ঢাকা, ২০১৯-০৪-২৬ ৮:১৪:৩৫, শুক্রবার

পলাশবাড়ীতে যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার, স্ত্রী ও শ্বাশুড়ি আটক

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় মনিরুল ইসলাম (২৫) নামে এক যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মনিরুলের স্ত্রী তন্নী ও শ্বাশুড়ি জাহানারাকে আটক করা হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকে শ্বশুর তারা মিয়া পলাতক রয়েছেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের উত্তরঝাপর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিপজুর আলম মুন্সি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত মনিরুল ওই ইউনিয়নের কাশিয়াবাড়ী গ্রামের আসাদুল ইসলামের ছেলে। ওসি হিপজুর আলম মুন্সি জানান, চার/পাঁচ মাস আগে তন্নীর সঙ্গে মনিরুলের বিয়ে হয়। মঙ্গলবার রাতে মনিরুল উত্তরঝাপর গ্রামে তার শ্বশুর বাড়িতে অবস্থান করছিলো। রাতে শ্বশুর তারা মিয়ার বাড়ির সামনে মনিরুলের গলাকাটা লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খরব দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। মনিরুলের শ্বশুর বাড়ির লোকজনের দাবি, পারিবারিক কলহের জের ধরে মনিরুল নিজেই নিজের গলাকেটে আত্মহত্যা করেছেন। তবে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানান ওসি। একে//

ভূমি সেবায় দুর্নীতি সহ্য করা হবে না

নবাবগঞ্জে ভূমি সেবা দিতে অনিয়ম দুর্নীতি সহ্য করা হবে না বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান। ‘রাখব নিষ্কন্টক জমি-বাড়ি করবো সবাই ই-নামজারী’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে ভূমি সেবা সপ্তাহ-২০১৯ উদযাপন উপলক্ষে র‌্যালি, আলোচনা সভা, প্রেস ব্রিফিং করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. মশিউর রহমানের উপস্থিতিতে র‌্যালি শেষে ভূমি সেবা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। তিনি বলেন, ভূমি সেবা দিতে কাউকে হয়রানি করা যাবে না। অনিয়মসহ দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শামীম আহম্মেদ, উপজেলা সহকারি সেটেলমেন্ট অফিসার মো. মকবুল হোসেন, ২নং বিনোদ নগর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মনোয়ার হোসেন, ইউনিয়ন সহকারি ভূমি কর্মকর্তাসহ ওই দপ্তরের কর্মচারিরা উপস্থিত ছিলেন। কেআই/

হাবিপ্রবিতে ১৮তম ব্যাচ উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থীদের ১৮তম ব্যাচ উদ্যোগে ক্যাম্পাসের শোভাবর্ধনের জন্য বৃক্ষরোপণ রোপন করা হয়েছে। বুধবার বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম একটি শোভাবর্ধক গাছের চারা লাগিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। উক্ত কর্মসূচিতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মতিউর রহমান হাওলাদার। এছাড়া সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজি অ্যান্ড টক্সিকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. সিদ্দিকুল ইসলাম, হাবিপ্রবি’র সোস্যাল সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যানিটিস অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. এটিএম রেজাউল হক, রেজিস্ট্রার প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হক, উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের প্রফেসর টি এম টি ইকবালসহ  ১৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। কৃষি অনুষদের ১৮তম ব্যাচের এমন মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম বলেন, একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শোভাবর্ধণ ও পরিবেশ রক্ষায় শিক্ষার্থীদের ভূমিকা অগ্রগণ্য। আমি তাদের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছি। এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের এধরনের কর্মকান্ডে আমার সার্বিক সহযোগিতা  থাকবে। কৃষি অনুষদের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের প্রফেসর টি এম টি ইকবাল জানান, লেভেল ১ সেমিস্টার ২ এর শিক্ষার্থীদের কোর্স কারিকুলামে অর্নামেন্টাল হর্টিকালচার (শোভাবর্ধক উদ্যানতত্ত্ব) নামে একটি পাঠ আছে। আমি তাদের সে পাঠটুকু পড়াচ্ছি। তারা এই পাঠে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেরাই প্রায় ৫ হাজার টাকা সংগ্রহ করে গাছ লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে। আমি তা জেনে অত্যান্ত খুশি হয়েছি। আমার কাছে এখন মনে হচ্ছে,আমার ছাত্রদের মধ্যে কৃষি-প্রকৃতির প্রতি যে প্রকৃত ভালবাসা তা জাগ্রত করতে পেরেছি। তিনি আরও বলেন ,সম্প্রতি আমি সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গিয়েছি ,তারা আমার কাছে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে গাছ লাগানোর একটি ডিজাইন/পরিকল্পনা চায়। আমি ল্যান্ড স্কেপিং (স্থল পরিকল্পনা) করার কথা বলেছি। তারা সেটি পছন্দ করেছে। আমি মনে করি, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েও যদি সেটি করা যায় ,তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য আরও অনেক গুণে বৃদ্ধি পাবে। উল্লেখ্য যে, কৃষি অনুষদের ১৮ তম ব্যাচের প্রথম দিনের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে তিন প্রজাতির জুই ,বাগান বিলাস, কমলতা, টিকোমা,একলিফা ,রংগন , ক্যামেলিয়া ,বাহারী টগর,গল ফেমিয়া, পাউডার পাপ, ফুরুষ প্রজাতির ১৫টি গাছ লাগানো হয় ।পর্যায়ক্রমে ১১৫টি গাছ লাগানো হবে বলে জানা গেছে । কেআই/  

রংপুরে মোমবাতি জ্বালিয়ে এইচএসসি পরীক্ষা

ঝড়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণে রংপুরে মোমবাতি জ্বেলে এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন পরীক্ষার্থীরা। আলোর ব্যবস্থা করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অভিভাবকরা নিজ উদ্যোগে মোমবাতি সরবরাহ করেন। এদিকে পাবলিক পরীক্ষায় বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা। সোমবার প্রথম দিনের পরীক্ষায় এ সমস্যা দেখা যায়।  রংপুর নগরীর সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, রংপুর সরকারি কলেজের পরীক্ষার্থীরা মোমবাতি নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করছেন। কোন কোন পরীক্ষার্থী টর্চ লাইট জ্বালিয়ে পরীক্ষা দেন বলে জানা গেছে। কয়েকজন পরীক্ষার্থী বলেন, গত রাতে ঝড় ও শিলা বৃষ্টি হওয়ায় সকাল থেকে পরীক্ষা কেন্দ্রে বিদ্যুৎ ছিল না। পরীক্ষা কক্ষে পর্যাপ্ত আলো প্রবেশের ব্যবস্থা না থাকায় পুরো তিন ঘণ্টা মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা দিতে হয়েছে। সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজের অধ্যক্ষ মোবাখখারুল ইসলাম বলেন, রাতে ঝড়ের কারণে বিদ্যুৎ না থাকায় পরীক্ষার্থীরা মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা দিয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে তাদের আলো সরবরাহে সহযোগিতা করা হয়েছে। যেহেতু বিদ্যুৎ নেই তাই পরীক্ষার্থীদের কিছুটা সমস্যা হয়েছে। পিডিবির প্রধান প্রকৌশলী সাহাদত আলী বলেন, গত রোববার রাতে রংপুরে ঝড় ও বৃষ্টি হওয়ায় কিছু জায়গায় বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে যায়। এছাড়া বিদ্যুৎ লাইনে গাছপালা পড়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ ছিল। পরীক্ষার সময় দুটি ফিডার ছাড়া সব ফিডারে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। বর্তমানে বিদুতের ১১টি ফিডারই চালু রয়েছে। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন নিচ্ছে ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৭৯ জন পরীক্ষার্থী। রংপুর বিভাগের আট জেলার ১৯৯টি কেন্দ্রের এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে ২৮ হাজার ৫৬ জন, মানবিক বিভাগে ৮১ হাজার ১৩৭ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১৫ হাজার ৬৮৬ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছেন। এছাড়া রংপুর জেলায় আলিম ১০টি কেন্দ্রে ১৯৩২ জন, এইচএসসি (বিএম) ১৭টি কেন্দ্রে ৮৬৪২ জন এবং এইচএসসি (বিজনেস স্টাডিজ ও ভোকেশনাল) ২টি কেন্দ্রে ২১২ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। এসএইচ/

হাবিপ্রবি’র রেজিস্ট্রার হলেন অধ্যাপক ডা.ফজলুল হক

  দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরেনারি এন্ড এনিম্যাল সাইন্স অনুষদের মেডিসিন সার্জারী এন্ড অবস্ট্রেটিক্স বিভাগের চেয়ারম্যান ও বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হক । বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম এর অনুমোদনক্রমে বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ ২০১৯)  সদ্য বিদায়ী রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. সফিউল আলম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়। এই আদেশের মাধ্যমে প্রফেসর ড. মো. সফিউল আলম এর স্থলাভিষিক্ত হবেন প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হক। অফিস আদেশে বলা হয়, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (চুক্তি-ভিত্তিক) পদে নিযুক্ত প্রফেসর ড. মো. সফিউল আলমকে (২৮ মার্চ) অপরাহ্ন হতে সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলো এবং সেই সঙ্গে মেডিসিন সার্জারী এন্ড অবস্ট্রেটিক্স বিভাগের প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হককে তার নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি-বিধান, সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব থাকা অবস্থায় প্রাপ্য সুযোগ্য-সুবিধা মেনে চলার প্রেক্ষিতে ২৯ মার্চ হতে রেজিস্ট্রারের দায়িত্বে নিযুক্ত করা হলো। প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হক ১৯৫৭ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি বর্তমান ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলার মোলামের টেক গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৩ সালে সদরপুর, ফরিদপুর আমিরাবাদ পাইলট ইনস্টিটিউটশন থেকে এস এস সি এবং ১৯৭৫ সালে ফরিদপুর ইয়াসিন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ থেকে ডি.ভি.এম (ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন) নিয়ে অনার্স  এবং ১৯৮০ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগ থেকে এম.এস.সি. পাশ করেন। এরপর জাপানের টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৯৬-১৯৯৭ পর্যন্ত পিজিটি করেন। ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের ফরিদপুর জেলার সদরপুর থানার সহ-সভাপতি এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যকরী সদস্য ছিলেন। কর্মজীবনের শুরুতেই তিনি ১৯৮৩ হতে ২০০৮ সালের ১১ মার্চ পর্যন্ত বিসিএস লাইভস্টক সার্ভিসে কর্মরত ছিলেন। এরপর ২০০৮ সালে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিসিন সার্জারী এন্ড অবস্ট্রেটিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদান করেন। ২০০৯ সালে এসে সহযোগী অধ্যাপক এবং ২০১২ সালে অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি প্রাপ্ত হোন।  এছাড়াও তার গবেষণা ধর্মী আর্টিকেলঃ ২১টি, “ইতিহাস কথা বলে পূর্বাপর ‘৭১” নামক একটি বই প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশ দৈনিক জাতীয় কালের কন্ঠ ,যুগান্তর,ইত্তেফাক সহ বিভিন্ন পত্রিকায় উপ সম্পাদকীয় পাতায় প্রায় ১০০টির বেশি বিভিন্ন সমসাময়িক ঘটনায় নিয়ে লেখাও প্রকাশিত হয়েছে।তিনি মাদার তেরেসা ,এম এ জি ওসমানী ,হাজী মোহাম্মদ মহসিন ও আর্মস পুরুস্কার সহ বিভিন্ন সম্মাননা পদকেও ভূষিত হয়েছেন । এছাড়া তিনি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। কেআই/  

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০১৯ উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। মঙ্গলবার দিবসের প্রথম প্রহর রাত ১২:০১ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ। সকাল ৯টায় জাতীয় সঙ্গীতের সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে মূল কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর উপাচার্যের নেতৃত্বে স্ব-স্ব ব্যানার নিয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হল, বিভিন্ন অনুষদ, সকল বিভাগ, দপ্তরসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের শিক্ষক-শিক্ষার্র্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। শোভাযাত্রাটি প্রশাসন ভবন থেকে শুরু করে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে মডার্ণ মোড়ে ‘অর্জন’ এ শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারকে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রা শেষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপাচার্য স্বাধীনতা স্মারকে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন। এরপর বিভিন্ন অনুষদের ডিন, সকল হল, বিভিন্ন বিভাগ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী ইউনিয়ন, শিক্ষকদের সংগঠন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ, ড. ওয়াজেদ রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা বিভাগ সহ শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ শেষে শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন উপাচার্য। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০১৯ উদযাপন কমিটির আহবায়ক প্রফেসর ড.আর এম হাফিজুর রহমান, কমিটির সদস্য সচিব প্রফেসর ড. মো. মোরশেদ হোসেন এর সমন্বয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন আয়োজিত দিবসের সকল কর্মসূচিতে অংশ নেন কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. পরিমল চন্দ্র বর্মণ, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. আবু কালাম মো. ফরিদ উল ইসলাম, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মো. গাজী মাজহারুল আনোয়ার, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও ফাইন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান খায়রুল কবির সুমন, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল প্রভোস্ট প্রফেসর ড. সরিফা সালোয়া ডিনা, শহীদ মুখতার ইলাহী হল প্রভোস্ট মো. ফেরদৌস রহমান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল প্রভোস্ট তাবিউর রহমান প্রধান, সাইবার সেন্টারের পরিচালক মু. শামসুজ্জামান, ইন্স্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল পরিচালক প্রফেসর ড. মো. নাজমুল হকসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এরপর বিকালে পুরস্কার বিতরণ ও স্বাধীনতা দিবসের কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়। কেআই/

হাজী দানেশে স্বাধীনতা দিবস পালিত

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদা ও দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০১৯ পালিত হয়েছে। দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (২৬ মার্চ ) সকাল ৬ টা ৪০ মিনিটে প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড.মু.আবুল কাসেম-এর নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা,কর্মচারী এবং ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে স্বাধীনতা দিবসের র‌্যালী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালি শেষে সকাল সাড়ে ৯টায় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর ছাত্র পরামর্শ বিভাগের সহকারী পরিচালক মিসরাত মাসুমা পারভেজ এর সঞ্চালনায় ক্রমান্বয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, হাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি, ছাত্রলীগ হাবিপ্রবি শাখার নেতৃবৃন্দ, কর্মচারিগণ,হাবিপ্রবি স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয়ের বাণী পাঠ ও বিতরণ করা হয়। ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম তার বাণীতে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বলা হয়, স্বাধীনতার মহান স্থপতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যাঁর অবিসংবাদিত নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত ও পরিচালিত হয়েছিল। ৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লক্ষ সম্ভ্রম হারা মা-বোনকে কৃতজ্ঞতা জানান। এছাড়া পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধাসহ জীবিত সকল মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি যাঁদের অশেষ ত্যাগের বিনিময়ে আমাদের এই স্বাধীনতা। তিনি আরও বলেন,“মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল একটি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া। যার মর্মকথা ছিল অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক সব ধরনের অবিচার ও বৈষম্য থেকে মানুষের  মুক্তি। সে লক্ষ্য অর্জনে বর্তমানে জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা অদম্য গতিতে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উপনীত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উপগ্রহের কার্যক্রম শুরু হয়েছে, পদ্মা সেতু, পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, গভীর সমুদ্র বন্দরসহ মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হচ্ছে। গ্রামের সাধারণ মানুষ আধুনিক সুযোগ সুবিধা পেতে শুরু করেছে। শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন প্রভৃতির প্রতিটি ক্ষেত্রে আমাদের অগ্রগতি বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হচ্ছে”। তিনি এসকল সাফল্যের জন্য বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। বানী পাঠ শেষে ভাইস-চ্যান্সেলর মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০১৯ উপলক্ষে দেয়ালিকা উন্মোচন এবং শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। এরপর শিক্ষক বনাম শিক্ষক, কর্মকর্তা বনাম কর্মকর্তা, কর্মচারী বনাম কর্মচারী, ছাত্র বনাম ছাত্রের মধ্যে প্রীতি ভলিবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষক বনাম শিক্ষিকা, ছাত্রীর মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় মিউজিক্যাল চেয়ার। শিশুদের জন্য বিস্কুট দৌড় এবং সকলের জন্য যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। খেলাধুলা শেষে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। বাদ যোহর শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কমনা করে কেন্দ্রীয় মসজিদে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে আলোক-সজ্জার ব্যবস্থা করা হয়। উল্লেখ্য,দিবসটি পালনে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছেন জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির আহবায়ক ও ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রাজিব হাসান ও উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ বেলাল হোসেন। কেআই/

রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারীদের বিক্ষোভ

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) চাকুরী নীতিমালা বাস্তবায়নসহ ১০ দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী ইউনিয়ন। সোমবার দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন একাডেমিক ভবন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনে এসে শেষ হয়। কর্মচারীদের দাবিগুলো হলো, দ্রুত নীতিমালা বাস্তবায়ন, বকেয়া বেতন ভাতা পরিশোধ, দূরের কর্মচারীদের গাড়ির ব্যবস্থা, আবাসন সুবিধার ব্যবস্থা, নিয়োগপত্র অনুযায়ী কাজ দেয়া, পদোন্নতির ব্যবস্থা করা, হয়রানি মুলোক সাজাপ্রাপ্ত ও সাময়িক বরখাস্তদের চাকরী পুনর্বহাল ও কাজ নাই মুজুরি নাই কর্মচারীদের স্থায়ী চাকরীর ব্যবস্থা করা। র্কমচারী ইউনয়িনরে সভাপতি নুর আলম বলনে, আমাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য মাঠে নেমেছি এবং তা আদায় করেই ছারবো। আর তা বাস্তবায়ন না হওয়া র্পযন্ত ঘরে ফিরে যাবো না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আবু হেনা মুস্তাফা কামাল বলেন, আমি ক্যাম্পাসের বাইরে আছি, এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। এ বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সাথে যোগাযোগ করুন। সার্বিক বিষয় জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড.নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহ এর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি মোবাইল ফোন  রিসিভ করেননি। কেআই/

আজ মুস্তাফিজের বিয়ে

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ততা আপাতত নেই। আর ঘরোয়া ক্রিকেট থেকেও মিলেছে খানিকটা ছুটি। তাই নতুন ইনিংস শুরুর জন্য এই বিরতিকেই কাজে লাগাচ্ছেন ক্রিকেটাররা। সাব্বির ও মিরাজের মতো মুস্তাফিজও এবার শুভ কাজটা সেরে ফেলতে যাচ্ছেন। আজ শুক্রবার বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন কাটার মাস্টারখ্যাত জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমান। মুস্তাফিজের সেজভাই মোখলেসুর রহমান পল্টু জানান, আজ শুক্রবার পারিবারিকভাবে আকদ হলেও আনুষ্ঠানিকতা হবে আগামী ক্রিকেট বিশ্বকাপের পর।   তিনি বলেন, বিয়েটা শুক্রবার কালিগঞ্জের তেঁতুলিয়া গ্রামে নিজেদের বাড়িতেই হবে আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে। পরবর্তীতে বিসিবি খেলোয়াড়, কর্মকর্তা, বন্ধুমহল ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে রাজধানীতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। মোখলেসুর রহমান আরও বলেন, কনে তাদের মেজ মামার মেয়ে। তাদের মায়ের ইচ্ছাতেই মামাত বোনের সঙ্গে মুস্তাফিজের বিয়ে হচ্ছে। কনের বাবা রওনাগুল ইসলাম বাবুর বাড়ি পার্শ্ববর্তী দেবহাটা উপজেলার হাদিপুর গ্রামে। তার তৃতীয় মেয়ে হলেন বিয়ের কনে সামিয়া ইয়াসমিন শিমু। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। প্রসঙ্গত, গেলো সপ্তাহে ঘরোয়াভাবে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হলেন ক্রিকেট তারকা সাব্বির রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার রাবেয়া আক্তার প্রীতির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন বাংলাদেশ দলের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। আজ বিয়ে হচ্ছে মুস্তাফিজের। আগামী বিশ্বকাপের পর বড় আয়োজনের ইচ্ছে আছে তিন পরিবারেরই। মুমিনুল অবশ্য বেশ বড় আয়োজনেই শুরু করতে যাচ্ছেন জীবনের নতুন অধ্যায়। আগামী ১৯ এপ্রিল বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ২০১৫ সালে বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেক হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ৪৩ ওয়ানডে, ১৩টি টেস্ট ও ৩০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন ২৪ বছর বয়সী এই বাঁহাতি পেসার। আইপিএলে এখন পর্যন্ত খেলেছেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদ আর মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে। তবে এবারের আইপিএলে মুস্তাফিজকে দেখা যাবে না। কারণ ঘন ঘন চোটে পড়ার প্রবণতার ফলে দুই বছর কাটার মাস্টারকে বাইরের লিগগুলোতে খেলতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। একে//

আবাসস্থলের অভাবে বিলুপ্ত হচ্ছে পাখি (ভিডিও)

আবাসস্থলের অভাবে বিলুপ্ত হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি। তবে নগরায়ন আর শিল্পায়নের তাড়নায় থাকা সৈয়দপুরের এক প্রত্যন্ত গ্রাম যেন হাঁটছে উল্টোপথে। বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শামুকখোল পাখিরা এখানে পেয়েছে এক আশ্চর্য আশ্রয়। গ্রামবাসীরাই পরিচর্যা করছে পাখিদের। নীলফামারির সৈয়দপুর উপজেলার সোনাখুলি গ্রাম। প্রত্যন্ত এই গ্রামে বট-পাকুড় গাছে বাসা বেধেছে শামুকখোল পাখি। গ্রামবাসী যেহেতু পাখি শিকারের বিরুদ্ধে, এখানেই নিরাপদ বোধ করছে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির এই পাখিরা। পাখিদের নিরাপত্তা দিতে গিয়ে প্রভাবশালী শিকারীদের মামলা-হয়রানিও ভোগ করতে হয়েছে গ্রামবাসীকে। এরপরও তাদের দমানো যায়নি। এখন পাখির ঝাক দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে আসছে মানুষ। তবে গ্রামবাসীর এই পাখিপ্রেম একদিনে হয়নি। বাস্তুসংস্থানের ধারাবাহিকতায় পাখি আর মানুষের এই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নেপথ্যে কাজ করছে একটি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এগিয়ে এসেছে উপজেলা প্রশাসনও। সৈয়দপুরে আরো পাখির অভয়াশ্রম গড়ে তুলতে চায় তারা। পাখিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে শিকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। যখন আবাসস্থলের অভাবে ক্রমেই কমছে শামুকখোল পাখির সংখ্যা, তখন সোনাখুলি গ্রামের এই উদ্যোগ যেন পথ দেখালো, এমনটাই বলছেন পাখিপ্রেমীরা। বিস্তারিত দেখতে ক্লিক করুন :   এসএ/এসইউ    

গ্রামের বাড়িতে সমাহিত ভাওয়াইয়া শিল্পী রাজা

কুড়িগ্রামের কৃতী সন্তান সাংবাদিক ও ভাওয়াইয়া গানের কিংবদন্তি শফিউল আলম রাজার (৫২) মরদেহ তার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়েছে। সোমবার সকালে ঢাকা থেকে তার মরদেহ প্রথমে কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে নিয়ে আসা হয়। সেখানে শোক জানান জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম মঞ্জু মন্ডল, কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক খ.ম আতাউর রহমান বিপ্লব, সিনিয়র সাংবাদিক সফি খান, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আহ্বায়ক শ্যামল ভৌমিক, ভাওয়াইয়া একাডেমির পরিচালক ভূপতি ভূষণ বর্মা, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি জ্যোতি আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক দুলাল বোস প্রমুখ। দুপুর ১২টায় চিলমারী থানাহাট এ ইউ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নামাজে জানাজা শেষে শ্রদ্ধা জানান চিলমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত আলী সরকার বীরবিক্রম, চিলমারী প্রেস ক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলাম সাবু, প্রেস ক্লাব চিলমারীর সভাপতি গোলাম মাহবুব, সাংবাদিক নুরুল আমিন প্রমুখ। তার মৃত্যুতে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন এবং শিল্পী সমাজের পক্ষ থেকে শোক জানানো হয়। সাংবাদিক রাজার শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হয় বেলা আড়াইটায় তার গ্রামের বাড়ি চিলমারী উপজেলার জোরগাছ এলাকার খরখরিয়া ভট্ট পাড়ায়। সেখানে মন্ডলপাড়া কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়। বিশিষ্ট এ সাংবাদিক সর্বশেষ অনলাইল নিউজপোর্টাল প্রিয়ডটকমের প্রধান প্রতিবেদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া এই শিল্পী পল্লবীতে তার নিজের প্রতিষ্ঠিত ‘কলতান সাংস্কৃতিক একাডেমি’ পরিচালনা করতেন। সেখানেই রোববার দুপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। পিতৃ-মাতৃহীন এই সাংবাদিক মৃত্যুকালে স্ত্রী ও তিন সন্তানসহ অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আরকে//

উপজেলা নির্বাচন: রংপুরে ভুয়া ভোটার আটক

পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে আজ সোমবার রংপুরের ৬টি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জেলার ইকরচালি জগদীশপুর ভোট কেন্দ্রে ভুয়া ভোটার ভোট দিতে এসে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছেন। সোমবার সকাল ৮ টা থেকে ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। তবে ভোটারদের উপস্থিতি একেবারেই কম। সরজমিন রংপুরের তারাগজ্ঞ উপজেলার প্রত্যান্ত অঞ্চল হাড়িয়ালকুঠি ও ডাঙ্গিরহাট সরকারি প্রাথমিক এ দুটি ভোট কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে ভোটারদের উপস্থিতি কম। তবে ডাঙ্গিরহাট স্কুল কেন্দ্রে ২ হাজার ৪৩২ ভোটের মধ্যে বেলা দুপুর সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত সাড়ে ৩০০ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রিজাইডিং অফিসার আব্দুস সবুর। অন্যদিকে, হাড়িয়ালিকুঠি ভোট কেন্দ্রে ২ হাজার ৯১টি ভোটের মধ্যে দুই শতাধিক ভোট পড়েছে বলে রিটানিং অফিসার জানিয়েছেন। তবে এ কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি একেবারে দেখা গেলো না। কর্তব্যরত পুলিন অফিসার জানালেন, ২/৪ জনকে ভোটার আসছেন আর ভোট দিচ্ছেন। এদিকে ইকরচালি জগদীশপুর ভোট কেন্দ্রে ভুয়া ভোটার ভোট দিতে এসে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। অন্যদিকে এক ভোটারের ভোট জোর করে দেওয়ার অভিযোগ করেছে একজন। তবে নৌকা মার্কার প্রার্থীর লোকজন এ অভিযোগ অস্বিকার করে বলেছে তারা পুলিং এজেন্ট দিতে পারেনি। এদিকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রিটানিং অফিসার দেলোয়ার হোসেন। রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার জয়নুল বারী ও ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য জগদীশপুর ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের জানিয়েছে সুন্দর পরিবেশে ভোট চলছে। রংপুরের যে ৬টি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে এর মধ্যে গঙ্গাচড়া উপজেলায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী রুহুল আমিন এবং কাউনিয়া উপজেলায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম মায়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এ দুই উপজেলায় শুধু ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ ছাড়া যে বাকি ৪ টি উপজেলায় নির্বাচন হচ্ছে সেগুলো হলো তারাগজ্ঞ, বদরগজ্ঞ, পীরগাছা ও পীরগজ্ঞ উপজেলা। ১৩জন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এবং ১৭ জন পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান অংশ নিচ্ছেন। একে//

রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালিত

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস-২০১৯ উৎযাপন করা হয়েছে। রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিবসের মূল কর্মসূচি। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আয়োজনে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি ক্যাফেটেরিয়ার সামনে থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসসহ বিশ্ববিদ্যালয় এর সামনের এলাকা প্রদক্ষিণ করে স্বাধীনতা স্মারকে এসে শেষ হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ এর নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদ, বিভাগ, দপ্তরসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এতে অংশ নেন। স্বাধীনতা স্মারকে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর অস্থায়ী প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল,অনুষদ,বিভাগ, দপ্তরসহ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি,অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী ইউনিয়ন, কর্মচারী ইউনিয়ন এবং শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিভিন্ন সংগঠন। এছাড়াও বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধা জানানো হয় এই মহান নেতার প্রতি। এদিকে শিশুদের চিত্রাঙ্কন শেষে বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং বিজয়ী শিশুদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জীবনাদর্শকে ঘিরে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহবায়ক ও বাংলা বিভাগের প্রফেসর ড. সরিফা সালেয়া ডিনার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপাচার্য বলেন,‘বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে এদেশ স্বাধীন হতো না, আমাদের হয়তো পরাধীন থাকতে হতো। তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হলে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে হাল ধরতে হবে, তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশের জন্য কাজ করতে হবে।’ সহকারী প্রক্টর আতিউর রহমান এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কমিটির সদস্য সচিব এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. নুর আলম সিদ্দিক। দিবসটি উপলক্ষে বাদ জোহর কেন্দ্রীয় মসজিদে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। দিবসের অনুষ্ঠানসমূহে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. পরিমল চন্দ্র বর্মণ, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মো. গাজী মাজহারুল আনোয়ার, অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক ও গণিত বিভাগের প্রফেসর ড. আর এম হাফিজুর রহমান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল এর প্রভোস্ট তাবিউর রহমান প্রধান, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আবু হেনা মুস্তাফা কামালসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধানসহ শিক্ষকবৃন্দ, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ। কেআই/

হাজী দানেশে আন্ত:বিভাগীয় জীববিজ্ঞান উৎসব অনুষ্ঠিত

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ  জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ও দৈনিক সমকালের যৌথ আয়োজনে  রংপুর অঞ্চলের জীব-বিজ্ঞান উৎসব-২০১৯ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৫ মার্চ) সকালে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হালদার। বিজ্ঞান একাডেমি রংপুর আঞ্চলের সহ-সভাপতি জিয়াউল হক সিজারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, হাবিপ্রবির কৃষি অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. ভবেন্দ্র কুমার বিশ্বাস,  দিনাজপুর বিজ্ঞান একাডেমির সভাপতি ও কৃষি রসায়ন বিভাগের প্রফেসর ড. বিকাশ চন্দ্র সরকার, সমকাল দিনাজপুর প্রতিনিধি বিপুল সরকার সানি। অনুষ্ঠান বিজ্ঞান একাডেমি দিনাজপুরের সদস্য মো. মোস্তাফিজার রহমানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তেব্যে ট্রেজারার প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হালদার বলেন, বিজ্ঞানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে জীব-বিজ্ঞান। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জ্ঞানের লেভেল পরিমাপ করা যায়। এ ধরনের  প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তোমরা নিজেদেরকে আরও শাণিত করে তুলবে। এবং এ বিভাগ থেকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশগ্রহণ করে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখবে এ  প্রত্যশা করি। উল্লেখ্য, রংপুর বিভাগের আটটি জেলার ৮৩৭ জন শিক্ষার্থী  জুনিয়র, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক এই তিন গ্রুপে  বিভক্ত হয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে বিকালে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। কেআই/

হিলিতে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস পালিত

‘নিরাপদ মানসন্মত পণ্য’ এমন প্রতিপাদ্য নিয়ে দিনাজপুরের হিলিতে র‌্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে হাকিমপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বর হতে একটি র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি হিলি স্থলবন্দরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আবারও উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর রাফিউল আলমের সভাপতিত্বে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন হিলি বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ফজলুর রহমান, সাধারন সম্পাদক আরমান আলী, প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রতন বর্মনসহ অনেকে। সভায় বক্তারা ভোক্তা অধিকার দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। সব ব্যবসায়ীদের ভোক্তাদের নিকট সঠিক পরিমাণে ও নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ করা হয় সে বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। সেই সঙ্গে ভোক্তাদেরও দেখে শুনে পণ্য ক্রয়ের পরামর্শ প্রদান করা হয়। একে//

হাবিপ্রবিতে ফ্রেমে বাঁধা স্বপ্নের দ্বিতীয় প্রহরের পর্দা উম্মোচন

‘তোমার সুপ্ত প্রতিভাকে সাজাবো আমরা’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে ২০১৫ সালের ন্যায় এবারও হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও  প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ফ্রেমে বাঁধা স্বপ্ন’ (দ্বিতীয় প্রহর) নামে এক শিল্প প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। বুধবার (১৩ মার্চ) দুপুর ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি’র নিচ তলায় আয়োজিত  ফ্রেমে বাঁধা স্বপ্ন দ্বিতীয় প্রহরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মো খালেদ হোসেন ফিতা কেটে উক্ত শিল্প প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক ও অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ রাজিব হাসান । উদ্বোধনী শেষে ফ্রেমে বাঁধা স্বপ্ন আয়োজিত বিভিন্ন  শিল্প প্রদর্শনী  ঘুরে দেখেন তারা। প্রদর্শনীতে ফটোগ্রাফি, পেইন্টিং, হ্যান্ডিক্রাফট,ফটোশপ ডিজাইনের বিভিন্ন চিত্র প্রদর্শিত হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের এসব ক্রিয়েটিভ কাজ দেখে তার ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধান অতিথি প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. খালেদ হোসেন। বিশেষ অতিথি সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ রাজিব হাসান এ সময় বলেন, অনেক সুন্দর একটা উদ্যোগ  দেখে অনেক ভালো লাগছে। যারা কষ্ট করে এতো সুন্দর করে একটা ইভেন্টের আয়োজন করেছে তাদের সকলকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমার পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকবে। দুই দিনব্যাপী এই শিল্প প্রদর্শনীর প্রথম দিন। উদ্বোধনের পর থেকেই দর্শনার্থীদের ভিড় জমেছে। ক্লাস পরীক্ষার ফাঁকে ফাঁকে প্রদর্শনীতে আসতে ভুল করেননি শিক্ষক কিংবা শিক্ষার্থী। সময়  পেলেই একবার হলেও ঘুরে আসছেন এই প্রদর্শনী থেকে। প্রদর্শনীতে ঘুরতে আসা আমিনুল ইসলাম নামের এক দর্শনার্থী বলেন, এখানে না এলে বুঝতামই না  মানুষের মাঝে এতো প্রতিভা আছে। আমি এই প্রদর্শনী দেখে সত্যি অবাক হয়েছি।   ফ্রেমে বাঁধা স্বপ্নের আয়োজক কমিটির প্রধান আহবায়ক রাবেয়া খাতুন রুবী জানান, প্রত্যকের মাঝে সৃষ্টিশীল প্রতিভা আছে। সেই সুপ্ত প্রতিভাকে জাগ্রত করতে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করেছি। আমি স্যারদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি এই কাজে সহযোগিতা করার জন্য। আয়োজক কমিটির অন্য সদস্যদের সকলকেই ধন্যবাদ জানাচ্ছি যারা আমাকে সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করেছে। বিশেষ করে যাদের কথা না বললেই নয় তারা হলেন, রাহিদ,মারুফ,ফাহিম,ফয়সাল,সাবরিন,মারিয়াতুল জান্নাত ,অমিতাভ,ফয়সাল, সামিউল, টুম্পা । উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১৪ ই মার্চ) বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত এই প্রদর্শনী চলবে। প্রদর্শনী শেষে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হবে। কেআই/         

নবাবগঞ্জে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ পালিত

সারাদেশের ন্যায় বিভিন্ন কর্মসুচি পালনের মধ্য দিয়ে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে র‌্যালি আলোচনা সভা ও শিক্ষা মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে র‌্যালি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা  নির্বাহী অফিসার মো. মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মো. শাফিকুল ইসলাম, ইউআরসি ইনষ্ট্রাক্টর মো. শাফিকুল ইসলাম, সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. অহেদুজ্জামান, ওয়াকিল উদ্দিন, মো. শরিফ হোসেন, মোছা. জাকিয়া খাতুন, প্রধান শিক্ষক এনামুল হক, প্রধান শিক্ষক আবেদ আলী, গোলাম রব্বানী, মজনুর রহমান, শামীম হোসেন রাঙ্গা, মশিউর রহমান,আনারুল ইসলাম নবাব, মোকছেদ আলী, সহকারি শিক্ষক তাজউদ্দিন,শাহাজান বাদশা, আলমগীর হোসেন প্রমুখ। উপজেলা পরিষদ চত্তরে শিক্ষা মেলায় গোলাপগঞ্জ ইউনিয়ন ১ম স্থান, ভাদুরিয়া দ্বিতীয় স্থান,দাউদপুর ও মাহমুদপুর তৃতীয় স্থান অধিকার করে। পরে বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার তুলে দেন  শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম। কেআই/  

নবাবগঞ্জে ১০ টাকা কেজি দরে চাউল বিক্রির উদ্বোধন

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর আওতায় ১০ টাকা কেজি দরে চাউল বিক্রয়ের উদ্বোধন করা হয়েছে। উপজেলা পরিষদ মসজিদ মার্কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মশিউর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মল্লিকা সেহনবীশ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন, জণস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আমির হোসেন, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম. রুহুল আমিন প্রধান প্রমুখ। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে ১৮টি ডিলারের মাধ্যমে চাউল ১০ টাকা কেজি দরে বিক্রয় করা হবে। কেআই/

বেরোবির গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তরের পরিচালক নজরুল ইসলাম

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তরের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম। মঙ্গলবার (১২ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আবু হেনা মুস্তাফা কামাল স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে এই নিয়োগ আদেশ জারি করা হয়। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সংবিধির প্রণীত আইনের ধারা ৩৯(২)-এর উপধারা ১৩(১) অনুসারে তাকে আগামী দুই বছরের জন্য এই নিয়োগ প্রদান করা হয়। তাঁর এই নিয়োগ আদেশ ১২ মার্চ ২০১৯ তারিখ থেকে কার্যকর হয়েছে। উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর এবারেই প্রথম এই পদে পূর্নাঙ্গ কাউকে নিয়োগ প্রদান করা হয় এরআগে এই পদটি খালি ছিল। কেআই/      

নবাবগঞ্জে দুই দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলার উদ্ভোধন

‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, অগ্রগতির মূল শক্তি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ সোমবার থেকে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী ৪০তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ বিজ্ঞান মেলা ২০১৯ এবং জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড উদ্ভোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সকালে নবাবগঞ্জ বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. তোফাজ্জল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে মেলার উদ্ভোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মশিউর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কৃষি অফিসার আবু রেজা মো.আসাদুজ্জামান,মৎস্য কর্মকর্তা শামীম আহম্মেদ, থানা অফিসার ইনচার্জ সুব্রত কুমার সরকার, নির্বাচনী অফিসার মো.আতাউল হক,একাডেমিক সুপার ভাইজার মো. শফিউল আলম,ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. সাদেকুল ইসলাম, সহকারী প্রধান শিক্ষিকা রোজিফা সুলতানা (রুমা), সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুল ওয়াহেদ, সহকারি শিক্ষক মো. আনিছুর রহমান ,শালখুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক আব্দুল হালিম। মেলায় ১৭টি বিদ্যালয় ও কলেজ অংশগ্রহণ করে বিজ্ঞান মেলার কার্যক্রম প্রদর্শন করছে। কেআই/   

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি