ঢাকা, ২০১৯-০৬-২০ ১৯:২০:৩৪, বৃহস্পতিবার

একাদশে ভর্তি: প্রথম পর্যায়ে কলেজ পায়নি ৯৭ হাজার শিক্ষার্থী

একাদশে ভর্তি: প্রথম পর্যায়ে কলেজ পায়নি ৯৭ হাজার শিক্ষার্থী

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে প্রথম পর্যায়ে ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৮৭৬ জন আবেদন করলেও তাদের মধ্যে ৯৭ হাজার ১০ জন ভর্তির জন্য কলেজ পাননি। প্রথম পর্যায়ে ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৬৬ শিক্ষার্থীকে মনোনীত করে তালিকা প্রকাশ করেছে সরকার। এদের আগামী ৩০ জুনের মধ্যে স্ব স্ব কলেজে ভর্তি হতে হবে। আজ সোমবার কলেজে ভর্তির ওয়েবসাইটে (http://www.xiclassadmission.gov.bd/) এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক মো. হারুন-আর-রশিদ এতথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, প্রথম পর্যায়ে ভর্তির জন্য ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৬৬ জনকে মনোনীত করা হয়েছে। এদের ১৮ জুনের মধ্যে সিলেকশন নিশ্চয়ন (যে কলেজের তালিকায় নাম এসেছে ওই কলেজেই যে শিক্ষার্থী ভর্তি হবেন তা এসএমএসের মাধ্যমে নিশ্চিত করা) করতে হবে। প্রথম পর্যায়ে মনোনীত শিক্ষার্থীদের ২৭ থেকে ৩০ জুনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে হবে। ভর্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীরা রোল এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ওয়েবসাইট থেকে ফল জানতে পারবেন। এছাড়া তাদের মোবাইলে এসএমএস করেও ফল জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। অধ্যাপক হারুন জানান, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে প্রথম পর্যায়ে ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৮৭৬ জন আবেদন করলেও তাদের মধ্যে ৯৭ হাজার ১০ জন ভর্তির জন্য কলেজ পাননি। “অনেকে এসএমএসের মাধ্যমে শুধু একটি কলেজে আবেদন করেছিল। কেউ কেউ ভালো ভালো কলেজে আবেদন করায় প্রথম পর্যায়ে তারা কলেজ পায়নি।” প্রথম দফায় যারা কলেজ পায়নি, তারা দ্বিতীয় দফায় আবেদনের সুযোগ পাবেন জানিয়ে হারুন বলেন, মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীই ভর্তির জন্য কলেজ পাবে, সব শিক্ষার্থীই কলেজে ভর্তি হতে পারবে। আগামী ১৯ থেকে ২০ জুন দ্বিতীয় পর্যায় এবং ২৪ জুন তৃতীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আবেদন নিয়ে ২১ জুন দ্বিতীয় পর্যায় এবং ২৫ জুন তৃতীয় পর্যায়ের ফল প্রকাশ করা হবে। এবারও সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করতে পেরেছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীর মেধা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটি কলেজে তার অবস্থান নির্ধারণ করে দেওয়া হচ্ছে।   টিআর/
এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষায় অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল (এসএম) কলেজে ২০১৯ সালের এইচ এস সি ব্যবহারিক পরীক্ষায় অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। কম নম্বর প্রদান ও ফেল করিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে বলে অভিযোগ করেছে শিক্ষার্থীরা। টাকা গ্রহণের বিষয়ে কিছু জানেন না প্রতিষ্ঠানের প্রধান কিন্তু শিক্ষকরা বলছেন প্রতিষ্ঠান প্রধানের আদেশেই টাকা তোলা হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা জানায়, বোর্ডের নির্ধারিত সময়ে তাত্ত্বিক পরীক্ষা শেষ হয়েছে। এখন ব্যবহারিক পরীক্ষা চলছে। প্রতি বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য আমাদেরকে ১০০ থেকে ২০০ টাকা হারে ফি দিতে হয়েছে। এমনকি যে বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষা নেই, সে বিষয়ে টাকা নেওয়া হয়েছে। কলেজের সাড়ে তিনশ’র ও বেশি পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে এভাবে টাকা গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থী মো. শাকিল হোসেন বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষা না থাকলে ও ধারাবাহিক মূল্যায়ণের নামে অনুরূপ টাকা গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থী মো. নয়ন বলেন, ৬ টি বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষায় প্রায় ১ হাজার টাকা দিয়েছি। অথচ প্রত্যেক বিষয়ে বোর্ড নির্ধারিত টাকা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের ১৩ টাকা হারে এবং কেন্দ্রে ৭ টাকা হারে পরীক্ষার ফি বাবদ গ্রহণ করা হয়। সরকারি সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজ কেন্দ্র এবং রওশন আরা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্র দুটি পাশাপাশি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ওই টাকা গ্রহণ করা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পরীক্ষার্থী বলেন, প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০০ থেকে ২০০ টাকা হারে, কৃষি শিক্ষা বিষয়ে এ কেন্দ্রের ১১০ জন পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে ১০০ টাকা হারে এমনিভাবে পদার্থ, রসায়ন, গণিত, জীববিদ্যাসহ সব ব্যবহারিক বিষয়ে টাকা গ্রহণ করা হয়। এসব টাকা সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষকরা এবং ক্ষেত্র বিশেষ প্রতিষ্ঠান প্রধানের যোগসাজসে শিক্ষার্থীর কাছ থেকে উত্তোলন করা হয়ে থাকে। এসএম কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি বায়জিদ শিকদার বলেন, টাকা গ্রহণের বিষয়টি সত্য। এভাবে টাকা গ্রহণ অন্যায়। আমরা এর প্রতিবাদ জানাই। কলেজের লাইব্রেরিয়ান সালাহউদ্দনি বলনে, অধ্যক্ষ আমাকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে পাঠদানে সহযোগতিা করতে বলছেনে। সেই সুবাধে আমি কিছু টাকা তুলেছি এবং ওই বিষয়ের শিক্ষকও টাকা তুলেছেন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে পাঠদান কারী শিক্ষক কিশর রঞ্জন মত্রৈ বলেন, কলেজের  অধ্যক্ষরে অনুমতিতে এ টাকা উঠানো হয়ছে। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এমাদুল হকের বলেন, টাকার বষিয়ে আমার জানা নইে। তবে খোঁজ নিয়ে দেখবো। বিষয়টির সত্যতা পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সরকারি সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজর ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো, কামরুজ্জামান বলেন এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। তবে যদি নিয়ে থাকে আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।  

পড়াশোনার পাশাপাশি খণ্ডকালীন চাকরির ব্যবস্থা আছে

বিশিষ্ট শিল্পপতি এবং আইএফআইএল ও অস্ট্রেলিয়া ইন্টারন্যাশনাল স্কুল- এর পরিচালক লিয়াকত হোসেন মোগল সম্প্রতি ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ-এর চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছেন। তিনি কয়েকটি হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা। বিশ্ববিদ্যালয়টির উন্নয়নকল্পে বিবিধ পদক্ষেপ বিষয়ে জানালেন তিনি। এর চুম্বক অংশ এখানে তুলে ধরা হল। বিশ্ববিদ্যালয়টি কখন প্রতিষ্ঠিত হয়? ইস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয় ২০০৩ সালের এপ্রিলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য স্বল্প-ব্যয়ে মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষার ব্রত নিয়ে একদল শিক্ষানুরাগী শিল্পপতি, শিক্ষাবিদ, প্রকৌশলী এবং অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা ২০০৩ সালে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। উচ্চশিক্ষা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দক্ষ জনসম্পদ, দেশপ্রেমিক ও যোগ্যতাসম্পন্ন নেতৃত্ব সৃষ্টির লক্ষ্যে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদন পেয়ে যাত্রা শুরু করে। প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই উচ্চশিক্ষার গুণগতমান সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য নিয়মিত ও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। উপযুক্ত মানসম্পন্ন ও দক্ষ শিক্ষক, বাস্তবমুখী শিক্ষা কার্যক্রম, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের পড়াশোনা ও গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত অবকাঠামোগত সুযোগ সুবিধা রয়েছে। উচ্চশিক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয় কী কী অবদান রেখেছে? উচ্চশিক্ষার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা। এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৭ হাজার গ্রাজুয়েট বের হয়েছে। তারা সবাই ভালো অবস্থানে আছে। উদাহরণস্বরূপ আইন বিভাগের গ্রাজুয়েটরা ঢাকাসহ দেশব্যাপী আইন পেশায় সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন। এ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়টি থেকে কতজন ছাত্রছাত্রীকে ডিগ্রি প্রদান করা হয়েছে? ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে এ পর্যন্ত ৫টি সমাবর্তনের মাধ্যমে প্রায় ৭ হাজার শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি প্রদান করা হয়েছে। আগামী ষষ্ঠ সমাবর্তনে আরও প্রায় ২ হাজার ৩০০ শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি প্রদান করা হবে। প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে কতজন শিক্ষক রয়েছেন? এর মধ্যে কতজন পিএইচডি ডিগ্রিধারী? বর্তমানে ১০৫ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন যাদের মধ্যে ২৭ জন পিএইচডি ডিগ্রিধারী শিক্ষক রয়েছেন। এছাড়া আরও প্রায় ১০৫ জন শিক্ষক মাস্টার্স ও উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান করছেন। স্থায়ী ক্যাম্পাস কখন চালু করেছেন? এ ক্যাম্পাসে ছাত্রছাত্রীদের জন্য কী কী সুবিধা রয়েছে? ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে ২০১৮ সালের স্প্রিং সেমিস্টার থেকে ক্লাস শুরু হয়েছে। এ ক্যাম্পাসটি একটি আন্তর্জাতিক মানের ১১ তলাবিশিষ্ট প্রায় ২টি বেজমেন্টসহ ১ লাখ ৬ হাজার বর্গফুটের সুবিশাল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এ ক্যাম্পাসে ছাত্রছাত্রীদের জন্য নানা রকম সুযোগ সুবিধা প্রদান করে ক্যাম্পাসকে মুখরিত করার প্রচেষ্টা চলছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে কতটি সাবজেক্টে ছাত্রছাত্রীরা অধ্যয়ন করছে? বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ৯টি প্রোগ্রামে এ ছাত্রছাত্রীরা অধ্যয়ন করছে, যদিও এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুণগত মান নিশ্চিত করার জন্য শুরু থেকেই স্বল্প কয়েকটি প্রোগ্রাম দিয়ে এর যাত্রা শুরু করা হয়। বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে যৌথ কোনও কার্যক্রম বা ক্রেডিট ট্রান্সফারের কোনও চুক্তি আছে কি না? বিদেশে ১২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আমাদের সমঝোতা স্মারক আছে। আমাদের বেশ কিছু শিক্ষার্থী চীনসহ কয়েকটি দেশে ক্রেডিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে অধ্যয়ন করছে। আর এই বিশ্ববিদ্যালয়েও অনেক বিদেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। ছাত্রদের বৃত্তি, শিক্ষাঋণ ইত্যাদি প্রদান করা হয় কি না? এই বিশ্ববিদ্যালয়ে দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য বৃত্তি, টিউশন ফি মওকুফ ও সুদবিহীন ছাত্রঋণের ব্যবস্থা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীদের জন্য খণ্ডকালীন চাকরির মাধ্যমে সীমিত আয়েরও ব্যবস্থা আছে। আরেকটি যেনে খুশি হবেন যে বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট আয়ের প্রায় ৪ ভাগ শিক্ষার্থীদের বৃত্তি/ওয়েভার প্রদান করা হয়। অনেক গরিব ও নিম্নবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েরা এখানে অধ্যয়নের সুযোগ পাচ্ছে। স্থায়ী ক্যাম্পাসে শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য উন্নতমানের ক্যান্টিন রয়েছে। ছাত্র ও ছাত্রী হোস্টেল রয়েছে। এছাড়া স্টেডিয়াম নির্মাণসহ ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে ১৭টি বাসযোগে ঢাকা থেকে আশুলিয়াস্থ স্থায়ী ক্যাম্পাসে ছাত্রছাত্রীদের আনা নেওয়া হচ্ছে। অচিরেই ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রে দেশবিদেশের জন্য মডেল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।

পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলের পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা। এ ফলাফলে ছাত্রীদের পাসের হার ৮৩ দশমিক ২৮ শতাংশ। অপরদিকে ছাত্রদের পাসের হার ৮১ দশমিক ১৩ শতাংশ। এ হিসেবে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের পাসের হার ২ দশমিক ১৫ শতাংশ বেশি। এবার ছাত্রদের তুলনায় জিপিএ–৫ বেশি পেয়েছে ১ হাজার ৩৭৪ জন ছাত্রী। ৫২ হাজার ১১০ জন ছাত্র জিপিএ–৫ পেয়েছে। অন্যদিকে, ৫৩ হাজার ৪৮৪ জন ছাত্রী জিপিএ–৫ পেয়েছে। এ হিসেবে মেয়েরা জিপিএ–৫–ও এগিয়ে ছেলেদের চেয়ে। সোমবার বেলা ১১টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনন্টিটিউট মিলনায়তনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি আনুষ্ঠানিকভাবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করেন। এবারের পরীক্ষায় অংশ নেয় ১০ লাখ ৬৮ হাজার ৫২৭ জন ছাত্র। পাস করেছে ৮ লাখ ৬৬ হাজার ৯৪১ জন। অন্যদিকে, ১০ লাখ ৫৯ হাজার ২৮৮ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাস করেছে ৮ লাখ ৮২ হাজার ২২৪ জন। অর্থাৎ ছাত্রদের তুলনায় কম ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিলেও পাস করেছে বেশি। এমআর/

শতভাগ পাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ১০০৯টি

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। এবার শতভাগ পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২ হাজার ৫৮৩টি, যা গত বছর ছিলো এক হাজার ৫৭৪টি। সে হিসেবে শতভাগ পাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে এক হাজার ৯টি। এবার ঢাকায় ১৪৬, রাজশাহীতে ৪৩১, কুমিল্লায় ১৩২, যশোরে ২৭৫, চট্টগ্রামে ৩০, বরিশালে ৫০, সিলেটে ২২, দিনাজপুরে ১৩৮, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ১ হাজার ২৬৩ ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৯৬ প্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বোর্ডে কোনও শূন্য পাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেই। প্রসঙ্গত, এবার ৩ হাজার ৪৮২টি কেন্দ্রের মাধ্যমে ২৮ হাজার ৬৭৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেয়। এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১০ বোর্ডে গড় পাসের হার ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। এর মধ্যে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ, মাদরাসা বোর্ডে দাখিলে পাসের হার ৮৩ দশমিক ০৩ ও কারিগরি বোর্ডে ৭২ দশমিক ২৩ শতাংশ। একে//

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা: ১০৭ প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায়। এবারের পরীক্ষায় পাসের হার ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। ফলাফলে জানা যায়, ১০৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করেনি। তবে গত বছরের তুলনায় কমেছে দুটি প্রতিষ্ঠান। শূন্য শতাংশ পাসের হার রাজশাহীতে ১, যশোরে ১, বরিশালে ২ এবং দিনাজপুরে ১টি প্রতিষ্ঠানে। এছাড়া, কারিগরি শিক্ষাবোর্ডে ৪৩ এবং মাদরাসা বোর্ডের ৫৯টি প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল করেছেন। শূন্য ভাগ পাস প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, সে সব প্রতিষ্ঠানের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর পর যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। একে//

যেভাবে জানা যাবে এসএসসির ফল

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২১ লাখ শিক্ষার্থীর অপেক্ষার অবসান আজ সোমবার। সকাল সাড়ে ১০টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ফল ঘোষণা করবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বরাবারের মত এবারও নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটের পাশাপাশি যে কোনও মোবাইল থেকে এসএমএস করে ফল জানা যাবে।  যে কোনো মোবাইল অপারেটর থেকে এসএমএস করে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল জানা যাবে। এ জন্য SSC/DAKHIL লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৯ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানা যাবে। এছাড়া শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট থেকেও পরীক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবেন। এ জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওয়েবসাইটে গিয়ে ফলাফল ডাউনলোড করা যাবে। বোর্ড থেকে ফলাফলের কোনও হার্ডকপি সরবারহ করা হবে না। একে//

এসএসসির ফল প্রকাশ আজ

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আজ সোমবার প্রকাশ করা হবে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২১ লাখ শিক্ষার্থীর অপেক্ষার অবসান আজ। সকাল সাড়ে ১০টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ফল ঘোষণা করবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শিক্ষামন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ১০ লাখ ৬৪ হাজার ৮৯২ জন ছাত্রী এবং ১০ লাখ ৭০ হাজার ৪৪১ জন ছাত্র। এবার দেশের ১০টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ হয়। প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছর ধরে পরীক্ষা শেষের ৬০ দিনের মধ্যে পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হচ্ছে। আগামী ৯ মে পরীক্ষা শেষের ৬০তম দিন পূর্ণ হবে। এবার তার তিন দিন আগেই ফল প্রকাশ হতে যাচ্ছে। একে//

রোববার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা স্থগিত

আগামীকাল রোববার অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। শনিবার বিকালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বদিউজ্জামান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামীকাল (রোববার) অনুষ্ঠিতব্য সকল পরীক্ষা অনিবার্য কারণে স্থগিত ঘোষণা করা হলো। স্থগিত এ পরীক্ষা সমূহের সংশোধিত তারিখ ও সময় সংশ্লিষ্ট সকলকে পরবর্তী সময়ে জানানো হবে। এ পরীক্ষার পূর্বঘোষিত অন্যান্য তারিখ ও সময়সূচি অপরিবর্তীত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে আজ শনিবারও সকল পরীক্ষা স্থগিত ছিলো। আরকে//

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি