ঢাকা, শুক্রবার   ০৪ এপ্রিল ২০২৫

Ekushey Television Ltd.

ভূতের খপ্পরে বলিউড ‘ড্রিমগার্ল’!

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১১:৫৭, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | আপডেট: ১৩:৫১, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

হেমা মালিনী

হেমা মালিনী

Ekushey Television Ltd.

বলিউডের 'ড্রিমগার্ল' হেমা মালিনী। তার সৌন্দর্য্য এবং অভিনয়ের ভক্ত লক্ষ লক্ষ। অভিনয় দক্ষতা থেকেও হেমার নাচ, যা নিয়ে নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। সবকিছুতেই তিনি জায়গা করে নিয়েছেন দর্শকমনে। সম্প্রতি এক ভূতুড়ে অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুললেন বলিউডের এই প্রবীণ গুনী অভিনেত্রী, যা শুনলে গায়ে কাটা দেবে আপনারও।

তিনি জানান, শুরুর দিকে মুম্বাইয়ে স্বপরিবারেই থাকতেন তিনি। সাফল্যের মুখ দেখার পর পরিবারসহ বান্দ্রার একটি বাড়িতে ওঠেন। সেখানেই গায়ে কাঁটা দেয়ার মতো ওই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছিলেন বলিউডের এই ‘ড্রিমগার্ল’।

২০১৮ সালে ‘রেডিফ’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে হেমা জানান, একটা সময় প্রতি রাতে মনে হতো ঘুমের মধ্যে কেউ যেন এসে দুই হাত দিয়ে তাঁর গলা চেপে ধরছে। নিমিষে ঘুম ভেঙে যেত তাঁর। বিছানা ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে দেখতেন, পাশে তাঁর মা নিশ্চিন্তে ঘুমচ্ছেন। এরপর তাঁর অস্বস্তি আরও বেড়ে যেত।

হেমা বলেন, 'তখন 'স্বপ্নোকে সওদাগর' সিনেমার শুটিং চলছিল। এর মাঝেই সুবোধ মুখোপাধ্যায়ের ছবি অভিনেত্রীতে কাজের সুযোগ পেলাম। এরপরেই বান্দ্রার একটি ছোট ফ্ল্যাটে উঠে এসেছিলাম। মনে আছে, ভানু আথাইয়া ওই দুই কামরার ছোট ফ্ল্যাটে নিজের ডিজাইন করা পোশাকের ট্রায়াল দেওয়াতে আসতেন। সেই ফ্ল্যাটেই উঠেছিলাম। এর কিছু সময় পর জুহুর সেভেন্থ রোডের বাংলোতে সপরিবারে উঠেছিলাম। কয়েকদিন যেতে না যেতেই টের পেয়েছিলাম সেটা পুরোপুরি ‘ভূতুড়ে বাড়ি’। ঠিক সেখানেই এই গায়ে কাঁটা দেয়া অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলাম'।

অভিনেত্রী একটু দম নিয়ে আরো বলেন, 'ওই বাংলোতে প্রতি রাতে ঘুমানোর সময় মনে হতো, কেউ যেন আমার গলা টিপে ধরছে। শ্বাস নিতে অসুবিধে হতো। ছটফট করতে করতে ঘুম ভেঙে যেত আমার। পাশে তখন মা নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছেন। আর এ ঘটনা প্রতি রাতেই চলত। শেষপর্যন্ত নিজের ফ্ল্যাট কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম'।

এরপর আর দেরি না করে নিজেড় জন্য একটি ফ্ল্যাট কিনেও ফেলেছিলেন হেমা। দ্রুত জিনিসপত্র নিয়ে ছেড়ে দিয়েছিলেন জুহুর সেই ‘ভূতুড়ে বাংলো’।

এমএম/এনএস//


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৫ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি