ঢাকা, ২০১৯-০৪-২৬ ৭:৫৮:১৪, শুক্রবার

কাল শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

কাল শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

আগামীকাল (শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল) ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবারের পরীক্ষায় আট লাখ ৭৬ হাজার ৩৩ প্রার্থী অংশ নেয়ার কথা রয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় শিক্ষামন্ত্রী রাজধানীর তিতুমীর কলেজে নিবন্ধন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে যাবেন বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে। এদিকে শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো কেন্দ্রের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। গত ৩১ মার্চ রাতে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রবেশপত্র অনলাইনে প্রকাশ করে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। প্রার্থীরা এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে (ntrca.teletalk.com.bd/admitcard) ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। ডাউনলোড করা প্রবেশপত্রের প্রিন্ট কপি পরীক্ষার সময় কক্ষ পরিদর্শককে দেখাতে হবে। পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন, সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর বা কোনো প্রকার ইলেকট্রিক ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। উল্লেখ্য, গত ২৮ নভেম্বর ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। মামলার কারণে প্রায় এক বছর পর নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। ৫ ডিসেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়ে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলে। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে আট লাখ ৭৬ হাজার ৩৩টি আবেদন জমা পড়ে। আরকে//
প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার হলেন অধ্যাপক তফজল

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ কে এম তফজল হককে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার পদে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো.আবদুল হামিদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসেবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ এর ৩৩ (১) ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি এই নিয়োগ অনুমোদন করেন। নিয়োগ আদেশে বলা হয়, এ কে এম তফজল হক আগামী চার বছর এই পদে দায়িত্বরত থাকবেন। প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী জনসংযোগ কর্মকর্তা শামসুল আরেফীন বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, অধ্যাপক এ কে এম তফজল হকের বাড়ি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায়। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৯ সালে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) ও ১৯৯০ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯৫ সালে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৯৮ সালে সহকারী অধ্যাপক, ২০০৫ সালে সহযোগী অধ্যাপক এবং ২০১৫ সালে অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের নির্বাচিত সদস্য ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। কেআই/

ড. সৈয়দ মুনতাসির মামুনের পিএইচডি ডিগ্রি লাভ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট (আইবিএ) থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেছেন ড. সৈয়দ মুনতাসির মামুন। তাঁর গবেষনার বিষয়বস্তু ছিল- দক্ষিন এশিয়ার আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা। গবেষনার তত্ত্বাবধায়ক শিক্ষক ছিলেন- অধ্যাপক ড. জিয়াউল হক মামুন। সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় ড. সৈয়দ মুনতাসির মামুন সহ ২৩জনকে পিএইচডি ডিগ্রি প্রদান করা হয়। বিসিএস (পররাষ্ট্র) ক্যাডারের কর্মকর্তা ড. সৈয়দ মুনতাসির মামুন বর্তমানে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে পরিচালক (উপসচিব) হিসাবে কর্মরত আছেন। ইতিপূর্বে তিনি বিভিন্ন দেশে কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন করেছেন। ড. সৈয়দ মুনতাসির মামুন সকলের দোয়া কামনা করেছেন। এসি

জবি নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের ১০ম বর্ষপূর্তি ও ১১ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে আনন্দর‌্যালি ও আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা ১২টা থেকে বিভাগের মিলনায়তনে দিনব্যাপি নানা অনুষ্ঠান চলে। সকাল ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য  চত্বর থেকে একটি আনন্দ র‌্যালি বের হয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে শান্ত চত্বর এসে শেষ হয়। বেলা ১টায় নৃবিজ্ঞান বিভাগের মিলনায়তনে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মানস চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শাহরীন তানজুম, প্রভাষক আরিফ ইফতেখার, আব্দুল কুদ্দুস। এরপর বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে এক সাংস্কৃতিক প্রোগ্রামের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়। কেআই/

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি সেমিনার

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগে ‘বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণ ব্যবস্থা’ শীর্ষক পিএইচডি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় লোক প্রশাসন বিভাগের সেমিনার লাইব্রেরীতে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। লোক প্রশাসন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক জুলফিকার হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক নাসিম বানু। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মাদ মামুন, অধ্যাপক আব্দুল মুঈদ, লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক একে এম মতিনুর রহমান, অধ্যাপক মোহাম্মাদ সেলিম, অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন, অধ্যাপক লুতফর রহমান প্রমুখ। লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানের তত্বাবধায়নে একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুন্সী মর্তুজা আলী ‘তৃতীয় শাখা সংগঠনের প্রশাসন ও দারিদ্র্য নিরসন: বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণ ব্যবস্থা’ বিষয়ে পিএইচডি গবেষণা করছেন। পিএইচডি গাবেষণার ‘তথ্য বিশ্লেষণ, মূখ্য আবিষ্কার ও সুপারিশ’ বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। কেআই/

হাবিপ্রবি’র রেজিস্ট্রার হলেন অধ্যাপক ডা.ফজলুল হক

  দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরেনারি এন্ড এনিম্যাল সাইন্স অনুষদের মেডিসিন সার্জারী এন্ড অবস্ট্রেটিক্স বিভাগের চেয়ারম্যান ও বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হক । বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম এর অনুমোদনক্রমে বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ ২০১৯)  সদ্য বিদায়ী রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. সফিউল আলম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়। এই আদেশের মাধ্যমে প্রফেসর ড. মো. সফিউল আলম এর স্থলাভিষিক্ত হবেন প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হক। অফিস আদেশে বলা হয়, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (চুক্তি-ভিত্তিক) পদে নিযুক্ত প্রফেসর ড. মো. সফিউল আলমকে (২৮ মার্চ) অপরাহ্ন হতে সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলো এবং সেই সঙ্গে মেডিসিন সার্জারী এন্ড অবস্ট্রেটিক্স বিভাগের প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হককে তার নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি-বিধান, সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব থাকা অবস্থায় প্রাপ্য সুযোগ্য-সুবিধা মেনে চলার প্রেক্ষিতে ২৯ মার্চ হতে রেজিস্ট্রারের দায়িত্বে নিযুক্ত করা হলো। প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হক ১৯৫৭ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি বর্তমান ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলার মোলামের টেক গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৩ সালে সদরপুর, ফরিদপুর আমিরাবাদ পাইলট ইনস্টিটিউটশন থেকে এস এস সি এবং ১৯৭৫ সালে ফরিদপুর ইয়াসিন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ থেকে ডি.ভি.এম (ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন) নিয়ে অনার্স  এবং ১৯৮০ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগ থেকে এম.এস.সি. পাশ করেন। এরপর জাপানের টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৯৬-১৯৯৭ পর্যন্ত পিজিটি করেন। ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের ফরিদপুর জেলার সদরপুর থানার সহ-সভাপতি এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যকরী সদস্য ছিলেন। কর্মজীবনের শুরুতেই তিনি ১৯৮৩ হতে ২০০৮ সালের ১১ মার্চ পর্যন্ত বিসিএস লাইভস্টক সার্ভিসে কর্মরত ছিলেন। এরপর ২০০৮ সালে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিসিন সার্জারী এন্ড অবস্ট্রেটিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদান করেন। ২০০৯ সালে এসে সহযোগী অধ্যাপক এবং ২০১২ সালে অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি প্রাপ্ত হোন।  এছাড়াও তার গবেষণা ধর্মী আর্টিকেলঃ ২১টি, “ইতিহাস কথা বলে পূর্বাপর ‘৭১” নামক একটি বই প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশ দৈনিক জাতীয় কালের কন্ঠ ,যুগান্তর,ইত্তেফাক সহ বিভিন্ন পত্রিকায় উপ সম্পাদকীয় পাতায় প্রায় ১০০টির বেশি বিভিন্ন সমসাময়িক ঘটনায় নিয়ে লেখাও প্রকাশিত হয়েছে।তিনি মাদার তেরেসা ,এম এ জি ওসমানী ,হাজী মোহাম্মদ মহসিন ও আর্মস পুরুস্কার সহ বিভিন্ন সম্মাননা পদকেও ভূষিত হয়েছেন । এছাড়া তিনি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। কেআই/  

স্বাধীনতা দিবসে চেরী ব্লোসমস স্কুলে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে `চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও স্বাধীনতা` শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে চেরী ব্লোসমস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকালে রাজধানীর মিরপুরে চেরী ব্লোসমস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজে শিক্ষার্থীদের  মধ্যে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এই উপলক্ষে প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। এ সময় প্রতিযোগী শিশুরা মহান স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধু শীর্ষক নানান ছবি আঁকে। এক ঘণ্টা ব্যাপী এই চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মধ্যে পুরুস্কার বিতরণ করা হয়। চেরী ব্লসমস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল ও চেয়ারম্যান ড. সালেহা কাদের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন,`লাখো প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত হয় আমাদের প্রিয় স্বাধীনতা। আর তাই স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস বুকে ধারণ করেই তোমাদেরকেই একদিন এদেশের দায়িত্ব নিতে হবে। তাই প্রকৃত শিক্ষার মাধ্যমে দেশপ্রেমের চর্চা করতে হবে। তাহলেই স্বাধীনতার স্বপ্নসাধ পূর্ণ হবে।   চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় শিশুদের আমোদ প্রমোদের সুযোগ কম। বইয়ের বোঝা টানতে টানতে আমাদের শিশুরা ক্লান্ত হয়ে যায়। শিশুদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের জন্য তাদের সুযোগ অবারিত করে দিতে হবে। শিশুদেরকে মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালি সংস্কৃতির সাথে যুক্ত রাখতেই আমরা প্রতিবছর এই রকম প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকি। শিশুরা তাঁদের তুলিতে দেশ ও দশ সম্পর্কে তাঁদের ভাবনা ফুটিয়ে তুলেছে। তাঁদের এই প্রতিভাকে মূল্যায়ন করে থাকি। উল্লেখ্য, চেরী ব্লোসমস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিশুদেরকে পাঠদানের পাশাপাশি নিয়মিত পালাগান, পুঁথিপাঠ, চিত্রাঙ্কন শেখানো হয়। যাতে করে শিশুরা বাংলা সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক সৃষ্টি হয়। কেআই/   

বৃত্তি পেয়েছে পিকআপচাপায় পা-হারা নিপা

যশোরের নাভারনে পিকআপচাপায় পা হারানো ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী মেফতাউল জান্নাত নিপার (১১) পঞ্চম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। তবে সেই খবরে আনন্দ উদ্‌যাপন করতে পারেনি এই শিশু শিক্ষার্থী। আন্দোলিত করতে পারেনি ওর পরিবারকেও। কারণ সাফল্যের এই খবর নিপাকে শুনতে হয়েছে হাসপাতালের বেডে শুয়ে। উল্টো ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থেকেছে শিশুটি। এ সময় তার বক্তব্য- ‘আব্বুর স্বপ্ন পূরণ করেছি, কিন্তু আমার কী হবে? আমি কী করে স্কুলে যাব? অন্যরা সব হেঁটে বেড়াবে। আর আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে বসে থাকব?।’ যশোর জেনারেল হাসপাতালের মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডের ৩ নম্বর কেবিনে আছে সে। সঙ্গে আছেন মা নাসিমা খাতুন। তিনি বললেন, ‘মেয়ে যে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পাবে এমন বিশ্বাস আমাদের আগে থেকেই ছিল। কিন্তু যে ঘটনা ঘটে গেল তার পর কি আর এই খবরে আনন্দ হতে পারে? তবে যেভাবেই হোক মেয়েকে আমরা পড়াব। ওর ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন পূরণে সাধ্যমতো চেষ্টা করব।’ নিপার বাবা রফিকুল ইসলাম বললেন, ‘পা হারানোর বেদনা কেড়ে নিয়েছে মেয়ের বৃত্তি অর্জনের আনন্দ। একই সঙ্গে আমাদেরও। নাভারনের সবুজ কুঁড়ি প্রি-ক্যাডেট স্কুলের ছাত্রী ছিল আমার মেয়ে। সেখান থেকেই সে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করেছে। বুরুজবাগান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আনারুল ইসলাম গত রবিবার সন্ধ্যায় ফোনে মেয়ের ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পাওয়ার কথা আমাকে জানান। মেয়ে আমার স্বপ্ন পূরণ করেছে। কিন্তু মেয়ের স্বপ্ন? এখন ওর ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন পূরণের জন্য কৃত্রিম পা লাগিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানাই। পাশাপাশি এই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী গাড়িচালককে অবিলম্বে আটক ও তার দৃষ্টান্তমূলক সাজা চাই।’ উল্লেখ্য, নিপা যশোরের শার্শা উপজেলার বুরুজবাগান পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ও দক্ষিণ বুরুজবাগান গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে। গত ২০ মার্চ যশোরের নাভারনে নিজ স্কুলের সামনে বেপরোয়া পিকআপের চাপায় পিষ্ট হয় নিপা। জীবন বাঁচাতে ওই দিনই যশোর জেনারেল হাসপাতালে জরুরি ভিত্তিতে কেটে ফেলতে হয় নিপার ডান পা। ওই দুর্ঘটনায় ভেঙেছে ওর বাঁ হাত ও বাঁ পা। শার্শা থানার ওসি এম মশিউর রহমান জানান, নিপার পা হারানোর ঘটনায় অজ্ঞাতচালককে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। এসএ/  

প্রাথমিকে বৃত্তি পেল সাড়ে ৮২ হাজার শিক্ষার্থী

প্রাথমিক সমাপনীর পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে সরকার। গত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও ৮২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। তাদের মধ্যে ৩৩ হাজার ট্যালেন্টপুল ও ৪৯ হাজার ৫০০ সাধারণ বৃত্তি। সচিবালয়ে আজ রবিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মো. জাকির হোসেন সংবাদ সম্মেলনে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছেন। এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বলেন, ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্তদের মাসে ৩০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তদের মাসে ২২৫ টাকা করে দেওয়া হবে। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত তিন বছর বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা বৃত্তির টাকা পাবে। ঝরে পড়া রোধ, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি ও সুষম মেধা বিকাশের লক্ষ্যে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে এই বৃত্তি দেওয়া হয় বলে জানানো হয়েছে। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা www.dpe.gov.bd ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। এসএ/    

আজ প্রাথমিক বৃত্তির ফল

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর বৃত্তির ফল প্রকাশ হবে আজ রোববার। এ বছর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে সারাদেশের ৮২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেবে সরকার। তাদের মধ্যে ৩৩ হাজার শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি এবং সাড়ে ৪৯ হাজার শিক্ষার্থীকে সাধারণ বৃত্তি দেওয়া হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন আজ নিজ মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বৃত্তির ফল ঘোষণা করবেন। গত ২৪ ডিসেম্বর ২০১৮ সালের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। এবার পিইসিতে পাস করেছে ৯৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ। আর ইবতেদায়িতে পাসের হার ৯৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ। আজ বৃত্তির ফল প্রকাশের পর তা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.dpe.gob.bd) পাওয়া যাবে। শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ, শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং মেধার স্বীকৃতি দিতে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ফলের ভিত্তিতে বৃত্তি দেওয়া হয়। আগে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের আলাদা পরীক্ষা নিয়ে বৃত্তি দেওয়া হলেও ২০১০ সাল থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে উপজেলা ও ওয়ার্ডভিত্তিক বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। এসএ/  

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি