন্য ব্যাপকভাবে কর্মসূচি হাতে নিতে হবে। ভালো শিক্ষার জন্য ভালো শিক্ষক দরকার। অন্যথায় ভালো শিক্ষা পাওয়া যাবে না।’ মেধাবীরা আমলাতান্ত্রিক পেশায় বা ব্যাংকিং পেশায় যেতে যতটুকু আগ্রহী ততটুকু শিক্ষকতা পেশায় যেতে আগ্রহী নন বলে মন্তব্য করে এ শিক্ষাবিদ বলেন, ‘মেধাবীদের শিক্ষাকতা পেশায় আনতে হলে সুযোগ ও সুবিধা বাড়াতে হবে।’ শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের উন্নয়ন ছাড়া কখনই উন্নয়নের স্থায়ীত্ব আসবে না বলে মনে করেন আরেফিন। তিনি বলেন, ‘এখনও বাজেট আলোচনা চলছে। শিক্ষায় বরাদ্দ বাড়ানো সুযোগ এখনও রয়েছে।’ মোট বাজেটের অন্তত ২০ ভাগ এই খাতে ব্যয় করা উচিত বলে মনে করেন অনেক শিক্ষাবিদ।   সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী সোমবার এক গণমাধ্যমকে বলেন, `শিক্ষার বাজেট শুভঙ্করের ফাঁকি। এবারের বাজেটে শূন্য দশমিক ২৭ শতাংশ বরাদ্দ বেড়েছে এ খাতে। এর কারণ, এমপিওভুক্তি ও শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা চালু। তাহলে শিক্ষার মান উন্নয়নের টাকা কোথায়? টাকা ছাড়া শিক্ষানীতিই বা বাস্তবায়ন হবে কীভাবে?` আগামী অর্থ বছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে চলতি বাজেটের চেয়ে ১৩ হাজার ২৩১ কোটি টাকা বেড়ে ৭৯ হাজার ৪৮৬ কোটি করা হয়েছে। মোট বাজেটের ১৫ দশমিক ২ ভাগ অর্থ এবার এই খাতে ব্যয়ের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। তবে জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের জন্য এবারের বাজেটেও পৃথক কোনো বরাদ্দ নেই। এদিকে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষার ওপর জোর দিয়েছে সরকার বলে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানিয়েছেন। তবে বাজেটে ব্যাপকভাবে জনপ্রত্যাশা থাকলেও শিক্ষকদের জন্য পৃথক বেতন স্কেল, শিক্ষক নিয়োগের পৃথক কর্ম-কমিশন ও বেসরকারি শিক্ষকদের চাকরি জাতীয়করণের দাবি পূরণের কোনো আশ্বাস দেওয়া হয়নি। জানা গেছে, এ বছর এমপিওভুক্তি খাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অন্তত এক হাজার ২১০ কোটি টাকা খরচ করবে। গত জুলাইয়ে এমপিওভুক্তির এমপিও নীতিমালা-২০১৮ জারির পর যোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্ধারণ করতে চারটি মানদ ঠিক করে মন্ত্রণালয়। এগুলোর জন্য রাখা হয় ১০০ নম্বর। গত বছরের আগস্টে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হয়। ৯ হাজার ৬১৪টি আবেদন জমা পড়ে। সব শর্ত পূরণ করতে পেরেছে দুই হাজার ৭৬২টি প্রতিষ্ঠান। তবে বাছাইয়ে দেখা গেছে, দেশের সব এলাকা এটি কভার করতে পারেনি। মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, আবেদন করা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে এমপিওভুক্ত করা সম্ভব হবে না। এমপিওবিহীন সাত হাজার ১৪২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে এমপিওভুক্ত করতে গেলে বার্ষিক দুই হাজার ১৮৪ কোটি ২৭ লাখ ৫২ হাজার ২৫০ টাকা লাগবে। এর মধ্যে এক হাজার ২২৭টি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জন্য ২১৯ কোটি ৭১ হাজার ৩০০ টাকা, এক হাজার ৮৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জন্য ৩৬৮ কোটি ১৫ লাখ ২৭ হাজার ৮৫০ টাকা, এমপিওভুক্ত তিন হাজার ২৭৫টি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়কে মাধ্যমিকে উন্নীত করে এমপিওভুক্ত করতে ৫২২ কোটি ৬০ লাখ ৮১ হাজার ২৫০ টাকা, ৫১৮টি উচ্চমাধ্যমিক কলেজের জন্য ৩৫৭ কোটি ১২ লাখ ৪৭ হাজার ৪০০ টাকা এবং এমপিওভুক্ত এক হাজার ৩৩টি উচ্চমাধ্যমিক কলেজকে ডিগ্রি স্তরে উন্নীত করে এমপিওভুক্ত করতে ৭১৭ কোটি ৩৮ লাখ ২৩ হাজার ৪৫০ টাকা লাগবে। ডিগ্রি কলেজ এমপিওভুক্ত করতে বছরে লাগবে ৬৯ লাখ ৪৪ হাজার ৬৫০ টাকা, উচ্চমাধ্যমিক কলেজের জন্য লাগবে ৬৮ লাখ ৯৪ হাজার ৩০০ টাকা, আর নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জন্য লাগবে ১৫ লাখ ৯৫ হাজার ৭৫০ টাকা। এমএস/ 

এমটিবি এবং গাল্ফ এক্সচেঞ্জ কোম্পানী,কাতার-এর মধ্যে চুক্তি

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড (এমটিবি) এবং গাল্ফ এক্সচেঞ্জ কোম্পানী, কাতার-এর মধ্যে এমটিবি’র প্রধান কার্যালয়ে এক কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির আওতায়, প্রবাসী বাংলাদেশীরা তাদের অর্থ গাল্ফ এক্সচেঞ্জ কোম্পানী, কাতার-এর মাধ্যমে এবং এমটিবি রেমিট্যান্স চ্যানেল ব্যবহার করে বাংলাদেশে প্রেরণ করতে পারবেন। গাল্ফ এক্সচেঞ্জ কোম্পানী, কাতার-এর জেনারেল ম্যানেজার, জাফর আলি আল-শারাফ এবং এমটিবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী, আনিস এ. খান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। এছাড়া এই অনুষ্ঠানে গাল্ফ এক্সচেঞ্জ কোম্পানী, কাতার-এর রাজু রামাচন্দ্রন, অপারেশন্স ম্যানেজার এবং এমটিবি’র মোহাম্মদ জাহিদুল আহসান, হেড অব এনআরবি, মো. শামসুল ইসলাম, হেড অব ট্রেজারি, মোঃ রবিউল আলম, হেড অব অলটারনেট ডেলিভারি চ্যানেল, এ. কে. এম. আহ্সান কবীর, গ্রুপ চীফ ইনফরমেশন সিকিউরিটি অফিসার, সুভাস চন্দ্র বিশ্বাস, হেড অব আইটি অপারেশন্স, মুহাম্মদ শামস্-উল-আরিফিন, হেড অব প্রসেস ইনোভেশন এ্যান্ড সফ্টওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এবং আজম খান, গ্রুপ চীফ কমিউনিকেশন্স অফিসার উপস্থিত ছিলেন। কেআই/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি