ঢাকা, ২০১৯-০৬-২৬ ৮:০৭:৪৩, বুধবার

অভিনন্দনের গোঁফকে ‘জাতীয় প্রতীক’ ঘোষণার দাবি

অভিনন্দনের গোঁফকে ‘জাতীয় প্রতীক’ ঘোষণার দাবি

বিমান হামলা চালাতে গিয়ে পাকিস্তানের হাতে আটক হওয়া সেই ভারতীয় পাইলটের গোঁফকে ‘জাতীয় প্রতীক’ হিসেবে ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন লোকসভার এক সাংসদ। সোমবার লোকসভার অধিবেশনে দেশটির রাষ্ট্রপতির দেয়া ভাষণের উপর ধন্যবাদ জানাতে গিয়ে কংগ্রেস দলীয় নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী এ দাবি জানান। অধীর বলেন, বিমানসেনা অভিনন্দন বর্তমান ভারতের জন্য গর্বের। তার সাহসিকতার জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে তাকে সম্মান জানানো দরকার। পাশাপাশি তার গোঁফকে জাতীয় প্রতীক হিসেবে মর্যাদা দেয়ার দাবি জানান এ কংগ্রেস নেতা। উল্লেখ, গত ফেব্রুয়ারিতে ভারত নিয়ন্ত্রিত পুলওয়ামায় সন্ত্রাসী হামলায় ৪৪ জন ভারতীয় জওয়ান নিহত হয়। ওই হামলার দায় স্বীকার করেছিল জয়েশ-ই-মোহাম্মাদ নামের একটি জঙ্গি সংগঠন। সে হামলার ঘটনায় পাকিস্তানকে দায়ী করে ভারত, তবে অস্বীকার করে পাকিস্তান। এ ঘটনার জেরে দেশ দুটির মধ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দেয়। হামলার প্রতিক্রিয়া স্বরুপ ১২ দিন পর কাশ্মীরের বালাকোটে বিমান হামলা চালায় ভারত। সে সময় গুলিতে ভারতীয় একটি বিমান ভূপাতিত করে পাকিস্তান। সে সময় তাদের হাতে আটক হন ভারতের বিমানসেনা অভিনন্দন বর্তমান। দীর্ঘ আলোচনা শেষে ৬০ দিন পর বর্তমানকে ভারতের নিকট হস্তান্তর করে ইমরান খানের সরকার। সে সময় তাকে বীর হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। ভারতে অভিনন্দন এখন বেশ জনপ্রিয়। অনেকেই তার গোঁফের মত গোঁফ রাখছেন। শুধু তাই নয়, অভিনন্দন নামে শাড়িও বিক্রি হচ্ছে দেশটিতে।  আই/
ইস্তানবুলের মেয়র নির্বাচনে একেপার্টির হার

তুরস্কের ইস্তানবুলের মেয়র নির্বাচনে বিরোধী পার্টি কামাল আতাতুর্কের দল সিএইচপি’র কাছে হেরেছে এরদোগানের ক্ষমতাসীন একে পার্টি। রোববারের ওই নির্বাচনে সিএইচপি প্রার্থী ইকরাম ইমামুগলোর কাছে প্রায় সাড়ে সাত লাখ ভোটের ব্যবধানে হেরে যায় একে পাটির বিনালি ইয়েলদ্রিম। তুরস্ক ভিত্তিক সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৯৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ ভোট গণনা হয়েছে। যেখানে ৫৪ দশমিক ০৪ শতাংশ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন ইমামুগলু। আর একে পার্টির প্রার্থী ইলদ্রিম পান ৪৫ দশমিক ০৯ শতাংশ ভোট। প্রাপ্ত ভোটের ফলাফলে, ইমামুগলু পেয়েছেন ৪৭ লক্ষাধিক ভোট আর ইলদ্রিম পেয়েছেন ৪০ লাখ। উভয়ের ভোটের ব্যবধান সাত লাখের বেশি। এদিকে, চুড়ান্ত ফল প্রকাশ না হলেও বেসরকারিভাবে নির্বাচিত সিএইচপি প্রার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যাপ এরদোগান। আর পরাজিত একে পার্টির প্রার্থী বিনালি ইয়েলদ্রিম নতুন মেয়রকে অভিনন্দন জানিয়ে একসাথে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। নির্বাচিত ইমামুগলু বলেন, আপনাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। গণতন্ত্রের এ ধারা অব্যহত রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। এর মধ্য দিয়ে নতুন যাত্রার সূচনা হলো বলেও জানান নতুন মেয়র। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি আই/

পাকিস্তানকে এফএটিএফের হুঁশিয়ার

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পাকিস্তানকে এ বার চরম হুঁশিয়ারি দিল দ্য ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (এফএটিএফ)। চার মাসের মধ্যে জাতিসংঘের তালিকাভুক্ত জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে ইসলামাবাদকে ‘কালো তালিকাভুক্ত’ করার হুমকি দেয় সংস্থাটি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই চরম হুঁশিয়ারির পরও পাকিস্তান জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা না নিলে আর্থিকভাবে বিরাট ধাক্কার মুখে পড়বে ইমরান খানের সরকার। পাকিস্তানকে আর্থিক সাহায্য বন্ধ করে দিতে পারে বহু দেশ ও আন্তর্জাতিক সংগঠন। জঙ্গিগোষ্ঠীর অর্থের জোগান-সহ আর্থিক জালিয়াতি, দুর্নীতির মতো বিষয়ে নজরদারি ও তদারকি করে এফএটিএফ। ৩৭টি দেশের সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত এই সংস্থার নির্দেশিকা, হুঁশিয়ারি বা ফরমান কার্যত জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলির কাছে শিরোধার্য। এফএটিএফ-এর এ হুঁশিয়ারি মানে, পাকিস্তানকে সন্ত্রাস দমনে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে। জঙ্গিদের আর্থিক সংস্থানের পাইপলাইন কাটতে সব রকম চেষ্টা করতে হবে। না হলে কালো তালিকাভুক্ত করে দিতে পিছপা হবে না এই সংস্থা। গত বছরের জুনেই পাকিস্তানকে ‘ধূসর তালিকাভুক্ত’ করেছিল এফএটিএফ। সেই সময়ই নির্দিষ্ট করে ২৭টি পদক্ষেপ নির্ধারিত করে দিয়েছিল এই সংস্থা। তার পর গত বছরের অক্টোবরেই এফএটিএফ-এর প্লেনারি-তে এই নিয়ে পর্যালোচনা হয়। নির্ধারিত করে দেওয়া বন্দোবস্তগুলির মধ্যে পাকিস্তান কোন কোন ব্যবস্থা নিয়েছে, ২০১৯-এর ফেব্রুয়ারিতে আরও এক বার তা নিয়ে পর্যালোচনা হয়। পাকিস্তান সন্ত্রাসে মদত দেওয়া বন্ধ করেনি বলে সেই সময় এফএটিএফ-এর হাতে তথ্য-প্রমাণ দিয়েছিল ভারত। পুলওয়ামায় জঙ্গি হানার তথ্য তার মধ্যে ছিল অন্যতম। জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া এবং ভারতের তথ্যপ্রমাণ হাতে পেয়ে সেই সময় পাকিস্তানকে ধূসর তালিকাতেই রেখে দেয় এফএটিএফ। ধূসর তালিকাভুক্ত করার সময় যে ২৭টি বন্দোবস্ত বেঁধে দিয়েছিল এফএটিএফ, তার মেয়াদ শেষ হচ্ছে এ বছরের অক্টোবরে। ফলে নতুন একটি বিবৃতিতে এফএটিএফ পাকিস্তানকে জানিয়ে দিয়েছে, এই অক্টোবরের মধ্যেই জঙ্গিদের বিরুদ্ধে নির্ধারিত পদক্ষেপ করতেই হবে। তা না করা হলে পাকিস্তানকে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে। এফএটিএফ-এর এই হুঁশিয়ারির পর পাকিস্তান আরও চাপে পড়েছে। ‘সন্ত্রাসের মদতদাতা’ বলে এমনিতেই সারা বিশ্বে পাকিস্তানের উপরে আন্তর্জাতিক বিশ্বের চাপ রয়েছে। তার সঙ্গে এ বার এফএটিএফ-এর এই পত্রাঘাতে ইমরানের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়াটা স্বাভাবিক। কারণ কালো তালিকাভুক্ত হলে ইন্টারন্যাশনাল মানিটরি ফান্ড (আইএমএফ) বিশ্ব ব্যাংক, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের মতো সংস্থার কাছ থেকে আর্থিক সাহায্য পাওয়া প্রায় বন্ধ হয়ে যাবে। পাশ্চাত্যের দেশগুলোও বন্ধ করে দেবে আর্থিক সাহায্য। মুডিজ, স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড পুওরস, ফিচ-এর মতো ক্রেডিট রেটিং সংস্থাগুলির বিচারে খারাপ রেটিং উঠে আসবে। তার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব পড়বে আন্তর্জাতিক এবং অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যে। ফলে ঋণভারে জর্জরিত এবং বিদেশি আর্থিক সাহায্যের উপর অনেকটাই নির্ভরশীল পাক অর্থনীতির মেরুদণ্ডই কার্যত ভেঙে যাবে। সব মিলিয়ে আর্থিক ক্ষেত্রে যে বিরাট প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হবে, ইসলামাবাদের পক্ষে সেই ধাক্কা সামলানো কার্যত অসম্ভব বলেই মনে করছে কূটনৈতিক শিবিরের একটা বড় অংশ। এমএইচ/      

তেল রপ্তানিতে ইরানকে সহযোগিতা করতে চায় রাশিয়া

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের তেল রপ্তানি খাতকে সহযোগিতা করতে রাশিয়া প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ। শুক্রবার মস্কোয় তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে বহির্বিশ্বের আর্থিক লেনদেন সচল করতে ইউরোপীয়দের পক্ষ থেকে ‘ইন্সটেক্স’ নামক যে বিশেষ ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে তা অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে যাতে ইরান তেল বিক্রির অর্থ গ্রহণ করতে পারে। তিনি আরো বলেন, কিন্তু ইন্সটেক্সকে যদি কার্যকর করা না যায় তাহলে ইরানের তেল রপ্তানির পাশাপাশি তেল বিক্রির অর্থ গ্রহণে তেহরানকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে মস্কো। তিন ইউরোপীয় দেশের পক্ষ থেকে কয়েক মাস আগে ইন্সটেক্স ব্যবস্থা চালু করার কথা ঘোষণা করা হলেও এখন পর্যন্ত সে ব্যবস্থা কার্যকর হয়নি। ইরান এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সময়সীমা ঘোষণা করে বলেছে, পরমাণু সমঝোতায় দেশটিকে যেসব আর্থিক সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে ওই সময়সীমার মধ্যে তা দিতে না পারলে পরমাণু সমঝোতার কিছু অংশের বাস্তবায়ন স্থগিত রাখবে তেহরান। রুশ উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে আমেরিকার চলমান তীব্র উত্তেজনার জন্য ওয়াশিংটনকে দায়ী করে বলেন, ইরানের তেল রপ্তানিকে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে হবে। তথ্যসূত্র: পার্সটুডে এমএইচ/    

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে নিহত ৩

পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায় বিজেপি ও তৃণমূলের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঐ এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে পুলিশ।  গতকাল বৃহস্পতিবার নির্বাচন পরবর্তী এ সহিংসতার ঘটনা ঘটে।   ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, ভাটপাড়ায় একটি থানা উদ্বোধন করতে যাওয়ার কথা ছিল পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের। এর আগেই বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গুলিবর্ষণ, বোমাবাজি ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এসময় রামবাবু সাউ, সন্তোষ সাউ ও ধরমবীর সাউ নামে তিনজন নিহত হন। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ এগিয়ে এলে পুলিশের উপর ইট, পাথর নিক্ষেপ করে দুষ্কৃতিকারীরা। পরে ফাঁকা গুলি  ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে রাজ্য পুলিশ। এদিকে, পুলিশের দাবি নিহতরা দুষ্কৃতিকারী হলেও বিজেপি তাদের কর্মী বলে দাবি করেছে।  আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এরমধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। বারাকপুরের বিজেপির সংসদ সদস্য অর্জুন সিং দাবি করেছেন, পুলিশের গুলিতে তাদের তিনজন কর্মী নিহত হয়েছেন। রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গিয় জানান, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ভাটপাড়া যাবেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। ঘটনার পরপরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নির্দেশে জরুরি বৈঠক করেন মুখ্য সচিব ও স্বরাষ্ট্র সচিব। উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে পশ্চিমবঙ্গে সংঘর্ষ যেন থামছেই না। বিশেষ করে নির্বাচনের পর একটি দিনও যায়নি, যেখানে ভাটপাড়া-কাঁকিনাড়ায় বোমাবাজি হয়নি। গত একমাসে পশ্চিবঙ্গে এ নিয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হলো। সূত্র: আনন্দবাজার আই/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি