ঢাকা, ২০১৯-০৪-২৬ ৮:০৬:২৬, শুক্রবার

শ্রীলংকা হামলা: নিহতের সংখ্যা ১০০ কম বলছে সরকার

শ্রীলংকা হামলা: নিহতের সংখ্যা ১০০ কম বলছে সরকার

শ্রীলংকায় রোববারের হামলায় নিহতের সংখ্যা এখন ১০০-র বেশি কমিয়ে বলা হচ্ছে হামলায় প্রাণ হারিয়েছে ``প্রায় ২৫৩ জন``। এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় বলছে এটা গোণার ভুল ছিল। ওই হামলায় আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীরা কলম্বো এলাকার হোটেল ও গির্জায় এবং পূর্বাঞ্চলে বাত্তিকালোয়া শহরে আক্রমণ চালায়। কয়েক শ` মানুষ আহত হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন। নিহতদের বেশিরভাগই শ্রীলংকার নাগরিক। তবে হতাহতের মধ্যে বেশ কিছু বিদেশিও রয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানান। আত্মঘাতী হামলাকারীর সংখ্যা নয় বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান অব্যাহত রেখেছেএবং হামলার সঙ্গে জড়িত যে সাত ব্যক্তিকে তারা খুঁজছে তাদের ছবি প্রকাশ করেছে।শ্রীলংকার প্রতিরক্ষা সচিব আজ বৃহস্পতিবার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। গোয়েন্দা তথ্য সংশ্লিষ্টদের জানানোর ক্ষেত্রে ব্যর্থতার কারণে তিনি পদত্যাগ করেছেন। শ্রীলংকার মুসলিম ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী এম এইচ আব্দুল হালিম এক জরুরি বার্তায় দেশটির মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে আবেদন জানিয়েছেন জুমার নামাজ আদায়ের জন্য মানুষ যেন শুক্রবার মসজিদে না যান। তারা যেন বাসাতেই নামাজ পড়েন। তথ্যসূত্র: বিবিসি। এসএইচ/
মোদির মেগা রোড শো

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মেগা রোড শো করলেন। ভারতের বিজেপির প্রার্থী হিসেবে আজ রাস্তায় তিনি দলের বড় বড় নেতাদের নিয়ে এই রোড শোতে অংশ নেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাধারণত সব দলের নেতাকর্মীরা রোড শো বা শোডাউন করে থাকেন কিন্তু দেশটির প্রধানমন্ত্রী বড় কোনো রোড শো করবেন এটা নিয়ে অনেকে ভেবে উঠতে পারেননি। বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে দশাশ্বমেধ ঘাট পর্যন্ত শোভাযাত্রা করেন। সব অর্থেই এই মেগা রোড শো ছাপিয়ে গেল আগের সব রাজনৈতিক অনুষ্ঠানের জাঁকজমককে বলেই দেশটির অনেক নেতাকর্মী মনে করছেন। গেরুয়া শিবিরের সমস্ত শীর্ষনেতাই হাজির ছিলেন মোদির এই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায়। গেরুয়া কুর্তা আর গেরুয়া উত্তরীয় পরে এসইউভিতে চড়ে মোদি হাত নাড়লেন লক্ষ লক্ষ জনতার উদ্দেশে। আক্ষরিক অর্থেই বারাণসীর রং তখন গেরুয়া। নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে যে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে দাঁড় করাচ্ছে না কংগ্রেস, তা জানা গিয়েছিল সকালেই। তাতে গেরুয়া মিছিলের জৌলুস একটু বেড়েছে বই কমেনি, তা বোঝা গেল রোড শো-য় নরেন্দ্র মোদির আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গি দেখেই। বিকেল পাঁচটায় বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশপথের সামনে মদনমোহন মালব্যকে শ্রদ্ধা জানিয়েই শুরু হয় মোদির রোড শো। তার পর একে একে শতাব্দী প্রাচীন এই শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পেরিয়ে তিনি পৌঁছে যান দশাশ্বমেধ ঘাটে। সেখানে গঙ্গা আরতিও করেন তিনি। মোদির এই শোভাযাত্রার জাঁক বাড়াতে হাজির ছিলেন দলের প্রায় সমস্ত শীর্ষনেতাই। বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথসহ হাজির ছিলেন অন্যান্য রাজ্যের বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীরাও। ছিলেন অধিকাংশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও। তার সঙ্গে দেখা গিয়েছে এনডিএ শরিক বিভিন্ন দলের নেতাদেরও।মন্দিরনগরী বারাণসীর রাস্তায় যখন এগোচ্ছে মোদির শোভাযাত্রা, তখন রাস্তার দু’পাশে, বিভিন্ন বাড়ির ছাদে, জানালায় দেখা গিয়েছে অসংখ্য মানুষকে। এই নিয়ে দ্বিতীয় বার বারাণসী থেকে ভোটে লড়ছেন নরেন্দ্র মোদি। আজকের রোড শোয়ের পর আগামীকাল স্থানীয় কালভৈরব মন্দিরের প্রাঙ্গণে একটি সভা করবেন তিনি। আগামীকালই এই কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়ার কথা তার। এসএইচ/

মোদির বিপক্ষ থেকে সরে দাঁড়ালেন প্রিয়াঙ্কা

জল্পনার শেষ। উত্তরপ্রদেশের বারাণসী কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছেন না প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। মোদির বিরুদ্ধে অজয় রাইকে প্রার্থী করার কথা জানিয়ে দিল কংগ্রেস। গত লোকসভা নির্বাচনেও এই কেন্দ্রে মোদির বিরুদ্ধে তাঁকে প্রার্থী করেছিল কংগ্রেস। মোদির বিরুদ্ধে ভোটে দাঁড় করানো হতে পারে সদ্য সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেওয়া কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে— এই জল্পনা গত বেশ কিছুদিন ধরেই জোরদার হচ্ছিল দেশের রাজনীতিতে। আর এই জল্পনা বিভিন্ন সময় উস্কে দেওয়া হয়েছিল কংগ্রেস শিবির থেকেই। কোন কেন্দ্র থেকে দাঁড়ানোর কথা ভাবছেন, জিজ্ঞেস করা হলে প্রিয়াঙ্কার উত্তর ছিল, ‘‘বারাণসী থেকে নয় কেন?’’। একই ইঙ্গিত পাওয়া দিয়েছিল রাহুলের কাছ থেকেও। যদিও তা যে জল্পনাই ছিল, তা স্পষ্ট হল আজকেই। উত্তরপ্রদেশের বারাণসীতে মোদির বিরুদ্ধে অজয় রাইকেই প্রার্থী করছে কংগ্রেস, তা জানিয়ে দেওয়া হল সরকারিভাবে। এই নির্বাচনে কংগ্রেসের হয়ে পূর্ব উত্তরপ্রদেশের দায়িত্বভার সামলাচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা। মন্দিরনগরী বারাণসী পড়ে উত্তরপ্রদেশের এই অঞ্চলেই। সেই কারণেই মোদির বিরুদ্ধে প্রিয়াঙ্কা নামের ব্রহ্মাস্ত্র ব্যবহার করা হতে পারে, বাড়ছিল সেই জল্পনা। এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীও বলেছিলেন, ‘‘এই নিয়ে রহস্যে রাখছি আপনাদের। কখনও কখনও রহস্য থাকা ভালো।’’ যদিও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছিলেন, প্রিয়াঙ্কা বারণসীতে কোনওভাবেই দাঁড়াতেন না। মোদিকে চাপে রাখতেই চলছিল এই কৌশল। তাঁদের বক্তব্য ছিল, রাজনৈতিক জীবনের শুরুতেই অনিশ্চিত কোনও আসনে গান্ধী পরিবারের কোনও সদস্যকে প্রার্থী করার কোনও সম্ভাবনা নেই। সেই বক্তব্যকেই কার্যত মান্যতা দিল কংগ্রেসের আজকের ঘোষণা। বারাণসী শহরকে মোদিময় করে তুলতে আজকেই মেগা রোড-শো-এর আয়োজন করছে বিজেপি ব্রিগেড। কংগ্রেসের এই ঘোষণায় সেই বর্ণাঢ্য রোড-শো’র জৌলুস নিশ্চিতভাবেই আরও কিছুটা বাড়লো। কারণ, ২০১৪ সালেও মোদির বিরুদ্ধে লড়ে মাত্র ৭৫ হাজার ভোট পেয়েছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী অজয় রাই। সেখানে মোদি পেয়েছিলেন প্রায় পাঁচ লাখ ৮০ হাজার ভোট। সেই নির্বাচনে প্রায় দু’লক্ষ ভোট পেয়ে এখানে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন আম আদমি পার্টির প্রার্থী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার। এসএইচ/

‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলেছেন’

এবার সাত দফায় ভোট হচ্ছে ভারতের লোকসভা নির্বাচনে। এপ্রিলের ১১, ১৮, ২৩ তারিখে ভোটগ্রহণ হয়েছে। আগামী ২৯ এপ্রিল হচ্ছে চতুর্থ দফার ভোটগ্রহণ। মে মাসের ৭, ১২ এবং ১৯ তারিখেও ভোট হবে।    ইতিমধ্যে তিন দফায় ভোট হয়ে গেছে৷ আর বাকি মাত্র চার দফার ভোট৷ সেগুলো যাতে শান্তিপূর্ণভাবে হয় তার জন্য মরিয়া প্রার্থীরা৷ চলছে দেদার প্রচার৷ এতটুকু সময় নষ্ট করতে নারাজ প্রার্থীরা৷    গতকাল বুধবার মহিষাদল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের আয়োজন একাধিক নির্বাচনী সভার আয়োজন করা হয়। মহিষাদলের কেশবপুর বাজারের নির্বাচনী সভায় উপস্থিত হয়ে তৃণমূল প্রার্থী দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী শুধু মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলেছে। তিনি যা ঘোষণা করছেন তা একটিও বাস্তবায়ন হয়নি। তিনি বলেন, রাজ্যের পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মুখ্যমন্ত্রী উন্নয়নের জোয়ার বইয়ে দিয়েছে৷ মহিষাদলে বিশ্ববিদ্যালয়, তমলুকে মেডিক্যাল কলেজসহ একাধিক প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে। আগামী দিন কেন্দ্রের ক্ষমতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে থাকবে। ফলে আরও উন্নয়ন ঘটবে। এ দিন প্রথমে মহিষাদল ব্লকের কেশবপুর বাজারে সভা হয়, তারপর নাটশাল -১ এর বেতকুন্ডু, ভূঁইয়া সুড়ায়, রবীন্দ্র পাঠাগারে এবং শেষ সভাটি হয় প্রঞ্জানানন্দ ভবনে। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

‘মমতার কাছে গুণ্ডাতন্ত্রের শক্তি আছে’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বললেন, দিদির কাছে ‘গুণ্ডাতন্ত্রের’ শক্তি আছে। আমাদের শক্তি ‘গণতন্ত্রের’। বুধবার বীরভূমের ইলামবাজারের সভায় এমন হুংকার দিলেন নরেন্দ্র মোদি। অন্য দিকে এ দিনই রানাঘাটের সভা থেকে মোদির উদ্দেশে প্রশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চ্যালেঞ্জ- ‘ভোট পুলিশ, ফোর্স, এজেন্সি দিয়ে হয় না। মানুষের বিশ্বাসে হয়। মানুষ আমাদের সঙ্গে।’ মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, নির্বাচন কমিশনও মোদির দলের প্রচারের সুবিধা দেখে ভোটের নির্ঘণ্ট তৈরি করেছে। এ দিন রাজ্যের পৃথক পৃথক জায়গায় দুটি করে সভা করেন মোদি এবং মমতা। ইলমাবাজারের সভায় মোদি বলেন, দিদির কাছে যদি গুণ্ডাতন্ত্রের ক্ষমতা থাকে আমাদের হাতে গণতন্ত্রের শক্তি আছে। বাংলাকে তৃণমূলের গুণ্ডাগিরি থেকে মুক্তি দিয়েই ছাড়ব। ২৩ মে নির্বাচনের ফল বেরবে। সে দিন থেকেই রাজ্যে তৃণমূলের বিদায়ের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে যাবে। মোদির দাবি, এখনও পর্যন্ত যা ভোট হয়েছে তাতে মমতা বুঝে গেছেন পশ্চিমবঙ্গে তার সূর্য ডুবতে চলেছে। রানাঘাটের সভায় মোদির আরও দাবি, যিনি এক দিন কমিউনিস্টদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন, তিনি এখন গুণ্ডাদের জন্য মমতা আর জনগণ এর জন্য নির্মমতা দেখাচ্ছেন। অন্যদিকে শ্রীরামপুরের সভায় মোদিকে নিশানা করেন মমতা। সেখানে তার মন্তব্য, নোটবন্দি থেকে সব কিছুতে আমি প্রতিবাদ করেছি। তুমি যত কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠাবে আমরা তত বেশি আসনে জিতব। চ্যালেঞ্জ করছি। এর খানিক পরেই কৃষ্ণনগরের সভায় হিসাব দেখিয়ে মমতার দাবি, এখনও পর্যন্ত যা ভোট হয়েছে তাতে বিজেপি একটি আসনও পাবে না। বাংলায় ইতিমধ্যেই যে দশ আসনে নির্বাচন হয়েছে মোদিবাবু তাতে রসগোল্লা পাবেন। একই সঙ্গে তার কটাক্ষ, বিজেপিকে সুবিধা করে দিতেই নির্বাচন কমিশন বাংলায় দু’মাস ধরে ৭ দফার ভোটের ব্যবস্থা করেছে। যাতে মোদিবাবুরা সব জায়গায় সভা করতে যেতে পারেন। গরমে সভা করতে হচ্ছে বলে জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়ে তৃণমূলনেত্রীর দাবি, বাকি দেশে ভোট পাবে না বুঝেই জগাই-মাধাই (মোদি-অমিত শাহ) বার বার বাংলায় উড়ে উড়ে আসছেন। মোদি অবশ্য দু’টি সভাতেই নির্বাচন কমিশনকে বাংলায় ভাল কাজ করার সংশাপত্র দিয়েছেন। তার মন্তব্য, বাংলায় নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষভাবে ভোট করাচ্ছে। তৃণমূলের গুণ্ডাদের রুখে দিচ্ছে, তা-ই কমিশনকেও গালি দিচ্ছেন মমতাদিদি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উদ্দেশে মোদির আশ্বাস, ‘আইন মেনে কাজ করবেন। জনতা এবং চৌকিদার আপনাদের সঙ্গে আছে।’ কৃষ্ণনগরের সভায় মুখ্যমন্ত্রী এ দিন দাবি করেন, বিজেপির নেতারা পশ্চিমবঙ্গকে চেনেন না। তারা বাংলাকে ভালবাসেন না। সে কারণেই দু’বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলে ‘বাংলা’ করতে দিচ্ছে না কেন্দ্র। তার অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে দু’বার বিধানসভায় প্রস্তাব পাশ হয়েছে। তবু কেন্দ্র ছাড়পত্র দেয়নি। শুধু তাই নয়, মোদিকে আক্রমণ করে মমতার মন্তব্য, কেবল ভোটের সময়েই মোদিবাবুদের বাংলার কথা মনে পড়ে। বন্যা, খড়া, সুখ-দুঃখে তাদের টিকিও দেখা যায় না। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

বারাণসীতে শক্তি যাচাইয়ের পরীক্ষায় নামছেন মোদি

চলছে দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯। এবার সাত দফায় ভোট হচ্ছে ভারতের লোকসভা নির্বাচনে। দেশটির এই সপ্তদশ নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হবে আগামী ২৩ মে। লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা, সিকিম এবং অরুণাচল প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভারতের সংসদীয় রাজনীতির ইতিহাসে এত বড় নির্বাচন এর আগে আর কখনও হয়নি। ইতিমধ্যে তিন দফায় ভোট হয়ে গেছে৷ কিন্তু কোথাও ভোট শান্তিপূর্ণভাবে হয়নি৷ আর বাকি মাত্র চার দফার ভোট৷ সেগুলো যাতে শান্তিপূর্ণভাবে হয় তার জন্য মরিয়া প্রার্থীরা৷ চলছে দেদার প্রচার৷ এতটুকু সময় নষ্ট করতে নারাজ প্রার্থীরা৷ এপ্রিলের ১১, ১৮, ২৩ তারিখে ভোটগ্রহণ হয়েছে। আগামী ২৯ এপ্রিল হচ্ছে চতুর্থ দফার ভোটগ্রহণ। মে মাসের ৭, ১২ এবং ১৯ তারিখেও ভোট হবে।       লড়াই কঠিন মানছে বিজেপি৷ কিন্তু ভিন্ন মত পোষণ করছেন দেশটির বিভিন্ন প্রান্তের বিজেপি প্রার্থীরা৷ তাদের মধ্যে অন্যতম পুনম মহাজন৷ তার মতে, ২০১৪ ছিল মোদি ঝড়৷ আর এবার মোদি সুনামি৷ তাতেই ছারখার হয়ে যাবে বিরোধীরা৷ এদিকে বারাণসীতে প্রতিপক্ষের নাম নিয়ে জল্পনা শেষ হয়েছে বুধবারই৷ প্রিয়াঙ্কা গান্ধি৷ মুখে না বললেও হেভিওয়েট প্রার্থীকে যে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি, তা প্রমাণিত৷ বৃহস্পতিবার তাই নিজের লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীতে শক্তি যাচাইয়ের পরীক্ষায় নামছে মোদি অ্যাণ্ড কোং৷ বড়সড় রোড শো করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ ২৯ এপ্রিল বারাণসী কেন্দ্রে ভোট৷ তার আগে দলীয় সূত্রে খবর ২৬ এপ্রিল নিজের মনোনয়ন পত্র জমা দেবেন তিনি৷ সেই মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করেও শক্তি ঝালাইয়ের পথেই হাঁটতে চলেছে বিজেপি৷ উপস্থিত থাকবেন শিবসেনা প্রধান উদ্ভব ঠাকরে, জেডিইউর অন্যতম নেতা নীতিশ কুমার৷ শরিকদের পাশে নিয়ে কংগ্রেসের পিলে চমকাতে তৈরি গেরুয়া শিবির৷ জানা গেছে, বেলা ৩টার দিকে এই রোড শো শুরু হবে বারাণসীতে৷ বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মদন মোহন মালব্যর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে রোড শো শুরু করবেন মোদি৷ রোড শো শেষ হওয়ার কথা দশাশ্বমেধ ঘাটে৷ সেখানেই বিকেলের গঙ্গা আরতিতে অংশ নেবেন তিনি৷ আগামীকাল শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে লোকসভা কেন্দ্রে কর্মী সমর্থকদের ও দলীয় নেতাদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী৷ মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার আগে কাল ভৈরব মন্দিরও দর্শন করার কথা রয়েছে তার৷ মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার সময় তার সঙ্গে শিবসেনা ও জেডিইউ ছাড়াও থাকবেন বিজেপির শীর্ষ নেতারা৷ যেমন সুষমা স্বরাজ, পীযূষ গোয়েল, জে পি নাড্ডা, নিতীন গড়কড়ি৷ থাকবেন শিরোমণি অকালি দলের নেতা প্রকাশ সিং বাদল, এলজেপির রামবিলাস পাসোয়ান প্রমুখ৷ এদিকে, গতকাল বুধবারই জানা যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে বারাণসী থেকে লড়ছেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ও লোকসভা ভোটে দলের অন্যতম তুরুপের তাস প্রিয়াঙ্কা গান্ধি৷ সূত্রের খবর মোদির মতই কাল ভৈরব মন্দিরে পুজা দিয়ে মনোনয়ন পত্র জমা দেবেন প্রিয়াঙ্কা৷ প্রিয়াঙ্কা লড়লে সপা-বসপা-আরএলডি জোটের প্রার্থী মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নেবেন বলে খবর৷ ফলে জোটের ভোট কংগ্রেসের দিকেই যেতে পারে৷ উল্লেখ্য, জোটের প্রার্থী হিসেবে সোমবার শালিনী যাদবকে দাঁড় করানো হয়েছিল৷ চতুর্থ দফা (২৯ এপ্রিল) ১. বিহার: ৫ ২. জম্মু কাশ্মীর: ১ ৩. ঝাড়খণ্ড: ৩ ৪. মধ্যপ্রদেশ: ৬ ৫ মহারাষ্ট্র: ১৭ ৬. ওড়িশা: ৬ ৭. রাজস্থান: ১৩ ৮. উত্তরপ্রদেশ:  ১৩ ৯. পশ্চিমবঙ্গ: ৮

তালেবানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা, ইরানের নিন্দা

আফগানিস্তানে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে তালেবানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার নিন্দা জানিয়ে ইরান। তাদের বক্তব্য- ওয়াশিংটন জঙ্গিদের গুরুত্ব বাড়িয়ে দিচ্ছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ স্বীকার করেছেন যে ইরানও তালেবানদের সঙ্গে আলোচনা করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এ উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর সঙ্গে যে চুক্তি করতে যাচ্ছে তা ‘অত্যন্ত ভুল’। জারিফ বলেন, সরকারসহ অন্য সকলকে দূরে ঠেলে দিয়ে কেবলমাত্র তালেবানের সঙ্গে আলোচনা করায় এই প্রচেষ্টায় কিছুই অর্জিত হয়নি। তালেবানের বিবৃতিতেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে হয়ে উঠেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমিই প্রথম বলেছিলাম যে আফগানিস্থানে শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তালেবানকে দূরে বা বিচ্ছিন রাখা যাবে না।’ তিনি নিউইয়র্কের এশিয়া সোসাইটিতে এসব কথা বলেন। জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। তিনি বলেন, ‘তবে আপনারা কেবলমাত্র তালেবানকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে আফগানিস্তানের ভবিষ্যতের ব্যাপারে সমঝোতায় পৌঁছতে পারবেন না। কারণ তারা আফগান সমাজের একটি অংশের প্রতিনিধিত্ব করে, পুরো আফগানিস্থানের না।  সূত্র : এএফপি এসএ/  

শ্রীলংকায় সামাজিক মাধ্যম বন্ধ করা হলো যে কারণে

শ্রীলংকায় বোমা হামলা হওয়ার কিছুক্ষণ পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া শুরু করে হামলা সম্পর্কিত বিভিন্ন মনগড়া গল্প। ফলে দ্রুত সামাজিক মাধ্যম ব্লক করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় দেশটির সরকার। ‘ভুয়া খবর’ ছড়িয়ে পড়া বন্ধ করতে ফেসবুক, ফেসবুকের মালিকানাধীন হোয়াটসঅ্যাপ আর ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব, ভাইবার ও স্ন্যাপচ্যাট বন্ধ করে দেওয়া হয়। সামাজিক মাধ্যমের ওপর থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কবে বা কখন উঠিয়ে নেওয়া হবে সে বিষয়ে কোনও বক্তব্য দেয়নি শ্রীলংকার সরকার। প্রসঙ্গত, শ্রীলংকায় গত রোববারের সিরিজ হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫৯ জনে। রোববার শ্রীলংকার একাধিক গির্জায় এবং হোটেলে সিরিজ বোমা হামলা হওয়ার পর দেশটির প্রধানমন্ত্রী রানিল বিক্রমাসিংহে জনগণকে আহ্বান জানিয়েছিলেন ‘ভিত্তিহীন খবর এবং জল্পনা প্রচার থেকে বিরত’ থাকতে। এর পরপরই সামাজিক মাধ্যমের সাইটগুলো ব্লক করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা সাময়িক, তবে ‘তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত’ এটি কার্যকর থাকবে। সামাজিক মাধ্যমে টুইটার এই নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন নয়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শ্রীলংকার মানুষের মধ্যে টুইটার তেমন জনপ্রিয় নয়। গতবছর মুসলিম বিরোধী সহিংসতা উস্কে দেওয়ার অভিযোগে কিছুদিনের জন্য ফেসবুক বন্ধ ছিল শ্রীলংকায়। শ্রীলংকায় সামাজিক মাধ্যম বন্ধ করে দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত খুব একটা বিস্ময়কর নয়। গত বছর নভেম্বরে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছিল যে মিয়ানমারে সহিংসতা ছড়ানোর লক্ষ্যে ফেসবুক ব্যবহার করা হয়েছিল। এরপর এ বছরের মার্চে নিউজিল্যান্ডের মসজিদে বন্দুকধারীর হামলার ভিডিও লাইভ স্ট্রিমিং করার পর সেই ভিডিও সরিয়ে নেওয়ার জন্যও যথেষ্ট বেগ পেতে হয় ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবের মত জনপ্রিয় সামাজিক মাধ্যমগুলোকে। নিউজিল্যান্ডের ঘটনার সময় সামাজিক মাধ্যম বন্ধ না করা হলেও হামলার ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ার পেছনে সামাজিক মাধ্যমগুলোকেই দায়ী করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন। সামাজিক মাধ্যম বন্ধ করা কি ভাল উদ্যোগ? অনেকের মতে, এ রকম নিষেধাজ্ঞার বিকল্প কোনও পথ ছিল না। কারণ ভুল খবর ছড়িয়ে পড়া রোধের ক্ষেত্রে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর যথেষ্ট সক্ষমতা নেই। কিন্তু অনেকেই সামাজিক মাধ্যম বন্ধ করার এই সিদ্ধান্তকে অনলাইনে তথ্য প্রকাশের স্বাধীনতার পথে বাধা হিসেবে মনে করছেন- বিশেষ করে শ্রীলংকার মত দেশে, যেখানে এর আগেও গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার নজির রয়েছে। গবেষক ইয়ুধাঞ্জায়া বিজরত্নে বাজফিডকে বলেন যে এটি একটি জটিল সমস্যা। ‘তথ্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের চেষ্টার বিরুদ্ধে এবং তথ্যের গণতন্ত্রায়নের পথে সামাজিক মাধ্যম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে এর অর্থ এই না যে এটি (সামাজিক মাধ্যম) শুধুই কল্যাণ বয়ে আনে। সামাজিক মাধ্যমে ঘৃণা অনেক দ্রুত ছড়ায়, আর ফেসবুক ঘৃণা ছড়ানো কন্টেন্ট বন্ধ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।’ নিষেধাজ্ঞার নেতিবাচক দিকগুলো কী? সামাজিক মাধ্যম যে ভুল তথ্য বা ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়ার পেছনে ব্যাপক ভূমিকা রাখে তা প্রশ্নাতীত, কিন্তু দুর্ঘটনার সময় পরিবার এবং প্রিয়জনদের খোঁজ নেওয়ার ক্ষেত্রেও সামাজিক মাধ্যমের গুরুত্বের বিষয়টি বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতায় অনস্বীকার্য। ফেসবুক তাদের এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘প্রিয়জনদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য আমাদের সেবার ওপর নির্ভরশীল মানুষ এবং এই বিপর্যয়ের সময় দেশটির সব সম্প্রদায়ের মানুষের সহায়তার উদ্দেশ্যে আমাদের সেবা অব্যাহত থাকবে।’ শ্রীলংকায় হোয়াটসঅ্যাপের ব্যবহার ব্যাপক, আর অনেক মানুষের কাছে ইন্টারনেট মানেই ফেসবুক। কাজেই এ রকম বিপর্যয়ের সময় এই সুবিধাগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়া মানে যোগাযোগের মূল মাধ্যমই বন্ধ হয়ে যাওয়া- এমন এক সময় যখন এটি তাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। নিষেধাজ্ঞা কি কাজ করছে? নিষেধাজ্ঞা স্বত্ত্বেও অনেকেই ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (ভিপিএন) ব্যবহার করে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করছেন। ভিপিএন এর মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারীর ঠিকানা গোপন করে অন্য দেশের সার্ভারের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহার করা যায়। ভুয়া খবর নিয়ে গবেষণা করা অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘ফার্স্ট ড্রাফ্ট’ এর প্রতিষ্ঠাতা ক্লেয়ার ওয়ার্ডল বিবিসিকে বলেন, এ রকম একটি ঘটনার পর এই ধরণের পদক্ষেপ নেওয়ার কারণ সহজে অনুধাবন করা যায়। ‘কিন্তু যখন মানসম্পন্ন তথ্যের অন্য কোনও নির্ভরশীল এবং বিশ্বাসযোগ্য সূত্র থাকে না, তখন এমন সিদ্ধান্তে হিতে বিপরীত হতে পারে। কারণ একে অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ করার ক্ষেত্রে অনেক সময়ই সামাজিক মাধ্যমের আর কোনও বিকল্প থাকে না।’ সূত্র: বিবিসি একে//

গির্জায় ঢোকার আগে শিশুর মাথা স্পর্শ করেছিলো সন্দেহভাজন হামলাকারী

ইস্টার সানডে`তে কয়েকটি গির্জা ও বিলাসবহুল হোটেলে একের পর এক বিস্ফোরণের পর থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে শ্রীলংকায়। সন্দেহ করা হচ্ছে একটি ইসলামপন্থী সংগঠনকে এবং মনে করা হচ্ছে তারা আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর সহায়তায় এ ধরণের ঘটনা ঘটিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে হামলার ধরণ থেকে তারা কথিত ইসলামিক স্টেটের একটা প্রবণতা লক্ষ্য করছে। দেশটিতে আজ শোক দিবস পালিত হচ্ছে এবং একই সঙ্গে নিহতদের শেষকৃত্যও শুরু হয়েছে। তবে কেনো আগে থেকে সতর্ক বার্তা পাওয়ার পরেও সরকার হামলা প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিতে পারেনি তা নিয়েও দেশটির সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে। শ্রীলংকায় ২ কোটি ২০ লাখ মানুষের মধ্যে খ্রিস্টান, মুসলিম ও হিন্দুরা সংখ্যালঘু। যদিও দেশটির দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ সহিংসতার ইতিহাসে খ্রিস্টানদের জড়িত হবার উদাহরণ কমই। রয়টার্স বলছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী রানিল বিক্রমাসিংহের সঙ্গে এবং জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে সব ধরণের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। ওয়াশিংটন পোস্টের খবর অনুযায়ী এফবিআই এজেন্ট পাঠানো হচ্ছে শ্রীলংকায়। তারা ল্যাবরেটরি টেস্টের জন্য বিশেষজ্ঞ সহায়তা দেয়ারও প্রস্তাব করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সূত্রগুলো এ ঘটনার সঙ্গে ইসলামিক স্টেটের হামলার ধরণের মিল পাচ্ছে। যদিও ইসলামিক স্টেট সাধারণত তাদের হামলাগুলোর বিষয়ে দ্রুতই দায় স্বীকার করে। পুলিশ বলছে তারা একজন সিরিয়ান সহ ৪০ জনকে আটক করেছে। সিএনএন-এ প্রচারিত একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে হামলাকারীদের একজন ভারী ব্যাগ বহন করছে পিঠে। সেন্ট সেবাস্টিয়ান গির্জায় প্রবেশের আগে সে একটি শিশুর মাথা স্পর্শ করছে। হামলার ঘটনায় কিংবা আগেই হামলাকারীদের থামানো যেতো কি-না, তা নিয়ে সরকারের মধ্যকার কোন্দলের বিষয়টি উঠে আসায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন অনেকেই। সরকার আগেই এনটিজের সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে খবর পেয়েছিলো ভারতীয়দের কাছ থেকে। যদিও সরকারেরই একজন মন্ত্রী বলছেন প্রধানমন্ত্রী রানিল বিক্রমাসিংহকে এটি জানানো হয়নি। আবার প্রেসিডেন্টে মাইথ্রিপালা সিরিসেনার সঙ্গে দ্বন্দ্বের কারণে নিরাপত্তা বিষয়ক সভাগুলোতেও যোগ দেননি তিনি। তথ্যসূত্র: বিবিসি। এসএইচ/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি