ঢাকা, শনিবার   ০৫ এপ্রিল ২০২৫

Ekushey Television Ltd.

প্রচণ্ড বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কাশ্মীর

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ২১:০৪, ৫ অক্টোবর ২০১৯

Ekushey Television Ltd.

আবারও গ্রেনেড বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কাশ্মীরের উপত্যকা। যাতে পথচারী, ট্রাফিক পুলিশ ও সাংবাদিকসহ কমপক্ষে ১৪ জন আহত হয়েছেন। শনিবার সকাল ১১টার দিকে অনন্তনাগে ডেপুটি কমিশনারের অফিস লক্ষ্য করে ওই হামলা চালানো হয়। গত ৫ আগস্ট জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয়ার পর এটা ছিল দ্বিতীয় হামলার ঘটনা। 

পুলিশ ও সেনা সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, দক্ষিণ কাশ্মীরস্থ ডেপুটি কমিশনারের অফিসকেই টার্গেট করা হয়েছিল। তবে তা লক্ষ্যচ্যুত হয়। গ্রেনেডটি বিস্ফোরিত হয় অফিস চত্বরের বাইরের রাস্তায়। প্রচণ্ড বিস্ফোরণে এর স্প্লিন্টার ছিটকে গিয়ে জখম হন একজন ট্রাফিক পুলিশ সাংবাদিক-পথচারীসহ ১৪ জন। 

তাদেরকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ১৩ জন প্রাথমিক ট্রিটমেন্ট নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে। বাকিজনের চিকিৎসা এখনও চলছে, তবে তার অবস্থা গুরুত্বর নয় বলেই জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খবরে বলা হয়েছে, অনন্তনাগের ডেপুটি কমিশনারের অফিসের বাইরে নিরাপত্তা বেষ্টনী ছিল বেশ মজবুত। গত কয়েকদিনে উপত্যকায় ‘জঙ্গি’ নাশকতার আশঙ্কা প্রবল হয়েছে। গোটা জম্মু-কাশ্মীর জুড়েই নিরাপত্তা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এর মধ্যেই শনিবার সকালে ওই হামলা চালানো হয়।

দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, অনন্তনাগেরই নানা জায়গায় ‘জঙ্গি’দের নতুন আস্তানা তৈরি হয়েছে। এই হামলা তারই ফল। গ্রেনেডটি অফিস চত্বরে বিস্ফোরিত হলে নিরাপত্তাকর্মীসহ বহু মানুষের প্রাণ যেত।

যদিও এখন পর্যন্ত কোন পক্ষই এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, এই হামলার পিছনে রয়েছে জইশ-ই-মোহাম্মাদ। এর আগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর শ্রীনগরে এক সিআরপিএফ জওয়ানকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। নওয়া কাদাল এলাকায় সিআরপিএফ-এর ৩৮ ব্যাটেলিয়নের ওপরেও হামলা চালায় গোষ্ঠীটি।

এর আগে, ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলায় ‘জঙ্গি’দের একটি গোপন ঘাঁটির সন্ধান পেয়েছে ভারতীয় সেনারা। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে চীনের তৈরি গ্রেনেড। 

ভারতীয় সেনা সূত্রের বরাত দিয়ে দেশটির গণমাধ্যম দাবি করছে, পুঞ্চ জেলার লোরান বর্ডার বেল্টের খাড়া গালি এলাকায় ওই গোপন আস্তানার সন্ধান পেয়েছে সেনারা। সেখান থেকেই ১৭টি হ্যান্ড গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। প্রতিটি গ্রেনেডই চীনের তৈরি। গ্রেনেডের গায়ে লেখা ছাপই তার প্রমাণ।

জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের এক শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গ্রেনেডগুলো ৩-৪ মাসের মধ্যে তৈরি করা। শুক্রবার সকালেই এই গোপন ঘাঁটি ও গ্রেনেডগুলো উদ্ধার করা হয় বলে জানান তিনি। সূত্র-এনডিটিভি।

এনএস/


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৫ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি