ঢাকা, ২০১৯-০৬-২০ ১৯:৩৯:৩৫, বৃহস্পতিবার

নদীতে গোসল করতে গিয়ে হাবিপ্রবির শিক্ষার্থীর মৃত্যু

আত্রাই নদীতে গোসল করতে গিয়ে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তাসফিকের হোসেন মৃত্যুবরণ করেছেন। মঙ্গলবার (১৮ জুন) বিকাল সোয়া ৪টার দিকে মোহনপুরের রাবার ড্যামে বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে আত্রাই নদীতে গোসল করতে মারা যায় তাসফিক। গোসলের সময় পা পিছলে পড়ে যায় তাসফিক। এ সময় তীব্র স্রোতে মুহুর্তেই নদীর পানিতে তলিয়ে যায় সে। পরে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে দিনাজপুর ফায়ার সার্ভিস এবং রাত সাড়ে ৯টায় রংপুরের দমকল বাহিনী রাত ১২টা পর্যন্ত ডুবুরি দিয়ে ঐ শিক্ষার্থীকে খোঁজতে থাকে। কিন্তু তারাও উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পরে ১৯ জুন সকাল ৮টার দিকে মোহনপুর ব্রীজের পাশে তার লাশ ভাসতে দেখা যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসা হয়। ক্যাম্পাসে মরদেহ আনার পর বুধবার (১৯ জুন) দুপুর সোয়া ১২টায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. ভবেন্দ্র কুমার বিশ্বাস এর উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম হাফেজ ক্বারী মাওলানা মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন এর পরিচালনায় শেখ রাসেল হল মাঠ প্রাঙ্গণে তাসফিক হোসেন এর প্রথম জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, চেয়ারম্যান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা কর্মচারীসহ সহস্রাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। জানাযার নামাজ শেষে তার চাচা মো. শরীফ হোসেন (৪৫) ও মো. মোশাররেফ হোসেন এর কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম এক শোকা বার্তায় মেধাবী ছাত্র তাসফিকের মর্মান্তিক এই অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন। ক্যাম্পাস জুড়েও তার অকাল মৃত্যুতে শোকের মাতম বিরাজ করছে। প্রসঙ্গত, তাসফিক হোসেন ১৯৯৭ সালে ১২ নভেম্বর চাঁদপুর জেলার রূপসা থানার জামালপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মোহাম্মদ এনায়েত হোসেন, মাতা তাহমিনা সুলতানা-এর তিন সন্তানের মধ্যে তাসফিকই ছিলেন বড়। শিক্ষা জীবনে তাসফিক নাসিরাবাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, চট্টগ্রাম মডেল কলেজ থেকে ২০১৫ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। এরপর ২০১৭ শিক্ষাবর্ষে হাবিপ্রবি দিনাজপুর-এর বিজ্ঞান অনুষদে পরিসংখ্যান বিভাগে ভর্তি হয়ে অধ্যয়নরত ছিলেন। কেআই/      

বিলিন হওয়ার পথে ত্রিপুরা মহারাজার রাজকাচারী বাড়ি

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ভূমি অফিসের ভিতরে অবস্থিত ত্রিপুরা মহারাজার রাজকাচারী বাড়ি। সংস্কারের অভাবে বিলিন হওয়ার পথে এই প্রত্ন নিদর্শন। প্রাচীন ভবনটি সংস্কার করে পর্যটকদের জন্য উপযোগি করার দাবী এলাকাবাসীর। ত্রিপুরার রাজাদের স্মৃতিচিহান শ্রীমঙ্গলের রাজকাচারী বাড়ি। এই প্রত্ননিদর্শনটি এখন শ্রীমঙ্গল উপজেলা ভুমি অফিস। একসময় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ছিলো ত্রিপুরা রাজ্যের অধিনে। রাজধানী দুরে হওয়ায় অষ্টাদশ শতকে ত্রিপুরার রাজা খাজনা আদায় ্ও রাজকার্য পরিচালনার সুবিধার্থে এখানে কাচারীবাড়ি।প্রতিষ্টা করেন। কারুকাজ খচিত কাঁচারীবড়িটি দৈর্ঘে ৩০ ফুট প্রস্থে ২০ ফুট। এতে রয়েছে ৩টি কক্ষ,একটি বারান্দা, ৮টি দরজা সহ মোট ৯টি জানালা। এর প্রতিটি দেয়াল ১২ ইঞ্চি চওড়া, চুন–সুরকি নির্মিত। পাশেই শানবাঁধানো ঘাঁটসহ বিশালাকার পুকুর। লোক মূখে শোনা ত্রিপুরার রাজাও এখানে আসতেন হাতিতে চড়ে। ইতিহাসের ধারক এই ভবনটি এখন ধ্বংসে মুখে। বিলিন হ্ওয়ার পথে ঘাট ও পুকুর। শ্রীমঙ্গল দেশের অন্যতম পর্যটন অঞ্চল। রাজকাচারী বাড়িটি হতে পারে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ। বিস্তারিত ভিডিওতে দেখুন : এসএ/    

হিলিতে কয়লার পর এবার লোহার খনি আবিস্কার

দিনাজপুরের হিলিতে কয়লার পর এবার লোহার খনি আবিস্কারের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। সম্ভবতা যাচাইয়ে এরইমধ্যে ভূতাত্বিক জরিপ অধিদপ্তর খনন কাজ শুরু করেছে। পাওয়া গেছে লোহাজাতীয় আকরিক। যা পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। হিলির মুর্শিদপুর গ্রামে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানে ২০১৩ সাল থেকে জরিপ চালাচ্ছে ভূতাত্বিক জরিপ অধিদপ্তর জিএসবি। সেখানে কয়লার পর এবার পাওয়া গেলো লোহার খনি সম্ভাবনা। ১৯ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় পর্যায়ের জরিপ কার্যক্রম শুরু হয়। জিএসবির ৩০ সদস্যের একটি দল খনন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। ধাতব খনিজ সম্পদের মজুদ, এর বিস্তৃতি এবং অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা যাচাই চলবে কয়েক মাস। ড্রিলিং-য়ে মাত্র ১হাজার ৪শ ৩৩ ফুট গভীরতায় ধাতব আকরিক পাওয়া গেছে। লোহা জাতীয় খনির সন্ধান আশানুরুপ হবে বলে প্রত্যাশা ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, নতুন খনি পাওয়া গেলে উন্নয়ন হবে। এরআগে হিলির নবাবগঞ্জ ও দিঘিপাড়ায় কয়লার খনির সন্ধান পায় ভূতাত্তিক অধিদপ্তর। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে : এসএ/  

আজ ১৩ জুন, ‘গোলাহাট গণহত্যা’ দিবস

১৯৭১ সালের ১৩ জুন, সৈয়দপুর শহরে সবচেয়ে বড় গণহত্যা হয়। এ দিন শহরের ৪৭৮ জন মাড়োয়ারি পরিবারের সদস্যকে ভারতে পৌঁছে দেওয়ার নামে ট্রেনে তোলা হয়। এরপর রেলওয়ে কারখানার উত্তর প্রান্তে সবাইকে নির্মমভাবে হত্যা করে তাঁদের সর্বস্ব লুটে নেওয়া হয়। শিশুদেরও নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। সেদিন নির্বিচারে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এবং তাদের সহযোগী অবাঙ্গালী বিহারী ও বাঙ্গালি রাজাকার, আলবদর, আল শামস বাহিনী সম্মিলিতভাবে এদের হত্যা করে। ইতিহাস থেকে জানা যায়, রংপুর বিভাগের অধিভুক্ত সৈয়দপুর একটি রেলওয়ে টাউন এবং ব্যবসায়কেন্দ্র। আগে এটি নিলফামারী জেলার অন্তর্গত ছিল। অবিভক্ত ভারতবর্ষে পার্বতীপুর রেলওয়ে জংশনের উত্তরপুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের প্রধান সংযোগস্থল ছিল। ব্যবসায়-বাণিজ্যের সুবিধার জন্য এ অঞ্চল তাই মারোয়াড়ি ব্যবসায়ীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ভারত বিভাগের পুর্ব থেকেই তারা এই অঞ্চলে বসবাস শুরু করে। তারা স্থানীয় মানুষের সঙ্গে বসবাস করে সেখানকার স্থানীয় হয়ে যায় এবং অনেকেই বিভিন্ন জনহিতকর কাজের কারণে সমাজে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে। যেমন : মাড়োয়ারি ব্যবসায়ী তুলসিরাম আগারওয়াল তুলসিরাম বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৪৭ তে ব্রিটিশ ভারত বিভাগের পরে মাড়োয়ারি সম্প্রদায়ের বেশির ভাগ মানুষ ভারতে চলে যেতে বাধ্য হলেও অনেকেই থেকে যায়। যুক্তপ্রদেশ এবং বিহার থেকে আগত উর্দুভাষী মুসলামানেরা সৈয়দপুর শহরে এসে বসবাস শুরু করে। এরা ছিল শহরবাসীর প্রায় ৭৫ শতাংশ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে উর্দুভাষী মুসলমানরা সরাসরি পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে সাহায্য করে। এজন্য সৈয়দপুরে পাকিস্তানি বাহিনীর একটি বড় সমর্থক গোষ্ঠী তৈরি হয়। ১৯৭১-এর ১২ এপ্রিলে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বাহিনী পরিকল্পিতভাবে রংপুর সেনানিবাসের অদূরে বিখ্যাত তুলসিরাম আগারওয়াল, যমুনাপ্রসাদ কেরিয়া, রামেশ্বরলাল আগারওয়ালকে হত্যা করে। এ হত্যাকান্ড মাড়োয়ারি সম্প্রদায়ের মাঝে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি করে। উর্দুভাষী বিহারীরা মাড়োয়ারিদের বাড়িঘর, দোকান, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান লুটপাট শুরু করে। যা হোক; পাকিস্তান সেনা কর্তৃপক্ষ ১৩ জুনের এ গণহত্যার নাম দিয়েছিল, ‘অপারেশন খরচাখাতা’। যদিও এই গণহত্যা ‘গোলাহাট গণহত্যা’ নামে পরিচিত। এসএ/    

গাইবান্ধায় একসঙ্গে ৪ সন্তান প্রসব

গাইবান্ধায় একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম দিয়েছেন দুলালী বেগম (৩২) নামে এক মা। ওই চার সন্তানের মধ্যে দুটি ছেলে ও দুটি মেয়েশিশু। শনিবার সন্ধ্যায় শহরের গাইবান্ধা ক্লিনিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দুটি ছেলে ও দুই মেয়েসন্তান প্রসব করেন তিনি। দুলালী বেগম জেলার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের শিমুল তাইড় গ্রামের শাহ আলম মিয়ার স্ত্রী। শাহ আলম পেশায় ভ্যানচালক। গাইবান্ধা ক্লিনিকের ডা. একরাম হোসেন জানান, বিকালে দুলালী বেগম পেটের ব্যথা নিয়ে ক্লিনিকে ভর্তি হন। আলট্রাসনোগ্রাম করে আমাদের ধারণা ছিল তিনটি সন্তান হবে। পরে অস্ত্রোপচার করে চার সন্তানের জন্ম হয়। বর্তমানে মা ও চার শিশু সবাই সুস্থ আছে। শিশুদের বাবা শাহ আলম বলেন, আল্লাহতায়ালা আমাকে একসঙ্গে চার সন্তান দিয়েছেন। আমি খুব খুশি।আমাদের সংসারে আরও তিনটি সন্তান রয়েছে। সবাই আমার সন্তানদের জন্য দোয়া করবেন।

শেখ রাসেল জাতীয় উদ্যানের মেলায় উপচে পড়া ভিড়

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে দেশের ঐতিহ্যবাহি শেখ রাসেল জাতীয় উদ্যানে (ঘেষা আশুড়ার বিল) শেখ ফজিলাতুন্নেছা ‍মুজিব কাঠের সেতু উদ্ধোধন করার পর তিনদিন ব্যাপী পর্যটন মেলার আয়োজন করা হয়েছে। বুধবার মেলার প্রথম দিনেই পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়।   গত ১ জুন দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে জাতীয় উদ্যান ঘেষা আশুড়ার বিলে বা শেখ রাসেল জাতীয় উদ্যানে শেখ ফজিলাতুন্নেছা কাঠের সেতুর উদ্বোধন করা হয়। আঁকাবাঁকা কাঠের এ সেতু উদ্বোধনের পরেই তিন দিন ব্যপি মেলার আয়োজন করেন নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। আর ঈদের প্রথম দিনেই মেলায় সকাল থেকেই ছোট বড় নানা শ্রেনীর মানুষের উপছে পড়া ভীড় দেখা গেছে। কাঠের আঁকাবাঁকা সেতুটি নির্মান কাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার পায়। ফলে দেশের পর্যটকদের বেশ  মুগ্ধ করেছে এটি। শেখ ফজিলাতুন্নেছা আঁকাবাঁকা কাঠের সেতুটি এক নজর দেখার জন্য দূর দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন ভ্রমণ পিপাষু পর্যটকরা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর মন মাতানো নান্দনিক এই বিলটিতে বর্ষা মৌসুমে দেশি প্রজাতির মাছ, হারিয়ে যাওয়া জাতীয় শাপলা ফুলের বিস্তার ঘটে। সেতুর দু’পাশে বিশাল বন, আর বনের ভেতরে বসার জায়গা, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা এবং মানুষের ভীড় সব মিলে পর্যটকদের মুগ্ধ করছে। মেলাকে কেন্দ্র করে বসেছে বিভন্নি ধরণের দোকান, রয়েছে নাগর দোলা এবং বিলে বিভিন্ন রং ও ঢং এর নৌকা। নৌকায় নৌ বিহার উৎসবে মেতেছেন পর্যটকরা। এ বিষয়ে চরকাই রেঞ্জের বিট অফিসার নিশিকান্ত মালাকার বলেন, ‘প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর মনমাতানো নান্দনিকতায় ভরপুর এই বিলটিতে কাঠের ব্রিজটি র্নিমাণ করায় সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্ষা মৌসুমে দেশি প্রজাতির মাছ, হারিয়ে যাওয়া জাতীয় শাপলা ফুলের বিস্তারসহ নানা উদ্যোগ গ্রহণ কারায় এটি এখন সুন্দর লাগছে।’ নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মশিউর রহমান উপজেলায় যোগদান করার পর থেকেই বিলটির গুরুত্ব অনুধাবন করেন। সেই থেকেই নেওয়া হয় বিভিন্ন উদ্যোগ। শাপলা ফুলের বংশ বিস্তারে চারা রোপণ এবং বিলের ধারে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের চারা লাগানো হয়। জাতীয় উদ্যানের শাল গাছে পাখির অভয়াশ্রমের জন্য মাটির হাড়ি ঝুলিয়ে পাখির আবাসস্থানের ব্যবস্থা করণ করা হয়। পর্যটকেরা এখানে এসে মুগ্ধ হন বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মশিউর রহমান। তিনি জানান, পর্যটকদের দৃষ্টি আরও যাতে আকৃষ্ট করা যায় সে জন্য উদ্যানটি আধুনিকায়নে উপজেলাসহ বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ নানা উদ্যোগ হতে নিয়েছে। এমএস/    

গোবিন্দগঞ্জে শতাধিক দুস্থ্যকে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ঈদ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস্ এন্ড প্রেস সোসাইটির উদ্যোগে শতাধিক গরীব, দুস্থ্য অসহায় মানুষের মাঝে শাড়ী, লুঙ্গী সেমাই ও চিনি বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকালে হকম্যানশনের ২তলায় এ ঈদ সমগ্রী বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস্ এন্ড প্রেস সোসাইটি গোবিন্দগঞ্জ শাখার সভাপতি- ডলি সেন। বিশেষ ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি সূপর্না দে, সহ-সভাপতি মনি আক্তার, সাধারন সম্পাদক মশিউর রহমান বাবু, সহ-সাধারন সম্পাদক এরফান উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক জয়শ্রী সরকার, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আসাদুজ্জামান উল্লাস কোষাধক্ষ্য কোহিনুর আক্তার রেখা, প্রচার সম্পাদক পূর্ণিমা রানী, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সম্পা চাকী, সদস্য চন্দনা রানীদাস, সদস্য আতাউর রহমান সহ অন্যরা। আরকে//

লালমনিরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩

ঈদের দিন সকালে লালমনিরহাটের সদর উপজেলার বড়বাড়ি ইউনিয়নের শিমুলতলা বাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ইউনিয়নের কুড়িগ্রাম-রংপুর মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। রংপুর থেকে আসা একটি পিকআপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের শহীদ মিণারে ধাক্কা খেয়ে উল্টে গিয়ে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, এতে ঘটনাস্থলেই দুজন এবং লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও একজন মারা যান। আহত হন অন্তত আরও ১০জন। হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা না গেলেও সবার বাড়ি কুড়িগ্রাম বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয়রা জানায়, পিকআপে থাকা সবাই রংপুর থেকে ঈদ করার জন্য কুড়িগ্রাম যাচ্ছিলেন। বুধবার বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে।

প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য আলাদা চিকিৎসাকেন্দ্র (ভিডিও)

প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য আলাদা চিকিৎসাকেন্দ্র খুলেছে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। শিশু বিকাশ কেন্দ্র নামে এই বিশেষায়িত সেবাকেন্দ্রে সুবিধা পাচ্ছে উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলার প্রতিবন্ধী শিশুরা। প্রতিবন্ধি শিশুদের জন্য ব্যতিক্রমী ও অপরিহার্য এক উদ্যোগ নিয়েছে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। নামমাত্র খরচে চিকিৎসা সুবিধা পাচ্ছে উত্তরাঞ্চলের ৫০ হাজারেরও বেশি শারিরীক ও মানসিক প্রতিবন্ধী শিশু। মাত্র দশ টাকার টিকেট কেটে এই কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে পারে প্রতিবন্ধী শিশুরা। একজন শিশু বিশেষজ্ঞ, একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, একজন ফিজিওথেরাপিষ্টসহ ৫ সদস্য বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ টীম কাজ করছে এই কেন্দ্রে। প্রতিদিন বিভিন্ন জেলা থেকে চিকিৎসা নিতে ভীড় করছে মানুষ। সঠিক ও উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে রোগীদের পুরোপুরি সুস্থ করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা । রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এই বিশেষ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে স্থানীয়রা। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে :  এসএ/  

দিনাজপুরে ট্রাকচাপায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

দিনাজপুরে সদরের ট্রাকচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। সোমবার ভোর সোয়া ৫টার দিকে দিনাজপুর-ঢাকা মহাসড়কের সদর উপজেলার চুনিয়াপাড়া মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার চিরিরবন্দর এলাকার আনিছার (৩৫) ও আবদুস ছামাদ (৬৫)। কোতোয়ালি থানার ওসি রেদওয়ানুর রহিম জানান, ভোর সোয়া ৫টার দিকে আবদুস ছামাদ ও আনিছার মোটরসাইকেলে শহরের দিকে আসছিলেন। পথে সদর উপজেলার চুনিয়াপাড়া মোড়ে তাদের মোটরসাইকেলে চাপা দেয় বিপরীতমুখী একটি ট্রাক। এতে ঘটনাস্থলেই দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হন। তিনি জানান, নিহতদের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

গাইবান্ধায় পুলিশের সোর্সকে গুলি করে হত্যা

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে বুদা মিয়া (৫০) নামে এক পুলিশের সোর্সকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সাদুল্লাপুর থানা পুলিশ জানায়, তিনি পুলিশের ‘সোর্স’ হিসেবে কাজ করতেন। শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের মাজেদ চেয়ারম্যানের মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বুদা মিয়া একজন কাপড়ের ব্যবসায়ীও। তিনি উপজেলার দড়ি জামালপুর গ্রামের কফিল উদ্দিনের ছেলে। সাদুল্লাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোস্তাফিজার রহমান জানান, শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের মাজেদ চেয়ারম্যানের মোড়ে বুদা মিয়াকে হত্যা করা হয়। তিনি জানান, বাড়ি থেকে রাতের খাবার খেয়ে এসে নিজের দোকানের শাটার খুলছিলেন বুদা মিয়া। ওই সময় তার বুকে গুলি করা হয়। গুলির শব্দ ও তার চিৎকারে আশপাশের দোকানদাররা এগিয়ে এলে খুনি পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ বুদা মিয়াকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মিঠাপুকুরের জায়গীরহাট এলাকায় তার মৃত্যু হয় বলে পরিদর্শক মোস্তাফিজার রহমান জানান। তিনি বলেন, সম্ভবত শটগান দিয়ে তার বুকে একটি গুলি করেছিলেন খুনি বা খুনিরা। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

এবার কৃষকের ধান কেটে দিলো পুলিশ

সারাদেশে বোরো মৌসুমে ধান কাটা শ্রমিকের মজুরি তুলনামূলক বেড়ে যাওয়ায় দেশের বেশ কিছু অঞ্চলে পাকা ধান কাটতে হিমশিম খাচ্ছেন কৃষকরা। এই অবস্থায় সারাদেশেই কৃষকদের পাশে দাঁড়াচ্ছে শিক্ষার্থী, ডিসি, এসপি, ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দরা। সেই ধারাবাহিকতায় এবার কৃষকের পাশে দাঁড়ালো রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। শনিবার (২৫ মে) দুপুরে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল আলীম মাহমুদের নেতৃত্বে নগরীর খটখটিয়া গ্রামের কৃষক আবদুল মজিদের ১১ শতাংশ জমির ধান কাটার পর মাড়াই করে দেন তারা। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আবু সুফিয়ান, উপ পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) কাজী মুত্তাকী ইবনু মিনান, অতিরিক্ত পুলিশ উপ-কমিশনার (হেডকোয়ার্টার) আবদুল্লাহ আল ফারুক, সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার শেখ মোহাম্মদ জিন্নাহ আল মামুন, সহকারী পুলিশ কমিশনার নাদিয়া জুঁই, আলতাফ হোসেনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পুলিশ কমিশনার আবদুল আলীম বলেন, বাংলাদেশের পুলিশ একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় দেশের জন্য কাজ করেছে। পুলিশ বাহিনী দেশের মানুষের পাশে ছিল, এখনও আছে। তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মানুষের আয় বেড়েছে। দেশে এখন অভাব নেই। কৃষকের পাকা ধান যেন নষ্ট না হয় সেজন্য পুলিশ নিজ উদ্যোগে ধান কাটা কর্মসূচি শুরু করেছে। বোরো ধান কাটা শেষ না হওয়া পর্যন্ত মেট্রোপলিটন পুলিশের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান। পুলিশের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে অসহায় কৃষকের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবার প্রতি আহবান জানান কৃষক আব্দুল মজিদ। একইসঙ্গে ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের দাবি জানান তিনি। টিআই/কেআই

তিস্তার সেচে বোরোর বাম্পার ফলন (ভিডিও)

ব্যারেজের মাধ্যমে তিস্তার পানি ব্যবহার করে রংপুর অঞ্চলের তিন জেলায় এবার ধান চাষে অভাবনীয় সফলতা দেখিয়েছেন চাষীরা। পর্যাপ্ত সেচ আর অনুকূল আবহাওয়ার কারণে প্রায় ৪০ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। উৎপাদন বেড়েছে অন্তত ১ লাখ টন। তিস্তা বেষ্টিত উত্তর জনপদের তিন জেলা রংপুর, দিনাজপুর ও নীলফামারীর ১৫ উপজেলায় বছরে আমন ধান ছাড়া আর কোনো ফসল হতো না। ব্যারেজ নির্মাণের পর ক্যানেলের মাধ্যমে নদী থেকে শুষ্ক মৌসুমে পানি সরবরাহের পরিকল্পনা করে। তবে উজানে ভারতের গজলডোবায় বাঁধ নির্মাণ করে পানির প্রবাহ বন্ধ করে দেয়ায় এসব এলাকায় বোরো চাষ করতে পারেনি কৃষক। এ’বছর অনুকূল আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত পানি পাওয়ায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৮ হাজার হেক্টর বেশি জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। কম খরচে ফলনও হয় ভালো। তবে দাম নিয়ে হতাশা আছে কৃষকের। এবার অনেক অনাবাদী জমিও সেচের আওতায় এসেছে বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড। কৃষকরা তিস্তা ব্যারেজের সুফল পাচ্ছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। তিস্তার পানি ব্যবহারের সুযোগ পুরোপুরি পেলে অতিরিক্ত ৫ লাখ টন ধান উৎপাদন সম্ভব বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে : এসএ/  

হাবিপ্রবির সিএসই ল্যাব থেকে কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ চুরি

দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) অনুষদের ল্যাব থেকে কয়েকটি কম্পিউটারের ভেতরের যন্ত্রাংশ,মনিটর এবং প্রজেক্টরসহ দামী যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে একটি কনস্ট্রাকশনের কাজের রডও চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে । এঘটনায় বিশ্ববিদ্যিালয় কতৃপক্ষ দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে । দিনাজপুর সদর থানার অফিসার ইন চার্জ রেদওয়ানুর রহিম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  সিএসই অনুষদের ডিন আদিবা মাহজাবিন নিতু জানান, গত শনিবার রাতে ড.এম ওয়াজেদ ভবনের সিএসই বিভাগের কম্পিউটার ল্যাব (২০১ নম্বর রুম) থেকে ৫ টি কম্পিউটারের কেসিং খুলে র‌্যাম, হার্ডডিস্ক ,প্রসেসর ৩ টি কম্পিউটারের মনিটরসহ দামী যন্ত্রাংশ চুরি হয়েছে। এছাড়া সিলিং থেকে হ্যাং করা একটি মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরও চুরি হয়েছে । এর তিনদিন পরেই  গতকাল মঙ্গল বার রাতে পাশের রুম হতে আবার ১২-১৩টি কম্পিউটারের র‌্যাম, হার্ডডিস্ক ,প্রসেসর চুরি হয়েছে। আমি দুটো ব্যাপারে আলাদা ভাবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি । এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মো.খালেদ হোসেন জানান , আমরা ডীনের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি  এবং তার প্রেক্ষিতে একটি মামলা করেছি । পুলিশ এসে সেটি সরেজমিনে তদন্তও করেছেন। অভ্যন্তরীন একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করে দেয়ার কথা রয়েছে । কেআই/

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাবিপ্রবি মজার স্কুলের ঈদ বস্ত্র বিতরণ

পবিত্র মাহে রমজান ও ঈদ উপলক্ষে এইচএসটইউ মজার স্কুলের আয়োজনে সুবিধাবঞ্চিত শতাধিক গরীব ও দুস্থ শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদ বস্ত্র ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে । রোববার (১৯ মে) বিকাল সাড়ে ৪টায় দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের  বিশ্ববিদ্যালয় স্কুলে এই ঈদ বস্ত্র ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম প্রধান অতিত্থি হিসেবে উপস্থিত উক্ত ঈদ বস্ত্র ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হালদার, রেজিস্ট্রার প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হক, পরিকল্পনা ও কাজ  উন্নয়ন শাখার পরিচালক প্রফসর ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান, ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. মো. মফিজুল ইসলাম, জেনেটিক্স এন্ড এনিমেল ব্রিডিং বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আব্দুল গাফফার মিয়া, বায়োকেমিস্ট্র এন্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. ইয়াসিন প্রধান, উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড.হাসানুর রহমান রাজু, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো.সাইফুদ্দিন দুরুদসহ হাবিপ্রবি মজার স্কুলের সদ্য বিদায়ী সভাপতি শহিদুল ইসলাম ফাহিম ও নবনির্বাচিত সভাপতি রাগিব হাসান সিফাত,সাধারণ সম্পাদক অনামিকা স্যানাল, কোষাধ্যক্ষ আসমাউল হুসনা মীমসহ মজার স্কুল কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ঈদবস্ত্র ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ শেষে মজার স্কুলের সুবিধাবঞ্চিত ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তন (টিএসসি) কেন্দ্র ইফতার অনুষ্ঠিত হয়। এতে মজার স্কুল কমিটির সাবেক ও বর্তমান সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন । প্রচার সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রনির সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম বলেন, এটি অনেক বড় একটি মহৎ কাজ। এ রকম কাজ দেশে কমই আছে। লেখাপড়ার পাশাপাশি আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা সুবিধাবঞ্চিত এই শিশুদের নিয়ে যে কার্যক্রম পরিচালনা করছে তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমি তাদের এই মহৎ উদোগের সার্বিক সফলতা কামনা করছি। সেই সঙ্গে যারা এই কাজটি পরিচালনার জন্য বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন তাদেরকে সকলকে আমি ধন্যবাদ জানাই। সর্বোপরি, তাদের যেকোন সহযোগিতায় আমি সর্বক্ষণ পাশে আছি। অনুষ্ঠানটি পরিচালনায় সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, বেটার টুম্যোরো,সুইডেন ও গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (GUK) । প্রসঙ্গত, সুবিধাবঞ্চিত পথ শিশুদের চোখভরা স্বপ্নকে রাঙ্গিয়ে দিতে ও শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে ২০১৫ সালের ৯ নভেম্বর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একঝাঁক উদ্যমী তরুণ শিক্ষার্থীর উদ্যোগে যাত্রা শুরু করে হাবিপ্রবি (এইচএসটিইউ) মজার স্কুল। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিভিন্নভাবে বুঝিয়ে মজার স্কুলে নিয়ে আসা হয়। হাবিপ্রবি স্কুলে অস্থায়ীভাবে তাদের ক্লাস নেওয়া হয়। স্কুল ছুটির পর মজার স্কুলের ক্লাস শুরু হয়। বঞ্চনার শিকার কোনো শিশু একবার মজার স্কুলে এলে আর ফিরতে চায় না। মজার স্কুলের মমতাময়ী শিক্ষকদের মমতা আর মায়াময় পরিবেশে পড়াশুনার সুযোগ পেয়ে মমতার টানেই প্রতিদিনই ছুটে আসে ওইসব শিশু। মজার স্কুলে আসা সবশিশু বিনামূল্যে বই, খাতা, কলম, রাবার, স্কেল, পেন্সিলসহ যাবতীয় শিক্ষা উপকরণ ও টিফিন সরবরাহ করা হয়। শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাই নয়, মজার স্কুল শিক্ষার্থীদের মানসিক পরিশুদ্ধতার জন্য সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা এবং খেলাধুলার সুযোগও করে দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদ ও বর্ষের শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাশ্রমে পরিচালিত হচ্ছে স্কুলটি। এ তরুণ শিক্ষার্থীরা তাদের পকেট খরচ থেকে কিছু অর্থ বাঁচিয়ে সুবিধাবঞ্চিত এই শিশুদের বই,খাতা,কলম ও টিফিনের জন্য ব্যয় করছে। স্কুলটির শিক্ষক রয়েছে ৪০ জন। শিশুশ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান দেয়া হয় এখানে। শিক্ষকরা পর্যায়ক্রমে সপ্তাহে ছয়দিন ক্লাস নেন। প্রতিদিন বিকাল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত চলে পথ শিশুদের ক্লাস। কেআই/

বিওয়াইএলসি অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ড পেলেন বেরোবি শিক্ষার্থী সাগর

বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশীপ সেন্টার (বিওয়াইএলসি) ও বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশীপ সেন্টার গ্রাজুয়েট নেটওয়ার্কের (বিজিএন) এর আয়োজনে বিওয়াইএলসি অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ড ২০১৯ অর্জন করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ও বিডি অ্যাসিস্ট্যান্টের সিইও আবু সাইদ আল সাগর। শুক্রবার বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবন ক্যাটাগরিতে তাকে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে ৫টি ক্যাটাগরিতে মোট ৫জনকে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল (এমপি)। আরও উপস্থিত ছিলেন বিওয়াইএলসির সভাপতি ইজাজ আহমেদসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিওয়াইএলসি গ্রাজুয়েটবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ প্রমূখ। অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী বলেন, তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। শুধু দক্ষ নাগরিক হলে হবে না, সঙ্গে সঙ্গে একজন দেশপ্রেমিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে।এই কাজগুলো করে যাচ্ছে বিওয়াইএলসি। এসময় তিনি আয়োজকদের এই ধরণের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ধন্যবাদ জানান।আলোচনা সভা ও বিওয়াইএলসি অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ড-২০১৯ প্রদানের পর অনুষ্ঠানের অতিথিবৃন্দ, গ্রাজুয়েটগণ, বিওয়াইএলসির কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দসহ সকলে ইফতার মাহফিলে অংশ নেন। কেআই/

হাজী দানেশে ড.এম এ ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম-২ এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ অনুষদের ডীন প্রফেসর ড.ফাহিমা খানম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরাবৃন্দ।  আলোচনা সভার শুরুতে হিসাব শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. শাহাদৎ হোসেন খান ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার জীবনী নিয়ে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন প্রদান করেন। এরপর আলোচনা পর্ব শুরু হয়। এতে অতিথিবৃন্দ ছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কর্মকর্তাদের পক্ষে কৃষিবিদ ফেরদৌস আলম, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হাবিপ্রবি শাখার পক্ষে মোমিনুল হক রাব্বি ও রিয়াদ খান। কর্মচারীদের পক্ষে মো. আব্দুর রহিম প্রমূখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম বলেন, ড. ওয়াজেদ মিয়া ছিলেন উত্তরবঙ্গের কৃতিসন্তান। শৈশব থেকে তিনি ছিলেন অসাধারণ মেধার অধিকারী। তিনি সকল প্রকার লোভ লালসার উর্ধ্বে থেকে অত্যন্ত সুনাম এবং দক্ষতার সঙ্গে তাঁর পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী হওয়া সত্ত্বেও ক্ষমতার লোভ তাঁকে কখনও স্পর্শ করেনি। তিনি আরও বলেন, মৃত্যুবার্ষিকী পালন শুধু একটি রেওয়াজ বা রীতিতে এ যেন পরিণত না হয়। কোন প্রয়াত ব্যক্তিকে স্মরণ করা হয় শুধুমাত্র তার মহৎ কাজের জন্য। মৃত্যুবার্ষিকী পালন করার মুল উদ্দেশ্য হচ্ছে, মৃত. ব্যক্তির জীবনী থেকে যাতে আমরা শিক্ষা নিতে পারি। ড. এম ওয়াজেদ মিয়া ছিলেন তেমনি একজন লোক যার জীবনী থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে। আমি তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। তিনি শিক্ষার্থীদেরকে ড. এম ওয়াজেদ মিয়ার জীবনীর আলোকে নিজেদের প্রস্তুত হতে বলেন। আলোচনা সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। কেআই/

দিনাজপুরে সেপটিক ট্যাংকে পড়ে ২ শ্রমিকের মৃত্যু

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় সেপটিক ট্যাংকে পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় উপজেলার ইসাইল চৌধুরীপাড়ার শমসের আলীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, জেলার বিরল উপজেলার ঝিনাইকুড়ি গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে আবদুল খালেক ওরফে বাকী (৪২) ও একই এলাকার আজমল হকের ছেলে নাসিম হাবিব (২৫)। কাহারোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইসাইল চৌধুরীপাড়ার শমসের আলীর বাড়িতে সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করার সময় অসাবধনতাবশত দুই শ্রমিক ভেতরে পড়ে যান। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এমএইচ/

হাজী দানেশে নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের নবনির্মিত অফিস ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে । উদ্বোধন উপলক্ষ্যে, বিভিন্নসাজে সজ্জিত করা হয় নবনির্মিত প্রক্টর এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের অফিস ভবন। সোমবার বিকাল ৫টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের তৃতীয় তলায় অবস্থিত ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক এবং প্রক্টরদের নিজস্ব অফিসের শুভ উদ্বোধন করেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু.আবুল কাসেম। এসময় উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হালদার,পরিকল্পনা ও কাজ উন্নয়ন শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. মোস্তাফিজুর রহমান, হিসাব শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. শাহাদত হোসেন খান লিখন, প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. খালেদ হোসেন, সহকারী প্রক্টর সৌরভ পাল চৌধুরী জর্জ ও ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর মোহাম্মদ রাজিব হাসান ও সহকারী পরিচালক মো. বেলাল হোসেনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ । উদ্বোধনের পূর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু.আবুল কাসেম বলেন, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। এখানে ছাত্র-শিক্ষক সবাই নিয়মিত আসবেন। এটার ব্যবহার করবেন। তাহলে, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র বা টিএসসির যে সংস্কৃতি আছে তা বজায় থাকবে। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র বা টিএসসি নেই। থাকলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া অন্য বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে খুব বেশি চর্চা হয় বলে আমার মনে হয় না। আমরা যে এতো সুন্দর একটি টিএসসি পেয়েছি এজন্য আমরা সৌভাগ্যবান বলে মনে করি। আমি এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। এছাড়া এই জায়গাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দুটি শাখা, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগ এবং প্রক্টর অফিসের আজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হলো। এতে করে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র বা টিএসসি তার পূর্ণতা পাবে বলে আমি আশাবাদ ব্যক্ত করছি। উদ্বোধন শেষে ভাইস চ্যান্সেলর প্রক্টর এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক ও কর্মকর্তাদের অফিস কক্ষ ঘুরে দেখেন এবং অফিসের সঠিক ব্যবহার ও নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের আহবান জানান ।  কেআই/

হাজী দানেশে বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস পালিত

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস পালিত হয়েছে। শনিবার (২৭ এপ্রিল) দিবসটি পালনের লক্ষ্যে ‘ভ্যালু অব ভ্যাকসিনেশন’ (ভ্যাকসিনের গুরুত্ব) প্রতিপাদ্যে বাংলাদেশ ভেটেরিনারি স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন হাবিপ্রবির শাখার আয়োজনে সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত খোসালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গণে বিনামূল্যে টিকাদান ও চিকিৎসাসেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভেটেরিনারি অনুষদীয় শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রায় ৩৫০টি গবাদিপশুকে বিনামূল্যে বাদলা,তড়কা,ক্ষুরা ও পিপিআর রোগের টিকা প্রদান করা হয়। এসময় তাদের সহযোগিতা করেন ভেটেরিনারি সার্জন মো.আসাদুজ্জামান জেমি। ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প শেষে বেলা ১০টায় অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন প্রফেসর ড. আফরোজা খাতুন এর নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর, ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার প্রক্টরসহ ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।  র‌্যালি শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ভেটেরিনারি এন্ড অ্যানিমেল সায়েন্স অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন প্রফেসর ড.আফরোজা খাতুনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু.আবুল কাসেম, ট্রেজারার প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হালদার, রেজিস্ট্রার প্রফেসর ডা.মো.ফজলুল হক।  প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস চ্যান্সেলর বলেন,ভেটেরিয়ানরা গোবাদি পশু ও পোল্ট্রি শিল্পের উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। বর্তমানে একটা গাভীর দাম প্রায় ১ থেকে দেড় লাখ টাকা। গাভী পালন করেই অনেক দারিদ্র পরিবার স্বাবলম্বী হচ্ছেন। কিন্ত কোন কারনে গাভীটি অসুস্থ হয়ে মারা গেলে সেই পরিবারকে নিঃস্ব হয়ে যেতে হয়। তাই, যাতে কোন গবাদিপশুর ক্ষতি না হয় সেজন্য রোগ-বালাই প্রতিরোধের বিকল্প নেই বলে আমি মনে করি। ‘ভ্যালু অব ভ্যাক্সিনেশন প্রতিপাদ্যে’ সারাবিশ্বে আজ যে দিবসটি পালিত হচ্ছে আমি তার উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটির সমাপ্তি করা হয় । কেআই/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি