ঢাকা, রবিবার   ০৬ এপ্রিল ২০২৫

Ekushey Television Ltd.

মিয়ানমার ইস্যুতে জাতিসংঘের নিন্দা প্রস্তাব আটকে দিল চীন

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১৪:৩৫, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১

Ekushey Television Ltd.

 

মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থান ইস্যুতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের আনা নিন্দা প্রস্তাব আটকে দিয়েছে চীন। খবর বিবিসি’র।

মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ বৈঠকে বসে কিন্তু চীন সমর্থন না করায় তারা কোন যৌথ বিবৃতি দিতে পারেনি। যৌথ বিবৃতি দিতে হলে চীনের সমর্থন দরকার। কারণ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হওয়ার কারণে ভেটো দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে চীনের।

যদিও জাতিসংঘের বিবৃতি তাৎক্ষনিকভাবে কোন ফল বয়ে আনবে না, তারপরও এটা আন্তর্জাতিক সুসংহত প্রতিক্রিয়ার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য হতো। যা আপাতত হচ্ছে না।

বৈঠকের আগে মিয়ানমারে থাকা জাতিসংঘের বিশেষ দূত ক্রিস্টিন শ্রেনার সেনা অভ্যুত্থানের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘গত নভেম্বরের নির্বাচনের ফলাফল সামরিক বাহিনী মেনে নিতে অসম্মতি জানানোর পর এই অভ্যুত্থান ঘটলো। এটা পরিষ্কার যে, নির্বাচনের ফলে সুচির দলের  বিপুল ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয়েছিল।’

ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষজ্ঞ এলিয়ট প্রাসে-ফ্রিম্যান বিবিসিকে বলেন, ‘পেছন থেকে নিয়ামক হিসেবে কাজ করার মতোই এই বৈদেশিক নীতির মাধ্যমে জেনারেলদেরকে জোরালো সমর্থনের আভাস দিচ্ছে চীন।’

দ্য ডিপ্লোম্যাটের লেখক এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিষয়ক সম্পাদক সেবাস্টিয়ান স্ট্রাংগিও বিবিসিকে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ নিয়ে চীনের সন্দেহ প্রবণতার সাথে তাদের বর্তমান অবস্থান খুবই সামঞ্জস্যপূর্ণ।’

গত কয়েক দিন ধরে চীন বলে আসছে যে, নিষেধাজ্ঞা কিংবা আন্তর্জাতিক চাপ পুরো পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করবে। পশ্চিমা বিশ্ব মিয়ানমারকে দূরে ঠেলে রাখার বিষয়টি থেকে কৌশলগতভাবে সুযোগ নেয় চীন। তার মানে এই নয় যে সেনা অভ্যুত্থানে চীন খুশি, বলেন সেবাস্টিয়ান স্ট্রাংগিও।

তিনি আরও বলেন, ‘এনএলডির সাথে তাদের বেশ ভাল বন্দোবস্ত করা ছিল এবং অং সান সুচির সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য তারা অনেক বিনিয়োগও করেছে। সামরিক বাহিনীর ফিরে আসা মানে হচ্ছে চীনকে নতুন করে মিয়ানমারের এই প্রতিষ্ঠানটির সাথে কাজ করতে হবে। এরা ঐতিহাসিকভাবেই চীনের উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দিহান।’

গত সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টসহ ক্ষমতাসীন দলের নেতা অং সান সুচিসহ এবং শীর্ষ কয়েকজন নেতাকে আটক করে দেশটির সেনাবাহিনী। এরপর অভ্যুত্থানের নেতারা একটি সুপ্রিম কাউন্সিল গঠন করেন, যারা মন্ত্রিদের চেয়েও বেশি ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

এএইচ/


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৫ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি