ঢাকা, ২০১৯-০৬-২৬ ৮:৩৮:২৬, বুধবার

সূর্যের আলো কেড়ে নিতে পারে চোখের জ্যোতি

সূর্যের আলো কেড়ে নিতে পারে চোখের জ্যোতি

বর্তমানে চলছে প্রচন্ড রোদের প্রতাপ। রাস্তায় বের হলেই পড়তে হয় রোদের মুখে। তাই এই রোদই হতে পারে আপনার জন্য বিশাল ক্ষতির কারন।
গরমে ত্বকের যত্নে ৪ করণীয়

প্রচণ্ড রোদ আর আর্দ্রতা আমাদের ঘামে স্নান করিয়ে দেয়। ফলে ত্বকের তৈলগ্রন্থি হয়ে ওঠে অতিমাত্রায় সক্রিয়। রোদের তেজে মুখে কালো ছোপ দেখা যায়। গরমে ত্বক শুকিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু ময়শ্চারাইজ়ারও লাগানো যাচ্ছে না আর্দ্রতার কারণে। ফলে ত্বকে আর্দ্রতার ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক ত্বকের যত্নে ৪ করণীয় সম্পর্কে: বদলে নিন ময়শ্চারাইজার দাবদাহের মধ্যেও সুস্থ, তরতাজা থাকতে সকাল-বিকেল স্নানের বিকল্প নেই। ত্বক সজীব দেখাতে বারবার জলের ঝাপটা দিন। এই জলকণা শুকোলে ত্বকের জলীয় ভাব খোয়া যায়। তাই টোনার ব্যবহার করে ময়শ্চারাইজ়ার লাগানোর বিধি। কিন্তু এই প্যাঁচপেচে গরমে ময়শ্চারাইজ়ার লাগালেই তো ঘেমে যাবেন। এর জন্যই একটু বুদ্ধি করে গ্রীষ্মকালীন ময়শ্চারাইজ়ারটি বাছাই করতে হবে। সানস্ক্রিনে থাকুক অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট গরমের জন্য ভিটামিন সি বা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ সানস্ক্রিন কিনে নিন। এই ধরনের ক্রিম, সেরাম ও লোশন দূষণের ক্ষতি রোধ করে। রোদে ত্বকে ফুটে ওঠা ভাঁজগুলিকে তা মিলিয়ে দেয়। স্বাভাবিক স্থিতিস্থাপকতা ফেরায়, চামড়াও মসৃণ রাখে। রাতে ওই লোশন ধুয়ে ফেলার পরেও ঔজ্জ্বল্য হারায় না। ব্যবহার করুন ফেস মিস্ট ত্বকের গভীরে ময়শ্চার ধরে রাখতে কার্যকর ফেস মিস্ট। ক্রিম লাগানোর আগে ফেস মিস্ট ছিটিয়ে নিলে ওই ক্রিম বেশি উপকারী। ফেস মিস্ট বাড়িতেও তৈরি করে নিতে পারেন। শসার রস, পাঁচ-ছ’টি পুদিনা পাতার নির্যাস, এক চা চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে, পরিষ্কার তুলোয় করে মুখে লাগিয়ে নিন। সব ধরনের ত্বকেই এই মিশ্রণ উপকারী। ক্লে মাস্কের ম্যাজিক চকলেট ফেসিয়াল বা ক্লে মাস্ক ত্বকের হারানো আর্দ্রতা চটপট ফেরাতে সাহায্য করে। বাড়িতেও তৈরি করে নিতে পারেন এই প্যাক। খনিজসমৃদ্ধ ক্লে পাউডার, ফ্রুট মিক্সচার, পিচ ফলের তেল, এসেনশিয়াল অয়েল, অ্যালো ভেরা জেল, নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে মুখে বা সম্ভব হলে সারা দেহে মাখুন। আধ ঘণ্টা পরে লেই শুকিয়ে গেলে, তুলে ফেলুন। তার পরে জলপাই তেল মেশানো ও নিম পাতা ভেজানো পানিতে গোসল করে নিন। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার এমএইচ/

ত্বকের সমস্যা ফেস মাস্কে সমাধান করবেন যেভাবে

মুখে ব্রণ, তৈলাক্ত ভাব সরিয়ে ফেলতে বা মুখের হারিয়ে যাওয়া জেল্লা ফিরিয়ে আনতে ফেস মাস্কের জুড়ি মেলা ভার। সব রকম ক্রিম, সাবান বা লোশন যখন ফেল মেরে যায়, তখন ভরসা এই ফেস মাস্ক। যে কোনও প্রফেশনাল ফেসিয়াল আর্টিস্টও তাই বেছে নেন এই ফেস মাস্ককে। তবে ত্বক বুঝে বাছতে হয় ফেস মাস্ক। নয়তো আপনার সব পরিশ্রম পানিতে। তাই কী ধরনের ফেস মাস্ক বাছবেন, তা ঠিক করতে প্রথমেই বুঝে নিন আপনার ত্বক ঠিক কী রকম। তৈলাক্ত ত্বক মুখের ত্বক তৈলাক্ত হলে সহজেই ব্রণ হয়, এমনকি বাইরের পরিবেশের ধুলাবালি সহজেই আটকে যায় মুখে। তাই আপনার ত্বক যদি তৈলাক্ত হয় তবে আপনাকে নিতে হবে তুলনায় বেশি সুরক্ষা। তৈলাক্ত ত্বকের বিউটিশিয়ানরা পরামর্শ দেন মাটির মাস্ক বেছে নিতে। মাটির মাস্ক এই কারণেই, যেহেতু এটা সহজেই পাওয়া যায়, এর জোগাড় করতে আপনাকে বেশি খাটতে হয় না। মাটির মাস্ক সহজেই আপনার মুখের ব্রণ সমেত অন্যান্য মৃত কোষ তুলে নিয়ে আসে। মুখের ত্বকের ভিতর রক্ত চলাচল রাখে, ত্বককে তৈলাক্ত হওয়া থেকে আটকায়। তবে বেশি পরিমাণে মাটির মাস্ক ব্যবহার করলে মুখের ত্বক অত্যন্ত শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। মুলতানি মাটির সঙ্গে পানি গুলে ও কয়েকফোঁটা লেবু দিয়ে রেখে দিন আধঘণ্টা। তারপর ব্যবহার মুখে। তবে এই মাস্ক সপ্তাহে দুই থেকে তিনবারের বেশি ব্যবহার না করাই ভালো। শুধু মুলতানি মাটি নয়, বাজারে আরও তিন-চার রকমের মাটির মাস্ক পাওয়া যায় যেগুলো সবই তৈলাক্ত ত্বকের জন্য যথেষ্ট কার্যকরী। তবে কিছু নির্দিষ্ট ফল দিয়ে তৈরি মাস্কও আপনার তৈলাক্ত ত্বকের উপর খুব ভালো কাজ দেবে। যেমন কলা আর মধুর মিশ্রণ দিয়ে তৈরি মাস্ক আপনার মুখের ত্বক থেকে তৈলাক্ত ভাব দূরে রাখে ও ত্বকের পানীয়ভাব ধরে রাখে। আপনি নিজে ফল থেকে মাস্ক তৈরির ঝক্কি না পোহাতে চাইলে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন বাজারে লভ্য মাস্ক ক্রিম, যেগুলো ব্যবহার করার পদ্ধতি খুব সহজ আর দামও আপনার সাধ্যের মধ্যেই থাকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে। শুষ্ক ত্বক শুষ্ক ত্বকের জন্যও রয়েছে সমাধান। এ ক্ষেত্রে যাদের শুষ্ক ত্বক তারা চোখ বুজে বেছে নিন অ্যালোভেরাকে। ত্বকের পানীয়ভাব ধরে রাখতে অ্যালোভেরার যেমন জুড়ি মেলা ভার, তেমনই এটি শুস্ক ত্বকের ফেস মাস্ক তৈরিতে দারুণ কাজ দেয়। ভালো ফল পেতে হলে অ্যালোভেরার সঙ্গে মিশিয়ে নিন শশার টুকরা। শশা গোল গোল করে কেটে মিক্সার গ্রাইন্ডারে শশা আর অ্যালোভেরা মিশিয়ে ব্লেড। এরপর মুখে লাগিয়ে অপেক্ষা করুন আধঘণ্টা। তারপর ধুয়ে ফেলুন। এছাড়াও নারকেলের দুধের সঙ্গে মাখনের মিশ্রণে তৈরি করতে পারেন ফেস মাস্ক যা আপনার শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে খুব উপকারীও হবে। ছেলেদের মুখের ত্বক ছেলে বলে মুখে ফেস মাস্ক ব্যবহার করা যাবে না, এ রকম কোনও কথা নেই। আজকাল অনেক পুরুষই তাদের মুখের জেল্লা ফেরাতে আর ব্রণ এড়িয়ে চলতে ফেস মাস্ক ব্যবহার করে থাকেন। ছেলেদের ক্ষেত্রে মুখের ত্বক একটু রুক্ষ হয় তাই এর জন্য রয়েছে আলাদা রকমের ফেস মাস্ক ব্যবহারের পদ্ধতি। ডিমের হলুদ অংশটা ছেলেদের ক্ষেত্রে ফেস মাস্ক হিসেবে খুব কার্যকরী। ডিমের হলুদ অংশটা বের করে তাতে অল্প ময়দা গুলে মুখের উপর প্রয়োগ করতে হয়। আধঘণ্টা অপেক্ষার পর মুখ ধুয়ে ফেললে, দেখা যাবে মুখের মৃতকোষ, ব্রণ ও তৈলাক্ত ভাব আর নেই। ডিমের হলুদ অংশের মাস্কের ছেলেরা ব্যবহার করতেই পারেন অ্যালোভেরা মাস্ক, মুলতানি মাটির মাস্ক ইত্যাদি। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

ব্রণ-মেছেতার দাগ মুছে ফেলার ঘরোয়া উপায়

অধিকাংশ মানুষই নিজের মুখ নিয়ে সবচেয়ে বেশি সচেতন। মুখের সৌন্দর্য ধরে রাখতে নিয়মিত তার ত্বকের সঠিক যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আপনিও কি মুখের অযাচিত দাগ নিয়ে খুব চিন্তিত? কিন্তু এই সব দাগ কীভাবে দূর হবে সেটাও বুঝে উঠতে পারছেন না! বাজার চলতি নানা রকম ক্রিম, লোশন ব্যবহার করেও ফল মিলছে না? আসুন জেনে নেওয়া যাক কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি, যেগুলো কাজে লাগিয়ে অনায়াসে মুছে ফেলতে পারবেন মুখের দাগ-ছোপ। ব্রণের দাগ দূর করতে ১) চন্দন গুঁড়ার সঙ্গে একটু গোলাপজল মিশিয়ে মুখে লাগান। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ২) শুধু মধুও প্রতিদিন দাগের উপরে লাগাতে পারেন। এতে করে দাগ কমে আসবে। তবে খেয়াল রাখবেন আপনার ত্বকে মধুর ব্যবহারে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হচ্ছে কি না। ৩) তৈলাক্ত ও সাধারণ ত্বকে শশার রস, আলুর রস দিয়ে দশ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন এই রস ব্যবহার করতে পারেন। ৪) শুধু তৈলাক্ত ত্বকে টক দই, লেবুর রস ও আটা মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। সপ্তাহে দু’দিন এটি ব্যবহার করুন। ৫) অ্যালোভেরার রস প্রতিদিন দাগের জায়গায় লাগালে দ্রুত তা কমে যাবে। ৬) তৈলাক্ত ত্বকে মুলতানি মাটি, লেবুর রস ও টকদই মিশিয়ে ব্যবহার করুন। এতে উজ্জ্বলতা বাড়বে, দাগও কমবে। ৭) মিশ্র ও সাধারণ ত্বকে দাগ হলে ল্যাভেন্ডার তেল লাগাতে পারেন। ৮) যে কোনও ত্বকের দাগ কমাতে পাকা কলার পেস্ট ব্যবহার করতে পারেন। ৯) রসুন ও লবঙ্গের মিশ্রণ করে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে লাগিয়ে নিন। সকালে উঠে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ১০) নারকেল তেল ও টি-ট্রি অয়েল প্রতিদিন দু’বার করে দাগের জায়গায় ব্যবহার করা যেতে পারে। ১১) টমোটোর রস মুখে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। এতেও দাগ দূর হয়। ১২) কাঁচা হলুদ ও মধুর মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন। রোদে পোড়া (ট্যান) বা মেছেতার দাগ দূর করতে ১) নিয়মিত লেবুর রস মুখে দিতে পারেন। ২) গুঁড়া দুধ ও গ্লিসারিন মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। ৩) অ্যালোভেরা জেল ও আলুর পেষ্ট নিয়মিত মুখে লাগাতে পারেন। ৪) আমন্ড অয়েল ও মধু মুখে লাগিয়ে হালকা করে ঘষুন। এর পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন। ৫) কমলা লেবুর খোসা গুঁড়া করে তার সঙ্গে দুধ মিশিয়ে নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন। দ্রুত ফল পাবেন। ৬) মেছেতার জায়গায় লেবুর রস, সামান্য ভিনেগার ব্যবহার করা যেতে পারে। কেউ চাইলে এর সঙ্গে অল্প পরিমাণে পানি মিশিয়ে নিতে পারেন। ৭) লেবুর রস, মধু ও কাচা পেঁপে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। দাগ কমাতে এটি ব্যবহার করতে পারেন। উপকার পাবেন। তবে বেশি দাগ হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তা ছাড়া আপনার ত্বকের উপযোগী উপাদান ব্যবহার করা জরুরি। কোনও প্রসাধন সামগ্রী কেনার আগে ভাল করে দেখে শুনে নিন। সূত্র: জি নিউজ একে//

গরমে ত্বকের যত্নে ঘরোয়া ৩ টোটকা

গরম কাল এসে গেছে। আর আপনার ত্বক যদি তৈলাক্ত হয় তাহলে ইতিমধ্যে দুশ্চিন্তায় আপনার ত্বকে আরও বেশ কয়েকটি অ্যাকনে উঁকি মারা শুরু করে দিয়েছে। গ্রীষ্ম এমনিতেই ত্বকের উপর নানা কুপ্রভাব বিস্তার করে। ত্বক শুষ্ক, আর্দ্রতাহীন ও খসখসে হয়ে ওঠে। তার উপরে ক্রমাগত ঘামের জন্য তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে নানা রকম ত্বকের সমস্যা যেমন, পিম্পলস-অ্যাকনে বেড়ে যায়। তবে এ সবের হাত থেকে মুক্তি পেতে প্রচুর টাকা খরচা করতে হবে তা কিন্তু নয়। আপনার রান্নাঘরের কয়েকটি উপাদান এই সমস্যার হাত থেকে আপনাকে রেহাই দিতে পারে। তেমনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ফল হলো কমলালেবু। সত্যি বলতে ত্বকের উপর জাদু করতে পারে কমলালেবু। কারণ এর মধ্যে অতিরিক্ত তেল শুষে নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। কমলালেবু দিয়ে তৈরি তিনটি ফেস প্যাকের সন্ধান- কমলালেবু ও নিমের ফেস প্যাক উপকরণ ১. কমলালেবুর রস ৩ টেবিল চামচ, ২. দুধ ২ টেবিল চামচ, ৩. নিমপাতা বাটা ৩ টেবিল চামচ। প্রণালী একটি পাত্র নিয়ে তার মধ্যে নিমপাতা বাটা ও দুধ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার তার মধ্যে কমলালেবুর রস মেশান। মিশ্রণটি ঘন থকথকে হলে মুখে মেখে কুড়ি মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। কমলালেবু ও বেসনের ফেসপ্যাক উপকরণ ১. বেসন ২ টেবিল চামচ, ২. গোলাপজল ৩ টেবিল চামচ, ৩. কমলা লেবুর রস ৩ টেবিল চামচ। প্রণালী কমলালেবুর রসের সঙ্গে বেসনের গুঁড়া ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এরপরে তার মধ্যে পরিমাণমতো গোলাপ জল মেশান। মুখে মেখে কুড়ি মিনিট রাখার পরে দেখবেন পুরো মিশ্রণটি শুকিয়ে গেছে। তখন হালকা হাতে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন বা নরম কাপড় ভিজিয়ে মুছে ফেলতে পারেন। এক সপ্তাহে ৩ বার এই প্যাক ব্যবহার করুন। কমলা লেবু এবং ওটমিল ফেসপ্যাক উপকরণ ১. ওটমিল ১ টেবিল চামচ, ২. কমলালেবুর রস ২ টেবিল চামচ। প্রণালী একটি পাত্রে দুটি উপাদান ভালোভাবে মিশিয়ে মুখে মাখুন। দশ থেকে বারো মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন । তাহলে গরমকে আর ভয় পাবেন না। কারণ ত্বকের বন্ধু তো হাতের কাছেই রইল। সূত্র: এনডিটিভি একে//

জেনে নিন আপনার ত্বকের জন্য কোন সানস্ক্রিন ‘পারফেক্ট’

গরম পড়তে না পড়তেই রোদের তেজ চড়চড় করে বাড়তে শুরু করেছে। এই গরমে ত্বককে রক্ষা করতে ছাতা এবং সানস্ক্রিন অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু কোন ত্বকের জন্য কেমন সানস্ক্রিন জরুরি, তা আমরা অনেকেই জানি না। তাই কেনার আগে জেনে নিন কোন ধরনের সানস্ক্রিন আপনার ত্বকের জন্য উপযুক্ত- ১) যাদের ত্বক শুষ্ক, তারা ময়শ্চারাইজিং সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে সবচেয়ে ভাল ফল পাবেন। এই ধরনের সানস্ক্রিন ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ২) যাদের ত্বক তৈলাক্ত, তারা এমন সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন যা ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখার সঙ্গে সঙ্গে ত্বককে রাখবে তেল মুক্ত। মনে রাখবেন, তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণ বা ফুসকুড়ির সমস্যা হতে পারে। তাই সানস্ক্রিন লোশন বা স্প্রে ব্যবহার করুন। ভাল ফল পাবেন। ৩) যাদের ত্বকে ব্রণ বা ফুসকুড়ির সমস্যা রয়েছে গরম বাড়লে তাদের সমস্যা আরও বেড়ে যায়। এ ক্ষেত্রে কোনও রাসায়নিক মিশ্রিত, কৃত্রিম সুগন্ধি যুক্ত সানস্ক্রিন এড়িয়ে চলুন। ৪) যদি আপনার ত্বক সংবেদনশীল হয়, সে ক্ষেত্রে প্যারাবেন বা অক্সিবেনজোন যুক্ত সানস্ক্রিন এড়িয়ে চলুন। এই ধরনের সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে ত্বকে র‌্যাশ দেখা দিতে পারে। সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে টাইটেনিয়াম ডাইঅক্সাইড বা জিঙ্ক অক্সাইডযুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে ভাল ফল পাবেন। ৫) ত্বকের রক্ষার জন্য ন্যূনতম এসপিএফ ৩০ প্রয়োজন। যাদের ত্বকের রং ফর্সা, তারা এসপিএফ ৫০+ সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে সবচেয়ে ভাল ফল পাবেন। সূত্র: জি নিউজ একে//

ব্রণ-ফুসকুড়ির সমস্যা সমাধানে ঘরোয়া ৫ টোটকা

সৌন্দর্যের প্রাথমিক শর্তই হল নিখুঁত, উজ্জ্বল ত্বক। কিন্তু অনেক সময় ব্রণ বা ফুসকুড়ি এই সৌন্দর্যের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। অনেকের ক্ষেত্রে এই সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করে! ঠিকঠাক চিকিৎসায় ব্রণ, ফুসকুড়ির সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে ঠিকই, কিন্তু তার জন্য যে সব ওষুধ বা ক্রিম বাজারে উপলব্ধ সেগুলো অত্যন্ত ব্যয়বহুল। তাছাড়া, ব্রণ, ফুসকুড়ির চিকিত্সায় ব্যবহৃত মলম বা জেল থেকে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ও থেকে যায়। তবে প্রাকৃতিক উপায়ে ব্রণ, ফুসকুড়ির সমস্যার সমাধান করা যায়। আসুন জেনে নেওয়া যাক ব্রণ, ফুসকুড়ির সমস্যার সমাধানে ৫টি অব্যর্থ ভেষজ টোটকা- নিমপাতা নিমপাতা অত্যন্ত কার্যকর একটি জীবাণুনাশক উপাদান। তাই ব্রণ, ফুসকুড়ি সারাতে নিমপাতা বেটে তার সঙ্গে চন্দনের গুঁড়া মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। এই মিশ্রণ ত্বকের আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে মিনিট কুড়ি রেখে ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন। পাতিলেবুর রস যাদের মুখে ব্রণের পরিমাণ অত্যধিক বেশি তারা পাতিলেবুর রস দিনে অন্তত ২-৩ বার ব্রণ আক্রান্ত জায়গাগুলোতে লাগান। তবে ৪-৫ মিনিটের বেশি রাখবেন না। তার পর ধুয়ে ফেলুন। যত দিন না সমস্যা কমছে, এই পদ্ধতি কাজে লাগান। ফল পাবেন হাতেনাতে। পাকা পেঁপে এক কাপের মতো পাকা পেঁপে চটকে তার সঙ্গে এক চামচ পাতিলেবুর রস আর প্রয়োজন মতো চালের গুঁড়া মেশান। এই মিশ্রণটি মুখসহ গোটা শরীরে মাখুন। ২০-২৫ মিনিট মালিশ করে তার পর ধুয়ে ফেলুন। পেঁপে ছাড়াও এ ক্ষেত্রে ঘৃতকুমারীর রস ব্যবহার করতে পারেন। উপকার পাবেন। গোলাপ জল ব্রণ, ফুসকুড়ি সারাতে গোলাপ জল অত্যন্ত কার্যকরী। গোলাপ জলের নিয়মিত ব্যবহারে ব্রণের দাগ কমে যায়। দারুচিনি গুঁড়ার সঙ্গে গোলাপ জল মিশিয়ে সেটি ব্রণের ওপর লাগিয়ে মিনিট কুড়ি পর ধুয়ে ফেলুন। এতে ব্রণের সংক্রমণ, চুলকানি এবং ব্যথা অনেকটাই কমে যাবে। পুদিনা পাতার রস পুদিনা পাতার রস করে নিয়ে সেটা দিয়ে আইস কিউব তৈরি করুন। ফুসকুড়ি ও ব্রণের এই আইস কিউব ঘষুন ১০-১৫ মিনিট। এতে ফুসকুড়ি ও ব্রণের সংক্রমণ তো কমবেই সঙ্গে ত্বকের জ্বালাপোড়া ভাবও দূর হবে। সূত্র: জি নিউজ একে//

ত্বকের জন্য ক্ষতিকর ৫টি জিনিস

অনেকেই বডি লোশন ব্যবহার করে থাকেন। হাতে, পায়ে মাখার সঙ্গে সঙ্গে মুখের ত্বকেও মেখে নেন বডি লোশন! কিন্তু ডার্মেটোলজিস্ট বা ত্বক-বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে ত্বকের উপকারের তুলনায় ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি! শুধু বডি লোশনই নয়, এমন অনেক কিছুই আছে যা মুখের ত্বকের জন্য ক্ষতিকর! আসুন সেগুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক- ১) স্ক্রাবার হিসেবে অনেকেই বেকিং সোডা ব্যবহার করে থাকেন। এতে ত্বকের পিএইচ ব্যালান্স নষ্ট হয়ে যায়। ২) খেয়াল রাখবেন, শ্যাম্পু করার সময় ফেনা বা শ্যাম্পু যেন মুখের ত্বকে না লাগে। কারণ শ্যাম্পু বা শ্যাম্পুর ফেনা মুখের ত্বকে লাগলে ত্বক রুক্ষ আর শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। ত্বকে র‌্যাশ পর্যন্ত দেখা দিতে পারে। ৩) চুলে রং করার সময় খেয়াল রাখবেন, ওই রং যেন মুখের ত্বকে লেগে না যায়। কারণ এই রঙের মধ্যে থাকা ক্ষতিকর রাসায়নিক ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। ৪) চুলের যত্ন নিতে অনেকেই মেয়োনিজ ব্যবহার করেন। এই মেয়োনিজ চুলের যত্নে অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান হলেও মেয়োনিজে থাকা অ্যাসিড ত্বকের জন্য মোটেও ভাল নয়। ৫) ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করার জন্য অনেকেই বডি লোশন ব্যবহার করে থাকেন। হাতে, পায়ে মাখার সঙ্গে সঙ্গে মুখের ত্বকেও মেখে নেন বডি লোশন! কিন্তু ডার্মেটোলজিস্ট বা ত্বক-বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে ত্বকের উপকারের তুলনায় ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি! তাদের মতে, বডি লোশন মুখে মাখার লোশনের তুলনায় অনেক ভারী হয়। এতে ব্রণ, ফসকুড়ির সমস্যা দেখা দিতে পারে। সূত্র: জি নিউজ একে//

রূপচর্চায় পান পাতার ৫টি আশ্চর্য ব্যবহার

মুখের স্বাদ ফেরাতে বা খাবার হজম করাতে পান পাতার জুড়ি মেলা ভার! এমন অনেকেই আছেন যাদের দিনে ৮-১০টা পান না হলে চলে না! তবে জানেন কি, রূপচর্চায় বা ত্বকের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রেও পান অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান? সৌন্দর্য ধরে রাখতে নিয়মিত ত্বকের সঠিক যত্ন নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। সৌন্দর্যের প্রাথমিক শর্তই হল নিখুঁত, উজ্জ্বল ত্বক। তাছাড়া, সৌন্দর্যের একটি অপরিহার্য অংশ হল চুল। চুলের যত্নেও পান পাতার ব্যবহার করা হয়। আসুন জেনে নেওয়া যাক দৈনন্দিন রূপচর্চায় পান পাতার কয়েকটি আশ্চর্য ব্যবহার- শরীরের দুর্গন্ধ দূর করা গোসলের পানিতে পান পাতার রস মেশাতে পারলে শরীরের দুর্গন্ধ সহজেই দূর হয়। শুধু তাই নয়, নিয়মিত পান পাতা দিয়ে ফোটানো পানি খেতে পারলে শরীর থেকে দূষিত পদার্থ (টক্সিন) শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। পান পাতার রস শরীরে দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াকে বাড়তে দেয় না। তাই পান পাতা দিয়ে ফোটানো পানি দিয়ে গোসল করতে পারলে শরীরে দুর্গন্ধও হয় না। মাথার ত্বকে পান পাতা পান পাতা বেটে নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে মাথার ত্বকে ভাল করে লাগান। সময় নিয়ে চুলের গোড়ায় ভাল করে মালিশ করুন। তার পর ১ ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২-৩ দিন এই পদ্ধতি কাজে লাগাতে পারলে অতিরিক্ত চুল ঝরার সমস্যাও নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে একই সঙ্গে নতুন চুলও গজাবে। অ্যালার্জির সমস্যা দূর করতে পান পাতা এক বাটি পানিতে ৮-১০টা পান পাতা ফুটিয়ে সেই পানি মিশিয়ে গোসল করতে পারলে অ্যালার্জি, র‌্যাশে বা ওই জাতীয় ত্বকের সমস্যা বা অস্বস্তি দ্রুত কমে যাবে। ব্রণ-ফুসকুড়ির সমস্যায় পান পাতা পান পাতার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ ত্বকের ব্রণ, ফুসকুড়ির সমস্যাকে দ্রুত সারিয়ে তোলে। পান পাতা হলুদের সঙ্গে মিশিয়ে বেটে ব্রণ, ফুসকুড়িতে আক্রান্ত ত্বকের উপর আলতো করে লাগিয়ে রেখে দিন। দেখবেন, ব্রণ, ফুসকুড়ি দ্রুত সেরে যাবে। হজমের সমস্যা দূর করে খাবার খাওয়ার পর পান খেলে তা খাবার হজম করাতে যেমন সাহায্য করে, তেমনই মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াকেও বাড়তে দেয় না। ফলে মুখ গহ্বরের স্বাস্থ্য ভাল থাকে, মুখেও দুর্গন্ধ হয় না। সূত্র: জি নিউজ একে//

ত্বকের যত্নে দুধের ৫ ব্যবহার

এক গ্লাস দুধ আমাদের শরীরের জন্য কতটা উপকারী, এ কথা প্রায় সকলেই জানেন। পুষ্টিবিদরা দুধকে সুষম খাবারের তালিকায় রেখেছেন। চিকিত্সকদের মতে, রাতে উষ্ণ দুধ খেয়ে শুতে পারলে ভাল ঘুম হয়। একই সঙ্গে ত্বক কোমল ও দীপ্তিময় হয়ে ওঠে। বেকফাস্টেও দুধ খেতে পারেন। যারা সকালে জিম বা শরীরচর্চা করেন, তাদের জন্য ব্রেকফাস্টে দুধ অপরিহার্য। তবে শুধু শরীর-স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, আমাদের ত্বকের জন্যেও দুধ অত্যন্ত উপকারী! আসুন এ বিষয়ে সবিস্তারে জেনে নেওয়া যাক... ১) শুষ্ক ত্বকের সমস্যায় দুধ অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। ত্বকের রুক্ষ, শুষ্ক ভাব কাটাতে ১ কাপ দুধের সঙ্গে একটা কলা চটকে মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে নিন। এ বার এই প্যাক ৩০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রেখে জল দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। ফল পাবেন হাতেনাতে। ২) ত্বকে ট্যান পড়েছে? ত্বকের ট্যান তুলতে আধা কাপ দুধের সঙ্গে সমপরিমাণ গ্রিন টি মিশিয়ে নিন। এ বার এই মিশ্রণ তুলোয় ভিজিয়ে গোটা মুখে আলতো করে মাখিয়ে নিন। তার পর মিনিট পনেরো রেখে জল দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন স্নানের আগে এই পদ্ধতি কাজে লাগালে দ্রুত ফল পাবেন। ৩) ক্লিনজার হিসেবে অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। তুলোয় করে দুধ গোটা মুখে আলতো করে মাখিয়ে নিন। আঙুলের ডগা দিয়ে হালকা করে মিনিট দশেক মালিশ করে উষ্ণ জলে মুখ ধুয়ে নিন। উপকার পাবেন। ৪) ত্বকের ডেড সেল বা মরা চামড়া তুলতে দুধ ও মধু মিশিয়ে মিনিট পনেরো স্ক্রাব করুন। তার পর উষ্ণ জলে মুখ ধুয়ে নিন। ফল পাবেন হাতেনাতে। ৫) পায়ের গোড়ালির ত্বক রুক্ষ আর শক্ত? হালকা উষ্ণ দুধে ও জল মিশিয়ে তার মধ্যে পা ডুবিয়ে কিছু ক্ষণ (অন্তত ১৫-২০ মিনিট) বসে থাকুন। তার পর হালকা করে ঘষে নিন। দেখবেন পায়ের গোড়ালি নরম আর পরিষ্কার হয়ে যাবে। তথ্যসূত্র: জি নিউজ এমএইচ/

ঋতু বদলের সময়ে ত্বকের জেল্লা ধরে রাখুন এভাবে

শীতের বিদায় আর বসন্তের শুরু, ঋতুর সঙ্গে তাল মিলিয়ে আবহাওয়ারও পরিবর্তন হয়। ত্বকের চাহিদাও বদলায় এই সময়। এত দিন যে সব যত্নে ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখা যাচ্ছিল, সে সবেও কিছুটা বদল আনার সময় হয়েছে বইকি। রূপবিশেষজ্ঞরাও এই সময় বেশ কিছু বিশেষ ফেসপ্যাকের কথা বলেন। সেই সব ফেসপ্যাক ব্যবহার করলে ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে ত্বকেও ঔজ্জ্বল্য আসে। তবে আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাওয়ানো ত্বকের যত্নের জন্য আলাদা করে অনেকটা সময় দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং একেবারে নামমাত্র খরচে ঘরেই বানিয়ে ফেলা যায় এমন সব ফেসপ্যাক। জানেন কি, আপনার চারপাশের নানা ফলের উপর নির্ভর করে এই ঋতু পরিবর্তনের সময় কীভাবে রক্ষা করবেন নিজের ত্বক? ১. কমলালেবু এই সময় সহজেই পাওয়া যায়। কমলালেবুর খোসা শুকিয়ে তাকে মিহি গুঁড়া করে নিন। এর মধ্যে এক চামচ ওটমিল, এক চামচ দই ও কয়েক ফোঁটা মধু মেশান। এই মিশ্রণ ১০-১৫ মিনিট মাখিয়ে রাখুন ত্বকে। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন। ২. আপেল দিয়েও বানিয়ে ফেলতে পারেন মনের মতো ফেসপ্যাক। খোসা ছাড়ানো আপেল বাটার সঙ্গে কয়েক ফোঁটা মধু দশ মিনিট মেখে রাখুন মুখে। থকথকে এই মিশ্রণের রস শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। ৩. কলা ও মধু দিয়ে বানানো ফেসপ্যাকের ব্যবহার অনেকেরই জানা। আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় এর সঙ্গে মেশান কিছুটা টকদই। ত্বকে এই মিশ্রণ মেখে রাখুন মিনিট পনেরো। তার পর তা ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন। আরও ভাল ফল পেতে কিছুটা ওটস যোগ করতে পারেন এতে। ৪. কয়েক টুকরা পাকা পেঁপের সঙ্গে ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে এক চামচ মধু এবং কিছুটা লেবুর রস মিশিয়ে নিন। ত্বকের মৃত কোষ ঝরিয়ে তাকে উজ্জ্বল ও তরতাজা করতে এই প্যাক খুব কার্যকর। ১৫ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন তা। ৫. টম্যাটো প্রাকৃতিকভাবেই ট্যানরোধক। শীতের বিদায়ের সময় কিছুটা রোদের তেজ বাড়ে। সেই সময় বাইরে থেকে ঘুরে এলে টম্যাটোর সঙ্গে হলুদ গুঁড়া ও টকদই মিশিয়ে মুখে মাখুন। কিছুক্ষণ রেখে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

মাত্র তিন-চার দিনেই ত্বকে আনুন ঈর্ষণীয় জেল্লা

অফিস-ঘর সামলে আপনার হাতে সময় নেই ফেসিয়ালের? অবশ্য তা করলেও অনেক সময়ই ত্বকের চাকচিক্য ততটা ফেরে না, যতটা ফেরে ঘরোয়া যত্নে। এ ছাড়া ফেসিয়াল প্যাকে ব্যবহৃত রাসায়নিকও সব ত্বকের যত্নের পক্ষে ভাল নয়। তাহলে উপায়? রূপবিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক’দিনের মধ্যেই ত্বককে জেল্লাদার করে তুলতে হলে ভরসা রাখুন ঘরোয়া কিছু যত্নে। তবে তার জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলতেই হবে। দেখে নিন সে সব। ১. এই ক’দিন সকাল শুরু করুন খালি পেটে এক গ্লাস পানি খেয়ে। শরীরের টক্সিন দূর করতে সবচেয়ে কার্যকর উপায় এটি। চেহারায় চাকচিক্য ফেরানোর কাজ সহজ করবে পানি। সঙ্গে খাবারদাবারেও নজর দিন। এই ক’দিন এড়িয়ে চলুন অতিরিক্ত তেল-মশলা। ২. আপনার ত্বকের জন্য উপযুক্ত কোনও ক্লিনজার বা টোনার ব্যবহার করুন। বাইরে বেরনোর আগে ব্যবহার করুন সে সব। ৩. বাইরে বেরনোর সময় শরীরের খোলা অংশে অবশ্যই সানস্ত্রিন ব্যবহার করুন। ৪. মেকআপ করার দরকার পরলে বাড়ি ফিরে অবশ্যই ক্লিনজার ও টোনার সহযোগে ভাল করে মেক আপ তুলে ময়শ্চারাইজার মাখুন। মেক আপ না তুললে সেখান থেকেই ত্বকের ক্ষতি শুরু হয়। ৫. অন্তত দু’দিন ফ্রুট প্যাক লাগান মুখে। ফেসপ্যাক তোলার পর অবশ্যই টোনার দেবেন ত্বকে। ৬. প্রতিদিন রাতে মধু, টক দই ও ওটসের মিশ্রণ লাগিয়ে রাখুন মিনিট দশেক। তার পর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন মুখ। ৭. ভ্যালেন্টাইন’স ডে কিংবা বিয়েবাড়ি, বেরনোর আগের দিন ত্বককে স্ক্রাব করুন ভাল কোনও এক্সফোলিয়েটিং স্ক্রাব দিয়ে। সাধারণত এই কয়েকটা নিয়ম মেনে চললেই আগামী তিন-চার দিনের মধ্যেই ত্বককে অনেকটা প্রাণবন্ত করতে পারবেন আপনি। তাহলে আর দেরি কেন? সূত্র: আনন্দবাজার একে//

চোখের কালো দাগ দূর করার সহজ ৬ উপায়

আপনি কি দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটার সামনে বসে কাজ করেন? কিংবা চাপের কারণে রাতে অনেক ক্ষণজাগতে হচ্ছে ইদানীং? বা পার্টির মরশুমে একটু বেশি মাত্রায় পান করে ফেলছেন? মনে রাখবেন, এর ছাপ পড়বে আপনার চোখে। শরীর ক্লান্ত থাকলে, তার প্রভাব চোখে পড়বেই। কিন্তু ক্লান্ত চোখকে চাঙ্গাও করা যায়। হাতে রয়েছে বেশ কয়েকটি সহজ রাস্তা। গ্রিন টি গ্রিন টি ডিটক্স হিসেবে খুব কার্যকরী। দুটো টি-ব্যাগ এক কাপ গরম জলে ডুবিয়ে রাখুন। তিন-চার মিনিট রাখার পর টি-ব্যাগ সমেত কাপটি ফ্রিজে রেখে দিন ঠান্ডা করার জন্য। যদি তাড়া থাকে, তাহলে বরফ শীতল জলেও টি-ব্যাগ জুবিয়ে দিতে পারেন। আর কাপের জলটি ব্যবহার করার আগে টি-ব্যাগ চেপে ভিতরে থাকা রসটি বার করে নিন। ঠান্ডা গ্রিন টি বন্ধ চোখের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। ক্লান্তি অনেকটা দূর হবে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বলে, চোখের জ্বালাও দূর করবে এই গ্রিন টি। খাবার বদলান  চোখের তলায় কালি পড়ছে? মনে রাখবেন আপনার পাতের হাই-অ্যালার্জেন খাবারও এ জন্য দায়ি হতে পারে। ফলে সম্ভব হলে দুধ, আটা-ময়দা এবং সয়াবিন জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। তার জায়গায় বেশি করে খান কলা, স্পিনাচ বা পালং শাক এবং অবশ্যই বিট। চোখের নীচের কালি কমবে। শসার ব্যবহার শসা চোখের জন্য ভালো। এ কথা তো সবাই জানেন। কিন্তু কেন ভালো জানেন কি? শসার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের ক্লান্তি অনেকটা দূর করতে পারে। শসা ফালি ফালি করে কেটে দুটো চোখের ওফর ১৫ থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত রাখুন। যদি ইচ্ছে হয়, তার আগে শসাকে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিতে পারেন। তাতে বেশি আরাম লাগবে। ভিটামিন সি চোখ প্রচণ্ড ক্লান্ত হয়ে পড়ছে? মাঝে মাজেই প্রচণ্ড জ্বালা? ভিটামিন সি-এর অভাবে এই সমস্যা হতে পারে। আগামী দিন তাই ক্রিম কেনার আগে দেখে নিন, তাতে ভিটামিন সি রয়েছে কি না। মনে রাখবেন, চোখের নীচে এই ক্রিমের ব্যবহার আপনার চোখকে আরাম দেবে। এবং চোখের অসুখ কমাবে। ঠান্ডা চামচ বাড়িতে শসাও নেই, গ্রিন টি-ও নেই। তাহলে উপায়? চটজলদি ক্লান্ত চোখের উপসম চাইলে, চামচ দিয়েও কাজ চালাতে পারেন। দুটো চামচ ডিপ ফ্রিজে রেখে বরফ শীতল করে ফেলুন। তারপর প্রতিটা চোখের নীচে রাখুন। মনে রাখবেন, ৩০ সেকেন্ডের বেশি সময় একবারে রাখবেন না। দিনের মাথায় এই প্রক্রিয়া তিন-চার বার করতে পারেন। Exclusive Amazon ডিল উপভোগ করুন, মহিলাদের বস্ত্র বিভিন্ন দামে স্টাইলিশ সম্ভার, Flipkart-এ প্রিমিয়ার ব্র্যান্ডের জিনিস, ফ্রি শিপিং Exclusive Amazon ডিল পান মহিলাদের পোশাক, জুতো, জুয়েলারি ও ঘড়িতে সিগারেট এড়িয়ে চলুন  খুব ক্লান্ত চোখ? তাহলে সিগারেটের ধোঁয়া একেবারে এড়িয়ে চলুন। মনে রাখবেন, এতে চোকের ক্ষতি বাড়বে। যাঁরা নিয়মিত মদ্যপান করেন, তাঁরাও পানাভ্যাসে একটু কমালে ভালো হয়। কারণ এই দু`টির প্রভাবেই চোখের অস্বাভাবিক রক্তসঞ্চালন বাড়ে। তথ্যসূত্র: বোল্ড স্কাই এমএইচ/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি