ঢাকা, ২০১৯-০৬-২০ ১৯:৩৭:৩৫, বৃহস্পতিবার

চুয়াডাঙ্গায় কৃষককে পিটিয়ে হত্যা

  চুয়াডাঙ্গায় পূর্ব বিরোধের জের ধরে হেদায়েত মন্ডল নামে এক কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার দিবাগত গভীর রাতে হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার। এ ঘটনার পর নিহতের গ্রামে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার হাসনহাটি গ্রামে একটি ইটভাটা নির্মাণকে কেন্দ্র করে ওই গ্রামের হেদায়েত মন্ডল ও কাদের আলীর মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জের ধরে বুধবার রাতে হেদায়েত মন্ডলের ছেলে আক্তারের সঙ্গে কাদের আলীর ভাগ্নে শাহীনের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে গুরুতর আহত হন হেদায়েত মন্ডল। তাকে উদ্ধার করে জেলার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত হেদায়েত মন্ডল (৪৮) সদর উপজেলার হাসনহাটি গ্রামের মৃত পুটে মন্ডলের ছেলে। এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মামুন জানান, বুধবার রাতে হেদায়েত মন্ডলের ছেলে আক্তার মোটরসাইকেল নিয়ে গ্রামের তিন রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় পাশ দিয়ে ট্রাক্টর নিয়ে যাচ্ছিলেন কাদের আলীর ভাগ্নে শাহীন। এক পর্যায়ে ট্রাক্টরের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগলে আক্তার ক্ষিপ্ত হয়ে শাহীনকে চড় থাপ্পড় মারেন। পরে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। নিহতের ছেলে আক্তার অভিযোগ করে বলেন, ‘ট্রাক্টর দিয়ে চাপা দিয়ে আমাকে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। এর প্রতিবাদে আমি শাহীনকে থাপ্পড় দিলে সে বাড়িতে গিয়ে তাদের পক্ষের ১০ থেকে ১২ জনকে নিয়ে আমার ওপর হামলা চালায়। এ সময় আমার বাবা তাদেরকে নিবৃত করতে এগিয়ে এলে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।’ চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ মো. ফকরুল আলম খাঁন জানান, ঘটনার পর হাসনহাটি গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। একইসঙ্গে হামলার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। মৃতদেহের ময়নাতদন্তের পর প্রতিবেদনে হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এমএস/

সাতক্ষীরায় মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় ইউপি সদস্য আহত

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় এক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যকে পিটিয়ে জখম করেছে সন্ত্রাসীরা। এঘটনায় ইউপি সদস্য প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কলারোয়া উপজেলার ৭নং চন্দনপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড সদস্য কামাল হোসেন লাভলু তার ওয়ার্ডে মাদক ও চোরাচালান দমনে ব্যাপকভাবে তৎপর ছিলেন। স্থানীয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশ দিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছেন। ফলে তার নিজ এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এ কারনে চোরাচালানীরা তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে পড়ে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইউপি সদস্য কামাল হোসেন লাভলুকে গয়ড়া বাজারে একা পেয়ে মাদক ব্যবসায়ী উপজেলার কাঁদপুর গ্রামের গিয়াস উদ্দীনের ছেলে আনারুল ইসলাম, যশোরের শার্শার কায়বা গ্রামের কাশেম বদ্দীর ছেলে আলাউদ্দীন, মিন্টু হোসেন, কাশেম বৈদ্যর ছেলে নাসির বৈদ্য, চান্দুড়িয়ার কেরামত আলীর ছেলে ইশারুল ইসলাম, গোয়ালপাড়া-চান্দুড়িয়া গ্রামের মৃত. রফিকুল ইসলামের ছেলে তুহিন হোসেনসহ ১৫ থেকে ২০ জন সন্ত্রাসী তার উপর দেশীয় অস্ত্র  নিয়ে হামলা করে। এসময় তারা ইউপি সদস্যের কাছ থেকে নগদ ৬০ হাজার টাকা ও ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। ইউপি সদস্যের চিৎকারে পাশ্ববর্তী লোকজন এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। আহত ইউপি সদস্য কামাল হোসেনকে দ্রুত উদ্ধার করে কলারোয়া সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় বুধবার সকালে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও কলারোয়া থানায় ৬ জনের নাম উল্লেখ্য করে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এমএস/

বেনাপোলে গ্রীনলাইন পরিবহনের ধাক্কায় ব্যবসায়ী নিহত

বেনাপোল-যশোর মহাসড়কের আমড়াখালীতে বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গ্রীনলাইন পরিবহনের একটি বাস সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে আলহাজ্ব শাহাদৎ হোসেন নেদু (৫৫) নামে এক পরিবহন ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। নিহত সাহাদত হোসেন নেদু বেনাপোল পোর্ট থানার গাজিপুর গ্রামের মৃত. আব্দুল সাত্তারের ছেলে। বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু সালেহ মোহাম্মদ মাসুদ করিম জানান,আজ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে আমড়াখালীর নিজস্ব গোডাউনের নির্মাণ দেখে মোটর সাইকেলে করে শাহাদৎ হোসেন নেদু বেনাপোলের দিকে আসছিলেন। এসময় বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা গ্রীন লাইন পরিবহনের ঢাকাগামী (ঢাকা মেট্রো-ব-১১-৩৪০৪) একটি এসি বাস সামনা-সামনি ধাক্কা দিলে গাড়ির নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই শাহাদৎ হোসেন নেদু মারা যান। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর ডাক্তার মৃত.ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গ্রীন লাইনের বাসটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক ও হেলপার কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। নিহতের লাশ বাড়ি আনার পর পরিবারের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নাভারণ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনসপেক্টর রফিকুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নাভারণ থেকে ঘাতক গ্রীণ লাইনের বাসটিকে আটক করা হয়েছে। তবে চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছে বলে তিনি জানান। কেআই/

পূর্ব শত্রুতার জেরে শতাধিক কলাগাছ কেটে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে এক কৃষকের জমির শতাধিক কলাগাছ ও সবজি কেটেছে দূর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার বলইবুনিয়া গ্রামের খালেক শেখের ফসলি জমিতে এই তান্ডব চালায় দুর্বৃত্তরা।এতে দুই লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানায় ভুক্তভোগী কৃষক। খালেক শেখ জানান,স্থানীয় বিলকিছ বেগমের কাছ থেকে ১ বছরের জন্য ১৪ শতক জমি বন্দোবস্ত নিয়ে শতাধিক কালাগাছ, ১৫০টি লাউগাছ,পুঁই শাক, ঢেড়স, ডাটা শাকসহ বিভিন্ন সবজির চাষ করেন। ইতোমধ্যে ক্ষেতের সবজি বিক্রি করার উপযোগী হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে কতিপয় দুর্বৃত্তরা ক্ষেতের কালাগাছ কেটে ফেলে এবং পরিপক্ক সবজি উপড়ে নষ্ট করে দেয়। এতে তার ২ লক্ষাধিক টাকা মূল্যমানের ফসলের ক্ষতি হয়েছে। জমির মালিকের সঙ্গে বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে এ কাজ করা হয়েছে বলে জানান খালেক। জমির মালিক বিলকিছ বেগম জানান, ১৩ বছর পূর্বে কবলামূলে ঐ সম্পত্তি ক্রয় করেন। স্থানীয় প্রভাবশালী রহমান শেখ ও জলিল শেখের নেতৃত্বে তার জমি অন্যায়ভাবে ভোগ দখলে ব্যর্থ হয়ে রাতের আধারে এমন কর্মকাণ্ড করেছে। বিরোধের বিষয়টি নিষ্পত্তি করার জন্য স্থানীয় থানা পুলিশ ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে দেড় মাস পূর্বে জমি মাপা হয়। পরে দুর্বৃত্তরা বিলকিছের জমির সীমানা পিলার উঠিয়ে নেয়। মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুল ইসলাম বলেন,‘বিষয়টি শুনেছি। তবে অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ এমএস/কেআই

বাগেরহাটে পৌনে দুইলাখ শিশুকে ‘এ প্লাস ক্যাপসুল’ খাওয়ানো হবে

‘ভিটামিন এ খাওয়ান শিশুর মৃত্যুর ঝুকি কমান’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাগেরহাটে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৭৮ জন শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। আগামী শনিবার সারাদিন জেলার ৯ উপজেলায় এক হাজার ৯০০ টিকাদান কেন্দ্রে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়াবেন স্বেচ্ছাসেবকরা। আজ বুধবার দুপুরে বাগেরহাট সিভিল সার্জনের কার্যলয়ের হল রুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় এ সব তথ্য জানানো হয়। কর্মশালায় সিভিল সার্জন ডা. জিকেএম সামসুজ্জামান জানান, জেলার ৯ উপজেলায় এক হাজার ৯০০ অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে ৩ হাজার ৮০০ স্বেচ্ছাসেবক ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৭৮ শিশুকে  ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়াবেন। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ১৮ হাজার ৫৬০ শিশুকে নীল রংয়ের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী এক লাখ ৪৭ হাজার ৩১৫ শিশুকে একটি করে লাল রংয়ের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। যাতে শতভাগ শিশু ভিাটমিন এ ক্যাপসুল পায় এ জন্য স্বাস্থ্য বিভাগ গভীর পর্যবেক্ষণ ও তত্ত্বাবধায়ন করবে এ কর্মসূচিকে। এর আগে এ বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি বাগেরহাট জেলায় এক লক্ষ ৫৯ হাজার ৩৩ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছিল বলে জানান তিনি। সিভিল সার্জন ডা. জিকেএম সামসুজ্জামানের সভাপতিত্বে অবহিতকরণ কর্মশালায় বক্তব্য দেন প্রেসক্লাব সভাপতি আহাদ উদ্দিন হায়দার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাকি তালুকদার, ডা. প্রদিপ কুমার বখসী, সাংবাদিক আহসানুল করিম, আলী আকবর টুটুল, মাহফুজুর রহমান, মোল্লা মাসুদুল হক, শেখ আজমল হোসেন, আজাদুল হক, মোয়াজ্জেম হোসেন মজনু প্রমুখ।  

বাগেরহাটে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জীবন মান উন্নয়নে সমন্বয় সভা

বাগেরহাটে আবর্জনা ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জীবন-মান উন্নয়ন, জ্ঞান, দক্ষতা ও সামর্থ্য বৃদ্ধিতে মাল্টি স্টেক হোল্ডারদের নিয়ে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে উন্নয়ন সংস্থা কর্মজীবী নারীর আয়োজনে বাগেরহাট পৌর মেয়রের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পৌরসভার মেয়র খান হাবিবুর রহমান। সভায় বক্তারা বলেন, পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জীবন মান উন্নয়নে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য যে প্রতিষ্ঠান কাজ করছে তাদের আগামীতে আর্থিক সুবিধা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিজিয়া পারভীন, বাগেরহাট কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জন কান্তি গুহ, সাংবাদিক আলী আকবর টুটুল, পৌর কাউন্সিলর তানিয়া সুলতানা, শরীফা আক্তার স্বপ্না, আসমা আজাদ, সরদার শামীম আহসান, আবুল হাসেম শিপন, মো. শাহনেওয়াজ তালুকদার মোল্লা দোলন, মো. মাসুম শেখ, কর্মজীবী নারীর ব্যবস্থাপক মুক্তা আক্তারসহ মাল্টি স্টেক হোল্ডার সমন্বয় কমিটির সদস্যরা।

শার্শায় বিড়ির উপর অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

বিড়ির উপর বৈষম্যমূলক অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহার এবং ভারতের ন্যায় বিড়ি শিল্পকে কুটির শিল্প ঘোষণার দাবিতে যশোরের শার্শা অঞ্চলের বিড়ি ভোক্তা পক্ষের ব্যানারে মানববন্ধন করা হয়েছে। বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশন, যশোর অঞ্চলের আয়োজনে মঙ্গলবার বেলা ১১টার সময় যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের নাভারণ সাতক্ষীরা মোড়ে এই মানববন্ধন করা হয়। মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, প্রতিবছর বিড়ির দাম বৃদ্ধি করা হয় এবং বছর এলেই আমরা আতঙ্কে থাকি কখন এর মূল্য আবারও বেড়ে যায়। বক্তারা অর্থমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, সিগারেটের উপর প্রয়োজনে অতিরিক্ত কর বসিয়ে বিড়ির উপর অতিরিক্ত কর প্রত্যাহার করতে হবে। তা না হলে বিড়ি শ্রমিকরা আগামীতে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে। মানববন্ধনে এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের মহিলাবিষয়ক সম্পাদিকা মায়া খাতুন, শ্রমিক ফেডারেশন সদস্য শান্ত কুমার সাহা, মিজানুর রহমান, হাফিজুল রহমান প্রমুখ। উক্ত মানববন্ধনে বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের নেতারা প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী বরাবর তাদের ৮দফা দাবি তুলে ধরেন। কেআই/

ইবিতে রেজাল্ট প্রসেসিং সফটওয়্যারের উদ্বোধন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় রেজাল্ট প্রসেসিং সফটওয়্যারের উদ্বোধন করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (১৮ জুন) দুপুর ১২টায় প্রশাসন ভবন সম্মেলন-কক্ষে ইবির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. হারুন-উর-রশিদ আসকারী এই সফটওয়্যারের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, যেখানে যত বেশি কাগজ নির্ভরতা সেখানে তত বেশি দুর্নীতির সুযোগ থাকে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় একদিন বিশ্বের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মতো কাগজবিহীন বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে। আমরা এখন আন্তর্জাতিকীকরণের পথে রয়েছি এবং রেজাল্ট প্রসেসিং সফট্ওয়্যার এই আন্তর্জাতিকীকরণের পথে একটি সিঁড়ি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়কে সফল করার অংশ হিসেবে আমরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক-প্রশাসনিক সকল ক্ষেত্র ডিজিটালাইজেশন করতে চাই। আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়েছে। যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের ১ লক্ষ ১০ হাজারেরও বেশি বই এখন অনলাইনে যুক্ত হয়েছে। রেজাল্ট প্রসেসিং সফট্ওয়্যার প্রস্তুত কমিটির আহবায়ক এবং বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. তপন কুমার জোদ্দার অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। সফট্ওয়্যারটি কীভাবে কাজ করবে অনুষ্ঠানের শুরুতে তিনি তা তুলে ধরেন। সফটওয়্যারটি তৈরির ক্ষেত্রে নিরাপত্তার দিকটিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সফটওয়্যার ব্যবহার নিয়ে আগামীতে প্রশিক্ষণ কর্মশালারাও আয়োজন করা হবে বলে তিনি অবহিত করেন। অনুষ্ঠানে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), ডিনবৃন্দ, সভাপতিগণ, অফিস প্রধানগণ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। কেআই/

ঝিনাইদহে পাটক্ষেত থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

ঝিনাইদহে পাটক্ষেত থেকে সোহেল রানা নামের এক যুবকের গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলার বানিয়াবহু গ্রামের মাঠের পাটক্ষেত থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সোহেল রানা কোটচাঁদপুর উপজেলার সাব্দালপুর গ্রামের বকতিয়ার আলীর ছেলে। সে কালীগঞ্জের চাপালী গ্রামের মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিল। ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কনক কুমার দাস জানান,বানিয়াবহু গ্রামের মাঠের একটি পাট ক্ষেতে এক যুবকের গলাকাটা মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসি পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনস্থলে পৌঁছে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। পুলিশের ধারনা অন্য কোথাও থেকে ধরে এনে তাকে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে। সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, প্রেম ঘটিত কারণে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। কেআই/

বাগেরহাটে অপহরণের পর শিশুকে হত্যা, গ্রেফতার ৩

বাগেরহাটের চিতলমারীতে নিখোঁজের দুইদিন পরে খালিদ তালুকদার (৬) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার বিকালে উপজেলার চৌদ্দহাজারী গ্রামের সবুজ তালুকদারের মৎস্য ঘের থেকে ভাসমান অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশু খালিদের পিতার করা অপহরণ মামলায় ৩ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। খালিদ তালুকদার চৌদ্দহাজারী গ্রামের মো. কাওছার আলী তালুকদারের ছোট ছেলে। কাওছার আলী তালুকদরা চিতলমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ। পরিবার সূত্র জানায়, গত শনিবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের চৌদ্দহাজারী ঈদগাঁ মাঠে কয়েকজন শিশুর সঙ্গে খেলা করছিল খালিদ তালুকদার। সেখান থেকে সে নিখোঁজ হয়। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে রোববার খালিদের পিতা কাওছার তালুকদার বাদি হয়ে ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ৫-৬ জনকে আসামি করে থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন। মামলায় এজাহার নামীয় চৌদ্দহাজারী গ্রামের বাদশা তালুকদার, কামরুল শেখ এবং মেরি বেগমকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। অন্যদের আটকের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অনুকুল সরকার। এ ঘটনায় চিতলমারী থানায় মামলা হওয়ার পর পুলিশ খালিদকে উদ্ধারের জন্য জোর চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়। সোমবার বিকালে শিশুরা খেলতে গিয়ে ঘের’র ভিতর খালিদের লাশ ভাসতে দেখে চিৎকার করে সবাই এসে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ খালিদের লাশ পার্শ্ববর্তী সবুর তালুকদারের ঘের থেকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় কাওসার তালুকদারের পরিবারসহ ওই এলাকায় শিশু খালিদের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। চারিদিকে কান্নার রোলে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। সবাই এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। বাগেরহাট পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায় জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে চৌদ্দহাজারী গ্রামের একটি মৎস্য ঘের থেকে খালিদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।    

বেনাপোলে ৪১টি সোনার বারসহ আটক ৪

বেনাপোলের আমড়াখালি চেকপোষ্ট এলাকা থেকে রোববার দুপুরে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বেনাপোলগামী যাত্রীবাহী দুটি পরিবহনে তল্লাশি চালিয়ে ৪১টি সোনার বারসহ চার পাচারকারীকে আটক করেছে যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) এর একটি বিশেষ দল। যশোর ৪৯ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল সেলিম রেজা জানান, বাংলদেশ থেকে বিপুল পরিমান সোনা পাচার হয়ে ভারতে যাচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে বিজিবি’র নায়েব সুবেদার আব্দুল মালেকের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা বেনাপোলগামী দুটি পরিবহনে অভিযান চালিয়ে ৪১টি সোনার বারসহ চার পাচারকারীকে আটক করা হয়। পাচারকারীরা হচ্ছেন মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট গ্রামের সরোয়ার কাজীর ছেলে আনিছুর রহমান (২৪), ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার বড়পাল্লা গ্রামের মনিরুজ্জামান মঞ্জুর ছেলে তানভীর জামান (১৮), নড়াইল জেলার নড়াগাতি উপজেলার টোনা গ্রামের মৃত. আব্দুল মান্নানের ছেলে সবুজ মৃধা ওরফে সুমন ও খুলনা খানজাহান আলী থানার ফুলবাড়িগেট এলাকার শাহজাদ মোল্লার ছেলে রিয়াজ মোল্লা (২৪)। আটক সোনার বারের মূল্য ২ কোটি ১০ লাখ ৩২ হাজার টাকা বলে বিজিবি জানায়। আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি মামলা হয়েছে। কেআই/  

সাতক্ষীরায় পৃথক সংঘর্ষে আহত ৯

  সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পৃথক হামলা ও সংঘর্ষে অন্তত ৯ জন গুরুতরভাবে জখম হয়েছেন। শনিবার দুপুরে উপজেলার যুগিখালি ইউনিয়নের ফয়জুল্লাহপুর গ্রামে এবং শুক্রবার সন্ধ্যায় হেলাতলার গণপতিপুর গ্রামে পৃথক দুইটি সংঘর্ষ হয়। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা যায়। স্থানীয়রা জানান, শনিবার দুপুরের ফয়জুল্লাহপুর গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে শাহিন হোসেন (৪০), সাগর হোসেন (২৮), ভুট্টো (২৮) আহত হন। অন্যদিকে শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার হেলাতলার গণপতিপুর গ্রামে টয়লেট পরিস্কার করাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হলে শহিদুল ইসলাম (৩৫), জামাল উদ্দীন (৩৮), শামিম হোসেন (২১), শাহাজান আলী (২৫), ইমরান হোসেন (১৯) ও আফসানা খাতুন (২২) আহত হন। এ বিষয়ে কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনীর উল গীয়াস জানান, মারামারির ঘটনায় থানায় কোন অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এমএস/আরকে

ওসি মোয়াজ্জেমের জন্য বেনাপোলে রেড এলার্ট

নুসরাত জাহান রাফিকে হয়রানি করায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলার আসামী ফেনীর সোনাগাজি থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেনের পালানো ঠেকাতে বিভিন্ন স্থানে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। যশোরের বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোষ্টে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের সতর্কতার সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশও দেয়া হয়েছে। এদিকে মোয়াজ্জেমের বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করায় ইমিগ্রেশনে জনজট লেগেছে। প্রত্যেক পাসপোর্টধারীরা চুলচেরা যাচাই বাছাইয়ের মধ্য দিয়ে ইমিগ্রেশন অতিক্রম হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এর মধ্যে মোয়াজ্জেম নামের ব্যক্তিবর্গ বেশ বিপাকেই পড়েছেন। তাদের বিষয়ে বিশদভাবে সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বেনাপোল ইমিগ্রেশনে সতর্কতা জারি করেছে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াতকারী প্রত্যেক পাসপোর্টযাত্রীকে যাচাই বাছাই করে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরেই তাদের যাতায়াতের অনুমতি দিচ্ছে চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। পাসপোর্টের মাধ্যমে ভূয়া নাম ঠিকানা ব্যবহার করে যেন ভারতে পালাতে না পারে সে জন্য বহির্গমন ডেক্স অফিসারদের সামনে মোয়াজ্জেমের ছবি ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে এ সতর্কতার বিষয়টি দেশের সকল স্থলবন্দর ও বিমানবন্দরকে জানানো হয়েছে বলে জানা যায়। বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) আবুল বাশার জানান, স্বরাষ্ট মন্ত্রনালয় থেকে এ ব্যাপারে নির্দেশনা এসেছে। সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন এ পথে যেন ভারতে পালিয়ে যেতে না পারে এ রকম নির্দেশনা হাতে পাওয়ার পরপরই গোটা ইমিগ্রেশন এলাকায় ব্যাপক সতর্কতা জারী করা হয়েছে। উল্লেখ্য, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করার পর ফেনীর সোনাগাজী মাদ্ররাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং ভিডিও ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয় সোনাগাজী থানার তৎকালীন ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন। পরে মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি দায়ের করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইয়েদুল হক সুমন। এ মামলায় মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে ২৭ মে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। এমএস/ আরকে//

ঝিনাইদহের যুবরাজকে দেখতে উৎসুক জনতার ভীড় (ভিডিও)

ঝিনাইদহে একটি খামারে ৩৫ মন ওজনের গরুর দেখা মিলেছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে যুবরাজ। প্রতিদিন গরুটি দেখতে সদর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে ভীড় করছে উৎসুক জনতা। প্রতিদিন শত শত মানুষ আসছে যুবরাজের বাড়িতে। তার সঙ্গে সেলপি উঠানোরও হিড়িক চলছে। অনেকে আবার যুবরাজের সঙ্গে তোলা তার ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এ সব কারনে যুবরাজকে দেখার ভীড় বেড়েই চলেছে। জানা যায়, ২ বছর আগে মাত্র দেড় লাখ টাকায় গরুটি কেনেন গরুর মালিক শাহ আলম। লালন-পালন করে বর্তমানে গরুটির ওজন হয়েছে ৩৫ মন। ইতিমধ্যে গরুটির দাম হয়েছে ১৮ লাখ টাকা। আগামী ঈদুল আযহায় ২৫ লাখ টাকায় গরুটি বিক্রি করার ইচ্ছা তার। প্রতিদিন তাকে খাওয়ানো হচ্ছে প্রায় ২ হাজার টাকার খাবার। এ দুই মাসে আরও ৫ থেকে ৭ মন ওজন বাড়বে বলে আশা তার। যুবরাজ মূলত একটি ফ্রিজিয়ান ষাঁড়। শখ করে যার নাম রাখা হয়েছে যুবরাজ। দূর থেকে দেখলে মনে হবে এটা একটা হাতি। ইতিমধ্যে পাইকাররা যুবরাজের দাম ১৮ লাখ টাকা হাকলেও শাহ আলম বলছেন তিনি ২৫ লাখ টাকা দামে বিক্রি করবেন। শাহ আলম ৫ বছর সিঙ্গাপুরে থাকার পর দেশে ফিরে আসেন। এরপর বিদেশের সঙ্গে ব্যবসা শুরু করেন। এই ব্যবসার প্রয়োজনে ৩৫ টি দেশে ঘুরেছেন তিনি। পরে ঝিনাইদহে এসে গড়ে তোলেন আব্দুল্লাহ এগ্রো এন্ড ডেইরী ফার্ম। প্রায় ৩৮ লাখ টাকা ব্যয় করে বাড়ি এবং বাড়ির সঙ্গে এই ফার্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন। ৩ বছর হলো এই খামারে গরু লালন-পালন করেন। বর্তমানে তিনি এই খামারেই সময় দেন। এগুলো লালন-পালন করে যা আয় করেন তা দিয়ে সংসার চালান। তিনি আরো জানান, বর্তমানে তার খামারে ৭ টি গরু আছে। সবগুলো গরুর আলাদা আলাদা নাম আছে। তিনি সবাইকে নাম ধরেই ডাকেন। আসন্ন ঈদুল আযাহায় তিনি যে তিনটি গরু বিক্রি করবেন সেগুলোর নাম যুবরাজ, রবি ও সাহেব। বাকি চারটা আগামী বছর বিক্রি করবেন বলে জাানন। তিনি বলেন, গরুগুলো তার খুব আদরের। তাদের সবকিছু নিজ হাতেই করেন। খাবার দেওয়া, ময়লা পরিষ্কার, গোসল দেওয়া সবই নিজে করেন। তাকে সহযোগিতা করার জন্য তিনজন কর্মচারি আছেন। গরুগুলো অনেক বড় হওয়ায় সব কাজ করতে পারেন না। তাই অন্যদের সহযোগিতা নিতে হয়। তাদের চিকিৎসা, তাপমাত্রা ঠিক রাখা সহ সার্বক্ষনিক সতর্ক থাকতে হয়। শাহ আলম জানান, তিন বছর আগে তিনি এই খামার করেছেন। যুবরাজকে তিনি খামার শুরুর সময় মাত্র ৬ মাস বয়সে নিয়েছিলেন। এখন তার বয়স ৩ বছর ৬ মাস। এই সময়ে পরিমিত খাবার আর যতœ এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন। তিনি বলেন, যুবরাজকে খরিদ করতে ইতিমধ্যে পাইকাররা আসছেন। তারা ১৮ লাখ টাকা পর্যন্ত মুল্য দিয়েছেন। তিনি আরেকটু অপেক্ষা করছেন। প্রয়োজনে হাটে উঠাবেন এবং ২৫ লাখ টাকা দাম চাইবেন। এ ক্ষেত্রে কিছু কম হলেও বিক্রি দেবেন। তিনি বলেন, যুবরাজের পেছনে এখন পর্যন্ত তার ৯ থেকে ১০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। প্রতিদিন যুবরাজের খাবারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় ২ হাজার টাকা। এ বিষয়ে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ হাফিজুর রহমান জানান, তারা গরুটির ওজন আনুমানিক ৩৫ মন বলে ধারনা করছেন। ঈদ আসতে এখনও কিছুদিন বাকি আছে। এরই মধ্যে আরো কিছু ওজন বাড়বে বলে মনে করছেন। অবশ্য গরুর ওজন আরো বেশি হবে বলে তিনি দাবি করেছেন। শাহ আলম জানান, যুবরাজের পেছনে এখন পর্যন্ত তার ৯ থেকে ১০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। এখন প্রতিদিন শত শত মানুষ তার এই গরু দেখতে আসে। এতে তার অনেক ঝামেলাও হচ্ছে, কিন্তু তারপরও তিনি খুশি। যুবরাজকে দেখতে আসা ওই গ্রামের বাসিন্দা আরিফুর রহমান বলেন, শাহ আলম মিয়া গরুর সঙ্গে কথা বলেন। তিনি নাম ধরে ডাক দিলেই গরু বুঝতে পারে। মালিক যে নির্দেশ দেন সেটাই পালন করে। আরকে//

ওসি মোয়াজ্জেমের গ্রেফতারি পরোয়ানা যশোরে

আলোচিত ফেনীর সোনাগাজী মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফী হত্যার ঘটনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অভিযুক্ত সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের গ্রেফতারি পরোয়ানা যশোরে পৌঁছেছে। যশোরে তার বাড়ি হওয়ায় সেখানে ওয়ারেন্টটি পাঠানো হয়েছে।   অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) আনসার উদ্দিন জানান, সাবেক ওসি মোয়াজ্জেমের বাড়ি ও তার স্বজনদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। যশোর শহরের চাঁচড়া ডালমিল রায়পাড়ায় মোয়াজ্জেমদের বাড়িটিতে এখন তার দুইভাই ও এক বোন মায়ের সঙ্গে বসবাস করেন। ঈদের আগে এই স্বজনদের সাথে কথা বলেন মোয়াজ্জেম। এখন ওয়ারেন্ট আসায় বাড়িটি ও তার স্বজনদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত মার্চে নুসরাত তার মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করতে গেলে সোনাগাজী থানার ওসি  ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন ওই মাদ্রাসাছাত্রীর জবানবন্দি নিয়েছিলেন। সেসময় বিতর্কিত প্রশ্ন ও নুসরাতের অমতে ভিডিও ধারণ করেছিলেন। পরে সে ভিডিও নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন ওসি। মূহুর্তেই সারাদেশে তা ভাইরাল হয়ে যায়। সমালোচনার মুখে পড়েন সেই ওসি। এর কয়েক দিনের মাথায় ৬ এপ্রিল অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলার নির্দেশে কতিপয় বোরকা পরিহিতা নুসরাতের গায়ে অগ্নিসংযোগ করে। ১০ এপ্রিল চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নুসরাত মারা যায়। নুসরাতের মৃত্যুর পর গত ১৫ এপ্রিল ওই ভিডিও ছড়ানোর জন্য ওসি মোয়াজ্জেমকে আসামি করে ঢাকায় বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মাদ আস সামছ জগলুল হোসেন ওই অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)। এর ধারাবাহিকতায় পিবিআই যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়, সেখানে ওসি মোয়াজ্জেমের নিজের মোবাইল ফোনে জবানবন্দি রেকর্ড করার এবং তা ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগের সত্যতা পায় বলে জানায়। পিবিআইয়ের দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে গত ২৭ মে বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মাদ আস সামছ জগলুল হোসেন মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন। পরোয়ানা জারির দুদিনের মাথায় আদালতে হাজির না হয়ে অজ্ঞাত স্থান থেকে জামিনের আবেদন করেন সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম। এদিকে, ওসি মোয়াজ্জেমকে গ্রেফতারের ব্যাপারে স্বরাষ্টমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল আশ্বাস দিলেও, এখনো ধরাছোয়ার বাইরে সেই ওসি। আই//

বাগেরহাটে জমি সংক্রান্ত বিরোধে দিনমজুরকে গুলি

  বাগেরহাটের শরণখোলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের এক দিনমজুরকে গুলি করার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাতে উপজেলার দক্ষিণ বাধাল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মো. রফিকুল ইসলাম (৪৮) নামে এক দিনমজুরকে গুলি করে বিরোধী পক্ষ। আহত রফিকুলকে উদ্ধার করে প্রথমে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় শরণখোলা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আহত মো. রফিকুল ইসলাম। রফিকুল ইসলাম জানান, রাতে ঘরে আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। দেড়টার দিকে ঘরের সামনে এসে কিছু লোক  থানা থেকে এসেছেন বলে বাইরে বের হওয়ার জন্য ঘরের দরজায় এসে ডাকাডাকি করেন। জানালা খুলে কে এসেছেন এমনটি দেখতে গেলে জানের পার গ্রামের নুর ইসলাম খানের ছেলে আশরাফুল খান তাকে গুলি করেন। এতে তার ডান পায়ের হাটুর একটু উপরে গুলি লাগে। এ সময় আশরাফুলের সঙ্গে তার ভাই ফারুক খান, একই গ্রামের খালেক আকনের ছেলে শিপন আকন, নুর হাসান লিটন, শামীম আকনও ছিলেন। শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিলিপ কুমার সরকার বলেন, ‘আহত রফিকুল ইসলাম ও আশরাফুলদের মাঝে জমিজমা নিয়ে পূর্ব বিরোধ রয়েছে। আমরা রফিকুলের মাধ্যমে গুলির অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।’ এমএস//

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশ সদস্যের ছুরিকাঘাতে শাশুড়ি নিহত

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় শাশুড়িতে ছুরিকাঘাতে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। শুক্রবার ভোররাতে এই হত্যাকাণ্ডের পর অসীম কুমার ভট্টাচার্য নামে ওই পুলিশ সদস্য পলাতক। তিনি চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের সিআইডি বিভাগে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত। নিহতের নাম শেফালী অধিকারী (৪৮)। তার মেয়ে ফাল্গুনী অধিকারী, ছেলে আনন্দ অধিকারী ও স্বামী সদানন্দ অধিকারী ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন। তারা কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পারিবারিক কলহের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন। কনস্টেবল অসীম স্ত্রী ফাল্গুনীকে নিয়ে আলমডাঙ্গা উপজেলা শহরের কলেজপাড়ার ভাড়াবাড়িতে থাকতেন। পাশের মহল্লা মাদরাসাপাড়ায় থাকে ফাল্গুনীর পরিবার। পুলিশ কর্মকর্তা মাহবুব বলেন, “পারিবারিক কলহের কারণে গত রাতে ফাল্গুনি বাবার বাড়ি চলে গিয়েছিলেন। রাত ২টার দিকে অসীম শ্বশুর বাড়ি গিয়ে স্ত্রীকে ডাকাডাকি শুরু করে। তিনি বলেন, স্ত্রী ফাল্গুনী দরজা খুললে অসীম অতর্কিতে তাকে ছুরিকাঘাত করে। এসময় শ্বশুর, শাশুড়ি ও শ্যালক ছুটে এলে তাদেরও ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় অসীম। ছুরিকাঘাতে শেফালী ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। অন্যদের হাসপাতালে পাঠায় প্রতিবেশীরা। স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পলাতক কনস্টেবলকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে বলে জানান পরিদর্শক মাহবুব।

বাগেরহাটে জামাইয়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার ৩

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার চরকাঠি গ্রামে শশুর বাড়ি থেকে জামাইয়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে আলামত জব্দ করেছে পুলিশ। সোমবার (৩ মে) দুপুরে বাগেরহাট পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেসব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায় এসব তথ্য জানান। আটককৃতরা হলেন, পাবনা জেলার মিনদাহ গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে মোঃ বিপ্লব মোল্লা(২৫) ও তার স্ত্রী রিনা বেগম(২০), এবং আজীমের স্ত্রী রুবিনা বেগমের ভাই উপজেলার চরকাঠি গ্রামের মৃত মোহাম্মাদ তালুকদারের ছেলে মোঃ সালাউদ্দিন তালুকদার (১৪)। নিহত মোঃ আজিম সুনামগঞ্জ জেলার তাহেরপুর উপজেলার কাউকান্দি গ্রামের মোঃ মনজুল হকের ছেলে। পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায় বলেন, প্রায় এক বছর আগে চরকাঠি গ্রামের মোহাম্মাদ তালুকদারের মেয়ে রুবিনা বেগম (২২) তার জামাই আজিমকে মেহগুনি গাছের ডাল দিয়ে পিটিয়ে এবং নাখ মুখ চেপে হত্যা করে। পরে বিপ্লব ও রিনা বেগমের সহায়তায় মরদেহ ঘরের পাশে মাটিচাপা দিয়ে রাখে। এই ঘটনায় আমরা তিনজনকে আটক করেছি। এছাড়া জড়িত আজিমের স্ত্রী রুবিনা বেগমকে আটকের চেষ্টা চলছে। পুলিশ জানায়, বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজালের নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম ও এসআই মোস্তাফিজুর রহমানসহ পুলিশ ফোর্স কৌশলে অভিযান চালিয়ে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানার শ্রীপুর বাজার থেকে এই তিন জনকে গ্রেফতার করে। এর আগে ২৯ মে কচুয়া উপজেলার চরকাঠি গ্রামে গ্রামের মৃত মোহাম্মাদ তালুকদারের ঘরের পাশ থেকে তার জামাইয়ের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরের দিন কচুয়া থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ আবুল হাসান ওই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আরকে//

ঈদকে ঘিরে ষাটগম্বুজসহ বিনোদন কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করতে বাগেরহাটের বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ মসজিদসহ বেসরকারী উদ্যোগে গড়ে ওঠা বিনোদন কেন্দ্রগুলো নতুন সাজে সাজানো হচ্ছে। চলছে শেষ মুহুর্তের ধোয়া মোছা রং তুলির কাজ। বছর জুড়ে ষাটগম্বুজ মসজিদ দেখতে দেশি বিদেশি হাজারও পর্যটকরা এসে ভিড় করেন। তবে ঈদের ছুটিতে হযরত খানজাহানের অপূর্ব নির্মাণ শৈলী দেখতে দর্শনার্থীদের ঢল নামবে বলে আশা প্রকাশ করেছে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ বলছে, ঈদের জামাতের পর পরই এখানে পর্যটকরা আসতে শুরু করেন। ঈদের তিনদিন এই মসজিদকে ঘিরে বিপুল মানুষের সমাগম ঘটবে। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা দিতে কাজ রাখা হয়েছে আনসার সদস্যদের। এদিকে ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে ওঠা বিনোদন কেন্দ্রগুলোও সব বয়সী দর্শনার্থীদের টানতে নতুন নতুন রাইডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া শিশুদের জন্য নানান ধরনের রাইড। রাইডের পাশাপাশি বিনোদন কেন্দ্রে কুমির,পশুপাখি রয়েছে। সব মিলিয়ে ঈদে বিনোদন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের ব্যাপক সমাগম ঘটবে বলে আশা তাদের। কেআই/

বেনাপোল চেকপোস্টে যাত্রীদের উপছে পড়া ভিড়

ঈদের ছুটিতে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পারাপার বেড়েছে। ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার পাশাপাশি অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে যাচ্ছেন ভারতে। স্বজনদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাত, চিকিৎসা,ব্যবসা, কেনাকাটা ও বেড়ানোর উদ্দেশে ভারতগামী পাসপোর্টযাত্রী যাতায়াত অন্য সময়ের চেয়ে কয়েকগুণ বেড়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। ভিসা সহজলভ্যতা ও খরচ কম পড়ায় বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ভারতগামী পাসপোর্টযাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত শুক্রবার সকাল থেকে বেনাপোল চেকপোস্টে ভারতগামী পাসপোর্টযাত্রীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। রোববার সকালে সরেজমিন পরির্দশন করে দেখা গেছে, যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়।যাত্রীদের পাসপোর্টের আনুষ্ঠানিকতা সারতে পুলিশ, আনসার ও বন্দরের নিরাপত্তা কর্মীদের রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে। জানা যায়, ১৭ মে থেকে ২৩ মে পর্যন্ত যে যাত্রী আসা-যাওয়া করেছিলেন তার তুলনায় ২৪ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত যাত্রীর আগমন ও বহির্গমন বেড়েছে। ১৭ তারিখ থেকে ২৩ তারিখ পর্যন্ত ভারত থেকে দেশে ফিরেছেন ১৫ হাজার ৪২০ জন এবং বাংলাদেশ থেকে ভারতগামী যাত্রী ১৯ হাজার ২২৫ জন। এরপরে ২৪ তারিখ থেকে ২ জুন পর্যন্ত ভারত থেকে ২২ হাজার ৬২০ জন আগমন এবং ৩০ হাজারের উপরে বর্হিরগমন করেন। বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাশার বলেন, ঈদের ছুটিতে যাত্রী সংখ্যা বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে বেশি লক্ষ্য করা গেছে। শুক্র, শনি ও রোববার যাত্রীর চাপ অন্যান্য দিনের তুলনায় কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। যাত্রীদের সেবায় ইমিগ্রেশনে আমাদের লোকজন একটানা কাজ করে যাচ্ছে। পাসপোর্টযাত্রীদের যাতে কোন অসুবিধা না হয় তার জন্য ইমিগ্রেশনে নজরদারি করা হচ্ছে। সেই সাথে যাত্রী সেবা বাড়াতে ইমগ্রেশন চত্বরে পুলিশের জনবল বৃদ্ধি করা হয়েছে। এমএস/কেআই                                                                                                                                                                                               

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি