রোহিঙ্গা হত্যাযজ্ঞে জড়িত ২২ কর্মকর্তাকে শনাক্ত
প্রকাশিত : ০৩:৫৫ পিএম, ১৯ জুলাই ২০১৮ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০৩:৫৭ পিএম, ১৯ জুলাই ২০১৮ বৃহস্পতিবার

রাখাইনে রোহিঙ্গা হত্যাযজ্ঞে জড়িত সেনাবাহিনী ও পুলিশের ২২ কর্মকর্তাকে শনাক্ত করেছে ব্যাংকক ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ফোরটিফাই রাইটস। বৃহস্পতিবার প্রকাশ হওয়া ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, রোহিঙ্গাদের জাতিগতভাবে নির্মূলে বড় ধরনের প্রস্ততি নিয়েছিলো দেশটির নিরাপত্তাবাহিনী।
আবারও বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত হলো রোহিঙ্গা হত্যাযজ্ঞের নেপথ্যের দৃশ্যপট। রাখাইন থেকে রোহিঙ্গাদের জাতিগতভাবে নির্মূল করতে পরিকল্পিত ও ধারাবাহিকভাবে পদক্ষেপ নেয় মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও পুলিশ।
প্রথমে রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে সব ধরনের অস্ত্র তুলে নিয়ে বেড়া দিয়ে আলাদা করা হয় তাদের বসতি। বন্ধ করে দেয়া হয় খাবারসহ জীবন ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা। একইসঙ্গে উগ্র বৌদ্ধদের প্রশিক্ষণ, অস্ত্র সরবরাহ ও বিপুল সংখ্যক সেনা সমাবেশ ঘটানো হয়।
ব্যাংকক ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ফোরটিফাই রাইটসের নতুন প্রতিবেদনে উঠে আসে এসব তথ্য। এতে বলা হয়, গেল বছরের আগস্টে রাখাইনে গণহত্যায় অংশ নেয় ২৭টি ব্যাটালিয়নের ১১ হাজার সেনা সদস্য ও আরো ৩টি পুলিশ ব্যাটালিয়ন।
হত্যাযজ্ঞে জড়িত ২২ সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তাকে সনাক্ত করেছে সংস্থাটি। এরমধ্যে রয়েছেন কমান্ডার ইন চিফ সিনিয়র জেনারেল মিন অং হলাইং, ডেপুর্টি কমান্ডার ইন চিফ ভাইস সিনিয়র জেনারেল সোয়ে উইং, তিন বাহিনীর জয়েন্ট চীফ অব স্টাফ জেনারেল মায়ে তুন ও।
প্রতিবেদনে নিরাপত্তাবাহিনীর এসব অপরাধকে গণহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ঘটনা তদন্তে আইসিসিকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানায় সংস্থাটি।
ফোরটিফাই রাইটর্সের দাবি, জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতা ও দায়িত্বহীনতার কারনেই রাখাইন পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়।