পাকিস্তানের সব ঘাঁটি নাগালে আনার অস্ত্র পাচ্ছে ভারত
প্রকাশিত : ১৭:৪৪, ১৭ জানুয়ারি ২০২০

ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী এস-৪০০ প্রযুক্তি
আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী এস-৪০০ প্রযুক্তি হাতে পাবে ভারত। এমনটাই জানালেন রাশিয়ার ডেপুটি চিফ অব মিশন রোমান বাবুশকিন। তিনি বলেন, ‘এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থার কাজ শুরু হয়ে গেছে। ২০২৫-এর মধ্যে তা ভারতের হাতে তুলে দেয়া হবে।’ এই প্রযুক্তি হাতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানের সমস্ত বিমান ঘাঁটিই ভারতের নাগালের মধ্যে চলে আসবে।
রাশিয়া-ভারত-চীন ত্রিদেশীয় বৈঠকে যোগ দিতে আগামী ২২ মার্চ দু’দিনের রুশ সফরে যাবেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তার আগেই এই ঘোষণা দিলেন বাবুশকিন।
শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ করতে এতদিন রুশ সেনারা এস-৩০০ প্রযুক্তি ব্যবহার করত। তারই উন্নত সংস্করণ এস-৪০০। ‘আলমাজ-আন্তে’ নামক একটি সংস্থা এই প্রযুক্তি তৈরি করে। ২০০৭ সাল থেকে রুশ বাহিনী তা ব্যবহার করে আসছে।
শত্রু দেশের যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্রের ড্রোন চিহ্নিত করে, ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে তাকে গুঁড়িয়ে দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে এই এস-৪০০ প্রযুক্তির। এর পাল্লা প্রায় ৬০০ কিলোমিটার। অর্থাৎ এই প্রযুক্তি হাতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানের সমস্ত বিমান ঘাঁটিই ভারতের নাগালের মধ্যে চলে আসবে। তাই এই প্রযুক্তিকে ‘গেমচেঞ্জার’ বলেও উল্লেখ করেছিলেন প্রাক্তন বিমান বাহিনী প্রধান বিএস ধানোয়া।
যে কারণে মার্কিন চোখরাঙানি সত্ত্বেও, ২০১৮ সালের অক্টোবরে রাশিয়ার কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী এস-৪০০ প্রযুক্তি কেনার চুক্তি স্বাক্ষর করে ভারত। এতে সবমিলিয়ে ৩৯ হাজার কোটি টাকা খরচ পড়বে। সূত্র-আনন্দবাজার পত্রিকা।
এনএস/
আরও পড়ুন