ঢাকা, ২০১৯-০৪-২৬ ৭:৪৮:৩২, শুক্রবার

ঘরে বসেই ভ্রু ঠিক করুন এভাবে

ঘরে বসেই ভ্রু ঠিক করুন এভাবে

চোখকে সুন্দর করতে গেলে নিতে হবে তার যত্ন। শুধু চোখের নয়, চোখের ভ্রু’র ক্ষেত্রেও একই কথা খাটে। চোখের ভ্রু নিয়ে আজকের দিনে ছেলেমেয়ে সবাই সচেতন। সেলুনে চুল কাটানোর সঙ্গে সঙ্গে ভ্রু’র চর্চাও এখন ট্রেন্ড। ভ্রুর মেইন্টেন করাটাও খুব দরকারি। ভ্রু প্লাক অনেকেই সেলুনে বা পার্লারে গিয়ে করাতে ভালোবাসেন। কিন্তু এখন কিছু সহজ পদ্ধতির মাধ্যমে এটা আপনি বাড়িতেই করতে পারেন। অনেকেই এতে ভয় পান, যদি ভুল কিছু হয়ে যায়। কিন্তু কিছু পদ্ধতি ঠিকঠাক মানলে আপনার নিজের হাতেই নিজের রূপ বৃদ্ধি পাবে। খুব বেশি কিছু যে লাগবে তাও নয়। এই পুরো কাজটা উতরাতে একটা স্পুলি ব্রাশ বা সরু ছোট দাঁতের চিরুনি, একটা কাঁচি আর একটা আয়নাই যথেষ্ট। ভ্রুর চারপাশ ওয়াক্সিং করে নিন প্রথমেই একটা চেয়ারে বসে আয়নাকে এমনভাবে সামনে রাখুন, যাতে কোনও আলো প্রতিফলিত হয়ে আপনার চোখে না পড়ে‌। আলো পড়লে আপনি ভ্রুর অংশটা ঠিক করে দেখতে পাবেন না। এরপর আপনাকে ওয়াক্সিং করে নিতে হবে ভ্রুর চারপাশের সূক্ষ্ম লোমগুলো। ওয়াক্সিং ক্রিম ও রিমুভার বাজারেই মেলে‌। ওয়াক্সিং করা থাকলে আপনি খুব সহজেই আপনার ভ্রু’র চারপাশ স্পষ্ট বুঝতে পারবেন। এতে করে আপনার প্লাক করতে সুবিধা হবে। চিরুনি দিয়ে ব্রাশ করুন ওয়াক্সিং হয়ে গেলে আপনার দুই ভ্রু’র চারপাশ ও মাঝে কোনও লোম থাকবে না। এরপর স্পুলি ব্রাশ বা চিরুনিটা দিয়ে ব্রাশ করে নিন ভ্রু-এর চুলগুলো। লক্ষ রাখতে হবে, চুলগুলো যে দিকে মুখ করে আছে ব্রাশটা যেন সে দিকেই চালানো হয়। তা না হলে কাঁচি চালানোর সময় ভুল বুঝে বেশি কাটা হয়ে যেতে পারেন। কাঁচি ব্যবহার করুন এবারে আপনাকে করতে হবে সেই কাজটা যাতে কনফিডেন্স দরকার সবচেয়ে বেশি। পদ্ধতিটা এমনিতে বেশ সহজ। আপনার ভ্রুর বড় চুলগুলো আগে দেখে নিন ভালো করে। এবার কাঁচিটি তুলে নিয়ে সাবধানে কেটে ফেলুন বড় চুলগুলোর বেড়ে থাকা অংশগুলো। আপনার ভ্রুর চুলগুলো যদি ছোট হয় তবে এই ধাপে আপনার বেশি কাজ নেই, কিন্তু চুলগুলো বড় হলে একটু সাবধানী হয়ে কাঁচি চালালেই যথেষ্ট। চিরুনি ভ্রু এর উপর ধরুন ভ্রু এর উপর এবার চিরুনি বা স্পুলি ব্রাশ ধরুন। এমনভাবে ধরতে হবে যাতে ভ্রুর চুলগুলো চিরুনি দাঁতের ফাঁক দিয়ে উঠে আসে। চিরুনিকে ত্বকের একদম কাছে চেপে ধরলে দাঁতের ফাঁক দিয়ে উপরে উঠে থাকা চুলের পরিমাণ বেশি হবে আর যদি একটু হালকা করে ধরেন তবে কম চুল উঠে থাকবে। আপনি ভ্রু বেশি পাতলা করতে চাইলে প্রথম উপায়টি আর পাতলা না করে সাধারণ রাখতে চাইলে দ্বিতীয় উপায়টি কাজে লাগান। চিরুনি আপনার প্রয়োজন মতো বসানো হলে উপরে উঠে থাকা চুলগুলো সাবধানে কেটে দিন কাঁচি দিয়ে। অল্প অল্প করে কাটুন আমাদের ভ্রুর তিনটে ভাগ। একভাগ নাকের গোড়ার দিক, আরেক ভাগ যে অংশ নাচানো হয়, সেই তির্যক অংশ ও শেষ ভাগ কানের দিকে সরু হয়ে যাওয়া অংশ। চিরুনিটি আপনার প্রয়োজন মতো বসিয়ে কাঁচি দিয়ে সাবধানে কাটুন এই তিন অংশের চুলই‌। তিন অংশের চুলই এতে সমান উঁচু থাকবে। ছোট-বড় হবে না। বাড়িতে ভ্রু প্লাক করলে আপনার পয়সা ও সময় দুইই বাঁচে। সেলুন বা পার্লারে গিয়ে লাইন দিয়ে বসে থাকার চেয়ে বাড়িতে এই কয়েকটা ধাপ ঠিকঠাক মেনে চললেই আপনি পেয়ে যাবেন একজোড়া সুন্দর ভ্রু। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//
ঘুমের আগে ৩ মিনিটের টোটকায় পাবেন উজ্জল ত্বক!

অধিকাংশ মানুষই সবচেয়ে বেশি সচেতন নিজের মুখ নিয়ে। মুখের সৌন্দর্য ধরে রাখতে তাই নিয়মিত ত্বকের সঠিক যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। ভাবছেন, দৈনন্দিন ব্যস্ততার মধ্যে রূপচর্চার সময় কোথায়? নিজের জন্য মাত্র ৩ মিনিট সময় নেই আপনার কাছে? দিনের শেষে মাত্র ৩ মিনিট সময় বের করতে পারলেই চলবে। পার্লারে গিয়ে প্রতি সপ্তাহে মোটা টাকা খরচ না করে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে মাত্র ৩ মিনিট নিজের জন্য দিতে পারলেই কেল্লা ফতে! রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই একটি কাজ করলেই প্রতিদিন সকালে পেয়ে যাবেন ঝলমলে, সতেজ ও দীপ্তিময় ত্বক। মুখ হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও ফর্সা! এর জন্য কোনও দামি উপাদানের প্রয়োজন নেই। আপনার ঘরে থাকা খুব সাধারণ প্রসাধনী সামগ্রী দিয়েই চটজলদি এই রূপচর্চা সেরে নেওয়া যায়। আসুন জেনে নেওয়া যাক তার উপায়... উপকরণ ১ চামচ গোলাপ জল,  ৩-৪ দানা জাফরান, আধা চা চামচ অ্যালোভেরা জেল, সামান্য উষ্ণ গরম জল, ১ চামচ কালোজিরা আর ১ চামচ মধু। ব্যবহারের পদ্ধতি গোলাপ জলের মধ্যে জাফরানের দানা ঘণ্টা খানেক ভিজিয়ে রাখুন। যত বেশি সময় ভিজিয়ে রাখবেন, সেটি তত বেশি কার্যকরী হবে। জাফরান থেকে রং ছেড়ে দিলে এর সঙ্গে অ্যালোভেরা জেল দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এ বার ঠান্ডা পানিতে ভাল করে মুখ ধুয়ে নিয়ে এক টুকরো তুলোর দিয়ে পরিষ্কার মুখে এই মিশ্রণ ভাল করে মেখে নিন। মুখের উপর লাগানো এই প্রলেপ শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এবার এক গ্লাস সামান্য উষ্ণ পানির মধ্যে কয়েক দানা জাফরান ও মধু মিশিয়ে খেয়ে নিয়ে ঘুমোতে যান। সকালে ঘুম থেকে উঠে পেয়ে যান উজ্জ্বল, দীপ্তিময় ত্বক। উপকারিতা ১) উজ্জ্বল ও সুন্দর ত্বকের জন্য, ত্বক থেকে বলিরেখা ও কালো দাগ মুছে ফেলতে জাফরান অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। জাফরান শুধু ত্বকের বাইরে থেকেই কাজ করে না, ভেতর থেকেও তার জেল্লা বাড়াতে সাহায্য করে। জাফরান যখন মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া হয়, তখন তার কার্যকারীতা বহুগুণ বেড়ে যায়। ২) অন্যদিকে ত্বককে কোমল, টানটান ও দাগহীন করতে চাইলে অ্যালোভেরা জেল অত্যন্ত উপকারী একটি উপাদান। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ত্বকের সতেজ ভাব ধরে রাখতে ভিটামিন ই সমৃদ্ধ অ্যালোভেরা জেল অত্যন্ত কার্যকরী। ৩) অতি প্রাচীন কাল থেকেই রূপচর্চায় গোলাপ জলের ব্যবহার হয়ে আসছে। গোলাপ জলের নিয়মিত ব্যবহারে অখুণ্ণ থাকে ত্বকের কোমলতা। সেই সঙ্গে ত্বকের জেল্লাও বহুগুণ বেড়ে যায়! তথ্যসূত্র: জি নিউজ এমএইচ/

চুল হাইলাইট করার ঘরোয়া ৪ উপায়

চেহারার সৌন্দর্যের একটি অন্যতম অঙ্গ হল চুল। তাই চেহারাকে আরও আকর্ষণীয় করে চুলতে চাই মানানসই চুলের স্টাইলও। কারণ চুলের স্টাইলে বদল এনে সহজেই বদলে ফেলা যায় চেহারাও। চুলের হাল ফ্যাশনের স্টাইলের একটা অন্যতম অংশ হল চুল ‘হাইলাইট’ করা। সাদা চুলকে কালো করার পাশাপাশি চুলের রঙে ভিন্নতা আনতে আজকাল হেয়ার ডাই বা কলপ ব্যবহার করে চুল হাইলাইট করতে ভালবাসেন অনেকেই। কিন্তু বাজার থেকে কিনে আনা বেশির ভাগ রঙেই থাকে নানা রকমের ক্ষতিকর রাসায়নিক যা চুলের সঙ্গে সঙ্গে ত্বকেরও মারাত্মক ক্ষতি করে। মাথার ত্বকে চুলকানি, ফুসকুড়ি থেকে শুরু করে অকালে অতিরিক্ত মাত্রায় চুল ঝরে গিয়ে টাক পড়ে যেতে পারে। তাহলে কী চুল হাইলাইট করা চলবে না? তা কেন হবে! জেনে নিন ঘরোয়া ভেষজ উপায়ে চুল হাইলাইট করে নেওয়ার অব্যর্থ কৌশল- লেবুর রস সবচেয়ে সস্তা উপায়ে দুর্দান্ত হাইলাইটের উপাদান হল লেবুর রস। একটি পাত্রে ৩-৪ চামচ পাতি লেবুর রসের সঙ্গে সমপরিমাণ পানি মেশান। এবার চুলের গোছা আলাদা আলাদা করে ভাগ করে তাতে এই মিশ্রণ লাগিয়ে নিয়ে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল দিয়ে চুল মুড়ে রাখুন। এর পর কিছুক্ষণ রোদে বসুন। চুল শুকিয়ে গেলে উষ্ণ পানিতে শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিন। দেখবেন, সুন্দর হাইলাইট হয়ে গেছে আপনার চুল! চায়ের লিকার ঘরোয়া উপায়ে চুলকে হাইলাইট আর কন্ডিশনিং করতে চায়ের লিকার অত্যন্ত কার্যকর। তবে যে কোনও রকম চা নয়, ভাল ফল পেতে ক্যামোমাইল টি ব্যাগ কিনে আনুন। টি ব্যাগ রাখুন গরম পানিতে, তা রং ছাড়তে শুরু করলে, ভাল করে গরম পানির সঙ্গে গুলে নিন। এবার সেই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ভেজা চুলেই কিছুক্ষণ রোদে বসুন। বার তিনেক এমন করলেই হালকা লালচে আভার হাইলাইট হয়ে যাবে আপনার চুল। কন্ডিশনার আর দারচিনির মিশ্রণ কন্ডিশনার আর দারচিনির মিশ্রণে চুলে হবে দুর্দান্ত হাইলাইট! কয়েক টুকরো দারচিনি গুঁড়ো করে নিন। তার পর এই দারচিনি গুঁড়ার সঙ্গে কন্ডিশনার মিশিয়ে ব্রাশ দিয়ে চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত ভাল করে এই মিশ্রণ লাগিয়ে নিন। তার পর মোটা দাঁড়ার চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে চুলে খোঁপা করে রাখুন। শাওয়ার ক্যাপে মাথা ঢেকে ঘণ্টা খানেক রেখে দিন। তার পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেললেই চুলে দুর্দান্ত হাইলাইটের রং পেয়ে যাবেন! ভিনিগার ও মধু মিশিয়ে প্যাক ভিনিগার ও মধু মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে রাখুন। ভাল ফল পেতে ১ কাপ মধু, ১ চামচ অলিভ অয়েল, ১ চামচ এলাচের গুঁড়ার সঙ্গে ২ কাপ ভিনিগার মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি ঘন করে যে চুলগুলোকে হাইলাইট করতে চাইছেন সেখানে এই প্যাক লাগিয়ে শাওয়ার ক্যাপ পরে চুল ঢেকে রাখুন। এই প্যাক যত বেশি সময় রাখতে পারবেন, তত ভাল ফল পাবেন। ঘণ্টা খানেক রেখে চুল ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। মনের মতো হাইলাইট পেয়ে যান সহজেই। এই কয়েকটা ঘরোয়া পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে চুলে মনের মতো হাইলাইট করে নিন। সূত্র: জি নিউজ একে//

গ্রীষ্মে কেমন হবে আপনার মেকআপ?

এয়ারকন্ডিশন, সিলিং ফ্যানের সুইচে আবার হাত পড়তে শুরু করেছে। রাস্তায় বেরলেই সারা শরীরে বিন্দু বিন্দু ঘাম। এ থেকেই বোঝা যাচ্ছে, গ্রীষ্ম হাজির। ক’দিন বাদেই রাস্তায় বেরলেই বা এসির বাইরে দু’পা রাখলেই মেকআপের দফারফা হবে। কিন্তু তা বলে তো এড়াতে পারবেন না ডিনার ডেট, করপোরেট মিটিং। তাই মেকআপ ছাড়া চলবে না। গ্রীষ্মকালে মেকআপ সামলানোর জন্য মনে রাখুন কয়েকটি বিশেষ পদ্ধতি। এগুলো মেনে চললে, গ্রীষ্মেও মেকআপ নিয়ে সমস্যায় পড়তে হবে না। বেস-এ নজর আপনার ত্বকের যত্নের জন্য সঠিক বেস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রীষ্মকালে সকালে তেল-মুক্ত ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করাটা দরকারি। তাই গ্রীষ্মের ময়শ্চারাইজার নির্বাচন করার সময় এই বৈশিষ্ট্যটার দিকে নজর দিন। আপনি যদি নিশ্চিত না হন যে কোনও ধরনের ময়শ্চারাইজার আপনার ত্বকের জন্য সবচেয়ে ভালোভাবে কাজ করবে, তাহলে অবশ্যই পেশাদার পরামর্শদাতা বা ত্বকবিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন। প্রাইমারের ব্যবহার প্রাইমার ব্যবহার করেন কি? গ্রীষ্মকালে এই প্রাইমার কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ। ময়শ্চারাইজারের ওপর এটি ব্যবহার করুন। তার ওপর মেকআপ নিন। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, প্রিমিয়ার অবশ্যই গ্রীষ্মের জন্য খুব ভালো। মেকআপ যাতে নিজের জায়গা থেকে সরে না যায়, ঘেঁটে না যায়, তার জন্য প্রাইমারের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি পাতলা, তাই একে অতিরিক্ত স্তর বলে মনে হয় না। এবং প্রাইমার মেকআপকে নিজের জায়গায় ধরে রাখে। আইশ্যাডো কেমন চোখের মেকআপ এমন জিনিস, গ্রীষ্মে যা নিয়ে সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয়। এবং প্রায়শই দেখা যায়, চোখের তলার শ্যাডো সম্পূর্ণ ঘেঁটে গেছে। অত্যধিক তাপের ফলে ঘাম হয়, যা চোকের মেকআপ নষ্ট করে দেয়। এই পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য, সিলিকন-ভিত্তিক আইশ্যাডো ব্যবহার করুন, যা গ্রীষ্মের জন্য একদম উপযুক্ত। শিমার থেকে দূরে প্রত্যেকেই সুন্দর, ভেজা-ভেজা গ্লো ভালোবাসেন। তবে ভারসাম্যময় গ্লো আর অতিরিক্ত উজ্জ্বলতার মধ্যে বড় পার্থক্য আছে। ক্রিম ফাউন্ডেশন বা তার মতো খুব উজ্জ্বল কিছু এড়িয়ে চলুন। কারণ এর মধ্যে থাকা আর্দ্রতা আপনার ত্বককে খুব বেশি ঝলমলে করে তুলবে। ত্বক হয়ে উঠবে অতিরিক্ত চকচকে। ঘাম না হলে, গ্রীষ্মে একে দেখে ঘামের মতো লাগবে। সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন রোদের কারণে আপনার ত্বক থেকে অত্যধিক ঘাম এবং তেল বেরিয়ে আসে। এর থেকে আপনার মুখ বাঁচাতে সব সময় সঙ্গে রাখুন ওয়েট টিস্যু। অতিরিক্ত ঘাম এই টিস্যু দিয়ে মুছে নিন। এবং অবশ্যই ব্যবহার করুন সানস্ক্রিন লোশন। বাড়ি থেকে বেরনোর আগেই সানস্ক্রিন লোশনটা ব্যবহার করে নিন। এতে রোদে পোড়ার হাত থেকে বেঁচে যাবে মুকের ত্বক। এছাড়াও আপনার ঠোঁট হাইড্রেটেড রাখতে লিপ বাম ব্যবহার করুন। কারণ উত্তাপের ফলে মুখ যখন ঘর্মাক্ত হয়ে ওঠে, তখন কিন্তু ঠোঁট হয়ে যায় শুকনো। ফলে ঠোঁটের যত্নের দিকেও খেয়াল রাখুন। হালকা মেকআপ গ্রীষ্মের মেকআপে রং খুব গুরুত্বপূর্ণ। খুব চড়া মেকআপ গ্রীষ্মের সঙ্গে একেবারেই মাননাসই নয়। এতে আপনার চেহারায় আবাঞ্ছিত ভার আরোপ হবে। কিন্তু মেকআপ না করলেও তো নয়। যদি আপনি মেকআপ এড়াতে না পারেন, তবে আপনার ঠোঁট এবং চোখের জন্য হালকা রঙের মেকআপ ব্যবহার করতে পারেন। তাতে গ্রীষ্মের ক্লান্তি কম দেখাবে। ওয়াটার-প্রুফ মেকআপ গ্রীষ্মে মাঝেমধ্যে সুইমিং পুলে যাওয়ার কথা ভাবেন? সে ক্ষেত্রে মেকআপের কী হবে ভেবে দুশ্চিন্তা করেন? কোনও দুশ্চিন্তাই নেই। কারণ এখন বহু নামী ব্র্যান্ডই তৈরি করছে ওয়াটার প্রুফ মেকআপ। পুলের পানিতেও যে মেকআপ ধুয়ে যাবে না। কিন্তু এটাই একমাত্র কারণ নয়। মনে রাখবেন, এই ধরনের মেকআপ সামগ্রী গ্রীষ্মে অন্য কাজেও লাগতে পারে। যখন প্রচণ্ড ঘাম হয়, তখন এই ধরনের মেকআপ সেই ঘামে ধুয়ে যায় না। এটাই এর বৈশিষ্ট্য। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

চুল কালো করুন ঘরোয়া ৪ উপায়ে

কালো চুলের মাঝে হঠাৎ দুই-তিনটা রুপালি রেখা দেখা দিলে মন খারাপ হয়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক। চুলে পাক ধরা যে কেবল বয়স বাড়লেই হয়, এমনটা নয় কিন্তু। বরং হজমের গোলমাল, চুলের অযত্ন, মানসিক চাপ ইত্যাদি কারণে চুলে পাক ধরতে পারে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে আবার বংশগত কারণেও পাক ধরে চুলে। তবে চুল পাকলেই তা কালো করতে শুরু করাই আমাদের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি। বাজারচলতি নানা হেয়ার ডাই ব্যবহার করে কিংবা হেনা করে চুলের রং ফেরাতে চেষ্টা করেন অনেকেই। কিন্তু বাজারচলতি নানা হেয়ার ডাইতে অ্যামোনিয়া মেশানো থাকে, যা চুলের ভীষণ ক্ষতি করে। অনেকে আবার হরমোন থেরাপির সাহায্যে চুলের পিগমেন্টেশন বাড়িয়ে রং ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেন। তবে ঘরোয়া কিছু উপায় অবলম্বন করলেও কিন্তু চুলের রং কালো করা সহজ হয়। জেনে নিন সে সব কৌশল। কালো চা চায়ের লিকার চুলের প্রাকৃতিক কন্ডিশনার। এক কাপ পানিতে চা ফেলে তা ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে ছেঁকে নিন। এই লিকার চা চুলে ঢেলে কয়েক মিনিট রেখে দিন। এর পর কোনও ক্ষারবিহীন নরম শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার দিয়ে ধুয়ে নিন চুল। কয়েক মাস এমন করতে থাকলে ধীরে ধীরে রং ফিরে পাবে চুল। নারকেল তেল-লেবুর রস তিন টেবিল চামচ নারকেল তেলে দুই চা চামচ লেবুর রস। এই মিশ্রণ চুলের কালো রঙের জন্য খুবই উপকারী। এই মিশ্রণ মাথার ত্বকে আর চুলে ভালভাবে মাসাজ করুন। তার পর শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার দিয়ে ধুয়ে ফেলুন চুল। আমলকি নারকেল তেলে কাঁচা আমলকি ফেলে সেই তেল ফুটিয়ে নিন। এতে আমলকির রস মিশে যায় তেলে। ভাল ফল পেতে, আমলকি থেঁতো করেও মিশিয়ে দিতে পারেন নারকেল তেলে। এবার তা ঠাণ্ডা হলে ভাল করে মাথায় ও চুলে মাখিয়ে নিন। আধ ঘণ্টা রাখার পর বাল করে শ্যাম্পু করে নিন। কন্ডিশনার দিতে ভুলবেন না। সপ্তাহে তিন-চার দিন এই মিশ্রণ ব্যবহার করুন। জবা ফুলের কুঁড়ি কয়েকটা জবা ফুল ও তার পাতা মিক্সারে পিষে তার সঙ্গে দুই চামচ নারকেল তেল ও একটু পানি যোগ করে একটি মিশ্রণ বানান। এটি গোসলের আগে আধ ঘণ্টা মাথায় মেখে শ্যাম্পু করে নিন। সপ্তাহে অন্তত চারদিন এই পদ্ধতি অবলম্বন করুন। সূত্র: আনন্দবাজার একে//        

লিপস্টিক বেশিক্ষণ ধরে রাখার ৫টি টিপস

লিপস্টিক ছাড়া তো সাজ কমপ্লিটই হবে না। সে সাজ হোক হালকা বা ভারী। কিন্তু সময়ের সঙ্গে লিপস্টিক মুছে যাওয়া বা খাওয়ার পর তা হালকা হওয়া বা উঠে যাওয়ার সমস্যা কমবেশি সব মেয়েরাই জানেন। তবে তার আগে, লিপস্টিক কেনার আগেও কিছুটা সচেতনতা প্রয়োজন। ত্বকের সঙ্গে খাপ খাইয়ে যে রঙের লিপস্টিকই ব্যবহার করুন না কেন, বসন্তের হাওয়ায় কিন্তু ঠোঁট ফাটতে শুরু করছে নতুন করে। তাই লিপস্টিকের সঙ্গে লিপবামও অবশ্যই ব্যবহার করুন। বাজারচলতি বেশ কিছু লিপস্টিকে ময়শ্চারের পরিমাণ বেশি থাকে। কেনার সময় নজর দিন সে দিকেও। এ তো গেল লিপস্টিক কেনার আগে সাধারণ একটি সতর্কতার কথা। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ লিপস্টিক তাজা রাখারও বেশ কিছু কৌশল আছে। সে সব নিয়ম জেনে লিপস্টিক ব্যবহার করলে খাওয়াদাওয়ার পরেও তা টিকে থাকে সহজেই। তাড়াতাড়ি লিপস্টিক উঠে যাওয়ার সমস্যা থেকে বাঁচতে মেনে চলুন এই সহজ ক’টি উপায়। ১. ঠোঁট সহজে আর্দ্রতা হারালে লিপস্টিক তাড়াতাড়ি ওঠে। তাই ঠোঁট কখনও শুকনো রাখবেন না। লিপ বাম বা ময়শ্চারাইজারে ভিজিয়ে রাখুন ঠোঁট। ২. দেওয়ালে যেমন রঙের আগে প্রাইমার করে নিলে রং ভাল ধরে, ঠোঁটের বেলায়ও লিপস্টিক মাখার আগে মেক আপ প্রাইমার লাগিয়ে নিন। ৩. চেষ্টা করুন গাঢ় শেডের লিপস্টির ব্যবহার করতে। একান্তই গাঢ় শেড পছন্দ না হলে সিলিকন আছে এমন লিপস্টিক ব্যবহার করুন। সিলিকন দীর্ঘ সময় ধরে লিপস্টিককে ধরে রাখতে সাহায্য করে। ৪. লিপস্টিক ধরে রাখতে হলে তা মাখার নিয়মে পরিবর্তন আনুন। লিপস্টিক লাগানোর পর একটা ব্লটিং পেপার ঠোঁটের উপর চেপে ধরুন। এতে বাড়তি রং উঠে যাবে। তার পর সেই বেসের উপর আবার লিপস্টিক লাগান। এতে লিপস্টিকের দু’টি স্তর তৈরি হবে ও সহজে নষ্ট হবে না। ৫. লিপস্টিক লাগানোর আগে ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন। এতে লিপস্টিক টিকবে বেশিক্ষণ। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

শোয়ার ঘর থেকে দূরে রাখুন এই ১০টি জিনিস

রোজকার ব্যস্ত জীবনে প্রতিদিন লেগে থাকে বেঁচে থাকার লড়াই। চলতে থাকে টিকে থাকার লড়াই। টাকার পিছনে প্রতিনিয়ত ছুটে চলি কারণ আমরা জানি আর মানিও যে টাকাই জীবনের শান্তির একটা বড় কারণ। কেননা যদি টাকার অভাবটা কমে তাহলেই চিন্তার একটা বড় অংশ কমে যায়। এই জন্য সারাদিন কাজের মধ্যে ডুবে থাকার পর সাময়িক শান্তি খুঁজি কোথাও ঘুরতে গিয়ে। কখনও অফিস থেকে ফেরার পথে ক্লাবে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে বা কখনও অতিপরিচিত চায়ের দোকানে ভিড় জমাই। সবশেষে ফিরে আসি নিজের বাড়িতে। সারাদিনের ক্লান্তির পর আরামের শেষ ঠিকানা আমাদের নিজের বাড়ি। পাঁচতলা বাড়ি হোক বা দুই কামরার ছাদ দেওয়া বাড়ি, নিজের বাড়ি নিজের শান্তির আঁতুড়ঘর। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন যে এই বাড়ির নিজের ঘরটা কেমন করে সাজানো উচিত? আমরা তো বাইরেটা সাজিয়ে রাখার চেষ্টা করি, কিন্তু অগোছালো ঘর বা বলা ভালো আপনার নিজের বেডরুমটা ঠিক কেমন রাখা উচিত? আপনার সব সময়ের এই বেডরুম আপনার মানসিক শান্তির পিছনে কিন্তু অনেকটা গুরুত্ব রাখে। আপনার বেডরুম যাতে আপনার জীবনে নেগেটিভ প্রভাব না ফেলে, তার জন্য কি কি করা উচিৎ নয়, সেই নিয়েই আপনার জন্য রইলো আজকের ১০টি পরামর্শ। অফিসকে ঘরে আনবেন না সারাদিন অফিসে কাজ করে বাড়িতে আমরা শান্তির জন্যে আসি। কাজের থেকে একটু হালকা হতে আমাদের বাড়িতে আসা। কিন্তু নিজের সঙ্গে সময় দিতেই হোক বা নিজের স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে, অফিসের কাজের চাপ বেডরুম পর্যন্ত না আসতে দেওয়াই ভালো। অফিসের কাজের পেপার বা ফাইল সামনে থাকলে অন্তরঙ্গ বা নিভৃত, কোনও মুহূর্তই আপনার জন্য শান্তির হবে না। অপ্রয়োজনীয় জিনিস জমা করবেন না নিজের বেডরুমকে যথাসাধ্য সাধারণ রাখুন। অযথা অতিরিক্ত আসবাবপত্র দিয়ে ঘর ভরিয়ে রাখবেন না। বিছানার উপর জামাকাপড়ের স্তূপ বা বই এর স্তূপ দিয়ে ভরিয়ে রাখবেন না। মনে রাখবেন এগুলোর জন্য ওয়ার্ড্রোব বা বুকশেলফ আছে। ইলে্ট্রনিক্ গ্যাজেটকে না ইলে্ট্রনিক্ গ্যাজেটকে চেষ্টা করুন বেডরুমের বাইরে রাখতে। শুনতে হয়ত হাস্যকর শোনাবে কিন্তু এটা সত্যি। কারণ আমরা জানি আজকের দিনে এই গ্যাজেট আমাদের সময় কতটা নষ্ট করে দেয়। ফোনে সব সময় মুখ গুঁজে থাকতে থাকতে নিজস্ব সময় আর জায়গা টুকুও যে কমতে থাকে, এটা আমাদের মনে থাকে না। তাই চেষ্টা করুন দিনের শেষটা যেন মোবাইল ফোন কেড়ে না নেয়। এঁটো বাসন থাক ঘরের বাইরে অনেক সময় হোম ডেলিভারির খাবার প্যাকেট খুলে আমরা আলসেমিতে বেডরুমে এনেই খেতে থাকি। বা কখনও চা বা কফি খেয়ে সেই কাপ ওখানেই ফেলে রাখি। এটা অস্বাস্থ্যকর এবং দৃষ্টিনন্দন নয়। খাবার পরে সেই প্লেট বা কাপ বা প্যাকেট বাইরে কিচেনে রেখে আসুন। টিভিকে না বলুন বেডরুমে যদি আপনি অবিবাহিত হন তাহলে হয়তো টিভি আপনার জন্য একটা সময় পর্যন্ত আপনাকে সময় কাটাতে সাহায্য করবে। কিন্তু বিবাহিত হলে আপনি কখনোই চাইবেন না একটা যান্ত্রিক মাধ্যমের বিনোদন আপনার অন্তরঙ্গ মুহূর্তকে নষ্ট করুক। এছাড়াও অনেক সময় আমরা ঘুম আসছে না এই অজুহাতে টিভি চালিয়ে রাখি। এই স্বভাব আমাদের ঘুমানোর অভ্যাস অনেকভাবে পাল্টে দেয়। পোষ্যকে রাখুন বাইরে অনেকেই এটা শুনলে কানে আঙুল দেবেন বা হাসবেন। অনেকে বলবেন যে আমাকে ছাড়া আমার পোষ্য ঘুমাতে পারে না। কিন্তু এটা পরীক্ষামূলকভাবে সত্যি। আপনার রোজকার রুটিন আর আপনার পোষ্যর রোজকার নিয়ম এক না। আপনি নিশ্চয় চাইবেন না সারাদিনের ক্লান্তির পর আপনার ঘুম আপনার পোষ্যর মাঝরাতে ডাকাডাকি বা পায়চারিতে ভেঙে যাক। অতিরিক্ত কৃত্রিম আলো অতিরিক্ত আলো না রাখার চেষ্টা করবেন। মনে রাখবেন আপনার ড্রইং রুম আর বেডরুমের মধ্যে তফাৎ থাকা জরুরি। অতিরিক্ত আলো যাতে আপনার শান্তি বিঘ্নিত না করে, সে দিকে লক্ষ্য রাখুন। ক্যাকটাস রাখবেন না বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী বলা হয় যে বেডরুমে ক্যাকটাস বা অন্য কোনও কাঁটা গাছ রাখবেন না। কারণ বাস্তু মতে এতে সম্পর্কের শান্তি বিঘ্নিত হয়। ঘর সাজানোর অন্য ফুল বা বনসাই বা অর্কিড ব্যবহার করুন। ভাঙ্গা কাঁচকেও না বলুন বাস্তু মতে, ভাঙ্গা কাঁচ হলো সম্পর্ক ভাঙার প্রতীক। তাই বিশ্বাস থাকুক বা না থাকুক, আপনার সম্পর্কের খাতিরে ভাঙ্গা কাঁচ বা ভাঙ্গা আর্শি না রাখা ভালো। ধূমপান/অ্যালকোহল বেডরুমে না আপনি বিবাহিত হন বা অবিবাহিত, সঙ্গী থাকুক বা না, নেশা করার অভ্যাস বেডরুম পর্যন্ত না আনাই শ্রেয়। আমাদের অতিরিক্ত ডোপামিনের আরামের জন্য আমাদের অবচেতন মন সব সময় ওই নেশার দিকে ঝুঁকে থাকে। এই অভ্যাস হয়তো আপনার পছন্দের হলেও আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীর পছন্দের নাও হতে পারে। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

মেকআপের খরচ বাঁচানোর ৫ উপায়

মেয়েরা সাজতে ভালোবাসে। এই ভালোলাগা বা ভালোবাসা তাদেরকে আলাদা করে শিখিয়ে দিতে হয় না। ছোট থেকেই এটা জন্মে যায়। আজকের দিনে বাইরে বেরোলে কোনও প্রসাধন বা মেকআপ ব্যবহার না করে কেউ খুব একটা যায় না। আগের দিনে এই চলন কম থাকলেও বাজারে যত নানান প্রসাধনী সামগ্রী এসেছে, ততো নারীমহল এর দিকে আকৃষ্ট হয়েছে। এর জন্য প্রতি বছরে হিসাব করলে হয়তো খরচও খুব একটা কম নয়। প্রতিযোগিতার বাজারে ক্রমাগত বাড়তে থাকে এই প্রসাধনী সামগ্রী বা মেকআপের দাম। বাড়তে থাকে অলিতে গলিতে বিউটি পার্লার। সাধ থাকলেও অনেক সময় অনেকের দাম দিয়ে পার্লার যাওয়ার সাধ্য থাকে না। অনেক সময় সম্ভব হয় না দাম দিয়ে মেকআপের জিনিস কেনা। বাড়তে থাকা প্রতিদিনের খরচে সাজগোজ যেন আপনার কাছে বোঝা হয়ে দাড়াতে থাকে। তাহলে কি করবেন? খরচকে নিজের বাজেটে রেখে আপনার সাজগোজে যাতে বাধা না পরে, তার জন্য আজ রইলো কিছু টিপস। কেনার আগে চিন্তা করুন আমরা অনেক সময়ই একবারে বড়ো প্যাক কেনার জন্য ভাবি। আমাদের ধারণা থাকে একবারে বেশি পরিমাণ কিনলে কোম্পানি তার দামও কমিয়ে রাখবে। কিন্তু এই দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে অনেক সময় ব্র্যান্ড তার প্রোডাক্ট বা পণ্যের দাম বাড়িয়ে রাখে। তাই বড়ো প্যাক বা ফ্যামিলি প্যাক কেনার আগে ভালো করে দেখে নিন। এছাড়াও অনেক সময় আজ যে প্রোডাক্ট কিনছেন, কাল অন্য প্রোডাক্ট বাজারে এলে তা যদি আপনার পছন্দের হয়, তবে আপনার কেনা বড়ো প্যাক কেনা অহেতুক নষ্ট হতে পারে। তাই চেষ্টা করুন স্টোরে গিয়ে স্যাম্পল ফাইল নিয়ে আগে দেখে নেওয়া না হলে ছোট প্যাক কিনে ব্যবহার করা। সব জিনিস আপনার জন্য নয় অনেক সময় আমরা ঠিক বেঠিক না ভেবে কোনও পণ্য কিনে নিই। আমাদের পরিচিত কাউকে ব্যবহার করতে দেখে যদি ভালোলাগে, আমরাও মনস্থির করি কিনে নেওয়ার। সেটা চোখের কাজল, মাসকারা, লিপস্টিক বা অন্য যে কোনও কিছু হতে পারে। এটা বোঝার চেষ্টা করুন যে সব প্রসাধনী সামগ্রী আপনার সঙ্গে নাও যেতে পারে। অথবা আপনার পছন্দের ব্র্যান্ড হয়তো নতুন কোনও প্রোডাক্ট বাজারে আনল, আপনি কিনবেন বলে মনস্থির করে নিলেন। হয়তো সেই নতুন প্রোডাক্ট আপনার দরকারী নাও হতে পারে। তাই কেনার আগে যাচাই করুন আদৌ নতুন প্রসাধন কি আপনার জরুরি বা দরকার আছে। যাচাই করে এবং সম্ভব হলে প্রথমে পরখ করে নিয়ে তবেই কিনুন। অপেক্ষাকৃত কম দামি জিনিস কিনুন আমরা সব সময় ভাবি দাম দিয়ে জিনিস কিনলে তা অবশ্যই ভালো হবে। কম দামি জিনিস হয়তো অতটা ভালো নাও হতে পারে। আমাদের এই চিন্তাকে কাজে লাগিয়ে অনেক কোম্পানি নিজেদের প্রোডাক্টের দাম বাড়িয়ে রাখে। কোনও পণ্য কেনার আগে তাই অন্য ব্র্যান্ডের জিনিসের উপাদানগুলো দেখে নিন। একই উপাদান থাকলে শুধু শুধু কেন কোম্পানির নাম দেখে দাম দিয়ে তা কিনবেন? অফারে কিনুন বছরের অন্যান্য সময় কোনও ব্র্যান্ডের বিভিন্ন পণ্যের দাম বেশি থাকলেও একটা নির্দিষ্ট সময়ে তা কিছুটা কমে। কোম্পানি এটা করে ক্রেতাকে আকৃষ্ট করার জন্য এবং তার বিক্রি বাড়ানোর জন্য। কেনাকাটা সেই সময় করার চেষ্টা করুন। এছাড়াও বিভিন্ন ব্র্যান্ড তাদের মেম্বারশিপ কার্ড দিয়ে থাকে তার ক্রেতাদের। সেগুলোও আপনার জন্যে কাজের হতে পারে যদি আপনি কমবেশি একই ব্র্যান্ডের জিনিস শুধু ব্যবহার করে থাকেন। প্রাকৃতিক মেকআপ বেছে নিন বাজার চলতি কসমেটিক্সের উপর ভরসা না করে অনেক সময় প্রাকৃতিক উপাদান দিয়েও নিজের রূপ জেল্লা বাড়াতে পারেন। পুরনো দিনে এত কসমেটিক্সের যোগান ছিল না। তখন ত্বকের যত্ন নিতে কিন্তু ভরসা ছিল প্রাকৃতিক উপাদানই। বিভিন্ন ফল বা ফুলের রস, বা কোনও প্যাক আপনার চুলের বা ত্বকের যত্ন একইভাবে নিতে পারে যেভাবে আপনার রোজকার প্রসাধন নেয়। হয়তো কিছুটা সময় সাপেক্ষ ঠিকই, কিন্তু আপনার মেকআপের পিছনে খরচ বাঁচাতে এর ভূমিকা কিন্তু অনেকটাই। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

নেলপালিশ সম্পর্কে ১০টি টিপস

খুব কম বা হাতে গোনা নারী ছাড়া প্রায় সব নারীরাই সাজতে ভালোবাসেন। নিজেকে সাজানোর মধ্যে তারা তৃপ্তি পান। রূপ নিয়ে অহংকার না রাখলেও সব নারীরাই চান সবাই তার কদর করুক। নিজের মত করে সাজানোর পরে তারিফ শুনলে একটু হলেও বেরিয়ে আসে খুশির হাসি। আজকের দিনে তাই সাজার সরঞ্জামের অভাবও নেই। পোশাকে যেমন রোজ নতুন নতুন ডিজাইন আসছে, তেমনি নিজের চুল, ত্বক বা নখের জন্যে ব্যবহার করার প্রসাধনী সামগ্রীর বিপণনও বাজারে নজরকাড়া। আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলাদা আলাদা প্রসাধনী। এর মধ্যে অনেক সময় ব্যবহার করতে গিয়ে অনেক সমস্যা দেখা যায়। অনেক সময় জানতেও পারি না যে একই জিনিস হয়তো অন্য কাজে ব্যবহার করা যায়। তেমনি একটা বহুল ব্যবহৃত প্রসাধন সামগ্রী হলো নেলপালিশ। রোজকার এর ব্যবহারে অনেক সময় অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আজকের টপিকে রইলো সেগুলো কে ঠিক করার ঘরোয়া টোটকা। আসুন দেখে নেওয়া যাক। ভেসলিন ব্যবহার করুন নেলপালিশ পরতে গিয়ে অনেক সময় দেখা যায় আঙুলের চারপাশে লেগে যাচ্ছে। সেটা তুলতে গেলে আবার নখের উপরের পালিশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এর সমাধান খুব সহজ। নেলপালিশ পরার আগে নখের ধার বরাবর একটু ভেসলিন লাগিয়ে নিন। এবার পরুন। আগের সমস্যা আর হবে না। আইব্রো ব্রাস নখের আশেপাশে পালিশ লাগলে অনেক সময় নিখুঁতভাবে তোলা আর এক সমস্যা। ধারালো কিছু দিয়ে তুলতে গেলে কেটে যাওয়ার ভয় থাকে। এই ক্ষেত্রে আইব্রো ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করার চেষ্টা করে দেখুন, আপনার পরিশ্রম বৃথা যাবে না। ঘষে ব্যবহার করুন অনেকে দেখে থাকেন যে নেলপালিশ পরতে গেলে কনটেইনার থেকে বের করার সময় বুদবুদ লেগে থাকে। এই সমস্যার সমাধানও আছে। ব্যবহারের আগে কনটেইনার টাকে একটু দুই হাতের চেটোতে ঘষুন। দেখবেন আর বুদবুদ থাকবে না। টি-ব্যাগ ব্যবহার করুন নেলপালিশ পরতে গেলে একটু বড়ো নখের দরকার হয়। অনেকের নখ পাতলা থাকার জন্য নখের সামনে ভেঙে যায় বা ফেটে যায়। এই অবস্থায় সামনে কোনও অনুষ্ঠান থাকলেও সাজগোজ মাটি হয়। এর সমাধানও এবার আপনার হাতের মুঠোয় আছে। বাড়িতে ব্যবহার করা টি ব্যাগ আছে তো? অল্প একটু কাগজ ওই ব্যাগ থেকে কেটে নিন। হালকা আঠা দিয়ে ভাঙ্গা নখের উপর কাগজটা লাগান। এর উপর আবার হালকা করে একটু আঠার প্রলেপ দিন। ব্যাস, এবার সাজিয়ে নিন আপনার নখ মনের মত নেলপালিশ দিয়ে। উষ্ণ পানিতে গলবে অনেক সময় বহুদিন ব্যবহার না করলে নেলপালিশ জমে যায়। কনটেইনার এর ঢাকনা খোলা বেশ কষ্টকর হয়ে যায়। অল্প একটু পানি হালকা গরম করে একটা পাত্রে নিন। তার মধ্যে কন্টেইনারটি বসিয়ে দিন। মিনিট পাঁচেক পর দেখুন আপনার নেলপালিশ পরার জন্য রেডি। ভিনিগার দিয়ে মুছে নিন নেলপালিশ পরার আগে নিজের নখ ভিনিগার দিয়ে একটু মুছে নিন। তারপর নেলপালিশ পরুন। দেখবেন রং অনেকক্ষণ বেশি থাকবে আর জেল্লাও বেশি থাকবে। কুকিং অয়েল ব্যবহার করুন অনেকে বলে থাকেন যে নেলপালিশ পরতে গেলে অনেক আগে থেকে পরতে হয় না হলে শুকাতে অনেকক্ষণ সময় নেয়। নেলপালিশ পরার পরে হালকা করে কুকিং অয়েল লাগিয়ে রাখুন। আঙুল শুকাতে সময় কম নেবে। আঁঠার কাজ করবে নেলপালিশ হাতের কাছে আঠা নেই? কোনও চিঠি বা খাম এর মুখ বন্ধ করতে চান? ক্লিয়ার নেলপালিশ একটু লাগিয়ে চেপে ধরুন। আপনার চিঠি বা খাম পাঠানোর জন্য তৈরী। আংটি পরতে কাজে লাগবে আঙুলে অনেক সময় আংটি পরলে মেটালের দাগ হয়ে যায়। পরার আগে একটু ক্লিয়ার নেলপালিশ লাগিয়ে নিন আংটিতে। দেখবেন দাগ আর পড়বে না। দেশলাই সমস্যা সমাধান অনেক সময় যারা ক্যাম্পিংয়ে যান, দেশলাই কাঠি বৃষ্টিতে ভিজে গেলে আর জ্বলতে চায় না। একটু নেলপালিশ লাগিয়ে একটা কভার দিয়ে দিন বারুদের উপর। আর দেশলাই কাঠি না জ্বলার সমস্যা থাকবে না। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//  

মেকআপের জন্য সঠিক ফাউন্ডেশান বাছবেন যেভাবে

ছোট কোনও অনুষ্ঠানে যান বা বড় কোনও উৎসব, মেকআপ আপনার দরকার হবেই। নিজেকে যত্ন করে সাজিয়ে তোলার জন্যে পোশাকের সঙ্গে সঙ্গে মানানসই মেকআপ অনেকটাই গুরুত্বপূর্ণ। আর এই মেকআপের জন্যে বাজারে রয়েছে একের পর এক প্রসাধনী সামগ্রী। যার মধ্যে ফাউন্ডেশন অন্যতম। একটা নিখুঁত, নিটোল মেকআপের জন্যে ফাউন্ডেশনের গুরুত্ব নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।কিন্তু অনেক সময় নিজের ত্বক অনুযায়ী ঠিক ফাউন্ডেশন খুঁজে নেওয়া কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। ত্বকের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ফাউন্ডেশন না নিলে, ভালো ব্র্যান্ডের দাম দিয়ে কেনাটাও আপনাকে হতাশ করবে। কেমন করে নিজের জন্য উপযুক্ত ফাউন্ডেশন বেছে নেবেন, কি কি গুণাবলী খুঁজবেন, কেমন করে ফাউন্ডেশন ব্যবহার করবেন? এই সব নিয়েই আপনার জন্যে রইলো কিছু দরকারি টিপস। আপনার ত্বকের ধরন আগে আপনার ত্বকের ধরন যাচাই করুন। যদি আপনার ত্বক তৈলাক্ত হয়, বা আপনি যেখানে থাকেন সেখানে যদি খুব গরম থাকে, সে ক্ষেত্রে ব্যবহার করার চেষ্টা করুন ওয়েল ফ্রি ফাউন্ডেশন। সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে এই সতর্কতা আরও জরুরি। খুব ভারী ফাউন্ডেশন ব্যবহার করবেন না। ভারী ফাউন্ডেশন আপনার ত্বকের লোমকূপ আটকে দেয়। এতে ব্রণ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যাদের ক্ষেত্রে ব্রণ সমস্যা বেশি আছে, তারা কেনার সময় দেখে নিন ফাউন্ডেশনে স্যালিসিলিক অ্যাসিড আছে কি না। দরকার হলে হালকা ফাউন্ডেশন বেছে নিন। শেড যেভাবে বাছবেন ফাউন্ডেশন কিনতে গেলে অনেক ফাউন্ডেশন দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। পারলে যাওয়ার আগে বাড়িতে অনলাইনে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিভিন্ন ফাউন্ডেশন সম্পর্কে জেনে নিন। স্টোরে গিয়ে দরকারে বিশেষজ্ঞর সঙ্গে আলোচনা করে নিন। নিজের হাতে অল্প লাগিয়ে দেখুন কিছুক্ষণ। শুকিয়ে গেলে যদি ত্বকের সঙ্গে ফাউন্ডেশনের শেড মিলে যায় তবেই কিনুন। স্টোরের আলো অনেক সময় সঠিক রং চেনার ক্ষেত্রে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। সে ক্ষেত্রে বাইরে সূর্যের আলোয় মিলিয়ে নিন। দরকার হলে মেকআপ আর্টিস্টের সঙ্গে পরামর্শ করেও নিতে পারেন। যেভাবে ব্যবহার করবেন ফাউন্ডেশন আপনার ত্বকের উপর একটা প্রলেপ দিয়ে দেয়। তাই কখনোই সরাসরি ত্বকের উপর ফাউন্ডেশন লাগাবেন না বা না লাগানোর চেষ্টা করবেন। আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে তার পরে ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন। শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে ময়েশ্চারাইজার লাগানোর আগে ত্বক ভালো করে ধুয়ে এক্সফলিয়েট করে নিন। ফাউন্ডেশন ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্রাশ ব্যবহার করতে পারেন কিন্তু নিজের আঙ্গুল ব্যবহার করা সব থেকে ভালো। চেষ্টা করবেন মুখের সঙ্গে গলার বা ঘাড়ের উপরেও একইভাবে ফাউন্ডেশন লাগানো হলো কি না। দুটি জায়গার শেড মিলিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করুন। সানস্ক্রিন এসপিএফ আছে কি না দেখে নিন আগেই বললাম যে ফাউন্ডেশন আপনার ত্বকের উপর একটা প্রলেপের মত থাকে তাই বাইরে দিনের বেলায় বেরোতে গেলে সানস্ক্রিন খুবই দরকার। কারণ অতিরিক্ত সূর্যের আলো আপনার ত্বকে ট্যান এর কারণ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ফাউন্ডেশন কেনার সময় এসপিএফ আপনার ফাউন্ডেশনে আছে কি না দেখে নিন। গরম বা ঠাণ্ডার সময় পরিবেশের তাপমাত্রার পার্থক্য থাকে বলে আলাদা আলাদা ফাউন্ডেশন কিনে রাখতে পারেন। অন্যান্য সময় এই দুই ফাউন্ডেশন মিশিয়েও ব্যবহার করা সম্ভব। তবে শুধু নিজের পছন্দ বা ধারণার উপর না থেকে অন্য কারও থেকে দ্বিতীয় মতামত নিন। আপনার ফাউন্ডেশন আদৌ আপনার ত্বকের সঙ্গে মিলছে কি না জেনে নিন। তবে যাদের মেকআপে অ্যালার্জি আছে বা ময়েশ্চারাইজার মাখলেও অ্যালার্জি হয়, তারা ফাউন্ডেশন ব্যবহার করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। খুব সংবেদনশীল ত্বক হলে ফাউন্ডেশনের ব্যবহার এড়িয়ে যাওয়া ভালো সাময়িক সময়ের জন্য। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

এই লিপ আর্টের দাম সাড়ে চার কোটি টাকা!

প্রায় ১২৬টি হিরা, যার মোট দাম প্রায় ৪ কোটি ৪৭ লাখ লাখ টাকা, তা দিয়ে ঠোঁট সাজিয়ে নাম উঠল গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এ। কারণ এটিই বিশ্বের সবচেয়ে দামি ‘লিপ আর্ট’! অস্ট্রেলিয়ার হিরা বিক্রেতা সংস্থা ‘রোজেনড্রফ ডায়মন্ডস’-এর ৫০তম প্রতিষ্ঠাদিবস উপলক্ষে তারা এই লিপ আর্ট-এর আয়োজন করেছিল। ‘রোজেনড্রফ ডায়মন্ডস’-এর এই লিপ আর্ট-এ শার্লি অক্টাভিয়া নামের একজন মডেলকে বেছে নেওয়া হয়েছিল যার ঠোঁট সেজে ওঠে ১২৬টি হিরাতে। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে বিখ্যাত মেক আার্টিস্ট ভ্লাদা হ্যাগেরটি সাজিয়েছেন শার্লি অক্টাভিয়ার ঠোঁট। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই কাজে প্রায় ২২ দশমিক ৯২ ক্যারেট ওজনের হিরা ব্যবহার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ‘রোজেনড্রফ ডায়মন্ডস’-এর ১২৬টি হিরা আর ভ্লাদা হ্যাগেরটির প্রায় আড়াই ঘণ্টার পরিশ্রমে বিশ্বের সবচেয়ে দামি লিপ আর্ট হিসেবে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এ নাম উঠেছে এই উদ্যোগের। ‘রোজেনড্রফ ডায়মন্ডস’-কে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ভ্লাদা হ্যাগেরটি জানান, তাদের বহুদিনের গবেষণা ও পরিশ্রম সফল হল। সূত্র: জি নিউজ একে//

ধূমপানের ফলে কালচে ঠোঁট, ঘরোয়া ৬ সমাধান

ধূমপান যে স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর, সে কথা সকলেই জানেন। ধূমপানের অভ্যাসের ফলে শ্বাসনালী বা ফুসফুসের মারাত্মক ক্ষতির সঙ্গে সঙ্গে আরোও নানা রকম জটিল রোগ শরীরে বাসা বাঁধে। ধূমপানের অভ্যাসের ফলে আর একটা সমস্যা দেখা দেয়। সেটা হল ঠোঁট কালো হয়ে যাওয়া। যারা ধূমপান করেন তাদের বেশির ভাগেরই ঠোঁটে কালচে ছোপ পড়ে যায়। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক ঠোঁটের কালচে দাগ দূর করার কয়েকটি সহজ ঘরোয়া কৌশল সম্পর্কে- ১) পাতি লেবু আর চিনি পাতি লেবুর পাতলা একটি টুকরোর উপরে খানিকটা চিনি ছড়িয়ে দিয়ে রোজ ঠোঁটে মালিশ করুন। চিনি এখানে স্ক্র্যাবারের কাজ করে। চিনি ঠোঁটের মরা চামড়াগুলোকে ঘষে তুলে দিতে সাহায্য করে আর লেবু ঠোঁটের কালো হয়ে যাওয়া চামড়াকে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। ২) পাতি লেবুর রস আর গ্লিসারিন পাতি লেবুর রসের সঙ্গে খানিকটা গ্লিসারিন মিশিয়ে প্রতিদিন অন্তত দু’বার করে ঠোঁটে মাখুন। দিন দশেকের মধ্যেই ফারাক চোখে পড়বে। ৩) মধু, চিনি আর বাদামের তেল মধু, চিনি আর বাদামের তেল একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এ বার এই মিশ্রণটি দিয়ে নিয়মিত ঠোঁটে মালিশ করুন। এই মিশ্রণ আপনার ঠোঁটের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তার কোমলতাও বাড়াবে। ৪) টমেটোর রস প্রতিদিন অন্তত দু’বার করে টমেটোর রস ঠোঁটে মাখুন। এতে আপনার ঠোঁট উজ্জ্বল হবে। ৫) চিনি আর মধু মধু আর চিনির সঙ্গে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মিশিয়ে মিনিট দশেক আলতো ভাবে ঠোঁটে মাখুন। এই মিশ্রণ আপনার ঠোঁটকে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। ৬) দুধ বা টক দই ঠোঁটকে উজ্জ্বল করতে ল্যাক্টিক অ্যাসিড খুবই উপকারী। দুধ বা টক দইয়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ল্যাক্টিক অ্যাসিড। দুধ বা টক দই তুলোয় নিয়ে প্রতিদিন অন্তত দু’বার করে ঠোঁটে মালিশ করুন। এটি ঠোঁটের মরা চামড়াগুলোকে ঘষে তুলে দিতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করতেও সাহায্য করে। তথ্যসূত্র: জি নিউজ এমএইচ/

মোজার দুর্গন্ধ দূর করার ঘরোয়া উপায়

পা ঘামে। মোজায় প্রচন্ড দুর্গন্ধ হয়। ভীষণ অস্বস্তি কাজ করে। জুতা খুললে আশপাশের লোকজনের টেকা দায়। এই জটিল সমস্যার সঙ্গে কমবেশী সবাই পরিচিত।  শীতকালে এই সমস্যাটি বেশী দেখা দেয়। মোজায় ভেজা ভেজা বা চটচটে ভাব থাকে। ঘেমে যাওয়া পায়ে খুব দ্রুত ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে শুরু করে, যার ফলে পায়ে বিশ্রী দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। এ ক্ষেত্রে মোজায় পারফিউম বা পাউডার মেখেও লাভ হয় না। তাহলে উপায়? উপায় আছে। জেনে নিন কী ভাবে মুক্তি পাবেন এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি থেকে। ১) বেকিং সোডার ব্যবহার: বেকিং সোডার অ্যাসিডিক উপাদান পা পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে এবং পায়ে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাধা সৃষ্টি করে। এতে করে পা অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়া এবং পায়ে বিশ্রী দুর্গন্ধ হওয়ার সমস্যা আর থাকে না। পা খুব ভাল করে পরিষ্কার করে, হাতে সামান্য বেকিং সোডা নিয়ে পায়ে ভালো করে ঘষে নিন। এর ফলে পায়ে অতিরিক্ত ঘাম হওয়া বন্ধ হবে। চাইলে বন্ধ জুতোর ভেতরেও ছিটিয়ে নিতে পারেন খানিকটা বেকিং সোডা, এতেও অনেক উপকার পাবেন।   ২) লবন জলের ব্যবহার: নুন জল পায়ে ফাঙ্গাসের আক্রমণ ঠেকাতে সাহায্য করে। নিয়মিত নুন জলের ব্যবহারে পা অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়ার সমস্যা একেবারেই কমে আসে। রোজ বাড়িতে ফিরে সামান্য উষ্ণ গরম জলেতে নুন মিশিয়ে এতে পা ডুবিয়ে রাখুন অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট। পা ঘামার সমস্যা দূর হবে, সেই সঙ্গে আপনার পা ছত্রাকের আক্রমণ থেকেও রেহাই পাবে। আরও কয়েকটি উপায় সুতির মোজা ব্যবহার করুন। যাঁদের এমন সমস্যা হয়, তাঁদের ঘন ঘন চা বা কফি না খাওয়াই ভাল। মশলাদার (স্পাইসি) খাবারদাবার এড়িয়ে চলুন। সপ্তাহে অন্তত একবার জুতোর ভিতরে সুগন্ধি পাউডার দিয়ে, ভাল করে কাপড় দিয়ে মুছে নিন। মাঝে মধ্যে জুতোগুলোকে রোদে দিন। একই মোজা দু’দিনে ব্যবহার করবেন না। নিয়মিত পা পরিষ্কার রাখুন। বাইরে থেকে ঘরে ফিরে গরম জলে একটু নুন ফেলে ভাল করে পা ধুয়ে নিন। ভাল করে পা মুছে, ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। সূত্র : জিনিউজ। / এআর /

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি