ঢাকা, ২০১৯-০৪-২৬ ৮:৩১:০৫, শুক্রবার

ব্রণ-মেছেতার দাগ মুছে ফেলার ঘরোয়া উপায়

ব্রণ-মেছেতার দাগ মুছে ফেলার ঘরোয়া উপায়

অধিকাংশ মানুষই নিজের মুখ নিয়ে সবচেয়ে বেশি সচেতন। মুখের সৌন্দর্য ধরে রাখতে নিয়মিত তার ত্বকের সঠিক যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আপনিও কি মুখের অযাচিত দাগ নিয়ে খুব চিন্তিত? কিন্তু এই সব দাগ কীভাবে দূর হবে সেটাও বুঝে উঠতে পারছেন না! বাজার চলতি নানা রকম ক্রিম, লোশন ব্যবহার করেও ফল মিলছে না? আসুন জেনে নেওয়া যাক কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি, যেগুলো কাজে লাগিয়ে অনায়াসে মুছে ফেলতে পারবেন মুখের দাগ-ছোপ। ব্রণের দাগ দূর করতে ১) চন্দন গুঁড়ার সঙ্গে একটু গোলাপজল মিশিয়ে মুখে লাগান। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ২) শুধু মধুও প্রতিদিন দাগের উপরে লাগাতে পারেন। এতে করে দাগ কমে আসবে। তবে খেয়াল রাখবেন আপনার ত্বকে মধুর ব্যবহারে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হচ্ছে কি না। ৩) তৈলাক্ত ও সাধারণ ত্বকে শশার রস, আলুর রস দিয়ে দশ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন এই রস ব্যবহার করতে পারেন। ৪) শুধু তৈলাক্ত ত্বকে টক দই, লেবুর রস ও আটা মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। সপ্তাহে দু’দিন এটি ব্যবহার করুন। ৫) অ্যালোভেরার রস প্রতিদিন দাগের জায়গায় লাগালে দ্রুত তা কমে যাবে। ৬) তৈলাক্ত ত্বকে মুলতানি মাটি, লেবুর রস ও টকদই মিশিয়ে ব্যবহার করুন। এতে উজ্জ্বলতা বাড়বে, দাগও কমবে। ৭) মিশ্র ও সাধারণ ত্বকে দাগ হলে ল্যাভেন্ডার তেল লাগাতে পারেন। ৮) যে কোনও ত্বকের দাগ কমাতে পাকা কলার পেস্ট ব্যবহার করতে পারেন। ৯) রসুন ও লবঙ্গের মিশ্রণ করে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে লাগিয়ে নিন। সকালে উঠে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ১০) নারকেল তেল ও টি-ট্রি অয়েল প্রতিদিন দু’বার করে দাগের জায়গায় ব্যবহার করা যেতে পারে। ১১) টমোটোর রস মুখে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। এতেও দাগ দূর হয়। ১২) কাঁচা হলুদ ও মধুর মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন। রোদে পোড়া (ট্যান) বা মেছেতার দাগ দূর করতে ১) নিয়মিত লেবুর রস মুখে দিতে পারেন। ২) গুঁড়া দুধ ও গ্লিসারিন মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। ৩) অ্যালোভেরা জেল ও আলুর পেষ্ট নিয়মিত মুখে লাগাতে পারেন। ৪) আমন্ড অয়েল ও মধু মুখে লাগিয়ে হালকা করে ঘষুন। এর পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন। ৫) কমলা লেবুর খোসা গুঁড়া করে তার সঙ্গে দুধ মিশিয়ে নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন। দ্রুত ফল পাবেন। ৬) মেছেতার জায়গায় লেবুর রস, সামান্য ভিনেগার ব্যবহার করা যেতে পারে। কেউ চাইলে এর সঙ্গে অল্প পরিমাণে পানি মিশিয়ে নিতে পারেন। ৭) লেবুর রস, মধু ও কাচা পেঁপে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। দাগ কমাতে এটি ব্যবহার করতে পারেন। উপকার পাবেন। তবে বেশি দাগ হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তা ছাড়া আপনার ত্বকের উপযোগী উপাদান ব্যবহার করা জরুরি। কোনও প্রসাধন সামগ্রী কেনার আগে ভাল করে দেখে শুনে নিন। সূত্র: জি নিউজ একে//
গরমে ত্বকের যত্নে ঘরোয়া ৩ টোটকা

গরম কাল এসে গেছে। আর আপনার ত্বক যদি তৈলাক্ত হয় তাহলে ইতিমধ্যে দুশ্চিন্তায় আপনার ত্বকে আরও বেশ কয়েকটি অ্যাকনে উঁকি মারা শুরু করে দিয়েছে। গ্রীষ্ম এমনিতেই ত্বকের উপর নানা কুপ্রভাব বিস্তার করে। ত্বক শুষ্ক, আর্দ্রতাহীন ও খসখসে হয়ে ওঠে। তার উপরে ক্রমাগত ঘামের জন্য তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে নানা রকম ত্বকের সমস্যা যেমন, পিম্পলস-অ্যাকনে বেড়ে যায়। তবে এ সবের হাত থেকে মুক্তি পেতে প্রচুর টাকা খরচা করতে হবে তা কিন্তু নয়। আপনার রান্নাঘরের কয়েকটি উপাদান এই সমস্যার হাত থেকে আপনাকে রেহাই দিতে পারে। তেমনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ফল হলো কমলালেবু। সত্যি বলতে ত্বকের উপর জাদু করতে পারে কমলালেবু। কারণ এর মধ্যে অতিরিক্ত তেল শুষে নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। কমলালেবু দিয়ে তৈরি তিনটি ফেস প্যাকের সন্ধান- কমলালেবু ও নিমের ফেস প্যাক উপকরণ ১. কমলালেবুর রস ৩ টেবিল চামচ, ২. দুধ ২ টেবিল চামচ, ৩. নিমপাতা বাটা ৩ টেবিল চামচ। প্রণালী একটি পাত্র নিয়ে তার মধ্যে নিমপাতা বাটা ও দুধ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার তার মধ্যে কমলালেবুর রস মেশান। মিশ্রণটি ঘন থকথকে হলে মুখে মেখে কুড়ি মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। কমলালেবু ও বেসনের ফেসপ্যাক উপকরণ ১. বেসন ২ টেবিল চামচ, ২. গোলাপজল ৩ টেবিল চামচ, ৩. কমলা লেবুর রস ৩ টেবিল চামচ। প্রণালী কমলালেবুর রসের সঙ্গে বেসনের গুঁড়া ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এরপরে তার মধ্যে পরিমাণমতো গোলাপ জল মেশান। মুখে মেখে কুড়ি মিনিট রাখার পরে দেখবেন পুরো মিশ্রণটি শুকিয়ে গেছে। তখন হালকা হাতে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন বা নরম কাপড় ভিজিয়ে মুছে ফেলতে পারেন। এক সপ্তাহে ৩ বার এই প্যাক ব্যবহার করুন। কমলা লেবু এবং ওটমিল ফেসপ্যাক উপকরণ ১. ওটমিল ১ টেবিল চামচ, ২. কমলালেবুর রস ২ টেবিল চামচ। প্রণালী একটি পাত্রে দুটি উপাদান ভালোভাবে মিশিয়ে মুখে মাখুন। দশ থেকে বারো মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন । তাহলে গরমকে আর ভয় পাবেন না। কারণ ত্বকের বন্ধু তো হাতের কাছেই রইল। সূত্র: এনডিটিভি একে//

জেনে নিন আপনার ত্বকের জন্য কোন সানস্ক্রিন ‘পারফেক্ট’

গরম পড়তে না পড়তেই রোদের তেজ চড়চড় করে বাড়তে শুরু করেছে। এই গরমে ত্বককে রক্ষা করতে ছাতা এবং সানস্ক্রিন অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু কোন ত্বকের জন্য কেমন সানস্ক্রিন জরুরি, তা আমরা অনেকেই জানি না। তাই কেনার আগে জেনে নিন কোন ধরনের সানস্ক্রিন আপনার ত্বকের জন্য উপযুক্ত- ১) যাদের ত্বক শুষ্ক, তারা ময়শ্চারাইজিং সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে সবচেয়ে ভাল ফল পাবেন। এই ধরনের সানস্ক্রিন ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ২) যাদের ত্বক তৈলাক্ত, তারা এমন সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন যা ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখার সঙ্গে সঙ্গে ত্বককে রাখবে তেল মুক্ত। মনে রাখবেন, তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণ বা ফুসকুড়ির সমস্যা হতে পারে। তাই সানস্ক্রিন লোশন বা স্প্রে ব্যবহার করুন। ভাল ফল পাবেন। ৩) যাদের ত্বকে ব্রণ বা ফুসকুড়ির সমস্যা রয়েছে গরম বাড়লে তাদের সমস্যা আরও বেড়ে যায়। এ ক্ষেত্রে কোনও রাসায়নিক মিশ্রিত, কৃত্রিম সুগন্ধি যুক্ত সানস্ক্রিন এড়িয়ে চলুন। ৪) যদি আপনার ত্বক সংবেদনশীল হয়, সে ক্ষেত্রে প্যারাবেন বা অক্সিবেনজোন যুক্ত সানস্ক্রিন এড়িয়ে চলুন। এই ধরনের সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে ত্বকে র‌্যাশ দেখা দিতে পারে। সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে টাইটেনিয়াম ডাইঅক্সাইড বা জিঙ্ক অক্সাইডযুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে ভাল ফল পাবেন। ৫) ত্বকের রক্ষার জন্য ন্যূনতম এসপিএফ ৩০ প্রয়োজন। যাদের ত্বকের রং ফর্সা, তারা এসপিএফ ৫০+ সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে সবচেয়ে ভাল ফল পাবেন। সূত্র: জি নিউজ একে//

ব্রণ-ফুসকুড়ির সমস্যা সমাধানে ঘরোয়া ৫ টোটকা

সৌন্দর্যের প্রাথমিক শর্তই হল নিখুঁত, উজ্জ্বল ত্বক। কিন্তু অনেক সময় ব্রণ বা ফুসকুড়ি এই সৌন্দর্যের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। অনেকের ক্ষেত্রে এই সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করে! ঠিকঠাক চিকিৎসায় ব্রণ, ফুসকুড়ির সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে ঠিকই, কিন্তু তার জন্য যে সব ওষুধ বা ক্রিম বাজারে উপলব্ধ সেগুলো অত্যন্ত ব্যয়বহুল। তাছাড়া, ব্রণ, ফুসকুড়ির চিকিত্সায় ব্যবহৃত মলম বা জেল থেকে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ও থেকে যায়। তবে প্রাকৃতিক উপায়ে ব্রণ, ফুসকুড়ির সমস্যার সমাধান করা যায়। আসুন জেনে নেওয়া যাক ব্রণ, ফুসকুড়ির সমস্যার সমাধানে ৫টি অব্যর্থ ভেষজ টোটকা- নিমপাতা নিমপাতা অত্যন্ত কার্যকর একটি জীবাণুনাশক উপাদান। তাই ব্রণ, ফুসকুড়ি সারাতে নিমপাতা বেটে তার সঙ্গে চন্দনের গুঁড়া মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। এই মিশ্রণ ত্বকের আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে মিনিট কুড়ি রেখে ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন। পাতিলেবুর রস যাদের মুখে ব্রণের পরিমাণ অত্যধিক বেশি তারা পাতিলেবুর রস দিনে অন্তত ২-৩ বার ব্রণ আক্রান্ত জায়গাগুলোতে লাগান। তবে ৪-৫ মিনিটের বেশি রাখবেন না। তার পর ধুয়ে ফেলুন। যত দিন না সমস্যা কমছে, এই পদ্ধতি কাজে লাগান। ফল পাবেন হাতেনাতে। পাকা পেঁপে এক কাপের মতো পাকা পেঁপে চটকে তার সঙ্গে এক চামচ পাতিলেবুর রস আর প্রয়োজন মতো চালের গুঁড়া মেশান। এই মিশ্রণটি মুখসহ গোটা শরীরে মাখুন। ২০-২৫ মিনিট মালিশ করে তার পর ধুয়ে ফেলুন। পেঁপে ছাড়াও এ ক্ষেত্রে ঘৃতকুমারীর রস ব্যবহার করতে পারেন। উপকার পাবেন। গোলাপ জল ব্রণ, ফুসকুড়ি সারাতে গোলাপ জল অত্যন্ত কার্যকরী। গোলাপ জলের নিয়মিত ব্যবহারে ব্রণের দাগ কমে যায়। দারুচিনি গুঁড়ার সঙ্গে গোলাপ জল মিশিয়ে সেটি ব্রণের ওপর লাগিয়ে মিনিট কুড়ি পর ধুয়ে ফেলুন। এতে ব্রণের সংক্রমণ, চুলকানি এবং ব্যথা অনেকটাই কমে যাবে। পুদিনা পাতার রস পুদিনা পাতার রস করে নিয়ে সেটা দিয়ে আইস কিউব তৈরি করুন। ফুসকুড়ি ও ব্রণের এই আইস কিউব ঘষুন ১০-১৫ মিনিট। এতে ফুসকুড়ি ও ব্রণের সংক্রমণ তো কমবেই সঙ্গে ত্বকের জ্বালাপোড়া ভাবও দূর হবে। সূত্র: জি নিউজ একে//

ত্বকের জন্য ক্ষতিকর ৫টি জিনিস

অনেকেই বডি লোশন ব্যবহার করে থাকেন। হাতে, পায়ে মাখার সঙ্গে সঙ্গে মুখের ত্বকেও মেখে নেন বডি লোশন! কিন্তু ডার্মেটোলজিস্ট বা ত্বক-বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে ত্বকের উপকারের তুলনায় ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি! শুধু বডি লোশনই নয়, এমন অনেক কিছুই আছে যা মুখের ত্বকের জন্য ক্ষতিকর! আসুন সেগুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক- ১) স্ক্রাবার হিসেবে অনেকেই বেকিং সোডা ব্যবহার করে থাকেন। এতে ত্বকের পিএইচ ব্যালান্স নষ্ট হয়ে যায়। ২) খেয়াল রাখবেন, শ্যাম্পু করার সময় ফেনা বা শ্যাম্পু যেন মুখের ত্বকে না লাগে। কারণ শ্যাম্পু বা শ্যাম্পুর ফেনা মুখের ত্বকে লাগলে ত্বক রুক্ষ আর শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। ত্বকে র‌্যাশ পর্যন্ত দেখা দিতে পারে। ৩) চুলে রং করার সময় খেয়াল রাখবেন, ওই রং যেন মুখের ত্বকে লেগে না যায়। কারণ এই রঙের মধ্যে থাকা ক্ষতিকর রাসায়নিক ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। ৪) চুলের যত্ন নিতে অনেকেই মেয়োনিজ ব্যবহার করেন। এই মেয়োনিজ চুলের যত্নে অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান হলেও মেয়োনিজে থাকা অ্যাসিড ত্বকের জন্য মোটেও ভাল নয়। ৫) ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করার জন্য অনেকেই বডি লোশন ব্যবহার করে থাকেন। হাতে, পায়ে মাখার সঙ্গে সঙ্গে মুখের ত্বকেও মেখে নেন বডি লোশন! কিন্তু ডার্মেটোলজিস্ট বা ত্বক-বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে ত্বকের উপকারের তুলনায় ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি! তাদের মতে, বডি লোশন মুখে মাখার লোশনের তুলনায় অনেক ভারী হয়। এতে ব্রণ, ফসকুড়ির সমস্যা দেখা দিতে পারে। সূত্র: জি নিউজ একে//

রূপচর্চায় পান পাতার ৫টি আশ্চর্য ব্যবহার

মুখের স্বাদ ফেরাতে বা খাবার হজম করাতে পান পাতার জুড়ি মেলা ভার! এমন অনেকেই আছেন যাদের দিনে ৮-১০টা পান না হলে চলে না! তবে জানেন কি, রূপচর্চায় বা ত্বকের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রেও পান অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান? সৌন্দর্য ধরে রাখতে নিয়মিত ত্বকের সঠিক যত্ন নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। সৌন্দর্যের প্রাথমিক শর্তই হল নিখুঁত, উজ্জ্বল ত্বক। তাছাড়া, সৌন্দর্যের একটি অপরিহার্য অংশ হল চুল। চুলের যত্নেও পান পাতার ব্যবহার করা হয়। আসুন জেনে নেওয়া যাক দৈনন্দিন রূপচর্চায় পান পাতার কয়েকটি আশ্চর্য ব্যবহার- শরীরের দুর্গন্ধ দূর করা গোসলের পানিতে পান পাতার রস মেশাতে পারলে শরীরের দুর্গন্ধ সহজেই দূর হয়। শুধু তাই নয়, নিয়মিত পান পাতা দিয়ে ফোটানো পানি খেতে পারলে শরীর থেকে দূষিত পদার্থ (টক্সিন) শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। পান পাতার রস শরীরে দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াকে বাড়তে দেয় না। তাই পান পাতা দিয়ে ফোটানো পানি দিয়ে গোসল করতে পারলে শরীরে দুর্গন্ধও হয় না। মাথার ত্বকে পান পাতা পান পাতা বেটে নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে মাথার ত্বকে ভাল করে লাগান। সময় নিয়ে চুলের গোড়ায় ভাল করে মালিশ করুন। তার পর ১ ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২-৩ দিন এই পদ্ধতি কাজে লাগাতে পারলে অতিরিক্ত চুল ঝরার সমস্যাও নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে একই সঙ্গে নতুন চুলও গজাবে। অ্যালার্জির সমস্যা দূর করতে পান পাতা এক বাটি পানিতে ৮-১০টা পান পাতা ফুটিয়ে সেই পানি মিশিয়ে গোসল করতে পারলে অ্যালার্জি, র‌্যাশে বা ওই জাতীয় ত্বকের সমস্যা বা অস্বস্তি দ্রুত কমে যাবে। ব্রণ-ফুসকুড়ির সমস্যায় পান পাতা পান পাতার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ ত্বকের ব্রণ, ফুসকুড়ির সমস্যাকে দ্রুত সারিয়ে তোলে। পান পাতা হলুদের সঙ্গে মিশিয়ে বেটে ব্রণ, ফুসকুড়িতে আক্রান্ত ত্বকের উপর আলতো করে লাগিয়ে রেখে দিন। দেখবেন, ব্রণ, ফুসকুড়ি দ্রুত সেরে যাবে। হজমের সমস্যা দূর করে খাবার খাওয়ার পর পান খেলে তা খাবার হজম করাতে যেমন সাহায্য করে, তেমনই মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াকেও বাড়তে দেয় না। ফলে মুখ গহ্বরের স্বাস্থ্য ভাল থাকে, মুখেও দুর্গন্ধ হয় না। সূত্র: জি নিউজ একে//

ত্বকের যত্নে দুধের ৫ ব্যবহার

এক গ্লাস দুধ আমাদের শরীরের জন্য কতটা উপকারী, এ কথা প্রায় সকলেই জানেন। পুষ্টিবিদরা দুধকে সুষম খাবারের তালিকায় রেখেছেন। চিকিত্সকদের মতে, রাতে উষ্ণ দুধ খেয়ে শুতে পারলে ভাল ঘুম হয়। একই সঙ্গে ত্বক কোমল ও দীপ্তিময় হয়ে ওঠে। বেকফাস্টেও দুধ খেতে পারেন। যারা সকালে জিম বা শরীরচর্চা করেন, তাদের জন্য ব্রেকফাস্টে দুধ অপরিহার্য। তবে শুধু শরীর-স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, আমাদের ত্বকের জন্যেও দুধ অত্যন্ত উপকারী! আসুন এ বিষয়ে সবিস্তারে জেনে নেওয়া যাক... ১) শুষ্ক ত্বকের সমস্যায় দুধ অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। ত্বকের রুক্ষ, শুষ্ক ভাব কাটাতে ১ কাপ দুধের সঙ্গে একটা কলা চটকে মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে নিন। এ বার এই প্যাক ৩০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রেখে জল দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। ফল পাবেন হাতেনাতে। ২) ত্বকে ট্যান পড়েছে? ত্বকের ট্যান তুলতে আধা কাপ দুধের সঙ্গে সমপরিমাণ গ্রিন টি মিশিয়ে নিন। এ বার এই মিশ্রণ তুলোয় ভিজিয়ে গোটা মুখে আলতো করে মাখিয়ে নিন। তার পর মিনিট পনেরো রেখে জল দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন স্নানের আগে এই পদ্ধতি কাজে লাগালে দ্রুত ফল পাবেন। ৩) ক্লিনজার হিসেবে অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। তুলোয় করে দুধ গোটা মুখে আলতো করে মাখিয়ে নিন। আঙুলের ডগা দিয়ে হালকা করে মিনিট দশেক মালিশ করে উষ্ণ জলে মুখ ধুয়ে নিন। উপকার পাবেন। ৪) ত্বকের ডেড সেল বা মরা চামড়া তুলতে দুধ ও মধু মিশিয়ে মিনিট পনেরো স্ক্রাব করুন। তার পর উষ্ণ জলে মুখ ধুয়ে নিন। ফল পাবেন হাতেনাতে। ৫) পায়ের গোড়ালির ত্বক রুক্ষ আর শক্ত? হালকা উষ্ণ দুধে ও জল মিশিয়ে তার মধ্যে পা ডুবিয়ে কিছু ক্ষণ (অন্তত ১৫-২০ মিনিট) বসে থাকুন। তার পর হালকা করে ঘষে নিন। দেখবেন পায়ের গোড়ালি নরম আর পরিষ্কার হয়ে যাবে। তথ্যসূত্র: জি নিউজ এমএইচ/

ঋতু বদলের সময়ে ত্বকের জেল্লা ধরে রাখুন এভাবে

শীতের বিদায় আর বসন্তের শুরু, ঋতুর সঙ্গে তাল মিলিয়ে আবহাওয়ারও পরিবর্তন হয়। ত্বকের চাহিদাও বদলায় এই সময়। এত দিন যে সব যত্নে ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখা যাচ্ছিল, সে সবেও কিছুটা বদল আনার সময় হয়েছে বইকি। রূপবিশেষজ্ঞরাও এই সময় বেশ কিছু বিশেষ ফেসপ্যাকের কথা বলেন। সেই সব ফেসপ্যাক ব্যবহার করলে ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে ত্বকেও ঔজ্জ্বল্য আসে। তবে আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাওয়ানো ত্বকের যত্নের জন্য আলাদা করে অনেকটা সময় দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং একেবারে নামমাত্র খরচে ঘরেই বানিয়ে ফেলা যায় এমন সব ফেসপ্যাক। জানেন কি, আপনার চারপাশের নানা ফলের উপর নির্ভর করে এই ঋতু পরিবর্তনের সময় কীভাবে রক্ষা করবেন নিজের ত্বক? ১. কমলালেবু এই সময় সহজেই পাওয়া যায়। কমলালেবুর খোসা শুকিয়ে তাকে মিহি গুঁড়া করে নিন। এর মধ্যে এক চামচ ওটমিল, এক চামচ দই ও কয়েক ফোঁটা মধু মেশান। এই মিশ্রণ ১০-১৫ মিনিট মাখিয়ে রাখুন ত্বকে। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন। ২. আপেল দিয়েও বানিয়ে ফেলতে পারেন মনের মতো ফেসপ্যাক। খোসা ছাড়ানো আপেল বাটার সঙ্গে কয়েক ফোঁটা মধু দশ মিনিট মেখে রাখুন মুখে। থকথকে এই মিশ্রণের রস শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। ৩. কলা ও মধু দিয়ে বানানো ফেসপ্যাকের ব্যবহার অনেকেরই জানা। আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় এর সঙ্গে মেশান কিছুটা টকদই। ত্বকে এই মিশ্রণ মেখে রাখুন মিনিট পনেরো। তার পর তা ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন। আরও ভাল ফল পেতে কিছুটা ওটস যোগ করতে পারেন এতে। ৪. কয়েক টুকরা পাকা পেঁপের সঙ্গে ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে এক চামচ মধু এবং কিছুটা লেবুর রস মিশিয়ে নিন। ত্বকের মৃত কোষ ঝরিয়ে তাকে উজ্জ্বল ও তরতাজা করতে এই প্যাক খুব কার্যকর। ১৫ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন তা। ৫. টম্যাটো প্রাকৃতিকভাবেই ট্যানরোধক। শীতের বিদায়ের সময় কিছুটা রোদের তেজ বাড়ে। সেই সময় বাইরে থেকে ঘুরে এলে টম্যাটোর সঙ্গে হলুদ গুঁড়া ও টকদই মিশিয়ে মুখে মাখুন। কিছুক্ষণ রেখে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

মাত্র তিন-চার দিনেই ত্বকে আনুন ঈর্ষণীয় জেল্লা

অফিস-ঘর সামলে আপনার হাতে সময় নেই ফেসিয়ালের? অবশ্য তা করলেও অনেক সময়ই ত্বকের চাকচিক্য ততটা ফেরে না, যতটা ফেরে ঘরোয়া যত্নে। এ ছাড়া ফেসিয়াল প্যাকে ব্যবহৃত রাসায়নিকও সব ত্বকের যত্নের পক্ষে ভাল নয়। তাহলে উপায়? রূপবিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক’দিনের মধ্যেই ত্বককে জেল্লাদার করে তুলতে হলে ভরসা রাখুন ঘরোয়া কিছু যত্নে। তবে তার জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলতেই হবে। দেখে নিন সে সব। ১. এই ক’দিন সকাল শুরু করুন খালি পেটে এক গ্লাস পানি খেয়ে। শরীরের টক্সিন দূর করতে সবচেয়ে কার্যকর উপায় এটি। চেহারায় চাকচিক্য ফেরানোর কাজ সহজ করবে পানি। সঙ্গে খাবারদাবারেও নজর দিন। এই ক’দিন এড়িয়ে চলুন অতিরিক্ত তেল-মশলা। ২. আপনার ত্বকের জন্য উপযুক্ত কোনও ক্লিনজার বা টোনার ব্যবহার করুন। বাইরে বেরনোর আগে ব্যবহার করুন সে সব। ৩. বাইরে বেরনোর সময় শরীরের খোলা অংশে অবশ্যই সানস্ত্রিন ব্যবহার করুন। ৪. মেকআপ করার দরকার পরলে বাড়ি ফিরে অবশ্যই ক্লিনজার ও টোনার সহযোগে ভাল করে মেক আপ তুলে ময়শ্চারাইজার মাখুন। মেক আপ না তুললে সেখান থেকেই ত্বকের ক্ষতি শুরু হয়। ৫. অন্তত দু’দিন ফ্রুট প্যাক লাগান মুখে। ফেসপ্যাক তোলার পর অবশ্যই টোনার দেবেন ত্বকে। ৬. প্রতিদিন রাতে মধু, টক দই ও ওটসের মিশ্রণ লাগিয়ে রাখুন মিনিট দশেক। তার পর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন মুখ। ৭. ভ্যালেন্টাইন’স ডে কিংবা বিয়েবাড়ি, বেরনোর আগের দিন ত্বককে স্ক্রাব করুন ভাল কোনও এক্সফোলিয়েটিং স্ক্রাব দিয়ে। সাধারণত এই কয়েকটা নিয়ম মেনে চললেই আগামী তিন-চার দিনের মধ্যেই ত্বককে অনেকটা প্রাণবন্ত করতে পারবেন আপনি। তাহলে আর দেরি কেন? সূত্র: আনন্দবাজার একে//

চোখের কালো দাগ দূর করার সহজ ৬ উপায়

আপনি কি দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটার সামনে বসে কাজ করেন? কিংবা চাপের কারণে রাতে অনেক ক্ষণজাগতে হচ্ছে ইদানীং? বা পার্টির মরশুমে একটু বেশি মাত্রায় পান করে ফেলছেন? মনে রাখবেন, এর ছাপ পড়বে আপনার চোখে। শরীর ক্লান্ত থাকলে, তার প্রভাব চোখে পড়বেই। কিন্তু ক্লান্ত চোখকে চাঙ্গাও করা যায়। হাতে রয়েছে বেশ কয়েকটি সহজ রাস্তা। গ্রিন টি গ্রিন টি ডিটক্স হিসেবে খুব কার্যকরী। দুটো টি-ব্যাগ এক কাপ গরম জলে ডুবিয়ে রাখুন। তিন-চার মিনিট রাখার পর টি-ব্যাগ সমেত কাপটি ফ্রিজে রেখে দিন ঠান্ডা করার জন্য। যদি তাড়া থাকে, তাহলে বরফ শীতল জলেও টি-ব্যাগ জুবিয়ে দিতে পারেন। আর কাপের জলটি ব্যবহার করার আগে টি-ব্যাগ চেপে ভিতরে থাকা রসটি বার করে নিন। ঠান্ডা গ্রিন টি বন্ধ চোখের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। ক্লান্তি অনেকটা দূর হবে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বলে, চোখের জ্বালাও দূর করবে এই গ্রিন টি। খাবার বদলান  চোখের তলায় কালি পড়ছে? মনে রাখবেন আপনার পাতের হাই-অ্যালার্জেন খাবারও এ জন্য দায়ি হতে পারে। ফলে সম্ভব হলে দুধ, আটা-ময়দা এবং সয়াবিন জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। তার জায়গায় বেশি করে খান কলা, স্পিনাচ বা পালং শাক এবং অবশ্যই বিট। চোখের নীচের কালি কমবে। শসার ব্যবহার শসা চোখের জন্য ভালো। এ কথা তো সবাই জানেন। কিন্তু কেন ভালো জানেন কি? শসার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের ক্লান্তি অনেকটা দূর করতে পারে। শসা ফালি ফালি করে কেটে দুটো চোখের ওফর ১৫ থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত রাখুন। যদি ইচ্ছে হয়, তার আগে শসাকে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিতে পারেন। তাতে বেশি আরাম লাগবে। ভিটামিন সি চোখ প্রচণ্ড ক্লান্ত হয়ে পড়ছে? মাঝে মাজেই প্রচণ্ড জ্বালা? ভিটামিন সি-এর অভাবে এই সমস্যা হতে পারে। আগামী দিন তাই ক্রিম কেনার আগে দেখে নিন, তাতে ভিটামিন সি রয়েছে কি না। মনে রাখবেন, চোখের নীচে এই ক্রিমের ব্যবহার আপনার চোখকে আরাম দেবে। এবং চোখের অসুখ কমাবে। ঠান্ডা চামচ বাড়িতে শসাও নেই, গ্রিন টি-ও নেই। তাহলে উপায়? চটজলদি ক্লান্ত চোখের উপসম চাইলে, চামচ দিয়েও কাজ চালাতে পারেন। দুটো চামচ ডিপ ফ্রিজে রেখে বরফ শীতল করে ফেলুন। তারপর প্রতিটা চোখের নীচে রাখুন। মনে রাখবেন, ৩০ সেকেন্ডের বেশি সময় একবারে রাখবেন না। দিনের মাথায় এই প্রক্রিয়া তিন-চার বার করতে পারেন। Exclusive Amazon ডিল উপভোগ করুন, মহিলাদের বস্ত্র বিভিন্ন দামে স্টাইলিশ সম্ভার, Flipkart-এ প্রিমিয়ার ব্র্যান্ডের জিনিস, ফ্রি শিপিং Exclusive Amazon ডিল পান মহিলাদের পোশাক, জুতো, জুয়েলারি ও ঘড়িতে সিগারেট এড়িয়ে চলুন  খুব ক্লান্ত চোখ? তাহলে সিগারেটের ধোঁয়া একেবারে এড়িয়ে চলুন। মনে রাখবেন, এতে চোকের ক্ষতি বাড়বে। যাঁরা নিয়মিত মদ্যপান করেন, তাঁরাও পানাভ্যাসে একটু কমালে ভালো হয়। কারণ এই দু`টির প্রভাবেই চোখের অস্বাভাবিক রক্তসঞ্চালন বাড়ে। তথ্যসূত্র: বোল্ড স্কাই এমএইচ/

ঘরোয়া উপায়ে আঁচিল দূর করবেন যেভাবে   

শরীরে আঁচিল বড় রকমের একটি সমস্যা। ডাক্তার-কবিরাজ দিয়েও বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ত্বকের এই উপবৃদ্ধি থেকে নিস্তার মেলে না। কিন্তু জানেন কি টাকা খরচ করে ওষুধ না খেয়েও ঘরোয়া জিনিস দিয়ে এর নিরাময় সম্ভব?     অ্যাপল সিডার ভিনিগার: ভিনিগারে ভেজানো তুলো আঁচিলের উপর রেখে দিন সারা রাত। পাঁচ দিন করুন। অ্যাপল সিডার ভিনিগারে প্রচুর অ্যাসিড রয়েছে। এই অ্যাসিড প্রাকৃতিক ভাবে জড়ুল পুড়িয়ে দেয়। ফলে জড়ুলের বৃদ্ধি রদ হয়। অ্যালভেরা: একটা অ্যালভেরা পাতা কেটে নিন। ভিতরের থকথকে জেলিটা ওই জায়গায় লাগিয়ে দিন। কয়েকদিন করলেই জড়ুল শুকিয়ে যাবে। নিজে থেকে ঝরেও যাবে। অ্যালোভেরার মধ্যে উপস্থিত ম্যালিক অ্যাসিড এই ম্যাজিক করে দেখাবে। বেকিং পাউডার: ক্যাস্টর অয়েল এবং বেকিং পাউডারের একটি মিশ্রণ তৈরি করে ফেলুন। মিশ্রণটা আঁচিলের উপর ভাল করে লাগিয়ে বেঁধে রাখুন জায়গাটা। সারা রাত এই ভাবে ফেলে রাখুন। দু-তিন দিন পর থেকেই ফল পেতে শুরু করবেন। ক্রমশ আঁচিল অদৃশ্য হয়ে যাবে। বেকিং পাউডার: ক্যাস্টর অয়েল এবং বেকিং পাউডারের একটি মিশ্রণ তৈরি করে ফেলুন। মিশ্রণটা আঁচিলের উপর ভাল করে লাগিয়ে বেঁধে রাখুন জায়গাটা। সারা রাত এই ভাবে ফেলে রাখুন। দু-তিন দিন পর থেকেই ফল পেতে শুরু করবেন। ক্রমশ আঁচিল অদৃশ্য হয়ে যাবে। রসুন: ত্বকের যত্নে রসুন খুবই উপকারি। অ্যালিসিন রয়েছে রসুনে। অ্যালিসিন অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল। রসুন থেঁতো করে ওই জায়গায় লাগালে উপকার হবে।    কলার খোসা: কলা খেতে ভালবাসেন? খোসাটা ফেলবেন না। খোসার উৎসেচক ত্বককে রক্ষা করে। রোজ কলার খোসা জড়ুলের উপর ঘষলে ফল পাবেন।   এসি   

ত্বক পরিচর্যায় ঘরোয়া ৫ টোটকা

সারা দিনের ধুলাবালি, দূষণ ইত্যাদি থেকে ত্বককে বাঁচানোকে কেবল ‘শখের’ পরিচর্যা হিসেবে ধরলে ভুল হবে। বরং শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে গেলে, ত্বকের নানা সমস্যা ঠেকাতেও এর প্রয়োজন আছে। বাড়িতেই বানিয়ে নেওয়া যাবে, সহজলভ্য উপাদান হবে এবং পকেটসই দামে মিলবে- এই তিন ফ্যাক্টরকে মাথায় রেখে রইল কিছু ফলের ফেসপ্যাক, যা আপনার ত্বক পরিচর্যার ক্ষেত্রে বিশেষ কার্যকর হবে। কমলালেবু কমলালেবুর খোসা শুকিয়ে গুঁড়া করে নিন। এবার এর সঙ্গে এক চামচ ওটমিল, কয়েক ফোঁটা মধু ও এক চামচ টক দই মেশান। কমলালেবুর খোসা ত্বকের মৃত কোষ ঝরাতে ও ত্বককে পরিষ্কার করতে বিশেষ সাহায্য করে। মধু প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজার। ত্বকের বা বাইরে বেরলে শরীরের যে সব অংশ খোলা থাকে, সে সব স্থানে এই প্যাক মিনিট পনেরো মাখিয়ে রাখুন। শুকিয়ে এলে ধুয়ে ফেলুন ভাল করে। আপেল খোসা ছাড়িয়ে আপেলের অর্ধেক অংশ বেটে নিন। এর সঙ্গে দু’চামচ মধু মিশিয়ে ত্বকে মাখুন। কিছু ক্ষম রাখার পর শুকিয়ে মধু শুকিয়ে গেলে আপেল বাটা সরিয়ে ভাল করে ধুয়ে নিন ত্বক। পাকা কলা যে কোনও প্রকার ত্বকের জন্যই এই প্যাক খুবই উপকারী। পাকা কলার তিন-চারটি স্লাইসের সঙ্গে এক চামচ মধু ও আধ চামচ দই মেশান। কলা প্রাকৃতিক টোনার। এর সঙ্গে মধু ও দইয়ের মিশেল ত্বককে উজ্জ্বল ও নরম করতে সাহায্য করে। দশ মিনিট রেখে ধুয়ে নিন এই প্যাক। সপ্তাহে তিন দিন এই প্যাক ব্যবহার করলেই চেহারায় আলাদা ঝলক দেখতে পাবেন। পেঁপে পাকা পেঁপের বীজ ছাড়িয়ে তিন-চারটা টুকরো করে নিন। এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে মিনিট পনেরো রেখে ধুয়ে ফেলুন। টম্যাটো টম্যাটো প্রাকৃতিক ট্যান রিমুভার। তীব্র রোদ থেকে ঘুরে এসে এই প্যাক মাখলে তা ত্বকের ট্যান সরাতে সাহায্য করে। এর সঙ্গে কাঁচা হলুদ বাটা ও টক দই মেশালে ত্বক তার পুরনো লাবণ্য ফিরে পাবে। কয়েক দিন রোদে খুব গোরাঘুরি করার পর নিষ্প্রাণ ত্বকের ঔজ্জ্বল্য ফেরাতে এই প্যাক বিশেষ কার্যকর। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি করে ৬টি স্বভাব

ত্বক ভাল রাখতে কেবল যত্ন নিলেই চলে না, দরকার কিছু জরুরি বিষয়ে সতর্ক হওয়াও। কিন্তু দৈনিক জীবনযাপনে আপনিও কি এমন কিছু ভুল করে বসছেন, যার প্রভাবে আপনারও ত্বক সমস্যায় পড়ছে নিয়ত? তবে কয়েকটা সহজ নিয়ম মেনে চললেই মিটতে পারে সে সমস্যা। ত্বককে প্রাণবন্ত রাখতে কোন কোন স্বভাব আজই ছাড়তে হবে জানেন? তেল-মশলা খাবারের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করা তেল-মশলার পরিমাণ কমাতে না পারলে ত্বকের ক্ষতি প্রতিরোধ প্রায় অসম্ভব। শরীরের অরিকিক্ত তেল ত্বকের কোষের মুখগুলোকে আটকে দেয়। এর প্রভাবে ব্রণের শিকার হতে হয় অনেককেই। গরম পানি সারা শীতকাল জুড়ে গরম পানিতে মুখ ধোন? পারলে আজই ছাড়ুন এই অভ্যাস। গরম পানি ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতাকে নষ্ট করে ও ত্বকের প্রয়োজনীয় তেলকে সরিয়ে দেয়। ফলে চামড়া কুঁচকে যাওয়া থেকে রুক্ষ হওয়া- সবটাই ঘটে গরম পানির কারণে। ব্লিচ ও স্ক্রাব ফর্সা হওয়ার ইচ্ছায় ব্লিচ ও স্ক্রাব করান অনেকেই। প্রথমেই মনে রাখতে হবে, গায়ের রং বদলানো অসম্ভব। ঘষেমেজে তাকে চটকদার বা জেল্লাদার করা যায় মাত্র। তাই ব্লিচ বা স্ক্রাবিংয়ে ফর্সা হওয়া যায়- এই মিথ ঝেড়ে ফেলুন। বরং বয়স ৪০ ছোঁওয়ার আগে ব্লিচ করার কোনও প্রয়োজন নেই। তাও খুব বুঝে এবং ত্বকের অবস্থার উপর নির্ভর করে করানোই বুদ্ধিমানের কাজ। ঘন ঘন ব্লিচ বা স্ক্রাবিং ত্বককে ফর্সা তো করেই না, উল্টো ত্বককে কালচে করে দেয়। ধূমপান ত্বকের যত্নের পথে সবচেয়ে বড় বাধা ধূমপান। শুধু হৃদরোগ বা ফুসফুসের ক্যানসার ডেকে আনাই নয়, ত্বকেরও প্রভূত ক্ষতি করে সিগারেটের নিকোটিন। এ ছাড়া সিগারেটের কার্বন মনো অক্সাইড ত্বকে অক্সিজেন পৌঁছানোর পথেও বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ফলে ত্বক শুকনো হয় দ্রুত। ইচ্ছামতো ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ না মেনে ইচ্ছামতো ওষুধ কেনেন নিজেই? শরীরের জন্য তো বটেই, ত্বকের জন্যও খুব ক্ষতিকর এই স্বভাব। বেশ কিছু বাজারচলতি প্রচলিত ওষুধ অনেক সময় ত্বকের নানা ক্ষতি করে। সবার ত্বকের প্রকৃতিও সমান হয় না। সব ত্বকের সঙ্গে খাপ খায় না সব ধরনের ওষুধ। অথচ সে সব না জেনেই যথেচ্ছ ওষুধ কেনার এই ‘অসুখ’ ক্ষতি করে ত্বকেরও। প্রসাধনী বিজ্ঞাপনী চমক বা লোকমুখে শুনেই প্রসাধন কেনার স্বভাব আছে? তাহলে সতর্ক হোন। প্রত্যেকের ত্বকের প্রকৃতি আলাদা হওয়ায় সব প্রসাধন সামগ্রী সবার ত্বকের সঙ্গে খাপ খায় না। তাই এ সব খুঁটিনাটি না জেনে, প্রসাধনীতে ব্যবহৃত উপাদান না জেনে তা কিনে ফেলা মোটেও উচিত কাজ নয়। তাই প্রসাধনী কেনার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। আপনার ত্বকে কোন কোন উপাদান নিরাপদ- তা জেনে তবেই কিনুন নতুন কোনও প্রসাধনী। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি