ঢাকা, ২০১৯-০৪-২৬ ৮:৫১:১৫, শুক্রবার

গরমে নতুন পোশাক আনল ক্যাটস আই

গরমে নতুন পোশাক আনল ক্যাটস আই

স্প্রিং সামার মৌসুমটি মূলত: সৃজিত ফ্যাশনের সৌকর্য উপস্থাপনার। তাইতো মুড আর  ডেস্টিনেশনকে প্রাধান্য দিয়েই নতুন পোশাক এনেছে ক্যাটস আই।
চুল ঝড়ে পড়ার কারণ ও প্রতিকার

চুলের আকার যেমনই হোক, ঘন চুলের চাহিদা কখনওই কমে না। ছেলের চুল হোক বা  নারীর হোক সবক্ষেত্রেই লম্বা চুল প্রশংসার পাওয়ার যোগ্য। তাই চুলের ঘনত্ব কমে যাওয়াটা সকলের কাছেই সমস্যার। প্রতি দিন যে পরিমাণ চুল ঝরে, জৈবিক নিয়মে তত পরিমাণ চুলই গজায়। কিন্তু এই অনুপাত সব সময় সমান থাকে না। চুল গজানোর চেয়ে ঝরে যাওয়ার পরিমাণ বেড়ে গেলেই বিপত্তি আসে। ভারতের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ কৌশিক লাহিড়ীর মতে, ‘‘প্রতি দিন ৮০-১০০ টা চুল ঝরে। গজানোর কথাও ততগুলিই। কিন্তু মানুষের মাথার ত্বকের ধরন, আবহাওয়া, চুলের প্রকৃতি, যত্ন ও কোনও রকম অ্যালার্জি আছে কি না এ সবের উপর নির্ভর করে কার চুল কত বেশি বা কম ঝরবে। চুল গজানোর চেয়ে ঝরে যাওয়ার সংখ্যা বেশি হতেই এক সময় টাকের সমস্যা দেখা যায়।” যত্ন, চুলের দেখভাল ছাড়াও যে সব কারণে চুল ঝরতে পারে, তা না জানলে অকালে টাক পড়াকে রোধ করাও যায় না। জানেন কি, কী কী কারণে চুলের এমন ক্ষতি হতে পারে? অতিরিক্ত মানসিক চাপ নিয়ে ফেলেন? ঠিক সময় খাওয়াদাওয়া বা ঘুম না হলে তার ছাপ পড়ে মনের স্বাস্থ্যের উপর। যে কোনও বিষয়ে খুব বেশি চিন্তা বা উদ্বেগও চুলের স্বাস্থ্যের জন্য একেবারে ভালো নয়। চুলের রঞ্জক পদার্থ কমে গিয়ে চুল পেকে যাওয়া থেকে চুলের গোড়া পাতলা হয়ে যাওয়া— সবের নেপথ্যে এই মানসিক চাপ অন্যতম কারণ। ভিটামিন বি-এর অভাব, ডায়েটে পরিমাণ মতো শাক-সব্জি ও ভিটামিন সি না থাকাও চুল ঝরে যাওয়ার অন্যতম কারণ। তাই ডায়েটে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ও ভিটামিন সি যোগ করুন। এতে চুলের স্বাস্থ্যোন্নতি ঘটবে। ​মাথার ত্বকে কোনও অ্যালার্জি বা সংক্রমণ থাকলে আর অযত্ন করবেন না। অনেকেরই মাথার ত্বক থেকে মাছের আঁশের মতো খোসা ওঠে, অতিরিক্ত চুলকায়, ফুসকুড়ি দেখা যায়। এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। শরীরে রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া বাসা বাঁধলেও চুলের ক্ষতি হয়। তাই অ্যানিমিয়া সামলানোর ওষুধ শুরু করতে দেরি করবেন না। প্রয়োজনীয় পথ্য ও ওষুধ নিলে চুলের স্বাস্থ্যও ফিরবে ও অকালে টাক পড়া কমবে। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার এমএইচ/

পাকা চুল তুলে ফেললে যে ক্ষতি হয়

এমন অনেকেই আছেন, যাদের অল্পবয়সেই চুলে পাক ধরতে শুরু করেছে। সাধারণত মাথার চামড়ায় (ত্বকে) পর্যাপ্ত ভিটামিন ও খনিজের অভাবে চুল পাকতে পারে। হজমের সমস্যা বা লিভারের সমস্যার ফলেও চুল অকালে পেকে যেতে পারে। অল্প বয়সে চুল পাকার ফলে অনেকেই অস্বস্তিতে বোধ করেন। অনেকেই তাই পাকা চুল বেছে বেছে তুলতে থাকেন। কিন্তু এভাবে পাকা চুল তুলে ফেললে চুলের কতটা ক্ষতি হয় জানেন? বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এভাবে বেছে বেছে পাকা চুল তুলতে থাকলে চুলের বৃদ্ধি এবং নতুন চুল গজানোর স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হয়। এ ক্ষেত্রে মার্কিন হেয়ার রেস্টোরেশন সার্জন রবার্ট ডোরিনের ব্যাখ্যা, আমরা যখন মাথা থেকে বেছে বেছে পাকা চুল তুলি তখন চুলের কিছুটা হলেও ক্ষতি হয়। চুলের বৃদ্ধির গতি এবং নতুন চুল গজানোর স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে নতুন চুল গজালে তা আগের তুলনায় রুক্ষ হয়ে যেতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে নতুন চুল না-ও গজাতে পারে। তাই অল্প বয়সে চুল পেকে গেলে সেই অস্বস্তি থেকে সাময়িক মুক্তি পেতে পাকা চুল না তোলাই মঙ্গল। কারণ পাকা চুলের অস্বস্তি থেকে সাময়িক মুক্তি পাওয়ার চেষ্টায় উল্টা মাথায় চাক পড়ে যাওয়াটা মোটেই কাঙ্খিত নয়। তাছাড়া, বাজার চলতি একাধিক দামি, ভাল হেয়ার ডাই ব্যবহার করে পাকা চুল কালো করে নিতে পারেন। রাসায়নিক যুক্ত হেয়ার ডাই ব্যবহার না করেও একাধিক প্রাকৃতিক উপায়ে অকালে পেকে যাওয়া চুলের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যেতে পারে। সূত্র: জি নিউজ একে//

‘ওয়াটারপ্রুফ’ শাড়ি  

হিন্দুধর্ম মতে বিশেষ বিশেষ তিথি বা লগ্নে নির্দিষ্ট নদী-মোহনায় গোসল খুবই পবিত্র। এতে দেহ-মনের শুদ্ধি ঘটে। আর যিনি জীবনে অন্তত একবার কুম্ভ গোসল করেন, তার পুণ্য অর্জন নিশ্চিত, এমনটাই মনে করা হয়। এই ধরনের গোষ্ঠী গোসলে সবচেয়ে বেশি মর্যাদাহানি হয় নারীদের। পানিতে ভেজা যে কোনও কাপড় শরীরে লেপ্টে থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যে কোনও কুম্ভমেলায়, পুণ্য গোসলে ব্যস্ত নারীদের এই স্বাভাবিক দৃশ্য আদৌ স্বাভাবিক থাকে না। পরমুহূর্তেই কয়েকশো ক্লিকে বন্দি হয়ে যায় তাদের সেই অস্বস্তির ছবি, যা কারও কাছে বিকৃত কামের সুড়সুড়ি আর কারও কাছে নিছকই একটা ছবি! দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে চলে আসা এই প্র্যাকটিসকেই তুখোড় জবাব দিল এ বছর ভারতের উত্তর প্রদেশের এলাহাবাদের কুম্ভে, নারী পুণ্যার্থীদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ‘ওয়াটারপ্রুফ শাড়ি’। দেখতে সাধারণ শাড়ির মতোই, বাসন্তী রঙের জমি ও সবুজ পাড়। কিন্তু এই শাড়ির উপরে রয়েছে একটি ওয়াটারপ্রুফ কোটিং। যতখুশি গোসল করলেও এই শাড়ি ভিজবে না, লেপ্টে যাবে না শরীরের সঙ্গে। অর্থাৎ গোসল হল, বসন সিক্তও হল, কিন্তু আব্রু বজায় রইল নারীদের। এই অভিনব ভাবনাটি হিন্দুস্তান ইউনিলিভার গোষ্ঠীর ব্র্যান্ড ‘হামাম’-এর ‘গোসেফআউটসাইড’ ক্যাম্পেনের অঙ্গ, যার পরিকল্পনা ও রূপদানের দায়িত্বে ছিল বিখ্যাত বিজ্ঞাপন সংস্থা ‘ওগিলভি’। এলাহাবাদে অনুষ্ঠিত ‘কুম্ভ ২০১৯’-এ, ১১ ফেব্রুয়ারি বসন্ত পঞ্চমী তিথিতে, ‘সরস্বতী গোসল’-এর দিন পুণ্যার্থী নারীদের মধ্যে বিতরণ করা হয় এই শাড়ি। ইউনিলিভার গোষ্ঠীর স্কিন ক্লিনজিং ভার্টিকালের জেনারেল ম্যানেজার হরমন ধিলোঁ বলেন, ‘ওয়াটারপ্রুফ শাড়ির উদ্যোগটি শুধুই নারীদের মর্যাদা রক্ষার উদ্দেশ্যে নয়, পাশাপাশি আমরা এই বার্তা দিতে চাই যে, নারীদের প্রতি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন খুবই জরুরি।’ সূত্র: এবেলা একে//

আনারস দিয়ে তৈরি হচ্ছে শাড়ি-গয়না!

বেনারসি নয়। বিয়েতে কনে সাজবে ‘আনারসি’ শাড়িতে। অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়ই। কারণ কাঞ্জিভরম, সিল্ক, তাঁত, সুতির শাড়ি পরতেই অভ্যস্ত নারীরা। তাই বলে আনারসি! তাও আবার বিয়ের সাজের জন্য!  শাড়ির নাম শুনেই প্রথমে যে শব্দ মনে আসে সেটা আনারস। ওই রসালো ফল থেকেই কি শাড়ি? আনারসের পাতা থেকে তৈরি সুতা দিয়ে শাড়ি বুনে তাক লাগিয়েছেন ভারতের শিলিগুড়ি সংলগ্ন ফাঁসিদেওয়া ব্লকের বিধাননগরের নারীরা। এমনকি, সেই সুতা থেকে তৈরি হচ্ছে সাজগোজের গয়নাও! আনারস গাছ কাটার পর সেই গাছের পাতা থেকে সুতা বের করে ও সেই সুতা দিয়ে শাড়ি তৈরি করা হয়। কয়েক বছরের প্রচেষ্টার পর আনারসের সুতা দিয়ে শাড়ি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন তারা। এর আগে দু’বার সুতা দিয়ে শাড়ি বা বস্ত্র তৈরির চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু সফল হতে পারেননি তার। ফের ২০১৮ সাল থেকে নতুন করে কাজ শুরু করে সফল হন। জানা গেছে, ২০১০ সালে মালয়েশিয়ায় একটি আনারসের মেলাতে গিয়ে প্রথম আনারস গাছ থেকে সুতা তৈরির বিষয়টি দেখতে পান আনারস চাষি অরুণ মণ্ডল। তিনিই বিধাননগরে গিয়ে একইভাবে সুতা তৈরির কাজ শুরু করেন। এর আগে আশির দশকে ড. যতীন বিশ্বাস ও তারপর ক্যালিপ্সো বেঙ্গল ফুডস নামে একটি সংস্থা আনারস থেকে সুতা তোরির উদ্যোগ নিলেও সফল হননি। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন একে//

গরম পানিতে গোসলের অভ্যাস স্বাস্থ্যকর না ক্ষতিকর?

শীত আসলেই অনেকের গোসল করা অনিয়মিত হয়ে যায়। আর গোসল করলেও গরম পানিতে। অনেকেই মনে করেন ঠান্ডার ভয়ে গোসল না করার চেয়ে গরম পানিতে স্নান করাই ভাল। কিন্তু এই ভাবে রোজ গরম পানিতে স্নান করাটা কি স্বাস্থ্যকর? আসুন এ বিষয়ে সবিস্তারে জেনে নেওয়া যাক...     শীতকালের শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বকের বিশেষ যত্নের প্রয়োজন। এই সময় বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ খুব কম থাকায় আমাদের ত্বকও শুষ্ক হয়ে যায়। শীতকালে বাতাসের অরিরিক্ত শুষ্কতার প্রভাবে আমাদের ত্বক খুবই রুক্ষ্ম, শুষ্ক আর নিষ্প্রাণ হয়ে পড়ে।   ঠান্ডার প্রকোপ থেকে বাঁচতে এই সময় অনেকেই নিয়মিত গরম পানিতে গোসল করেন। বস্টন ইউনিভার্সিটির গবেষকদের মতে, শুষ্ক আবহাওয়ায় নিয়মিত গরম পানিতে স্নান করার ফলে ত্বক তার আদ্রতা দ্রুত হারিয়ে ফেলে। এ ছাড়াও, প্রতিদিন গরম জলে স্নান করার ফলে হজমেরও নানা সমস্যা হতে পারে। বেড়ে যেতে পারে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা।গবেষকদের মতে, শীতকালে ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচতে স্নানের জল সামান্য উষ্ণ হলে ক্ষতি নেই। উষ্ণ জলে স্নানের ক্ষেত্রে স্নান করার সময় কমিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। তবে স্নান বন্ধ করা বা কনকনে ঠান্ডা জলে স্নান না করাই ভাল। জি নিউজ     এসি  

জামায় পারফিউমের দাগ বসে গেলে সহজে যেভাবে উঠাবেন 

সুগন্ধি অনেকেরই প্রিয়। নারী পুরুষ নির্বশেষ কম বেশ সবার সুগন্ধির প্রতি আসক্তি রয়েছে। যে কোনো উৎসবে শুধু নতুন পোষাক নয়, তার সঙ্গে পছন্দের সুগন্ধিরও খোঁজ শুরু হয়ে যায় পুরোদমে।      এমনিতেই শরীরে ঘামের দর্গন্ধ রুখতে সুগন্ধির জুড়ি নেই, কিন্তু ভুল পদ্ধতিতে ব্যবহারের জন্য দামী পোশাকের উপর সুগন্ধি ব্যবহারের দাগ ধরে যায়। ঘামে ভেজা জামা বাড়িতে এসে শুকোলেই পোশাকে সাদা সাদা দাগ দেখা যায় সুগন্ধি স্প্রে করা জায়গায়। কিছু তীব্র রাসায়নিক ব্যবহার করা সুগন্ধিও আছে। যাদের দাগ একবার লাগলে সহজে উঠতেও চায় না পোশাক থেকে। তবে কয়েকটি বিশেষ কৌশল মেনে চললেই এমন সমস্যা থেকে রেহাই মিলবে সহজেই। জানেন সে সব কী কী? পারফিউমের বদলে বডি স্প্রে ব্যবহারে করুন বেশি। তবে খেয়াল রাখবেন, বডি স্প্রে লাগানোর পরেই জামা পরবেন না। তা শরীরেরই শুকোতে দিন কিছুটা সময়। তার পর পোশাক পরুন। এতে পোশাকে দাগ ধরবে না। এর পরেও দাগ দূর না হলে বদলান সুগন্ধি। সুগন্ধির দাগ ধরে যাওয়া পোশাক পরিষ্কারেরও কিছু নিয়ম আছে। ডিটারজেন্টের ক্ষারে পোশাক নষ্ট হয় তাড়াতাড়ি। তাই দাগ লাগলেই তাকে ডিটারজেন্টে ডোবাবেন না। বরং দাগ লাগা অংশগুলি একটি নরম কাপড় দিয়ে মুছে নিন৷ তার পর তা খোলা হাওয়ায় শুকোতে দিন কিছুক্ষণ। এর পর স্কিন টোনার লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। এ বার ফের হাওয়ায় শুকিয়ে কাচুন। ডিওড্রেন্টের নাছোড় দাগ উঠবে সহজেই। আনন্দবাজার এসি  

জিন্স নিয়ে ৮ তথ্য

জিন্সের সঙ্গে কাউকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই, একথা ঠিক৷ তবে জিন্সের প্যান্ট স্কিনি বা স্ট্রেচ হওয়ায় যেমন রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন নাম, তেমনি রয়েছে নানা রকমের ছাঁট ও ডিজাইন৷ মম জিন্স এই নামের ও ছাঁটের জিন্স হয় আরামদায়ক৷ ওপরের অংশ কিছুটা ঢিলেঢালা হলেও নীচে অর্থাৎ পায়ের কাছে চাপা৷ এই জিন্স পরার পর কিন্তু পেট বেশ নির্মেদ দেখায়৷ বলা যায়, যাদের পেট সামান্য মোটা, তাদের জন্য অবশ্যই মম জিন্স ভালো৷ ওয়াইড ক্রপড জিন্স এই ছাঁটের জিন্সের ওপরটা চাপা বা টাইট, তবে পা দু’টো চওড়া৷ এই জিন্সের সঙ্গে হাইহিল পরলে মেয়েদের কিন্তু বেশ স্মার্ট দেখায়৷ ফ্লেয়ার্ড জিন্স টাইট জিন্স তবে নীচের বর্ডার উল্টনো বা ভাঁজ করা৷ এই ডিজাইন কিন্তু আগে ট্রেন্ড ছিল, এখনও ট্রেন্ড৷ স্কিনি জিন্স নামেই যার পরিচয়৷ পায়ের সঙ্গে একদম টাইট হয়ে লেগে থাকে এই জিন্স৷ তরুণ-তরুণীদের ভীষণ পছন্দ! ডেকোরেটেড অর্থাৎ সাজুগুজু করা জিন্স ছোট ছোট কাঁচ পাথর বা পুতি বসানো জিন্স৷ একটু কম বয়সের মেয়েরাই এ সব পরে থাকে৷ তবে এই জিন্স ওয়াশিং মেশিনে ধোয়া যায় না৷ স্ট্রিংটাঙ্গা জিন্স খোলামেলা জিন্স৷ এ রকম জিন্স পরা মানুষ অবশ্য তেমন দেখা যায় না বললেই চলে৷ স্ট্রেচ জিন্স এই জিন্স টানলে কিছুটা বড় হয়, অর্থাৎ সাইজ একটু এ দিক-সে দিক হলেও কিন্তু ভালোভাবেই পরা যায়৷ এ জিন্স খুব আরামদায়ক৷ তবে এই ধরনের জিন্স কিন্তু ড্রায়ারে দেওয়া যাবে না৷ বয়ফ্রেন্ড জিন্স এই জিন্সের ছাঁট সাধারণ, তবে একটু ঘুরিয়ে সেলাই করা৷ খুব জনপ্রিয় এই জিন্স মেরিলিন মনরোর মতো সে যুগের অভিনেত্রীর যেমন প্রিয় ছিল, তেমনি এ যুগের কেটি হোমসেরও খুব প্রিয়৷ সূত্র: ডয়চে ভেলে একে//

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি