ঢাকা, ২০১৯-০৪-২৬ ৮:০৪:২৫, শুক্রবার

আপনি কি কপিরাইট আইন লঙ্ঘন করছেন?

আপনি কি কপিরাইট আইন লঙ্ঘন করছেন?

ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন ছোট-বড় শহরের অনেক মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকানে গেলেই প্রকাশ্যে একশো বা দুইশো টাকার বিনিময়ে মোবাইলের মেমোরি ভর্তি করে গান, ভিডিও, চলচ্চিত্র নেয়া যায়। কিন্তু যিনি নিচ্ছেন, তিনি জানেন না যে, এভাবে গান বা ভিডিও নিয়ে তিনি আসলে কপিরাইট আইন ভঙ্গ করছেন। আর যে বিক্রেতা টাকার বিনিময়ে এগুলো দিচ্ছেন, তিনিও জানেন না যে, কতটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ তিনি করছেন। বাংলাদেশে কপিরাইট আইন রয়েছে ২০০০ সাল থেকে, কিন্তু সেই আইনের শক্ত প্রয়োগের অভাবে অহরহ আইন ভঙ্গের ঘটনা ঘটছে। ফলে বিপুল আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন এগুলোর নির্মাতারা। ফেসবুকে একজনের একাউন্টে তার তোলা একটি চমৎকার দেখে সেটা ডাউনলোড করে নিজের মোবাইলের ওয়ালপেপার তৈরি করলেন সুমন চৌধুরী (ছদ্মনাম)। সরল মনে এই কাজটি করলেও আসলে এর মাধ্যমে তিনি কপিরাইট আইন ভঙ্গ করলেন। কপিরাইট কী? মৌলিক সৃষ্টিকর্মের মালিকানা বা সত্ত্বাধিকারী নিশ্চিত করাই হচ্ছে কপিরাইট। সাহিত্য বা যেকোনো লেখা, শিল্পকর্ম, সংগীত, চলচ্চিত্র, স্থাপত্য, আলোকচিত্র, ভাস্কর্য, লেকচার, কম্পিউটার প্রোগ্রাম, নকশা অর্থাৎ যা কিছু মৌলিকভাবে তৈরি করা হবে, সবকিছুই কপিরাইটের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। কপিরাইট থাকলে বিনা অনুমতিতে সেগুলো ব্যবহার, পুনর্মুদ্রণ, অনুবাদ, প্রকাশ ইত্যাদি করা হলে এই আইনের আওতায় শাস্তি ও জরিমানা হতে পারে। ধরা যাক, একটি চলচ্চিত্র কেউ অবৈধভাবে ডাউনলোড করে বা বন্ধুর কাছ থেকে নিয়ে দেখলেন, তার মানে তিনি সেটির কপিরাইট লঙ্ঘন করলেন। বাংলাদেশেও কোন ব্যক্তি যদি কপিরাইট দপ্তরে আবেদন করে নিজের স্বত্বাধিকার তালিকাভুক্ত করতে হবে, তাহলেই ভবিষ্যতে কপিরাইট দাবি করা যাবে। কপিরাইটের মেয়াদ কপিরাইটেরও নির্দিষ্ট মেয়াদ রয়েছে। যেমন সাহিত্য কর্মের জন্য কবি বা লেখকের মৃত্যুর পর থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত কপিরাইট থাকে। তবে চলচ্চিত্র বা আলোকচিত্রের ক্ষেত্রে প্রকাশিত হওয়ার পরবর্তী বছর থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত কপিরাইট থাকবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কপিরাইটের মেয়াদ ৬০ বছর, তবে কখন থেকে সেই মেয়াদ শুরু হবে, বিভিন্ন ক্ষেত্র ভেদে সেটি আলাদা হতে পারে। বাংলাদেশের কপিরাইট আইন বাংলাদেশে কপিরাইট আইন প্রথম তৈরি হয় ১৯৭৪ সালে। কিন্তু এরপর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। সিডি, মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট ইত্যাদির কারণে সৃষ্টিশীলতা ও কপিরাইট ধারণারও বদল হয়েছে। পরবর্তীতে ২০০০ সালে নতুন একটি কপিরাইট আইন করা হয়, যা পরে ২০০৫ সালে সংশোধন হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তানজিম আল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, "এই আইনে সাহিত্যকর্ম, চলচ্চিত্র, সঙ্গীত, শিল্পকর্ম ও সাউন্ড রেকর্ডিং কপিরাইট আইনের অন্তর্ভুক্ত বিষয়"। বাংলাদেশে কপিরাইট আইন লঙ্ঘনে কি ধরনের শাস্তি আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "চলচ্চিত্র বাদে চারটি ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ চার বছরের জেল ও দু লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান আছে। চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে শাস্তির পরিমাণ পাঁচ বছরের জেল"। বাংলাদেশের রেজিস্টার অফ কপিরাইটস জাফর আর চৌধুরী বলছেন, এই আইনে প্রতিকার পেতে হলে তাকে মেধা সম্পদটির অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন থাকতে হবে। কোন ক্ষেত্রে কপিরাইট আইন বেশি লঙ্ঘন হচ্ছে? সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলচ্চিত্র, আলোকচিত্র আর সঙ্গীতের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি কপিরাইট লঙ্ঘন হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তানজিম আল ইসলাম বলেন, " গীতিকার কিংবা সুরকার বা শিল্পীর অনুমতি ছাড়া বিভিন্নভাবে তাদের গান ব্যবহার করা হচ্ছে, যা আইনের লঙ্ঘন। সাহিত্যের ক্ষেত্রে হলেও সেটি কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে"। কিন্তু গীতিকার সুরকারের অনুমতি ছাড়া এখন অনেকক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হচ্ছে মূল সঙ্গীতকে। রিংটোন, ওয়ালপেপারে সেট হচ্ছে অর্থাৎ ডিজিটালাইজেশন করা হচ্ছে মূল মালিকের অনুমতি ছাড়াই। এছাড়া ইন্টারনেট থেকে গান ডাউনলোড করে নেয়া, মোবাইল ফোন বা পেন ড্রাইভের ম্যাধমে গান বা চলচ্চিত্র পাইরেসির ফলে এর নির্মাতার বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। পাইরেসি বইয়ের বিশাল একটি বাজার তৈরি হয়েছে ঢাকার নীলক্ষেত এলাকায়। কম্পিউটার মার্কেটগুলোয় বিক্রি হওয়া বেশিরভাগ সফটওয়্যারও পাইরেসি করা, যা কপিরাইটের লঙ্ঘন। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব বই বা সফটওয়্যার বিদেশী হওয়ায় কেউ কপিরাইট আইনে অভিযোগ করেননা বলে এগুলোর ব্যাপারে কোন ব্যবস্থাও নেয়া হয়না। তবে কিছুদিন আগে র‍্যাব-পুলিশ গান বা চলচ্চিত্রের পাইরেসির বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে অনেকগুলো দোকান বন্ধ করে দেয় এবং বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। তবে সেই অভিযান থেমে যাওয়ার পর আবার শুরু হয়েছে পাইরেসির ব্যবসা। বিবিসি বাংলা এসি  
আপাতত গৃহবন্দি প্রিয়ঙ্কা সরকার

ভাল নেই অভিনেত্রী প্রিয়ঙ্কা সরকার। সদ্য বিরসা দাশগুপ্ত পরিচালিত ‘বিবাহ অভিযান’-এর শুটিংয়ে পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন তিনি। বাঁ পায়ের হেয়ার লাইন ক্র্যাক নিয়ে আপাতত গৃহবন্দি। কী করে হল এ সব? বাড়িতে বসে ফোনে প্রিয়ঙ্কা বললেন, ‘‘দৌড়ানোর শট ছিল। পড়ে গেলাম। তার পরই এ সব হল। আপাতত বাড়িতে। কিন্তু আমি তো এক জায়গায় বসে থাকতেই পারি না। অথচ ডাক্তার বলেছে বিশ্রাম নিতে। ওষুধও চলছে। ডিপ্রেসড লাগছে বাড়িতে থেকে। শুটিং চলছিল, সামনে শো ছিল। সব ক্যানসেল করতে হল। তবে সহজের সঙ্গে বেশি সময় কাটাতে পারছি। ওর নতুন স্কুল শুরু হয়েছে। ফলে ওকে সময় দিতে পারছি অনেকটা।’’ বিরসা পরিচালিত এই ছবিতে প্রথমে মিমি চক্রবর্তীর অভিনয় করার কথা ছিল। কিন্তু নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত হয়ে যাওয়াতে তিনি নিজেই এ ছবি থেকে সরে দাঁড়ান। প্রিয়ঙ্কা ছাড়াও রুদ্রনীল ঘোষ, সোহিনী সরকার, অঙ্কুশ, নুসরত ফারিয়া এবং অনির্বাণ ভট্টাচার্যের অভিনয়ে সমৃদ্ধ এই ছবি। আনন্দবাজার এসি  

শ্রাবন্তীর  ৩য় বিয়ে, কি বলছেন ১ম স্বামী রাজিব

তৃতীয়বারের মতো বিয়ে করেছেন টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি ।  গত শুক্রবার তিনি বিয়ে করেন । গত একবছর রোশান সিংয়ের সাথে প্রেম, অতপর  প্রেমিক রোশান সিংয়ের গলায় পরিয়েছেন সংসার জীবন সূচনার মালা। শ্রাবন্তীর বিয়ে নিয়ে যতনা  শুভকামনার চাওয়া হয়েছে তারচেয়ে বেশি হয়েছে সমালোচনা। প্রথম বিয়ে হয়েছিল নির্মাতা রাজিব বিশ্বাসের সঙ্গে, সেটাও ছিল প্রেম করে বিয়ে, সংসার করেন দীর্ঘ ১৩ বছর। রাজিবের ঘড় ছেড়ে সম্পর্কে জড়ান মডেল কৃষ্ণ ব্রজের সঙ্গে। তাদের বিয়ে করলেও সেই সংসার বেশি দিন টেকেনি । এবার তিনি ৩য় বিয়ে করলেন। শ্রাবন্তীর ৩য় বিয়ে নিয়ে প্রথম স্বামী রাজিব বিশ্বাস মন্তব্য করেছেন। ভারতীয় গণমাধ্যমের কাছে রাজিব বলেন, ‘শ্রাবন্তী মানুষ হিসেবে খুব ভাল।  ভালো অভিনেত্রীও।  বিয়ের আগে ১ বছর আমরা প্রেম করেছিলাম।  বিয়েটা ভেঙে গেলেও সবসময়ই শুভাকাঙ্ক্ষী। শ্রাবন্তী জীবনে যা চায়, সবই যেন পায়।  প্রথম সংসার জীবনে জীবনে শ্রাবন্তীর যা যা পূরণ হয়নি, সেই সব ইচ্ছেপূরণ হোক ।   এছাড়া রাজিব ও শ্রাবন্তীর সন্তান ঝিনুক  শ্রাবন্তীর সঙ্গে থাকে। শ্রাবন্তীর  জীবনে সমস্যা এলে ঝিনুককেও তা ছোঁবে। যা চান রা রাজিব । ঝিনুক ভাল থাক, এটাই চান রাজিব ।’ শ্রাবন্তীকে নিয়ে ট্রোল ও সমালোচনার ও জবাব দিয়েছেন শ্রাবন্তির প্রথম স্বামী রাজিব বিশ্বাস। রাজিব  ‘বিয়েটা যার যার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। নিজের খুশি থাকাটা প্রত্যেকের নিজের কাছে।  যদি কেউ নিজের মনের মানুষ খুঁজে পান, তাহলে তাঁদের জীবনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে।  এর জন্য ট্রোল করাটা বোকামী। রাজিব শ্রাবন্তীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, শ্রাবন্তী ভীষণ আবেগপ্রবণ। আর সেজন্যই শ্রাবন্তীর জীবনের সিদ্ধান্তগুলো যেন শ্রাবন্তী আবেগের বশে না নেয়, সেই অনুরোধ থাকবে রাজীবের। রাজিব ও শ্রাবন্তীর বিচ্ছেদের পর অনেক দিন চলে গেছে কিন্তু,  নতুন করে ঘর বাঁধেননি রাজিব বিশ্বাস। রাজিবও শিগগিরই  বিয়ে করবেন বলে জানিয়েছেন। শোবিজের বাইরের একজনের সঙ্গে রাজিবের প্রেম চলছে। আগামী বছর বিয়ে করবেন তারা।  

চলচ্চিত্র নির্মাতা হাসিবুল ইসলাম মিজান আর নেই

চলচ্চিত্র পরিচালক হাসিবুল ইসলাম মিজান ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি … রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর।  গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর বনশ্রীর বাসায় এই নির্মাতা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এ বিষয়ে চিত্রনায়ক কায়েস আরজু বলেন, সন্ধ্যায় মিজান ভাইকে তার ছেলে বিছানার উপর পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর ফরাজী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মস্তিষ্কে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। পারিবারিক সূত্রে জানানো হয়, আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় বনশ্রী আল-আকসা জামে মসজিদে এই চলচ্চিত্র নির্মাতার প্রথম জানাজা হবে। সেখান থেকে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে তার দীর্ঘদিনের কর্মস্থল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)তে। সকালে সাড়ে ১১টায় এফডিসিতে দ্বিতীয় জানাজা হবে। এরপর বাদ জুমা মোহাম্মদপুর সলিমুল্লাহ রোডের আল মারকাজ জামে মসজিদে তৃতীয় ও শেষ জানাজা শেষে মিজানকে মোহাম্মদপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে। ‘আমার স্বপ্ন তুমি’খ্যাত পরিচালক হাসিবুল ইসলাম মিজানের জন্ম ১৯৫৭ সালে পিরোজপুরে। তার প্রথম সিনেমা ‘প্রেমের কসম’।    এসএ/  

আহমেদ শরীফকে ৩৫ লাখ টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাবেক সভাপতি অভিনেতা আহমেদ শরীফকে ৩৫ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আহমেদ শরীফ ও তার স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য এই অনুদান দিয়েছেন তিনি। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয়ে তার কাছ থেকে অনুদানের চেক গ্রহণ করেন আহমেদ শরীফ। অনুদানের জন্য অভিনেতা তার ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আহমেদ শরীফ একজন বাংলাদেশী অভিনেতা। তিনি প্রায় আট শতাধিক বাংলা চলচিত্রে অভিনয় করেছেন। খলনায়ক হিসেবে সফল হলেও অনেক চলচ্চিত্রে ভিন্ন চরিত্রেও অভিনয় করেছেন তিনি। তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্য রয়েছে- রুদ্র দ্য গ্যাংস্টার (২০১৬), অঙ্গার (২০১৬), মাটির পরী (২০১৬), বিগ ব্রাদার (২০১৫), স্বর্গ থেকে নরক (২০১৫), এপার ওপার (২০১৫), প্রেম কি অপরাধ (২০১৪), জজ ব্যারিস্টার পুলিশ কমিশনার (২০১৩), ঢাকার কিং (২০১২), মোস্ট ওয়েলকাম (২০১২), অবুঝ প্রেম (২০১২), বাংলাদেশী (২০১২), শিউলীমণি (২০১২), মাই নেম ইজ সুলতান (২০১২), গার্মেন্টস কন্যা (২০১১), আমার পৃথিবী তুমি (২০১১), প্রেমিক পুরুষ (২০১০), গোলাপী এখন বিলেতে (২০১০), মন বসে না পড়ার টেবিলে (২০০৯), সবার উপরে তুমি (২০০৯), বলো না কবুল (২০০৯), মনে প্রাণে আছো তুমি (২০০৮), আমার জান আমার প্রাণ (২০০৮), সমাধি (২০০৮), মেঘের কোলে রোদ (২০০৮), টাকা (২০০৫), শাস্তি (২০০৪), ভাইয়ের শত্রু ভাই (২০০৪), কঠিন সীমার (২০০৩), শিকারী (২০০১), বাদশা (২০০১), রাঙা বউ (১৯৯৮), চাওয়া থেকে পাওয়া (১৯৯৬), আঞ্জুমান (১৯৯৫), বাংলার নায়ক (১৯৯৫), দেনমোহর (১৯৯৫), কেয়ামত থেকে কেয়ামত (১৯৯৩), ক্ষতিপূরণ (১৯৮৯), গোলমাল (১৯৮৬), তিন কন্যা (১৯৮৫), মিস লোলিতা (১৯৮৫), ঘরের বউ (১৯৮৩), মোহনা (১৯৮২) প্রভৃতি। এসএ/  

আইরিনের সঙ্গে জুটি বেঁধেছে তামিম

আগেও বহু নাটক-বিজ্ঞাপনে নায়িকাদের সঙ্গে জুটি বাঁধতে দেখা গেছে টাইগারদের। এবার নতুন একটি বিজ্ঞাপন চিত্রে বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম ওপেনার তামিম ইকবাল ও মডেল-অভিনেত্রী আইরিনকে একসঙ্গে দেখা যাবে। হালট্রিপ ডটকম ট্রাভেল এজেন্সির একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন তারা। বিজ্ঞাপন চিত্রটি নির্মাণ করেছেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা অনন্য মামুন। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে এর ভিডিও ধারণ সম্পন্ন হয়। শুক্রবার এফডিসিতে (বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন) ছবি তোলা হয়। গল্পনির্ভর বিজ্ঞাপনটি শিগগির স্ক্রিনে দেখতে পাবেন দর্শকরা। এই বিজ্ঞাপন চিত্র সম্পর্কে আইরিন বলেন, ‘আমি বিজ্ঞাপনে আগেও কাজ করেছি। তবে কোনো ক্রিকেটারের সঙ্গে এবারই প্রথম। তামিম ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা মধুর। উনি খুবই হেল্পফুল। আর মামুন ভাইয়ের সঙ্গে আগে কয়েকটি কাজ করেছি। টিমের সবাই আমার পরিচিত ছিলেন। সবার সঙ্গে খুব মজা করে কাজ করেছি।’ নির্মাতা অনন্য মামুন বিজ্ঞাপন চিত্র সম্পর্কে বলেন, ‘এর আগে আমি বহু বিজ্ঞাপন বানিয়েছি। তবে তার সঙ্গে এটাই আমার প্রথম। তিনি শুধু ক্রিকেটারই নন, ভালো অভিনেতাও বটে। আশা করছি, বিজ্ঞাপনটি সবার ভালো লাগবে।’ এমএইচ/

ইস্তানবুলে যাচ্ছেন শাকিব-বুবলী

ঢাকাই সিনেমার সফল জুটি শাকিব খান ও শবনম বুবলী। তাদের নতুন সিনেমা ‘পাসওয়ার্ড’ এর শুটিং শুরু হয়েছে। এবার সিনেমার গানের শুটিংয়ে অংশ নিতে তারা যাচ্ছেন ইস্তানবুলে। পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল এ শহরটিতে তিনটি গানের দৃশ্যধারণ হবে। এ কথা জানিয়েছেন সিনেমার নির্মাতা মালেক আফসারী। তিনি বলেন, ‘আগামী ২২ এপ্রিল আমরা পুরো টিম নিয়ে তুরস্কে যাচ্ছি। আমাদের সঙ্গে শাকিব-বুবলীও থাকবেন। সেখানে ৯ থেকে ১০ দিন অবস্থান করবো আমরা। তিনটি গানের দৃশ্যধারণ শেষ করে ইউরোপে পাড়ি জমাবো। সেখানেও বিশাল বাজেটের সিনেমা ‘পাসওয়ার্ড’র শুটিং হবে।’ গত ১ মার্চ থেকে সিনেমাটির শুটিং শুরু। সিনেমাটিতে শাকিব খান-বুবলী ছাড়া আরও রয়েছেন- ইমন ও অমিত হাসান। শাকিব খান প্রযোজিত এ সিনেমার সহ প্রযোজক মো. ইকবাল। আসছে রোজার ঈদে সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা নির্মাতা ও প্রযোজকদের। এসএ/  

এক কোপে মাথাই আলাদা কইরা ফেলাইছিলাম : অপি

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপি করিম। মঞ্চ, টিভিতে তিনি প্রাণবন্ত মুখ দর্শকের কাছে। নতুন করে অমিতাভ রেজা চৌধুরী প্রথমবারের মতো ‘ঢাকা মেট্রো’ওয়েব সিরিজের মূল চরিত্রে অভিনয় করছেন অপি। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে এটি অনলাইন প্লাটফর্ম হইচই অ্যাপে এটি প্রকাশ হবে আগামী ১১ এপ্রিল। এলক্ষ্যে আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে মাধ্যমে ‘ঢাকা মেট্রো’ওয়েব সিরিজের ট্রেলার প্রকাশ করা হয়। ট্রেলার অপি করিমকে বলতে শুনা যায়, ‘ছোটবেলায় বাপ আমারে শিখাইছিল, মুরগি কেমনে জবাই করে। জবাই করমু কি, এক কোপে মাথাই আলাদা কইরা ফেলাইছিলাম’ ট্রেলা‌রে অপি করিমের মুখে এমনটি শুনে হলভ‌র্তি অতিথিরা হেসে উঠেছিলেন। শুধু তাই নয়, ‘ঢাকা মেট্রো’র ট্রেলার দেখে সবাই এর প্রশংসা করেছেন।   এসময় অপি করিম বলেন,‘অমিতাভ রেজার কাজ সম্পর্কে সবার কমবেশি ধারণা আছে। তার কাজগুলো বরাবর অন্যরকম। “ঢাকা মেট্রো”তেমনই একটি কাজ। এর শুটিং হয়েছে উত্তরাঞ্চলে কনকনে শীতের মধ্যে। সেখানে কেমন শীত পড়ে, এটা সবাই কম বেশি জানেন। আমাদের সবার চেষ্টায় দারুণ একটি কাজ হয়েছে।’ ‘আয়ানবাজি’খ্যাত পরিচালক অমিতাভ রেজা বলেন, ‘১০/১২ বছর আগে এশিয়াটেকের নেভিল ও আমরা একসঙ্গে আড্ডা দিতাম, রাতে খেতাম। তার সঙ্গে কথা বলতে বলতে একটা সময় মনে হলো, এই যে কর্পোরেট জীবন সে ধারণ করছে, যদি এখান থেকে সে কোনও দিন বের হয়ে যায়, তাহলে কী হবে। এই বিরক্তি, হতাশা, জীবনবোধ- কীভাবে উঠে আসবে। মূলত ঢাকা মেট্টো গাড়িটি নিয়ে সে একদিন বাসা থেকে বের হয়ে যায়। চলে যায়, ঢাকার বাইরে। তার হতাশা, বিরক্তি নতুন পরিবেশ, অন্যভাবে উঠে আসবে এই গল্পে।’ ‘ঢাকা মেট্রো’ ওয়েব সিরিজের খুনি ও পলাতক মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন অপি করিম। তার চরিত্রের নাম জয়গুন। আর কুদ্দুস চরিত্রে আছেন নেভিল ফেরদৌস হাসান। শিশুশিল্পী শরিফুল ইসলাম অভিনয় করেছেন রহমান চরিত্রে। যে কিনা মাদ্রাসা পলাতক।  সংবাদ সম্মেলনে উপ‌স্থিত ছিলেন নির্মাতা অ‌মিতাভ রেজা, অভিনেত্রী অ‌পি ক‌রিম, শশী, নেভিল ফেরদৌস হাসান, শরিফুল ইসলাম, মনোয়ার কবিরসহ আয়োজক প্র‌তিষ্ঠান হইচই-এর কর্মকর্তারা। টিআর/

এফডিসিতে হলো টেলি সামাদের তৃতীয় জানাজা

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে (এফডিসি) কিংবদন্তি অভিনেতা টেলি সামাদের তৃতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। জানাজায় অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীরা অংশ নেন। আজ রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় জহির রায়হান কালার ল্যাব অডিটরিয়ামের সামনে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এ অভিনেতার জানাজায় তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, তথ্য সচিব আবদুল মালেক, অভিনেতা আলমগীর, অমিত হাসান, জায়েদ খান, সম্রাট, প্রযোজক মুশফিকুর রহমান গুলজার, খোরশেদ আলম খসরু, গায়ক ফকির আলমগীর, পরিচালক দেলওয়ার জাহান ঝন্টু, শাহ আলম কিরণ সহ অনেকেই শরিক হন। এর আগে টেলি সামাদের লাশবাহী গাড়ি সকাল পৌনে ১০টার দিকে এফডিসিতে আনা হয়। শিল্পীর মরদেহ আজই মুন্সীগঞ্জে দাফন করা হবে। উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন টেলি সামাদ। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। এসএ/

টেলি সামাদের উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলো

  ১৯৭৩ সালে ‘কার বউ’ চলচ্চিত্রে কৌতুকাভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন জনপ্রিয় অভিনেতা টেলি সামাদ। এরপর ‘নয়নমণি’ ও ‘পায়ে চলার পথ’-এর মত চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দর্শকপ্রিয়তা লাভ করেন তিনি। ‘মনা পাগলা’ চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালনার পাশাপাশি ৫০টির মত চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দেন। অভিনয়জীবনে চার দশকে ৬০০ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। বাংলাদেশ টেলিভিশনের ক্যামেরাম্যান মোস্তফা মামুন তার ডাক নাম দিয়েছিলেন টেলি সামাদ। তারপর থেকে তিনি এ নামেই পরিচিত হন। ২০১৫ সালে তার অভিনীত সর্বশেষ চলচ্চিত্র ‘জিরো ডিগ্রী’ মুক্তি পায়। তার অভিনিত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের তালিকা : জিরো ডিগ্রী (২০১৫), কুমারী মা (২০১৩), সাথী হারা নাগিন (২০১১), মায়ের চোখ (২০১০), আমার স্বপ্ন আমার সংসার (২০১০), রিকসাওয়ালার ছেলে (২০১০), মন বসে না পড়ার টেবিলে (২০০৯), কাজের মানুষ (২০০৯), মায়ের হাতে বেহেস্তের চাবি (২০০৯), কে আমি (২০০৯) - হাশেম, কেয়ামত থেকে কেয়ামত (১৯৯৩), মিস লোলিতা (১৯৮৫), নতুন বউ (১৯৮৩), মাটির ঘর (১৯৭৯), নাগরদোলা (১৯৭৯), গোলাপী এখন ট্রেনে (১৯৭৮), অশিক্ষিত (১৯৭৮), জয় পরাজয় (১৯৭৬), গুন্ডা (১৯৭৬), সুজন সখী (১৯৭৫), চাষীর মেয়ে (১৯৭৫), রঙিন রূপবান, ভাত দে। উল্লেখ্য, তিনি আজ শনিবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে রাজধানরীর স্কয়ার হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। এসএ/

টেলি সামাদের চলচ্চিত্র জীবন

জনপ্রিয় অভিনেতা টেলি সামাদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ শনিবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে রাজধানরীর স্কয়ার হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।   ১৯৭৩ সালে ‘কার বউ’ চলচ্চিত্রে কৌতুকাভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন। ‘নয়নমণি’ ও ‘পায়ে চলার পথ’-এর মত চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দর্শকপ্রিয়তা লাভ করেন। ‘মনা পাগলা’ চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালনার পাশাপাশি ৫০টির মত চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দেন। অভিনয়জীবনে চার দশকে ৬০০ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। বাংলাদেশ টেলিভিশনের ক্যামেরাম্যান মোস্তফা মামুন তার ডাক নাম দিয়েছিলেন টেলি সামাদ। তারপর থেকে তিনি এ নামেই পরিচিত হন। ২০১৫ সালে তার অভিনীত সর্বশেষ চলচ্চিত্র ‘জিরো ডিগ্রী’ মুক্তি পায়। চলচ্চিত্র তালিকা : জিরো ডিগ্রী (২০১৫), কুমারী মা (২০১৩), সাথী হারা নাগিন (২০১১), মায়ের চোখ (২০১০), আমার স্বপ্ন আমার সংসার (২০১০), রিকসাওয়ালার ছেলে (২০১০), মন বসে না পড়ার টেবিলে (২০০৯), কাজের মানুষ (২০০৯), মায়ের হাতে বেহেস্তের চাবি (২০০৯), কে আমি (২০০৯) - হাশেম, কেয়ামত থেকে কেয়ামত (১৯৯৩), মিস লোলিতা (১৯৮৫), নতুন বউ (১৯৮৩), মাটির ঘর (১৯৭৯), নাগরদোলা (১৯৭৯), গোলাপী এখন ট্রেনে (১৯৭৮), অশিক্ষিত (১৯৭৮), জয় পরাজয় (১৯৭৬), গুন্ডা (১৯৭৬), সুজন সখী (১৯৭৫), চাষীর মেয়ে (১৯৭৫), রঙিন রূপবান, ভাত দে। এসএ/  

‘রকস্টার’ চরিত্রে পরমব্রত

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। এর আগেও তিনি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এবার তাকে দেখা যাবে বাংলাদেশের একজন রকস্টারের চরিত্রে। শবনম ফেরদৌসীর পরিচালনায় পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্র ‘আজব কারখানা’র কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। চলচ্চিত্রটিতে পরমব্রত ছাড়াও কেন্দ্রীয় দুটি চরিত্রে অভিনয় করছেন মডেল সাদিয়া শাবনাজ ইমি ও দোয়েল। গত ১৫ মার্চ থেকে ময়মনসিংহের কেন্দুয়া, কুষ্টিয়া ও ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে এর শুটিং শুরু হয়। বাংলার লোকগানের সংস্পর্শে এস কী পরিবর্তন ঘটে খ্যাতনামা একজন রকস্টারের-সেই গল্প নিয়ে নির্মিত হচ্ছে চলচ্চিত্র ‘আজব কারখানা’। চলচ্চিত্রটি প্রসঙ্গে নির্মাতা শবনম ফেরদৌসী বলেন, ‘আসলে আমি আমার দেখার বাইরে, অভিজ্ঞতার বাইরে কিছু বলি না। ‘আজব কারখানা’ আমার অভিজ্ঞতা, সে অভিজ্ঞতা থেকে আমি সব সময় একটা ব্যাপার অন্বেষণ করেছি, সেটা হলো- কে আসলে শিল্পী? প্রকৃত শিল্পের কথা আমরা বলি, সেটা আসলে কোনটা? সে অন্বেষণের গল্পই ‘আজব কারখানা’।’ চলচ্চিত্রটিতে বাংলাদেশের তুমুল জনপ্রিয় একজন ‘রকস্টার’-এর চরিত্রে অভিনয় করছেন পরমব্রত। এ প্রসঙ্গে নির্মাতা বলেন, ‘পরমব্রত বুঝতেই দেয় না যে ও একজন বড়মাপের অভিনেতা। নিজের চরিত্রের ব্যাপারে তার আন্তরিকতা ও নির্মাতার সঙ্গে বোঝাপড়ার বিষয়টি চমৎকার। দিনে দিনে ও যে আমার ‘রকস্টার’টা হয়ে উঠছে এটাই আমার জন্য আনন্দের। চরিত্রটির ভেতর ও প্রতিনিয়ত দারুণভাবে নিজেকে মানিয়ে নিচ্ছে। আশা করি, দর্শকের কাছেও তা ভালো লাগবে।’ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের লোকসংগীত শিল্পীরাও এই চলচ্চিত্রে তাদের মতো করেই উপস্থিত থাকছেন বলে নির্মাতা শবনম ফেরদৌসী জানিয়েছেন। এসএ/  

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি