ঢাকা, ২০১৯-০৪-২৬ ৭:৪৮:০৭, শুক্রবার

‘যাত্রাশিল্পের নবযাত্রা’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী যাত্রা উৎসব শুরু

‘যাত্রাশিল্পের নবযাত্রা’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী যাত্রা উৎসব শুরু

যাত্রাপালা বাংলাদেশের লোক সংস্কৃতির অমূল্য সম্পদ। ‘যাত্রাশিল্প উন্নয়ন নীতিমালা ২০১২’ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বেশ কিছু কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। যাত্রাশিল্পের নবযাত্রা শীর্ষক ৫টি নতুন যাত্রা প্রযোজনা নিয়ে ২৪-২৬ এপ্রিল তিন দিনব্যাপী ‘যাত্রা উৎসব ২০১৯’ শুরু হয়েছে। একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬.৩০ থেকে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী যাত্রা উৎসব ও ‘যাত্রাপালার বিবেক’ শীর্ষক গবেষণাধর্মী কর্মশালা, যাত্রাশিল্পী সম্মাননা প্রদান। ২৪ এপ্রিল এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে সন্ধ্যা ৬.৩০ উদ্বোধনী আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল এনডিসি এবং বিশিষ্ট নাট্য ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মঞ্চসারথি আতাউর রহমান। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ঋত্বিক নাট্যপ্রাণ লিয়াকত আলী লাকী এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের পরিচালক মো: বদরুল আনম ভূঁইয়া। উদ্বোধনী আয়োজনে একাডেমির কন্ঠশিল্পীরা যাত্রাপালার গান পরিবেশন করেন। যাত্রাপালার গানের সাথে নৃত্য পরিবেশন করেন একাডেমির নৃত্যশিল্পীবৃন্দ। অনুষ্ঠানে যাত্রা শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনজন যাত্রাশিল্পীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননা প্রাপ্ত শিল্পীরা হলেন ভিক্টর দানিয়েল, গৌরাঙ্গ আদিত্য, সুলতান সেলিম। ২৪ এপ্রিল উদ্বোধনী আলোচনা শেষে সন্ধ্যা ৭টায় এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে মিলন কান্তি দে’র পালা রচনা ও নির্দেশনায় দেশ অপেরা প্রযোজিত যাত্রাপালা ‘এক যে ছিল মহারানি’ এবং মামুনুর রশীদ এর পালা রচনায়, হাবিব সারোয়ারের নির্দেশনায় জয়যাত্রা প্রযোজিত ‘দ্বীপের নাম আন্ধার মানিক’ যাত্রাপালা পরিবেশিত হয়। ২৫ এপ্রিল ২টি যাত্রাপালা প্রদর্শিত হবে। পালাকার শ্যামল দত্তের যাত্রাপালা ‘দুউ বিঘা জমি’। লোক নাট্যগোষ্ঠী প্রযোজিত পালাটি নির্দেশনা দিয়েছেন তাপস সরকার। পালাকার ড. আমিনুল ইসলাম এর ‘সোহরাব রুস্তম’। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ প্রযোজিত পালাটি নির্দেশনা দিয়েছেন রেজা আরিফ। উল্লেখ্য, দেশজ ও আন্তর্জাতিক সংস্কৃতির লালন ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। নাটক, পাপেট, চলচ্চিত্র, যাত্রা প্রভৃতি বিষয় নিয়ে ইতোমধ্যে বেশকিছু কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগ। এর মধ্যে অন্যতম যাত্রাপালা। যাত্রাপালা আমাদের দেশের সুদূর অতীতে গ্রামে সুরুচিপূর্ণ ও আকর্ষনীয় বিনোদন হিসেবে দর্শককে বিপুল আনন্দ প্রদান করতো এবং বিনোদনের অন্যতম শিল্প মাধ্যম ছিলো যাত্রাপালা। যাত্রাপালার পুরনো সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার লক্ষে ও যাত্রা শিল্পেকে দর্শকনন্দিত করার জন্য শিল্পকলা একাডেমি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী’র পরিকল্পনায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ২০১২-১৩ অর্থ বছরে দেশের ৬৪টি জেলা শিল্পকলা একাডেমির অংশগ্রহণে ৭৬টি মুক্তযুদ্ধভিত্তিক নাটক নিয়ে ‘মুক্তিযুদ্ধের জাতীয় নাট্যোৎসব’, ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে দেশের ৬৪ জেলার অংশগ্রহণে আয়োজন করে ‘স্বপ্ন ও দ্রোহের নাট্যোৎসব’, ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে দেশের ৬৪টি জেলা শিল্পকলা একাডেমি অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় ‘সাহিত্য নির্ভর জাতীয় নাট্যোৎসব’ এবং মানুষের প্রয়োজনীয়তা ও সামাজিক পরিপ্রেক্ষিতেকে সামনে রেখে ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে মূল্যবোধের নাট্যউৎসব আয়োজন করে। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে জেলাভিত্তিক কৃষ্টি ও সাংস্কৃতিক অনুষঙ্গ অবলম্বনে নির্মিত হয় ঐতিহ্যবাহী বাংলা নাটক। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ৬৪ জেলায় নির্মিত হচ্ছে দেশীয় যাত্রাপালা। এছাড়াও আগামী ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে নির্মিত হবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ৬৪টি নাটক। ইতোমধ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় সুষ্ঠু যাত্রা শিল্পের প্রসারের জন্য যাত্রা শিল্প উন্নয়ন নীতিমালা ২০১২ প্রণিত হয়েছে। এই নীতিমালার আলোকে ২০১৩ থেকে শিল্পকলা একাডেমি যাত্রাশিল্প নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করেছে। কর্মশালা ভিত্তিক ৫টি যাত্রাপালা প্রযোজনা নির্মাণ ও প্রদর্শনী, ৬৪ জেলায় দেশীয় যাত্রাপালা নির্মাণ ও মঞ্চায়ন, সেমিনার আয়োজন, যাত্রা ব্যক্তিত্বদের নিয়ে স্মরণসভা আয়োজন, দেশীয় যাত্রাপালা মূল্যায়ন, প্রত্মযাত্রা ‘ঈশা খাঁ এবং রক্তাক্ত প্রান্তর যাত্রাপালা নির্মাণ ও প্রদর্শনী আয়োজন। এছাড়াও ১০টি যাত্রা উৎসবের মাধ্যমে ১১১টি যাত্রাদলকে নিবন্ধন সনদ প্রদান করা হয়েছে। শিল্প সংস্কৃতি ঋদ্ধ সৃজনশীল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে আমাদের সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ইতিবাচক পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে যাত্রাশিল্পের হারানো গৌরব ফিরে পাবে বলে প্রত্যয় ব্যাক্ত করেছেন একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। এসি  
স্বীকৃতি পেল বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ফেসবুক পেজ

শিল্প সংস্কৃতি ঋদ্ধ সৃজনশীন মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে দেশজুড়ে শিল্প সংস্কৃতির বিকাশে কাজ করছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। একাডেমি আয়োজিত বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানসমূহ, মঞ্চনাটক, প্রদর্শনী, প্রশিক্ষণ, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যায় একাডেমির ফেইজবুক পেজে। Bangladesh Shilpakala Academy নামে পেজটিতে রয়েছে সাতাশি হাজার ফ্যান। পেইজটির ইউআরএল হলো www.facebook.com/shilpakalapage/ একাডেমির আবেদনের প্রেক্ষিতে ২৪ এপ্রিল ২০১৯ ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এক বার্তায় পেইজটি ভেরিফিকেশনের তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর ফলে পেইজটি শিল্পসংস্কৃতির নানা আয়োজনের নির্ভরযোগ্য একটি তথ্যসূত্র হিসেবে বিবেচিত হবে। একাডেমিতে আয়োজিত নিয়মিত নাটকের প্রদর্শনী, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন আয়োজনের তথ্য পাওয়া যাবে এই পেইজে। পেইজটির এডমিন একাডেমির সহকারী পরিচালক (গ্যালারি) শাহিন রেজা রাসেল জানিয়েছেন, ‘২০১৭ সালের আগস্ট মাসে পেইজটি খোলা হয় এবং তারপর থেকে নিয়মিত তথ্য হালনাগাদ করার মাধ্যমে পেইজটি সংস্কৃতিকর্মীদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠে।’ এসি  

মেহজাবিনের জন্মদিন আজ

নাট্যাঙ্গনে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আছেন নাট্যাভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরী। আজ তার জন্মদিন। তবে আজকের দিনটি নিয়ে তেমন কোনো পরিকল্পনা নেই। কিন্তু আজ এবং আগামীকাল কোনো শুটিং রাখেননি তিনি। বিগত কয়েক বছর ধরে ছোটপর্দার অভিনেত্রীদের মধ্যে নিজের সহজাত অভিনয় দিয়ে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন এ অভিনেত্রী। গেলো বৈশাখে তার দুটি নাটক আলোচনায় এসেছে। এগুলো হচ্ছে আফরান নিশোর সঙ্গে জুটিবদ্ধ হয়ে অভিনয় করা নাটক ‘টম এন্ড জেরী’ ও ‘নয়না’। দুটি নাটক নির্মাণ করেছেন অমি ও মিজানুর রহমান আরিয়ান। এ ছাড়াও শাহনেওয়াজ রাসেলের ‘আমি প্রেমিক’, মাহমুদুর রহমান হিমির ‘আনএক্সপেক্টেড সারপ্রাইজ’, মাকসুদুর রহমান বিশালের ‘প্রমিজ’ নাটক তিনটিও দর্শকের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে। অন্যটিতে আছেন আফরান নিশো। নিজের অভিনীত নাটকগুলো দর্শকের মধ্যে সাড়া ফেলায় বরাবরের মতোই উচ্ছ্বসিত মেহজাবিন। এসএ/

নাদিয়া-তানভীরের ‘বিমূর্ত চিন্তা’

ট্র্যাফিক জ্যাম শহুরে সভ্যতার নিউ এডিশন। এই যন্ত্রনা সহ্য করতে হয়নি এমন মানুষ ঢাকা শহরে নেই বললে ভুল হবে না। প্রায় অসহনীয় এই জ্যাম যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে যদি এমন কোন জুতো আবিষ্কার করা যায়, যে জুতো পড়লে মানুষ উড়তে পারবে, তাহলে কেমন হতো? ব্যাপারটা কল্পনা করে পাঠক নিশ্চয়ই অবাক হচ্ছেন? আশ্চর্য্য হবার কিছু নেই, এমনই একটি বিষয়কে কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে ‘বিমূর্ত চিন্তা’ নামের ছয় পর্বের একটি ধারাবাহিক। নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন মৃত্তিক মিরাজ। ব্যতিক্রমধর্মী এই নাটকটি প্রযোজনা করেছেন এম এ আউয়াল। নাটকে প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন তানভীর ও নাদীয়া নদী। আরও অভিনয় করেছেন কাজী উজ্জল, এলিনা শাম্মী, শামীম আহমেদ, ম্যাক তামিম, পাপড়ি, রনো, নন্দিত আনিস, মোল্ড-১ সাগর, মোল্ড-২ আরিয়ান, মি. মিতায়ানসহ আরও অনেকে। আসন্ন ঈদে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে নাটকটি প্রচারিত হবার কথা রয়েছে। ‘বিমূর্ত চিন্তা’ নাটকের চিত্রগ্রহণে ছিলেন মোস্তাক মোরশেদ, প্রধান সহকারী পরিচালক ইয়াসিন সুমন, সহকারী পরিচালক সুজন। নাটকের গল্প সম্পর্কে পরিচালক মৃত্তিক মিরাজ জানান, ‘বিমূর্ত চিন্তা’ নাটকের গল্প আবর্তিত হয়েছে ট্র্যাফিক জ্যাম থেকে মুক্তি পেতে বিজ্ঞানের নতুন আবিষ্কারকে কেন্দ্র করে। যন্ত্রকৌশলের মেধাবী ছাত্র দারায়াত “ফ্লাইং সু” নামক একটি উড়ন্ত বাহন আবিষ্কার করেন। এই আবিষ্কারকে কেন্দ্র করে শুরু হয়ে নিজ বন্ধুদের মধ্যে ষড়যন্ত্র। নাটকের এক পর্যায়ে দারায়াত নিখোঁজ হয়। এদিকে নায়িকা ফায়রুজ দারায়াতকে হারানোর শোকে সিজোফ্রেনিয়া রোগে আকান্ত হয়। পরিচালক আরো জানান, তবে মজার বিষয় হচ্ছে,“ফ্লাইং সু” আবিষ্কারের থ্রীডি নকশা দারায়াত কোথায় রেখে যায় কেউই খুঁজে পায়না। দারায়াত জীবিত না মৃত এবং “ফ্লাইং সু”র নকশা নিয়ে সৃষ্ট রহস্যেকে কেন্দ্র করে নাটকটির গল্প সামনের দিকে এগিয়েছে। আশাকরি দর্শক নাটকটি দেখে বিনোদিত হবেন। এসি    

টিভি প্রযোজকদের সভাপতি ইরেশ যাকের

‘টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’—এর দ্বি–বার্ষিক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ইরেশ যাকের। আর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সাজু মুনতাসির। শনিবার গুলশান ১–এ অবস্থিত ইমানুয়েল কনভেনশন হলে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। টেলিভিশন নাটক ও অনুষ্ঠান প্রযোজকদের এ সংগঠনটির অন্যান্যের মধ্যে সহ-সভাপতি পদে সাজ্জাদ হোসেন দোদুল, জহির আহমেদ ও আনসারুল আলম লিংকন নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া রেজাউল হক রেজা এবং সৈয়দ ইরফান উল্লাহ নির্বাচিত হয়েছেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে। সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন মোহাম্মদ বোরহান খান। অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী), দপ্তর সম্পাদক এ কে এম নাহিদুল ইসলাম নিয়াজী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক দীন মোহাম্মদ মন্টু, আইন বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার লতিফুর রহমান আজিম, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আশরাফুল আলম বাবলু, আর্কাইভ বিষয়ক সম্পাদক মীর ফখরুদ্দীন ছোটন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক কাজী রিটন, শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সেলিম রেজা এবং সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন আইনুল ইসলাম চৌধুরী চঞ্চল। নির্বাচিত কার্যনির্বাহী সদস্যরা হলেন- এফ জামান তাপস, বাবুল আহমেদ, সাদেক সিদ্দিকী, তুহিন বড়ুয়া, এম রেজাউল করিম সজল, এ এস এম আখতারুজ্জামান, রিয়াজুল রিজু, সাঈদ তারেক, জাকির খান, এস এম হোসেন বাবলা। উল্লেখ্য, সংগঠনটির গঠনতন্ত্রে প্যানেল থাকার নিয়ম নেই। সে কারণে প্রার্থীরা কোনো নির্দিষ্ট প্যানেল ছিল না। কিন্তু সমমনা প্রার্থীরা জোটবদ্ধ হয়েছেন। নির্বাচনে দুই জোটে প্রার্থী সংখ্যা ৫৩ জন। ভোটার সংখ্যা ১৭৯ জন। নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন নাট্যব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমাম। কমিশনার হিসেবে ছিলেন এস এম মহসিন ও খায়রুল আলম সবুজ। এসএ/  

ঢাবির নাটমণ্ডলে ‘হ্যাপি ডেইজ’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটমণ্ডলে আজ ও আগামীকাল মণিপুরি থিয়েটারের পরিবেশনায় ‘হ্যাপি ডেইজ’র চারটি প্রদর্শনী মঞ্চায়িত হবে। ফরাসি দূতাবাসের সহায়তায় নির্মিত এ নাটকে একক অভিনয় করেছেন জ্যোতি সিনহা। নোবেলবিজয়ী নাট্যকার স্যামুয়েল বেকেটের লেখা এবং কবীর চৌধুরী ও শাহীন কবীর অনূদিত ‘হ্যাপি ডেইজ’ নাটকটির অভিযোজন ও সম্পাদনা করেছেন শুভাশিস সিনহা। অ্যাবসার্ড নাটকের জন্য বিখ্যাত, ‘ওয়েটিং ফর গডো’ খ্যাত নোবেলবিজয়ী নাট্যকার স্যামুয়েল বেকেটের লেখা আলোচিত নাটক ‘হ্যাপি ডেজ’। নাটকে উইনি নামের এক নারীর নিঃসঙ্গ কিন্তু স্বপ্নময় জীবনের দৈনন্দিন সব ছেলেখেলার মতো ক্রিয়াকলাপের মধ্য দিয়ে মানুষের এক অভিনব মানসপটকে আঁকা হয়েছে। পুরো নাটকে উইনি তার স্বামী উইলির সাথে অনর্গল কথা বলে যায়, প্রলাপের মতো। নস্টালজিয়া, অভিযোগ, আকাঙ্ক্ষা কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে তার শরীর-মনের তীব্র প্রেমাকুতি। এসএ/  

আজ বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে ‘ইত্যাদি’

বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে আজ একযোগে প্রচার হবে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’। আজ রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর পটুয়াখালী জেলার নৈসর্গিক লীলাভূমি সাগরকন্যা কুয়াকাটায় ধারণ করা ‘ইত্যাদি’ প্রচার হবে। এবারের পর্বে রয়েছে পটুয়াখালীর ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত-দর্শনীয় ও পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় স্থানগুলোর ওপর তথ্য ভিত্তিক প্রতিবেদন। পটুয়াখালীর সদর উপজেলার নন্দীপাড়ার আবদুর রাজ্জাক বিশ্বাসের সাপের খামারের ওপর রয়েছে একটি তথ্যসমৃদ্ধ প্রতিবেদন। ১৯৯৫ সালের ২৯শে সেপ্টেম্বর প্রচারিত ইত্যাদিতে পটুয়াখালী জেলার বাউফলের ধুলিয়া গ্রামের মোতালেবের বর্তমান গ্রাম উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ওপর রয়েছে একটি তথ্যসমৃদ্ধ প্রতিবেদন। সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া ও তাড়াশ উপজেলার সীমান্তবর্তী একটি গ্রাম এবং যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলার একটি গ্রামে কৃত্রিম ও প্রাকৃতিক উপায়ে মধু আহরণের ওপর রয়েছে একটি ব্যতিক্রমী প্রতিবেদন। এছাড়া কুয়াকাটার নবীনপুর গ্রামের মন্নান মাঝির নিঃস্বার্থ মানবিক কর্মকাণ্ডের ওপর রয়েছে একটি মানবিক প্রতিবেদন। সাগরের মাঝিরা যার নাম দিয়েছেন ‘সাগরবন্ধু’। প্রতিবারের মত এবারও বিদেশি প্রতিবেদনে রয়েছে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি দক্ষিণ আফ্রিকার বিধানিক রাজধানী কেপটাউনে অবস্থিত পৃথিবীর প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য টেবিল মাউন্টেনের ওপর একটি বিশেষ প্রতিবেদন। এবারের ইত্যাদিতে একটি দেশাত্মবোধক গান গেয়েছেন প্রখ্যাত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। এ ছাড়াও পটুয়াখালীকে নিয়ে লেখা একটি গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেছেন পটুয়াখালীরই স্থানীয় নৃত্যশিল্পীবৃন্দ। এসবের পাশাপাশি দর্শকপর্ব ও অন্যান্য নিয়মিত পর্বসহ এবারো রয়েছে বিভিন্ন সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে বেশ কিছু সরস অথচ তীক্ষ্ন নাট্যাংশ। ‘ইত্যাদি’ রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন। আর স্পন্সর করেছে যথারীতি কেয়া কস্‌মেটিকস্‌ লিমিটেড। এসএ/  

‘শিক্ষার্থীরা বলে- আপনি মুক্তিযোদ্ধা, আপনাকে একটু ছুঁয়ে দেখি’

মঞ্চ ও ছোট পর্দার শক্তিশালী অভিনেত্রী মোমেনা চৌধুরী মনে করেন পৃথিবীটা সাহসী মানুষের জন্য। সাহস সঠিক ভাবে কাজে লাগাতে পারলে পৃথিবী জয় করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। সম্প্রতি একুশে টেলিভিশন অনলাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। ২৬ মার্চ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে মোমেনা চৌধুরী অভিনীত একক নাটক ‘লালজমিন’ এর ২০৩তম মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হয়। ২০১১ সালের ১৯ মে নাটকটির প্রথম মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এত অল্প সময়ে এত বেশিবার কোনো একক নাটক মঞ্চায়ন হওয়া দেশের নাট্যজগতে একটি আলোচিত ঘটনা। কীভাবে এই কঠিন কাজটি সম্ভব হলো সে সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়েই লালজমিন নাটকের একমাত্র চরিত্র মোমেনা চৌধুরী এসব কথা বলেন। লালজমিন নাটকটি লিখেছেন মান্নান হীরা। নির্দেশনা করেছেন সুদীপ চক্রবর্তী। মোমেনা চৌধুরী নাটকটি মঞ্চায়নের শুরুর দিকে ইতিহাস বলতে গিয়ে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন তাদের প্রতি। তার মেয়ে নভেরা তাকে প্রতিনিয়ত উৎসাহ জাগিয়েছিল এমন কথাও বলেন। তিনি বলেন, প্রথম দিন পার্ট করার পরে তিনদিন ভয়ে মোবাইল বন্ধ রেখেছিলাম। পরে নাট্যকার হীরা ভাই, নির্দেশক সুদীপ ও আমার মেয়ে নভেরা আমাকে প্রচুর সাহস দেয়। তাদের সাহসে আমি সাহসী হয়ে উঠি। গুণী এই অভিনেত্রী ১৯৮৭ সাল থেকে অভিনয় করছেন। মঞ্চ ও ছোট পর্দায় ছিল তার সমান দাপট। ২০১১ সালে এক ঘটনায় তার চিন্তার জগতে প্রভাব ফেলে। তখন তিনি গঠন করেন শুন্যন রোপার্টরি থিয়েটার। এর ব্যানারে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লিখিত নাটক ‘লালজমিন’ এখনো পর্যন্ত ২০৩ বার মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হয়। শুধুমাত্র দেশের বিভিন্ন জায়গায় নয়, দেশের বাইরে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও কোরিয়ায় দর্শক নন্দিত হয়েছে নাটকটি। মোমেনা চৌধুরী ‘লালজমিন’ এর যাত্রাপথের ইতিহাস বলতে গিয়ে একুশে টেলিভিশন অনলাইনকে বলেন, ‘ছোট বেলা থেকে আমি সাহসী ছিলাম। কোন কাজের ঝুঁকি নিতে দ্বিধা করতাম না। যা সিদ্ধান্ত নিতাম তা করতাম। যে কোন কাজ শুরু করলে আমি লেগে থাকতাম।’ একক নাটক লালজমিন প্রদর্শনের পর দর্শকদের কেমন প্রতিক্রিয়া পান এমন প্রসঙ্গে মোমেনা চৌধুরী বলেন, ‘একজন অভিনেত্রী হিসেবে দর্শকদের যে আমি দেখতে পাই তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না।’ তিনি বলেন, ‘লালজমিন প্রথম মঞ্চায়ন হয় ২০১১ সালে। তখন দর্শকদের যে প্রতিক্রিয়া পেতাম এখন তার চেয়ে অনেক বেশি প্রতিক্রিয়া পাচ্ছি। তার প্রমাণ, চারদিক থেকে মানুষ ‘লালজমিন’ ডাকছে। সমাজের সবশ্রেণীর মানুষের কাছে লালজমিন এর গ্রহণযোগ্যতা তৈরী হয়েছে। পাটগ্রামে লালজমিন দু’বার মঞ্চায়ন হয়েছে। একটি একক নাটক একই জায়গায় দু’বার মঞ্চায়ন হওয়া দুর্লভ ব্যাপার। কিন্তু লালজমিন সেই দুর্লভ স্বার্থকতা অর্জন করেছে। মোমেনা চৌধুরী বলেন, ‘গ্রামের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শহুরে মানুষও নাটকটি টানছে। সচিবালয়ের অনেক সচিব লালজমিন দেখেছেন। বিভিন্ন জেলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসকগণ নাটকটি দেখেছেন। কেউ কেউ দু’বার তিনবার দেখেছেন। শুধু দেখছেন না, তারা আমাকে নাটকটি নিয়ে বিভিন্ন জেলায় পাঠাচ্ছেন। যেমন কয়েকদিন আগে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে করলাম। সেখানে ডিএমপি পুলিশ কর্মকর্তা আছাদুজ্জামান মিয়া ছিলেন। তিনি নাটক দেখে বললেন, নাটকটি তিনি অনেক জায়গায় করাবেন।’ মোমেনা চৌধুরী বলেন, ‘নাটকটি শেষ হলে বিভিন্ন বয়ষ্ক মানুষ যেমন কাঁদেন তেমনি এখনকার ছেলে-মেয়েদেরকেও অশ্রুসজল হতে দেখা যায়। ইতোমধ্যে বিশটা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে নাটকটির মঞ্চায়ন করেছি। যেখানে কোন আলোকসজ্জা ছিল না। দিন এগারোটায় শো করেছি। সেখানেও আমি দর্শককে কাঁদতে দেখেছি। আবেগে অনেক দর্শক আমাকে জড়িয়ে কেঁদেছে। ছেলে-মেয়েরা বলে, ‘আন্টি আপনি মুক্তিযোদ্ধা। আপনাকে একটু ছুঁয়ে দেখি?’ প্রসঙ্গত, লালজমিন মুক্তিযুদ্ধের পেক্ষাপটে রচিত মঞ্চ নাটক। শুন্যন রোপার্টরি থিয়েটারের ব্যানারে নাটকটির ২০৩ তম মঞ্চায়ন মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়। মান্নান হীরা রচিত ও সুদীপ চক্রবর্তী নির্দেশিত নাটকটির একটি মাত্র চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোমেনা চৌধুরী। আআ/এসএ/  

শুভ জন্মদিন বিপাশা হায়াত

অভিনেত্রী, নাট্যকার ও চিত্রশিল্পী বিপাশা হায়াত। আজ তার জন্মদিন। ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বাংলাদেশের টেলিভিশন, মঞ্চ ও চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রধান অভিনেত্রী হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাকে। তিনি বিখ্যাত টিভি অভিনেতা আবুল হায়াতের কন্যা। তার ছোট বোন নাতাশা হায়াতও একজন টিভি অভিনেত্রী। বিপাশা হায়াত জনপ্রিয় অভিনেতা নাট্য ও চলচ্চিত্র পরিচালক তৌকির আহমেদের স্ত্রী। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের মা। বর্তমানে তাকে অভিনয়ে দেখা না গেলেও এ সময়ে চিত্রশিল্প নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। নতুন দুটি টিভি নাটকও লিখছেন। আজ দিনটি পারিবারিক পরিমণ্ডলেই কাটাবেন বলে জানিয়েছেন। বিপাশা হায়াত বলেন, ‘প্রতি বছর জন্মদিন এলে আমি অনেকটা লজ্জা পাই। এ বিষয়ে কাউকে কিছুই জানাই না। দিনটিতে আমার সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটাতেই বেশি পছন্দ করি। মূলত পরিবারের সদস্যদের নিয়েই দিনটি কাটিয়ে দেই।’ নিজের শিল্পকর্ম ও ব্যস্ততা নিয়ে বলেন, ‘১৪ মার্চ পোল্যান্ডের ওয়ারশতে একটি চিত্রপ্রদর্শনী শুরু হয়েছে। সেখানে আমার চিত্রকর্ম স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাসের আয়োজনে সেই প্রদর্শনীর শুরুর দিন আমি উপস্থিত ছিলাম। ২১ মার্চ দেশে ফিরেছি। আগামী এপ্রিলজুড়েই চিত্রকর্ম নিয়ে ব্যস্ত থাকব। একই মাসে আন্তর্জাতিক একটি প্রদর্শনীতে আমার চিত্রকর্ম নিয়ে যোগ দেব।’ একুশে টেলিভিশনের পক্ষ থেকে এই শিল্পীর প্রতি অনেক অনেক শুভেচ্ছা। শুভ জন্মদিন। এসএ/  

ওমরাহ করতে মাকে নিয়ে সৌদি আরবে স্পর্শিয়া

অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়া। মাকে নিয়ে সৌদি আরবের মক্কায় ওমরাহ করতে গেছেন তিনি। নিজের ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে এ তথ্য নিজেই জানান দিয়েছেন অভিনেত্রী। গতকাল শুক্রবার সকাল ৯টা ৩৮ মিনিটে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এই স্ট্যাটাস দেন স্পর্শিয়া।  যেখানে স্পর্শিয়া লেখেন, ‘‘মা’র স্বপ্ন, ইচ্ছা পূরণ করতে মা’র সঙ্গে ওমরাহ এ মক্কায় আছি এক সপ্তাহ হলো। যারা জানে না তারা বলছে আমি দুবাইতে কোনো অসৎ কাজে আছি। যারা জানে তারা আমার ওমরাহ করা নিয়ে মজা নিচ্ছে। কয়েকজন বলছে এটা সিনেমার প্রচারণা ফাঁকি দেয়ার অজুহাত। ফিরে আসার পর খোলামেলা পোশাক পরলে বা ছবি দিলে (যা দিব) অনেক স্বল্প জ্ঞানী মানুষ দোজখের আগুনে পুড়াবে। সামনে পূজায় কলাবাগান- ধানমণ্ডি পূজা আয়োজনে প্রতি বছরের মত সামিল থাকলে আবারও সবার কৌতুহল আর গবেষণা শুরু হবে স্পর্শীয়া হিন্দু না মুসলিম? এবার তো সবাই জানলো মা মুসলিম। তাহলে কি বাপ হিন্দু? ...আরো কত কি! আমি ব্যাস খুশি যে নিজের পায়ে, মা’র হাত ধরে ওমরাহ সম্পূর্ণ করতে পেরেছি। (সেটার জন্য মাকে ধন্যবাদ কারণ আমাকে সে নিয়ে এসেছে)। সৃষ্টিকর্তার কাছে দোয়া চাই যেন আপনাদের মন এবং মানসিকতায় পরিচ্ছন্নতা আসে। আমিন।’ এসএ/  

একুশের জনপ্রিয় নাটক এখন ইউটিউবে (ভিডিও)

দেশের প্রথম বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল একুশে টিভি (ইটিভি) তাদের বিভিন্ন সময়ে প্রচারিত জনপ্রিয় সব নাটক প্রচার করছে ইউটিউবে। ‘ইটিভি ড্রামা’ নামক ইউটিউব চ্যানেলে এসব নাটক দেখা যাচ্ছে এখন। এখানে বিভিন্ন সময়ে প্রচারিত একক, ধারাবাহিক, বিশেষ দিবসের সব নাটকই পর্যায়ক্রমে আপলোড দেওয়া হবে। একুশের সকল দর্শক ও অনলাইনের পাঠকদের বিশেষ অনুরোধে পুরানো দিনের এই সব জনপ্রিয় নাটকগুলো এখন থেকে দেখা যাবে চ্যানেলটির ‘ইটিভি ড্রামা’ ইউটিউব চ্যানেলে। যেখানে- ইতিমধ্যে ‘ললিতা’, ‘থ্রি কমরেডস’ ‘রিয়া এখন রাজী’সহ বেশ কিছু নাটক এখন দেখা যাচ্ছে। ‘ললিতা’- নাটকে অভিনয় করেছেন সুমাইয়া শিমু, জয়ন্ত চট্টপাধ্যায়, শিরিন আলম, আনিসুর রহমান মিলন, বন্যা মির্জা, ইলোরা গহর, প্রাণরায়, আঁঁকা, মৌনতা, নাসিমা খান, মিশা সওদাগর প্রমুখ। এছাড়া ‘থ্রি কমরেডস’ নাটকটি কমেডি ধাঁচের গল্প। নাটকটির গল্প গড়ে উঠেছে একটি মেস বাড়িকে কেন্দ্র করে। শফিকুর রহমান শান্তনুর রচনায় এবং দীপু হাজরা পরিচালনায় নির্মিত ‘থ্রি কমরেডস’ নাটকটির নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন হাসান মাসুদ, শাহরিয়ার নাজিম জয় এবং আদনান ফারুক হিল্লোল। নাটকটিতে আরও অভিনয় করেছেন- নওশীন, অহনা, সীমানা, শামস সুমন, গোলাম ফরিদা ছন্দা, মাসুদ রানা মিঠু, সুমনা সোমা, ড. ইনামুল হক, কচি খন্দকার, তন্দ্রা, সিরাজ হায়দার, তুষার মাহমুদ, সুজাত শিমুল, মরিয়ম সরকারসহ আরও অনেকে। এছাড়া রয়েছে একক নাটক ‘পালকি’। এ নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন হিমু আকরাম। এতে অভিনয় করেছেন- সজল, এ্যানি, ড. ইনামুল হক, লুৎফর রহমান জর্জ প্রমুখ।    নাটক দেখুন, যেকোন মন্তব্য করুন এবং চ্যানেলটি অবশ্যই সাবসক্রাইব করুন।  এসএ/  

চুপিসারে বিয়ে, এরই মধ্যে ভেঙে গেল বৃষ্টির সংসার

অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি। ২০১২ সালে ভিট চ্যানেল আই টপ মডেল প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় রানার আপ হন তিনি। এরপরই শোবিজে পা রাখেন তানিয়া। ‘ঘাসফুল’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে তার। এরপর ‘লাভার নাম্বার ওয়ান’, ‘আয়না সুন্দরী’, ‘যদি তুমি জানতে’ সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। এছাড়া নিয়মিতভাবে নাটক ও বিজ্ঞাপনে দেখা গেছে তাকে। ক্যারিয়ারের ব্যস্ত সময়ে হঠাৎ বিয়ে করেন তানিয়া। অনেকটা চুপিসারেই অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী সাব্বির চৌধুরীকে বিয়ে করেছিলেন তিনি।  বিয়ের পর বেশ খানিকটা সময় মিডিয়াতে সরব ছিলেন না তানিয়া। সাব্বির সিডনির একটি টেলিভিশনে কর্মরত। পাশাপাশি বেশকিছু টিভি নাটক প্রযোজনা করেছেন। তার প্রযোজনায় কাজ করতে গিয়ে পরিচয় হয় তানিয়ার সঙ্গে। দুই পরিবারের সম্মতিতে ২০১৭ সালের ৩০ জুন বাগদান হয় তাদের। এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে তানিয়া জানান, ১ বছর আগে দুই পরিবারের সম্মতিতে এই বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তারা আলাদা থাকছেন। ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে মিডিয়াতে কথা বলেতে চান না বলেও জানান এই তরুণ অভিনেত্রী। সম্প্রতি তাকে আবারও শোবিজে সরব দেখা যাচ্ছে। এখন বৃষ্টি নিয়মিত অভিনয় করে নিজেকে আরও সমৃদ্ধ করতে চান।  এসএ/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি