ঢাকা, শুক্রবার   ০৪ এপ্রিল ২০২৫

Ekushey Television Ltd.

দ.আফ্রিকার খনি থেকে ৯৫৫ শ্রমিক উদ্ধার

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ২৩:২৮, ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | আপডেট: ২৩:২৮, ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

Ekushey Television Ltd.

দক্ষিণ আফ্রিকার একটি স্বর্ণ খনি  থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ৯৫৫ জন শ্রমিককে। ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় আটকে থাকার পরেও সবাইকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয় উদ্ধারকারীরা।

রাজধানী জোহান্সবার্গ থেকে ২৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমের শহর ওয়েলকমে অবস্থিত দ্য বেয়াট্রিক্স মাইনে এ ঘটনা ঘটে। গত বুধবার রাতে ঐ খনিতে বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে খনির নিচে আটকা পরে ঐ শ্রমিকেরা। আজ শুক্রবার সকালে পুনরায় বৈদ্যুতিক সংযোগ স্থাপন করে লিফট চালু করা হয়। আর এতে করে উদ্ধার করা হয় খনিতে থাকা শ্রমিকেকে। ঐ খনির মালিকানা প্রতিষ্ঠান সিবানে-স্টিলওয়াটার এর মুখপাত্র জেমস ওয়েলসটেড বার্তা সংস্থা বিবিসিকে এ খবর নিশ্চিত করেন।

পানি স্বল্পতা ও উচ্চ রক্তচাপে কোন কোন শ্রমিক আক্রান্ত হলেও কারও অবস্থাই গুরুতর নয় বলেও জানান ঐ মুখপাত্র।

বুধবার রাতে ঐ খনির নিকটবর্তী এক বৈদ্যুতিক খুঁটিতে একটি বজ্রপাত আঘাত করে। আর তাতেই বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় খনিতে। তবে আটকে থাকা অবস্থায় খনি শ্রমিকদের কাছে খাবার ও পানীয় পৌছে দেয় উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো। আর এতেই এত লম্বা সময় পরেও জীবিত ছিলেন তারা।

উদ্ধার হওয়া খনি শ্রমিক মাইক খন্টো বলেন, “পুরো সময়টা অনেক দুশ্চিন্তার মধ্যে দিয়ে গেছে। সেখানে বাতাস চলাচলের কোন উপায় ছিল না। আমাদের প্রতিষ্ঠানকে ধন্যবাদ যে তারা পুরোটা সময় আমাদের খাবার আর পানীয় দিয়েছেন”।

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে বিবিসি’র প্রতিবেদক পামজা ফিলহানি জানান যে, শ্রমিকদের যখন উদ্ধার করে উপরে নিয়ে আসা হয় তখন সেখানে এক আবেগঘন মুহুর্তের সৃষ্টি হয়। অনেকেই নিজেদের অশ্রু ধরে রাখতে পারেননি। এক শ্রমিকের আত্মীয় জেলো নেকচাই বলেন, “আমার ছেলেমেয়েরা সারারাত ঘুমাতে পারেনি। আত্মীয়স্বজনরা বারবার ফোন দিচ্ছিল আমাকে”।

উল্লেখ্য, দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সোনা উত্তোলনকারী দেশ। তবে দেশটিতে খনিগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে বরাবরি সন্দেহ জানিয়ে আসছে ট্রেড ইউনিয়নগুলো। তারই মধ্যে মাটির প্রায় এক হাজার নিচে থাকা এই খনিতে এ দূর্ঘটনা ঘটল।

সূত্র: বিবিসি

এসএইচএস/টিকে


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৫ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি